আমার প্রিয় পোস্ট
- বি ডি আর হত্যাকান্ডের সেই গোপনীয় অধ্যায়গুলো-১ম খন্ড - স্বাধীনতার_অপেক্ষায়
- সামহয়ারইন ব্লগে আমার করা কয়েকটি পিডিএফ ই-বুক
(আপডেটেড) - ~স্বপ্নজয়~
- বিডিআর হত্যাকান্ড : আমার প্রতিক্রিয়া, আমার প্রতিবাদ - ক্ষতিগ্রস্থ
- বাংলাদেশের প্রায় সকল পর্যটন স্হানের ছবি ব্লগের সংকলন (শত তম পোষ্ট ) - শ।মসীর
- IDM বিষয়ক দরকারী পোস্টের লিংকসমুহ

- মাহিন আহমেদ
- ওয়েসিস অফ দি সিজ : বিশ্বের বৃহত্তম প্রমোদতরী (ছবিসহ বিস্তারিত) - পথে-প্রান্তরে
- ফটোশপ দিয়ে চমৎকার টেক্সট ইফেক্ট তৈরী করুন - মাহমুদ সিএসই
- আসুন সহজে পিসি-টু-পিসি LAN করি (পর্ব – ১) - মাহমুদ সিএসই
-
সামহোয়্যার ইন কিডস
- পুরাতন
- সহজ নেটওয়ার্কিং ও ইন্টারনেট শেয়ারিং - ত্রিভুজ
- বাংলাদেশী ওয়েব এড্রেস (অনলাইনে প্রতিদিন) - সিটিজি৪বিডি
- নাগরিক অবস্থান থেকে আমি বিডিআর জওয়ানদের নিরাপত্তা নিয়েই মূলতঃ চিন্তিত - জ্বিনের বাদশা
- একটি সরকারি প্রতিষ্ঠানের কিছু সমস্যা এবং অনেক সম্ভাবনা। - আজমান আন্দালিব
- কেবলই চোখ ভিজে ওঠে... - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- হাসন রাজার সংক্ষিপ্ত জীবনী ও হাসন রাজা যাদুঘরে রক্ষিত জিনিষ পত্রের কিছু ছবি - মহলদার
- নির্বাচন ও সংখ্যালঘু হাহাকার - বেতাল
- হিন্দু হওয়াই কি আমাদের আজন্ম পাপ? - অচেনা সৈকত
- এসো পরিচিত হই বাংলার ফুলের সাথে - রাজামশাই
- পেনড্রাইভ থেকে পিসিতে ভাইরাস ঢোকবার পথটাই বন্ধ করে দিন - মোঃ রফিকুল আলম (পাভেল)
লালন ফকির ও কতিপয় গুরুতর প্রসঙ্গঃ পর্ব-২
০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪২
প্রথম পর্ব
লালনকে নিয়ে দ্বিতীয় একটি সমস্যা আছে, যা শুধু প্রবল কি প্রকট নয়, রীতিমত বিপজ্জনকও বটে। কেউ কেউ লালনকে বলেন, আউলিয়া। খুবই বিপদ যে, এই ধরণের গবেষকদের প্রলাপোক্তির কোন সীমা পরিসীমা নেই। যে ব্যক্তি জীবনে এক ওয়াক্ত নামাজ পড়েন নি, একটি রোজা রাখেন নি, যিনি চৈত্র-মাসের দোল পূর্ণিমাকে গ্রহণ করেছেন তার বাৎসরিক পূণ্যযজ্ঞের মাহেন্দ্র রজনীরূপে, যিনি যাপন করেছেন ইসলামের সঙ্গে গুরুতরভাবে সম্পর্করিক্ত এক মুশরেকী জীবন, যার শিষ্য প্রশিষ্যদের আধ্যাত্নিক সাধনার শ্রেষ্ঠতম অনুপান গঞ্জিকা(গাঁজা)-তিনিও একজন আউলিয়া। আউলিয়াই বটে। কোন কোন গবেষকের প্রেম ও কল্পনা শক্তি যে সত্যই বড় প্রবল, এটা তারই প্রমাণ।
