আমার প্রিয় পোস্ট
- জগজিত সিং এর অমর কীর্তি - ৭৬ টি এ্যালবাম একসাথে (আমার আপলোড করা) - কবির চৌধুরী
- সুরা বুরুজ (আয়াত:৮-২২): ফেরাউন ও সামূদের 'সেনাদলের' খবর : যারা দলীয় শক্তির জোরে জুলুমের রাজত্ব কায়েম করেছিল - রংধনুর সাত রঙ
- যারা অনুবাদকৃত কোরআন এবং অন্যান্য ধর্মগ্রন্থের ভালো WebSite Link চান, তাদের জন্য

- কঠিন চিজ
- মুসলিমদের সংযত আচরণ - মেরিনার
- কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ দোয়া - শাফি উদ্দীন
- যন্ত্র গণকের যন্তর মন্তর - ১ - রাগিব
- দুর্গা ধ্রুবক - পগলা জগাই
- অফেন্ডিং শেখ মুজিব-১ : ২৫ মার্চ , ১৯৭১ , টাইম ম্যাগাজিনের অদ্ভুত তথ্য - দাসত্ব
- গণিতে আনন্দ! (পর্ব-১০) - মাহমুদহাসান


নেট স্প্রীড বেশি থাকলে আসুন অনলাইনে টিভি দেখি


- বাংলা মাহবুব
- কম্পিউটার এর ইংলিশ টু ইংলিশ ,ইংলিশ টু বাংলা Dictionary এর প্রয়োজনীয় লিঙ্ক:





- টিপস ম্যান
- youtube থেকে ভিডিও Download without software - মেঘেরদেশ
- ১ম থেকে ৮ম শ্রেণীর বই ডাউনলোড করুন। - মেঘের পরে মেঘ
- ধুমাইয়া ডাউনলোডান from youtube, metacafe, dailymotion, ifilm bla bla without any software
- ফেরারী...
- “১৫৩” একটি অবাক করা সংখ্যা - পগলা জগাই
- সমুদ্রের বাঁধ ও কুরআন - মুশফিক- রহমান
- নতুন ব্লাগার যারা এখনো ১ম পেজে এক্সেস পাননি... - জীবনানন্দদাশের ছায়া
- বিনামূল্যে পড়ুন MIT (Massachusetts Institute of Technology) তে - আলামিনস্টাইন
- একজন প্রবাসী কীর্তিমান ◄► সৈয়দ মাহফুজুল আজিজ ►একটি আশাজাগানিয়া গল্প - অক্টোপাস
- ক্রিকেট জগতের সেরা কিছু ঘটনা দেখুন। - বাহারুল ইসলাম বাহার
- আশ্চর্য! একটি সংখ্যা ৬৬৬...... - পগলা জগাই
- অলৌকিক সংখ্যাতত্ত্বের ব্যবচ্ছেদ বা সংখ্যাতাত্ত্বিক মিল সন্ধানের প্রকৃতি ও মানদন্ড - মাসুদুল হক
- Click this Link - মাহফুজশান্ত
- আলর্বাট আইনস্টাইনরে মজার উক্তি - মুম রহমান
- বৃষ্টি বিলাসঃ বৃষ্টি দিনের গানের অনলাইন সংগ্রহ। (প্রথম কিস্তিঃ৬০ টি গানের ডাউনলোড লিংক) - এ. এস. এম. রাহাত খান
- ব্লক বা ব্যান হওয়া সাইট যেভাবে ভিজিট করবেন - ত্রিভুজ
- ভয়ঙ্কর এক সংখ্যার জন্ম, নিষ্ঠুর এক খুনের গল্প (শেষ পর্ব) - ম্যাভেরিক
- ভয়ঙ্কর এক সংখ্যার জন্ম, নিষ্ঠুর এক খুনের গল্প - ম্যাভেরিক
- ভয়ঙ্কর এক সংখ্যার জন্ম, নিষ্ঠুর এক খুনের গল্প (২) - ম্যাভেরিক
নাস্তিক প্রফেসর বনাম আস্তিক ছাত্র দেখুন কে কার হাতে নাস্তানাবুদ হয়।
০৮ ই জুন, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৪
সাইকোলজির প্রফেসরের (নাম বলছি না) আজ মেজাজ খুব ফরফুরে।প্রথম সারিতে একজন নতুন ছাত্র দেখে তিনি তাকে দাড় করালেন।
প্রফেসরঃ তুমি কি গড এ বিশ্বাস কর?
ছাত্রঃ অবশ্যই স্যার।
প্রফেসরঃ গড কি ভাল ?
ছাত্রঃ অবশ্যই
প্রফেসরঃ গড কি সর্বশক্তিমান?
অবশ্যই
প্রফেসরঃ আমার ভাই ক্যানসারে মারা গেছে যদিও সে গড এর কাছে নিরাময় চেয়েছিল। আমরা প্রায় সবাই অন্যের অসুখ বিসুখে সাহায্য করি, কিন্তু গড তা করেনি। এর পরও কি তুমি বলবে গড ভাল ?
ছাত্র নিশ্চুপ।
প্রফেসরঃ তোমার কোন উত্তর নেই তাইতো ? ওকে, এসো আমরা আবার শুরু করি।গড কি ভাল ?
ছাত্রঃ অবশ্যই
প্রফেসরঃ শয়তান কি ভাল ?
ছাত্রঃ না।
প্রফেসরঃ শয়তান কোথা থেকে এসেছে ?
ছাত্রঃ গড থেকে।
প্রফেসরঃ তাহলে বৎস, বল জগতে এভিল বলে কিছু আছে কি?
ছাত্রঃ জ্বী আছে।
প্রফেসরঃ এভিল সর্বত্রই আছে, তাইনা ? এবং গড সব কিছু তৈরী করেছে।
ছাত্রঃ জ্বী
প্রফেসরঃ তাহলে এভিল কে তৈরী করেছে?
ছাত্র নিশ্চুপ।
প্রফেসরঃ হিংসা, বিদ্বেষ, অসুস্থতা, মৃত্যু, এসব কিছই জগতে আছে, তাই নয় কি ?
ছাত্রঃ জ্বী।
প্রফেসরঃ এসব কে তৈরী করেছে ?
ছাত্র নিশ্চুপ।
প্রফেসরঃ বিজ্ঞান বলে যে, তোমার পাচটি ইন্দ্রিয় রয়েছে যা তুমি জগতের সব বস্তুকে সনাক্ত করতে ব্যবহার কর। এখন বল তুমি কি গডকে দেখেছ ?
ছাত্রঃ না স্যার।
প্রফেসরঃ তুমি কি গডের কথা শুনেছ?
ছাত্রঃ না স্যার।
প্রফেসরঃ তুমি কি গডের স্বাদ গন্ধ কখনও অনুভব করেছ ?
ছাত্রঃ না স্যার।
প্রফেসরঃ এর পরও কি তুমি গড কে বিশ্বাস কর ?
ছাত্রঃ জ্বী।
প্রফেসরঃ পরীক্ষাগারে ব প্রফেসরঃ বলো, অনুভবে বলো প্রদর্শনে বলো , বিজ্ঞান বলে গডের কোন অস্তিত্ব নেই। তুমি একে কি বলবে ?
ছাত্রঃ কিছুই না। আমার শুধু বিশ্বাস আছে।
প্রফেসরঃ হ্যা। এখানেই বিজ্ঞানের সমস্যা।
ছাত্রঃ আচ্ছা স্যার, তাপ বলে কিছু আছে কি?
প্রফেসরঃ হ্যা।
ছাত্রঃ ঠান্ডা ?
প্রফেসরঃ হ্যা।
ছাত্রঃ না স্যার এগুলির কোনটিই নেই।
(ঘটনার পট পরিবর্তনে সারা রুম চুপ হয়ে গেল।)
ছাত্রঃ স্যার, আপনি অনেক ধরনের তাপ পেতে পারেন, কম তাপ, বেশী তাপ বা আরো বেশী, কিন্তু ঠান্ডা বলে কিছু নেই।আমরা ৪৫৮ ডিগ্রীর নীচে তাপমাত্রায় যেতে পারি না।তাপের অনুপস্থিতিকেই আমরা ঠান্ডা বলি। আমরা ঠান্ডা মাপি না, তাপই মাপি।তাপই শক্তি। ঠান্ডা আলাদা কিছু নয়, এটি তপের অনুপস্থিতি মাত্র।
(ক্লাসরুমে তখন পিন পতন নীরবতা।)
ছাত্রঃ আচ্ছা স্যার, অন্ধকার কি?
অন্ধকার বলে কিছু আছে কি ?
প্রফেসরঃ অবশ্যই, অন্ধকার না থাকলে রাত আসে কিভাবে?
ছাত্রঃ আপনি আবার ভুল করলেন, প্রফেসর। অন্ধকার আলোর অনুপস্থিতি মাত্র। আপনি কম আলো, বেশী আলো ঝাপসা আলো, এসব বলতেই পারেন, কিন্তু কোন আলো না থাকলেই আমরা অন্ধকার বলি।আলো একবারেই না থাকলে অন্ধকারকে আরো তীব্র করা সম্ভব নয়।
প্রফেসরঃ এসব বলে তুমি কি বুঝাতে চায়ছো ?
ছাত্রঃ আমি আসলে আপনার ফিলোসফি থেকেই একটা সিদ্ধান্তে পৌছাতে চাচ্ছি।
প্রফেসরঃ কি সিদ্ধান্ত?
