আমার প্রিয় পোস্ট
- আজ ১৭আগষ্ট ব্লগার নাফিস ইফতেখার, শায়মা ,অপ্সরা , ব্যাকটেরিয়া , লাল চাঁন সহ নয়জন ব্লগারের জন্মদিন। - জিসান শা ইকরাম
- শুভ জন্মদিন ঝুমকোলতা
- সোহানুর রহমান
- একটি আয়না ও প্রতিচ্ছবির শুভ জন্মদিন [হ্যাপ্পি বাড্ডে টু শায়মা]
- পটল
- অপ্সারার ভুত শায়মা, উনার জন্মদিন
এবং আমার কিছু কথা - বৃষ্টি ভেজা সকাল ১১
- সিংহের খপ্পরে তিন ব্লগার > অপ্সরাপু, নাফিস ইফতেখার এবং একরামুল হক শামীম ! - এস.কে.ফয়সাল আলম
- কোথাও আমার হারিয়ে যাওয়ার নেই মানা, মনে মনে... - সুরঞ্জনা
- আপুনিদের জন্যে ঈদের গিফট; ভাইয়াদের প্রবেশ নিষেধ

- নীল-দর্পণ
- অপ্সরাপু, নাফিস ইফতেখার এবং একরামুল হক শামীম ভাইয়ার জন্মদিনে শুভেচ্ছার ফুলঝুড়ি - এস.কে.ফয়সাল আলম
- শুভ জন্মদিন অপ্সরা - শ্রাবনসন্ধ্যা
- দুজন রহস্যময়ীর ছায়া (এটা গল্প বা ছড়া-কবিতা নয়) - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- ছড়ার খেলা; ইচ্ছে হলেই এখানে একটা ছড়া লিখে ফেলুন


- সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
- জনম জনম গেল বিরহ শোকে (ভালোবাসার গল্প) - ভুতের আড্ডা
- প্রিয় - বাবুনি সুপ্তি
- ব্লগার্স মেন্টাল হসপিটাল
- ১ম পর্ব - এরশাদ বাদশা
- বৃত্তবন্দী (ছবি ব্লগ) - আহমেদ রাকিব
- অপ্সরা ও স্বপ্নজয় যৌথ প্রযোজনা ২ - ঈদ স্পেশাল ইবুক - ~স্বপ্নজয়~
- একটা উন-মানুষ এর গল্প - নাহিদ মাহমুদ
- অকথনকথনপটিয়শস- ঈদ ও পূজা সংখ্যা-১ - মুক্ত বয়ান
- লিওনার্দো দা ভিঞ্চি - নাহিদ মাহমুদ
- কাকতাল গল্প
- আকাশনীল
- ~~শততম পোষ্ট লেখার পথে দুই বছরের অনিঃশেষ পদযাত্রা~~ - তায়েফ আহমাদ
- প্লিজ বলোনা,কি চাও তুমি তোমার জন্মদিনে??? - রফিক এরশাদ
- শুভ জন্মদিন অপ্সরা আপুমনি
- ~স্বপ্নজয়~
- তারকাগো লগে লগে আমার তেনারও--- - ফেরারী পাখি
- -: শুভ জন্মদিন অপ্সরাপু :- - শফিক আসাদ
- একরামুল হক শামীম,ব্যাকটেরিয়া,অপ্সরা ওনাফিস ইফতেখার আপনাদের জন্মদিনের শুভেচ্ছা। - নিলআকাশেরদুঃখ
- শুভ জন্মদিন অপ্সরা; শুভ জন্মদিন নাফিস ইফতেখার ... - ইমন জুবায়ের
- আজ আমাদের অপ্সরার জন্মদিন > বোনের কপালে দিলাম ফোঁটা-যমের দুয়ারে পড়ুক কাঁটা > - মনজুরুল হক
- বল কি, কাজের বুয়া বাড়ীতেই থাকে?(অপ্সরা আপুনি,আপনি কই..একটুহাসেন..প্লিজ..) - রফিক এরশাদ
- দ্বীচারিনী একজন....... [দ্বিতীয়] - ত্রেয়া
- সত্যিই আমি ধংস হতে চাই। - জয় সরকার
- আমি তোর নামটাও ভুলে গেছি!! - আকাশচুরি
- বরষা বন্দনা - ফেরারী পাখি
- আঠার চাঁদের শুক্লপক্ষে জলকন্যা - মনজুরুল হক
- জাগো বাহে কুন্ঠে সবাই----------- - ফেরারী পাখি
- চিঠি দিও ... - সাঁঝবাতি'র রুপকথা
- গল্পঃ সবুজ রঙের মেঘ - আকাশ_পাগলা
- কবিতা আর গান ।। - শফিক আসাদ
- তুমি সন্ধ্যার মেঘমালা - ~স্বপ্নজয়~
- ফরচুন কুকি (গল্প) - ভুতের আড্ডা
- ভুল সময়. ভুল মানুষ.. - নির্জন প্রহর
- A Birthday Gift - ধূসর মেঘমালা
- কপি-পেস্ট_7_ ফুলশয্যা (শিশির লাহিড়ী)_5 - বিরান্
- কালো ঝুটির পরী ... - ...অসমাপ্ত
- উকুন বাছা দিন। ০৮। নির্বাণ - মাহবুব লীলেন
- খ্যাতির লাগিয়া :: পর্ব-২ - সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
পিন্জিরা
০২ রা জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:২৭
কাঁক ডাকা হিম হিম মন শীতল করা স্নিগ্ধ এক শরতের ভোরে, ঘুম ঘুম ভাবটা ভালো মত না কাটতেই, বসিরুদ্দি পাকাবস্তির ভাড়াটে বাসিন্দা কোরবান আলীর ঘরের দরজার কড়া ঝন ঝন শব্দে বেজে ওঠে। দরজা খুলেই মেজাজ চরমে ওঠে কোরবান আলির। সামনে দাড়ানো জ্বাজল্যমান প্রেতিনী নসিমনের উপর চোখ পড়তেই ঝাঁঝিয়ে ওঠে সে। খিস্তি ছুটে মুখে
- ....... আবার আইছস? হায়া লজ্জা নাই তোর .......???তোরে না, না করছি এই বাইত আইতে?
-খোদাতায়ালা কি ঐ কাইল্লাষাড়ের মত ঐ শরীরডার সাথে সাথে দিলটাও ঘেন্না পিত্তহীন কইরা দিছে তোর?
-দূর হ আমার চোখের সামনে থেইকা।ভালো চাইস তো দূর হ কইতাছি। ভালোয় ভালোয় বিদায় হ......
বিয়ের পর থেকে কত লক্ষ কোটীবার নসিমন শুনেছে তার কালো মোটাসোটা শরীর সর্বস্য রুপের এই অপবাদ। একটাবারও আপত্তি করেনি।খোদাতায়ালার কাছেও নেই তার কোনো অভিযোগ । যেমনটি নেই তার এই বিশ্বাসঘাতক, দুর্ব্যাবহারকারী স্বামীটির প্রতি।
স্বামীর এমন ব্যাবহারের উত্তরে নসিমন কোনো প্রতিবাদ করেনা, একটা বার রুখেও ওঠেনা। নাকি কান্না জুড়ে, ইনিয়ে বিনিয়ে বলতে থাকে,
-আইতে চাইনা ঈমানে কইতাছি। শুধু কাইল মাইঝরাইতে পোলাডা ঘুম ভাইঙা উইঠা কান্না জুইড়া দিলো, হেয় স্বপনে দেখছে তার বাবার নাকি ম্যালা অসুখ, তাপে শইলডা পুইড়া যাইতাছে........... ........
