আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এলজিআরডি মন্ত্রী সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে আলোচনায় বসতে বিরোধী দলের প্রতি আবারও আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এ নিয়ে বিএনপির সঙ্গে আলোচনায় প্রস্তুত আওয়ামী লীগ।
তিনি বলেন, বিএনপি আলোচনায় না এলে সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের আলোকেই সংবিধান পরিবর্তন করা হবে। সে সংবিধান অনুযায়ীই দেশে আগামী নির্বাচন হবে। ওই নির্বাচন প্রতিহত করার ক্ষমতা বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া কিংবা তার শরিকদের কারও নেই। সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম গতকাল শুক্রবার আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। খালেদা জিয়ার বৃহস্পতিবারের সংবাদ সম্মেলনে দেওয়া বক্তব্যের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানাতে আয়োজিত এ সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, আওয়ামী লীগ এককভাবে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চায় না। শেষ পর্যন্ত অপেক্ষা করা হবে। আমরা আশাবাদী যে, বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া আলোচনায় আসবেন। সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য, সংসদ, মিডিয়া ও স্যাটেলাইট টেলিভিশনের মাধ্যমে বারবারই বিএনপিকে আলোচনায় আসার আহ্বান জানানো হয়েছে। এরপরও বিএনপি যদি মনে করে, তাদের চিঠি দিয়ে আমন্ত্রণ জানাতে হবে, তাহলে কালই সে চিঠি পাঠানো হবে।
তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে আওয়ামী লীগ একতরফা কিছু করতে চায় না; কিন্তু বিএনপি আলোচনায় না এলে সর্বোচ্চ আদালতের রায় অনুযায়ী সংবিধান সংশোধনের জন্য যা যা করার তা-ই করবে। এ নিয়ে চূড়ান্ত ও একতরফা সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য না করতেও বিএনপির প্রতি আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, জনগণ ও নির্বাচনী ব্যবস্থার প্রতি যদি নূ্যনতম শ্রদ্ধাবোধ থাকে, তাহলে বিএনপিকে বলব আলোচনার দরজা এখনও খোলা; কিন্তু তা অনির্দিষ্টকালের জন্য নয়। সংসদে আসুন, আলোচনা করুন। আগামী নির্বাচনগুলো কীভাবে ত্রুটিমুক্ত, অবাধ ও সুষ্ঠু হতে পারে_ সে ব্যাপারে আপনাদের মতামত দিন। গণতন্ত্রের স্বার্থে যুক্তিযুক্ত
যে কোনো মত আমরা সাদরে গ্রহণ করব।
গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা আলাপ-আলোচনার ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত নিতে চাই। বিশেষ কমিটির প্রস্তাবের বাইরেও আলোচনা হতে পারে।
এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, কিন্তু কোনো দুরভিসন্ধি ও পাঁয়তারা সহ্য করা হবে না। জনগণের ভোটের অধিকার হরণ করার যে কোনো অপচেষ্টা জনগণকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিহত করার ক্ষমতা আওয়ামী লীগের রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়া তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল থাকলেই বিএনপি আলোচনায় যাবে_ এমনটি জানিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে সৈয়দ আশরাফ বলেন, আমরা বারবার আলোচনার জন্য আহ্বান জানালেও খালেদা জিয়া শুরু থেকেই 'না না' বলছিলেন। এখন নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন, প্রশাসন নির্দলীয়করণ এবং সর্বোচ্চ আদালতের রায় অনুযায়ী তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার সঙ্গে বিচার বিভাগকে সম্পৃক্ত না করা_ এ তিনটি প্রস্তাব মেনে আলোচনায় রাজি হয়েছেন; কিন্তু মূল বিষয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে তার অবস্থান থেকে সরেননি।
তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার থাকবে কি থাকবে না, তা নিয়ে তিনি আলোচনা করতে চান না। আশা করি তিনি এটিতেও হ্যাঁ বলবেন। শেষ মুহূর্তে আলোচনায় আসবেন। আলোচনায় যত তাড়াতাড়ি রাজি হবেন ততই দেশ ও জাতির জন্য মঙ্গল।
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, খালেদা জিয়া তিনটি বিষয়ে আলোচনায় প্রস্তুত থাকলে বাকি একটিতে নন কেন? তার বাকিটুকু মানতেও হয়তো আমাদের আরও কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে; কিন্তু তার আগেই হরতালের নামে দেশ-জাতি ও জনগণের জানমালের ক্ষতি করা হয়েছে। এগুলোর কোনো প্রয়োজন ছিল না।
বিএনপি ক্ষমতায় গেলে দলীয় চেয়ারপারসনের গুলশানের কার্যালয়কে আরেকটি 'হাওয়া ভবন' বানানো হবে_ এমন অভিযোগ করে তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াতের পাঁচ বছরে হাওয়া ভবন ছিল আল কায়দা, তালেবান ও হরকাতুল জিহাদসহ জাতীয়-আন্তর্জাতিক সব জঙ্গি-সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর হেডকোয়ার্টার। দুর্নীতি ও লুটপাটের প্রাণকেন্দ্র। বিএনপি আবারও ক্ষমতায় এলে চেয়ারপারসনের কার্যালয়কেও হাওয়া ভবনের মতো ক্ষমতার বিকল্প কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে দেশ-বিদেশে পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন মাহবুব উল আলম হানিফ, আহমদ হোসেন, অ্যাডভোকেট মিসবাহ উদ্দিন সিরাজ, বিএম মোজাম্মেল হক এমপি, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, ফরিদুন্নাহার লাইলী এমপি, মৃণাল কান্তি দাস, সুজিত রায় নন্দী, আমিনুল ইসলাম আমিন প্রমুখ।
