পৃথিবীতে মানুষ হইল দুইপ্রকার। একদল শ্যম্পেনের মায়াময় নহর পান করার অধিকারী আর অন্যদল এই সৌভাগ্য থেকে বঞ্চিত! হা হা হা হা!
ভাইজানেরা কখনো শ্যম্পেন পান করেছেন নাকি? আমি কিন্তু ......। শ্যম্পেন খাইতে যে এত মজা, আগে বুঝি নাই!
দয়াল বাবা কেবলা কাবা শ্যম্পেনের কারিগর
শ্যম্পেন বানাইয়া রাখে বোতলের ভিতর!
জাপান দেশে আমার এক বন্ধু বিশাল এক চাকরি পাইয়া খুশিতে কইল যা খাইতে চাই তাই খাওয়াবে! কইলাম খাওয়া দেখি শ্যম্পেন!
যেই কথা সেই কাজ, দুইটি ভিন্ন স্বাদের দুই বোতল শ্যম্পেন, সেই কি বোতলের চেহারা, সেই কি বোতলের মুখ আর কি অপরুপ তার তরলতা!
আহা রে, একেই নাকি বলে শ্যম্পেন.......জীবনে প্রথম এবং, শেষ কিনা জানিনা!!!! স্বর্গে গেলে অবশ্য অনেক শ্যম্পেন পাওয়া যাবে, হতাশ হওয়ার কিছু নাই। স্বর্গের শ্যম্পেনের নহরে নৃত্য করবে আয়না হুরেরা.......সে এক অন্য অনূভূতি! আহা আহা!
আপাতত জীবনের প্রথম শ্যম্পেনের বোতলের ছবিই মূখ্য! ধর্মে নাকি সবকিছুই একবার করে জায়েজ আছে। আকাশে বাতাসে তাই শ্যম্পেনের ছায়া। চোখে সেই স্টিভ ওয়াহ বা রিকি পন্টিং দের ক্রিকেট সিরিজ জয়ের পর শ্যম্পেনের বোতল খোলার মূহুর্ত!
সখী শ্যম্পেন কাহারে বলে? এ যেন জীবনে প্রথম তাজমহলের সামনে দাড়ানো, এ যেন প্রথম স্কুল পালানো, এ যেন প্রথম প্রেম হারানো, এ যেন জীবনে প্রথম কবিতা প্রসব করানো!
সেই বোতলের মুখে আন্ধা গিট্টু মারা ছিপি, খুলিতে যাইয়া কত চাপাচাপি! শ্যম্পেন বলে কথা, আর আমরাও ডিজিটাল যুগের মাথা! ইন্টারনেট থেকে শিখে ফেলা হলো কিভাবে খুলিতে হবে বোতলের ছিপি! বহু মাতামাতি আর কেরামতি করে ছিপি খুলতেই, ওমা একি? বেরিয়ে এলো যেন আলাউদ্দিনের চেরাগ, ছিপি উড়ে গেল বুলেটের মতো..... না কেউ আহত হয় নি, কিন্তু আত্তা উড়ে গেল যেন! ওয়াও ছড়িয়ে পড়ছে শ্যম্পেনের নহর, অপরুপ প্লাবন! গ্লাস গ্লাসে ঝংকার, না যেন তেন গ্লাস নয়, শ্যম্পেন খাওয়ার জন্য, হ্যা শুধু শ্যম্পেন খাওয়ার জন্যই আমার বন্ধু আজই ক্রয় করেছে অন্যরকম এই ডিজিটাল গ্লাস.... মেড ইন জাপান! কাম্পাই কাম্পাই, জীবনের চাকা ঘোরে হাওয়ায় হাওয়ায়! চুমুকে চুমুকে স্বর্গসুখ, এ যেন দুধের নহর, মধুর নহর পেরিয়ে স্বর্গের সেই সরাবের নহর। এক চুমুকে সাধু-দুই চুমুকে সন্নাসী, তিন চুমুকে দেখা যায় আয়না হুরের হাসি!! ওহে মানবজাতি, স্বর্গের রুপ যদি দেখিবারও চাও, তবে এসো এসো এ নহর করো পান, করো পান! মেলো মেলো আখি, দেখো দেখো চাহি, গাও স্বর্গের গান, করো করো এ নহর পান!
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ২:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