এই মিথ্যা যেন কোরবান আলীর আর সহ্য হয়না।রোজ রোজ নিত্য নতুন বানোয়াট গল্প। মনে মনে ভাবে শকুনীটা মরেওনা। দ্বিতীয় বাচ্চাটা জন্মের পরে নসিমনের চেহারাটা দেখতে হয়েছে যেন সাক্ষাৎ ভাগাড়ের শকুন! তেড়ে উঠে এগিয়ে যায় সামনে,
-ফের মিছা কথা ..........চুলের মুঠি ধইরা বাইর কইরা দিমু আর একবার যদি মিছা কান্দন গাইতে আসিস।লাত্থি দিয়া তোর থোতা মুখ ভোতা কইরা দিমু......,বড় ছেলেটা মায়ের সাথে সাথে কান্না জুড়ে দেয়।কোরবান আলির মেজাজ এইবার সপ্তমে উঠে।
দূর হ দূর কইতাছি। এই সব ট্যা ভ্যা নিয়ে এখুনি বাইরা। ছুড়ে দেয় সে দুটি ৫০ টাকার নোট নসিমনের শরীরে। কোলের বাচ্চাটা নিয়েই মাটি থেকে উবু হয়ে তুলে নেয় নোট দুটি নসিমন। উঠে দাঁড়াতেই চোখে পড়ে পরীবিবিকে। কোরবান আলীর পিছে ঘুম ভাঙা আহলাদী বিড়ালের মত এসে দাড়িয়েছে সে।
ছোট একটা নিশ্বাস বেরিয়ে আসে ওর। সেটা চেপেই মুখে একটু হাসি ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করে , বলে- যাই..
বেরিয়ে আসার সময় পেছন থেকে শুনতে পায়, কোরবার আলীর বলছে,
এই যাওয়া যেন শেষ যাওয়া হয়......
রাস্তায় নেমে দ্রুত পা চালায় নসিমন। অভাব অযতন অবহেলায় সেই মোটা তাজা মোষের মত চেহারার পরিবর্তিত আজকের এই শীর্ণ শরীরটা কোলে একটা আর কাঁখে একটা নিয়ে যেন এগুতে চায়না আর! বেলা সাতটার মাঝে গুলশানের বাসার কাজে যেতে হবে। দেরী হলে বিবিসাবের মেজাজটা কোরবান আলীর মেজাজের সাথে কোনো অংশেই অমিল থাকবেনা।
তবুও এত কিছুর মাঝেও পথ চলতে চলতে মনে পড়ে সেই দিনটার কথা।
তার জীবনের সুখের দিন বলতে ঐ একদিনই। তার বিয়ের দিনটা। জন্মেই মাকে খেয়েছে সে। তারপর থেকেই মামার বাড়ীতে বেড়ে ওঠা নসিমনের কপালে সুখ কাকে বলে জানা হয়নি। দিবারাত্রী মামীমার হুকুম, মামাত ভাইবোনদের ফাই ফরমাস আর সংসারের যাবতীয় কাজ করেও কারো খালি মুখের এতটুকু মিষ্টি কথা ওর কপালে জুটেনি কখনও।
সেই নসিমনকে যখন মামীমা একদিন ডেকে নতুন একখানা কাপড় পরালো। এক টুকরো সাবান দিয়ে মুখ ধুয়ে আসতে বললো, পাড়া পড়শী বৌ ঝিয়েরা হলুদ বাটা একটু মুখে ঘসালো। পাশের বাড়ির করম আলীর নতুন বৌটা কথা থেকে একটু দুধের সর যোগাড় করে এনে ওর কালো কালো মোটা মোটা হাত পায়ে ঘসে ফরসা করে তুলতে ব্যাস্ত হয়ে উঠলো। নসিমনের মনে হলো আজ হতে সে রাণী হতে চলেছে। তার দুখের জীবনের বুঝি অবসান ঘটলো। নসিমন জানলো তার ট্যাক্সী ড্রাইভার মামা তারি সুখের জন্য একজন সুপাত্র ট্যাক্সী ড্রাইভার জামাই জোগাড় করেছেন।ঠোটে আলতা, চোখে কাজল, গালে পাউডার বুলানো নসিমনের মনে হলো সে বুঝি সত্যি স্বর্গবাস করতে চলেছে।
বাসররাতে নসিমন তার স্বপ্নের রাজকুমারের লম্বা চওড়া দীর্ঘদেহ, কালো বড় বড় চোখের চাউনী আর কপালের উপর ঢেউ খেলানো চুলের বাহার দেখে অভিভুত হয়ে পড়লো। তার বিশ্বাসই হতে চাইছিলোনা এমন একজন সিনেমার হিরোদের মত চেহারার মানুষ তার স্বামী। কিন্তু কেনো যে নসিমন ওর জান প্রাণ দিয়ে স্বামী সেবা করেও তার মন পেলোনা।আজো সে বুঝলোনা। চেহারাই কি সব এই দুনিয়ায়? বার বার নিজের কাছেই প্রশ্ন করেছে সে।বিয়ের দুদিনের মাথায় ও জানতে পারলো সকাল বেলা এমন কালো মইষের মত চেহারা দেখলে তার স্বামীর নাকি দিনটাই মাটি হয়। নসিমনেরর দুঃখ হল সেদিন খুব। সে তার কালো চেহারাটার জন্য না। দুঃখ তার স্বামীর কষ্টটা।
সেই কারনেই বিয়ের তিন বছরের মাথায় দু দুইটা ছেলেমেয়ে নিয়ে হাড় জিরজিরে নসিমনকে যখন ঘর থেকে বের করে দেয় কোরবান আলী। তেমন কোনো আপত্তি করেনি সে। কাঁলাচাঁদপুরের এই বস্তিতে তার এই শহরের একমাত্র আপনজন বলতে যাকে বুঝে সেই ছবিভাবীর কাছে এসে উঠেছিলো সে।তার সহায়তায় গুলশানের এক বাসায় কাজও জুটিয়ে নিয়েছে সে। কোনোমতে দুঃখে কষ্টে জীবনটা চলে তার । শুধু কিছুদিন পরে কোরবান আলীর মুখটা না দেখলে তার দুনিয়া আঁধার হয়ে আসে।
কোরবান আলী ভালোই আছে পরীবিবিকে নিয়ে। কোথায় পরীর মত চেহারার পরীবিবি আর কোথায় কালো মহিষের মত দেখতে নসিমন। নিজের ভাগ্যকেও দুষতে পারেনা সে।
বস্তির ঘরে ফিরে বাচ্চা দুটোকে কিছু মুড়ি আর গতরাতের বাঁচানো কিছু পানিভাত দিয়ে ঘরে তালাবদ্ধ করে সে। পাশের বাড়ীর ছবি ভাবীকে ঘরের চাবি আর এক গ্লাস দুধ বুঝিয়ে দিয়ে কাজে বের হয়ে যায়।
পথে যেতে যেতে ভাবে, বিবিসাহেবের কাছে আগামী মাসের কিছু টাকা আগাম চাইবে সে। পরীবিবি যত সুন্দরী হোক তার মত কি রাঁধতে জানে? না জানি কত কষ্ট হয় তার স্বামীটার। একদিন ভালো মন্দ কিছু রান্না করে খেতে ডাকবে সে স্বামীকে। হাজার হোক তার বাচ্চাদের বাপ, না এসে কি আর পারবে?
