আমার প্রিয় পোস্ট

দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া, ঘর হতে শুধু দুইপা ফেলিয়া...........

১১ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:১৪

শেয়ারঃ
0 0 0



ঘুরে এলাম উত্তরবঙ্গ।এমনিতে ছোট বেলা হতেই বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়েছিলাম, স্কুল ছুটি হলেই বেরিয়ে পড়তাম আমরা। সে অভ্যাসটাই ঝালাই করে নিতে ভুলিনা এখনও। তাই তো চলে গেলাম অনেক অনেক বার দেখা সত্বেও আবারও
কোন পুরাতন প্রাণের টানে......
বগুড়া শহরে পৌছেই পর্যটন মোটেলে খানাপিনা সেরেই একটু রেস্ট নিয়েই দৌড়ালাম মহাস্থান গড়ের উদ্দেশ্যে। এই মোটেলটার নবনির্মিত সাগর নীল বারান্দাটাও আমার মন কম জুড়ালোনা!!!

মহাস্থান গড়ের আগে গিয়েছিলাম ভাসুবিহার।ভাসুবিহারের পূরাকীর্তি আর মনোরম বাতাসে মন ভরালাম, প্রান জুড়ালাম।


মহাস্থানগড়ের যাদুঘরের সামনের বাগানের শিবলিঙ্গ।

এরপর গেলাম গোকুলমেধ, বেহুলার বাসরঘর। আগেও এসেছিলাম এবারও আসলাম তবে প্রাচীন এই পুরাকীর্তির সাথে সাথে নিয়ে আসলাম একটি বাক প্রতিবন্ধী শিশু ইউনুসের স্মৃতি। ছেলেটার বাবা মারা গেছে। এখন সে সৎ বাবার সংসারে থাকে। একটা বেহুলা লক্ষীন্দররে বই বিক্রি করতে পারলে দুই টাকা, ৪ টা করলে ১২ টাকা। আমি যখন ওকে একটা স্নিকার আর ২০০ টাকা দিয়ে বললাম, তোমার যা খেতে ইচ্ছে করে তাই কিছু কিনে খেও তখন তার অনাবিল হাসিটা ঐ পূরাকীর্তি দর্শনের ভালোলাগার অনুভুতির চাইতে কোনো অংশেই কম ছিলোনা।


ইউনুস ও পিছে বেহুলার বাসর ঘর।
মহাস্থান গড়ের বিখ্যাত কটকটি

সুলতান শাহ মাহমুদ মাজার

মাজারের সিড়ি

রাতে ফিরে বগুড়ার বিখ্যাত রাজ হাসের মাংস ও ভাত তারপর এক ঘুমে রাত পেরিয়ে পরদিন আবার ছোটা। গিয়েছিলাম আদমদিঘী, একবন্ধুর বাড়ী সেখানে। তার বিশাল বাড়ী, হাসমুরগী, গরু ছাগল, পুকুর ভরা মাছ দেখে ছিপ দিয়ে ও তিনকোনা জাল দিয়ে মাছ ধরে, পুকুরে ডুবসাতারে ভালোই কাটলো দিনটা। আমাদের ধরা বড় বড় পুটিমাছ ভাজা দিয়ে ভাতও খেলাম সেদিন।:P

এরপর গিয়েছিলাম পুঠিয়ার রাজবাড়ী যা এখন লস্কর ডিগ্রীকলেজে রুপান্তরিত হয়েছে। এই ভাঙাচুরা বাড়িটায় নাকি ছেলেমেয়েরা ক্লাস করে।

এর সামনে দেখলাম রথের গাড়ী।

এর পরে ওখানেই ভুবনেশ্বর শুভ মন্দির দর্শন। বিশ্বনাথ গাইড তার ঋজু ভঙ্গিমা কথা বলার স্টাইলে আমি যথারিতী মুগ্ধ!এত সুন্দর করে সবকিছু বিশ্লেষন করে যাচ্ছিলো সে।ওর কাছেই প্রথম জানলাম, পন্চরত্ন মন্দির মানে পাঁচগম্বুজ মন্দির।এ মন্দিরের নাম ভুবনেশ্বর শুভ মন্দির।পাশেই জগন্নাথ দেবের মন্দির।আরো জেনেছিলাম দোল পুর্নিমায় দোল মন্চে দোলনায় দুলানো হয় শ্রীকৃষ্ণ ও রাঁধা দেবীকে।

এরপর নাটোরের রাণীভবানীর রাণীমহল দর্শন

রাজবাড়িরই মনোমোহিনী শীতলজল পুকুর


তারেকেশ্বর মন্দির। তিন দেবতার তিন শক্তি মানেই তারেকেশ্বর, এটাই সেই মন্দির সাধুবাবার ভাস্য হতে সেদিনই জেনেছিলাম।
সাধুবাবার দেওয়া চরণামৃত খেতে রাজী হইনি কিন্তু সাধুবাবা তাতে একটুও রাগ না করে আমাকে একটা আপেল দিয়েছিলেন। মাথায় ছিটিয়ে দিলেন পবিত্র জল।
এসব ছাড়াও বগুড়ার মোঃ আলী নবাব বাড়ী ও কারুপল্লী স্টুডিও ও আমার খুব ভালো লেগেছিলো
নবাব বাড়ির গেট


জলদেব ও জলকুমারী ভাস্কর্য্য

কারুপল্লীর তিন সুশিক্ষিত বাঁদরের এক বাঁদরের ছবি
খারাপ কিছু দেখবেনা, খারাপ কিছু বলবেনা আর খারাপ কিছু শুনবে না যে শপথ করেছে

খুব খুব ভালো লেগেছে ওদেরকে আমার। আমরাও যদি ওদের মত হতে পারতাম!

সব ভালো লাগার স্মৃতিগুলো নিয়ে ফিরে এলাম ঢাকা। মনে পড়ছিলো সৌম্য আর টিংকু ট্রাভেলারকে।




 

সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:২৩ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:২০
সাইফুর বলেছেন: কুমিল্লার কোটবাড়িও কিছুটা এমন

ছবিগুলো সুন্দর
১১ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:২৭

লেখক বলেছেন: হাজার হাজার ছবি তুলেছি ভাইয়া। সব গুলো শেয়ার করতে ইচ্ছে করে কিন্তু তাহলে মনে হয় জানা আপু আর আরিল ভাইয়া মিলে ঘাড় ধরে বের করে দেবে আমাকে এত এত ছবির যন্ত্রনায়।
গ্রামের পেয়াজু, ঝুরি চানাচুর, নবাব বাড়ীর মালিদের মুর্তী, পাল্কী, ঘোড়াগাড়ী রাণী ভবানীর বাড়ির ছোট তরফ বড় তরফের রাজপ্রাসাদ কত্ত কত্ত ছবি আছে আরো।

২. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:২৬
অমাবশ্যার চাঁদ বলেছেন: ছবিগুলো সুন্দর। ভাল লেখা। +++
১১ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:২৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ চাঁদ।

১১ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:২৯

লেখক বলেছেন: এত এত রাজবাড়ীর ছবি দেখে রাজামশাই আর চুপ থাকতে পারলেন না তাইনা??? :P

৪. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৩৪
জেনন বলেছেন: আসলেই বাংলাদেশে অনেক কিছু দেখার আছে.................. তার চেয়েও ভালো লাগে যখন কোন অসহায়কে নিজের মন থেকে কিছু করতে পারা যায়। ছবিগুলোর চেয়ে বেশি ভালো লাগলো আপনার মহানুভবতা।

ছবিগুলোর জন্য ১টি পিলাচ।

মহানুভবতার জন্য ইনফিনিটি পিলাচ।

ভালো থাকুন সর্বদা।
১১ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৩৮

লেখক বলেছেন: আমি যে অতি আবেগ তাড়িত মানুষ সে আমাকে যারা চেনে সবাই জানে। জানিনা কতখানি মহানুভবতা কিন্তু বাচ্চাদের এই কষ্টগুলো যখন দেখি এর থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন পরিবেশে যথেষ্ঠ বিলাসবহুল জীবনের বেড়ে ওঠা এই আমি তারপরেও কোথাও কোনো এক একাত্নতা খুঁজে পাই।
সে অন্য এক গল্প।
অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ জেনন।

৫. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৩৫
শান্ত কুটির বলেছেন: পর্যায়ক্রমে ছবি গুলো ব্লগে প্রকাশ করলে ভাল হয়। এমন সুন্দর ছবির জন্য ধন্যবাদ।
১১ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪৩

লেখক বলেছেন: তোমাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া। তবে আমারো সব ছবিগুলোই শেয়ার করতে ইচ্ছে করে। কিন্তু এত এত ছবি শেয়ার করতে কি সামহয়্যার ব্লগ এ্যলাও করবে?

৬. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৩৭
সালমা আক্তার বলেছেন: সুন্দর।ভাল লাগল ছবিগুলো।
১১ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৩৯

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ সালমা।

৭. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪৭
কাব্য বলেছেন: ফটুক ভালো লাগিচে B-) :)

ঘুরপার মন চায়না।শুধু টায়ার্ড লাগে :((
১১ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪৯

লেখক বলেছেন: আহারে। মাল্টি ভিটামিন খেতে হবে তোমাকে। তাহলেই আর কোনো টায়ার্ডনেস থাকবেনা।

৮. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫০
নাজনীন১ বলেছেন: কতদিন কটকটি দেখিনি!!! শৈশব মনে পড়ে যায়, শিশি বোতল জমা করে কটকটি খাওয়া......

ভাল লাগলো আপু।
১১ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৫

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা ঠিক বলেছো। আমি সেদিনও ৮ টাকার কটকটি কিনেছিলাম । ঢাকায় নিয়ে এসেছি ছোট্ট প্যাকেট টা।তুমি চাইলে দিয়ে দিতে পারি।

৯. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫০
ফেরারী পাখি বলেছেন: হুম! দেখলে তো আমার বাড়ি// জন্মস্থান কত্ত-----------------ও সুন্দর।

মানুষ গুলোও কিন্তু অনেক সহজ-সরল আর আন্তরিক।

১১ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৮

লেখক বলেছেন: তোমার বাড়ি????????????
কোথায় ???????????
কোন জেলা?? কোন গ্রাম ??? কোন পাড়া???????
রাজশাহী? বগুড়া? নাটোর? নওগা? জয়পুরহাট??পাহাড়পুর?? মহাস্থান গড়?? কোথায়???????????

১০. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫২
সোহানা মাহবুব বলেছেন: খুব ভাল লাগল.......ছবি.... জায়গাটির চমৎকার বর্ণনা আর তার সাথে আপনার ঘুরে বেড়ানোর আনন্দটুকু।
+++
১১ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৯

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ তোমাকে আপুনি!!!!!!!!

১১. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৫
মুহাম্মদ মোহেব্বুর রহমান বলেছেন: কাব্য'র প্রতি,


নচিকেতার উপদেশ

"বৃষ্টিতে ভিজতে হবে"
১১ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০৩

লেখক বলেছেন: একদম সঠিক উপদেশ। হাহাহাহা

১২. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০০
উধাও ভাবুক বলেছেন: যেখানে তিনটি বানর আছে সেখানে যে গুহাটা আছে সেখানে ঢোকনি !
আর বালখী মাহীসাওয়ার এর মাজারে ?