ছাত্রঃ স্যার আপনি দৈত নীতি অনুসরণ করছেন।আপনি একই সাথে জন্ম মৃত্যু ভাল গড, খারাপ গড এর অস্তিত্বের যুক্তি দিচ্ছেন।আপনি গডকে সসীম পরিমাপযোগ্য রাশি মনে করছেন।স্যার বিজ্ঞান কখনও চিন্তা ও চেতনা কে পরিমাপ করতে পারেনা। বিজ্ঞান ইলেকট্রিসিটি ম্যাগনেটিজম ব্যবহার করে কিন্তু কখনও এগুলি ধেখা যায়না এবং খুব কমই অনুভব করা যায়।
এখন প্রফেসর,আপনি বলুন, আপনি কি আপনার ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা দেন যে, মানুষ বানর থেকে এসেছে?
প্রফেসরঃ অবশ্যই । তুমি যদি জৈবণিক বিবর্তনবাদ দেখ তাহলে তো তাই স্বীকার করবে।
ছাত্রঃ এই বিবর্তন কি আপনি চোখে দেখেছেন ?
(প্রফেসর আস্তে আস্তে বুঝতে পারছিলেন তর্কটি কোন দিকে যাচ্ছে।)
যেহেতু কেউ বিবর্তনবাদ কেউ দেখেনি এবং কেউ ল্যাবরেটরীতে প্রমাণও করতে পারেনি, তাহলে কি ধরে নেব আপনি শুধু আপনার বিশ্বাসটাই প্রচার করছেন।আপনি কি একজন বিজ্ঞানী নাকি একজন প্রচারক ?
পুরো ক্লাস হঠাৎ হাসিতে ফেটে পড়ল।
ছাত্রঃ এই ক্লাসে কি এমন কেউ আছো যে প্রফেসরের ব্রেইন দেখেছো ?
পুরো ক্লাস আবার হাসিতে ফেটে পড়ল।
এই ক্লাসে কি এমন কেউ আছো যে প্রফেসরের ব্রেইন শুনেছো অনুভব করেছো, স্পর্শ করেছো অথবা স্বাদ গ্রহণ করেছো?
এমন কেউই নেই যে তা করেছে। সুতরাং বিজ্ঞানের স্বীকৃত নিয়ম অনুযায়ী প্রফেসরের কোন ব্রেইন নেই।
With all due respect, sir, how do we then trust your lectures, sir?
পুরো ক্লাস চুপ। প্রফেসর এক পলকে ছাত্রের দিকে তাকিয়ে রইল।
প্রফেসরঃ আমি মনে করি আমার ব্রেইনকে তোমার বিশ্বাস করা উচিত।
আমিও এটাই বলছিলাম, মানুষ এবং গডের মধ্যে সম্পর্কটা বিশ্বাসের।এটাই বিশ্বাসীদের বাচিয়ে রেখেছে।
বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
মনিরুল হাসান বলেছেন:
অনেকগুলি প্লাস দিতে ইচ্ছে করছে। অনেকগুলি দেয়া যাচ্ছে না বলে শুধু একটাই দিলাম। দারুণ হয়েছে।
বাহারুল ইসলাম বাহার বলেছেন:
দারুন।+
জিকসেস বলেছেন:
হা হা হা
রিয়াজ় ইমরান বলেছেন:
সত্যিই অসাধারণ । প্লাস প্লাস প্লাস
আসিফ আহমেদ মামুন বলেছেন:
অসাধারণ
আসিফ আহমেদ মামুন বলেছেন:
অসাধারণ
ওরাকল বলেছেন:
দারুন।
বাদশািমন্টু বলেছেন:
মাথায় ব্রেন নাই....আমার খালি খালি বক বক শুনতে ভালো লাগেনা .... সাইকোলজি বুঝি না । সোজা বাংলায় বুঝি... গড আছেন... আমার বিশ্বাস.... কি ঠিক বুঝছি তো?
নাক বলেছেন:
রিয়াজ় ইমরান বলেছেন: সত্যিই অসাধারণ । প্লাস প্লাস প্লাসআসিফ আহমেদ মামুন বলেছেন: অসাধারণ
জিকসেস বলেছেন: হা হা হা
turborx15 বলেছেন: অসাধারন
বাহারুল ইসলাম বাহার বলেছেন: দারুন।+
অনাবিল বলেছেন: অসাধারন!!
মনিরুল হাসান বলেছেন: অনেকগুলি প্লাস দিতে ইচ্ছে করছে। অনেকগুলি দেয়া যাচ্ছে না বলে শুধু একটাই দিলাম। দারুণ হয়েছে।
ShusthoChinta বলেছেন:
অসাধারন! শুধু প্লাস দেওয়া আর শোকেসে নেওয়ার জন্য লগইন করলাম, আগেও এ বিষয়গুলো দেখেছি কিন্তু এত বিস্তারিত না। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ!
আরিফুর রহমান বলেছেন:
ভন্ডামির নমূনা: আপনি কি আপনার ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা দেন যে, মানুষ বানর থেকে এসেছে? প্রফেসরঃ অবশ্যই । তুমি যদি জৈবণিক বিবর্তনবাদ দেখ তাহলে তো তাই স্বীকার করবে।
অথবা...
যেহেতু কেউ বিবর্তনবাদ কেউ দেখেনি এবং কেউ ল্যাবরেটরীতে প্রমাণও করতে পারেনি,
যদি সত্যই এই 'প্রফেসর' এই ধরনের আলাপ দিয়ে থাকে, তাহলে সে হয় সার্টিফিকেট জাল করেছে, নয়তো বিক্রি হয়ে গেছে ছৌদি ড়িয়াল / ইটালীয়ান লিড়ার কাছে। কারন সে মিথ্যা তথ্য দিচ্ছে...
সত্য হলো...
মানুষ এবং বানর একই পূর্বপূরুষ হতে আগত..
বিস্তারিত দেখুন..

আর ল্যাবে বিবর্তন প্রমাণ অবশ্যই করা যায়, অসংখ্য বার হয়েছে..
এখানে দেখুন... বিবর্তন সম্পর্কে পাঁচটি মিথ্যা প্রচার..
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন:
লিংক কই? সূত্র নাই? এইসব দিয়া আল্লাহরে মানাইতে চান!!!!--------------------------
এইরকমইতো হবার কথা তাদের জিজ্ঞাসা নাকি!!!
+
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন:
@ আরিফূরের লেঞ্জা দেখা যায়... থুক্কু...বিবর্তনবাদের ফটোক দিছে... এইবার কই যাইবা বাছাধন
হু হু উনি উনার বাবা, দাদা, তার বাবা, ১৪ পুরুষ.. তারও আগে... খ্রীষ্টপূর্ব কত লক্ষ বা কোটি বছর আগে এইটা ঘটছিল???
আর তারপরে এখন পর্যন্ত ২০১০ এর মইধ্যে একটা ঘটনাও আর ঘটনালা কেন??? তাইতো.. এইটা কেমন থিউরি.. যা আকস্মিক বা মাত্র একবার ঘটে আর ঘটে না বা একই নিয়ম পুন পুন অনুসৃত হয়না.. ??
তাইলে এইঠা মুনে হয় মিরাক্কল!!!!
তবে কি মাঞ্জা মাইরা গাঞ্জা খাইয়া দেখা স্বপ্ন !!....
গুরু গোলাপ বলেছেন:
মানুষ এবং গডের মধ্যে সম্পর্কটা বিশ্বাসের।এটাই বিশ্বাসীদের বাচিয়ে রেখেছে।
মাছুম আহমদ বলেছেন:
Thanx
অলস বালক বলেছেন:
বিবর্তন একটি প্রমাণিত সত্য।আমাদের দেশে এটা খুব একটা পড়ানো হয়না দেখে অনেকগুলো ভুল ধারণা জন্ম নিয়েছে।সঠিক শিক্ষার মাধ্যমেই কেবল এটা দূর করা সম্ভব
ঊষালগ্ন হুতাশন বলেছেন:
এচলামী কাহানী বলে কথা, প্রফেসরকে তো গাধা বানিয়েই লিখতে হবে।না হলে জমবে কেনো?
এচলামী ইতরামীর আবালীয় যুক্তিতে প্রফেসরকে কাবু করতে হবে তো।
টাইটেল যখন প্রফেসর দিছেন, ভেতোরেও প্রফেসর দিতেন।
মুনতা বলেছেন:
সরাসরি প্রিয়তে। সেইরকম পোস্ট।বিবর্তনবাদ বিষয়ে ১ বার এই পোস্টটা পড়েছিলাম।
বিবর্তনবাদ কতটা প্রমাণিত দেখতে পাবেন।
শৈল্পিক ভাবনা বলেছেন:
Awesome.
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন:
অসাধারণ। আল্লাহ আপনার লেখনি শক্তি আরো বৃদ্ধি করে দিন। +++++++++++
ShusthoChinta বলেছেন:
বানরের বংশধরদের সংখ্যা আশংকাজনক হারে বাড়ি চলিয়াছে চলমান এই পোষ্টে,তাহাদেরকে খেদাইয়া দেওয়া উচিত! যাও বাবারা তোমরা তোমাদের ল্যান্জ্ঞা গাছের ডালে বাইন্ধা ঝুলতে থাকো আর কলা চাবাওগা!
শৈল্পিক ভাবনা বলেছেন:
2 bandorer LEJ dekha jai.
