আমার প্রিয় পোস্ট

বহ্বাড়ম্বর

ঢাকা ইউনিভার্সিটির কতিপয় ছাত্র-শিক্ষকের দাবির কাছে আত্মসমর্পন মানে আইনের শাসনকে অস্বীকার করা

২০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:০২

শেয়ার করুন:                   Facebook

গ্রেফতার হওয়ার পর থেকেই ঢাকা ইউনিভার্সিটির কতিপয় ছাত্র-শিক্ষক একের পর এক অযৌক্তিক দাবি উত্থাপন করে যাচ্ছেন।
তার এই সব অযৌক্তিক দাবি আদায়ের নামে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রিদের জিম্মি করে রেখেছেন।
সুনির্দিষ্টি অভিযোগে এই সমস্ত ছাত্র-শিক্ষকের নামে মামলা হয়েছে।
দেশের প্রচলিত আইনে অভিযোগ দায়ের থেকে মামলা নিষপত্তি পর্যন্ত কতগুলি ধাপ পার করতে হয়।
তারা বিচারের সম্মুখিন হতে ভয় পান।
তাদের এই অযৌক্তিক দাবীর কাছে মাথ নত করলে, এদেশের জনগন একটা ভুল সংকেত পাবে। মানুষ মনে করবে আইন শুধু মাত্র দূর্বলের জন্য। সরকার সবলের বিচার করতে ভয় পায় বা অপরাগ।
আর সরকার যদি মনে করেন, বিচার প্রক্রিয়ার বাইরে এদেরকে মুক্তি দিয়ে ঝামেলা মুক্ত থাকবেন বা নিরাপদে রাষ্ট্র ক্ষমতায় থাকবেন, তা হলে চড়ম ভুল করবেন।
কৌশল গত কারনেই এখন অথবা ভবিষ্যতে সরকার বিরোধি আন্দলন ঢাকা ইউনিভার্সিটি থেকেই হবে, এতে কোন সন্দেহ নাই। তাই এদের সাথে আপোষ করে ভবিষ্যতের আন্দলন থামানো যাবে না।
কঠোর ভাবে রাষ্ট্র শাসন করুন। নরম সরকার মানুষ পছন্দ করেনা। যদি নীতি ঠিক থাকে তা হলে কঠোর সরকারই জনগণের কাম্য। যেমন, সিঙ্গাপুরের লি কুন, মালয়েশিয়ায় ডঃ মাহাথির মুহাম্মদ, দক্ষিণ করিয়ায় সামরীক সরকার কঠোর ভাবে দীর্ঘ দিন রাষ্ট্র পরিচালনা করে দেশকে সমৃদ্ধির দিকে নিয়ে গেছেন।
আর রাষ্ট্র পরিচালনায় ব্যার্থ হলে কঠোর হয়ে তো বাচতে পারবেনই না, আপোষ করেও না।

 

 

  • ২৩ টি মন্তব্য
  • ২৮০ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪ জনের ভাল লেগেছে, ১২ জনের ভাল লাগেনি
১. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:১২
comment by: জেড.আবেদীন বলেছেন: Just discolor them prior let them free.Why so many colours(Red,Yellow,Green, etc) exist in this community?
২০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:২৮

লেখক বলেছেন: Under the Red, Yellow, Green, etc screen they do some extra work, which are beyond their duty.

Their first duty to teach the students.
Second duty to research their respective subject.
Third duty to publish their research work.

But they do not research their respective subject rather they try to research regarding politics.

A teacher of Chemistry make comments regarding economics.

২. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:২০
comment by: আবুল বাহার বলেছেন: ''সুনিদৃষ্ট অভিযোগে এই সমস্ত ছাত্র-শিক্ষকদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে ''

ছাগল কোথাকার ! সুনিদৃষ্ট অভিযোগে যদি মামলা হবে তবে সরকার গঠিত তদন্তকমিটি(বিচারপতি জয়নুল আবদীন) তদন্ত করে শিক্ষকদের সম্পৃক্ততা পায় নাই কেন ?
২০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫৩

লেখক বলেছেন: প্রথম কথা বিচারপতি জয়নুল আবেদীন তদন্ত কমিটি কোথায় পেলেন?