অনেকদিন আগের দেখা স্থানটা আবরো দেখলাম তোমার ছবিতে। ইউনুসের সাথের ছবিটা কি দোষ করল ?


আছো কেমন হে !!!
১১ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১১

লেখক বলেছেন: হ্যা ঢুকেছিলাম সেখানেও। আদিম মানুষের আজব গুহা।আসলে ওখানে নিজেদের ক্যাম দিয়ে ছবি তোলার পারমিশন নেই। তবুও আমরা তুলেছিলাম। গুহার ভেতরে তুলিনি।
শাহ মাহমুদ কি মাহীসাওয়ার পীর??শাহ মাহমুদের মাজারের ছবিটা কিন্তু দিয়েছি। মাহী সাওয়ার কোন পীরের মাজার ভুলে গেছি। ছোট বেলায় আমি জানতাম করোতোয়া নদী পার হয়েছিলেন তিনি মাছের পিঠে করে। মাহী মানে সম্ভবত মাছ।

অনেক ধন্যাবদ ভাবুক । আমি খুব ভালো আছি। ঘুরে এসে তো মহানন্দে আছি।

১৩. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০৭
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: বেহুলার বাসরঘরের ঐখানে পান খাও নাই? ঐখানকার পান ভাল বিখ্যাত।
১১ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১২

লেখক বলেছেন: নাতো খাইনাই। এমনিতে পান আমার অসহ্য লাগে। তবু আগে জানলে খেতাম ।

১৪. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:২৯
নাসির উদ্দিন সজিব বলেছেন: ছবি গুলো শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ
১১ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৩০

লেখক বলেছেন: তোমাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়াটা।

১১ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৩

লেখক বলেছেন: এই নাও রাণী ভবানী রাজ প্রাসাদের কালীমন্দিরের ছবি।

১৫. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৩০
টোনা বলেছেন: জায়গা সুন্দর .... দেখার চোখ আরো সুন্দর .. আমি থাকলে এতো ভালোভাবে দেখতে পারতাম না ......
১১ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:২৯

লেখক বলেছেন: তাই নাকি টোনা??
তো তুমি কি দেখতে তখন??
কোন গাছের ডালে টুনী পাখী বাসা বেঁধেছে সেটা???:P

১৬. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৩
দূর্ভাষী বলেছেন: মাছ ধরতে পেরেছিলেন!! :)
১১ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:১৫

লেখক বলেছেন: সত্যি বলবো নাকি মিথ্যা???:P
মাছ যেই খাবার খায় সবাই বলে টান দাও টান দাও আমি এমনি টান দেই , সেই টানে মাছের খাবার পেট থেকে বের হয়ে আসে মাছ আসেনা।

১১ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:১৯

লেখক বলেছেন:

তবে এই বালতিতে কিছু চুনোপুটি ধরা পড়েছিলো। সেসব ই ভেজে দেওয়া হয়েছিলো আমাদেরকে।

১৭. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৮
কাব্য বলেছেন: আপি যে কি কয় :( মাল্টি-ভিটামিন, হেহ /:) !!!!!!

ঘুরপার-ই মন চায় না।কোনো জাগায় গেলে খালি মনে হয়, টিভি অথবা কম্পুতে এর চাইতে ভালো দেখা যাইতো !:#P =p~। এতো জার্নি কইরা পয়সা নষ্ট কইরা কেন আসলাম /:)

দুইবার কক্সবাজার গিয়া নাক টাইনা ঘুমাইছি।কোনোবারই সূর্যাস্ত বা সূর্যাস্ত দেখবার পারি নাই :(( ..তাইলেই বোঝেন, আমার অবস্থা। হি হি, খুক খুক :-P
১১ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৮

লেখক বলেছেন: হায় হায় এই ছেলের নাম কাব্য কে রাখলো???
শুনো ভাইয়াটা, আরো আরো চোখ কান খোলা রাখতে হবে, চোখটাকে টিভি আর কম্পু থেকে অন্য দিকে ফেরাতে হবে......দূর দিগন্তে দৃষ্টি মেলে দিতে হবে।
না হলে এক দিন কবির মতই মনে হবে, দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া, ঘর হতে শুধু দুইপা ফেলিয়া, একটি ধানের শিষের উপর একটি শিশির বিন্দু।

জানো ঘুরতে ঘুরতে, গাড়ি করে পথপ্রান্তে ছুটে যেতে যেতে নাকে এসে ঠেকলো সেই ছোটবেলায় দাদা বাড়ীতে গিয়ে ধানসিদ্ধ করার গন্ধ, পথের ধারে পাট পঁচানোর গন্ধ।পানের বরজ, ঝিঙ্গাফুল শৈশব ফিরে পেতে ইচ্ছে হয় .....।

১৮. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৪৬
আকাশ_পাগলা বলেছেন: দারুণ লাগল।

কটকটি খেতে ইচ্ছা করছে খুবই।
১১ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৩

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ আকাশ ।


এই নাও আরো কটকটি খাও।

১৯. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:২৫
সহেলী বলেছেন: কটকটি রেখেছো তো কিছু ? নাকি সব শেষ !
বেড়াতে না নিয়ে যাবার জন্য মাইনাস ১০০০টা ।
১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:০৪

লেখক বলেছেন: রেখেছি রেখেছি। ছোট প্যাকটা এখনও আছে। ফেলতেও পারছিনা গিলতেও পারছিনা। হাজার হোক এখন আমি অনেক বড় , বয়স আমার ........
এখন কি আর কটকটি খাওয়া যায়??
তুমি অবশ্য খেতে পারো সহেলীমনি।

২০. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৪
নহর বলেছেন: মনে হলো আপনার সাথে আমিও ঘুরে এলাম বগুড়া। অনেক বার ্যাই যাই করেও আর যাওয়া হয়নি। আপনার ছবি দেখে যাবার ইচ্ছা অনেক বেড়েছে। কিন্তু ্যাওয়া আর হয়ে উঠবে না।

ধন্যবাদ আপনাকে ছবি গুলো শেয়ার করার জন্য
১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:০৫

লেখক বলেছেন: কেনো হবেনা??
ইচ্ছে থাকলেই উপায় হয়। তুমি শুধু ইচ্ছেটা জোরদার করো দেখো সব ঠিক।
তোমাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ লেখাটা পড়বার জন্য ছবিগুলো দেখবার জন্যও।

২১. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৬
জেড ইসলাম বলেছেন: বাপরে বাপ, ক্রিয়েটিভ ভ্রমন বৃত্তান্ত পরিবেশনা। অপ্‌সরা বলে কথা !!!

অনেকগুলো প্লাস।
১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:০৭

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা তুমি দেখছি এখনও সেই অপ্সরীয়া ছালাদিয়া রেস্টুরেন্ট ক্রিয়েটিভ নামাকরনটা ভুলোনি ভাইয়া।
অনেক অনেক ধন্যবাদ তোমাকে।

২২. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:১৫
অক্ষর বলেছেন: ৭ নাম্বার ছবিতে কি আপ্নের পোলা ঐটা?
১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:০৩

লেখক বলেছেন: না আমার পোলা না। এটা ইউনুস। বাকপ্রতিবন্ধী। তুমি যদি কখনও যাও ওখানে আমার হয়ে ওকে আদর করে দিও । এত মায়া লাগে ওর জন্য !

২৩. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:২৩
সৌম্য বলেছেন: খুব সুন্দর হইছে। প্লাস দিলাম।
কটকটি খাইতে মন চায়,
১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:০৪

লেখক বলেছেন: হুম তোমার কথা মনে হয়েছিলো অনেকবার সৌম্য।
অনেক অনেক ধন্যবাদ পোস্টটা দেখার জন্য।

১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:১২

লেখক বলেছেন:

এই নাও কটকটি

১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:১২

লেখক বলেছেন: মন খারাপ করেনা।

কটকটি দিলাম।

১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:১৪

লেখক বলেছেন:
পন্চনাগের ছবি দিলাম।

২৫. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:১৭
অক্ষর বলেছেন: হুশ, এক কটকটি হেয় সবাইরে বিলাইতাছে।
১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:২০

লেখক বলেছেন: আরে এক দোকান থেকে কিনলাম তো ,একি কটকটি হবেতো।

২৬. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৫১
রোহান বলেছেন: অনেকদিন আগে গেছিলাম বগুরা, রাজশাহী ঘুরতে (অফিসের কামে অবশ্য ;)) পুরানো কথা গুলো মনে পড়ে গেলো :)

প্রিয়তে রেখে দিলাম...
১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রোহান। আবার বেড়িয়ে আসো ভাইয়াটা। অনেক ভালো লাগবে।

২৭. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৪২
আকাশ অম্বর বলেছেন:

আপনার পোষ্টটা পড়ে -

দেখা হইলো ব্লগে বসিয়া
মনিটরে দুই চোখ ফেলিয়া!
১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা
নতুন কবিতাটাও কম না!!

২৮. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৫১
ভাস্কর চৌধুরী বলেছেন:

+
বেশ মজাই করেছো দেখছি!!!
তোমার চোখ দিয়ে আমিও দেখে নিলাম উত্তরবঙ্গের স্মৃতি বিজরীত ঐতিহাসিক দিক নির্দেশনা ও সুন্দর সন্দির পর্যটন কেন্দ্রগুলো। ইচ্ছে হচ্ছে এখনই চলে যেতে তোমার দেখে আসা সব ভালো লাগার স্মৃতিগুলো দেখতে।
দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়িয়ে অনেক! আর আমার কর্মময় জীবনের কাজে প্রায় বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ পাই। কিছু দেখেছি আবার তোমারমত করে দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া অনেক কিছু।

সাগর নীল বারান্দাটা, ভাসুবিহারের পূরাকীর্তি, যাদুঘর, গোকুলমেধ, বেহুলার বাসরঘর, বাক প্রতিবন্ধী শিশু ইউনুসের স্মৃতি, বিখ্যাত কটকটি, সুলতান শাহ মাহমুদ মাজার, পুঠিয়ার রাজবাড়ী, রথের গাড়ী, ভুবনেশ্বর শুভ মন্দির দর্শন। রাণীভবানীর রাণীমহল দর্শন, শীতলজল পুকুর, তারেকেশ্বর মন্দির, জলদেব ও জলকুমারী ভাস্কর্য্য, আদমদিঘী, একবন্ধুর বাড়ী............কতকিছুই দেখে নিলে এক নিমিষে। তারমধ্যে বাক প্রতিবন্ধী শিশু ইউনুসের সাথে সময় কাটানো, ওর সাথে ছবি উঠা, ছিপ দিয়ে মাছ মারার চেষ্টা.................সত্যি হিংসা হচ্ছে আমার।



ভালো লাগল তোমার ভ্রমন কাহীনি ও স্মৃতিচারণ।


ভালো থেকো।
বেশি বেশি ভ্রমন করো।





১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাস্কর, এমন করে খুঁটিয়ে সব ভ্রমন বৃতান্ত পড়বার জন্য। সত্যি অনেক অনেক ভালো লাগলো মন্তব্যটা।

২৯. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৫৭
একরামুল হক শামীম বলেছেন: মহাস্থান গড়ের বিখ্যাত কটকটি খাইতাম চাই :(
১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন:

এই নাও খেয়ে ফেলো কটমট।

৩০. ১১ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:৫৯
অদৃশ্য বলেছেন: ছবিগুলো খুব ভালো লাগলো............