নাক বলেছেন:
অলস বালক বলেছেন: বিবর্তন একটি প্রমাণিত সত্য।প্রমাণ চাই?????????
গায়ের জোরে প্রমাণ করা যায় না সায়েন্স টেষ্ট চায় আর টেষ্টের রেজাল্ট অনুযায়ী কথা বলে । অনুমান ভিত্তিক নয়। প্রমাণ দিন।
কার্টুন বলেছেন:
অনেকগুলি প্লাস দিতে ইচ্ছে করছে। অনেকগুলি দেয়া যাচ্ছে না বলে শুধু একটাই দিলাম। দারুণ
মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক বলেছেন:
বিবর্তনবাদ অনুসারে মানুষ বানর হতে যদি আসেও সেই বানরকে কে সৃষ্টি করেছে? কে উ যদি না করে থাকে তাহলে সে তো আর নিজেকে নিজে সৃষিট করে নাই। যদি বলেন, প্রকৃতি করেছে তাহলে প্রশ্ন হলো প্রকৃতি বলতে আপনি কি বুঝেন ? দয়া করে প্রকৃতির এমন কোনো বৈশিষ্ট্য বলবেন না যা ঈশ্বরের সমার্থক হয়। ‘প্রকৃতি’র নির্বাচন জাতীয় কথা কিন্তু প্রকৃতিকে ঈশ্বরের স্থানে বসায়। এ ক্ষেত্রে প্রকৃতি বলুন আর ঈশ্বর বলুন - একই কথা। কি বলেন?
ShusthoChinta বলেছেন:
হাই বান্দরের বংশধরেরা! প্রফেসরের দোষ না দিয়া তোমরা যুক্তিগুলোর বিরুদ্ধে যুক্তি খাড়া কর তাইলে ভালো দেখায়!
সালাহ উদ্দিন০০৭ বলেছেন:
ShusthoChinta বলেছেন: বানরের বংশধরদের সংখ্যা আশংকাজনক হারে বাড়ি চলিয়াছে চলমান এই পোষ্টে,তাহাদেরকে খেদাইয়া দেওয়া উচিত! যাও বাবারা তোমরা তোমাদের ল্যান্জ্ঞা গাছের ডালে বাইন্ধা ঝুলতে থাকো আর কলা চাবাওগা............
amhabib বলেছেন:
অনেকগুলি প্লাস দিতে ইচ্ছে করছে। অনেকগুলি দেয়া যাচ্ছে না বলে শুধু একটাই দিলাম। দারুণ হয়েছে।
ShusthoChinta বলেছেন:
অলস বান্দর থুক্কু বালক! আপনাকে বলছি,বিবর্তনবাদের বিরোধিতা বা ভিন্নমতও তো অনেক বিজ্ঞানী পোষন করেছেন,সেগুলো তো আপনারা কোন সময় উল্লেখ করেন না! শুধু ডারউইন বা তার মতবাদ সমর্থনকারী বিজ্ঞানীদের মতবাদ প্রচার করতে আগ্রহী কেন? তাহলে কি ধরে নেয়ওয়া যায় আপনি জোর করেই বানরের বংশধর হতে চান? আপনি যদি বানরের বংশধর হিসেবে গর্ববোধ করেন তাইলে অবশ্য আমাদের আপত্তি নাই!
রাজুবিডি বলেছেন:
@আরিফুর রহমান আপনি বিজ্ঞানের এত বড় প্রচারক! নিজে কি আবিস্কার করছেন তা জনলে জাতি উপকৃত হইত। আপনি একজন মানসিক রোগী তাতে কোন সন্দেহ নেই। এ পর্যন্ত আপনার কতগুলো পোস্ট সামু ব্যান করছে বলতে পারেন? পোস্টে প্লাস.
ShusthoChinta বলেছেন:
আরে অলস বান্দরেরা সব গেল কই! এত অলস হইলে কি চলে!
ShusthoChinta বলেছেন:
আরে অলস বান্দরেরা সব গেল কই! এত অলস হইলে কি চলে!
আরিফুর রহমান বলেছেন:
আমি বিজ্ঞানের ছাত্র। আর বিজ্ঞান বুঝতে হলে সবারই বিজ্ঞানী হতে হয় না। তবে বিজ্ঞান মনষ্ক হওয়া বাঞ্ছনীয়। যেটা আপনি নন, @রাজুবিডি।
(আর যতো বেশি বিজ্ঞানমনষ্ক হবে নতুন প্রজন্ম, ততো বেশি আপনার মতো মানসিক রোগের 'ডাক্তার' কমবে, আশা করি)
দ্যা ডেডলক বলেছেন:
জটিল বস জটিল , মাইনাস দিছে কারা ???
ShusthoChinta বলেছেন:
আরিফুর রহমান নামক নিকের এই ব্লগার এত জঘন্য যা ভাষায় প্রকাশ করার মত না! একে ইগনোর করা উচিত,এই লোকটা ব্লগ অপবিত্র করার জন্যই ব্লগে আসে
মঈনউদ্দিন বলেছেন:
দারুন হয়েছে +++++++++++++++++++++++++++++++++++
ShusthoChinta বলেছেন:
@আ র, খালি কয়েকটা ছবি দিয়েই বিবর্তনবাদের মত বিষয়কে প্রমাণ করতে চান,আজব তো!
মাইক্রোম্যান বলেছেন:
কি বলব ভাই! আমরা বুঝবনা বলেই মাঠে নেমেছি। আমাদের বোঝায় কে? এক শেয়াল ডেকেছে, বহু শেয়াল এসে হাজির হয়েছে। তাইতো হয়। আরিফুর রহমান ভাইয়েরা শুধুই অপমান হয়। সত্য সত্যই। বিবর্তন বাদ দিলে মেডিকেল সাইয়েন্সকে শত বছর পিছিয়ে যেতে হবে সেটা আমরা ক'জন জানি?
অলস বালক বলেছেন:
@ShusthoChinta : ব্যক্তিগত আক্রমণ যখন করলেনই,তখন বলেই ফেলি,আপনার নিক চেনজ করে অসুস্থ চিন্তা রাখুন,আপনার চরিত্রের সাথে ভাল মানাবে। কোন বিষয় নিয়ে তর্ক করতে গেলে তার সম্পর্কে ধারণা থাকা লাগে,যা আপনার নেই।মানুষের বিবর্তন বানর থেকে হয়নি।বিবর্তনবাদ অনুসারে বানর আর মানুষ একই পূর্বপুরুষ থেকে এসেছে।তবে মানুষের সবচেয়ে কাছের আত্মীয় শিম্পাঞ্জী(DNA প্রায় ৯৮% মিলে)।অবশ্য আমার সন্দেহ আছে আপনি আদৌ DNA কি তা জানেন কিনা।
@মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক: জীবের উৎপত্তি নিয়ে বিবর্তনবাদ আলোচনা করেনা।বিবর্তনবাদের আলোচ্য বিষয় হচ্ছে প্রজাতির উদ্ভব এবং বিবর্তন।ধন্যবাদ
হোরাস্ বলেছেন:
"সাইকোলজির প্রফেসরের (নাম বলছি না) আজ মেজাজ খুব ফরফুরে"এটা দ্বারা কি বুঝাতে চাইলেন? ঘটনাটা আপনার জীবনে ঘটেছে?
এই মাল সামুতেই আরও কয়েকবার পোস্ট্ হইছে। ইন্টারনেটেও ইংরেজী সংস্করণ বহু বছর ধরেই আছে। কপি পেস্ট লেখার আগে একটু কৃতজ্ঞতা স্বীকার করা উচিৎ। নাইলে এটাকে সোজা বাংলায় চুরি করা লেখা বলা যেতে পারে।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
@(অ)সুস্থচিন্তা,আমার মন্তব্যের মূল উদ্দেশ্য বিবর্তনবাদ প্রমাণ করা নয়।
যে মিথ্যার ভিত্তির উপর এই পোস্ট দাড়িয়ে আছে, তার স্বরূপ উদঘাটনই ছিলো আমার মন্তব্যগুলির কারন।
ShusthoChinta বলেছেন:
@অলস বালক,আমি তেমন কোন ব্যাক্তি আক্রমণ করিনি! আপনারা বানর নিয়ে অতিরিক্ত লাফাচ্ছিলেন তাই ওভাবে সম্বোধন করেছি NOT ANYMORE! আপনি নিজেতো বাজেভাবে আক্রমণ করলেন! আপনি আমার সম্বন্ধে কতটুকু জানেন যে DNA সম্বন্ধে জানিনা! আপনারা আসলে এমনই তাইনা?
আরিফুর রহমান বলেছেন:
@ShusthoChinta,'অতিরিক্ত লাফানো' দিয়ে কি বোঝাতে চাইলেন?
একটা মিথ্যা ভরা পোস্ট দেয়া হয়েছে, যদি ডিএনএ, বিবর্তনবাদ জেনেই থাকেন, তবে সেই মিথ্যা কে প্রতিরোধ না করে, যারা তথ্য, প্রমাণ ও সুত্র নিয়ে কমেন্ট করছে, তাদের উপর এ ধরনের আক্রমনের কারন কি?
আর এই মিথ্যা পোস্টদাতার বিরূদ্ধে কোনো কথাই বলছেন না যে?
