রাজীবে'র "ডি এ তৌহিদ'কে দুইবার ফাসি দেয়া হোক" লেখাটি পরে আমার মন্তব্যটি সবার সাথে সেয়ার করছি।
তৌহিদ াবার সাহেব!?
আমি এইসব ফাঁশির কথায় যাচ্ছিনা। আমার প্রশ্ন হচ্ছে আমাদের দেশে গোয়েন্দা বাহিনির প্রয়োযন আছে কি না? যাদের নির্লয্য ব্যর্থতায় রমনা বটমুলের নৃশংস বোমা হামলা, আইভি রহমানের মর্মান্তিক মৃ ত্যু, সারা দেশে একযোগে বোমা বিশ্ফোরনের মত অসংক্ষ ভয়াবহ ঘটনার কোন পুর্বাভাষ আমরা পাইনি তাদের বাংলাদেশের জন্য প্রয়োযন কতটুকু? ২/২৫ এর ভয়াবহ ঘটনার কোন অগ্রিম সতর্কতা যারা দিতে পারেনি তাদের শাস্তি কি হওয়া উচিৎ? এখন পর্যন্ত তাদের প্রধান কি করে বহাল তবিয়তে চাকরি করছে? কার স্বার্থে তাদেরকে কখনই ঘাটানো হয়না? কিসের ভয়ে তাদের ব্যর্থতাকে বরাবরই ধামাচাপা দিয়ে রাখা হ্য়? কে জবাব দেবে এসব প্রশ্নের?
গোটা জাতি আজ এমন একটা ক্রন্তিলগ্ন পার করছে যেখানে সেনাবাহিনির প্রধানেরাও এখন এইদেশে নিরাপদ নয়। যদিও গনতান্ত্রিক সরকার সদ্যই ক্ষমতা গ্রহন করেছে তথাপি এই বিপর্যয়ের দায়ভার তাদেরই নিতে হবে। অপরাধিদের ধরে আইনানুযায়ি যথেযোগ্য বিচার করতে পারলেই কেবল তাদেরপক্ষে কিছুটা ভারমুক্ত হওয়া সম্ভব। নতুবা এই ব্যর্থতার দায়ভার স্বিকার করে পদত্যাগ করাই হবে জাতির জন্য মঙ্গলজনক।
তবে অতদুর পর্যন্ত ভাবার আগে যেটা এইমুহুর্তে গুরুত্বপুর্ন সেটা হচ্ছে প্রকৃত অপরাধিদের চিন্হিত করা। তার জন্য গোয়েন্দা বিভাগের সহয়তা প্রয়জন সর্বাগ্রে। কিন্তু দেশের এই মহাগুরুত্বপুর্ন দপ্তরটি যেখানে শুধু নাক ডেকে ঘুমায় সেখানে তাদের উপরে কতটা ভরসা কারা যায় সেটাই হচ্ছে এখন প্রশ্ন। আমারতো ভয় হয় নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে আমাদের সাহেবেরা না আবার নরীহ লোকগুলোকে ধরেই ভয়-ভিতী দেখিয়ে দোষ স্বিকার করিয়ে নেয়। নিরিহ এইসব লোকদের কথা ভেবেই আমি সংকিত হচ্ছি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