খালেদা জিয়ার বক্তব্যের কিছু অংশকে মিথ্যাচার, স্ববিরোধিতা, অসত্য ও রাজনৈতিক সুবিধাবাদের নিকৃষ্ট নজির উল্লেখ করে সৈয়দ আশরাফ বলেন, কেবল তা-ই নয়, তিনি সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের বিকৃত ব্যাখ্যা দেওয়ার চেষ্টা করেছেন, যা আদালত অবমাননার শামিল। আদালতের রায়কে খণ্ডিতভাবে উপস্থাপন করেছেন তিনি।
তিনি বলেন, আদালতের রায়ে পরিষ্কারভাবে তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে অবৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। অথচ খালেদা জিয়া মূল রায় না মেনে 'আগামী দুটি নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হতে পারে' বলে দেওয়া আদালতের পর্যবেক্ষণকে মূল রায় হিসেবে অপব্যাখ্যা দিয়েছেন।
তিনি বলেন, সবকিছুতেই খালেদা জিয়া প্রথমে 'না না' বললেও পরে ঠিকই মানতে বাধ্য হন। গত নির্বাচনের আগেও স্বচ্ছ ব্যালট বাক্স, ছবিসহ ভোটার তালিকা, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং দেড় কোটির ওপর ভুয়া ভোটার বাদ দিয়ে শুদ্ধ ভোটার তালিকা মানতে চাননি। পরে এগুলো মেনেই নির্বাচনে গিয়েছেন। এবারও তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে আলোচনায় আসতে বাধ্য হবেন তিনি।
আরেক প্রশ্নের জবাবে সৈয়দ আশরাফ বলেন, খালেদা জিয়া প্রথমে তার আমলে তৈরি করা তত্ত্বাবধায়ক সরকার হুবহু বহাল রাখার দাবি জানালেও এখন আবার তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থায় বিচারপতিদের অন্তর্ভুক্ত না করার বিষয়ে আলোচনায় প্রস্তুত বলে জানিয়েছেন। অর্থাৎ আদালতের রায়ের বিষয়ে তার অর্ধেক উপলব্ধি হয়েছে। আশা করি বাকি অর্ধেক উপলব্ধিও হবে।
তিনি বলেন, খালেদা জিয়া ইলেকট্রনিক ভোটিং সিস্টেম (ই-ভোটিং) বিষয়টি বোঝেননি বলেই হয়তো এরও বিরোধিতা করছেন। আসলে ই-মেইল, ইন্টারনেট আর ই-ভোটিং এক নয়। তিনি এ বিষয়ে তার দলের বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করলে এটাও মানবেন।
বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে তোলা বিভিন্ন অভিযোগ নাকচ করে সৈয়দ আশরাফ বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের পাঁচ বছরের দুঃশাসন, দুর্নীতি ও লুটপাটের বিবরণ তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ডানে জামায়াত আর বাঁয়ে আমিনীকে নিয়ে খালেদা জিয়া গণতন্ত্র ও মৌলিক অধিকার রক্ষা এবং নারী উন্নয়ন প্রতিষ্ঠা করবেন_ এটা জনগণ আর বিশ্বাস করে না। সরকারের আড়াই বছরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের বিবরণ তুলে ধরে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ গণতন্ত্র, সংবিধান ও আইনের শাসনে বিশ্বাসী।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে ঠাণ্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নিন :ওবায়দুল কাদের
আওয়ামী লীগের সভাপতিমমপি তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে ঠাণ্ডা মাথায় সিদ্ধান্ত নিতে সরকারি ও বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারি ও বিরোধী দলকে মাথা ঠাণ্ডা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। একই সঙ্গে এ ইস্যুতে সর্বোচ্চ আদালতের রায়ের আলোকে নিঃশর্ত সংলাপে আসতে বিরোধী দলের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, শর্ত দিয়ে সংলাপ হয় না। আন্দোলনের চাপে নয়, সংলাপের যুক্তিতেই সরকার নমনীয় হবে। সরকার বিরোধী দলকে নিয়েই আগামী নির্বাচনে অংশ নেবে।
ওবায়দুল কাদের গতকাল ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে বঙ্গবন্ধু একাডেমী আয়োজিত 'গণমুখী বাজেট : বিরোধী দলের নেতিবাচক রাজনীতি' শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় এসব কথা বলেন। 'তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা থাকলেই সংলাপে যাবেন'_ সংবাদ সম্মেলনে খালেদা জিয়ার এমন শর্তের সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, আদালতের রায় নিয়েই আলোচনা করতে হবে।
বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়ার উদ্দেশে তিনি বলেন, সংসদে এসে কথা বলুন। তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিষয়ে বিকল্প কোনো প্রস্তাব থাকলে তুলে ধরুন। আপনাদের কথা যুক্তিপূর্ণ হলে আমরা মেনে নেব। প্রধানমন্ত্রী আপনাদের জন্য আলোচনার দরজা খোলা রেখেছেন। সংলাপের উত্তাপে সংকটের বরফ গলবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, খালেদা জিয়া সর্বশেষ সংসদ অধিবেশনে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর চেয়েও বেশি সময় বক্তব্য দিয়েছেন। অথচ তিনি এখন বলছেন, সংসদে ফেরার পরিবেশ নেই। তবে কি সদস্যপদ টিকিয়ে রাখতে, ভাতা নিতে ও বিদেশ সফরের সুযোগ পেতেই তারা সংসদে গিয়েছিলেন?