অলস বালক বলেছেন:
@ShusthoChinta : আমি কোথায় বানর নিয়ে লাফালাম,দেখান।আক্রমণ করেননি?আপনার আগের কমেন্টগুলো আরেকবার পড়ুন।
আরেকটা কথা,এটাই আমার শেষ কমেন্ট,কারণ আপনার মত অর্ধশিক্ষিত মানুষের সাথে তর্ক করে সময় নষ্ট করতে চাইনা।একটা উপদেশ দিয়ে যাই,বেশি বেশি পড়ুন এবং জানুন।আর একটু ভদ্র হওয়ার চেষ্টা করুন
ShusthoChinta বলেছেন:
আমি বিবর্তনবাদকে পুরোপুরি অস্বীকার করিনা,কিন্তু এটি নিছক একটি বৈজ্ঞানিক মতবাদ,যতই ল্যাবে প্রমাণ করা হোক না কেন এটি ভুল হতে পারে।তাছাড়া এর বিরুদ্ধ মতও রয়েছে,শুধু একচোখা কেন আপনারা? আর সর্বোপরি আমি মুসলিম,যা ইসলামের সাথে সাংঘর্ষিক তা আমার পহ্মে অসম্ভব! মনে রাখবেন বৈজ্ঞানিক কোন থিওরিই অকাট্য নির্ভুল নয়,নিয়ত পরিবর্তনশীল অথচ ইসলামকে আমি অকাট্য নির্ভুল খোদাপ্রদত্ত বলে বিশ্বাস করি!
সাগর ঢাকা বলেছেন:
নেট থেকে কিছু কপি করলে সেটার সুত্র উল্লেখ করতে হয়....না হলে মনে হয় মৌলিক লেখা , তাই না?
অক্টোপাস বলেছেন:
ছাগফুরের পূর্বপুরুষ বান্দর ছিলো !!!!:
ফডু দেইখা তো সেটাই মনে হয়। বান্দরের বংশধরটা ব্লক কইরা দিছে আমারে!!
হোরাস্ বলেছেন:
ShusthoChinta বলেছেন:মনে রাখবেন বৈজ্ঞানিক কোন থিওরিই অকাট্য নির্ভুল নয়,নিয়ত পরিবর্তনশীল অথচ ইসলামকে আমি অকাট্য নির্ভুল খোদাপ্রদত্ত বলে বিশ্বাস করি!এই পাগোলরে বিজ্ঞান শেখাবে কে? যে বিশ্বাসকে মনে করে অকাট্য এবং নির্ভুল আর বিজ্ঞানের সব তত্বকে বলে অকাট্য না।
'লেনিন' বলেছেন:
হোরাস যেটা বললো সেটা আমি কমেন্ট করতে যাচ্ছিলাম। বুঝলাম গল্পটায়/সংলাপটায় নিজে কিছুটা মুন্সীয়ানা ঘটিয়েছেন, কিন্তু কোথায় পেয়েছেন বা আপনার নিজের সাইকোলজীর টিচার যে না তা তো সত্যি?মিথ্যা িদয়েই শুরু করলেন পোস্ট! এই পোস্টের পুরো সংলাপ(কিছুটা অন্যরকম হতে পারে) সামুতেই অনেকবার অনেকে পোস্ট করেছে!
হায় ঈশ্বর! বলেছেন:
এইসব পোষ্ট কেনো যে দেয় আবাল গুলো .ধর্ম কে অনেক ভালো ভাবে ডিফেন্ড করা যায় . এইসব কথা বরং ধর্মের জন্যে অবমাননা . বেশিরভাগ আস্তিক দের একটা সমস্যা হলো তারা না জেনেই আস্তিক . ধর্ম তাদের চিন্তার মুক্তি রুদ্ধ করে দেয়
আরিফুর রহমান বলেছেন:
হোরাসের ৫৫ নং কমেন্ট পড়ে ক'দিন আগে ধর্মকারীতে দেখা একটা পোস্টের কথা মনে পড়ে গেলো। এখানে দিয়ে দিলাম।
বিশ্বাসীরা বলে, শুধু একবার বিশ্বাস করে দ্যাখো, ধর্ম সত্য হয়ে উঠবে তোমার কাছে।
কী কুৎসিত যুক্তি!
যদি বিশ্বাস করি, "হাঁসেরা সবুজ", হাঁসেরা কি তাহলে সবুজ হয়ে যায়?
যদি বিশ্বাস করি "আমি রাজপুত্র", আমি কি তাহলে রাজপুত্র বনে যাই?
যদি কোনও ধর্মে বিশ্বাস করি, তাহলেই কি ধর্ম সত্য হয়ে যায়?
ShusthoChinta বলেছেন:
হ্যা,আমি আমার বিশ্বাসকেই নির্ভুল মনে কারণ আমি মুসলীম। আর একসময় আমিও সাইন্সেরই ছাত্র ছিলাম, হয়তো বিজ্ঞানে গভীর জ্ঞান আমার নেই,কিন্তু এটুকু জানি বিজ্ঞানের কোন বিষয় প্রমান করার কোন পদ্ধতিই সম্পুর্ণ নির্ভুল নয়। উদাহরণস্বরুপ ফসিল থেকে পাওয়া প্রাণীর বয়স জন্য ব্যবহ্রত রেডিও কার্বন ডেটিং নির্ভুল নয় বলে প্রমাণিত হয়েছে।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
জোরে জোরে মরিস বুকাইলি পড়লে, অথবা হারুন ইয়াহিয়া (বর্তমানে জেলে) প্রণীত এটলাস বুকের মধ্যে সজোরে ধরে রাখলে ShusthoChinta জাতীয় কথা বার্তা বের হবে। সে যখনি বড় গলায় বলছে, আমি 'মুস্লিম', সেখানে দয়া করে পড়বেন, অন্ধ বিশ্বাসী, কোন প্রকার প্রমাণ চোখে দেখলেও মানতে রাজি নই, কারন, আবারও, আমি অন্ধবিশ্বাসী (মানে মুসলীম)
'অন্ধের' মতো বিশ্বাস করার মধ্যে যে এক প্রকার লজ্জা আছে, সেটা সে ভুলেই গিয়েছে।
তার সামনে যখনই একটার পর একটা প্রমাণ দেয়া হচ্ছে, সে কিতাব বুকের মাঝে জোরে আঁকড়ে ধরে চোখ বন্ধ করে চিৎকার করে যাচ্ছে,
'আমি মু্স্লিম, আমি অন্ধ, আমি জানতে চাই না, আমি চিরকাল অন্ধই থাকতে চাই। '
ShusthoChinta বলেছেন:
কোন অন্ধ নাস্তিকের সাথে তর্ক করার কোন প্রবৃত্তি এই মূহুর্তে আমার নেই! তার উপড়ে আবার ছাগফুর! ছো!
ShusthoChinta বলেছেন:
আসলে এই পোষ্টটি কপি পেষ্ট,তা উল্লেখ করলেই ভালো হত।
নাজমুল_০৯ বলেছেন:
অসাধারন
হোরাস্ বলেছেন:
ShusthoChinta বলেছেন: হ্যা,আমি আমার বিশ্বাসকেই নির্ভুল মনে কারণ আমি মুসলীম। ভাই দ্বিতীয় কোন ব্যক্তির কাছে এটার কোন ভ্যালিডিটি নাই সেটা কি বোঝেন? এখন কেউ যদি বলে, " হ্যা,আমি আমার বিশ্বাসকেই নির্ভুল মনে কারণ আমি হিন্দু।" আপনি সেটাকে কোন ভ্যালিডিটি দেবেন? এই সিম্পল কথাটা বুঝতে আপানর সমস্যা কোথায়?
আর আপনি দুনিয়ার তাবৎ বৈজ্ঞানিক তত্ব থাকতে কিনা উদাহরণ দিলেন কার্বন ডেটিংয়ের যা কিনা সব সময় একটা রেঞ্জই দেয়। তবে রেঞ্জটা নির্ভুল ভাবেই দেয়া সম্ভব।
খুদাফেজ। এখানেই সমাপ্তি।
নিশম বলেছেন:
ঘটনা টা সম্পুর্ণ সত্য , কেননা এটা মহান বিজ্ঞানী আইন্সটাইনের শৈশব কালের স্কুল জীবন থেকে নেয়া । আপনি কি এটা জানেন না ?? এটার উপর বেস করে ১টা ভিডিও বানানো হয়েছে। তবে, আইন্সটাইনের অই ভিডিওটাতে যুক্তি হিসেবে শুধু অন্ধকার , ঠানডা কে ব্যাবহার করা হয়েছে । আপনি যদি কারো থেকে গল্পটি শুনে থাকেন, তাহলে সে আপনাকে আইন্সটাইনের জীবনী কিছুটা কাস্টমাইজড করে শুনিএছে !!! তবে , পোস্টে প্লাস + +
হোরাস্ বলেছেন:
@নিশম, বিজ্ঞানী আইন্সটাইনের শৈশব কালের স্কুল জীবন থেকে নেয়া তার কোন প্রপার রেফারেন্স আছে আপনার কাছে। শেয়ার করুন। আমরাও চমৎকৃত হই। আর তা না হলে বলতেই হবে আইনস্টাইনের বলে চালানোর বুদ্ধিটা খারাপ না।
শাহ জাহান মাহমুদ বলেছেন:
দুইটা বানর এত লাফাচ্ছে, আপনারা যারা+ দিলেন, তারা চুপ হইয়া গেলেন কা । এরা বানরের বংশ বললে আপনার "ShusthoChinta" এত গায়ে লাগে কা । বানর কতক্ষন লাফালাফি কইরা চলইয়া যাবে আপনার সমস্যা কি ?