জন্মসূত্রে লালন কী ছিলেন এ নিয়ে কিছু সংশয় থাকতে পারে, কিন্তু তার জীবনাচারে যে ইসলাম ও মুসলমানিত্বের গন্ধমাত্র ছিল না, এটা তো দিবালোকের মতো স্পষ্ট। তবু তাকে আউলিয়া দরবেশ অভিহিত করে কিছু কিছু গবেষক কী যে তৃপ্তি ও সুখ ও ফায়দা লাভ করেন, আল্লাহপাক জানেন। এবং পন্ডিতজনেরা কিন্তু যথেষ্ট সাফল্যও লাভ করেছেন; কারণ অবস্থা অতিদ্রুত এমন রূপ পরিগ্রহ করেছে যে, গঞ্জিকাপায়ী সংসার পলাতক কিছু লালনভক্ত শুধু নয়, বহু সাধারণ মুসলমানও বিশ্বাস করে, লালন একজন খুবই বড় মাপের আউলিয়া ছিলেন। বদনসীব, বাঙ্গালী মুসলমানদের সত্যই বড় বদনসীব।
বর্তমান লালনপ্রেমীদের খুব কষ্ট হবে, তবু দু একটি বিষয়ে আলোকপাত করা বিশেষ জরুরী। প্রকৃত পক্ষে লালনের যথার্থ পরিচয় অতভাবে বিধৃত হয়ে আছে তার সমসাময়িক ও তৎপরবর্তী প্রায় পৌনে এক শতাব্দীর ইতিহাস এবং তার গানের মধ্যে। লালনকে নিয়ে ইতিহাস বিকৃতি শুরু হয়েছে পাকিস্তান আমলে ১৯৬৫ সালের পর। সম্ভবতঃ রবীন্দ্রনাথের প্রতিপ হিসেবে দাঁড় করানোর একটি নিরর্থক রাজনৈতিক উদ্দেশ্যলালিত লক্ষ্য নিয়েই এই বিকৃতি প্রক্রিয়ার শুরু। এবং আজকের আমরা যে লালনকে দেখতে পাচ্ছি, সেটা অংশত ওই প্রক্রিয়ারই পরিণতি। তবে বর্তমান প্রবন্ধে এ নিয়ে আলোচনার বেশী অবকাশ নেই কারণ বর্তমান লেখাটির প্রতিপাদ্য একটু ভিন্ন।
লালন কিভাবে ও কতখানি বিপজ্জনক ছিল এবং এখনো যে বিপদ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেই সমস্যাটি তুলে ধরাই বর্তমান আলোচনার মূল লক্ষ্য। সমস্যাটা হলো, লালন মুসলমান ছিলেন না মুমেনও ছিলেন না এবং আউলিয়া হওয়ার তো কোন প্রশ্নই উঠে না; অথচ এই সকল অভিধায় আজ তাকে অভিহিত করা হচ্ছে। যার মধ্যে সামান্যতম ঈমান আছে, ইসলামের জন্যে নিভূ নিভূ হলেও কিছুটা অন্তত প্রীতি আছে, তার পক্ষে এসব অকথ্য মিথ্যাচার সহ্য করা কষ্টকর।
