আমার প্রিয় পোস্ট

"আকাশে নক্ষত্র দেখে নক্ষত্রের মতন না হয়ে পারিনি আমি / নদী তীরে বসে তার ঢেউয়ের কাঁপন, / বেজেছে আমার বুকে বেদনার মত / ঘাসের হরিৎ রসে ছেয়েছে হৃদয়"। _আহমদ ছফা

হুমায়ূন আহমদ : আহমদ ছফার চোখে

২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:০৪

শেয়ারঃ
0 4 0

আজ সন্ধ্যায় মাশা বলে একজন ব্লগারের একটি লেখা "হুমায়ূন আহমেদের (হুমায়ূন আহম্মক নহে) বই। বলপয়েন্ট।।" (২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৪) দেখে এবং সেখানে কিছু মন্তব্য দেখে এ লেখাটি।
সবই আহমদ ছফার সাক্ষাৎকার থেকে। রচনাবলী তৃতীয় খণ্ড (খান ব্রাদার্স এন্ড কোম্পানি) এখানে প্রসঙ্গত ইমদাদুল হক মিলনের বিষয়ও এসেছে, যাকে হুমায়ূন আহমেদ সেরা লেখকের সার্টিফিকেট দিয়েছেন। আরো দু'চারজন লেখকের বিষয়ও এসেছে।

এ সাক্ষাৎকারটি নিয়েছিলেন সাজ্জাদ শরীফ ও ব্রাত্য রাইসু মিলে। জানুয়ারি ১৯৯৬।

ছফা : ... হুমায়ূনের বড় প্রবলেমটা হচ্ছে সে এখন যে সোশ্যাল ডায়ালেক্টিকসের মধ্যে পড়ে গেছে ... অর্থাৎ সোশ্যাল ডায়ালেক্টিকসটা ... হুমায়ূন কিংবা মিলন এই লোকগুলো, মার্শাল ল'র মধ্যে এঁদের গ্রোথ ...
রাইসু : মার্শাল ল'র মধ্যে?
ছফা : মার্শাল ল'র ভেতরেই একদম। লেখক হিসেবে সেভেন্টি ফোরে তার উপন্যাস বেরিয়েছে, সেভেন্টি ফাইভ থেকে এদের গ্রোথ। মার্শাল ল'র মধ্যে আমাদের গ্রেটেস্ট সোশ্যাল ডিসকোর্স যেগুলো ... একজন লেখককে সোশ্যাল ডিসকোর্সে অংশগ্রহণ করতে হয়।
রাইসু : ওনারা করেন নাই?
ছফা : হুমায়ূন করে নাই একদম।
রাইসু : মিলন?
ছফা : মিলন যেটা করে, 'আনন্দবাজার' যে ডিসকোর্সটা আমাদের উপর চাপিয়ে দিয়েছে ...
রাইসু : সেইটা করছেন?
ছফা : সেইটাতে অংশগ্রহণ করেছে।
রাইসু : মিলন তাইলে ঐ ইন্ডিয়ানদের বলি?
ছফা : বলি, আমি সেইটা বলব না। এগুলো সাধারণ লোক বলবে। কিন্তু মিলন যে ডায়ালেক্টিকসটায় এখন কাজ করছে, সোশ্যাল ডায়ালেক্টিকসে, সেটা আমাদের নিজেদের ডায়ালেক্টিস নয়।
সাজ্জাদ : কিন্তু নূরজাহানের ঘটনা সত্যি ছফা ভাই।
ছফা : না, ঘটনাটা সত্য হলেও ... আমার প্রশ্নটা হচ্ছে, কোন রকমের ভাবাবেগমুক্ত একটি একাডেমিক আলোচনা, যেখানে মানুষ কোন পার্সোনাল মন্তব্য করবে না; আমার নিজের ধারণা আমাদের প্রবলেম যেটা সাহিত্যের, সকলে এই ডিসকোর্সটা এড়িয়ে যায় ... তসলিমা কিন্তু আমাদের সোশ্যাল ডিসকোর্স থেকে জন্মেছে, ইন্ডিয়ানরা ব্যবহার করেছে তাকে। কিন্তু মিলন আমাদের ডিসকোর্স থেকে জন্মায়নি। আর হুমায়ূন ডিসকোর্সটা এভয়েড করেছে। তসলিমা একটা ইন্টারভিউতে বলেছিল, আমি হুমায়ূন আহমেদের মত লিখতে পারতাম, লিখি নাই। এখন যেটা হুমায়ূনের প্রবলেম, সে এই ডিসকোর্সের মধ্যে আসতে চেষ্টা করছে, কিন্তু আসা হচ্ছে না ...।
সাজ্জাদ : 'জোছনা ও জননীর গল্প'?
ছফা : 'জোছনা ও জননীর গল্প'টা তো জমতেছে না।
সাজ্জাদ : শীত বেশি পড়ে নাই।
ছফা : না প্রশ্নটা হচ্ছে, শীত আর হবে না, এক সময় বর্ষা এসে যাবে। না, না, সে চেষ্টা করছে। কিন্তু মানসিক শুদ্ধতার একটা প্রশ্ন আছে না, অর্থাৎ বাইরের রাস্তার লোক কী চায় সেই জন্যে আমি লিখব, নাকি আমার প্রাণ কী চায় সেই জন্য লিখব? এখন এই জিনিসগুলো একটা বড় ফ্যাকটর, এবং এগুলো আমার মনে হয় ক্রমাগত আলোচনা হওয়া প্রয়োজন।