ভুল নাম উল্লেখ করলেও বিচারপতি শব্দটা দেখে আশান্নিত হ'লাম। তা হলে একজন বিচারপতির প্রতি আস্থা আছে। আপনাদের তো বাংলাদেশের কোন কিছুর উপরই আস্থা নেই। আমি এই কথাই বলছি, বিচারপতিদের প্রতি আস্থা রাখুন। যদি নিম্ম আদালতে শাস্তিও দেয় তা হলে বিচারপতিদের কাছে আপিল করুন।

তবে আমি নিশ্চিত এই আস্থাও থাকবে না, যখন রায় বিপক্ষে যাবে। আস্থা ততক্ষণ থাকবে যতক্ষণ রায় আপনাদের পক্ষে থাকবে।

আরেকট কথা, এই গালাগালিগুলি কি আপনাদের মহান কারারুদ্ধ শিক্ষকমণ্ডলির কাছ থেকেই শিখা? না পিতা-মাতার কাছ থেকে?

৩. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:২০
comment by: অ্যামাটার বলেছেন: জনাব! আপনিকি সদ্য পাবনা.... ফেরৎ ?
২০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: আপনার যুক্তিটা কি?

৪. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:২৬
comment by: আবুল বাহার বলেছেন: তোমার ফাঁসি চাওয়ার দরকার কি সোনা ? আত্নহত্যা করলেইতো পার । বাজারে যে হারে চালের দাম বাড়ছে তোমার বাবা অন্তত একটা ছাগল পোষা তেকে রক্ষা পাবে ।
২০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৫৭

লেখক বলেছেন: কতিপয় ছাত্র-শিক্ষকের দাবি সম্পর্কে আপনার বক্তব্য কি?

চালের দাম, ছাগল ও আপনার বাবা সম্পর্কে আরেক দিন আলোচনা করা যাবে।

৫. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১০:৪০
comment by: নাভদ বলেছেন: আনন্দের সহিত মাইনাস দেয়া হইল...
২০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:০১

লেখক বলেছেন: মাইনাস দিতে তো কিছুই লিখতে হয় না। ক্লিক করলেই হয়।

কারারুদ্ধ মহান শিক্ষকরা ছাত্রদের মাথাটাকে এতই শূণ্য করে ফেলেছে যে, দুই কলম লেখার শক্তিও লোপ পেয়েছ। শুধু শুধু মাইনাসে ক্লিক করেই দায়িত্ব শেষ করে। আর দুই কলম লিখতে বসলেই যুক্তিহীন খিস্তিখেয়ুর।

৬. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:২৫
comment by: অ্যামাটার বলেছেন: সারা দেশের মানুষ যখন আমাদের মহান পেটোয়া বাহিনীর অত্যাচারে অত্যিষ্ঠ, তখন আমাদের ছাত্ররাই সর্বপ্রথম এর প্রতিবাড করেছিল, আর শিক্ষকগণই তাদের পথ দেখিয়েছিলেন।
এর আগে ওদের হাত থেকে কেউ-ই রক্ষা পায়নি,
ব্যাবসায়ী, মন্ত্রী, সাংসদ, সচিব, সম্পাদক , শিক্ষক কেউই না!
আমি ত '৭১-এর হানাদার আর হালের এদের মধ্যে কোন ইতর বিশেষ দেখি না !
মনে আছে, আগষ্টের বিশ্ববিদ্যলয় আন্দেলনের আগে ওরা গোটা দেশটাকেই মগের মুল্লুক বানিয়েছিল, ধরা কে সরা গান করছিল,
এসব ভুলে এত তারাতারি গেছেন !
২০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: কে কখন আন্দলন করেছিল, তা আলোচ্য বিষয় নয়। আলোচ্য বিষয় হ'ল আইনের চোখে সবাই সমান। কেউ আইন ভঙ্গ করলে আইন তার স্বাভাবিক গতিতেই চলবে বা চলতে দেয়া উচিৎ।

আমরা যাকে বলি Rule of law বা আমিরিকাতে যেটাকে বলে Due process of law, আইনের স্বাভাবিক গতি।

অভিযোগ উত্থাপিত হয়েছে। আইনের স্বাভাবিক গতি হল, অভিযোগের তদন্ত হবে। বিচার হবে। ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছাত্র-শিক্ষক কি আইনের আওতার বাইরে? তাদের বিচার হতে পারবে না?