শুভকামনা..............
১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:০৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ অদৃশ্য।

৩১. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৪১
আবু সালেহ বলেছেন: খাওয়অর ছবি দিয়া লোভ লাগাইয়া দিছে,.......

ছবির জন্য+++
১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:৫৩

লেখক বলেছেন: কটকটি মহাসথান গড়ের এক বিখ্যাত খাবার। কেনো বুঝলাম না। তবে আমার মনে হয় ছেলেবেলার সেই কটকটি খাবার মজাটাই এই খাবারকে বিখ্যাত করে তুলেছে। কটকটি নিয়ে কোনো ইতিহাস ওখানে ছিলোনা, থাকলে জানাতাম।
আর প্লাসের জন্য এত এত থ্যাংকস সালেহ। অনেক ভালো থেকো।

৩২. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:০১
বিবর্তনবাদী বলেছেন: কখন দেশের উত্তর অংশটুকুতে যাওয়া হয়নি। তবে ইচ্ছা আছে। সিলেট যাওয়া হচ্ছে কবে?
১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:৫৫

লেখক বলেছেন: আমি বেশ কয়েকবারই গেছি, আবারও গেলাম। তুমিও একবার বেড়িয়ে আসো বন্ধু। অনেক ভালো লাগবে।
সিলেট মনে হয় ১০/১২ দিন পর যাওয়া হচ্ছে।

৩৩. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:০৫
রাতমজুর বলেছেন:

সবাই খালি বেড়ায় :(
আমি চান্স পাই না :(
১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৭:৫৫

লেখক বলেছেন: আহা কেনো পাওনা??
দিনের বেলা বেড়াবে। তাহলেই তো হয়।
:P

৩৪. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:১১
শান্তির দেবদূত বলেছেন: চমৎকার একটা ভ্রমন হয়ে গেলো :) ....

শেষের ছবিটাতে বাদরটা তো মনে হচ্ছে ফাকিবাজ , সে শুধু খারাপ কিছু শুনবে না বলে প্রতিজ্ঞা করছে, কিন্তু চামেচামে ঠিকই খারাপ কিছু দেখবে আর বলবে বলে ঠিক করেছে, কারন চোখও খুলা মুখও চাপা দেয়নি ..... হা হা হা

একেবারে শেষে এসে, কমেন্টে আপনার দেওয়া সাপের ছবি হঠাৎ করে দেখে ভয়ংকর চমকে উঠেছিলাম ..... আমার ফাস্ট ডিগ্রী স্নেক ফোবিয়া আছে :|:| .....
১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:০৬

লেখক বলেছেন: চমৎকার মানে ভীষন চমৎকার ভাইয়া। আমি এমনিতে নানারকম মজার মজার কর্মকান্ড নিয়েই ব্যাস্ত থাকি তবুও এক খানে থেকে থেকে হাপিয়ে ওঠে এক ঘেয়ে জীবন যেন। সেটা থেকে কদিনের অন্য রকম মুক্তি। খুব খুব এনজয় করেছি আমরা।

আর বাদরটা নিয়ে যা বলেছো হাসতে হাসতে মরি। তবে আমার সত্যি বাঁদরগুলোকে খুব ভালো লেগেছে নয়তো বাঁদরদের বাঁদরামী একদম পছন্দ নয় আমার । একবার বাঁদরকে আদর করে বাদাম খাওয়াতে গিয়ে আমার হাতে খাঁমচি খেয়েছিলাম। সেই থেকেই বুঝেছি বাঁদরকে কখনও আদর দিতে হয়না। তাহলেই মাথায় ওঠে। :P
তুমি সাপ এত ভয় পাও???
আমিও পাই তাই বলে এই পন্চনাগ যতই শক্তিধর হোকনা কেনো মাটির সাপে ভয় নেই আমার।তবে রাজশাহী নিউমার্কেটে দেখলাম এক রকম বার্মিজ কাঠের সাপ এত ভয়ংকর ধরলেই নড়ে। একজন আমাকে এমন ভয় দেখেয়েছিলো হঠাৎ সেটা সামনে এনে, আমি আর একটু হলে দোকানের সব কিছু ভেঙে ফেলতাম এক চিৎকারে।

১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:০৭

লেখক বলেছেন:

এই নাও শিব দেবের ছবি ।সাপই যার গলার মালা। মানে গলায় পেঁচিয়ে রাখেন তিনি।

১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:০৯

লেখক বলেছেন: বাঘছাল পরা , গলায় সাপ পেঁচিয়ে রাখা শিব দেব দেখে যদি বেশী ভয় পাও , দেখে নাও এই পুরোনো বাড়িটি।

৩৫. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:৩৯
মে ঘ দূ ত বলেছেন: চমৎকার সব ছবিসহ ধারুণ বর্ণনা।

বেহুলা আর লক্ষীন্দর সম্পর্কে জানতে চাইবো ভাবছিলাম কিন্তু সাইনবোর্ড থেকে ইংলিশ বানান নিয়ে সার্চ করে পেয়ে গেলাম।
১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:১৮

লেখক বলেছেন: ঠিক বলেছো , এই জন্যই আমি সাইন বোর্ড গুলো দিয়েছি এখানে, যাতে সবাই পড়তে পারে , নতুবা কষ্ট করে আমাকেই লিখতে হত।এখন আমার লেখার কষ্ট টা কমে গেলো। সবাই পড়ে পড়ে জেনে যাবে যা যা জানার।

অনেক অনেক ধন্যবাদ মেঘদূত আমার ভ্রমন বৃত্তান্ত পড়বার জন্য।

৩৬. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:০৮
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন: বৃষ্টি আসার কারণে বেহুলার বাসর ঘর থেকে তাড়তাড়ি নামতে গিয়ে শাড়ী পড়া অবস্থায় গড়াগড়ি খেয়ে পড়েগিয়েছিলাম সেটা মনে পড়লে এখনও হাসি পায়। তোমার ছবিটা দেখে আবার সে কথা মনে পড়ে গেলো :) :)

তোমার লেখার সাতে আর একবার ফ্রি বেড়িয়ে আসলাম।
ধন্যবাদ
১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:১২

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা আপুনি আমিও হাসছি । তবে তোমার পড়ার কথা চিনতা করে না যত তত হাসছি নিজের নানা সময়ে সবার সামনে চিৎপটাং হয়ে পড়ার কথা ভেবে।

একবার সোজা একদল ছেলেদের সামনে পপাৎ ধরণীতল। তাই দেখে ওরা হাসবে কি ? আমি নিজেই যেই হাসি শুরু করলাম তাতে অন্যরাই বোকা বনে গেলো।

অনেক ধন্যবাদ আমার পোস্ট টা পড়ার জন্য ও ছবিগুলো দেখার জন্য।

৩৭. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:২৬
চাঙ্কু বলেছেন: চমৎকার ছবি । জায়গাগুলার কথা বলার আমার যোগ্যতা নাই ।
অনেক বন্যবাদ আপনাকে ।
১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:৩৭

লেখক বলেছেন: বন্যবাদ??
হাহাহাহা বন্যবাদ শুনে অনেক অনেক হাসছি চাঙ্কুমনি।

আমার ভ্রমন পোস্টটা দেখবার জন্য অনেক অনেক ..... কি দেই এখন আমি??
যাইহোক , অনেক অনেক খুশী হলাম । অনেক ভালো থেকো।

৩৮. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৮:৪৩
টুশকি বলেছেন: কত মজা করে আসছ
আমার নানাবাড়ীও উত্তরবঙ্গে
কোনদিন যাওয়া হয়নি, এসব জায়গা দেখাও হয়নি
১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:১৫

লেখক বলেছেন: হায় হায় নানা বাড়ী দেখোনি??
কি শাস্তি দেওয়া যায় তোমাকে???
এত সুন্দর তোমার নানার বাড়ীর এলাকা, দেখলে চোখ জুড়াতো মন ভরাতো টুসকিমনি।

৩৯. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:১১
নুশেরা বলেছেন: বাহ্ চমৎকার! যেমন ছবি তেমন বর্ণনা।

তোমার হাতে ওটা কি করমচা? পঞ্চনাগের জায়গাটা নাটোরে না? ওই জায়গার নামটা জানিয়ো তো। আমি গিয়েছিলাম, এত তাড়াহুড়োর মধ্যে ছিলাম যে নামটাই ভুলে গেছি শুধু কিছু ছবি আছে।

বগুড়া সাহেবের বাড়ীতে অনেক পাখির স্কাল্পচার আছে, ওগুলোর ছবি তোলোনি?
১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:২১

লেখক বলেছেন: হ্যা এটা করমচা আপুনি। এত সুন্দর দেখতে। গাছ থেকে পেড়েই তাই ছবি তুলে ফেললাম।কিনতু খেতে খুবি টক ছিলো।
পন্চনাগের জায়গাটা নাটোরেই। তবে রাণীভবানীর বাড়ির তারেকেশ্বর মন্দিরের সামনেই আছে পন্চনাগের এই মূর্তীটি।

না এখন সাহেবের বাড়ীটা যাদুঘর করেছে। ছবি তুলতে দেয়না ভেতরে। তবে বাগানে একটা মজার পাখীছবি আছে, সেটা তুলেছি। আচ্ছা দাড়াও খুঁজে বের করি।

১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:২৯

লেখক বলেছেন:

এইযে বাগানের পাখী ছবি।
এখানে লেখা আছে কৃত্রিম পাখীর গাছ। ২০ প্রাজাতীর ৪০ টি পাখী।

১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:১৭

লেখক বলেছেন: শুধু ধরনীতল নাতো পপাৎ ধরনীতল।:P

৪১. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:২৭
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন: সেরকম ঘুরাঘুরি করে আসলা! আমিও কিছুদিন আগে বগুড়া গিয়েছিলাম, তবে দৌড়ের উপর ঘুরাঘুরি করছি। এত কিছু দেখতে পারিনা। তোমার লেখা পড়ে বাকিগুলাও দেখা হয়ে গেলো। :)
১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:৩৫

লেখক বলেছেন: ঘুরাঘুরি মানে ঘুরাঘুরি ই আমার কাছে। দৌড়ের উপরে ঘুরাঘুরি হয়না।
একদম প্ল্যান করে, রুটিন করে টাইমটেবল অনুযায়ী ঘুরতে হবে। কিচ্ছু বাদ দেওয়া যাবেনা, তবে কিছুতেই দৌড়ের উপরও না। প্রাণ ভরে মন ভরে দেখতে হবে। ছবি তোলার ক্যামেরা ও সাথে লেখালিখির জন্য নোট বুক ছোট একটা রাখতেই হবে। নাহলে কত্ত কিছু ভুলে যেতে হয়। আমি তো রাস্তা দিয়ে যেতে যেতে ধান সিদ্ধের গন্ধ, মুড়ি ভাজার গন্ধ, পাট পঁচানো গন্ধ এসবের মাঝেও ছোটবেলার অনেক স্মৃতি ফিরে ফিরে পাই।