... ...

ছফা : ... তারপরে এই হুমায়ূন আহমেদের প্রথম লেখাটা, 'নন্দিত নরকে' ... সেই সময়ের জন্য রেয়ার লেখা।
সাজ্জাদ : এটা কি আপনি ঐ সময়কার পড়া থেকে বলছেন, নাকি রিসেন্টলি পড়ে বলছেন?
ছফা : ঐ সময়ের পড়া থেকে। এখন আমি রিসেন্টলি পড়তে পারি নাই আর। আমি তার 'এপিটাফ' বলে একটা লেখা পড়েছি। ভেরি গুড রাইটিং, ভালভাবে লিখেছে। জামাকাপড় তো বানায়, কিন্তু প্রাণ দিতে পারে না, কী একটা মুশকিল! এই যে ম্যানারিজম, এইগুলো তো ... সৈয়দ শামসুল হকের ব্যাপারে সবচে ক্ষিপ্ত হয়েছি। 'বাজার সুন্দরী' বলে একটা উপন্যাস আমি পড়েছি তাঁর। মুক্তিযুদ্ধের উপর লেখা। কী এগুলো! কী করে এগুলো মানুষ লেখে! সেক্স দিলে লোকে বই কিনবে, সেটার জন্যই করছে। বাজারের জন্য করছে। এবং যেটা হুমায়ূন আহমেদ একবিন্দুও সেক্স না লিখে শ্রেষ্ঠ বাজারসফল বই লিখছে, অন্যেরা সেক্স দিয়ে এইটার সাথে কমপিট করতে চাইছে।
রাইসু : ধনতান্ত্রিক?
ছফা : হুমায়ূন আহমেদ যত কিছুই করুক না কেন, তার নষ্টামিটা অন্য জায়গায়। তার নষ্টামিটা ব্রেনে। এদের নষ্টামিটা শিশ্নে।

... ... ...
এ সাক্ষাৎকারটি নিয়েছিলেন মীজানুর রহমান মীজান, ১৯৯৪ সালের জানুয়ারি মাসে। পরে ১৯৯৫ সালে এটা সামান্য সম্পাদনা করে প্রকাশিত হয়।