লালনকে এখন আদর করে বলা হয় বাউল সম্রাট। আমাদের কোন আপত্তি নেই; আমরা বরং এই ভেবে খুশীই যে, আমাদের এই দরিদ্র দেশে এমন একজন সম্রাটের জন্ম যার গানের ছত্রছায়া এখনো আমাদের উপর ছায়া বিস্তার করে আছে। কিন্তু কেউ অস্বীকার করেন না, করতেও পারেন না যে, অদ্যকার এই বাউল সম্রাট তার স্বসময়ে এবং পরবর্তীকালেও অনেকদিন পর্যন্ত বেশরা ন্যাড়ার ফকির বলেই আখ্যায়িত হয়ে এসেছেন। এবং আজ যাকে বলা হচ্ছে মাজার; কিছুদিন মাত্র আগেও তার নাম ছিল লালনের আখড়া; আর ঝোপজঙ্গল পরিকীর্ণ সেই আখড়াটি ছিল গঞ্জিকাসেবী-প্রেমী রসিকজনের নিরিবিলি আশ্রয়স্থল। এই আখড়াই পরিবর্তিত বর্তমান রূপ হলো লালন শাহের মাজার।
সরকারী পৃষ্টপোষকতা ও অন্য অনেক কারণে ইতোমধ্যে এই মাজার-এর একটি অপরিহার্য প্রভাব বলয়ও তৈরী হয়েছে, যে কারণে দুরদুরান্ত থেকে ডুগি-একতারা ও গাঁজার কল্কি নিয়ে ’সাধক পুরুষেরা’ তো আসছেনই, শীরনি-মানতসহ বহু সরল প্রাণ মুসলমানও আসছে এই মাজার জিয়ারত করতে। এটা একটা ফিতনা এবং এমন ফিতনা যার কারণে বহু ঈমান নষ্ট হচ্ছে। বলাই বাহুল্য’, লালনের আখড়া কেন্দ্রিক এই ফিতনাটি একেবারে নতুন নয়, তিন সাড়ে তিন দশক আগে এই বিপদের আরম্ভ এবং তারপর থেকে ক্রমাগতই এই ফিতনা প্রবল হয়ে উঠেছে। অথচ সকল সরকার ও সকল সচেতন মানুষের একথা বলা উচিত ছিল-যত বড় আউলিয়াই হোন তার মাজারে গিয়ে কোন কিছু প্রার্থনা করা সুস্পষ্ট র্শিক। অতএব, নিষিদ্ধ; আর এটা তো কোন মাজারই নয়, এটা একজন বাউল গীতিকারের সমাধিত্রে। বিশেষ করে আমাদের আলেম উলামাদের প থেকে এ কথা উচ্চারণ করা খুবই জরুরী ছিল, কারণ এটা তাদের ঈমানী দায়িত্ব। কিন্তু না, তাঁরাও কিছু বলেন না। সম্ভবতঃ বলেন না তার কারণ, তাদের অধিকাংশেরই এমন অবস্থা যে, দোয়ার মাহফিলে ওয়াজ করতে করতেই তারা পরিশ্রান্ত হয়ে পড়েন। সামান্য যেটুকু শক্তি অবশিষ্ট থাকে, তা তারা তসলিমা নাসরিন নামক এক বিপ্তিচিত্ত বালিকা ও কতিপয় মুরতাদ বুদ্ধিজীবিদের বিরুদ্ধে নাটুকে লড়াইয়ের মধ্যেই নিঃশেষ করে ফেলেন। অবশ্য এটি ভিন্ন আলোচনার বস্তু, লালন প্রসঙ্গে ফিরে আসি।
আমাদের কাছে এটা দুর্বোধ্য যে, লালন যা নয় তা প্রমাণ ও প্রতিষ্ঠা করতে কিছু মানুষের এত উৎসাহ কেন? আবহমান বাংলা গানের ইতিহাসে লালন যে অন্যতম শ্রেষ্ঠ পুরুষ, এ নিয়ে কোন মতবিরোধ নেই; এবং শ্রোতারা তার গানে যদি আনন্দে আন্দোলিত হয় সেখানেও কিছু বলার নেই। কারণ তার সুর ও বাণীর মধ্যে এমন এক ধরণের নান্দনিকতা আছে, যা চিরকালই সংস্কৃতিপ্রেমী মানুষকে কম-বেশী আকর্ষণ করবেই। কিন্তু এটা তো মনে রাখা উচিত যে, তিনি না কোন দরবেশ এবং তার গান না এতটুকু ইসলামের