প্রত্যাশা
জানতে কি ইচ্ছে হয়না কখনো?
প্রত্যাশার সূর্যটা কেন অস্তমিত বেলা না ফুরোতেই!
দারিদ্ররেখা টানতে টানতে ক্লান্ত শরীরটা
প্রতিনিয়ত শ্বাসকষ্টে ভোগে। ধোঁয়াচ্ছান্ন ভোরে
চোখ কচলাতে কচলাতে সূর্যটা কেবলি ভাবে
স্যাঁতসেঁতে এই নোংরা গলিতে
একটিবারের জন্য উঁকি দেবে কিনা!
আমি বঞ্চনার চাদর মুড়ি দিয়ে গুটিশুটি পড়ে থাকি
সুষম এক ভোরের অপেক্ষায়। তোমার জ্বলজ্বলে মুখচ্ছবি
ভাঙ্গা মনের আয়নায় যেদিন দাগ কেটেছিল
কোন এক মন্বন্তরের বিকেলে, সেদিন থেকেই-
এক পুঁজিবাদী স্বপ্ন লালন করে আসছি বুভুক্ষ হৃদয়ে।
মিলিটারির বুটের শব্দ যেমন হাঁড়-পাঁজড়ে কাঁপন তোলে,
আমিও তেমনি কেঁপে উঠি- তোমার ছোঁয়ায়, হাতে অস্ত্র পেলে,
বারুদের গন্ধ পেলে। আমি বিষ্ফোরণোন্মুখ এক বোমারু ভ্রুণ
তোমার গর্ভে লুকিয়ে আছি; তোমার প্রসবকালীন ব্যথার কথা
ভেবেই আত্মগোপন করে আছি। আর কতকাল তোমার জরায়ূ
আমাকে সামলাবে? আমার জন্ম মানেই এক মহাপ্রলয়ের জন্ম,
আমার কপালে ঈশ্বর এঁকে দিয়েছেন সমাজ বদলের তিলক।
অসুর বধে আমি হতে চাই তোমার আশীর্বাদপুষ্ট
এক যোগ্য সম্তান। তোমার হাতের খড়গে
আমার জন্মগত অধিকার।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