তিনি বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার বিষয়ে সর্বোচ্চ আদালতের রায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী অপব্যাখ্যা করছেন না। তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা থাকবে কি-না তার সিদ্ধান্ত নিতে আদালত সংসদকে পরামর্শ দিতে বলেছিলেন। সংসদ তার পরামর্শ জানিয়ে দিয়েছে। বিএনপিই বরং ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল সংক্রান্ত আদালতের রায়ের অপব্যাখ্যা করছে। তারা রায়ের একাংশ মানবেন, আরেক অংশ মানবেন না_ এটা ঠিক নয়।
নিজ দলের নেতাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, দায়িত্বশীল ব্যক্তি কা জ্ঞানহীন কথা বলে বন্ধুকে যেমন শত্রু বানাচ্ছেন, তেমনি দূরেও ঠেলে দিচ্ছেন। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিভিন্ন ইস্যুতে একই সুরে কথা বলার জন্য তিনি দলের সবার প্রতি আহ্বান জানান।
সংগঠনের চেয়ারম্যান হেমায়েত উদ্দিন বীরবিক্রমের সভাপতিত্বে গোলটেবিলে আরও বক্তব্য রাখেন আহমদ হোসেন, নজরুল ইসলাম বাবু এমপি, গোলাম কুদ্দুস, হুমায়ুন কবির মিজি, শেখ মোঃ জাহাঙ্গীর প্রমুখ।
'সমঝোতার কোনো বিকল্প নেই'
সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ড. আকবর আলি খান সমকালকে বলেন, সরকার ও বিরোধী দল যদি গঠনমূলক সমঝোতার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে না আসে তাহলে সমস্যার সমাধান হবে না। তিনি আশা করেন, দু'পক্ষই দেশ ও জনগণের বৃহত্তর স্বার্থে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ইস্যুতে সমঝোতার পথে এগিয়ে আসবে।
টিআইবির সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোজাফ্ফর আহমদ বলেন, বিরোধীদলীয় নেতা খালেদা জিয়া সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে যে দাবি উত্থাপন করেছেন রাজনীতিতে এ ধরনের দরকষাকষি হয়েই থাকে। তিনি মনে করেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা নিয়ে প্রধান দু'দলের মধ্যে এখনও আলোচনার সুযোগ আছে। একই সঙ্গে মোজাফ্ফর বলেন, সুপ্রিম কোর্টের রায়ের মাধ্যমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল হয়ে গেছে। এখন আবার তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল রাখতে হলে আলোচনা হতে হবে। এক্ষেত্রে সরকারকেই উদ্যোগ নিতে হবে। অবশ্য সরকার নমনীয় অবস্থানে রয়েছে। বিরোধী দলকেও আইনগত বিষয়টি বিবেচনায় আনতে হবে। প্রয়োজনে তৃতীয়পক্ষের মাধ্যমেও আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে।
সুজনের সাধারণ সম্পাদক ড. বদিউল আলম মজুমদার বলেন, বিরোধীদলীয় নেতার বক্তব্য থেকে বুঝলেন, তিনি আলোচনায় আগ্রহী। এটা ইতিবাচক। তিনি আশা করেন, এখন সরকার এগিয়ে আসবে। গণতন্ত্র ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সমঝোতা দরকার। একই সঙ্গে তিনি মনে করেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা এখনও বহাল রাখা সম্ভব। আদালত বলেছেন, আগামী দশম ও একাদশ সংসদ নির্বাচনের পর তত্ত্বাবধায়ক সরকার অবৈধ হবে। কাজেই 'বল' এখন রাজনীতিবিদদের কোর্টে। বিশেষ করে সরকারি দলের কোর্টে। সরকার ও বিরোধী দল জনকল্যাণে দায়িত্বশীলতার পরিচয় দিয়ে একটি সমঝোতায় পেঁৗছবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