সঙ্গে সংগতিপূর্ণ। নামাজ রোজা রাসুল ইত্যাদি ধরণের কিছু ইসলামী শব্দ ও দু একটি ইসলামসম্মত পক্তি দেখে কেউ কেউ বিপুলভাবে উৎসাহিত হতে পারেন, কিন্তু বস্তুত তার গানের পুরো আবহই যে ইসলামী আকীদার পরিপন্থী, এ কথা না মানার কোন যুক্তি নেই, কোন উপায়ও নেই। দু একটি মাত্র উদারহণ পেশ করলেই বিষয়টি পরিস্কার হয়ে যায় যে, লালন আসলেই কি পরিমাণে ইসলামের সম্পূর্ণ বর্হিভূত এক বেশরা জিন্দিক।
আপনি খোদা আপনি নবী,
আপনি হন আদম সফি
অথবা,
আল্লাহ নবী দুটি অবতার,
গাছ বীজ দেখি যে প্রকার
কিংবা
যে মুরশিদ সেই তো রাসুল, ইহাতে নাই কোন ভূল, খোদাও সে হয়-
এই সকল গান কী প্রমাণ করে? প্রমাণিত হয়, ইসলামের মৌলিক ও অলঙ্ঘ্য দাবি যে তওহিদ, সেই তওহিদের সরাসরি মোকাবিলায় দন্ডায়মান লালন এক কুশলী কবি তীরন্দাজ। তার গান শুনতে যতই মধুরই হোক, তাৎণিক আবেদন হোক যতই মর্মস্পর্শী, আসলে এই গান মুসলমানদের ঈমান ও আকীদা বিধ্বংসী এক একটি দুর্বার মারণাস্ত্র। অথচ কী বদনসীব আমাদের, এমন ঈমানবিনাশী মারণাস্ত্র নির্মাতাকেই আমরা বলছি সুফী দরবেশ আউলিয়া এবং কখনো কখনো বলছি মারেফাতের নিগূঢ় রহস্যভেদী এক ইনসানে-ই-কামেল। কালেমই বটে, না হলে এই কথা কি আর যে কেউ গানে বাধতে পারে-
এক এক দেশের এক এক বাণী,
পাঠান কি সাঁই গুণমনি,
মানুষের রচিত বাণী লালন ফকির কয়।
এমন ইসলাম দরদী কামেল পুরুষ ছাড়া কে আর এমন করে বলতে পারে-
কে বোঝে তোমার অপার লীলে,
তুমি আপনি আল্লাহ ডাকে আল্লাহ বলে।
তুমি আগমেরই ফুল নিগমে রসূল,
এসে আদমের ধড়ে জান হইলে।
কী গর্হিত ও ভয়াবহ উক্তি! রাসূলকে আল্লাহ এবং আল্লাহকে রাসূল মনে করার এই জঘন্যতম আকীদা ইসলামের মূলে কুঠারাঘাত করারই অপচেষ্টা। লালন ফকিরের এই এক ধরণের গান, যেখানে তওহিদ-রেসালাত, কোরআন সুন্নাহ ইসলামের মূল আকীদা বিশ্বাস সবকিছুকে অস্বীকার করে, এক জাতীয় কুহকভরা মরমিয়া নান্দনিকতার মোড়কে এমন সব কথা বলা হয়েছে যা রীতিমত শিরক-কুফর নিফাক ও গোমরাহীর চুড়ান্ত। আফসোস, যা কিছু উৎখাত করবার জন্য এই ধরাপৃষ্ঠে ইসলামের আগমন, লালনের গানে সেই সকল নিষিদ্ধ বিষয়ই বার বার বাঙময় হয়ে উঠে; এবং আরো আফসোস যে, সেই সকল দুর্বাক্যপূর্ণ গান সসম্মান প্রতিষ্ঠা ও পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করে।
চলবে..........