১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ৯:৩৯

লেখক বলেছেন:

এই নাও সকাল সকাল একরাশ নাইন ও ক্লক ফুলের শুভেচ্ছা। ছবিটা ঐ নবাব বাড়ী থেকেই তোলা।

৪২. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:০৩
ভাঙ্গন বলেছেন: অন্নেক সুন্দর ছবি।
দেখা হইলো চক্ষু মেলিয়া:)
১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৫৪

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস থ্যাংকস।
চক্ষু মেলে দেখলে বলে অনেক খুশী হলাম।

৪৩. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:১৩
শ।মসীর বলেছেন: ভাল লাগল আপনার ভ্রমন কাহিনী।

দিনাজপুর
Click This Link
Click This Link
বগুড়া
Click This Link
১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: আমাদের নেক্সট ট্যুর দিনাজপুর -রংপুর।
যদিও আগেই গিয়েছি তবুও বারে বারে ফিরে যেতে ইচ্ছে করে শৈশবের কাছে কৈশরের কাছে।

১২ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:২১

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়াটা।

৪৫. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:৫০
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন: ফুলের জন্য ধন্যবাদ। তোমার বাড়ি কি দিনাজপুর?
১২ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:২০

লেখক বলেছেন: না আমার বাড়ী যশোহর।তোমার বাড়ী কোথায় দাঁড়কাক?? কোন গাছে??:P

১২ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:১৭

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ নীল দর্পণ।

৪৭. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৩২
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন: সমুদ্রের থেকে খুব কাছে একটা গাছে ;)
১২ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৪৪

লেখক বলেছেন: কক্সেসবাজার??

৪৮. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৫৮
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আপনের এই পোস্টই প্রমান করে বান্দর জাতী আইজকা মানবজাতি থিকা বান্দর জাতেই কুনো ক্রমেই পিছাইয়া নাই। এইসব শিক্ষিত বান্দর গুলানরে কাজে লাগানের মধ্যেই দেশ ও দশ এগার জনের উন্নতি সন্নিবেশিত!

আপনের ফটুক ভালা লাগছে!;)
১২ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:০১

লেখক বলেছেন: হাহাহাহাহাহা একদম ঠিক কথা।
আর ফটুক ভালো লাগার জন্য ধন্যবাদ। তবে তোমার নাকি বিয়ে??

৪৯. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:০৪
আহমেদ রাকিব বলেছেন: খুবই কঠিন একটা ট্যুর দিছেন বোঝা যাচ্ছে। আমিও গত মাসে গেছিলাম রাজশাহী আর চাপাই নবাবগঞ্জ। আপনার ছবি দেখে বোঝা যাচ্ছে চাঁপাই যান নাই মনে হয়। চাঁপাইতেও দুর্দান্ত কিছু জায়গা আছে। আমি অবশ্য আপনার মতন এত জায়গায় যেতে পারি নাই। আবারো যেতে হবে। দুইদিনে আর কতটুকুই বা ঘোরা যায়। আর হ্যা, আপনার ছবি গুলাও ভালো হইছে। :)
১২ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:১২

লেখক বলেছেন: চাঁপাই নবাবগনজ , সোনা মসজিদ কোথাও বাকী নেই আমার যেতে বুঝেছো পুচকা? শুধু এইবার যাইনি। তবে ৩/৪ বছর আগে চাঁপাই নবাবগন্জের আম বাগান দেখে আমি যথারীতি মুগ্ধ!
মনে হয়েছিলো যেন গল্ফ খেলার মাঠ ।এত সুন্দর সবুজ মাঠের মাঝে আম গাছগুলো দাড়িয়ে আছে সারি সারি।সেই সৌন্দর্য্য ভুলবার নয়।

৫০. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:১৯
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: লেখক বলেছেন: তবে তোমার নাকি বিয়ে??


সব ভূয়া কথা!আমার বিরুদ্ধে নাৎসী বাদী ষড়যন্ত্র চলতাছে ঘোড়ার গাড়িতে। এইডা হইবার পারে না, ফোর্ড ফিয়েস্তা লাগবো!
১২ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: আরে এটা তো মধুর ষড়যন্ত্র।প্রবলেম কি??

৫১. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪৯
আহমেদ রাকিব বলেছেন: আমি ২৩ তারিখ কুয়াকাটা যাচ্ছি। প্রথম বারের মতন। আপনি গেছেন??
১২ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮

লেখক বলেছেন: যাবোনা মানে?? আগেই বলেছি বাংলাদেশের কোনো যায়গাই বাকী নেই আমার যেতে । তবুও বারে বারে যাই ।
এই নাও কুয়াকাটা সূর্য্যদয়ের ছবি।

১২ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৪১

লেখক বলেছেন:

সূর্য্যাস্ত

৫২. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১৯
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন: নাহ। কমুনা। খুইজা নাও। :P
১২ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: কেনো ????
কি করে খুঁজি এখন আমি?
খুলনা??? কুয়াকাঁটা??

৫৩. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৩১
শান্তির দেবদূত বলেছেন: আমি সাপের ছবি দেখলেই চমকে উঠি :| .... আসলে ফোবিয়া ব্যাপারটা এমন নয় যে, ক্ষতি করতে পারার উপর নির্ভর করে।

কিছু দিন আগে এক বন্ধু ফেসবুকে একটা সাপের ভিডিউ পাঠিয়ে ছিলো, আমি অনেকক্ষণ বসে থেকে, রীতিমত মেডিটেশন করে মনে সাহস নিয়ে দেখতে বসলাম। ছোট ভিডিউ, দেড় মিনিটের মত। একে বারে শেষে এসে সাপটা হঠাৎ করে ক্যামেরাতে ছোবল মারে :| ..... কম্পিউটারের স্ক্রিনে দেখার সময় মনে হলো যেন আমাকেই ছোবল মারলো। আমি, সাথে সাথে চিৎকার দিয়ে চেয়ার উল্টিয়ে পড়ে গেলাম :( .... মাথায় একটু ব্যাথাও পেয়েছিলাম :(( .....

আমার আম্মুর আছে ব্যাঙ ফোবিয়া, এখনো একটু একটু মনে আছে, তখন গ্রামের বাড়িতে থাকতাম, তিন/চার বছর বয়েস। রাতে আমি বিছানায় গড়াতে গড়াতে পিছনের দিক দিয়ে মাটিতে পড়ে গিয়ে ভ্যাঁ ভ্যাঁ করে কানছি। কিন্তু আম্মু খাটের নিচ থেকে আমাকে তুলার সাহস পাচ্ছে না, ব্যাঙের ভয়ে :| .... বেশ কিছুক্ষণ পরে আম্মু পাশের ঘরের নানিভাইকে ডেকে আনে আমাকে খাটের চিপা থেকে বের করে আনার জন্য :( .... পরে বড় হয়ে আম্মুকে কত বলেছি, "আরে, ব্যাঙ খুবই নিরীহ প্রানী, কোন ক্ষতি করতে পারবে না" ..... কিন্তু আম্মুর ভয় কাটাতে পারিনি .... শেষে একদিন একটা ছোট ব্যাঙ কাচের বোয়ামে ভরে হঠাৎ করে আম্মুর সামলে ধরতেই আম্মু সঙ্গাহীন হয়ে গিয়েছিলেন ..... পরে অনেক অনুতপ্ত হয়ে ছিলাম .....

আমার ছোট ভাইয়ের আছে আবার মাকড়শা ফোবিয় ......
ছোট বোনের তেলাপোকা ফোবিয়া ......

হা হা হা .... ফোবিয়া আক্রান্ত পরিবার :) :)
১২ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: সাপটা হঠাৎ করে ক্যামেরাতে ছোবল মারে ..... কম্পিউটারের স্ক্রিনে দেখার সময় মনে হলো যেন আমাকেই ছোবল মারলো। আমি, সাথে সাথে চিৎকার দিয়ে চেয়ার উল্টিয়ে পড়ে গেলাম .... মাথায় একটু ব্যাথাও পেয়েছিলাম .....


হাহাহাহা আজকে তো সত্যি সত্যি তোমাদের কথা শুনে শুনে আমি হাসতে হাসতে মরেই যাবো। সকাল থেকে যতবার এসেছি প্রতিটাবার একটা না একটা হাসির কান্ড ঘটেছে আজ এখানে।


তোমাদের সবার ফোবিয়া শুনে শুনে নিজের ফোবিয়াটা মনে পড়লো, তোমার পুরা ফ্যামিলীতেও আমার ফোবিয়া নেই আমার আছে টিকটিকি ফোবিয়া। টিকটিকির একটা ছোট বাচচা দেখলেও আমার তাকে কুমীরের মত লাগে। আর মনে হয় সে সব ছেড়ে আমার দিকেই তাকিয়ে আছে। আর কেনো যেন সত্যি সত্যি শয়তান টিকটিকিগুলো আমার দিকেই এগিয়ে আসে।

ছোট বেলায় তখন আমি ক্লাস নাইনে পড়ি, এক কাজিন একটা ক্রিসটালের সুন্দর ঝকঝকে ফ্লাওয়ারভাসে করে মুখটা পেপার আর রাবার ব্যান্ড দিয়ে আটকিয়ে ভেতরে টিকটিকি ভরে রাখলো। আর বললো আমি ঘুমালেই নাকি টিকটিকি আমার গায়ে ছেড়ে দেবে। ব্যাস, আমি সারারাত না ঘুমিয়ে জেগে রইলাম।

পরদিন দাদীমা জানতে পেরে ঐ কাজিনকে বাসা থেকে বের করে দিলো।

১২ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৬

লেখক বলেছেন: এত খুশী কেনো সোনামনি চানাচুর??

৫৫. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৮
চানাচুর বলেছেন: তোমার আমাকে খুশি মনে হচ্ছে? :(
১২ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:০২

লেখক বলেছেন: হচ্ছে তো। কেনো তুমি কি খুশী না??

৫৬. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:১৩
রুবেল শাহ বলেছেন: অনেক বার যাওয়া হয়ছে ....................

ছবি গুলি অনকে সুন্দর আর ইউনুসরে কি পেত্নীতে ধইরা রাখছে.......... :)
১২ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:১৮

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা ভাইয়া।
ইউনুসরে অপ্সরা পেত্নী ধরেছে। এই পেত্নীটা বেশীভাগ সময় স্ক্রন্ধকাঁটা, ষড়া গাছ( শ্যাওড়াগাছ)এ থাকে।:P

৫৭. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:১৬
চানাচুর বলেছেন: খুশি না একটু মেজাজ খারাপ আছে। /:).....যেকোনো সময় তা রাগে রূপান্তরিত হবে:(
১২ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:২২

লেখক বলেছেন: সর্বনাশ বলে কি??