ছফা : সফলতা একটা আপেক্ষিক ব্যাপার। জাতির মর্মমূল স্পর্শ করে যদি ব্যর্থও হই, তার একটা আলাদা মূল্য আছে। মামুলি সার্থকতার চাইতে মহৎ ব্যর্থতার মূল্য অনেক বেশি। হুমায়ূন আহমেদ এঁরা ওই অর্থে সফল লেখক যে লিখে তাঁরা টাকা কামিয়েছেন। টাকা কামানোটাই কি একমাত্র সাফল্যের মাপকাঠি?
মীজান : হুমায়ূন আহমেদের এই জনপ্রিয়তার কারণ কী?
ছফা : হুমায়ূনের সঙ্গে আমার সম্পর্কের ইতিহাস যাঁরা জানেন, তাঁদের অনেকেই তাঁর এই উন্নতি বা অবনতির জন্য অংশত আমাকেই দায়ী করতে চান। তাঁর প্রথম বই যখন বেরিয়েছিল, আমি সবচাইতে বেশি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছি। তখন আমার মনে হয়েছিল হয়ত হুমায়ূনের মধ্যে কালে কালে আমরা চেখভের মত একজন প্রতিভার সন্ধান পাব। তিনি তো সে পথে গেলেন না। উপর্যুপরি সামরিক শাসন, গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার পরাজয় সব মিলিয়ে এখানে যে চিন্তাহীন অরাজক পরিস্থিতি _ হুমায়ূন সেই সময়ের প্রোডাক্ট। অবশ্য হুমায়ূনের ব্যক্তিগত কামালিয়াত এটুকু যে তিনি পাঠকদের মধ্যে স্থান করে নিয়েছেন। আমার প্রশ্ন এটা কি স্থান? হুমায়ূনের পরবর্তী রচনা চানাচুরের মত। খেতে মজা লাগে কিন্তু পেট ভরে না এবং সার পদার্থও বিশেষ নেই।

... ... ...

এ সাক্ষাৎকারটি নিয়েছিলেন বিপ্লব রহমান। ডিসেম্বর ১৯৯৩।

বিপ্লব : বাংলাদেশের জনপ্রিয় লেখক কাদের বলে আপনি মনে করেন?
ছফা : জনপ্রিয় লেখক হচ্ছেন হুমায়ূন আহমেদ।
বিপ্লব : বাংলাদেশে জনপ্রিয়তার দিক থেকে হুমায়ূন আহমেদ হচ্ছেন এ যুগের শরৎচন্দ্র। আপনি কি এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত?
ছফা : জনপ্রিয়তার দিক থেকে দেখতে গেলে হুমায়ূন শরৎচন্দ্রের চাইতে বড়। মেরিটের দিক থেকে দেখতে গেলে হুমায়ূন নিমাই ভট্টাচার্য্যের সমান। আর হুমায়ূনের প্রশ্নটা হচ্ছে -- হি ইজ রাইটিং ফর বাজার।
বিপ্লব : অর্থই এখানে মূল?
ছফা : আমার তো মনে হয় না এখানে অন্যকোন উদ্দেশ্য আছে। হুমায়ূন সম্পর্ক বলতে আমার কষ্ট হয়। হি ইজ পার্টলি মাই ক্রিয়েশন। তারপরেও এগুলোকে পুত্রজ্ঞানে দেখাই ভার।

... ... ... ...

ছফার এ সব মন্তব্যের বাইরেও আরো কয়েক জায়গায় হুমায়ূন প্রসঙ্গ এসেছে। কিন্তু চুম্কক অংশটুকুই তুলে ধরলাম। হুমায়ূন আহমেদের বিচার সম্পর্কে এটুকুই যথেষ্ট। এখন কেউ যদি চানাচুরের দরকার আছে, বাজারের জন্য লিখলে ক্ষতি কি, এসব প্রশ্ন তোলোন তা আলাদা আলোচনার দাবি রাখে।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): সাহিত্য ;
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:০৯ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:৫৩

লেখক বলেছেন: হুমম .. এর জবাবে কি বলা যায় সেটা আমার জানা নেই। ধন্যবাদ।

২. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:২৪
বিবর্তনবাদী বলেছেন: ছফার বই যে কয়টা পড়েছি, তার প্রতি সম্মান বেড়েছে। পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।
২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বিবর্তনবাদী।

২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:৫৪

লেখক বলেছেন: ছফার সাথে একমত না হওয়া কঠিন। ধন্যবাদ।

৪. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:২৮
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: সাজ্জাদ ভাই-রাইসুর নেয়াটা পড়ছিলাম, বাকি দুইটা পড়ি নাই। থ্যাঙ্কস শেয়ারের জন্য
২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:৫৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৩৩
নাজিম উদদীন বলেছেন: "মামুলি সার্থকতার চাইতে মহৎ ব্যর্থতার মূল্য অনেক বেশি।" জটিল কথা বলছেন আহমদ ছফা।
২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:৫৬

লেখক বলেছেন: "মামুলি সার্থকতার চাইতে মহৎ ব্যর্থতার মূল্য অনেক বেশি।"

