ভারতের টিপাই বাঁধ প্রকল্প আজকের বা গতকালকের কোনো পরিকল্পনা নয়। ২০০৩ সালের ৯ জানুয়ারী টিপাইমুখ বাধের ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকার এবং মনিপুর রাজ্য সরকারের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করে। তখন থেকেই স্থানীয় জনগণের পক্ষ থেকে প্রতিবাদ উচ্চারিত হচ্ছিল। ২০০৪ সালের ২৪ নভেম্বর ভারতের তৎকালীণ প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং টিপাই বাঁধের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করলে বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশেও আলোচনা শুরু হয়। তখন বিএনপি-জামাত জোট সরকার ক্ষমতায়। তারা সেদিন (সরকারি ভাবে এবং দলগতভাবে) কি বলেছিলেন? কি উদ্যোগ নিয়েছিলেন? আজ বিরোধী দলে থেকে কি বলছেন? সেদিন আওয়ামী লীগ বিরোধী দলে ছিলেন। কি বলেছিলেন?
টিপাই বাঁধ নিয়ে একটি লেখা স্টিকি করা হয়েছে। দিনমজুর অত্যন্ত পরিশ্রম করে তথ্যবহুল লেখাটি লিখেছেন। আরো বেশ কয়েকজনও লিখেছেন। তাই টিপাই বাঁধের ভাল মন্দ নিয়ে নতুন করে আমার কিছু লেখার নেই।
২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকায় দলীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন
আমি একটা রাজনৈতিক দলের সাথে যুক্ত। আমি আমার দলের ঢোল বাজানোর জন্য এ লেখাটা লিখিনি। আমাদের দল সেদিন এর বিরুদ্ধে সোচ্চার অবস্থান নিয়েছিল। কিন্তু যেহেতু আমাদের দৈনিক পত্রিকায় এবং টিভি মিডিয়ায় আমাদের ভূমিকা সেদিন তুলে ধরা হয়নি তাই এখানে আমি প্রমাণ হিসাবে আমাদের কিছু কর্মসূচির ছবি তুলে দিলাম।
একইভাবে ভারতের আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্প, যার মাধ্যমে বাংলাদেশের শীত মওসুমের প্রধান পানিপ্রবাহ ব্রহ্মপুত্র নদ থেকে পানি প্রত্যাহার করে নেওয়ারও একটি পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে। তার বিরুদ্ধেও আমাদের দলের পক্ষ থেকে ২০০৬ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ পর্যন্ত ৬ দিনব্যাপী ঢাকা-কুড়িগ্রাম লংমার্চ লংমার্চ কর্মসূচি পালন করা হয়েছিল।
১ মার্চ সিলেট শহীদ মিনারে উদ্বোধানী সমাবেশ
লংমার্চ : পথে পথে
২ মার্চ জকিগঞ্জ শিশুপার্কে সমাপনী সমাবেশ
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে মে, ২০০৯ রাত ৩:০৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