আমি অতি নিরীহ প্রাণী।খারাপ মেজাজকে ভয় পাই। দাড়াও দেখি তোমার মেজাজ কি করে ভালো করা যায়।

১২ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:২৪

লেখক বলেছেন:

এই নাও ঝাল চানাচুর বাদ দিয়ে এক টেবল ক্যান্ডি খাও।

৫৮. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:২৩
রুবেল শাহ বলেছেন: সারে সব্বনাশ এতো দেহি কঠিন পেত্নী ...........

পেত্নী আজ কাল সাজু ঘুজু ও করে আসলেই দিল বদলাইছে........

আমি তো জানি শ্যাওড়াগাছের পেত্নী কুচু ছাড়া আর কিচ্ছু খায় না ........... ?:)
১২ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:২৮

লেখক বলেছেন: আরে না পেত্নী সাজুগুজু করেনা এসব মানে আংটি, দুল মালা ইত্যাদি ইত্যাদি যাহা কিন্চিৎ দেখা যাইতেছে তাহা, তাহার মৃত্যুর আগেই পরিধান করিয়াছিলো। মানে যখন তিনি মানবী ছিলেন।

তবে এই পেত্নী শুধু কছু ঘেচু না। কটকটিও খায়।

৫৯. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৯
রুবেল শাহ বলেছেন: হায় আল্লাহ আমদের কটকটি তুমি রক্ষা কর............
নাইলে এই পেত্নী দুনিয়ার সব কটকটি খেয়ে ফেলবে..........
কটকটি খাওয়া পেত্নীর কথা এই প্রথম শুনলাম........... ও পোত্নী তুমি আর কি কি খাও ( নাকে বাঝিয়ে পড়তে হবে ঠিক পেত্নীর মত করে ) ? ..:)
১২ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:২১

লেখক বলেছেন: খাঁই আঁমি কঁটকঁটি, পঁচা বাঁসী চঁটপঁটি
ঘঁন্টের ঘঁটঘটি, ঝঁটপটি ঝঁটপটি।

নুঁলো বাঁশ ফঁটফটি,শুঁকনো সে খঁটখটি
ঝোঁলা গুঁড় চঁটচটি,পুঁই ডাঁটা পঁটপটি-
নৌঁযান ভঁটভটি, শুঁকো হাঁড় মঁটমটি
ষঁড়া গাঁছে সঁটসটি, ঝুঁল খাঁই লঁটলটি।

দুঁলদুল দোঁল খাঁই, ঝুঁলঝুল ঝুঁল খাই,
যাঁহা পাঁই তাঁহা খাঁই, শঁর্ত যে এঁকটাই
হঁতেহবে খাঁনাদানা বিঁরিয়ানী আঁলু ছাঁনা
মঁৎস্য ও গঁৎস্য, চঁর্ব্য ও চঁষ্য
যাঁহা হোক তাঁহা হোক, রাঁধিয়ে তা আঁনা হোঁক

বঁড়লোকী মাঁনুষের , রঁঙহীন ফাঁনুষের
বাঁনানো সে হোঁটেলের, সাঁততারা হঁটহটি।




১২ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৪

লেখক বলেছেন: মন খারাপ কেনো????

৬১. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৩
তায়েফ আহমাদ বলেছেন: ফটো ও বর্ণনা ফাটাফাটি।
যমুনা সেতুর ঐ পারে বেশীদুর যাই নাই, শুধু রাজশাহী!
এইপারে এক কুয়াকাটা ছাড়া বাকী সুন্দরবন-মাধবকুন্ড-সেন্টমার্টিন সব ঘুরা শ্যাষ!
এইবার দেখি ঐ দিকে নজর দিতে হবে!
আমার আবার ফটো তোলার বাতিক কম!
১২ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩১

লেখক বলেছেন: অবশ্যই ঐদিকে যাও একটাবার । অনেক অনেক ভালো লাগবে।

ফোটো তোলার বাতিক কম হলে চলবে না । ফোটো তুলতেই হবে আর তারপর পোস্ট দিতে হবে।

৬২. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৫
ফেরারী পাখি বলেছেন: আমার বাড়ি বগুড়ায়, কিন্তু নাটোরে কেটেছে আমার শৈশবের দীর্ঘ সময়। আমাদের খেলাধুলার জায়গা ছিল রানী ভবানীর প্রাসাদ। মাঝেমধ্যেই ওখানে চলে যেতাম। তখন ওখানে অনেক খরগোশ আর হরিণ ছিল।
তখনও ওটা সেই অর্থে জমজমাট উত্তরা গণভবন হয়ে ওঠেনি। কিছু কিছু ফোয়ারা তখনও সচল ছিল।
আর সিলেট ছাড়া দেশের ভেতর কোথায় যাইনি সেটা বলো?

একবার তো সিরিজ ই শুরু করেছিলাম, আমার স্মৃতির শহরেরা।

যাই হোক, পারলে একবার আমার বাড়ি ঘুরে এসো।
১২ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৯

লেখক বলেছেন: বুঝেছি তোমার আব্বু মানে আমার চাচাজান নিশ্চয় ডিসি এসপি ছিলেন ওদিককার নতুবা চিনিকলে জব করতেন নাহলে নাটোরে এত দিন থাকার কি কারণ আর হবে?

যাইহোক আমিও এমন কয়েকজনের বাসায় অনেক অনেকবার গিয়েছি আমার শৈশব কৈশোরে। তাই এখনও মাঝে মাঝেই যেতে ইচ্ছে করে আর চলেও যাই।

৬৩. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৪
আউলা বলেছেন: ক্যাট তোমার এই পোস্ট খুবই আনহেলদি :(
১২ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৪

লেখক বলেছেন: ক্যাট????
আবার আনহেলদি???
আরে বলে কি আউলা বাউলাটা?????

৬৪. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪২
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন: ব্লগের শেষে তোর ছবিটা অনেক সুন্দর হইছে ... ( :-B :-B :-B )
১২ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৬

লেখক বলেছেন: ইশ শেষের ছবিটা আমার হবে কেনো??
নিজে বিড়াল বলে সবাইকেই বিড়াল, বান্দর মনে হয়??????

৬৫. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪৮
এন এইচ আর বলেছেন: আপু রাগ করে না। মাফ কইরা দিও।
১২ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৭

লেখক বলেছেন: মাফ করবো আগে পিঠের উপর তিনটা বাড়ী খাও। কিসের বাড়ী বলোতো?

৬৬. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৮
এন এইচ আর বলেছেন: কিসের বাড়ি দিবা আপু?????
১২ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৬

লেখক বলেছেন: ইয়া বড় একটা লাঠি রেডি করেছি।

১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:২৩

লেখক বলেছেন: ওয়েলকাম ওয়েলকাম!! এইবার একটু হাসো।

৬৮. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩০
এন এইচ আর বলেছেন: করলে কি হবে পারবে না। বোনরা মারতে পারে কিন্তু আপুরা পারে না। হেহহেহেহেহেহে
১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:২৫

লেখক বলেছেন: তাই বুঝি যা খুশী টাই করো তাইনা??
সেদিন তো একদম কোনো কথাই কানে গেলোনা। এত করে বললাম (রাগের ইমো)

৬৯. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৫
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন: আয়নায় নিজেরে ভাল করে দেখ, কানে ওই ভাবে হাত দিয়ে, তার পর ছবিটা আবার দেখ, তারপর বল তোর মত লাগে কি না :D:D
১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:২৫

লেখক বলেছেন: ইশ!!!!!!!!!!!!! মোটেই না..................

১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:২৬

লেখক বলেছেন: এটা পড়া লাগে???????? এত ফাঁকিবাজী কেনো?????? চোখ বুলালেই তো হয়ে যেত।

১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৪৭

লেখক বলেছেন: হায় হায় আবার কিরে মিরে কি???

১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:১১

লেখক বলেছেন: হায় হায় এখন আবার তুই?????
আমি তো ইন্নিনিল্লাহ পড়ছি !!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

৭৩. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৫৫
কাব্য বলেছেন: আপুনি,লাইফটা যান্ত্রিক হয়ে :( ।সারাদিন কম্পুর সামনে,আর রাত কাটে মাকড়সার জালের (Web) মধ্যে।

ধানসিদ্ধ করার গন্ধ, পথের ধারে পাট পঁচানোর গন্ধ........ এইগুলার পরিবর্তে পাই পেট্রল পোড়ার গন্ধ :((

লাইফ কি আর লাইফ আছে, উহা তেজপাতা হয়ে গেছে X((
১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:১৪

লেখক বলেছেন: যন্ত্র নগরী ছেড়ে সকল যান্ত্রিকতা ছেড়ে, চলে যাও শ্যামল কোনো শ্যামলিমায়, কান ভরে শোনো কোকিলের ডাক, নদীর কলতান, দুচোখ ভরে দেখো শস্য সবুজ।শ্বাস ভরে টেনে নাও বিশুদ্ধ বাতাস।

৭৪. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:২০
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: ওরে বাপরে ... তুমি তো জটিল একটা ট্যুর দিয়ে আসলা দেখি ... বগুড়াতে একটা রাজা বাড়ি আছে দেখেছ ঐটা ?
১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:২২

লেখক বলেছেন: মোহাম্মদ আলী??

দেখেছিতো। তারি তো গেট আর কি কি ছবি যেন দিলাম।

৭৫. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:২৮
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
আমার ছোটবেলার স্মৃতিময় জায়গা হলো বগুড়া.......নানীবাড়ি।
মহাস্হান গড়ের ছবি খুব ভালো লাগলো।অনেকবার গেছি।
এবার দেশে গিয়ে বগুড়ার উপর দিয়ে যাওয়া হলো লালমনিরহাট।কিন্তু সময়ের অভাবে বগুড়া যাওয়া হলোনা..........।

মাজারের সিঁড়িটা কেমন অদ্ভুত লাগতো ছোটবেলায়......
ঐ রকম ঘুরানো সিঁড়ি তখন খুব একটা দেখা যেতো না.....

আর মহাস্হান গড়ের কটকটি কি যে মজা লাগতো।

ভালো থেকো অপ্‌সরা....
অনেক শুভকামনা ।
১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: তোমার নানীবাড়ী বগুড়ায় আপুনি???
আগে জানলে চলে যেতাম বেড়াতে।:P

তোমার ছোটবেলার এত এত কথা জেনে খুব ভালো লাগলো। ভালো থেকো আপুমনি।

৭৬. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৩২
অক্ষর বলেছেন: চুপ থাক, বেশি কথা কবি না
১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৫১

লেখক বলেছেন: হায় হায় !! কি হলো এইটার?????????