কিন্তু কোনো রকম কাঁকুতি মিনতিতেই কোরবান আলীর মন গলেনা।বড় ছেলেটাকে দিয়ে ডাকতে পাঠানো কোরবান আলী বরাবরের মত দুটো ৫০ টাকার নোট ছুড়ে দিয়ে তার চোখের সামনে দিয়ে পরীবিবিকে নিয়ে ট্যাক্সী সমিতির বনভোজনে চলে যায়।
এভাবেই দিন কাঁটে নসিমনের। কদিন পর পর সেই মুখ যত গালমন্দ করুক তাকে না দেখে সে থাকতে পারেনা। ঘর মুছতে গিয়ে হঠাৎ একদিন মাথা ঘুরে পড়ে যায় নসিমন। বিবিসাহেবই তাকে সরকারী মেডিকেলে নিয়ে আসে।ড্রাইভার দিয়ে খবর পাঠায় বস্তিতে।নসিমন জানেনা কি হয়েছে তার। ছবি ভাবী আসে হাসপাতালে তাকে দেখতে।বাচ্চা দুইটা তার কাছেই আছে। বলে চিন্তা করিসনা। ঠিক হইয়া যাইবো সব। তাকে দয়াকারীনি এই মহিলাটি আঁচলের খুঁটে চোখ মুছে। নসিমন চুপি চুপি বলে ভাবীগো , একটাবার তারে খবর দিতে পারবা?শুধু একটাবার তারে দেখতে মন চায়।
ছবি ভাবী কথা দেয়, স্বামীকে দিয়ে খবর পাঠায় । বরাবরের মত কোরবান আলী বিরক্ত হয়। তবে ছবি ভাবীর স্বামীকে এবার সে ১০০ টাকার দুখানা নোট ধরিয়ে দেয়, তবে তা কার জন্য বাচ্চাদের জন্য না নসিমনের জন্য জানতে চায়না ছবিভাবীর স্বামী,দয়ালু এই ব্যাক্তিটির চোখেও ঘেন্না ফুটে ওঠে এই পাষন্ডের কান্ড দেখে বুঝি।তবুও যতদূর সম্ভব নরম করে বলে,
-সেতো টাকা চায়না।
কোরবান আলী বিরক্ত হয়, বলে
-তাইলে কি চায়??
- সে তোমারে দেখতে চায়। শেষবারের মত।
কোনবান আলী হঠাৎ থমকে তাকায়। তার কি মনে পড়ে দিনরাত তার খেদমতে খেঁটে যাওয়া, তাকেই সূখী করতে প্রানান্তকারিণী হাড় হাভাতে, চিরদুঃখী নসিমনের সতৃষ্ণ চেহারাটা?
দোনোমনো করে কথা দেয়, সে দেখতে যাবে নসিমনকে এক সম সময় করে।
পরদিন বিকালে নসিমনের অবস্থা খুব দ্রুত খারাপ হতে থাকে।বুকটা ফেঁটে যায় তৃষ্ণায় যেন। নার্স দৌড়ে আসে। পানি ঢেলে দেয় মুখে।হাঁপাতে হাঁপাতে এদিকে ওদিকে কি যেন খুঁজে নসিমন। নার্স জানতে চায়
-কারে খুঁজো বোন?
নসিমন মাথা নাড়ে- কাউরে না
কাউরে খবর দিতে চাও?
নসিমন এক পলক তাকায় নার্সের মুখের দিকে। কিছু ভাবে সে একটুক্ষণ।বলে -হ্
-আমার লাশটা কেউ নিতে আইলেন কইয়েন, আমার স্বামী যেন আমার লাশের কাছে না আসে।
খুব অস্ফুটে বিড়বিড় করে বললেও স্তব্ধ হয়ে যায় নার্স ওর কথা শুনে। আর তার কোলে মাথা রেখে চিরকালের জন্য নিস্তব্ধ্ হয়ে যায় নসিমনের আজন্ম দুঃখী শরীরটি।
( নসিমন কোনো মিথ্যে গল্পের চরিত্র নয়। মাস ছয়েক আগে আমার দেখা একটি সত্যি গল্পের এক দুখিনীর নাম। কিছুদিন আগে অনেকটাই ঠিক তেমন মিলে যাওয়া আরেক নসিমনের গল্প পড়লাম। তখনও নসিমনকে নিয়ে কিছু লিখবো ভাবিনি। নসিমনদের দুঃখ নিয়ে কিছু লেখার সাহস ও কখনও আমার হতোনা হয়তো। শুধু মনজুরুল হক ভাইয়ার অনুপ্রেরণায়, আমার দেখা সত্যি ঘটনা ও গল্পের সেই নসিমন এক হয়ে মিলে মিশে গেলো আজ সকালে।তাই কিছু কল্পনা ও কিছু সত্যি মিশিয়েই একটা কিছু লিখে ফেললাম।মনজুরুল হক ভাইএর খেঁটে খাওয়া মানুষদের নিয়ে লেখাগুলোয় কমেন্ট করবার পর্যন্ত সাহস হয়না আমার।আমি নিশচিৎ নসিমনদের কথাও তার অজানা নয়। তবুও লিখলাম...)
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:২৭ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
শাওন৩৫০৪ বলেছেন:
হুমমমম
লেখক বলেছেন: হুমমম । আমি ও হুমম বললাম শাওন। লেখাটা লিখতে গিয়ে মন খারাপ। হুম ছাড়া আমারও বলার কিছু নেই।
লেখক বলেছেন: হুম আপুনি। কষ্ট টা হলো এই নসিমনটা আমার নিজের চোখে দেখা।হোক না তার জীবনের অর্ধেকটা আমার কল্পনা।
ভাঙ্গন বলেছেন:
অসাধারণ!
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাঙন।
কালপুরুষ বলেছেন:
অহম অফিসে। পড়তে পারুম না। রেইতে বাসায় গিয়া পরুম। মজা লাগতেছে তুই একটা গণ্প লিখছোস। পইড়া পরে কমুনে কেমন হৈছে।
লেখক বলেছেন: মজা লাগলে হবেনা ভাইয়া। আমার কিন্তু গল্প লিখতে গিয়ে ভীষন মন খারাপ।
শাওন৩৫০৪ বলেছেন:
এইসব অহরহ দু:খ গরিব বইলা শুধু নাম্বারে কাউন্ট হয়...আরেকজন মরছে...পিছনের গল্প তো প্রায় সবারই আছে...আমাদের দেখার টাইম কই??সুন্দর লিখছো খুব...
লেখক বলেছেন: সত্যি দেখার টাইম নেই শাওন। তাই ভাবিনা , দেখেও দেখিনা । নিজেকে নিয়েই নিজের আনন্দ বেদনা নিয়েই মেতে থাকি। যখন তাকাই, বেঁচে থাকার ইচ্ছেটাই হারিয়ে যায়।
অনেক ধন্যবাদ মন্তব্য ও প্রশংসার জন্য ভাইয়াটা।
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
এক কথায় যদি বলি তাইলে বলতে হয় অসাধারণ। বর্ণনা শৈলী চমৎকার। গল্পের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত উদ্দেশ্য ধরে রাখতে পেরেছেন। ভালো লাগছে আপনাকে গল্প লিখতে দেখে। লিখতে থাকুন।
লেখক বলেছেন: ইশ!! পারবোনা এত গল্প লিখতে। রোজ রোজ লিখতে গিয়ে কান্নাকাটি করবো নাকি?![]()
এ.টি.এম.মোস্তফা কামাল বলেছেন:
গল্পটি খুব সুন্দর। আমরা আবার দেখলাম truth is stranger than fiction. গল্পের শেষটা আবার একটু পড়ে দেখবেন দয়া করে। স্বামীর প্রতি মনোভাবের বদলটা বেশি আকস্মিক মনে হচ্ছে।লেখক বলেছেন: গল্পটা ছোট ভাইয়া। তায় জীবনে গল্প তেমন লিখিনিও। সত্যিকারে জীবনের গল্পটা অনেক বড়। অনেক কিছুই জড়িয়ে আছে তাতে।
ছোট করে লিখতে গেলে অনেক কিছুই চাপা পড়ে যায়।
তবে পরম আকাংখীত, পরম চাওয়ার মূল্য না পেয়ে পেয়ে নসিমনের এক বুক অভিমানের প্রকাশ ঘটেছিলো শেষদিনটাতে। এমনটাই মনে হয়েছে আমার।
লেখক বলেছেন: তোমার মনটাও খারাপ দেখতে চাইনা এ্যান্জেলিনা।
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন:
মনটা কেমন বিবশ করে দিলেন!কোন সাজগোজ ছাড়াও যে অপসরা আপুর লিখা আফ্রোদিতির মতই সুন্দর, এ গল্পটি তারই প্রমাণ।
লেখক বলেছেন: হাহাহাহা এতক্ষন পরে হাসলাম রুবাইয়াৎ।
দুষ্টুমীতে যে তুমি সেরা সেটা সেদিন ঐ পুঁথিপাঠ দেখেই বুঝেছিলাম।
লেখক বলেছেন: নানা দুষ্টুমী হবে কেনো? তুমি তো লক্ষী ছেলে। তবে সাজগোজের কথা বললে তাই বড্ড হাসি পেলো।
রাগ করোনা লক্ষী ভাইয়াটা। তবে আমি কিন্তু আরেকটা নিক থেকে গল্প লিখেছিলাম। এটা থেকে কখনও লিখিনি কেমন যেন লজ্জা লজ্জা লাগে।
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন: আমি মোটেই দুষ্টুমি করিনি ,মোটেইনা -----------------------------------------------------------------
হ এইডা মোটেও দুষ্টামি আছিল না। কারন ওইডা একটা সত্যি কথা।
লেখক বলেছেন: হাহাহাহাহাহহা
আবারও হাসছি পুচকা। কেনো হাসছি সেটা কিন্তু বলবোনা। তোমরা আসলেই পুচকাই আছো।
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন:
একটুও রাগ করিনি, অপসরা আপুর সাথে কোনভাবেই রাগ করা যায়না। আপুর যে আরেকটা নিক আছে সেটাই তো জানিনা আমি! কোনটা? আমি এখুনি গিয়ে ওখানকার সব গল্পগুলো পড়ব। ভেবে ভেবে বলি?