৭. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৩৬
comment by: কালিদাস পন্ডিত বলেছেন:

যাহাতে যুক্তি রহিয়াছে ইহার সহিত সহমত হইতে আপত্তি নাই। ছাত্র-শিক্ষক মুক্তিপ্রসংগ হুজুগে পরিণত হইয়াছে, যুক্তিতে কাহারো আগ্রহ নাই। যাহারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক নহে তাহাদের কি হইবে? আইন কি নিজের নিয়মে চলিবে না? কী ভয়ানক সভ্যতাহীন সভ্যতার দিকে আমরা ধাবিত হইতেছি!
৮. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪২
comment by: অপূর্ব বলেছেন: যে বলবে যে দেশে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা পেয়েছে আমি তাকে বলবো দেশের বড় একটা আবাল ।
কারন সুপ্রিম কোট সরকারের পক্ষ কাজ করে ।
৯. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৭
comment by: শয়তান বলেছেন:
কালিদাস পন্ডিত বলেছেন:আইন কি নিজের নিয়মে চলিবে না?

কি হবে তা নিয়া আগেভাগে চিল্লাচিল্লি করাটা কোন নিয়মে পরে ?


@লিখক
আপনে কি একজন ছাত্র ? আপনে কি একজন শিক্ষক ? আপনে কি একজন সেনাবাহিনী ? আপনে কি একজন সাধারন মানুষ ?

যদি আপনে এগুলার কোনওটাই একজন না হন তাইলে অফ যান ।
হুদাই সো কল্ড বুদ্ধিজিবীরগো মতন ঘ্যানঘ্যান কইরেন না ডেইলি ডেইলি ।
১০. ২০ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১১:৪৮
comment by: অ্যামাটার বলেছেন: আইনের জন্য মানুষ নয়, মানুষের জন্য আইন।
তাছারা , আপনি কি মনেকরেন আকন্ঠ দুর্নীতিগ্রস্ত একটা দেশের আইনের শাসন ও বিচার ব্যাবস্থা মহা পরাক্রমশালী! রাজশক্তির উর্ধ্বে ?
নাকি বিচার বিভাগ পৃথকিকরণের নামে ফটকা তামাশাবাজীর আইওয়াশ-টুকু বোঝার ক্ষমতাও আপনার উর্বর মস্তিস্কে নেই?
১১. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:০৮
comment by: আবাবিল বলেছেন: আগস্টে যে ধংসযজ্ঞ হয়েছিল তার বিচার আমরা চাই কি না এটি প্রথম প্রশ্ন। সেই ঘটনা যদি আরো কিছুদিন চলতো তবে দেশের সামগ্রীক অবকাঠামো, প্রশাসনিক চেইন অব কমাণ্ড, রাষ্ট্রীয় সার্বভৌমত্ব ইত্যাদি চুড়ান্তভাবে ভেঙে পড়তো। সুতরাং এমন এক গুরুতর অপরাধের বিচার চাই কি না সেটি বড় প্রশ্ন হওয়া উচিত।

যদি চাই, তবে বিচার প্রক্রিয়া চলতে দিতে আপত্তি কেন? সেদিনের ঘটনায় যদি শিক্ষকনেতৃবৃন্দ এবং কতিপয় ছাত্র দোষী প্রমাণিত হয়, তবে কি তাদের শাস্তি হবেনা, হতে পারবেনা? শুধু ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক এই জন্য? এটি কি আইন আদালত, বিচার-ব্যাবস্থার তথা রাষ্ট্র ব্যাবস্থার প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপন নয়?