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): লালন, আমাদের মানস, লোক সংস্কৃতি ; ;
বিষয়বস্তুর স্বত্ত্বাধীকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মেহেদী_বিএনসিসি বলেছেন:
ইউনিভার্সিটির রমনা পার্কে গঞ্জিকা সেবনরত মাঝে মাঝে সেই মাজার থেকে আগত সাধক পাওয়া যায়, যাহারা শহুরে ছেলেদের বাঁশি তথা কলকিতে গঞ্জিকা সেবনে দীক্ষা দেন। তাদের এই বিশেষজ্ঞগন বিভন্ন ধারা উপধারা দেখিয়ে এটাই প্রমান করতে চায় ইবাদত দু ধরনের, এই দু রাস্তার যেকোন একটিতে হাটলেই চলে, একটা হলো ট্রাডিশনাল নামাজ রোজা করা, আরেকটা হলো গঞ্জিকা সেবন করে ধ্যানে মগ্ন হওয়া বা গান বাজনা করা। তারা বিশ্বাস করে বা করাতে চায় এভাবে আধ্যাত্বিক ভাবেও খোদার জ্যোতী লাভ সম্ভব। আর আমি বাস্তবে কিছু শহুরে পুলাপাইনকে দেখেছি এইটা ভালভাবেই মাথায় নিয়া, চারুকলার গেইটে বা পার্কে গিয়ে সিদ্ধি বাবা ভাব নিয়া আস্তানা গড়তে। এবং পরিশেষে কাপড়ের বদলে রাস্তায় চটের ছালা দিয়ে পাগলের বেশ ধরতে। তো গানের জগতে তাকে সব সম্মাননা দেওয়া হোক, কিন্তু তাকে দারবেশ বা আলেমের পর্যায় তুলনা একমাত্র বোকারাই করতে পারে। বহুত গানেই আল্লাহর নাম আছে, যেমন কারিনার একটা হিন্দি সিনেমার গানেই আল্লাহ শব্দটা আছে, তাই বলে সে কি সুফি আউলিয়া হয়ে গেছে।
লেখক বলেছেন: আপনার বর্ণনায় বাস্তবতার এক ভয়াবহ রূপ দেখা গেল। ধন্যবাদ... সুন্দর মন্তব্যের জন্য। আসলে ইসলামী শরিয়তবিরোধী নানা তরিকা পন্থীদের থেকে আমাদের সচেতন দুরত্ব বজায় রাখতে হবে।
আহমেদ চঞ্চল বলেছেন:
আপনার লেখাতে অকাট্য যুক্তি নিহীত। এ জগতে যুগে যুগে কিছু প্রতিভাবান এসেছে-----যাদের প্রতিভার তীব্রতা এত বেশী যে আমরা প্রায়ই ভূল করে তাদের কে অতি মানব বা পীর ভেবে ফেলি।।।।
লালনের ক্ষেত্রে---ও তেমনটি ঘটে থাকে।।
ইসলাম ধর্মের সাথে লালনের আদর্শের যেমন বৈরীতা আছে আবার কিন্তু সাদৃশ্য-ও আছে। মানুষ এবং সাধনা -----কে লালনের গানে যেভাবে গুরুত্ব ও মোহময় হয়ে উঠে এসেছে তাতে সবাই---ই কিন্তু ভুলের ফাদে পড়ে বা পড়তে পছন্দ করে।।।।।।
তবে যারা সত্যিকার লালন--কে ভালবাসে। যারা লালন-কে জানে । লালনের জীবনাচার নিজ জীবনে চর্চা করে তারা অনেক টা মনের তাগিদেই ঘর ছাড়া ও ধর্ম ছাড়া।
আপনার লেখাটা--- হয়তো অনেকের ভূল ভাঙ্গাতে পারবে ।।।।।।।
লেখক বলেছেন: প্রথমেই বলে নিই এই লেখাটি আমার নয়। শ্রদ্ধেয় আবু জাফর স্যারের। প্রথম পর্বে সে কথা ভূমিকায় বলেছি, হয়তো আপনি প্রথম পর্ব দেখেননি।
যাহোক, লালনের আদর্শের সাথে ইসলামের সাদৃশ্য যেটুকু আছে এবং সে সদৃশ্য খুঁজতে যাওয়া যে বিপজ্জনক তা কিন্তু আলোচ্য লেখায় আছে।
বস্তুত আমরা কুহকের মধ্যেই জীবন যাপন করছি।
আশা করি লালন সম্পর্কে আমাদের অনেক ভুল ধারণা ও বিশ্বাসের অবসান ঘটবে।
রিয়াজুল ইস্লাম বলেছেন:
