somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

লোডশেডিং কমানো: ইনার্জি বাল্ব ব্যাবহার একটি বিকল্প পদ্ধতি

১১ ই নভেম্বর, ২০০৮ রাত ১১:১৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশে সবচেয়ে বড় যে সমস্যা সেটা হলো বিদ্যুৎ সমস্যা। এই বিদ্যুদের অভাবে অনেক ব্যাবসায়ী ব্যাবসায় লোকসান দিচ্ছে। অনেক শ্রমিক ঠিক মত শ্রমের মুল্য পাচ্ছে না। ছেলে মেয়েদের পড়া শুনার ক্ষতি হচ্ছে। গরমের দিনে মানুষ দুঃসহ যন্ত্রনায় ভোগছে।

এই বিদ্যুৎ সংকট সমাধানের আদৌ কোন সম্ভবনা নেই। আগামি ২০ বছরেও বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়বে বলে মনে হয় না। যদিও বাড়ে তার পরেও সে বাড়াতে লোডশেডিং এর পরিমান কমবে না। কারন দেশের এখনো প্রায় ৫৫ শতাংশ অংশ বিদ্যুৎ সূবিদা থেকে বঞ্চিত আছে। দিন দিন এটা কভারেজ হচ্ছে ফলে সামান্য বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়লেও সেটা প্রয়োজনের তুলনায় অনেকটা কম রয়ে যাচ্ছে। বর্তমানে চাহিদার তুলনায় অর্ধেকেরও কম পরিমান বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্চে।

দেশের প্রতিটি দলই ক্ষমতায় এসে এই ব্যাপারটি ভুলে যায় বা এই সেকশনে ব্যাপক দূর্নীতিতে জরিয়ে পরে।

যা বলছিলাম। দেশে বর্তমানে খুব কম ওয়াটের ইনার্জি বাল্ব পাওয়া যাচ্ছে। যাতে আলো ঠিকই দিচ্ছে কিন্তু বিদ্যুৎ খরচ কম হচ্ছে। যদিও দামে একটু বেশী কিন্তু এতে দুটি দিক থেকে বেনেফিট পাচ্ছে ইউজার। এক হলো সে বাল্বটা অনেক টেকশই। এক বছরের বেশী সময় পর্যন্ত টেকে। দুই হলো এটা ব্যাবহারে ইউজারের বিদ্যুৎ বিল কমে যাচ্ছে। সাধারনত বাজারে যে সব বাল্ব পাওয়া যাচ্ছে সে গুলো হলো যথাক্রমে ৬০, ১০০, ২০০, ও ৫০০ ওয়াটের। অপর দিকে একটা ২০০ ওয়াটের বাল্ব এ যতটুকু আলো দেবে সেটা ৭ ওয়াটের ইনার্জি বাল্ব্ব দিতে সক্ষম। সুতরাং ওউ বাল্ব ব্যাবহারে ব্যাবহার কারীর বিদ্যুৎ সাশ্রই হবে ৮০ %। আর দেশের সবাই এই বাল্ব ব্যাবহার করলে লোডশেডিং এর পরিমান ও কমবে। কারন যেখানে একটা বাড়িতে আগে ৫টা বাল্বে প্রয়োজন হতো (৫x৬০) ৩০০ ওয়াটের, সেখানে প্রয়োজন হচ্ছে (৫x১১) ৫৫ ওয়াট।

এখানে ২৫৫ ওয়াট বিদ্যুৎ সাশ্রয় হচ্ছে। যা মেইন বিদ্যুৎ গ্রীলে জমা হচ্ছে। আমরা সবাই এই দিকে যত্ববান হলে এই ভাবে দেশে লোডশেডিং এর পরিমান কমানো যাবে।

নিম্ন মধ্যবিত্বদের পক্ষে ১৫০/২০০ শত টাকা দিয়ে বাল্ব কিনা সম্ভব হয়ে উঠে না। কিন্তু ইলেকট্রনিক্স দোকানের কেউ যদি উদ্যোগি হয়ে কিস্তিতে তাদের কাছে এই ইনার্জি বাল্ব বিক্রি করে তাহলে সহজেই ওরা এই বাল্ব কালেক্ট করতে পারবে। ধারনাটি পেলাম যখন নিজে গ্রামের লোকদের সাথে কথা বলেছি।

দেশের লোডশেডিং টা কে লোডশেডিং মনে হয়নি। একটা যন্ত্রনা মনে হয়েছে। কারন ২৪ ঘন্টার প্রায় ২০ ঘন্টা ই বিদ্যুৎ বিহীন থাকতে হচ্ছে। সুতরাং লোডশেডিং কমানোটা ইউজারের একটু ইচ্ছাতেই হয়ে যাচ্ছে।
১৫টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

শিক্ষা খাতে শুরু হয়েছে তারেক রহমান ম্যাজিক

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৮ ই জুন, ২০২৬ রাত ১১:২৯


রাজনীতির মাঠে ক্ষমতার হাতবদল যেমনই হোক না কেন, সাধারণ মানুষের আসল নজর থাকে জীবনের মৌলিক জায়গাগুলোতে। আর একটি দেশের ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার সবচেয়ে বড় হাতিয়ার হলো শিক্ষা ব্যবস্থা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এমন কেন?

লিখেছেন তাই-ফি, ০৯ ই জুন, ২০২৬ রাত ৩:৪৪

একটা গল্প দিয়ে শুরু করা যাক।

শেষ বিচারের পর নরকে শাস্তি ভোগ করছে পাপীরা। বিশাল বিশাল তেলের ড্রামে তাদের একবার ডুবিয়ে আবার ভাসিয়ে তোলা হচ্ছে। প্রতিটি ড্রামের সামনে একজন করে পাহারাদার... ...বাকিটুকু পড়ুন

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×