৭৭. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৯:৫৬
অক্ষর বলেছেন: আবার কথা কয়!!! কৈলাম না চুপ থাকতে
১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:০১

লেখক বলেছেন: ইশ আসলেন আমার হুজুর!!! ঊনার কথামত চুপ থাকতে হবে না?? দাড়াও তোমার বউকে কল দেই।

৭৮. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:০২
মানুষ বলেছেন: প্রায় সব জায়গাতেই গেছি :D
১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: ভেরীগুড। নিশ্চয় অনেক অনেক ভালো লেগেছিলো।

৭৯. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:১১
আবু সালেহ বলেছেন: খাঁই আঁমি কঁটকঁটি, পঁচা বাঁসী চঁটপঁটি
ঘঁন্টের ঘঁটঘটি, ঝঁটপটি ঝঁটপটি।

নুঁলো বাঁশ ফঁটফটি,শুঁকনো সে খঁটখটি
ঝোঁলা গুঁড় চঁটচটি,পুঁই ডাঁটা পঁটপটি-
নৌঁযান ভঁটভটি, শুঁকো হাঁড় মঁটমটি
ষঁড়া গাঁছে সঁটসটি, ঝুঁল খাঁই লঁটলটি।

দুঁলদুল দোঁল খাঁই, ঝুঁলঝুল ঝুঁল খাই,
যাঁহা পাঁই তাঁহা খাঁই, শঁর্ত যে এঁকটাই
হঁতেহবে খাঁনাদানা বিঁরিয়ানী আঁলু ছাঁনা
মঁৎস্য ও গঁৎস্য, চঁর্ব্য ও চঁষ্য
যাঁহা হোক তাঁহা হোক, রাঁধিয়ে তা আঁনা হোঁক

বঁড়লোকী মাঁনুষের , রঁঙহীন ফাঁনুষের
বাঁনানো সে হোঁটেলের, সাঁততারা হঁটহটি।


জব্বর হইছে কটকটি কবিতা...........
১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৩৭

লেখক বলেছেন: হাহাহাহা থ্যংকু সালেহ।

৮০. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:১২
রুবেল শাহ বলেছেন: পেত্নী দেখতে কেমুন................. ? :P

কটকটি খাইতে মুঞ্ঝায় ................... :D
১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৪৬

লেখক বলেছেন: দাঁত কঁপাটি ঝাঁটার কাঁঠি
চুঁলগুলো তাঁর শঁনের আঁঠি।

চোঁখ দুঁটি তাঁর ঢিঁলকা কাঁনা
দিঁনদুঁপুরে দেঁখতে মাঁনা।

ভুঁতের ছাঁনা ভুঁতের পোঁনা
দেঁখলে তাঁকে হাঁসতে মাঁনা

তঁবুও দেঁখে পেঁত্নীটারে
হাঁসি কি আঁর চাঁপতে পাঁরে?

লঁম্বা ঝুঁলের ম্যাঁক্সি পঁরে
হাঁটতে গিঁয়ে ধঁপাস পঁড়ে

তাঁরপঁরে খাঁয় গঁড়াগড়ি
উঁঠাতে হঁয় বেঁধে দঁড়ি।


এঁমোনি খাঁপ সুঁরতি তাঁর
ভুঁতের বাঁবাও পঁগার পাঁর।

১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৫৯

লেখক বলেছেন: হায় আললাহ!! এই ছেলের মাথা পুরা গেছে। একবার তুই তোকারী আরেকবার আপা আপা আপনি আপনি।

তবে বুঝলাম বৌকে সত্যি ভয় পাও। হিহিহি

৮২. ১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:১৬
মুক্ত বয়ান বলেছেন: আপনে আগে এরাম একবার রাঙামাটি গেছলেন না?? সেইটার ফটুকগুলাও ভালো হইছিল। :)
এইবার ভাল্লাগছে। :)
১২ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:২০

লেখক বলেছেন: সেবার গেছিলাম বান্দরবান। আমার চোখে বান্দরবানের মত সুন্দর জায়গার সাথে কোনো খানেরি তুলনা হয়না।

ঠিক যেন পটে আঁকা ছবি।

৮৩. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:১১
রুবেল শাহ বলেছেন: ওমা এতো দেখি কঠিন পেত্নী............

আবার ছড়াও কাটে........... ভুয় লাগতাছে............. :((
১৩ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:১৬

লেখক বলেছেন: ভয় করোনা ভয় করোনা
তোমায় আমি মারবোনা
সত্যি বলছি সুযোগ পেলেই
একটুকুও ছাড়বোনা :P

মেজাজ আমার সদাই হরিষ
মিছেই ভয়ে সবাই মরিস
আমার মত লক্ষী পেতিন
তিন ভুবনেও দেখবি না।

৮৪. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:২৩
মনজুরুল হক বলেছেন:

সমুদ্র না দেখলে কি হবে, এই সব জায়গাগুলো অনেক চেনা। তবে কোন কালেও মহাস্থানগড় আমার ভাল লাগেনি। যে কারণে দিনের পর দিন দিনাজপুরের রামসাগরে সাঁতার কাটার পরও দিঘীটা ভাল লাগত না। হয়ত ম্যানমেইড বলেই......

সে তুলনায় নাভারন থেকে সাতক্ষীরার পথে ভবদহ বিলের কোনায় বসে থাকলে মনটা জুড়িয়ে যেত। আবার হবিগঞ্জের বানিয়ারচং এ কিনারাহীন হাওড় দেখে চোখ ফেরাতে পারিনি।

তার পরও খুলনার জেলখানা ঘাটে বসে ভৈরব-রূপসার ত্রিমোহনা অনেক আপন। নড়ালের থানার পাশে চিত্রার পাড় অনেক আপন। যশোরের বারান্দিপাড়া-বেজপাড়া যেন নিজের বাগান! গাড়িখানা রোডে "তসবীর মহলে" সিনেমা দেখার সেই স্মৃতি আজো টাটকা!

তোমার বেড়ানো সার্থক হয়েছে। বেড়িয়েছ তুমি, আর সহ ব্লগাররা তাদের স্মৃতি শেয়ার করেছে। এটা কি কম আনন্দের!

গত শীতে ঊশৃংখল ঝড়কন্যা এই জায়গাগুলো ঘুরতে গিয়ে ওখান থেকে অনেক বেড়ানোর স্মৃতি মেইল করেছিল। রাজশাহীর একটা রেস্টুরেন্ট দেখতে বলেছিলাম, খুঁজে পায়নি। ওটার নাম "পানশী"।
----------------------------------------------------------------------------
"আমি যখন ওকে একটা স্নিকার আর ২০০ টাকা দিয়ে বললাম, তোমার যা খেতে ইচ্ছে করে তাই কিছু কিনে খেও তখন তার অনাবিল হাসিটা ঐ পূরাকীর্তি দর্শনের ভালোলাগার অনুভুতির চাইতে কোনো অংশেই কম ছিলোনা।"
----------------------------------------------------------------------------

শেষের এই যে কথাগুলি লিখেছ, সেটাই বেড়ানোর ভেতরেও আর এক মানবতার ঝান্ডা তুলে ধরেছে। এটাই স্বযত্নে থাকুক মনের গহীনে।
১৩ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৩২

লেখক বলেছেন: হুম।শেষের কথাগুলো আবার কাঁদালো আমাকে।

যাই হোক , শেষ পর্যন্ত আরেকটা পোস্ট লেখার শর্ত পূরণ হলো। ভাইয়া তুমি কি জানো আমার দেশের বাড়ী যশোরে।
তবে আমি ভালো করে সব জায়গা চিনিনা। খুব কম গেছি। কেউ নেই তো।
রাজশাহীর পানশী রেস্টুরেন্ট আমি চিনিনা। আমরা শুধু পর্যটনেই খেয়েছিলাম।নয়তোবা সোজা রাস্তার খানা মানে পেয়াজু, পাতা ভাজা, শামী কাবাব, মোগলাই পরোটা। হাহাহাহা

৮৫. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৩২
রুবেল শাহ বলেছেন: কইছে তোমারে ভুবনেও দেখবো না..........

সামুতেই দেখতাছি..............

ভুয় ভুয় কুন সময় জানি ঘপ কইরা ঘাড়ের মধ্যে ধরে..... :(
১৩ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: হাহাহাহাহাহা
নানানানানানা তোমাকে ধরবোনা ভাইয়ামনিটা। তুমি তো আমার একটা প্রিয় ভাইয়া।

৮৬. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৩৮
রুবেল শাহ বলেছেন: যাক হাত পা একটু সোজা হইতাছে ................

ভুয়ে বেকা হয়ে গেছিল তো................. :)
১৩ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:১৩

লেখক বলেছেন: আহারে । থাক থাক আর ভয় পেতে হবেনা ভাইয়াটা।

৮৭. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৪০
মনজুরুল হক বলেছেন:

যশোরের কথা আজই জানলাম। প্রপারে, নাকি শহরের বাইরে ?

আমার জন্ম,শৈশব,কৈশোরের পুরোটা সময় খুলনা-যশোর-নড়াল-দর্শনা-চুয়াডাঙ্গা-রাজশাহী-দিনাজপুরে কেটেছে। আজো খুলনা থেকে পার্ব্বতীপুর ব্রডগেজ লাইনের ট্রেনের স্মৃতি ভেসে বেড়ায় বায়োস্কোপের মত.........
১৩ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:১২

লেখক বলেছেন: তাই তো কি করে জানবে? আগে তো কখনও বলিনি। আমার দাদুর বাড়ীটা প্রপারেই।
আমার কিন্তু যশোরের স্মৃতি খুবি কম । যদিও আমার মেমোরী অনেক অনেক বেশী তাই অনেক কিছুই আমি মনে করতে পারি।

কারো দাদাবাড়ির স্মৃতি কম থাকে বলো ?? কিন্তু আমার খুবি কম । কেনো জানো?? সেটা একটা গল্প।

৮৮. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৪৯
সীমন্ত ইসলাম বলেছেন: khub khub khub valo laglo. ar mas khanek por oi poth dhore hete beranor sopno dekhe amar din kate aj kal. :)
১৩ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:০৯

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক অনেক ধন্যবাদ সীমন্ত। পোস্টটা পড়ার জন্য।
তবে মাসখানেক পরে এই পথে হাঁটবে কেনো?? তোমার বাড়ি কি ঐ দিকেই??

৮৯. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:৪৬
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: হ, সুন্দর জায়গা থেইকা বান্দরের ফটুক তুলছো...
এই বান্দর গুলার ভাইগো দেখছিলাম রাঙ্গামাটিতে...আমাদের সে কি উৎসাহ, যার যেই স্বভাব খারাপ, সে সেইটার পাশে গিয়া ছবি তুলছিলাম....
আমার সব বন্ধুবান্ধব গিয়া দাড়াইছিলো কানে হাত দেয়া বান্দরের পাশে, আর আমারে দাড় করাইছিলো মুখে হাত দেয়া বান্দরের পাশে!!!

কয়টা ছবি মনে হয় তুলনাই, আসলগুলাই....রাজ হাঁসের মাংসের ফডুক...খুব খাইতে মন্চায়...