৬. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪১
খলিল মাহ্‌মুদ বলেছেন: হুমায়ূন আহমেদের সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো তিনি অনেক বেশি বই লিখে ফেলেছেন। তারচেয়েও বড় সমস্যা হলো তিনি এদেশে বইয়ের পাঠক সৃষ্টি করেছেন, অর্থাৎ মানুষকে বইমুখী করেছেন। হুমায়ূন আহমেদ যদি মাত্র গোটা সাতেক বই লিখতেন, প্রতি ২/৩ বছর পর পর একটা করে, আর যদি তাঁর ভক্তের সংখ্যা কিংবদন্তিতূল্য না হতো, তাহলে আমরা বলতাম- রবীন্দ্রনাথের পরে হুমায়ূন আহমেদই সেরা লেখক।

আমাদের সমস্যা হলো- আমরা কারো ভালো দেখতে পারি না।

আহমদ ছফা আর হুমায়ূন আহমেদ- দুজনেরই প্রায় সবগুলো বই আমার পড়া আছে।
২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:০১

লেখক বলেছেন: মানুষকে বইমুখী করা কথাটার অর্থ কি? হুমায়ূন আহমেদ না জন্মালে বা না লিখলে বাংলাদেশের মানুষ বই পড়ত না?

কারো ভালো দেখতে না পারা একটা রোগ অবশ্যই, আমরা হয়ত সে রোগে আক্রান্ত।
কিন্তু ছফা সে রোগের রোগী ছিলেন বলে আমার মনে হয় না।

২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:০১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ।

৮. ২৪ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৫৩
নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা বলেছেন:
বিলাসী তার মানবিকতা ভালবাসা দিয়ে মৃত্যুঞ্জয়কে ডোমের স্তরে নামাতে পারল কিন্তু সে নিজে আরও উন্নত স্তরের হলে তাকে সেখানে নিতে পারত।

হুমায়ন আহম্মেদ সম্পর্কে একই কথাই খাটে। তার পাঠকে আকৃষ্ট করার অসম্ভব ক্ষমতা। কিন্তু চেতনার মান নিম্ন হওয়ায় তিনি পাঠককে উদ্ভট চিন্তায় ডুবিয়ে রাখেন, ছফার ভাষায় যা নষ্টামী।
২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:০৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নতুনের পথে অনন্ত যাত্রা। ভাল আছেন আশা করি।

৯. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১৩
আহমেদ রাকিব বলেছেন: হুমায়ূন আহমেদের বিচার সম্পর্কে এটুকুই যথেষ্ট। এখন কেউ যদি চানাচুরের দরকার আছে, বাজারের জন্য লিখলে ক্ষতি কি, এসব প্রশ্ন তোলোন তা আলাদা আলোচনার দাবি রাখে।
------------------------------------------------------------
আপনার বক্তব্যটা এই কয়েকটা লাইন দিয়ে ঠিক পরিষ্কার না।
২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:১৪

লেখক বলেছেন: আজকে একজনের একটি লেখার পরিপ্রেক্ষিতে আমি ছফার জবানি এখানে তুলে দিয়েছি। ওই লেখায় মন্তব্য করতে গিয়ে একজন বলছেন, হুমায়ূন আহমেদের লেখা চানাচুর ধরনের। শুধু ভাত খেলে হয় না, জীবনে চানাচুরের দরকার আছে।
আরেক জন লিখেছেন, বাজারের জন্য লিখলে সেটার মধ্যে অন্যায় কি আছে।

তো এসব প্রশ্নের বা এসব বিষয়ের আলোচনা এত সংক্ষেপে সারা যাবে না। তাই ভিন্ন এবং বিস্তৃত আলোচনার প্রয়োজন। শুধু সংক্ষেপে এটুকু বলা যায়, সাহিত্যের দরবারে যখন চানাচুরের রাজত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায় তখন সাহিত্যের ক্ষতি কতটা হয় সেটা বোঝা না গেলেও পাঠকের যে ক্ষতি হয় তা বেশ বোঝা যায়। এই হুমায়ূন আহমেদের হাত ধরেই এখন বাংলা সাহিত্যে প্রণভ ভট্ট, মোহিত কামাল, নিশাত চৌধুরী ... ইত্যাদি চানাচুরওয়ালাদের রাজত্ব।