লেখক বলেছেন: নানানা সেটা বলা যাবেনা। খুঁজে খুঁজে বুঝে নাও।
তবে ভেবে ভেবে বলি আমার নিক না। ওর চেহারাটা আমার মত। তার ভাস্যমতে আমাদের চেহারার মিল থাকার কারণ আমরা আমরা ব্লগীয় বইন। আর আমিও স হমত। হাহাহাহা কোন পোস্টে যেন সে এটাই লিখেছে। পোস্টটার নাম ভুলে গেলাম।
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন:
এমন মন খারাপ করা লেখা তোমাকে একদমই মানায় না , তোমার মন খারাপ কে মাইনাস .... তবে লেখাটার পিছনের সত্যতা আমি নিজের জীবন থেকেই প্রমান পেয়েছি... এ পৃথিবীতে বেশীরভাগ মানুষ নিঃস্বার্থভাবে কেউ কাউকে সমাদর করে না ... আর যারা তা করতে যায় পরিনতি হয় নসিমনদের মতই ...কাজ ফুরোনোর পরে নিরবে ঝরে পড়ে গেলেও ওদের কেউ খোজ নেয় না ... শত ধিক ! ওই সব অকৃতজ্ঞ পৃথিবীর বাসিন্দাগুলোকে ... লেখক বলেছেন: মন খারাপ করতে মোটেই আমারও ভালো লাগেনা। যদিও মন খারাপটাকে হাজার ভাবে জয় করার নেশায় মেতে থাকি আমি। তবে মনজুরুল হক ভাইএর অনুরোধ বা আদেশেই আমি গল্প লিখতে চেষ্টা করলাম আজকে।
মনজুরুল ভাইয়াটা সব সময় খেঁটে খাওয়া দুঃখী মানুষদেরকে নিয়েই ভাবে । তার ভাবনার প্রতিফলন পড়েছে হয়তো আমার উপরেও আজ।সব দোষ মনজুরুল ভাইয়ার।
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন: একটুও রাগ করিনি, অপসরা আপুর সাথে কোনভাবেই রাগ করা যায়না। আপুর যে আরেকটা নিক আছে সেটাই তো জানিনা আমি! কোনটা? আমি এখুনি গিয়ে ওখানকার সব গল্পগুলো পড়ব। ভেবে ভেবে বলি?-----------------------------------------------------------------
না ভেবে ভেবে বলি না। আরেকটা নিক আছে এইডা আমিও জানতাম না। রুবাইয়াত ভাই আপ্নেরে মাইনাস, আমি যাই কইতাম চাই আপ্নে তাই বইলা দেন কেন? তয় কথা সত্য, অপসরার আপুর সাথে রাগ করা যায় না। আরেকটা নিক কি চুপি চুপি আমাকে আর রুবাইয়াত মাইনাস ভাইকে দেন। আর কাউকে দিয়েন না কিন্ত। তাইলে কিন্ত সত্যি সত্যি রাগ করবো।
লেখক বলেছেন: তোমাদের কানদুটো খুঁজে পাচ্ছিনা।![]()
ভেবোনা কানমলা দেবার জন্য। কানে কানে বলে দিতাম সত্যি সত্যি।
কিন্তু কান দুটো খুঁজে পাচ্ছিনা, কি করে বলি?
ফেরারী পাখি বলেছেন:
এখন একটু ব্যাস্ত আছিরে, পরে পড়ে জানাচ্ছি--কেমন হল।আশা করি, গল্প কোনভাবেই খারাপ হবে না। তবে কষ্ট করে গল্প লেখার জন্য, আগাম একটা + দিয়ে গেলাম।
লেখক বলেছেন: নানানানাননানা না পরে প্লাস দিলে হবেনা । তাড়াতাড়ি ফিরে আসো।
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: এমন মন খারাপ করা লেখা তোমাকে একদমই মানায় না , তোমার মন খারাপ কে মাইনাস .... ---------------------------------------------------------------------------
এই কথাকে ২ টা ++ না না আরো বেশি +। অনন্ত +
লেখক বলেছেন: হাহাহাহাহা
আচ্ছা আর লিখবোনা এমন। এইবার হবে রম্য রচনা।
এন এইচ আর বলেছেন:
এক রাশ দীর্ঘ্য শ্বাস....................।
লেখক বলেছেন: হুম । আমারও।
কেমন আছো তুমি ভাইয়াটা???
ইমন জুবায়ের বলেছেন:
ভালো লাগল।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ইমন।
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন:
এইসব চেনাজানা গল্প, প্রতিদিনের গল্প...... ফাঁকে দিয়ে অপ্সরাপুর নতুন রূপ দেখা গেল!
লেখক বলেছেন: মাইর দেবো ভাঙা পেনসিল। ![]()
অপ্সরাদের রুপ দেখা কি এতই সোজা?? তারা হলো বহূরুপী।![]()
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
আমাদের বহুতল দালানের সাথে সহবস্থানকারী বস্তি, কিছু টিনের ছাপড়া, আর অনিশ্চিত জীবনকে আপন করে নেওয়া জোরপূর্বক কৃত সাহসীদের একজন নসিমন। ভালবাসা ছাড়া আর কোন সম্পদ সে ধারন করেনি। তবুও সম্পদের অধিকারীনি অবহেলিত থাকে কিছু মাটির পুতুল খেলা এবং খেলা শেষে ভেঙ্গে ফেলা বালকের কাছে।
লেখক বলেছেন: হুম। ছোটবেলায় আমার এক খালার বাসার পাশেই ছিলো এক বিশাল বস্তি। বারান্দায় দাড়ালে দেখা যেত তাদের ঝগড়া ফ্যাসাদ মারামারি গল্প গুজবের অহরহ দৃশ্য।
অবাক হয়ে দেখতাম মাঝে মাঝে কত অল্পে মানুষ তুষ্ট হয় আবার কত অল্পেই রুষ্ঠ।। কিন্তু কখনও যদি ওদের ঝগড়াটা মন দিয়ে দেখতাম। মা কান ধরে টেনে নিয়ে যেতেন সেখান থেকে।
আমি এখন অনেক বড় হয়ে গেছি। অনেক পাল্টে গেছি, বদলে গেছি। নসিমনরা শুধু পাল্টায়নি। বদলায়নি ওদের ভাগ্য। তখনও নসিমনরা ছিলো এখনও আছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া। এমন মন্তব্যের জন্য।
অনেক অনেক প্লাস দেবার জন্যও অনেক অনেক খুশী হলাম ।
গীত শেষে বীনা পড়ে থাকে ধূলি মাঝে..................