তারা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শুধু এই কারণেই তাদের ছেড়ে দিতে হয়, তবে রাজনীতিবিদদের কেন ছেড়ে দেয়া হবেনা, দুর্নিতিবাজদের কেন ছেড়ে দেয়া হবেনা? সামগ্রীকভাবে রাজনীতিবিদদের ত্রুটি থাকলেও তারাই দেশকে এতদূর নিয়ে এসেছেন। দেশের মানুষের ভাত কাপড়ের ব্যাবস্থায় তারা যে তত্বাবধায়কদের চেয়ে অধিক দক্ষ তা ফুটে উঠছে, এ অযুহাতে তাদের কেন মুক্তি দেয়া বা চাওয়া হবেনা? দুর্নিতিবাজরা দুর্নিতি করলেও কাজ তারাই করেছেন। এই অযুহাতে দেশের স্বার্থে তাদের কেন মুক্তি চাওয়া হবেনা?

আমরা শুধূ তথাকথিত 'জাতির বিবেকদের মুক্তি চাই' যাতীয় কথায় গলতে রাজি নই। আমরা যুক্তি ভিত্তিক বক্তব্য চাই।
১২. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১২:২০
comment by: কালিদাস পন্ডিত বলেছেন:

আন্দোলনের মাধ্যমে আইনের সাম্যদৃষ্টি যাহারা বিনষ্ট করিতে চাহে তাহারা দেশপ্রেমিক নহেন, ইহাদের প্রশ্রয়দাতা রাজশক্তিও মুর্খ। ছাত্র বা শিক্ষক বলিয়া কেহ আইনের বাহিরে থাকিবেন এইরূপ স্বতঃসিদ্ধ ধারনার অবসান আবশ্যক। কাহারো বিরুদ্ধে আইনগত অভিযোগ থাকিলে তাহাকে কারাবরন করিতেই হয়, সে শিক্ষক নাকি ছাত্র নাকি টোকাই নাকি গার্মেন্টসকর্মী ইহা বিবেচ্য বিষয় হইতে পারে না।
১৩. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:০৮
comment by: সোনার বাংলা বলেছেন: ভাই আবাল বহার নন্দ ঘোষদের সাথে আইনের কতা কইয়া কুন
লাভ নাই! ডান্ডাই তাদের জন্য মহা ঔষধ।

+
১৪. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ১:১২
comment by: মাসুদ যা বলেছেন ঠিকই বলেছেন: লেখক বলেছেন:
"কারারুদ্ধ মহান শিক্ষকরা ছাত্রদের মাথাটাকে এতই শূণ্য করে ফেলেছে যে, দুই কলম লেখার শক্তিও লোপ পেয়েছ। "


লিখক নিজে নিজেই একটা কনক্লুসনে এসে গিয়েছেন যে কারারুদ্ধ শিক্ষকেরা দোষী।

এ জাতিয় লোকের সাথে তর্ক করা সময়, পরিশ্রম, বুদ্ধি, রুচি এবং টাকার বিরাট অপচয় বলে মনে করিতেছি।

আনন্দের সহিত মাইনাস দেয়া হইল...
১৫. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ রাত ৩:৫৪
comment by: মদনবাবু বলেছেন: আপনি ভাই সত্য সত্যই একটা জলপাই ।
১৬. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ সকাল ৭:৫২
comment by: পান্জেরী বলেছেন: একমত।
১৭. ২১ শে জানুয়ারি, ২০০৮ দুপুর ১:১১
comment by: সালাহউদ্দীন মুহম্মদ সুমন বলেছেন: যেখানে আইনকে অনুসরণ করে কি ছাত্রশিক্ষকদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে????

বহুত ছাগল দেখিলাম আমি
এই স্বাধীনতাপরবর্তী বঙ্গদেশে,
কেঁকে-কেটে বুক ভাসাবো নাকি
গলা ফাটাবো হা হা হেসে।


ছাগলামি করার জায় অনেক আছে। সেখানে করুন।

 



 


বহ্বাড়ম্বর
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ২৮৭২