১০. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১৬
পিংকি বলেছেন: আহমদ ছফা সম্পর্কে হুমায়ূন আহমেদ কি বলেছেন, তা কি জানা যাবে?
২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:১৭

লেখক বলেছেন: সেটা যারা হুমায়ূন আহমদ পড়েছেন তারা জানাতে পারবেন। ছফার জবানি থেকে জানতে পারলাম, হুমায়ূন আহমেদ আহমদ ছফার একটি জীবনী রচনা করেছেন। ছফা আরো বলেছেন, হুমায়ূন আহমেদ গল্প বানাতে ভালবাসে, তাঁকে নিয়েও বহু গল্প বানিয়েছে ... ...

১১. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১৯
সাদাত হাসান বলেছেন:
@খলিল মাহমুদ
হুমায়ূন আহমেদের কয়টা বই পাঠক আজ থেকে ১০ বছর পর পড়বে বলতে পারেন?
২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:২০

লেখক বলেছেন: একটা ভাল সাহিত্যও মানুষ ভুলে যেতে পারে। মেঘনাদবধ কাব্য আজ আমরা পড়ি না, শুধু যারা বাংলা সাহিত্য নিয়ে পড়ে তারা পাস করার জন্য পড়ে। তাতে কিছু প্রমাণ হয় না।
সাহিত্যের অনেকগুলো মাপকাঠি আছে ... পাঠকপ্রিয়তা, সময় অতিক্রম করে টিকে থাকার ক্ষমতা, শিল্পমূল্য, কোনো একটাকে প্রধান করে বিচার না করাই ভাল।

১২. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:২১
মেঘ বলেছেন: যাহা হবার কথা ছিল তাহা হয় নাই।
মানুষকে বইমুখী করা আর সাহিত্য করা এক নয়।
২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:২১

লেখক বলেছেন: মানুষকে বইমুখী করা আর সাহিত্য করা এক কথা নয় ...
ধন্যবাদ।

১৩. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:২০
সুমন অহেমদ বলেছেন: হূমায়ুন আহমেদ একেবারেই অন্যমাপের একজন লেখক। এই বাংলায় হুমায়ূন আহমেদের জন্ম না হলে এই বাংলায় বইমেলাতে এতো এতো সাধারণ পাঠকের সমাগম হতো কিনা আমি তা জানি না! পাঠকশ্রেনী গড়ার দিক থেকে তিনি সবচেয়ে স্বার্থক একজন লেখক।

কিন্তু সমস্যা হয়েছে একটা জায়গাতেই, উনি সাহিত্য জগতে প্রবেশ করে সাহিত্য নিয়ে ব্যাবসা শুরু করে দিলেন। আমি মনে করি সাহিত্যকে পেশা হিসেবে নিতে নেই। পেশা হিসেবে নিতে গেলেই ব্যাবসায়িক চিন্তাটা মাথায় আসতেই পারে। তবে সবাই কিন্তু আবার ব্যাবসা করতে পারেনা! আহমদ সফা চাইলেই হূমায়ূন আহমেদ হতে পারতেন না। আর হুমায়ূন আহমেদ চাইলেই আহমদ সফা হতে পারবেন না। হুমায়ূন আহমেদের সব লেখাকে সাহিত্য বললে আমার মনে হয় একটু ভুল হতে পারে। আর আহমদ সফার প্রায় সব লেখাকেই বাংলা সাহিত্যের অংশবিশেষ বলা যায়। তার "নিহত নক্ষত্র" পড়ে আমিতো অবাকই হয়ে গিয়েছিলাম। তবে "অলাতচক্রটা" আমার কাছে অস্পষ্ট ছিলো এবং একটু কঠিনই মনে হয়েছিলো।

যাই হোক, হূ: আ: এবং আ: সফা দু'জন দুই ক্যাটাগরীর লেখক। সমালোচনা করলে অনেকভাবেই করা যায়। ইদানিং হুমায়ূন আহমেদ কি সব ছাইপাশ লিখেন। তার বই পড়া ছেড়েছি অনেকদিন। তবে কিছু কিছু লেখা বারবার পড়তে ইচ্ছে হয়!