অভ্র ভাষা হোক উন্মুক্ত বলেছেন:
মনিরুল হাসান বলেছেন: অনেকগুলি প্লাস দিতে ইচ্ছে করছে। অনেকগুলি দেয়া যাচ্ছে না বলে শুধু একটাই দিলাম। দারুণ হয়েছে।
নিশাচর বাদুড় বলেছেন:
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
আকাশ আমার সীমানা বলেছেন:
যার যার মতামত দেয়ার অধিকার আছে। নাস্তিক ভাইরা এত বেশি চেতেন কেন আমি বুঝি না। নিজেদের বিশ্বাসকে জোড় করে অন্যদের মধ্যে প্রতিস্ঠা করার প্রয়াসটা বোধগম্য নয়। আরেকটা কথা, পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ সৃস্টিকর্তায় বিশ্বাসী, হোক সেটা ভিন্ন ভ্ন্নি ধর্মের, বিশ্বাস মানুষের বেচে থাকতে শেখায়। সবকিছুতে এত কটকটে সাইন্স খাটেনা। সাইন্স আজ আছে কাল তা মিথ্যা প্রমান হতে দেরি নেই।
উপদেশ গুরু বলেছেন:
আকাশ আমার সীমানা বলেছেন: যার যার মতামত দেয়ার অধিকার আছে। নাস্তিক ভাইরা এত বেশি চেতেন কেন আমি বুঝি না। নিজেদের বিশ্বাসকে জোড় করে অন্যদের মধ্যে প্রতিস্ঠা করার প্রয়াসটা বোধগম্য নয়। আরেকটা কথা, পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষ সৃস্টিকর্তায় বিশ্বাসী, হোক সেটা ভিন্ন ভ্ন্নি ধর্মের, বিশ্বাস মানুষের বেচে থাকতে শেখায়। সবকিছুতে এত কটকটে সাইন্স খাটেনা। সাইন্স আজ আছে কাল তা মিথ্যা প্রমান হতে দেরি নেই।
জাতি জানতে চায় বলেছেন:
ওরে আড়িফুর ক্ষেপছেরে! সাথে কয়েকজন ব্রেনলেস প্রফেসর দেইখা ব্যফক বিনোদন পাইলাম! পোস্ট ভালো হইছে!
ইস্ক্রা রহমান বলেছেন:
হা হা হা হা.....বিবর্তন এর একটা সোজা প্রমাণ হল ব্যাঙের জীবনচক্র। ভাইসব, মাথাটা খাটান, ভাইব্যা দ্যাখেন।
সপ্নীল বলেছেন:
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন: অসাধারণ। আল্লাহ আপনার লেখনি শক্তি আরো বৃদ্ধি করে দিন। +++++++++++সহমত।
শাকালাকা বুম বলেছেন:
মনিরুল হাসান বলেছেন: অনেকগুলি প্লাস দিতে ইচ্ছে করছে। অনেকগুলি দেয়া যাচ্ছে না বলে শুধু একটাই দিলাম। দারুণ হয়েছে।
ঈশ্বরের পঞ্চেন্দ্রিয় এবং অস্তিত্ব-অনস্তিত্বের প্রশ্ন!
সবার জন্য! মজা পাবেন!
নষ্ট ছেলে বলেছেন:
ফোস্ট কডিন হইছে++++++
নিশম বলেছেন:
[yt|http://www.youtube.com/watch?v=ldHF6PFUukw@ হোরাস - ভাইয়া , আমার মুখের কথার তো দাম নাই, তাই ১টু খাটতে হইলো। ভিডিওটা দেখে নিয়েন সময় পেলে ।
হোরাস্ বলেছেন:
@ নিশম, কোথাও কোন লিখিত ডকুমেন্ট নেই যেটা দিয়ে প্রমাণ করা যায় যে এটা আইনস্টাইন বলেছিলো। এতা সৃষ্টিবাদীদের একটা প্রচারণা। তার কোন লেখা বইতে, বা তার শিক্ষক বা সহপাঠীদের কারো বইতে এটা পাবেন না। আর তাছাড়া আইনস্টাইন নিজে তার জীবনীতে লিখেছেন, "deep religiosity" as a Jewish child ended at the age of 12 when he developed a sceptical attitude towards God. "
বয়সটা খেয়াল কইরেন। ফিলোসফি ক্লাসতো বহুত দূরের ঘটনা।
েক আিম বলেছেন:
নাস্তিক রা প্রমান করেছেন গড বলে কেউ নেই। আমার কোন আপত্তি নাই, কিন্তু তারা আমার বিশ্বাস নিয়ে এভাবে উঠে পড়ে কেন লেগেছেন??? আমার বিশ্বাস তাদের কি ক্ষতিটা করছে???!!
নিশম বলেছেন:
@ হোরাস , আরিফ - ভাই , আমি পোলাপান মানুষ । এতো যুক্তি-তর্ক আমি জানিনা । আসলে ১টা জিনিশ কি, আমি ধর্মে বিস্বাশ করি , কারন আমি এভাবে মনে বল পাই । শক্তি পাই। আমি মনে করি আমাকে সাহায্য করার মতো কেউ আসে ! এই কারণে আমি একাকীত্ব বোধ করিনা । তাছাড়া , আপনারা অনেক ঘাটাঘাটি করেন , অনেক পড়াশুনা করতে হয় এই ব্যাপারে আপনাদের । আপ্নারা এইটা তো দেখসেন যে - " ইসলাম ধর্মে অন্তত কোন ভ্রান্ত পথে , কোনো কু-পথে গমনে আহবান জানানো হয়নাই । কোন ক্ষতিকর কাজে উতসাহ দেয় নাই । তাহলে, সেই রাস্তা , সেই নির্দেষনা পালণ করতে আমার তো কোন লস নাই !!!! ভাইয়া , আমি খুব্বি নাদান এই ব্যাপারে, আপনাদের কঠিন কঠিন আলোচনা আম্র মাথার উপর দিয়ে যায় বেশীর ভাগ সময় । তবে , ঝাল লাগ্লে সবাই যেমন পানির জন্য দৌড়ায় , আপনারা ধর্মবিরোধিদের যুক্তি-তর্কে হারানোর জন্য বিশ্বাসীরা আরো জ্ঞান অর্জনের জন্য দৌড়ায় । জিনিসটা ভালো !! ভালো থাকবেন ।
নির্ণয় বলেছেন:
ছাত্রঃ আচ্ছা স্যার, তাপ বলে কিছু আছে কি?
প্রফেসরঃ “আছে” বলতে তমি কি বোঝ? কোন কিছুর থাকা বলতে সেটার ইন্দ্রীয়গ্রাহ্য উপস্থিতিও হতে পারে আবার সেটা নিছক বিমূর্ত চিন্তা বা বৈশিষ্ট্যও হতে পারে। যেমন ধর দুনিয়ায় সততা “আছে।” আবার অসততাও “আছে”। সততার অনুপস্থিতিকে প্রকাশ করা হয় অসততা দিয়ে আবার অসততার অনুপস্থিতিকে প্রকাশ করা হয় সততা দিয়ে। এগুলো বিমূর্ত বৈশিষ্ট্যের প্রকাশ অর্থে “আছে”। আবার দেখ কিবোর্ড “আছে”, সেটা মূর্ত ইন্দ্রীয়গ্রাহ্য বস্তু হিসেবে। তাপ একটা শক্তির নাম। সেই শক্তিকে ভাষায় প্রকাশার্থে তুমি “তাপ আছে” বলতে পার।
ছাত্রঃ ঠান্ডা ?
প্রফেসরঃ যদি তুমি বল গরম কি আছে? তাহলে হ্যা “আছে”। এই অর্থে যে তাপের পরিমাপক তাপমাত্রা যখন বেশি তখন “গরম আছে” আবার তাপমাত্রা যখন কম তখন “ঠান্ডা আছে”। এই “আছে” তাপের মাত্রাগত অবস্থার ধারণা প্রকাশার্থে ব্যবহৃত হয়েছে। তুমি বোধহয় তাপ এর সাথে গরমকে গুলিয়ে ফেলেছ।
ছাত্রঃ না স্যার এগুলির কোনটিই নেই।
প্রফেসরঃউপরের আলোচনা থেকে অন্তত তাপ, তাপমাত্রা, গরম আর ঠান্ডা এর পার্থক্য তো বুঝেছো! তাপ নেই সেটা ঠিক না। কিন্তু তুমি গরম নেই তা বলতে পার । খুলে বলি - কেতলির তাপমাত্রা আর তোমার শরীরে থাকা তাপমাত্রা যদি সমান হয় তাহলে তোমার কোন গরম লাগবেনা। তুমি বলতে পার “গরম নেই”। কিন্তু অবশ্যই তাপ আছে কেতলিতেও, তোমার শরীরেও। দেখ “গরম নেই”কেই আবার তুমি “ঠান্ডা আছে” বলতে পার।
ছাত্রঃ স্যার, আপনি অনেক ধরনের তাপ পেতে পারেন, কম তাপ, বেশী তাপ বা আরো বেশী, কিন্তু ঠান্ডা বলে কিছু নেই।আমরা ৪৫৮ ডিগ্রীর নীচে তাপমাত্রায় যেতে পারি না।তাপের অনুপস্থিতিকেই আমরা ঠান্ডা বলি। আমরা ঠান্ডা মাপি না, তাপই মাপি।তাপই শক্তি। ঠান্ডা আলাদা কিছু নয়, এটি তপের অনুপস্থিতি মাত্র।
(ক্লাসে উসখুস চলছে এই ভেবে যে প্রফেসর এত পাত্তা দিচ্ছেন কেন এসব বালখিল্যতায়)
প্রফেসরঃ আবারও ভুল বললে। তাপের অনুপস্থিতিকে আমরা ঠান্ডা বলিনা। তাপমাত্রা বেশি হলে গরম আর কম হলে ঠান্ডা বলি। আবার তুমি হয়তো এভাবে ভাবতে পার যে তাপ কমলে তাপমাত্রা কমবে ফলে তা ঠান্ডা হবে! ঠিক না। কারণ একটা গরম পানির জগে যে পরিমাণ তাপ আছে তা কমে যাবে যদি তা থেকে তুমি এক গ্লাস পানি সরিয়ে নাও। কিন্তু তাতে পানির তাপমাত্রাও কমবে না আর পানিকে তুমি “ঠান্ডা আছে” তাও বলতে পারবেনা।
ছাত্রঃ আচ্ছা স্যার, অন্ধকার কি? অন্ধকার বলে কিছু আছে কি ?
