কায়েস মাহমুদের, "ছাগুরা আবার মানুষ হইল কোনদিন? ছাগু মৃত্যু হইল ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি।" পড়ে ভাল লেগেছে। কিছু মন্তব্যের সমালোচনা করেছি। সবার সাথে শেয়ার করতে ইচ্ছে হল:
----------------
লেখকের সাথে একমত। কিছু মন্তব্য'কে আমার দৃষ্টিকোন থেকে বিশ্লষন করছি:
---নেক্সাস বলেছেন: ভুলেও বলবেন না আগেও এমনটি হয়েছে। মনে রাখবেন আগে যা কিছু হয়েছে তা বদলে দেওয়ার অঙ্গিকার আপনারা করেছিলেন জনগনের কাছে।
তীর্থক: আপনার/ আপনাদের অঙ্গিকার কি অন্যরকম ছিল নাকি? না কি চাইছিলেন জনগন'কে বরাবরের মতই ধোকা দিবেন।
নতুন একটা সরকার দেশকে কোন দিকে নিয়ে যায়, কিভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করে তা দেখার জন্যও সময় দেয়া লাগে। অতীত ইতিহাস থেকে কতটা শিক্ষা নিল সেটা দেখার সময়ও তো আমরা পাচ্ছি না। এরই মধ্যে দেশে একটার পর একটা বিপর্যয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে যা ঘটছে তা কখনই সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য নয়। কিন্তু এগুলো সামলানোর জন্যও সময় দেয়া লাগবে। আমরা বোধহয় খুব তারাতারিই অস্থির হয়ে উঠছি। না?
এগুলো অবশ্যই আমাদের নষ্ট ছাত্র রাজনিতী'র ধারাবাহিকতার ফসল। যার বাহক আওয়ামিলীগ, বি.এন.পি, জাতীয় পার্টি সবাই। আমি জামাত-শিবিরের কথা বললাম না কেননা ওদের নাম বলার অপেক্ষা রাখেনা। জন্মথেকেই দুর্গন্ধ ছরাচ্ছে.....।
---ধীবর বলেছেন: আপনি নিজেই তো একাধারে বিচারক আর জল্লাদ। কার বাঁচার অধিকার আছে আর কার নেই, সেটা বিচারের আপনি কে? এ ধরণের একক সিদ্ধান্ত নিয়েছিল হিটলার, ফলাফল ট জানেনই। আর এখানেই আপনি ভুল করেছেন। এ কারণেই মাইনাস।
তীর্থক: আপনি যে লেখকে'র বিচার করলেন সে অধিকার আপনাকে কে দিল? হিটলার?
স্বাধীন দেশে স্বাধীন মত দেয়ার অধিকার সবারই আছে। কেউ অধিকার প্রয়োগ করে, কেউ করেনা। আপনি করেছেন, আমি করছি।
---ধীবর বলেছেন: দেশের স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধচারণ করার অপরাধে যদি কারো মৃত্যু কাম্য হয়, তবে জেনে রাখবেন সেই লিস্টিটাও কিন্ত শুধু জামাত শিবিরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। সব সময়ে ঢাক ঢোল পিটিয়ে কিন্ত দেশের বিরুদ্ধাচারন করা হয় না। এই সব করা হয় গোপনে। ফলে অধরা দেশদ্রোহিরা দিন দিন শক্তিশালি হয়ে উঠছে।
তীর্থক: সেই লিষ্ট'যে জামাত শিবিরের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় সেটা লেখক জানেন। কিন্তু আপনি লেখাটি ঠিকভাবে পড়েন নি তাই ধরতে পারেন নি।
দেশে কে কোথায় কি অপরাধ করল তার কোনো হিসাব রাখেনা জামাত-শিবিরে'র দোশরেরা। নিজেদের অপকর্ম নিয়ে একটা শব্দও করেনা। কিন্তু তারা কোথাও অপদ্স্ত হলেই ঝাপিয়ে পরে আগ্নেয় অস্ত্র আর কলম অস্ত্র নিয়ে। যদিও প্রথম অস্ত্রটিই তাদের বেশি প্রিয়। কেননা ওটিতো তাদের সকল সময়ের সাথী, অর্থাৎ বাবার সম্পত্বি।
শাহীন শিবির বলেছেন: বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্র শিবিরকে জানতে হলে পড়তে হবে, বুঝতে হবে, মানতে হবে। আপনার মতোন ছাগীদের জন্য শিবির নয়; শিবির একটি আদর্শ ছাত্র সংগঠন। এর রয়েছে এক সোনালী ঐতিহ্য। শিবির সব সময়ই টেলেন্টেড স্টুডেন্টদের প্রিয় এক সংগঠন।
তীর্থক: "মানতে হবে"-কেন? অন্ধ তাই? শিবিরের টেলেন্টদের হল দখল করতে হয় কেন? চট্টগ্রামের শিবিরের একনিষ্ঠ কর্মী নাসির কতটা ট্যালেন্টেড? তার মত ট্যালেন্টেডদের প্রিয় সংগঠন শিবির হবে এতে আর আশ্চর্যের কি :-))
শাহীন শিবির বলেছেন: যারা বিশ্ববিদ্যালয়ে ধর্ষণের সেঞ্চুরী পালন করে তাদের জন্য শিবির নয়।
কোন পর্ণোস্টারের জন্য শিবির নয়।
নাস্তিক, গালবাজ, বাকশালীদের জন্য শিবির নয়।
দিনে-দুপুরে লাশের উপর যারা আনন্দ উল্লাস করে সেই সব জল্লাদদের জন্য একটি আদর্শ ছাত্র সংগঠন কখনোই নয়।
নিজের মা-বোন যখন সেঞ্চুরীতে পড়বে তখনই বুঝবেন সোনার ছেলেদের...!!!
তীর্থক: আমরাও ঘৃনা করি ঐসব নর পশুদের এবং বিশ্বাস করি এমন বর্বরতা রুখতে সরকার দৃঢ় পদক্ষেপ নিবে।
কিন্তু যাদের পিতা-পিতামহরা এদেশের কন্যা-জায়া-জননী'দের ধর্ষন করে ৭১'এর কালো তালিকায় নিজেদের নাম লিখিয়েছে তাদের সন্তান নব্য শিবির নেতারা এত বড় বড় কথা কি করে বলে?
তারা আমাদের মা-বোনদের সেঞ্চুরীতে পরার ভয় দেখাবে এটাই অবস্য স্বভাবিক। তাদের হয়তো মা-বোন নেই। শুধু কিছু বাবা আছে :-))
আমার কাছে মনে হয় লেখাটা উপযুক্ত মানদন্ডের বিচারে পাস মার্ক পাওয়ার যোগ্য। লেখক কে শুভেচ্ছা।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