তোমার লিখাতে ধার আছে, মন খারাপ হলো পড়ে।
লেখক বলেছেন: তুমি বুঝিবেনা বুঝিবেনা
আলো দিতে পোড়ে কত প্রদীপেরও প্রাণ।
ধন্যবাদ অনেক অনেক সীমন্ত।
লেখক বলেছেন: কত শত শত অভাগী আছে আমাদের আশেপাশে এমন।
লেখক বলেছেন: জানিনা তো। গান বা ছবি কোনোটাই নয় হয়তো ।
জুনী বলেছেন:
এত্ত বড় কাহিনী লিখলেন কিভাবে???
লেখক বলেছেন: কিভাবে আর টাইপ করে করে জুনী মনি।![]()
লেখক বলেছেন: আমারও মন খারাপ।
লেখাটা পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
মজার ব্যাপার হল সমাজের উচ্চবিত্ত এবং নিম্নবিত্ত এই দুই স্তরে এমন গল্প খুবই কমন। আর মাঝে আমাদের মত মধ্যবিত্তদের কাছে নসিমনদের কাহিনী মাঝে মাঝে গল্প-কবিতা রচনা বা সমাজ নিয়ে চিন্তা করার কাচামাল। উচ্চবিত্তদের ঘটনাগুলো আমাদের কাছে টাকার খেলা। গল্প ভাল হয়েছে। মাঝে মাঝে মনে হয়, আমরা চাইলে আশে পাশের শত শত কাজের বুয়া, কাজের মেয়ে, পিয়ন, দারোয়ান, ড্রাইভার প্রত্যেকের জীবন নিয়ে এক একটা উপন্যাস লিখতে পারি। আসলে ছোটগল্পের গন্ডি পেরোনো আমাদের জন্য কঠিন কারন তাদের জীবন সম্পর্কে আমরা জানিই না।
লেখক বলেছেন: এত চিন্তাশীল মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ বন্ধু। তবে আসলেই আমার জানা নেই ওদের জীবন সম্পর্কে। তবে আমি খুবই গুড অবজার্ভার। সব কিছু খুব মন দিয়ে দেখি , কল্পনাপ্রবনতাও আছে।
আর আমাদের দেশের এসব কমন ঘটনাগুলো অহরহ গল্প সিনেমায় পড়া হয়, দেখা যায়।তাই লিখে ফেলাটাও খুব সহজ।
নসিমনের ঘটনাটা আমার নিজে দেখা মানে তার মুখেই কিছুটা শোনা আর বাকীটা কল্পনা, পড়া গল্প দেখা সিনেমা থেকে নেয়া।
তুমি বলেছো,
গল্প ভাল হয়েছে। মাঝে মাঝে মনে হয়, আমরা চাইলে আশে পাশের শত শত কাজের বুয়া, কাজের মেয়ে, পিয়ন, দারোয়ান, ড্রাইভার প্রত্যেকের জীবন নিয়ে এক একটা উপন্যাস লিখতে পারি।
আমাদের নিজেদের জীবনটাই কি এক একটা গল্প নয়????
সেটা নিয়েই লিখি না হয় এইবার।![]()
এর পর একজন এলো তারা ৫ বোন তো দু'জন বাদে বাকী তিনজনেরও ঐ একই গল্প এবং তাদের মেয়েরও!!বুঝিনা গন্ডগোলটা কোথায়!পুরুষগুলো এমন কেন!
লেখক বলেছেন: আপুনি পুরুষ গুলো এমন কেনো বলতে হলে তোমার কানে কানে বলতে হবে। নইলে এইখানে যারা আছে সব লাঠি নিয়ে তাড়া করবে আমাদের পিছে।
আসলে অশিক্ষিত অভাবী মানুষগুলোর মাঝেই ন্যায় অন্যায় বোধহীনতার সাথে সাথে ভালোবাসার অনুভুতিটাও মনে হয় বোধশুন্য হয়ে যায়।
অনেক ধন্যবাদ আপুনি এত লম্বা লেখাটা পড়ার জন্য।
নীরজন বলেছেন:
অ..................সা............ধা................র...............ন..............
লেখক বলেছেন: ধ.................ন্য.................বা...................দ..........আ..............পু.................নি..............টা.............![]()
কেমন আছো তুমি ???
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
সময় ও ধৈর্য্য থাকলে নিজের জীবন নিয়ে মহাকাব্য লিখে ফেলা সম্ভব, তাই নয় কি?
লেখক বলেছেন: অবশ্যই তবে নিজের জীবননাট্যের মহাকাব্য লিখতে গেলে আমৃত্যু লিখে যেতে হবে।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
লেখক বলেছেন: আসলে অশিক্ষিত অভাবী মানুষগুলোর মাঝেই ন্যায় অন্যায় বোধহীনতার সাথে সাথে ভালোবাসার অনুভুতিটাও মনে হয় বোধশুন্য হয়ে যায়।আসলে ভালবাসার বোধ বলতে আমরা যা বুঝি, নিম্নবিত্ত জনগনের কাছে তা নিতান্তই রঙ ঢং। নুন আনতে যার পান্তা ফুরায় তার কাছে মিস্টি কথার কি দাম?
লেখক বলেছেন: কিন্তু শয়তান কোরবান আলীর কি দরকার ছিলো নসিমনকে দূর করে দিয়ে পরীবিবির রঙ্গ ঢঙ্গ দেখার?? ও কি পরীবিবিকে যেই অন্ন বস্ত্র বাসস্থান দিয়েছিলো তা কি নসিমনকে দিতে পারতোনা? নসিমনের ঘাড়ে দুদুইটা বাচ্চা চাপিয়ে দিয়ে নিজে ফুরফুরা হয়ে গেলো কেনো??? ঐ দুইটা বাচ্চার দ্বায়িত্ব কি শুধুই নসিমনের? নসিমন ই কি তার জন্য দায়ী? নসিমনই কি ওর শরীর সাস্থ্যচেহারা ভেঙে চুরে শুধু দুইটা বাচ্চার দেখভাল করার জন্য বাধ্য?
আসলে বেটা একটা নির্দয় শয়তান পাষন্ড। অশিক্ষা, কুশিক্ষা ওর মানবতা কেড়ে নিয়েছে। ওর হৃদয়ে ভালোবাসার কোনো জায়গাই নেই । ও সুখের পায়রা। নিজের ছাড়া কিছুই বুঝেনা। স্বার্থপরতার জলন্ত উদাহরন।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
তোমার গল্পের পরীবিবির রঙঢঙ্গ দেখবার জন্য কোরবার আলী তাকে বিয়ে করে নাই। পরীবিবি কোরবান আলীর কাছে একটি মনোরঞ্জনের বস্তু কেবল। এই মনোরঞ্জনের চাহিদাটুকু নিশ্চয়ই কোরবান আলীর নিজের সৃষ্ট নয়। যেদিন পরীবিবির রূপ লাবন্যের ইতি ঘটবে কোরবান আলীরও পরীবিবি মোহের ইতি ঘটবে।কোরবান আলী এমনই এবং সেটা পরীবিবিরও বোঝার কথা। অশিক্ষা, কুশিক্ষা যদি কোরবান আলীকে পাষণ্ড শয়তান করে থাকে তবে তা অবশ্যই পরীবিবির খেত্রেও খাটে। সেও স্বার্থপরতার জলন্ত উদাহরণ।
মানব জীবনে সব দিক বিবেচনা করে নিরপেক্ষ হতে গেলে দেখবে, সবাই যৌক্তিক আচরণ করে। কাউকে ঘৃণা করা যায় না।
লেখক বলেছেন: হইসে, কোরবান আলীকে এখন হঠাৎ আমার কোরবানী দিতে ইচ্ছে হচ্ছে।
তারথে মেইল পড়ো। তোমাকে এখুনি একটা মেইল লিখলাম বন্ধু।
নির্ঝরিনী বলেছেন:
এই নসিমনদের দুঃখ কখনো শেষ হয় না...আর প্রতিনিয়ত এমন নসিমনের সংখ্যা শুধু বেড়েই চলে..ভালো হয়েছে লেখা।দুটো ঘটনা পড়ে, কয়েকদিন ধরে মনটা খুব খারাপ...
