শাওন কে দেখে সেফালী দাঁড়িয়ে পড়ল। প্রায় গাঁ ঘেষে দাড়াল। শাওনের মাথাটা ঝাঝা করে উঠল। শেফালীকে আজ একটু বেশী গম্ভীর মনে হচ্ছে। সে বল্ল, কোথায় ছিলি?
শাওন কিছু বল্ল না, ফাইল দেখাল।
-ইন্টারভিউ?
শাওন মাথা নাড়াল।
- চাকরী হবে?
- না।
- বাড়ীর খবর জানিস?
- কার বাড়ীর?
- তোর।
- না।
- তোর বাবা হাসপাতালে। হার্ট এ্যাটাক। এখ্ন তেমন সমস্যা নেই। বেঁচে যাবে। সকালের দিকে ঝুমু শফিক ড্রাইভারের সাথে পালিয়েছে। ঝুমুর চিঠি পড়ে হার্ট এ্যাটাক করেছে তোর বাবা। আমি হাসপাতাল থেকে আসলাম। এখন ঘুমাচ্ছে।
শাওন বাবার হাসপাতালে ভর্তি, ঝুমুর পালিয়ে যাওয়া সম্পর্কে কিছুই বল্ল না। বল্ল, তোর কাছে দশ টাকা হবে?
- কি করবি?
- গাঁজা খাব।
সেফালী কটমট করে তাকাল, মনে হচ্ছে শাওনকে ভস্ম করে দেবে। কিছু না বলে গটগট করে চলেগেল সে।
বাড়ী ঢুকে কাউকে দেখতে পেল না শাওন। ঠান্ডা পানি দিয়ে অনেক্ষন ধরে গোসল করল। বেশ ফ্রেস লাগছে। সারাদিন কিছু খাওয়া হয়নি। খাওয়ার কথা মনে হতেই খিদেটা মাথা চাড়া দিয়ে উঠল। হাড়ি পাতিল, থালা বাসন ওলটপালট করল সে। কিছু পেল না। বুঝল আজ রান্না হয়নি। দু'গ্লাস ঠান্ডা পানি খেয়ে বিছানায় গাঁ এলিয়ে দিল। বাড়ীতে আজ যা কিছু ঘটেছে তার জন্য নিজেকে দায়ী মনে হলো শাওনের।
চলবে.....
মে মাসের স্বদেশ বিদেশ দেখতে এখানে ক্লিক করুন....
http://www.bangla.it/shodesbidesh/default.asp

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

