ধরুন মোবাইল
ধরুন না এই মোবাইল,
টিপে দিন কী করা লাগে যে?
খেলব গেম আমি যে।
এই চাচ্চু ধরুন না মোবাইল
বলব আমি এক কবিতা,
করে নিন রেকর্ডিং,
আমি পারি ওর চেয়েও।
ভাল চাচ্চু চাচ্চু।
ওরা সব ঘিরে আজ বসেছে,
মোবাইল আজ সব, সবে পেয়েছে।
পেঁক পেঁক
পেঁক, পেঁক, পেঁক
আমরা সবে চলি,
সারি দিয়ে চলি।
পেঁক, পেঁক, পেঁক
চলি একে বেঁকে
চলি মোরা পুকুরে,
হেঁটে, হেঁটে, হেঁটে
পেঁক, পেঁক, পেঁক
খেলি আমরা সাঁতারে,
পেঁক, পেঁক, পেঁক
ডুব দিয়ে মাছ ধরি,
কেঁক, কেঁক, কেঁক
ছাড়ি আমরা সোনার ডিম।
পেঁক, পেঁক, পেঁক
তুলি ঝিনুক শামুক আর,
কেঁক, কেঁক, কেঁক
গুরুর স্বরচিত কিছু কৌতুক
১.
দুই রুগী এক রিকশায় করে যাচ্ছে
একজন বলল - ঐ দেখ মেহেদী আসলে মনোচিকিৎসক না মানসিক রুগী
আর একজন বলল - কই ওখানে তো মেহেদীকে দেখছিনা
তার মানে তুই অলীক প্রত্যক্ষন করছিস।
২.
জানিস আমি মনে করি সে মানসিক রুগী
-কই আমাদের তো তা মনে হচ্ছেনা
-কিন্তু আমার কেমন জানি সন্দেহ হচ্ছে।
৩.
জানিস আমি আজ মেহেদীকে দেখলাম বাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে
তাই তারপর কী করলি
তারপর,তারপর হঠাৎ ইন্টারনেটের লাইন চলে গেল
ওহ! আর কিছুই করতে পারলাম না।
৪.
দুই চোর- দেখ দেখ আমরা কী সুন্দর ভাবে চিঠি উঠিয়ে আনলাম
তৃতীয় চোর- কী ভাবে রে?
কেন নামের জায়গায় মোবাইল নম্বও দেখিয়ে
তোরা কীভাবে জানলি যে সেই মোবাইল নম্বর
কেন অন্য দল পেকেটের ঠিকানা আর মোবাইল নম্বর ছবি তুলে পিকচার মেসেজ দিয়েছে।
৫.
দেখ দেখ মেহেদীর ছবিতে আমার নাড়–মাথা জোড়া দিয়েছি।
তুই নাড়– হলি কী ভাবে?
ওর নামে বাজে কথা বলেছিলাম তাই আমাদের মাথা সবাই নাড়– করে দিয়েছিল।
৬.
দেখ মেহেদীর কেমন ছবি বানিয়ে আনলাম
কেন কেন ?
কারন আমরা জিনাখানা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক বলে।
গুরুর রচনাসমগ্র এখানে
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


