কবিতা লিখবার বড় সাধ হয়
কিন্তু কবিতা-ঘরের সব কটি দোর ও জানালায় খিল আঁটা
কার সাধ্য ঢোকে এ শিলিভূত ঘরে?
কবিতা মুখ থুবড়ে পড়ে থাকে আমার উঠোনে।
অথচ প্রতিবেশি-ঘরে খুব অনায়াসে কবিতা আসে
পয়মন্ত পড়শীর মতো তার অনায়াস যাতায়াত
ডোরাকাটা ঘুড়ির মতোন ওড়ে
কখনো বেভোল বালিকার মতো প্রাণবন্ত হাসে।
অধরা কবিতা দজ্জাল বুড়ির মতো কূটচাল হেনে
আমাকে নামিয়ে দেয় কবিতাহীন বিরান চাতালে
খুব যত্নে রূঢ়তার পাঠ দেয়
প্রবঞ্চক প্রলুব্ধতায় ঠেলে দেয় "অন্ধকার ধূসর জমিনে"
কবিতা অধরা থাকে-
খিলবদ্ধ আমার ঘরের চৌহদ্দী থেকে দুরে
কবিতা মুখরা হয়, বিলি কাটে কুমারীর চুলে আর
যুবকের নিকোটিন ঠোঁটে শান্ত চুমু খায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