প্রফেসরঃ সেটা নির্ভর করছে তুমি আলো বলতে কি বোঝ তার উপর। আলো বলতে কিছু “আছে” কি? যদি বলো আলো বলতে কিছু “আছে”, তাহলে অন্ধকার বলতেও কিছু “আছে”। তাপমাত্রার বেশি বা কম কে যেমন গরম বা ঠান্ডা দিয়ে প্রকাশ করতে পার তেমনি বিকিরণের বেশি বা কমকে আলো বা অন্ধকার দিয়ে প্রকাশ করতে পার। “আছে” নিয়ে যদি তোমার আবার সমস্যা হয় তাহলে আবার শুরু থেকে পড়।
ছাত্রঃ আপনি আবার ভুল করলেন, প্রফেসর। অন্ধকার আলোর অনুপস্থিতি মাত্র। আপনি কম আলো, বেশী আলো ঝাপসা আলো, এসব বলতেই পারেন, কিন্তু কোন আলো না থাকলেই আমরা অন্ধকার বলি।আলো একবারেই না থাকলে অন্ধকারকে আরো তীব্র করা সম্ভব নয়।
প্রফেসরঃ ঠিক যেমন তুমি কম আলো, বেশী আলো এসব কে “আছে” বলতে পার ঠিক তেমনি বিকিরণের ঐসব অবস্থাকে যথাক্রমে বেশি অন্ধকার, কম অন্ধকার “আছে” দিয়েও প্রকাশ করতে পার।
ছাত্রঃ আমি আসলে আপনার ফিলোসফি থেকেই একটা সিদ্ধান্তে পৌছাতে চাচ্ছি।
প্রফেসরঃ কোন ফিলসফি? কি সিদ্ধান্ত?
ছাত্রঃ স্যার আপনি দৈত নীতি অনুসরণ করছেন।আপনি একই সাথে জন্ম মৃত্যু ভাল গড, খারাপ গড এর অস্তিত্বের যুক্তি দিচ্ছেন।আপনি গডকে সসীম পরিমাপযোগ্য রাশি মনে করছেন।স্যার বিজ্ঞান কখনও চিন্তা ও চেতনা কে পরিমাপ করতে পারেনা। বিজ্ঞান ইলেকট্রিসিটি ম্যাগনেটিজম ব্যবহার করে কিন্তু কখনও এগুলি ধেখা যায়না এবং খুব কমই অনুভব করা যায়।
এখন প্রফেসর,আপনি বলুন, আপনি কি আপনার ছাত্রছাত্রীদের শিক্ষা দেন যে, মানুষ বানর থেকে এসেছে?
প্রফেসরঃ না। বিবর্তনবাদ বলে না যে মানুষ বানর থেকে এসেছে বরং ডারউইনের গবেষণা অনু্যায়ী বানর ও মানুষের পূর্বপুরুষ একই।
ছাত্রঃ এই বিবর্তন কি আপনি চোখে দেখেছেন ?
(প্রফেসর আস্তে আস্তে বুঝতে পারছিলেন তর্কটি বরাবরের মতই কোন দিকে যাচ্ছে। প্রফেসর সেদিনও ক্লাসে এমন এক ছাত্রকে পেয়েছিলেন যে বলেছিলো, “যে নিজের চোখের রেটিনাই দেখেনি সে ঈশ্বরকে দেখবে কি করে”। বলা যেত যে নিজের এক চোখ চাকু দিয়ে তুলে নিলেই সে অন্য চোখ দিয়ে নিজের রেটিনা নিজেই দেখতে পারে। কিন্তু বাচ্চা কাচ্চা ছেলে বলে প্রফেসর আর অত কঠিন কথায় যাননি। আজও সেরকম একজনের সাথেই কথা চলছে)
প্রফেসরঃ না, মানুষের বিবর্তন তো আমার দেখার কথাও না।
ছাত্রঃ যেহেতু কেউ বিবর্তনবাদ কেউ দেখেনি এবং কেউ ল্যাবরেটরীতে প্রমাণও করতে পারেনি, তাহলে কি ধরে নেব আপনি শুধু আপনার বিশ্বাসটাই প্রচার করছেন।আপনি কি একজন বিজ্ঞানী নাকি একজন প্রচারক ?
(পুরো ক্লাস বিরক্তিতে কপাল কুঁচকালো)
প্রফেসরঃ দেখো, তুমি “জানো” যে গলা কেটে দিলে মানুষ মারা যায়। এটা কি বিশ্বাস? না, এটা “পরোক্ষ অভিজ্ঞতা”। আমরা ডারউইনের লেখা ও অন্যান্য বই থেকে জানি ডারউইনের তত্ত্ব সম্পর্কে। এই জানার সাথে বিবর্তনকে প্রতক্ষ্য করার প্রয়োজনীয়তা অবান্তর। ঠিক যেমন গলা কেটে দিলে মানুষ মারা যায় এটা জানার জন্য তোমার নিজের হাতে কারোর গলা কেটে দেবার প্রয়োজনীয়তা অবান্তর।
ছাত্রঃ এই ক্লাসে কি এমন কেউ আছো যে প্রফেসরের ব্রেইন দেখেছো?
(পুরো ক্লাস এবার চরম বিরক্তিতে একে অপরের দিকে তাকালো। প্রফেসর মনে মনে হাসলেন। তিনি যা ভেবেছিলেন ঠিক তাই হচ্ছে। তর্ক রেটিনাগামী!)
এই ক্লাসে কি এমন কেউ আছো যে প্রফেসরের ব্রেইন শুনেছো অনুভব করেছো, স্পর্শ করেছো অথবা স্বাদ গ্রহণ করেছো?
এমন কেউই নেই যে তা করেছে। সুতরাং বিজ্ঞানের স্বীকৃত নিয়ম অনুযায়ী প্রফেসরের কোন ব্রেইন নেই।
With all due respect, sir, how do we then trust your lectures, sir?
(পুরো ক্লাস এবার অধৈর্য হয়ে উঠলো। প্রফেসর এক পলক তাদের দিকে তাকিয়ে ইশারায় আশ্বস্ত করলেন যে কথাবার্তা এখনই শেষ হয়ে যাবে)
প্রফেসরঃআমি মনে করি “পরোক্ষ অভিজ্ঞতা”র ব্যাপারটা তুমি ভালভাবে খেয়াল করে শোননি। যাহোক, আমার ব্রেন আছে কি নেই সেটা বিশ্বাস না করলেও তোমার যে মেধা বলতে কিছুই নেই তা আমি জেনেছি। যে কারণে তুমি এতক্ষণ এই কুতর্ক করলে তার কারণ মানুষ হিসেবে তোমার ভেতরে থাকা অন্ধ বিশ্বাস, যা তোমার গোঁয়ারতুমিকে বাঁচিয়ে রেখেছে।
ছাত্রঃ আমিও এটাই বলছিলাম, মানুষ এবং গডের মধ্যে সম্পর্কটা বিশ্বাসের।এটাই বিশ্বাসীদের বাচিয়ে রেখেছে। এবং গড অবশ্যই আছেন।
----
যুক্তিতর্ক খেলার জন্য এত কষ্ট করে এটা লিখিনি। লিখেছি আপনারে দেখানোর জন্য যে গল্প অনেকভাবেই লেখা যায়।
হাফিজুর রহমান মাসুম বলেছেন:
....নির্ণয় যা বলেছেন তার সাথে সহমত। বিজ্ঞানের কোন তত্ব যখন আংশিক ভুল বলে প্রমানিত তখন তা বিজ্ঞানের আরও আধুনিক কোন আবিষকার দ্বারাই প্রমাণিত হয়। ধর্ম দ্বরা বিজ্ঞানের কোন তত্বকে ভুল বা সঠিক বলার কোন সুযোগই নেই। বিশ্বাস হলো যুক্তির অভাব। ধর্ম(এখানে ধর্ম বলতে ধর্মের বিশ্বাস বোঝনো হচ্ছে) যেহেতু যুক্তিদ্বারা প্রমাণ করা যায় না তাই, তার দরকার হয় বিশ্বাস। একটি প্রশ্নে উত্তর কখনও পাওয়া যায় না। তা হলো আস্তিকদের সবসময়ের প্রশ্ন--ঈশ্বর না থাকলে কিভাবে সবকিছু সৃষ্টি হলো? তর্কশাস্ত্রের এ পথেই প্রশ্ন থাকল ঈশ্বরও কি তাহলে কারও সৃষ্টি? তাহলে ঈশ্বরের স্রষ্টাও বা কে....এভাবে চলতেই থাকবে প্রশ্ন! আমি অবশ্য এর উত্তর জানি। আসলে ঈশ্বর মানুষের সৃষ্ট একটি ধারণা মাত্র। বিজ্ঞান এবং দর্শনের যুগল চলার আধুনিকতার ফলশ্রুতিতে একদিন মানুষের হাতেই ঈশ্বরের মৃত্যু হবে।
ভালো নেই বলেছেন:
ভালো লেগেছে !
লাভলু বলেছেন:
Valo lagacay. Alo R Batas, Agun R pani jibo r mrittu prottek ta jamon akta r aktar poripurok tamni Astik r Nastik tara o poripurok akta sara r aktar ostitto thakba na.
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
ফ্যালাসিগুলা নির্ণয় দেখিয়ে দিছেন। পোস্টের কুযুক্তি আর ভুলের ভীড়ে কোন যুক্তি পেলাম না। সবচেয়ে বড়ো ব্যাপার, বিশ্বাস করার জন্যে যুক্তি লাগে না, সকল বিশ্বাসই অযৌক্তিক পক্ষপাত থেকে উৎপন্ন। সেক্ষেত্রে ঐশ্বরিক বিশ্বাসের খুঁটি জোরালো করতে যুক্তির সাহায্য নেয়াটা বাতুলতা।
বিজ্ঞান আর ধর্মবিশ্বাস হলো তেল আর জল, যতোই ঝাঁকাঝাঁকি করেন না কেন, একটু স্থিরভাবে রেখে দিলেই আলাদা হয়ে যায় রে ভাই!
কাকপাখি ২ বলেছেন:
+++++++++++
কাকপাখি ২ বলেছেন:
খটকা: (??!!)=========================================
১১ ই জুন, ২০১০ সকাল ১০:১৮
নির্ণয় বলেছেন:
ছাত্রঃ যেহেতু কেউ বিবর্তনবাদ কেউ দেখেনি এবং কেউ ল্যাবরেটরীতে প্রমাণও করতে পারেনি, তাহলে কি ধরে নেব আপনি শুধু আপনার বিশ্বাসটাই প্রচার করছেন।আপনি কি একজন বিজ্ঞানী নাকি একজন প্রচারক ?
(পুরো ক্লাস বিরক্তিতে কপাল কুঁচকালো)
প্রফেসরঃ দেখো, তুমি “জানো” যে গলা কেটে দিলে মানুষ মারা যায়। এটা কি বিশ্বাস? না, এটা “পরোক্ষ অভিজ্ঞতা”। আমরা ডারউইনের লেখা ও অন্যান্য বই থেকে জানি ডারউইনের তত্ত্ব সম্পর্কে। এই জানার সাথে বিবর্তনকে প্রতক্ষ্য করার প্রয়োজনীয়তা অবান্তর। ঠিক যেমন গলা কেটে দিলে মানুষ মারা যায় এটা জানার জন্য তোমার নিজের হাতে কারোর গলা কেটে দেবার প্রয়োজনীয়তা অবান্তর।
========================================
"কাকপাখি২" যদি ছাত্র হইত তাইলে যেই উত্তর দিত:
গলা কেটে দিলে মানুষ মারা যায়। এইটার অনেক প্রমান আছে। এই ধরনের ঘটনা নিজে চোখে দেখছে এমন অনেক মানুষ পাওয়া যাবে।
এইটা কোন থিওরি না, এইটা ফ্যাক্ট।
কিন্তু বিবর্তন নিজে চোখে দেখছে এইরকম কাউরে পাওয়া যাবে না।
কারন এইটা কোন ফ্যাক্ট না, এইটা একটা থিওরি।
কাজেই প্রফেসর এর পানি-ঘোলা করা যুক্তির কোন বেইল নাই।
অচেনা মন বলেছেন:
অনেকগুলি প্লাস দিতে ইচ্ছে করছে। অনেকগুলি দেয়া যাচ্ছে না বলে শুধু একটাই দিলাম। দারুণ হয়েছে।
নির্ণয় বলেছেন:
ছুটির ঘন্টা পড়লো বলে, বাকিরা সবাই ব্যাগে খাতা বই ঢুকাচ্ছে। এমনসময় কাকাপাখি২ এর প্রশ্ন শুনে পুরো ক্লাস চরম বিরক্ত। “বেইল নাই” মন্তব্যে প্রফেসর হাসলেন। বয়সটাই এমন, অর্বাচীনতাই স্বাভাবিক! জানার চেষ্টা নেই, মত প্রকাশের ব্যগ্রতা সীমাহীন।
প্রফেসরঃ ঠিক আছে, তুমি বরং এক কাজ করো, লাইব্রেরি থেকে Click This Link এই রেফারেন্সটা পড়ে এসো। তারপর আগামী ক্লাসে আমরা আবার এনিয়ে কথা বলবো। আজকে এই বলে শেষ করি যে বিবর্তনবাদ কোন ধর্ম না যে মেনে নিলে কেউ শরাবান তহুরা খেতে পাবে আর না মেনে নিলে যাক্কুম খেতে বাধ্য হবে। আজ যদি বিবর্তনবাদ অন্য কোন বেটার থিওরি দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েও যায় তাতেও কিন্তু ঈশ্বরের পক্ষে কোন সুবিধা হয়না। কারণ আকাশ থেকে শ্রীলংকায় পড়া আদমের পাজরের হাড় থেকে হাওয়ার উদ্ভবের ব্যাপারটা অগ্রহণযোগ্য - তোমার ভাষায় “বেইল নাই”।
----
হাফিজুর রহমান মাসুম ও ছন্নছাড়ার পেন্সিল কে ধন্যবাদ।
অরণ্য সৌভিক বলেছেন:
আরেকটি ব্লগ হতে একই পোস্টের ইংরেজি ভার্সনে অন্য একজনের কমেন্ট কপি করলাম।ধ্রুব তারা বলেছেন: to be frank all the arguments of the student is quite lame. He said whether any body has seen the brain of the teacher. The reality is that yes everybody has. Because people has seen thousands of persons brain when it any experiment or accident took place. And no living person without a brain has even been found. That nullify the arguement that, we just have to believe blindly that the prof has a brain. But it has been proved by science that he got one and his possition also demonstrate his ability.
But no such evidence is available in favour of GOD like that.
Yes there is nothing called the cold and we just assume the absence of heat as cold, but it does not relate to GOD because if we infer it to GOD then we are saying as we do not know of any other super power creating the universe, we are just assuming that the GOD has created it. Then an atheist can say as there is no conclusive evidence that such god exists or ever existed I would not like to acknowledge him.
It's true no body ever witnessed natural evolution, but critical and technical research has been conducted which whatever not conclusive but do supports darwinism. And like religion, these theories can be well refuted if better explanation comes out. What would be more rational - just trusting on a book (with no scientific backing or support whatsoever) about something or some scientific work still underprocess backed by scholars and research?
This is entirely my own judgement...
লালু কসাই বলেছেন:
হ! বুজছি...কোপাকোপি ভালাই চলতাসে...কিন্তু আমার কোপানের কিছু পাইলাম না বলে কিছু কইলাম না...
মোহাম্মাদ রাকিবুল হাসান বলেছেন:
ভাই কোরআনে আল্লাহ বলেছেন .. তিনি আমাদের আগেও বহু জাতি সৃস্টি করেছেন... আল্লাহ নিজে নিজে যুক্তি হীন নন্ , তিনি যা যা করেন হয়ত পর্যায় ক্রমে develope করেন.... ডারউইন ত্বত্ত একটা হাইপো থিসিস মাত্র....
মোহাম্মাদ রাকিবুল হাসান বলেছেন:
@নির্ণয় সুন্দর করে বলেছেন। আচ্ছা এভাবে ভাবিনা কেন... আদমের পাজরের হাড় থেকে হাওয়া কে বানানোর ব্যাপারটা ক্লোনিং এর মত একটি ব্যাপার... আশা করি ইঙ্গিত বুঝেছেন...
মুসাফির... বলেছেন:
বাংলাদেশে নাস্তিকের সংখ্যা কম, আর যারা আছে .. তারাও ব্লগে কম.. নগন্য এই ব্লগে যারা নাস্তিকতার সপক্ষে স্লোগান দেয়.. ওদের নিবাস অন্যত্র ওখান থেকে ... ওরা কখনও কখনও ইসলামী নিক ব্যবহার করে আমাদের দেশ রাজনীতি ধর্ম ইত্যাদিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টায় লিপ্ত.. এটা আমার সন্দেহ.. আপনারা কি বলেন?
শাহাদত হোসেন বলেছেন:
সরাসরি প্রিয়তে। সেইরকম পোস্ট।
আহমদ শরীফ বলেছেন:
আরিফুর রহমানমানুষ যদি বানর থেকে আসে । তাহলে বানরের অস্তিত্ব থাকে কিভাবে ?????
আর আপনার চবিটা কি বানরের ...........
আসিফ মহিউদ্দীন বলেছেন:
এত্ত জ্ঞান রাখেন কই?