ছবি আর বর্ননা পইড়া মনে হইতাছে, দেশে আইসা খালি টুরের উপরে থাক্তে হইবো..
১৩ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:০৭

লেখক বলেছেন: এই বান্দরগুলার ভাইয়েরা রাঙ্গামাটির কই থাকে?? কই আমি তো দেখিনি ।

আমি সব গুলা বান্দরের ছবিই তুলেছি তবে এত ছবি দেওয়া যায় নাকি?? কষ্ট হয়না?? আচ্ছা একটু পরে এদের ভাইদের ছবিও তোমাকে দেখাবো না হয় খুঁজে খুঁজে।

রাজ হাসের মাংসের ফডুক অবশ্য তুলিনাই । মানুষ কি বলবে ছি ছি আমাকে পেটুক ভাববে। অথবা ভাববে জীবনে রাজ হাসের মাংস খাইনাই।


আবার এসে পোস্ট পড়ার জন্য, ছবি দেখার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ শাওন।

৯০. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:২১
লীনা দিলরূবা বলেছেন: আহা! কি সুন্দর সুন্দর ছবি। মাইয়াটা কোন্দিন একা একা আমাকে না নিয়া ঘুইরা আসল? মাইয়াটা এত খারাপ, বন্ধুরে ভুইল্যা গেসে।
১৩ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:২৪

লেখক বলেছেন: কি যে বলো তোমাকে ভুলতে পারি?????????????????
কিন্তু তোমার না অফিস আছে?? আমার তো ছুটি। তোমার বুইড়া শয়তান বস কি আর তোমাকে ছুটি দিতো??

৯১. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৩০
মাহবুব সুমন বলেছেন: বগুড়া আমার জন্মস্থান ।

দারুন বেড়িয়েছেন, যেখানে যেখানে বেড়াতে গিয়েছিলেন সেখানে আমিও বেশ কবার গিয়েছি:)
ছবিগুলো দিয়ে স্মৃতিকাতর করে দেবার জন্য মাইনাস ;)
১৩ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪২

লেখক বলেছেন: তাইনাকি??

জন্মস্থান যেখানেই দেখি, যেখানেই শুনি, ভালো লাগে অনেক অনেক!
স্মৃতিকাতর করে দেবার জন্য মাইনাস দাও তবুও তো স্মৃতিটাকে নাড়িয়ে দিলাম, তাতেই আমি খুশী।

৯২. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৩৮
রুবেল শাহ বলেছেন: ওরে আমার পেত্নীরে
তুই যে বড় ভালো,

হাতটি তোর ভীষন সাদা
ঠোটটি কেনো কালো.... ?

চুলে যে তোর বাবুই পাখি
বাসা বাঁধে ঘন,

উকুন হাজার ছড়িয়ে থেকে
চুল করেছে কালো....... :)

নাকটি তোর কোথায়
জানি দেখেছি আমি আগে

ওহ মানে পড়েছে

মোটা নাকের চাইনিজ বুড়ির
দেখতে পেত্নীর চেয়ে বেশ বেশ বেশ :) :) :)
১৩ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪৪

লেখক বলেছেন: ছি ছি ছি ভাইয়া, কবিতা মেলাতে পারলেনা???????????????
হাহাহাহাহাহাহাহাহাহা
আমি দেখছি ভালো ছড়াকার হতে পারবো। সব কটা লাইন মিলিয়েছিলাম কাল। হিহিহিহি
ছবি যত্ত সুন্দর আঁকো ছড়াতো মেলেনি। তোমাকে হারিয়ে দিয়ে আমি খুশী!!!!!!

৯৩. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৭
অন্ধ দাঁড়কাক বলেছেন: কারুপল্লীর ভিতরে গুহা দেখোনি? বেশ গা ছমছম করা ভাব তৈরী হয়।

উত্তরা গণভাবনের কোন ছবি নেই কেন?
১৩ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:০৩

লেখক বলেছেন: গুহার ভেতরে ছবি তুলিনিতো এমনিতেই ছবি তোলা নিষেধ, ওদের ক্যামেরাম্যান ছাড়া। তবুও তো বাইরে নিজেদের ক্যমেরা দি্যেই তুলে ফেলেছিলাম না জেনে।
উত্তরা গণভবনের ছবি আছে তো দাড়াও একটু পরে এসে দেবো নাহয় আরো দেইনি পাহাড় পুরের ছবি। বৃষ্টি হচ্ছিলো ক্যামেরা গাড়িতে রেখে নেমেছিলাম। মোবাইল দিয়ে তুলেছি পরে কম্পুতে আপলোড করা হয়নি এখনও।

৯৪. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৩১
এম এস জুলহাস বলেছেন:
রাজ বাড়ীর (দুলাল দা'র) গ্যালারীর ছবিগুলোর এক একটা অর্থ বুঝিয়ে দিতেই তার সাথে আমার ভাব. . .।

শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।
১৩ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৩

লেখক বলেছেন: কোন দুলালদা ? চিনলাম নাতো।
তোমাকেও ধন্যবাদ শিল্পী ভাইয়া। অনেক সুন্দর আঁকো আর লিখো তুমি।

৯৫. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৭
এম এস জুলহাস বলেছেন:
রাজবাড়ীর শিল্প কর্মগুলো উনারই করা।
ওখানে উনার আঁকা পেইন্টিংসের একটা গ্যালারী আছে,
যান নি ভিতরে ?
উউউফ মিস করেছেন।
১৩ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৯

লেখক বলেছেন: ভেতরে গেছিলাম তো। কিন্তু এত খেয়াল করিনি বা করেছিলাম কার পেইন্টিংস হয়তো। এখন মনে হচ্ছে একটু একটু যে পেইন্টিং গুলোয় দুলাল নামটা দেখেছিলাম।

একটা বোতাম চিত্র মানে বোতাম দিয়ে বানানো ছবি খুব ভালো লেগেছিলো। খারাপ লেগেছিলো ছবিগুলোয় কারা সব তাদের নাম টাম লিখে একাকার করেছে। অমুক +তমুক এইসব । ভালো ভাবে সংরক্ষন করা হয়নি।

৯৬. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:১২
এম এস জুলহাস বলেছেন:
হুমমমম ! ঠিক তাই !

আমার প্রিয় আর্টিস্টদের মধ্যে উনি একজন।
কারন. . .
১৩ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৫

লেখক বলেছেন: কারন তুমি উনি নাতো!!!!!!!!!!!!!!!!

৯৭. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:১৬
সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: আপনার লেখা ও ছবি দুটোই চমৎকার। স্মৃতির দুয়ার খুলে দিলেন।
পুটিয়ার রাজবাড়ি যেটা কলেজ হয়েছে ভিতরটা কিন্তু ভাল আছে। আমি ক্লাশ রুমগুলোতে গিয়েছিলাম। ভিতরটা আমাদের কার্জন হলের মত অনেকটা। ওখানে এশিয়ার বৃহত্তম কষ্টিপাথরের শিব লিংগ আছে।

নাটরের রাজবাড়িটা কাছেই ছিল, গেলেই পারতেন। যেটা এখন উত্তরা গনভবন নামে পরিচিত। খুবই সুন্দর।

একটা মজার কথা বলতে খুব ইচ্ছে করছে জানি না আপনার কেমন লাগবে---

একটা কাল পাথরের মূর্তির পাশে দাঁড়িয়ে বিশাল পোজ দিয়ে আমার জানুকে বললাম একটা ছবি তোল। সে সাথে সাথে রাজি। আমি বললাম মূর্তিটা যেন সম্পূর্ন থাকে। সে বলল --আচ্ছা।

ফেরার পর আমার সেই ছবিটা দেখতে চাইলে সে আমাকে ছবিটা দেখাল। ছবি দেখে আমি অবাক হয়ে তাকে বললাম----এই আমি কই??
সে হাসতে হাসতে বলে---- এই তো তুমি আমার পাশে।
১৩ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:০৬

লেখক বলেছেন: হাহাহাহাহাহাহাহাহাহা
আপুনি হাসতে হাসতে মরে গেলাম!!!
পুঠিয়া রাজবাড়ীর ঐ কলেজের ভেতরাটায় ঢুকতে পারিনি। সেদিন কলেজ বন্ধ ছিলো।

এশিয়ার বৃহত্তম কষ্টিপাথরের শিব লিংগ যেখানে সেটাই ভুবনেশ্বর শুভ মন্দির। এখানে গিয়েছিলামতো । মন্দিরটার ছবি দিয়েছি।

৯৮. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৯
এম এস জুলহাস বলেছেন:
হাহাহাহাহা-সলাম



না।
১৩ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৩১

লেখক বলেছেন: ঐগুলো না হোক ভাইয়া।
তুমি যেসব এঁকেছো ও ভাস্কার্য্য বানিয়েছো, সেসব অনেক অনেক সুন্দর। আমি একেবারেই মুগ্ধ!!!!

৯৯. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪২
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন: অনেক গুলো যায়গাই আমার খুব পরিচিত ... আগে একসময় অনেকবার বাসায় বেড়াতে আসা মেহমানদের নিয়ে যেতে হয়েছে। অনেক পুরানো কথা মনে পড়ে গেলো ...

আপনাকে অনেক ধন্যবাদ সুন্দর ছবিগুলো আর তার সাথে অনেক ভুলে যাওয়া স্মৃতী মনে করিয়ে দেবার জন্য।

ভাল থাকবেন সব সময় ...
১৩ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৩৩

লেখক বলেছেন: ভাইয়া প্রথমে তোমার কমেন্ট পড়ে হাসলাম। হঠাৎ এত আপনি আগ্গে কেনো??
ছোট ভাই হতে ইচ্ছে করছে নাকি??


১০০. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৩
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: ছবিগুলো দেখে ভাল লাগল আফ্রোদিতি আপু।।। ছবি দেখেই পরিবেশটা ভিজুলাইজ করে নেয়া যায়, শুধু সেখানে সশরীরে যাওয়া হয়না- এই পার্থক্য।।

গতবছর বন্যার সময বাড়িতে ছিলাম কিছুদিন, সেসময় আমার ছোটভাইয়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বর্শিতে মাছ ধরতাম, এবং সবসময় আমিই হারতাম, তবুও বরশিতে মাছ ধরাটা ভাল লাগত।।।। আমার ভ্রমণের ইচ্ছা ব্যাপক, কিন্তু আমার বন্ধুগুলো সব ঘরকুনো।।। তাই হয়ে উঠেনা আর.........

