উড়োজাহাজ যাচ্ছে দুবাই থেকে লন্ডন। হঠাৎ এক ছিনতাইকারী ককপিটে এক নম্বর পাইলটের দিকে পিস্তল তাক করে বললো, গুলি করে খুপড়ি উড়িয়ে ঘিলু বার করে দেব। আমি কিন্তু কঠিন ছিনতাইকারী। এয়ারক্রাফট কাবুলে নিয়ে চল।
শুনে পাইলট ভেউ ভেউ করে কাঁদতে লাগলো।
ছিনতাইকারী বললো, কী ব্যাপার কাঁদছ কেন?
চালক বললো, স্যার আমাকে গুলি করে খুপড়ি উড়িয়ে ঘিলু বের করে দিতে পারেন। কিন্তু বিমান চালাবে কে? বিমান তো অ্যাকসিডেন্ট করবে?
ছিনতাইকারী ভেবে দেখল কথা তো ঠিক। সে এবার দ্বিতীয় চালকের দিকে পিস্তল তাক করল!
দ্বিতীয় পাইলটও ভেউ ভেউ করে কাঁদতে লাগল।
ছিনতাইকারী বললো, তুমি কাঁদছ কেন?
দ্বিতীয় পাইলট বললো, স্যার আমাকে মেরে ফেললে লংগিচুড, অ্যাটিচুড এবং ডাটা অ্যানালাইসিস করে এক নম্বর পাইলটকে দেবে কে? আর না দিলে তো বিমান অ্যাকসিডেন্ট করবে।
ছিনতাইকারী আবার কনফিউজড। হঠাত্ সে পেছনে বসা এক সদা হাস্যজ্জোল যাত্রীর দিকে পিস্তল তাক করে বললো, গুলি করে খুপড়ি উড়িয়ে মাথার মাল বার করে দেব। আমি কিন্তু কঠিন ছিনতাইকারী। বিমান কাবুল নিয়ে চল।
এবার দুই পাইলটই হো হো করে হেসে উঠল।
ছিনতাইকারী এবার ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে বললো, কী ব্যাপার তোমরা হাসছ কেন?
দুই পাইলট বললো, স্যার আপনি এই লোককে গুলি করে খুপড়ি উড়িয়ে দিতে পারেন, কিন্তু ঘিলু বের হবে না। তাই হাসছি।
ছিনতাইকারী অবাক হয়ে বললো, ‘ঘিলু বের হবে না কেন?’
দুই পাইলট বললো, স্যার, উনি বাংলাদেশের মন্ত্রিসভার সম্মানিত অর্থ মন্ত্রী। ওনার নামে মাল আছে তো তাই মাথায় কোন মাল নাই।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

