পাগলের চারটি লক্ষণঃ
(বিঃ দ্রঃ পাগলের প্রথম তিনটি লক্ষণই বাথরুম সংক্রান্তঃ)
১. গোসলের পর সবকিছুই তার ঠিক মনে হবে। সমস্যাটা হবে যখন সে গোসল করে বের হবে ঠিক তখন। সে পায়চারী করতে থাকবে এবং তার মনে হবে কি যেনো নেই!! কি নেই? সে প্রচন্ড বিরক্তি প্রকাশ করা শুরু করবে। কপাল কুচকে তাকাবে উপরের দিকে। কি নেই? সে তখন প্রচন্ড বিরক্ত। যদি সে বিবাহিত হয় তবে সে দ্রুত তার স্ত্রীর কাছে ছুটে যাবে। স্ত্রী রান্না ঘরে তখন রান্না করছে। সে তার স্ত্রীকে প্রশ্ন করবে, ”আচ্ছা জুলেখা, বলোতো আমার কি নেই?” জুলেখা তার স্বামীকে দেখার জন্য পেছনে তাকাবে। আর চোখ বড় বড় করে অবাক হয়ে বলবে, ”আল্লাহ! তুমিতো কিছুই পরোনি! ছিঃ. . . .” হবু পাগল সাহেব তখন উপরের দিকে তাকিয়ে একটু বুদ্ধিমানের মতো চিন্তা করার চেষ্টা করে বলবে, ”তাইতো. . .”
( বিঃ দ্রঃ দ্বিতীয় লক্ষণটা দয়া করে নিজ দায়িত্বে পড়ুন। খারাপ লাগলে আমাকে দোষারোপ করতে পারবেন না! কিছুটা খারাপ লক্ষণ। তবে আশা করি কেউই ততোটা বাজেভাবে নিবেন না. . .)
২. বাথরুম করার পর পানি ব্যবহার না করে কাপড়-চোপড় পড়ে সে বের হয়ে যাবে। সে এখানে বসবে, ওখানে বসবে, আর বারবার নাক উঁচু করে বলবে, ”গন্ধ আসে কোথা থেকে? কিসের গন্ধ?”
(বিঃ দ্রঃ দ্বিতীয় লক্ষণটা খারাপ লাগলে দয়া করে তৃতীয়টা পরবেন না। এটা একটা অনুরোধ। এইটুকু পর্যন্ত পরে থাকলে ধন্যবাদ। কেটে পরেন।)
৩. প্রথম দুটো লক্ষণের একটা বাজে প্রভাব তার উপর পরতে শুরু করায় সে বাথরুমে বসে নানান রকমের চিন্তাভাবনা করতে শুরু করে এবং একসময় সে সত্যিই পাগল হয়ে যায়। এরপর সে বদনা হাতে বের হয়ে পরেন এবং যাকে সামনে পান তাকেই বলে বসেন ভাই/বোন একটু পানি ঢেলে দেন। আপনাকে অনুরোধ করছি, ”একটু পানি ঢেলে দেন. . .” (কল্পনা করুন, বদনা হাতে একটা লোক দৌড়াচ্ছেন এবং তার পরনে কিছুই নেই, আর বলছেন, ”একটু পানি. . . .”)
৪. চার নম্বরটা আর একদিন বলবো. . .
----------------------------------------------------------------------------------
----------------------------------------------------------------------------------
সময় থাকলে নিচের লেখাটি মনোযোগ সহকারে পড়বেন. . .
ছাত্রসন্ত্রাসীদের দু'পা কেঁটে ফেলা হোক. . . .
Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই জুন, ২০০৯ রাত ১১:৩৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