যাইহোক, আপনার আরও দুটো লেখা দেখি পড়া হয়নি, চা জরিমানা হওয়ার আগেই সেগুলো শেষ করতে হবে।।।।
১৩ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৩৫

লেখক বলেছেন: হুম শিঘ্রী পড়ো নাইলে আরো আরো চা জরিমানা হয়ে যাবে কিন্তু ।

আমরা অনেক মজা করেছি । তুমি পারলে তোমার ঘরকুনো বন্ধুদেরকে ঘর থেকে টেনে বের করে বেরিয়ে পড়ো কোনো এক সময়।

১০১. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৮
অনন্ত দিগন্ত বলেছেন: ওহ ! তাইতো ... কারুপল্লীর পাশেই ওটা, রাজার বাড়ী না নবাব বাড়ী ... অনেক বছর আগের কথা তো .... ভুলে গিয়েছিলাম । :`>
১৩ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৩৭

লেখক বলেছেন: নবাব বাড়ী বলে।
কেউ কেউ সাহেব বাড়ী কেউ বা রাজার বাড়ী। তাই যেটা খুশী বলতে পারো।

১০২. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:৫৯
~স্বপ্নজয়~ বলেছেন: খিকজ ... :P
অনেকদিন পর একটা ফর্মাল কমেন্ট দিলাম তোর ব্লগে :P
১৩ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৪৯

লেখক বলেছেন: তাই বলো। আমি তো ভাবলাম মাথায় কোনো গন্ডগোল হলো তোমার।

১০৩. ১৩ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:৫২
রুবেল শাহ বলেছেন: কটকটি খাইতে মুনচায় ............. :P
১৩ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১১:০৮

লেখক বলেছেন: ভুত পেত্নীরা সব খেয়ে ফেলেছে আর পাবেনা তুমি।

১০৪. ১৪ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৩১
রুবেল শাহ বলেছেন: পেত্নী ঠিক আছে, কিন্তু ভুত আইল কুনখান থেকে............. ?:(
১৪ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১২:৩৭

লেখক বলেছেন: আরে জানোনা এতদিনেও? পেত্নীর সাথেই তো ভুত থাকে । ভুত পেত্নী সব একি জাঁত তো।

১০৫. ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:০১
নির্ঝরিনী বলেছেন: ব্যস্ততায় দুইদিন আসা হয়নি ব্লগে আর এর মধ্যেই তুমি ঘুরে এলে আমার দেশের বাড়ী থেকে...

ছবিগুলো দেখে, ইস!! এখনই যেতে ইচ্ছে করছে...কি করি বলতো..

আমার দেশের বাড়ী উত্তরবঙ্গে...তোমার ছবির মোটামুটি সবজায়গাতেই যাওয়া হয়েছে...বগুড়াতেও গিয়েছি বেশ কবার...তবে তোমার মতো এতো ভালো করে সবকিছু পর্যবেক্ষন করা হয়নি...

বাসায় তুমি কি সুন্দর মজার মজার কাজ করো...আবার বাইরেও ঘুরে বেড়াও...খুবই মজার জীবন তোমার।

এমনি করেই ভালো থেকো অপসরা প্রতিটাসময়....
১৫ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:৩৩

লেখক বলেছেন: আপুনি তোমার দেশের বাড়ী ওদিকেই জানতামনা কিন্তু।

আমিও আগেও গিয়েছি এসব জায়গায় আবারও গেলাম আর বাসায় ফিরেই করেছি এক গাদা গ্লাস পেইন্টিং। তবে হ্যা খুব এনজয় করছি জানো? একদম দেখার মত দেখা যাকে বলে, নোটবুকে টুকে নেওয়া, ছবি তুলে রাখা কোনোটাই বাদ দেয়নি।হাহাহা
অনেক অনেক ভালো থেকো আপুমনি।

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: কি লিখেছো আপুনি? দেখতে পাইনাতো।

১০৭. ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:০৪
ভোর বলেছেন: তোমার লেখা আর ছবিগুলোতে নিজের এলাকা কে আবার নতুন করে যেন দেখছি। ভীষন ভাল লাগল অপ্সরা। তুমি তো আমার বাড়ির পাশে থেকে ঘুরে এসেছো। আদমদীঘির পাশেই আমার দেশের বাড়ি। আচ্ছা তুমি বগুড়ায় যেয়ে দই খাওনি? কোথাও উল্লেখ নাই কেন?
রাজশাহী হল আমার অনেক স্মৃতিবিজরিত শহর কারণ ওখানেই তো শিক্ষাজীবনের সাড়ে ছয়বছর কাটিয়েছি। ছবিগুলো দেখে মন খারাপ লাগছে। কতবার গিয়েছি ওই জায়গাগুলোতে। অনেক মিস করি শহরটাকে।
তুমি ভাল থেকো সবসময় নইলে এত সুন্দর সুন্দর ছবি আমাদের দেখাবে কে?
১৫ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:২৮

লেখক বলেছেন: আপুনি, বগুড়ায় যাবো আর দই খাবোনা তাই কি হয়??বগুড়ার দই , ক্ষীরসা,মোগলাই পরোটা কিচ্ছু বাকি রাখিনিতো। রাস্তা থেকেই শুরু করেছি খাওয়া দাওয়া, টাঙ্গাইলের চমচম খেয়ে তো আমি পুরা হা। এত্ত মজা!!!!!!!!!আসলে অনেক কিছু বলার ছিলো মানে লেখার ছিলো। সবাই বিরক্ত হয়ে যাবে তাই লিখিনি।

অনেক অনেক খুশী হলাম আপুনি আমার লেখাটা পড়ার জন্য।

১০৮. ১৫ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৪২
দীপান্বিতা বলেছেন: বাঃ......বেশ ঘুরে এলেন তো........:)
১৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৮:২৩

লেখক বলেছেন: হুম খুব ঘুরলাম কটাদিন!!

১৫ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১০:১২

লেখক বলেছেন: প্লাসটা বুঝলাম। পরেরটুকু বুঝলাম না।

১১০. ১৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ১:৩৮
শত রুপা বলেছেন: খুব ভালো লাগলো অস্পরা।
১৭ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৩১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পোস্ট টা পড়ার জন্য ছবিগুলোও দেখার জন্য শতরুপা আপুনি।

১১১. ১৭ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১০:৪৮
এম এস জুলহাস বলেছেন:
আপি এর পর উত্তরবঙ্গে (সিরাজগঞ্জ-দিনাজপুর) আসলে জানাবেন কিন্তু !
আমি থাকবো প্রায় এক/দেড় বছর।
আমার স্টুডিওটা দেখে যাবেন অবশ্যই।

ভালো থাকবেন।
১৭ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৩

লেখক বলেছেন: আমি আগামী উইন্টার ভ্যাকেশনেই দিনাজপুর রংপুরে যাবার প্ল্যানিং এ আছি।
যদিও এসবখানে আগেও গিয়েছি তবুও আবারও যাবো। বার বার যাবো। তোমার আমন্ত্রনের জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।

১১২. ২০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:০২
কালপুরুষ বলেছেন: ইশ্ রে! তুই আমার বাড়ীর কাছ থেকে ঘুরে এলি আর আমাকে জানালিনা। আমি রাগ করছি। তুই আমাকে আগে বলিস নাই কেন? তাইলে আমি তোকে রাজশাহীর মজার মজার কত খাবার, টাটকা মাছ, শাক-সব্জী, কলিজার সিঙ্গারা, গুড়ের সন্দেশ আরো কত কি খেতে দিতাম। এরপর গেলে আমাকে জানাবি। রাগ কিন্তু এখনো আছে।
২০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:০৫

লেখক বলেছেন: তোমার বাড়ী রাজশাহী????
রাগ করেনা ভাইয়া। এর পরের বার তোমাকে নিয়ে যাবো।

১১৩. ২০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৭
সুস্ময় সুমন বলেছেন: আপনি তো দেখি "মিস্ ঘুড়ে বেড়ানি" :p

যাইহোক, লেখাটা পড়ে ভালো লাগলো। ভালো থাকুন আর ঘুরে বেড়ান।
২০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: হুম একটু ছুটি পেলে কোথাও না কোথাও যেতেই হবে আমার।:P

১১৪. ২০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:০৭
অগ্নিগিরি বলেছেন:
ছবি এবং লেখাটা খুব ভালো লাগলো
আমার টাকার অভাব তাই ঘুরতে পারি না
আপনারা ঘুরে এসে
এমন ছবি দিলে দুধের স্বাধ ঘোলে মিটাতাম আর কি!

থ্যাং-উ
২০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:১৫

লেখক বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ পোস্টটা দেখার জন্য।
অবশ্যই আবার বেড়াতে গেলে ছবি দেবো আরো আরো।

১১৫. ২০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৪৪
সুস্ময় সুমন বলেছেন: সিলেটের শ্রীমংগল গিয়েছেন কখনো? একটা লিঙ্ক দিলাম, যদিও ঘুরে বেড়ানোর চেয়ে স্মৃতি চারনাই বেশি।
Click This Link
২০ শে জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:১৪

লেখক বলেছেন: না যায়নি। তবে যাবো এইবার ।

অনেক ধন্যবাদ লিঙ্কটার জন্য।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৯

লেখক বলেছেন: পড়লাম আবারও



আর


লেখক বলেছেন: ওরেরে ইউনুস মিয়ার জব্বর ফটু হইছে মামা.... তয় পোলা পাকনা আছে, এক আর্মির অফিসার ফ্যামিলি নিয়া আইছিলো, হেরে ইতিহাস শুনানির নাম কইরা ভালো টেকা পয়সা কামাইলো দেখলাম

মামা তুমার পোষ্ট আইছে আমার ঘুইরা আওনের পরে, হের লিগা উপ্রে আর দেই নাই তয় এইখানে দিয়া দিলাম



পাকনা পুকনার জন্য না এই পোলারে যে দেখবে তারি মায়া হবে। আমি বেহূলার ইতিহাস না ওর করুন ইতিহাস শুনে ওকে টাকা দিয়েছিলাম ।অনেকেই দেয়, এতটুকু একটা ছেলে সৎ বাবার বাসায় থাকে। ও সন্ধ্যায় যে টাকা নিয়ে যায় বই বিক্রি করে, সেই টাকা দেয় মায়ের হাতে। বিনিমনে সৎ বাবার বাড়ীর দু মুঠো ভাত জোটে তার আর পারে মায়ের সাথে থাকতে।

১১৭. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৩
যীশূ বলেছেন: রাইখা দিলাম।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৪

লেখক বলেছেন: আচ্ছা আচ্ছা রাইখা দাও।

আর রাইখা দেওয়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ।

১১৮. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০২
আজম বলেছেন: কিছুদিন আগেই উত্তরবঙ্গ থেকে ঘুরে এলাম।অনেক খুঁজেছি ব্লগে উত্তরবঙ্গ নিয়ে পোস্ট,পাই নাই তখন।
আমার অবশ্য তেমন ঘুরা হয় নাই ওখানে।
আবার কোন সময় গেলে বাদ পড়া জায়গা গুলোতে যাবার চেষ্টা করব।প্রিয়তে নিলাম পোস্টটা...

উত্তরবঙ্গনিয়ে পোস্টhttp://www.somewhereinblog.net/blog/mnazamblog/28994680
১১৯. ০১ লা অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪১
অপ্‌সরা বলেছেন: এত কষ্ট করে পুরোনো পোস্ট খুঁজে পড়ার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া!
১২০. ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৫
হামিদ পায়োনিয়ার বলেছেন: আপুনি, জলদেব ও জলকুমারী ভাস্কর্য্যটা সবচেয়ে ভাল লেগেছে।
তোমাকে ধন্যবাদ এতগুলো পটেটো(ফটো) দেখানোর জন্য।
০৮ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৬

লেখক বলেছেন: TomakeO OnekOnek Dhonnobad vaiya!!!!!!!!!!!!!

 

মোট সময় লেগেছে ১.৭৪৭৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
যেখানে ঘর বাঁধবো আমি, আসে আসুক বাণ,
তুমি যদি ভাসাও মোরে, চাইনে পরিত্রাণ!!
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই