somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ভ্রাম্যমাণ আদালত নয়া আতঙ্ক

১৩ ই জুন, ২০১১ ভোর ৪:৫২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ভ্রাম্যমাণ আদালত নতুন কোন বিষয় নয়। খাদ্যে ভেজাল, ফলে ভেজাল, মাছে ভেজাল, দুধে ভেজাল- এতদিন এসব ধরতে অভিযান ছিল ভ্রাম্যমাণ আদালতের। তবে রাজনৈতিক দলের সভা-সমাবেশ কেন্দ্রিক প্রতিবাদ কর্মসূচি ঘিরে ভ্রাম্যমাণ আদালত- এই প্রথম। তথ্য-প্রমাণ ও সাক্ষ্য নেয়ার বালাই নেই। রাজপথে তাৎক্ষণিক বিচার। অনেক আতঙ্কের মধ্যে এ যেন এক নয়া আতঙ্ক। হরতালের আগের দিন শনিবার সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে রাজধানীসহ সারাদেশে ৫৬ জনকে গ্রেপ্তার করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। গতকাল ৩৬ ঘণ্টার হরতালে প্রথম দিন রাজধানীতে ৩৯ আর রাজধানীর বাইরে ৪২, সব মিলিয়ে ৮১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। বিষয়টি নিয়ে ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। গতকাল সন্ধ্যায় বিএনপি’র নয়া পল্টনস্থ কার্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাংবাদিকদের বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের নামে পুলিশ ও র‌্যাব হিটলারের গেস্টাপো বাহিনীর মতো আচরণ করছে। আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)-এর পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীদের দমনের নামে এতে সাধারণ মানুষও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। গত রাতেই বিবিসিকে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু বলেছেন, অপরাধীদের তৎপরতা প্রতিহত করতেই এ ব্যবস্থা। জনদুর্ভোগ থেকে মানুষকে মুক্ত করা সরকার ও পুলিশের দায়িত্ব।
দৃশ্যপট এক: ‘আপনি পুলিশের নির্দেশ অমান্য করেছেন। তাদের বাধা উপেক্ষা করে আমার সামনেই মিছিল ও স্লোগান দিয়েছেন। একই সঙ্গে পুলিশ ও যানবাহন লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেছেন- এ অপরাধে আপনাকে ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হলো।’ গতকাল দুপুরে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারকৃত ১৬ বছরের কিশোর কাওসারকে এমন সাজা দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে লিটন (১৭) ও মনির (১৮)-কেও ৬ মাস করে কারাদণ্ড দেয়া হয়। ৩৬ ঘণ্টা হরতালের প্রথম দিন গতকাল ঢাকা জেলা প্রশাসনের কার্যালয় থেকে পরিচালিত ১০টি ভ্রাম্যমাণ আদালত রাজধানীর বিভিন্ন থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারকৃত পিকেটার ও হরতাল সমর্থনকারীদের এভাবেই তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছে। ঢাকা জেলা প্রশাসন কার্যালয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সকাল থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ৩৯ জন পিকেটার ও হরতাল সমর্থনকারীকে কারাদণ্ড দেয়া হয়। এর মধ্যে শিল্পাঞ্চল থানা পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারকৃত ৩ জনকে সর্বোচ্চ ৬ মাসের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এর বাইরে পুলিশ আরও আড়াই শতাধিক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে। কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের মধ্যে মিরপুরে ৮, লালবাগে ৪, উত্তরায় ৫, রমনায় ৪, তেজগাঁও-এ ১৪ ও ওয়ারী জোন এলাকায় ৪ জনকে কারাদণ্ড দেয়া হয়। কাওরান বাজার মাছের আড়তের সামনে পুলিশ ও যানবাহন লক্ষ্য করে ইটনিক্ষেপের অপরাধে শোয়েব খান ওরফে পলাশ ও নজরুল ইসলাম নামে দু’জনকে এক মাসের করে কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের আটটি জোনসহ মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ গোয়েন্দা বিভাগের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ১০টি মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করেছেন ঢাকা জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের ১০ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তিনি