--------------------------------------------------------------------------
@সাদাত হাসান, হুমম এটা আসলেই একটা গুরুত্বপূর্ন প্রশ্ন। তবে আজ থেকে ৫ বছর আগে আম হুমায়ূন আহমেদের ২০ বছর আগের বইও কালেকশন করে পড়েছি। নন্দিত নরকে, আগুনের পরশমনি, পুতুল, গৌরিপুর জংশন এগুলো আমার কাছে ভালই লেগেছিলো। কিন্তু মেজাজ খারাপ হয়েছিলো তখন যখন একই রকম ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছিলো। বেশী লিখলে এমনই হয় এবং ব্যাবসা করলে এমনই হয়। তবে আপনার প্রশ্নের উত্তরে বলেই দিই, আজ থেকে ১০ বছর কেনো আজ থেকে ৫০ বছর পরও হূমায়ুন আহমেদের বই পাঠকেরা ভালোভাবেই পড়বে, এখনকার মতো হয়তো না, তবে পড়বে। কেনোনা তার বেশ ভালো কিছু সৃষ্টি রয়েছে. . .
২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ, আপনার আলোচনায় অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ দিক এসেছে।

১৪. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৪:৫৯
নিকো৮১২৩ বলেছেন: হুমায়ূন আহমেদ যত কিছুই করুক না কেন, তার নষ্টামিটা অন্য জায়গায়। তার নষ্টামিটা ব্রেনে। এদের নষ্টামিটা শিশ্নে। - লাখ কথার এক কথা....
২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:২৩

লেখক বলেছেন: আমার ধারণা ... এটাই আসল কথা। ধন্যবাদ নিকো৮১২৩।

১৫. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:০৭
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: ধন্যবাদ পোষ্টটার জন্য

~~~~
: হুমায়ূন আহমেদ যত কিছুই করুক না কেন, তার নষ্টামিটা অন্য জায়গায়। তার নষ্টামিটা ব্রেনে। এদের নষ্টামিটা শিশ্নে।
~~~~
হমমমমমমমমমমমমমম চিন্তার ব্যাপার ।
২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:২৪

লেখক বলেছেন: চিন্তা করে ফলাফল জানাবেন।

১৬. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:৫৬
dvWfu বলেছেন: @শূন্য আরন্যক......আসলেই চিন্তার ব্যাপার....
২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৭:২৫

লেখক বলেছেন: আপনার চিন্তার ফলটাও জানতে আগ্রহী। ধন্যবাদ।

১৭. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:১৫
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: শিশ্ন শব্দটা ছফা সাহেব কেনো ব্যবহার করেছেন জানি না --
যৌনতা বোধের উৎস শিশ্ন না ।

তবে হুমায়ূন সম্পর্কে ছফার বিশ্লেষন ঠিক আছে ।

হুমায়ূন আহমেদ জনপ্রিয় লেখক -- তার অসংখ্য বই আছে ভালো -- ফালতু বই এর সংখ্যাটাও কম না ।

তবে বিশাল এক অংশকে তিনি বইমুখি করেছেন -- তার ৯০এর দশকের প্রথমদিকের লেখা নাটক গুলো এখোনো ভালো লাগে ।
~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

এই পেলাম ফলাফল --
এবার আপনি বলেন -- ছফা সাহেবের কথা ছাড়া আপনার কি বক্তব্য আছে ।
১৮. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৮:৫৬
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
ছফা ভাই বলতে যে, একসময় হুমায়ুন অজ্ঞান ছিল, এটা অবশ্য বলপয়েন্ট-এ স্বীকার গেছে ।
১৯. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৮:৫৫
আউটসাইডার_আউটসাইডার বলেছেন: হুমায়ূন আহমেদ যত কিছুই করুক না কেন, তার নষ্টামিটা অন্য জায়গায়। তার নষ্টামিটা ব্রেনে। এদের নষ্টামিটা শিশ্নে।
২১. ২৫ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৩৪
পড়ুয়া_পড়ুয়া বলেছেন: চানাচুর উপমাটা দারুন মনে ধরলো ।
২২. ২৬ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৩৮
'লেনিন' বলেছেন: উপর্যুপরি সামরিক শাসন, গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষার পরাজয় সব মিলিয়ে এখানে যে চিন্তাহীন অরাজক পরিস্থিতি _ হুমায়ূন সেই সময়ের প্রোডাক্ট। অবশ্য হুমায়ূনের ব্যক্তিগত কামালিয়াত এটুকু যে তিনি পাঠকদের মধ্যে স্থান করে নিয়েছেন। আমার প্রশ্ন এটা কি স্থান? হুমায়ূনের পরবর্তী রচনা চানাচুরের মত। খেতে মজা লাগে কিন্তু পেট ভরে না এবং সার পদার্থও বিশেষ নেই।....তার নষ্টামিটা অন্য জায়গায়। তার নষ্টামিটা ব্রেনে। এদের নষ্টামিটা শিশ্নে।