মাঝে মাঝে মনে হয় মানুষ হয়ে সৃস্টি না হলেই বুঝি একদিক দিয়ে ভালো হতো...দুঃখ কস্টগুলো ছুঁতে পারতো না...
ভালো থেকো...
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছো আপুনি।
অনেক খুশী হলাম আমার এত বড় লেখাটা পড়েছো দেখে।
অনেক ভালো থেকো ।
লেখক বলেছেন: বৃষ্টির দিন, তায় আবার ছুটির দিন পড়ার সময় নেই কেনো???
তাড়াতাড়ি সময় করে পড়ো। খারাপ হলেও নো মাইনাস। তোমার থেকে মাইনাস পেলে ............![]()
ভালোই আছি। এক মাস ছুটিতে মহানন্দে আছি।
বিবর্তনবাদী বলেছেন:
টিং টিটিং টিং টিটি টিটি টিং টিং টিটি টিটি টি টিইইইইংভালই হইছে এইবার। এখন তালে তালে নাচ
লেখক বলেছেন: এই তালে নাঁচবো??
ভালোই বলেছো এইবার।![]()
চাঙ্কু বলেছেন:
হুম
লেখক বলেছেন: তোমার তো কদিন যাবৎ হুম রোগ হয়েছে চাঙ্কু।
লেখক বলেছেন: সত্য কথা হইলো তুমি পড়োনাই । তাই হুম হুম ঘুম ঘুম
মুকুলের কথা মনে পড়ে গেলো হঠাৎ। কোথায় গেলো সে ???
লেখক বলেছেন: মন খারাপ করেনা। মানুষ মানেই এমন মানে নানা রকম।![]()
ফ্রুলিংক্স বলেছেন:
আমাদের বাসার কাজের বুয়ারও একই রকম কাহিনী ছিলো। কেনো ওর স্বামী ওকে ছেড়ে চলে গেলো জানা হয়নি। তবে বেশ কয়েকটি ছেলেমেয়ে ছিলো। প্রায় সময়ই টাকা-পয়সা খাবার দিয়ে ওদের সাহায্যের চেষ্টা করা হতো। বুয়া কাজের পর বাসায় না খেয়ে বাচ্চাদের জন্য নিয়ে যেতো। একদিন গাড়ি এক্সিডেন্টে মারা যায়। স্বামীকে খবর দিয়ে আনা হয়েছিলো। প্রথমে আসতে চায়নি। ভেবেছিলো অন্য কোন কারনে হয়তো তাকে ডাকা হচ্ছে। চেষ্টা করছি পিচ্ছিগুলোর জন্য কিছু করার। কিন্তু একটা অবাক করা ব্যাপার কি জানেন।? মা মারা যাবার পর স্বামী নামের পশুগুলো বাচ্চাদের ব্যাপারে খুব বেশী আগ্রহী হয়ে উঠে।সব গরীবের কাহিনী মনে হয় এক। বিয়ের পর ওদের কিজন্য যেনো ছাড়াছাড়ি অবশ্যম্ভাবী ঘটনা।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছো।
(সব গরীবের কাহিনী মনে হয় এক। বিয়ের পর ওদের কিজন্য যেনো ছাড়াছাড়ি অবশ্যম্ভাবী ঘটনা।)
আমার মনে হয় মেয়েগুলোর বাবা মা দরিদ্র হওয়ায় আইনের জোর, টাকার জোর, সোজা কথায় খুঁটির জোর কম থাকাতেই পশুগুলোর সাহস বেশী বেড়েছে।
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:
আজ বৃষ্টির দিন! তা ঠিক! তবে আমার শহরে প্রায় দিনই বৃষ্টি থাকে। ছুটি!!!! আর বলনা!!! আমাদের ছুটি নেই! প্রতি দিনই কাজ করে যেতে হয়! আজ আমার হাতে প্রচন্ড কাজ। তাই এখন পর্যন্ত তোমার এ লিখাটি পড়তে পারছিনা।
তারপর তো ব্লগের ব্লগাররা আমাকে নানা কথা বলেই থাকেন। কেউ বলেন লুল, কেউ বলেন.........! এরপর আমি কাউকে মায়নাস দেইনা।
তোমার লিখা! না পড়ে কি হয়। অবশ্যই পড়বো।
লেখক বলেছেন: হাহাহাহা বলুক লুল , বলুক ঘুল, ভুল, পুল যা ইচ্ছে তাই বলুক। মরনে ডরেনা বীর আর এত মানুষের মুখের কথামাত্র।
আর মাইনাস দেওয়া তোমার কাজ না ভাস্কর। সে আমি ভালো করেই জানি দুষ্টুমী করেছিলাম তখন।
রাস্তার ছেলে বলেছেন:
অনেক লম্বা একটা ব্যাখ্যামূলক কমেন্ট লিখছিলাম। পরে কমেন্ট শেষ না করেই মুছে দিলাম। আপনার অনুভূতির ব্যাবচ্ছেদ করতে চাইলাম না। করাটা ঠিকও নয়।লেখাটা ভাল হয়েছে। আপনার অনুভূতির প্রকাশটা ভাল হয়েছে!
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ছেলে। তবে তোমার মত করে তুমি কমেন্ট করলেও আমি একটুও মাইন্ড করতাম না।
লেখক বলেছেন: আমারও মন খারাপ হয়েছিলো জেরী। লেখাটা লেখার সময়।
লেখক বলেছেন: মন খারাপ করেনা আপুনি।
ভালো থেকো অনেক অনেক।
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: থ্যাংক ইউ । কেমন আছো মেঘদূত
লেখক বলেছেন: তোমারও ছুটি??? বাহ বাহ
আমি ভালোই আছি । এক মাসের কিসের ছুটি আবার আমি তো স্কুলে জব করি।কিন্তু তোমার ছুটিটা কিসের??
মে ঘ দূ ত বলেছেন:
আমার আজ এখানে সরকারী ছুটি। এরপর দুদিন উইকেন্ড মিলিয়ে টানা তিন দিন :=)স্কুলে যে জব করেন তাতো জানিই। অন্য এক পোষ্টে মন্তব্য দেখে ভাবলাম বুঝি ছুটিটা এখন ভোগ করছেন।
লেখক বলেছেন: হ্যা এক মাস এক সপ্তাহ সামার ভ্যাকেশান।তাই ফুর্তীতে আছি।
আকাশ অম্বর বলেছেন:
ভালো যে লেগেছে - সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।
শ্রদ্ধা।
এইরকম লেখা আছে আপনার আরও?
ভালো থাকুন, সিস্টার।
লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ এমন মন্তর্যের জন্য ।
তবে এমন লেখা মাথায় আছে কোথাও লেখা নেই। আমি এত ভেবে চিন্তে লিখতে চাইনা। মনজুরুল ভাইয়ার কথা শুনে লিখেছি নয়তো নিজেকে ও নিজের চারিধার নিয়েই মেতে থাকি স্বার্থপরের মত। তুমি বললে নাহয় নিজের চারিধার টা নিয়েই লিখবো।![]()
লেখক বলেছেন: হুম ভাইয়া। আমরা শুধু নিজেদেরটাই ভাবি। আমি তো মহা স্বার্থপর সেটা জানি। আর এদের জন্য কি বা করার আছে বলো?
আকাশ অম্বর বলেছেন:
দুটো নিয়েই লিখুন। কোন কিছুকে বাদ দিয়ে লিখতে হবে এমন কথা তো নেই।
ইচ্ছেমত চলুক ঘোড়া !!
আর নসিমনরা কিন্তু আপনার চারিধারের মধ্যেই পরে, আপু। তাই সবকিছু নিয়েই লিখুন! মাথা থেকে নামিয়ে ফেলুন ! উপকার হবে জনগণের।
_____________________
'মনজুরুল হক ভাইএর খেঁটে খাওয়া মানুষদের নিয়ে লেখাগুলোয় কমেন্ট করবার পর্যন্ত সাহস হয়না আমার।' - আমি ব্লগে কিছুদিন হলেও উনার কর্মকাণ্ড সম্পর্কে কিছুটা জেনেছি। শ্রদ্ধা উনার প্রতি। আর ঐ কথাটা কিছুটা আমার জন্যও....।
_____________________
শুভরাত্রি।
লেখক বলেছেন: আবারও ধন্যবাদ আঁকাশ অম্বর। তোমার এমন মন্তব্যের জন্য।
এই ব্লগে অনেক অনেক প্রিয়জনদের মাঝে তিনটা ভাইয়ার কথা ভুলে যাবার মত না। মনজুরুল ভাইয়া, কালপুরুষ ভাইয়া আর আমার প্রিয় স্বপ্ন জয় ভাইয়া।
তিনজন তিন রকমের লেখা লিখলেও তাদের চোখ আমার ব্লগে না পড়লে আমার অভিমান হয়। আর নতুন কিছু লিখতে ইচ্ছে করেনা।
সহেলী বলেছেন:
তুমি চাইলেই বেশ ভাল লিখতে পারো । বেশ মানসম্পন্ন একটা লেখা ।
লেখক বলেছেন: আহা। তাই না??
এত চিন্তা ভাবনা লেখা অপ্সরা লিখতে পারবেনা বুঝেছো সহেলীমনি। অন্য কোনো অপ্সরা লিখলে লিখতে পারে। ![]()
এই অপ্সরাকে এই সব নাচ গান সাজুগুজু পাগলামী নিয়েই থাকতে দাওনা।
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন:
মনটা খারাপ হয়ে গেলো...ঠিক কি লিখব বুঝতে পারছিনা আমাদের দেশে নিম্নবিত্ত পরিবারগুলোতে এটা খুব কমন সমস্যা।
লেখক বলেছেন: হুম । দাঁড়কাক খুব কমন একটা ঘটনা এটা শুধু একজন নসিমনের কথা লেখা হয়েছে অথচ বাংলাদেশে কত শত হাজার কোটী এমন নসিমনের গল্প আছে। কিছুই তো করার নেই।
তুমি এত রাতে কই থেকে উদয় হলে?? কই ছিলে সারাদিন?
লেখক বলেছেন: হুম মনটা খারাপ হয়ে যায় লিখতে গেলেও , পড়তে গেলেও আবু সালেহ।
লেখায় প্লাসের জন্য হাজার হাজার ধন্যবাদ।
মনজুরুল হক বলেছেন:
অপূর্ব! তোমার হাত দিয়ে এমন একটি লেখা আসতে পারে তা হয়ত তুমি নিজেই জানতে না! তোমার শোনা সেই নসিমনকে তুমি ঠিক সে ভাবেই উপস্থাপন করেছ, যে ভাবে সত্যি ঘটনাটা শুনেছিলে। তোমার বর্ণনায় এক নসিমন শত নসিমনের প্রতিনিধি হয়ে তোমার ব্লগে অথিষ্ঠিত হলো। আজ আর গল্পের কারুকার্য নিয়ে কোন কথা নয়।
আমার নিজের এটা ভেবে গর্ব বোধ হচ্ছে যে, তুমি তোমার প্রেরণার পেছনে আমার নামটা জুড়ে দিয়েছ। এটা যেমন আমাকে গর্বিত করেছে, তেমনি তোমার স্বকীয়তাকেও অনেক উঁচুতে তুলে ধরেছে।
আরো ভাললাগছে এটা ভেবে যে, তুমি তোমার চেনা গন্ডি থেকে বেরিয়ে সমাজের এই অবহেলিত মানুষদের কথা ভাবতে শুরু করেছ। এটা যেন থেমে না যায় ভাইয়া।
আমার স্নেহ সারাক্ষণ তোমার মাথার উপর থাকবে। দ্বিধাহীন লিখে যাও। সকলে দেখছে সেই অপ্সরি এখন শুধুই কল্পজগতের বাসিন্দা নয়, রূঢ় বাস্তবেও তার সগৌরব পদচারণা।
ওয়েল ডান ভাইয়া। আবেগ গ্রাস করার আগে বিদায় নিলাম। ভাল থেকো।
লেখক বলেছেন: ঠিক নসিমনদের মত করে না হলেও সমাজের অবহেলিত মানুষগুলো হয়তোবা আমিও হতে পারতাম। তবে আমার পারিপার্শ্বিকপরিবেশ আমার আত্নবিশ্বাস ও ইচ্ছাগুলো দিয়ে আমি সেই অবহেলাকে জয় করেছি।
তোমার প্রশংসা পেয়ে আমি নিজেই আবেগতাড়িত হয়ে পড়ছিলাম। তবে এটাও তো সত্যি, তুমি না বললে অন্তত এই অপসরা কোনো নসিমনকে নিয়ে কেনো, কোনো গল্পই লেখার চেষ্টা করতোনা ।তবে আমি অনেক কিছু নিয়েই ভাবি আমার এই ক্ষুদ্র জীবনটুকু দিয়ে যত টুকু করা যায় করার চেষ্টাও করি। হয়তোবা আরো বেশী করা যেত ........কিন্তু..
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন:
সকালে খেলতে গিয়েছিলাম, এরপরে বিকাল ৪টা থেকে রাত ১০:৩০ ঘুমায়ছি। পরিপূর্ণ ছুটির দিন কিছুক্ষণ আগে ব্লগে ঢুকে তোমার লেখা পড়লাম। ভালো বলেছো, আমাদের আসলে মন খারাপ করা ছাড়া কিছুই করার নেই।
আসলেই কি নেই!
লেখক বলেছেন: বাহ যথার্থ ছুটির দিন কাটিয়েছো দাঁড়কাক।
আমি সকাল থেকে কম্পু নিয়েইছিলাম। ৬ মাসের যত অনুষ্ঠান ও তার ছবি আছে সব সর্টিং করলাম ওয়াস করবার জন্য।
নীল ক্ষেতে যেতে চেয়েছিলাম বই কিনতে কিন্তু ওখানে কাছাকাছি যেতেই বিশাল জনসমুদ্র দেখে ভয়ে আর নামার সাহস করিনি তাই তারপর গেলাম নিউমার্কেট। গ্লাস পেইনটিং আর সেখান থেকেই বইটই যা কিছু কেনার কিনে ফুচকা খেয়ে টেয়ে বাসায় ফিরলাম। মজাই হয়েছে কালকে দিনটা।
অদ্ভুত লিখেছ তুমি, অনুপ্রেরণা অবশ্যই বিরাট ভূমিকা রাখে। কিন্তু তুমি অন্তর্দৃষ্টি দিয়েই নসিমনকে বিশ্লেষন করেছ...
শুভেচ্ছা নতুন অপ্সরাকে।
লেখক বলেছেন: তোমাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ আপুনি। আমি কি লিখেছি জানিনা, তবে তোমাদের প্রশংসা পেয়ে খুবি ভালো লাগছে।
লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছো। কিছুই করার নেই। কিছু করতে হলে সবার আগে কোরবান আলীদেরকে কোরবানী দিতে হবে।
লেখক বলেছেন: জানিনা আছে কিনা। অন্য কোথাও অন্য কোনো দেশে থাকলে থাকতে পারে আমাদের দেশে মনে হয় নেই।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কাগু।
ভোট দিয়েছি অলরেডী।
চানাচুর বলেছেন:
ভালো
লেখক বলেছেন: থ্যাংক ইউ চানাচুর।
বায়লোজি বলে আমি নাকি ছেলে!! বলেছেন:
বুবু অমার কোমল হাতে য়েই কঠিন অথচ সরল লেখা বের হইছে দেখে আমি অনেক লম্বা কমেন্ট করছিলাম...দেড় দিন আগে কিন্তু....যেই মন্তব্য প্রকাশ করুনে ক্লিক করলাম...বলল "You are not logged in"খুব ভাল হইছে আপু....তোমার লেখায় য়েকটা ভেরিয়েশন আসছে...
আগে তোমার বেশিরভাগ পোস্ট খাবার-দাবার নিয়ে হতো....
য়েকন রিয়ালিটি,নিচুতলার গল্প য়েসব নিয়ে পোস্ট আসছে খুব ভাল আপু চালিয়ে যাও......(খুশির ইমো হবে)
লেখক বলেছেন: শুনো এমন আমারও হয়, মাঝে মাঝে কমেন্ট দিয়ে দেখি তোমার ঐ মেজাজ খারাপ করা মেসেজ টা। কিযে মেজাজ খারাপ হয়।
যাইহোক তোমার কমেন্ট পড়ে হাসছি। শুধুই কি আমি খাবার দাবার নিয়ে লিখতাম?? গান, সাজুগুজু, অনেক অনেক মজার মজার খেলনা পুতুল এইসব নিয়ে লিখতাম না বুঝি??
যাইহোক গল্প, কবিতা গুলো কিন্তু এই আইডি থেকে লিখতাম না। লজ্জা লাগতো তাই। ![]()
অক্ষর বলেছেন:
বড় লেখা, পড়ি নাই
লেখক বলেছেন:
কেনো??
এখুনি পড়ো। এত আলসেমী করলে চলবে??
অক্ষর বলেছেন:
এত বড় লেখা আমার বাপেও কোনো দিন পড়ে নাই, আর তো আমি!!!!
লেখক বলেছেন: হায় হায় বলে কি এইটা??????
তুমি কেমনে জানো উনার কথা???
ফাঁকিবাজী করো না??
এই সব ফাঁকিবাজী চলবেনা।
অক্ষর বলেছেন:
পড়ুম্না
লেখক বলেছেন: ফাঁকিবাজ ছাত্র ছিলে, আমি নিশ্চিৎ।![]()
অক্ষর বলেছেন:
শুভ্র ভাইয়ের্টা পৈড়া হাপাইয়া গ্যাছি। আপ্নের্টা পড়ে পড়ুম্নে
লেখক বলেছেন: যাক তবুও ফাঁকিবাজী কমবে।
মনজুরুল হক বলেছেন:
আর মাত্র ২৬ দিন পরে তোমার ব্লগের বর্ষপূর্তি! আর ১৭ টি পোস্ট দিলেই তোমার শততম পোস্ট! কি দারুন!!
দেখো ১৭টি পোস্ট দেওয়া যায় কি না।
গল্প যেন না থামে। চলুক বিপুল বেগে। ভাল থেকো ভাইয়া।
লেখক বলেছেন: ২৬ দিনে ১৭টা পোসট!!! তাহলেই হয়েছে । রোজ একটা করে লিখতে হবে। আমি আর্ট এ্যান্ড ক্রাফট এ একটা বই লিখছি ভাইয়া।সেটা নিয়ে অনেক অনেক কাজ বাকী রয়েছে।
১৭টা পোস্ট এক'দিনে লেখা হবেনা।
তবে একটু ফ্রী হয়েই আবার লিখবো । আর বর্ষপুর্তী পোস্ট অবশ্য লেখা যেতে পারে।
অলস ছেলে বলেছেন:
গল্প ভালো লেগেছে।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ অলসছেলে। অলসতা ছেড়ে এত লম্বা লেখাটা পড়ার জন্য।
লেখক বলেছেন: আবার আসার জন্য অনেক অনেক থ্যাংকস ভাঙ্গন।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ অদৃশ্য।অনেক খুশী হলাম লেখাটা পড়ার জন্য ও ভালো বলার জন্য।
কালপুরুষ বলেছেন:
"পিঞ্জিরা" লেখার শিরোনাম দেখেই বুঝেছিলাম লেখাটা কষ্টের হবে। তাই পড়তে চাইনি। শেষমেষ পড়তেই হলো। আর পড়ার পর মনটা যথারীতি খারাপ হলো। তোর ব্লগে আসি সব সময় মন ভাল করার জন্য আজকেই শুধু তোর পোস্ট পড়ে মনটা খারাপ হলো। খুব ভাল লিখেছিস। এতো সুন্দর করে মানুষের কথা লিখবি ভাবিনি। ভাল থাকিস।
লেখক বলেছেন: আমিও চাইনা কখনও নিজের মন খারাপ করতে বা অন্যদেরকেও করাতে ভাইয়া। তবে অনেক সময় মন খারাপ করা বা কষ্টের কথা লিখলেও যেন সেটা দুঃখবিলাস মনে হয় আমার। তবে নসিমনদের দুঃখটা বিলাস নয় মোটেও। এত কষ্ট অথচ কত অসহায় আর নিরুপায় নসিমনরা।
মনজুরুল হক ভাইয়ার কথা শুনেই লেখাটা শুরু করেছিলাম তাই ওদের কষ্টের কথাটাই আগে মনে পড়ে গেলো।
আবার এসে পড়ার জন্য তোমাকে অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।
লেখক বলেছেন: ভালো আছি সৌমিত্র। তুমি কেমন আছো??
বায়লোজি বলে আমি নাকি ছেলে!! বলেছেন:
হা আপু শুধু খাবার-দাবার নয় তোমার আরো অনেক প্রতিভা আছে...বাট আমি যেটা মিন করছিলাম সেটা হলো আপনি সচরাচর আর্ট-ক্রাফট-খাবার-ডিজাইন য়েধরনের বিষয়ে পোস্ট দিতেন কিন্তু য়েই নসিমনের গল্প দিয়ে আপনি দেখিয়ে দিছেন যে পরীবুবুর হৃদয় কতটা রিয়ালিটি ধরে...পরীবুবুর হাত যেমন রাধে তারও ভাল লেখে...(য়েকগাল হাসির ইমো হবে আপু)
বি:দ্র: আমার আইসক্রিম য়েখনো পাই নি
লেখক বলেছেন: বুঝেছি কি বলতে চাচ্ছিলে তুমি।
আইসক্রিম পরে এখন নতুন পোস্টে গিয়ে পান্তা ইলিশ খেয়ে আসো ভাইয়া।
লেখক বলেছেন: আরে রাগ কেনো???
দাড়াও তোমার রাগ ভাঙ্গাচ্ছি।
হাইফেন বলেছেন:
আফনে গল্পও লেখেন?হ, খুব ভাল্লাগচে, আফনেরে সালাম, আফনের চৌদ্দগুষ্ঠীরে সালাম।
লেখক বলেছেন: হাহাহাহাহাহা হাইফেন। ভুলে গেছো তুমি যে বলেছিলে অপ্সরার হাবিজাবী লেখা দিলেই মানুষ নাকি দৌড়ে আসে পড়তে। কি যেন এমন এমন .......
এখন সালাম কেনো?? তাও আবার চৌদ্দগুষ্ঠীরে? এখন তো হাসতে হাসতে পেট ফেটে মরেই যাবো।
হাইফেন বলেছেন:
না ভুলি নাই, আফনে আজাইরা পুস্ট দ্যান কতা হাচা, তয় এইডা খুব ভাল্লাগচে।তাই সালাম দিলাম।
লেখক বলেছেন: আবার বলো আজাইরা পোস্ট?? ভুলে গেছো মাথায় গরম চা ঢেলে দেবার কথা না ???
আচ+ছা থাক এইটা ভালো লাগার জন্য মাফ করে দিলাম।![]()
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




