জেবাল বলেছেন:
নিশম বলেছেন: @ হোরাস , আরিফ - ভাই , আমি পোলাপান মানুষ । এতো যুক্তি-তর্ক আমি জানিনা । আসলে ১টা জিনিশ কি, আমি ধর্মে বিস্বাশ করি , কারন আমি এভাবে মনে বল পাই । শক্তি পাই। আমি মনে করি আমাকে সাহায্য করার মতো কেউ আসে ! এই কারণে আমি একাকীত্ব বোধ করিনা । তাছাড়া , আপনারা অনেক ঘাটাঘাটি করেন , অনেক পড়াশুনা করতে হয় এই ব্যাপারে আপনাদের । আপ্নারা এইটা তো দেখসেন যে - " ইসলাম ধর্মে অন্তত কোন ভ্রান্ত পথে , কোনো কু-পথে গমনে আহবান জানানো হয়নাই । কোন ক্ষতিকর কাজে উতসাহ দেয় নাই । তাহলে, সেই রাস্তা , সেই নির্দেষনা পালণ করতে আমার তো কোন লস নাই !!!! ভাইয়া , আমি খুব্বি নাদান এই ব্যাপারে, আপনাদের কঠিন কঠিন আলোচনা আম্র মাথার উপর দিয়ে যায় বেশীর ভাগ সময় । তবে , ঝাল লাগ্লে সবাই যেমন পানির জন্য দৌড়ায় , আপনারা ধর্মবিরোধিদের যুক্তি-তর্কে হারানোর জন্য বিশ্বাসীরা আরো জ্ঞান অর্জনের জন্য দৌড়ায় । জিনিসটা ভালো !! ভালো থাকবেন ।শেষের কথাটা দারুন।
জেবাল বলেছেন:
মুসাফির... বলেছেন: বাংলাদেশে নাস্তিকের সংখ্যা কম, আর যারা আছে .. তারাও ব্লগে কম.. নগন্য এই ব্লগে যারা নাস্তিকতার সপক্ষে স্লোগান দেয়.. ওদের নিবাস অন্যত্র ওখান থেকে ... ওরা কখনও কখনও ইসলামী নিক ব্যবহার করে আমাদের দেশ রাজনীতি ধর্ম ইত্যাদিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার চেষ্টায় লিপ্ত.. এটা আমার সন্দেহ.. আপনারা কি বলেন?একদম সত্য, ডাক দেন দেখেন কয়টা নাস্তিক বুকের পাটা নিয়া বলতে পারে। আমি বলে দিতেছি আমার সাম্নেও কোনো নাস্তিক এরকম করলে জাস্ট কুত্তার ঘেউ ঘেউ যেভাবে মানুষ অগ্রাহ্য করে, তেমনি করে চলে যাব।
জেবাল বলেছেন:
মোহাম্মাদ রাকিবুল হাসান বলেছেন: @নির্ণয় সুন্দর করে বলেছেন। আচ্ছা এভাবে ভাবিনা কেন... আদমের পাজরের হাড় থেকে হাওয়া কে বানানোর ব্যাপারটা ক্লোনিং এর মত একটি ব্যাপার... আশা করি ইঙ্গিত বুঝেছেন...
চমৎকার ভাইয়া, আমিও মেরাজ নিয়ে এরকমই একটা কিছু দাড় করিয়েছিলাম, কিন্তু প্রকাশ করার আর ইচ্ছা নাই। নাস্তিকদের লিমিটেশন হল তারা যা দেখে নাই,বুঝে নাই, মানতে চায়না, তাদের বিশ্বাস তার অস্তিত্বই নাই, নিজেদের জ্ঞান দিয়ে মানুষ এখনো মঙ্গলেই যাইতে পারেনাই(চাঁদে যাওয়া নিয়াই কত বিতর্ক), আল্লাহ আছে কিনা না তার বিচার করবে।। হাস্যকর নয় নি?
মুসাফির... বলেছেন:
@ জেবাল.. ধন্যবাদ আপনাকে ..
সার্জন বলেছেন:
বিবর্তন বিশেষজ্ঞ হোরাস্ মাম্মু কে দেখা যাইতেছে! সাথে হিজরা ছাগুফুর!
আহা এমন সময়েই আমাকে বানানো হল জেনারেল!!
কিছুক্ষণ দেখি ক্যামনে নিজেরে বান্দর প্রমাণ করে হোরাস মাম্মু আর হিজরায়।
তারপর কথা কমুনে!
বালক বন্ধু বলেছেন:
পোস্টা পড়ে প্রথমে ভাল লেগেছিল। তার পর মন্তব্যগুলো পড়ে বুঝলাম একটি সাজানো ঘটনা। তাই ভাললাগা কমে গেল।পোস্টা ছিল ইশ্বর বা god আছে কি নেই তা নিয়ে। কিন্তু মন্তব্যগুলো শেষ পর্যন্ত ডারউইনের তত্ব নিয়ে বিতর্ক করছে। আজিব?
কাকপাখি ২ বলেছেন:
নির্ণয় বলেছেন: ছুটির ঘন্টা পড়লো বলে, বাকিরা সবাই ব্যাগে খাতা বই ঢুকাচ্ছে। এমনসময় কাকাপাখি২ এর প্রশ্ন শুনে পুরো ক্লাস চরম বিরক্ত। “বেইল নাই” মন্তব্যে প্রফেসর হাসলেন। বয়সটাই এমন, অর্বাচীনতাই স্বাভাবিক! জানার চেষ্টা নেই, মত প্রকাশের ব্যগ্রতা সীমাহীন। প্রফেসরঃ ঠিক আছে, তুমি বরং এক কাজ করো, লাইব্রেরি থেকে Click This Link এই রেফারেন্সটা পড়ে এসো। তারপর আগামী ক্লাসে আমরা আবার এনিয়ে কথা বলবো। আজকে এই বলে শেষ করি যে বিবর্তনবাদ কোন ধর্ম না যে মেনে নিলে কেউ শরাবান তহুরা খেতে পাবে আর না মেনে নিলে যাক্কুম খেতে বাধ্য হবে। আজ যদি বিবর্তনবাদ অন্য কোন বেটার থিওরি দ্বারা প্রতিস্থাপিত হয়েও যায় তাতেও কিন্তু ঈশ্বরের পক্ষে কোন সুবিধা হয়না। কারণ আকাশ থেকে শ্রীলংকায় পড়া আদমের পাজরের হাড় থেকে হাওয়ার উদ্ভবের ব্যাপারটা অগ্রহণযোগ্য - তোমার ভাষায় “বেইল নাই”।
কাকপাখি ২ বলল: মানুষের জ্ঞানের সীমারেখা বিষয়ক আলোচনা, যার দ্বারা প্রমান করা যায় যে নাস্তিকতা ভিত্তিহীন তার একটা লিংক দিলাম স্যার, আগে প্রমান করেন নাস্তিক হিসাবে আপনাকে কেন বেওকুব বলা হবে না, তার পরে আপনের সাথে বিবর্তনবাদ লইয়া আলোচনা হবে।
Click This Link
মৃগয়া বলেছেন:
upor ullikhito chitrogulo arif shaheb ar purbopurush ar... uni e akmatro manush jini banor projati theke ashechen>>>
মুভি পাগল বলেছেন:
ভাল্লাগছে পোস্টটা
ক্লান্ত দুচোখ বলেছেন:
@নির্ণয়ঃ আপ্নেরে ঝাঝা... এক্কারে সমূলে আঘাত করেছেন...
মো : সোহেল রানা বলেছেন:
প্লাস না দিয়া থাকতে পারলাম না। অসাধারণ পোষ্ট।
হেফান বলেছেন:
++++++++++++++++++++++++++++ এবং প্রিয়তে.....
অরিন্দম ৮৫ বলেছেন:
অনেকগুলি প্লাস দিতে ইচ্ছে করছে। অনেকগুলি দেয়া যাচ্ছে না বলে শুধু একটাই দিলাম।অাপনার যুক্তির জন্য।
এরিস আফ্রোদিতি বলেছেন:
পিলাচ দিবার জন্যি লগইন করলাম।
মো: সালাউদ্দিন ফয়সাল বলেছেন:
বড় দেইখান একখান পিলাচ
টিয়া ময়না বলেছেন:
উফ অসাধারণ লাগলো !
ব্ল্যাকহোল বলেছেন:
"সুতরাং বিজ্ঞানের স্বীকৃত নিয়ম অনুযায়ী প্রফেসরের কোন ব্রেইন নেই।"ভাই এইটা কি কোন সত্য কাহিনী? কাহিনীটা কি বাংলাদেশে ঘটেছে?
Tons of +++
মেেহদী১০ বলেছেন:
++++++++ পুষ্ট
রিয়াদ-তাওহিদ বলেছেন:
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
মাহমুদা সোনিয়া বলেছেন:
অসাধরন! +++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
নিঃসঙ্গ পৃথিবী বলেছেন:
+++++
আমি অতি সাধারণ বলেছেন:
প্রফেসর কি চমৎকার বাশ খাইল। ইহাকেই বলে যুক্তিবাদী বাশ । সাবাস। ++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
shr বলেছেন:
যাক শেষ পর্যন্ত আবাল নাস্তিক আরিফুর শেষ পর্যন্ত স্বিকার করে নিলো যে সে এবং তার চৌদ্দগুষ্টি আগের জনমে বান্দর ছিলো এবং তারা বান্দর এর পয়দা আছিলো..........আইজকা বুঝবার পারলাম সে কেনো নাস্তিক। কারণ একটা জানোয়ার/পশুর আবার ধর্ম কিসের...জানোয়ার/পশু থাকবে জঙ্গলে সে এখানে কি করে......সামু ব্লগারদের অনুরোধ করছি এই পশুটাকে ব্লক করে দেন.............
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


