দারুণ বিশ্লেষণ।
২৩. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৪০
খলিল মাহ্‌মুদ বলেছেন: তসলিমা একটা ইন্টারভিউতে বলেছিল, আমি হুমায়ূন আহমেদের মত লিখতে পারতাম, লিখি নাই।........................ হাসতে হাসতে পেটে খিল ধরে গেলো। তসলিমা কি রবীন্দ্রনাথের মতো লিখতে পারতেন না? কিংবা বঙ্কিমচন্দ্রের মতো? লিখলেন না কেন?

.............................

ছফা : হুমায়ূনের সঙ্গে আমার সম্পর্কের ইতিহাস যাঁরা জানেন, তাঁদের অনেকেই তাঁর এই উন্নতি বা অবনতির জন্য অংশত আমাকেই দায়ী করতে চান। ..... আহমদ ছফা এই কথাটা বলে নিজেকে বরং ছোটই করেছেন। কোনো দরকার ছিল না এটা বলার। তাঁর প্রশংসায় যদি হুমায়ূন আহমেদের এই উন্নতি হয়ে থাকে তাহলে হুমায়ূন আহমেদ বা যারা এ সম্পর্কে জানেন, তাঁদের মুখে শোনা কথা আহমদ ছফাকে অনেক উর্ধ্বে নিয়ে যেতো। .............গভীরভাবে চিন্তা করলে আহমদ ছফার ঈর্ষা আর অন্তর্জ্বালা ধরা পড়ে। আলাউদ্দিন আল-আজাদ 'তেইশ নম্বর তৈলচিত্রে' লিখেছিলেন এক শিল্পী আরেক শিল্পীর শত্রু। আহমদ ছফার এসব বক্তব্য থেকে তাঁর সেই মনোরোগ প্রকটভাবে ধরা পড়ে।

সাদাত হাসান@, আপনার প্রশ্নের জবাব আবু নাঈম খুব চমৎকার দিয়েছেন। ৭৪-এ হুমায়ূন আহমেদের প্রথম বই বের হয়, ৩৫ বছর ধরে তিনি তাঁর পাঠকগোষ্ঠিকে তাঁর বইয়ের ভেতর বুঁদ করে রেখেছেন- আর তাঁর পাঠকসংখ্যা এদেশে একটা ঐতিহাসিক রেকর্ড। একুশে বইমেলায় আজও হুমায়ূন আহমেদ গেলে বুকস্টলে পাঠকের উপচেপড়া ভিড় হয়; আর হুমায়ুন আজাদ, মিলন, আনিসুল হকের মতো লেখককে বুকস্টলে বসে/দাঁড়িয়ে হাই তুলতে হয়। আর যদি কঠিন সত্য বলতে হয় তাহলে জরিপ করে দেখুন রবীন্দ্রনাথের আর বঙ্কিমচন্দ্রের গল্প-উপন্যাস শতকরা কয়জনে পড়েন। একটা গল্প বা উপন্যাস কয়বার পড়া হয়? ক্লাসের সিলেবাসে থাকলে আমরা মূল লেখার বদলে নোট পড়ে অভ্যস্ত। তাই বলি, বর্তমানের পাঠক আমরা ভাই, ভবিষ্যতে কী হবে বলা মুশকিল। আর বর্তমান কালের গুরুত্বই সবচেয়ে বেশি। এই বিবেচনায় হুমায়ূন আহমেদ একটা জীবন্ত কিংবদন্তি। কিন্তু তাঁকে অনেকেই সহ্য করতে পারেন না বলে নানাভাবে তাঁর লেখাকে খাটো করার চেষ্টা করে থাকেন, যা অতি হীনমন্যতার পরিচায়ক।