অনেকগুলো বিষয় নিয়ে হাজির হয়েছেন এ পর্বে, একবার-ই পড়লাম, পরে আরো ভালোভাবে পড়বো। তবে সংক্ষেপে আমার মতামত:১) লালন কোনভাবেই ইসলামের আউলিয়া, ব্যাক্তিত্ব, প্রতিনিধি হতে পারে না। তিনি বিভিন্ন ধর্মের বিভিন্ন দেবতা পদ্ধতিকে অস্বীকারই করেছেন এটা দিনের আলোর মত পরিষ্কার। তবে তিনি সব মানুষে মানুষে কোন ভেদাভেদ চান নি এটাই আমি জানি।
২) মাজার সংস্কৃতি পরিবর্তনা হওয়া উচিৎ, তবে এই ধরণের সংস্কৃতি বাঁচিয়ে রাখলে যারা ইসলামের দুশমন তাদের জন্য সুবিধায় হয় তাই তারা যে এটা বন্ধ করবে না এটা নিশ্চিৎ, আপনি কি বলেন? আবার ভন্ড দর্ম ব্যবসায়ীরা তো নিজেই এগুলো করে।
তবে লালন যে এক প্রতিভাধর কবিপুরুষ ছিলেন এতে কোন সন্দেহ নেই।
পোষ্টে অবশ্যই প্লাস।
অট: আমাদের কলেজের (কুষ্টিয়া সরকারি কলেজ) তৎকালিন (আমরা যখন পড়েছি) প্রিন্সিপাল ড. আনোয়ারুল করিম লালনের উপরে পিএইচডি নিয়েছিলেন বলে জানতাম।
লেখক বলেছেন: মানুষের ভেদাভেদ কিন্তু ইসলামও চায় না। এখানে ভেদাভেদ বলতে আদর্শ আর বিশ্বাসের পার্থক্য।
আপনি নিজেই বলেছেন ধর্মব্যবসায়ী ভন্ডরা মাজার পূজা করে, তাদের সমর্থন দেয়ার কোন যুক্তি আমার কাছে নেই। এদের পরিত্যাগ করা ঈমানী দায়িত্ব।
লালনকে নিয়ে অনেকেই গবেষণা করেছেন, পিএইচডি তো বটেই!
বলাই বাহুল্য, লালনের মুসলমান হওয়া না হওয়ার সঙ্গে আমাদের আদৌ কোন ক্ষতি-বৃদ্ধির যোগ নেই। লালন কে, এটা বড় কথা নয়; লালন কী, এটাই আসল কথা।
ধন্যবাদ পড়ার জন্য এবং মন্তব্য করার জন্য।
ধীবর বলেছেন:
চমৎকার আর অসাধারণ লিখেছেন ফালতু মিয়া ভাই। বাউলদের এদেশে আগমনের একটা ইতিহাস সমন্ধে গোলাম ইবনে সামাদের একটি লেখা পড়েছিলাম। আপনার লেখাটা আমার জানার পরিধির ব্যাপ্তি ঘটালো। এজন্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আমার মনে হচ্ছে অবাধ স্বাধীন একটা জীবনাচারকে লালন চর্চা নাম দিয়ে হালাল করার অপচেস্টা সফল করার জন্যই অনেক কল্পকাহিনীর নাম দেয়া হয়েছে। নইলে শহুরে শিক্ষিত শ্রেণির তরুন বৃদ্ধরা কোন কারনে পাড়া গায়ে দর্শন দিয়ে যাবে? উহু সেটা মাটির টানে নয়, ধোয়ার টানে।
বাউলদের জীবনচর্চার সাথে বোস্টমদের অনেক মিল পাওয়া যায়। কোন কারণে হুমকির সম্মুখিন হওয়া বোস্টমরাই কি অস্তিত্ব রক্ষার প্রয়োজনে বাউল নামের ভিন্ন পরিচয়ে একই জীবনধারা চালিয়ে যাচ্ছে?
লেখক বলেছেন: এই লেখাটি আমার নয়। শ্রদ্ধেয় আবু জাফর স্যারের। প্রথম পর্বে সে কথা ভূমিকায় বলেছি, হয়তো আপনি প্রথম পর্ব দেখেননি।
যা হোক, বোষ্টমীরা এই আউল বাউল হতে পারে, কিন্তু একজন ঈমানদার মুসলমান এটা অনুসরণ করতে পারে না। বিপজ্জনক কিন্তু এটাই।
ধন্যবাদ সুচিন্তিত মতামত দেয়ার জন্য।
আহমেদ চঞ্চল বলেছেন:
হ্যা। প্রথম পর্ব-ও দেখলাম । লিখে যান।।।।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
মিআমি বলেছেন:
ফালতু মিয়ার ফালতু কথা
আমায় দিল বুকে ব্যাথা
চালিয়ে যান
পড়বো আমি সামনের কথা ।
আপনার লিখা এখানে ও লিখতে পারেন
Click This Link
লেখক বলেছেন: আপনার দেয়া লিংকে গেলাম, দেখি সময় করতে পারলে....
