অমরত্ব
যৌবনের পিঠে ঘোড় সওয়ার হয়ে
দাপিয়ে ছুটেছি দিগ্বিদিক, ছোটার নেশায় মত্ত আমি
কখনো পিছু ফিরে দেখিনি- কে রয়ে গেল পিছনে।
জীবন নামের ঘোড়াটা এখন অনেকটাই ক্লান্ত-
ক্লান্ত আমিও, তাই হঠাৎ পিছন ফিরে দেখি,
ধীর গতির বার্ধক্য নামের কচ্ছপটাও আমাকে প্রায় ছুঁই ছুঁই।
অথচ প্রবল প্রতাপশালী যৌবনের দাপটে কঠিন জ্বরাব্যধি
যারা একসময় ত্রিসীমানায় ঘেঁষতে সাহস পায়নি,
আজ সামান্য সর্দিকাশিও দেখি
বুকের আঙ্গিনায় করে সশব্দ বিচরণ।
অহংকারের বন্দুক আজ কার্তুজবিহীন,
শীতপাখীরা দল বেঁধে নির্ভয়ে উড়ে যায় নাগালের মধ্যেই।
নিঝুম দ্বীপ কিংবা দুবলার চর আর হাতছানি দিয়ে ডাকেনা।
চারিপাশে এখনো ঘন সবুজের প্রলেপ,
আমিই শুধু শুকনো পাতার মতো বিবর্ণ প্রায়।
মনে মনে আজ আমি যাযাবর এই বিস্তীর্ণ জনপদে,
হাজারো মানুষের কোলাহলে মুখরিত এই নগরী
আজ যেন পিরামিডের মতোই রহস্যে ঘেরা এক অতীত।
আজ আমারও মমি হবার তীব্র বাসনা,
আমিও ফিনিক্স পাখীর মতো এক থেকে একাধিক,
শতাধিক, সহস্রাধিকবার জন্ম নিতে চাই এই পৃথিবীর বুকে।
আজ আমি অমরত্ব খুঁজি নিকষিত সায়াহ্নে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