বলেন, ম্যাজিস্ট্রেটরা যেখানে ইচ্ছা সেখানেই কোর্ট বসাতে পারেন। ম্যাজিস্ট্রেটের সামনে কোন অপরাধ সংঘটিত হলে আসামি দোষ স্বীকার করুক কিংবা না-ই করুক উভয়ক্ষেত্রেই কারাদণ্ড দিতে পারেন। তবে পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের পর কোন আসামি যদি অপরাধ স্বীকার না করেন সেক্ষেত্রে থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের নির্দেশ দিয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেটরা। মিরপুর জোনে দায়িত্ব পালনকারী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ড. রহিমা খাতুন বলেন, প্রসিকিউটর প্রসিকিউশন দাখিল করার পর সংশ্লিষ্ট আসামিকে কোর্টে হাজির করে ‘দোষ স্বীকার করেন কিনা’ প্রশ্ন করা হয়। আসামি দোষ স্বীকার করে ক্ষমা প্রার্থনা করলে অভিযোগ আমলে নিয়ে চার্জ গঠন করা হয়। আসামি দোষ স্বীকার না করলে রেগুলার মামলা দেয়া হয়। তিনি বলেন, ভ্রাম্যমাণ আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত কর্মকর্তার অভিযোগ, সাক্ষীর জবানবন্দি, ঘটনার আলামত ও আসামির জবানবন্দি রেকর্ড করে রায় দিয়ে থাকেন। পল্লবী থানার এস আই আবদুর রহমান বলেন, দুপুর আড়াইটায় পল্লবী ৬ নম্বর সেকশনের আপ্যায়ন কমিউনিটি সেন্টারের সামনে ককটেল বিস্ফোরণকারী দুই পিকেটারকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। পরে তাদের মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেয়া হয়। ওদিকে হরতাল প্রতিরোধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের পাশাপাশি নগরজুড়ে প্রায় ১০ হাজার আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন ছিল। এছাড়া, র‌্যাবের হুইসল বাজিয়ে গাড়ির মহড়া, সরকারদলীয় হোন্ডা পার্টি ও গোয়েন্দাদের সতর্ক নজরদারিতে আতঙ্কিত ছিল নগরবাসী। এতে বেশির ভাগ এলাকায় কোন পিকেটার দেখা যায়নি। মিছিলও করতে পারেনি তারা। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, হরতালবিরোধী এত আয়োজন সত্ত্বেও রাজধানীর রাস্তায় তেমন কোন যানবাহন চলাচল করেনি। এমনকি বিআরটিসি’র গণপরিবহনও রাস্তায় নামেনি। তবে লোকাল ও সিটিং সার্ভিস নামে কিছু আনফিট গাড়ি রাস্তায় দেখা গেলেও তাতে চালক- হেলপার ছাড়া কোন যাত্রী ছিল না। রাজধানীর পল্টন, গুলিস্তান, শাহবাগ, ফার্মগেট, কাকরাইল, বিজয়নগর, মোহাম্মদপুর, শ্যামলী, কলাবাগান, ধানমন্ডি ও কাওরানবাজার এলাকায় বেশির ভাগ মার্কেট ছিল বন্ধ। রাস্তাঘাট ছিল ফাঁকা। পুলিশ ও গোয়েন্দারা জানান, ৩৬ ঘণ্টার হরতাল নিয়ে সরকারের উচ্চ পর্যায় আতঙ্কিত ছিল। হরতাল প্রতিহত করতে নানা কৌশল ও পরিকল্পনা গ্রহণ করেছিল। এজন্য হরতালের একদিন আগেই গণভবন ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে কয়েক দফা বৈঠক হয়। ওইসব বৈঠকে হরতালকারীদের নাশকতা রোধ ও তাদের দমনের জন্য ভ্রাম্যমাণ আদালতকে ব্যবহার করা হয়।
৮১ জনের কারাদণ্ড: হরতালের নামে সরকারি কাজে বাধা দেয়ায় রাজধানীসহ সারাদেশে ৮১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। এরপর বিকাল পর্যন্ত শুধু রাজধানীতেই ৩১ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেয়া হয়। বিরোধী দলকে হয়রানি করতেই এ পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ বিএনপি নেতাদের। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এডভোকেট সাহারা খাতুন সাংবাদিকদের বলেছেন, শুধু বিশৃঙ্খলাকারীদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। ভ্রাম্যমাণ আদালত আইন অনুযায়ী তাদের কাজ করছে। ঢাকায় হরতালের সময় ১০টি ভ্রাম্যমাণ আদালত বিকাল পর্যন্ত ৩১ জনকে সাজা দেয়। এর মধ্যে রাজধানীর রামপুরায় জাসাস নেতা সোহেল ও কামালউদ্দিন দুলু রয়েছেন। এ ছাড়া গ্রেপ্তার করা হয়েছে এমন আরও কয়েকজনকে সাজা দেয়ার প্রক্রিয়া চলছিল বলে ভ্রাম্যমাণ আদালতের পক্ষ থেকে জানানো হয়। এদিকে ঢাকার বাইরে পিরোজপুরে ছাত্রদলের সভাপতি এমরান আহমেদ সবুজসহ ১৯ জনকে, মাদারীপুরে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা শরিফ, কেরানীগঞ্জে ছাত্রদল নেতা সোহেল, সিরাজগঞ্জে পাঁচ যুবদলকর্মী মাসুদ আহমেদ, শহিদুল ইসলাম, নুর মোহাম্মদ, এবাদত আলী ও শাহিনকে কারাদণ্ড দেয়া হয়। দিনাজপুরে পিকেটিংরত তিনজন শিবিরকর্মী মেহেদুল ইসলাম, বদরুল ইসলাম ও আসাদুল্লাহ আল গালিবকে ২ মাস করে, ময়মনসিংহে জামায়াতে ইসলামীর কামাল হোসেনকে ৫ দিনের, সাতক্ষীরায় মোটরসাইকেল ও টেম্পো ভাঙচুর করায় আলী সুমন নামে বিএনপির এক কর্মীকে ১০ দিনের এবং রাজশাহীতে শিবিরকর্মী ও রাজশাহী কলেজের ডিগ্রি তৃতীয় বর্ষের ছাত্র রফিকুল ইসলামকে ১ মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত। গাড়ি ভাঙচুর করায় বগুড়ায় বিভিন্ন মেয়াদে সাজা হয়েছে সাত জনের।
আসকের উদ্বেগ: হরতাল চলাকালে দেশের বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধমে গ্রেপ্তার ও তাৎক্ষণিক শাস্তির ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক)। গতকাল সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক সুলতানা কামাল স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বলা হয়, হরতাল ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে মোবাইল কোর্ট ব্যবহার করে আইনশৃঙ্খলায় বিঘ্নকারীদের দমনের নামে সাধারণ মানুষও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন। অতীতেও বিভিন্ন সময় সরকার কর্তৃক গণগ্রেপ্তারের সময় রাজনৈতিক ব্যক্তিদের মতো অনেক সাধারণ মানুষও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে এভাবে শাস্তি দেয়ার ঘটনা থেকে বিরত থাকার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে আইন ও সালিশ কেন্দ্র।
কোন কিছু যখন শুরু হয়, নতুন হিসেবেই শুরু হয়- টুকু: হরতাল সমর্থকদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের কার্যক্রম পরিচালনার উদ্যোগ নেয়ার প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু বিবিসিকে এক টেলিফোন সাক্ষাৎকারে বলেছেন, যারা হরতাল আহ্বান করেছে, তারা সাংবাদিকদেরকে বলছে, হরতাল আমাদের গণতান্ত্রিক অধিকার। তারা বলেছে, আমরা শান্তিপূর্ণ হরতাল করবো। কিন্তু সংবাদ সম্মেলনে বলার সময় আপনারা দেখেছেন, তাদের কর্মীরা পথচারীদের ওপর আক্রমণ করছে। তারা গাড়িতে আগুন দিচ্ছে। লোকজনকে হত্যার চেষ্টা করছে। সুতরাং, অপরাধীদের তাৎক্ষণিকভাবে একটি শাস্তি দিয়ে তাদের দুর্বল করার জন্য এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। অর্থাৎ, অপরাধীদের তৎপরতা প্রতিহত করে জনজীবনে শান্তি আনার জন্যই এ ব্যবস্থা। তিনি বলেন, এর আগে আমরা ইভটিজিং ও মাদকের আগ্রাসন ঠেকাতেও ভ্রাম্যমাণ আদালত ব্যবহার করেছি। তবে, হরতালে এর আগে মোবাইল কোর্ট ব্যবহার করা হয়নি। এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেছেন, জনগণের স্বার্থে নতুন আইন পাস হয় ও তা ব্যবহার করা হয়। তিনি বলেন, হরতালে এখন প্রয়োজন হয়েছে, অপরাধীদের বিরত রাখা জনদুর্ভোগ থেকে দেশের মানুষকে মুক্ত রাখা। এটা সরকারের দায়িত্ব ও পুলিশেরও দায়িত্ব। সে জন্য মহানগর পুলিশ এ ব্যবস্থা চালু করেছে। ওদিকে মোবাইল কোর্টে সংক্ষিপ্ত বিচারের পর কারাদণ্ড দেয়া প্রসঙ্গে শামসুল হক টুকু বলেন, হরতালের সময় যারা অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকবে, আগুন দেবে, নিরীহ জনগণের ওপর চড়াও হবে, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। তিনি বলেন, কোন কিছু যখন শুরু হয়, তখন তা নতুন হিসেবেই শুরু হয়। কিছুদিন চলার পর সে নিয়ম বা আইন পুরনো হয়ে যায়। আগে হরতাল ছিল গণতান্ত্রিক অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে জনগণকে আকৃষ্ট করা। কিন্তু হরতাল মানে এখন আতঙ্ক সৃষ্টি করা, গাড়িতে আগুন দেয়া, মানুষকে আঘাত করা। আর তা প্রতিহত করতেই এ ব্যবস্থা। যারা দণ্ডিত হয়েছেন, তারা কোন আপিলের সুযোগ পাবেন কিনা বিবিসির এমন প্রশ্নের জবাব না দিয়ে ফোন রেখে দেন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু।



৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×