ভালো লেগেছে; গন্জিকা সেবী কী করে আউলিয়া হয়, সেইটা আমার মাথায়ও ধরে না!
লেখক বলেছেন: ভেবে দেখুন, এক ওয়াক্ত নামাজ যিনি কোন দিন পড়েননি, ইসলামের কোন আহকাম মানেননি, তিনি কিভাবে আমাদের আরাধ্য পুরুষ হন!!
নাঈম বলেছেন:
এই পর্বটা দারুন লাগলো........চলুক.........
আপনার সংগ্রহে না থকলে সংগ্রহ করে আগে পড়ুন বুঝুন। তারপর এত বড় মাপের একজন মনীষা সম্র্পকে লিখলে আশাকরি বিব্রান্তি কম হবে।
আমি তার অনেক অন্তত শ'২য়েক গান দুলর্ভ পেয়েছি যেখানে আল্লাহ রাসূল ঈমান, ইবাদত নিয়ে খুব গভীর লেখা আছে।
নজরুলওতো অনেক পদাবলী, কীর্তন লিখেছেন। তাই কি বলবেন নজরুল কাফের বা অন্যকিছূ!!
আবদেল মান্নান এর লালন অভীধান বইটি যদি পারেন সংগ্রহ করে দেখবেন অনেক অবোধ্য শব্দের কি সুন্দর সহজ আর গবীর ব্যাপ্তিময় ভ্যাখ্যা আছে।
তবে আমাদের সহজে ক্ষেপে যাবার প্রবণতা আমাদের বেমী ক্ষতি করে। এইটা আমার অভিমত। তবে যদি ধৈর্য ধরে আগাতে পারি তবে .. সাফল্য নিশ্চিত..
লেখক বলেছেন: যত গভীরেই তিনি থাকুন বা গিয়ে থাকেন, যিনি এক ওয়াক্ত নামাজ পড়েননি, কোনদিন রোজ রাখেন নি, তিনি কোন ভাবেই একজন মুসলমানের আরাধ্য-অনুসারী অনুকরণীয় হতে পারেন না।
এই বিষয়ে কোন আপোষ চলতে পারে না।
আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আমিও আশা করবো আপনি সব গুলো পর্ব পড়ার পরে সিদ্ধান্ত দেবেন।
লেখক বলেছেন: পড়ুন এবং আপনার মন্তব্য দিন। আমি আপনার লেখা পড়ি কিন্তু কোন কমেন্ট করি না। সাহসে কুলায় না।
বংশী নদীর পাড়ে বলেছেন:
১ম পর্ব পড়ার পর কোনো মন্তব্য করিনি ভেবেছিলাম সবকটি পর্ব পড়ার পর শেষে মন্তব্য করবো। এবার ২য় পর্ব পড়ে কিছু না বলে পারছিনা। আবু জাফর সাহেব যে একজন মৌলবাদী এবং তার চিন্তা-চেতনায় যে অগভীরতা আছে তা ফালতু মিয়া উপস্থাপিত জাফর সাহেবের লেখা থেকে পরিস্কার বুঝা যায়। লালন সম্বন্ধে যতটুকু জানি এবং জানার চেষ্টা করছি তাতে এতটুকু অনুধাবন করা যায় যে, লালনকে বুঝতে হলে গভীর চিন্তার প্রয়োজন। বাহ্যিক দৃষ্টিতে লালনকে দেখলে ফালতু হাজার প্রশ্নের সৃষ্টি হবে। অগভীর জ্ঞান দিয়ে লালনকে বিচার করলে সেখানে জাফর সাহেবের মতো দেখা হবে লালনকে। এই লেখা থেকে উস্কানী মূলক ইংগিতই বহন করেনা বরং লালন সম্বদ্ধে ভুল এবং বিকৃত তথ্য দেয়াই বুঝায়। বাকি পর্বগুলোও ধৈর্য ধরে পড়বো এরপরে শেষে আরো কিছু বলার আশা রইলো।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...