আর আসুন, কে কে আছেন তসলিমার মতো, চেষ্টা করি হুমায়ূন আহমেদের মতো লিখতে। :):)
২৪. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৫
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ভাল কাজ করেছেন।
দেরীতে হলেও পড়লাম।
২৫. ২৭ শে আগস্ট, ২০০৯ বিকাল ৪:৫১
'লেনিন' বলেছেন: @খলিল মাহমুদ: চানাচুর হতে হবে তবে সাধারণ নয়, ব্রেনের নষ্টামি করে। ছফা'র লেখা পড়ে তার সম্পর্কে আগে জানুন।
২৭. ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৬
আউটসাইডার_আউটসাইডার বলেছেন: @খলিল মাহ্‌মুদ:

"হুমায়ূনের সঙ্গে আমার সম্পর্কের ইতিহাস যাঁরা জানেন, তাঁদের অনেকেই তাঁর এই উন্নতি বা অবনতির জন্য অংশত আমাকেই দায়ী করতে চান। ..... আহমদ ছফা এই কথাটা বলে নিজেকে বরং ছোটই করেছেন। কোনো দরকার ছিল না এটা বলার। তাঁর প্রশংসায় যদি হুমায়ূন আহমেদের এই উন্নতি হয়ে থাকে তাহলে হুমায়ূন আহমেদ বা যারা এ সম্পর্কে জানেন, তাঁদের মুখে শোনা কথা আহমদ ছফাকে অনেক উর্ধ্বে নিয়ে যেতো। .............গভীরভাবে চিন্তা করলে আহমদ ছফার ঈর্ষা আর অন্তর্জ্বালা ধরা পড়ে। আলাউদ্দিন আল-আজাদ 'তেইশ নম্বর তৈলচিত্রে' লিখেছিলেন এক শিল্পী আরেক শিল্পীর শত্রু। আহমদ ছফার এসব বক্তব্য থেকে তাঁর সেই মনোরোগ প্রকটভাবে ধরা পড়ে।"

ছফা সম্পর্কে আগে জেনে তারপর তার সম্পর্কে মন্তব্য করুন।
২৮. ৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৪
রাজীব_নন্দী বলেছেন: যদি চোখে পড়ে তবে কৃতার্থ হই-
Click This Link
৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪২

লেখক বলেছেন: দেখলাম। ধন্যবাদ রাজীব নন্দী।

২৯. ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৫৬
আকাশ অম্বর বলেছেন: +

ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।
৩০. ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:১৮
সুবিদ্ বলেছেন: তসলিমা কিন্তু আমাদের সোশ্যাল ডিসকোর্স থেকে জন্মেছে, ইন্ডিয়ানরা ব্যবহার করেছে তাকে। কিন্তু মিলন আমাদের ডিসকোর্স থেকে জন্মায়নি। আর হুমায়ূন ডিসকোর্সটা এভয়েড করেছে।

দারুণ......প্রিয়তে নিলাম
৩১. ১০ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৬
মহাকালর্ষি বলেছেন: রাখতেই হচ্ছে, কৃতজ্ঞতা!
অকাল প্রয়াত (আমার মতে) আহমদ ছফাকে আমি পছন্দ করি, সম্মান করি।
৩২. ২৫ শে আগস্ট, ২০১০ রাত ১১:২০
মুরাদ-ইচছামানুষ বলেছেন: আহমদ ছফাকে ভাল লাগে। লেখকদের ব্যাকবোন থাকাটা জরুরী।এটা তার ছিল।
৩৩. ২৭ শে আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৫:০৮
েরজা , বলেছেন: দারুন লিখেছেন |
৩৪. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৫২
তাশমিয়া বলেছেন:

হুমায়ূন আহমেদ যত কিছুই করুক না কেন, তার নষ্টামিটা অন্য জায়গায়। তার নষ্টামিটা ব্রেনে। এদের নষ্টামিটা শিশ্নে।

চমৎকার।
৩৫. ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ১০:৫৬
তাশমিয়া বলেছেন: আহমদ ছফার ব্যাপারে আমার আগ্রহ রয়েছে।সাক্ষাৎকার গুলো পড়ে ভাল লাগল।

 

মোট সময় লেগেছে ১.১১৮৮ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
'আগুনের ছবি দেখতে আগুনের মতো দেখালেও পোড়াবার ক্ষমতা থাকে না' _ আহমদ ছফা
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই