আমার প্রিয় পোস্ট

বিকট

প্লাস্টিকের ফুল আর খেলনা একতারার গল্প

০৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫৬

শেয়ারঃ
0 0 0


নীরা সুখ খোঁজেনা এখন আর। সপ্তাহান্তে মাতাল স্বামীর গালির তোড়ে ভেসে যেতে পারে অনায়াসেই। অথবা রাত আরেকটু বাড়লে নিস্পৃহ সঙ্গম অভ্যাসের পরে নিরাসক্ত দৃষ্টিতে এক পলক তাকিয়েও নিতে পারে মৃত সম্পর্কের চোখে । নীরা সুখ খোঁজেনা এখন আর। তবে নীরা বিনোদন খোঁজে।

রাতের বেলা ওর সেলফোনটা নিস্তব্ধ থাকে। কিন্তু ও ঠিকই খুঁজে নেয় আকাঙ্খিত তড়িৎ বার্তা।
ফিসফাসফিস। নীরা নারী হয়ে ওঠে ক্রমশঃ...

নীরাকে একজন অলৌকিক ক্ষমতাধারী ব্যক্তি একটি বিশেষ বস্তু উপহার দিয়েছে। তার অক্ষম জরায়ুতে হয়তোবা তা প্রাণ যোগাবে।

নীরা সেদিন ফুলের হাটে গিয়েছিলো। কিন্তু এতগুলো সুগন্ধী প্রাকৃতিক ফুল থাকতে সে একটা প্লাস্টিকের ফুল কিনলো! ওটাতে নিয়মিত পানি দেয় সে। কেন, কে জানে!

নীরার স্বামী খুব ঘুমুতে শিখেছে ইদানীং। অফিসটাইমে মাঝেমাঝেই ঊর্ধতন কারো ধমকিতে পড়িমরি করে জেগে ওঠে। ফাইলপত্তরের মধ্যে ডুবে থাকতে তার যে খুব সুখ হয় তা না। তাই সে সুখ খোঁজেনা। সে বিনোদন খোঁজে। সপ্তাহান্তের বিনোদনটা সে খুব উপভোগ করে। প্রাইভেট ক্যাবে করে ঊন্মাতাল বিনোদনের উৎস খুঁজতে সে পেরিয়ে যায় কুয়াশা ভেজা মাঠ, শৈশবের সোনারঙ, আর ঘাসফড়িঙের ঘর। তবে ওসব সে দেখতে পেলেতো!

টুংটাংটুং। সে পুরুষ হয়ে ওঠে খুব। বাড়ি ফিরে ত্যাঁদড় বৌটাকে আজকে পেটাতেই হবে। শুধু গালি গালাজে আর মন ভরেনা। ভাবে সে।

পানশালা থেকে ফেরার পথে সে কি মনে করে যেন একটা খেলনা একতারা কিনে আনে। প্রায়শঃই তাকে ওটা বাজাতে চেষ্টা করতে দেখা যায়। কোন সুর বের হবেনা জেনেও! কেন কে জানে।

সেদিন তারা একসাথে বেড়িয়েছিলো। নীরা তার ভ্যানিটি ব্যাগে গোপনে একটুকরো সুখ ভরে নিয়েছিলো, ফেলে দিয়েছিলো পরপুরুষের চুম্বন, অনুদ্দীপ্ত ক্লিটোরিস, আর জমে থাকা একগাদা খিস্তি। তার হ্যাবি"ও (ওদিন তারা বেশ ফাঙ্কি মুডে ছিলো) পকেটে একটা কবিতার পাতা নিয়ে গেলো। কি মনে করে যেন পকেট থেকে সব টাকা পয়সা বের করে পুড়িয়ে ফেলল।

শহরের সবচেয়ে বড় উদ্যানটায় তারা ঢুকতে পারলোনা। কারণ, তারা ছিলো কপর্দকহীন। ওখানে বেশ চড়া মূল্যে সুখ বিক্রী হচ্ছিলো। ওদের এ হতশ্রী অবস্থা দেখে এ শহরের সন্ধ্যাটা নেমে এলো কিছু বিনোদন উপঢৌকন নিয়ে। কিন্তু আশপাশের অজস্র অসুখী চুন্বন, আর অস্থায়ী আলিঙ্গন ওদেরকে উদ্দীপ্ত করতে পারলোনা মোটেও। পাংশু মুখে ফিরে গেল সাঁঝের মায়া, এই আফসোসটুকু নিয়ে, আরো কতকিছু তার দেবার ছিলো ওরা যদি দেখতে পেতো!

হঠাৎ করে ওদের ব্যবহার্য বস্তুগুলো সচল হয়ে ওঠে। মানিব্যাগে ভর্তি হতে থাকে টাকা। ভ্যানিটিব্যাগে এঁটো চুম্বন। ওদের সেলফোন বেজে ওঠে। ওরা দূরে সরে যায় কথা বলার অজুহাতে।

ওদের আর কথা বলা হয়না।

নীরা এখনো তার প্লাস্টিকের ফুলের টবে পানি দেয়।
নীরার স্বামী এখনও খেলনা একতারাটা বাজাতে চেষ্টা করে।
কেন কে জানে!



 

সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:১৮ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০২
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: কঠিন ।
আমি ফার্স্ট! আমি ফার্স্ট! ! B-)
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:১২

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস! থ্যাংকস!

২. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০৩
রোডায়া বলেছেন: আসলেই, কেন কে জানে!

পড়তে বেশ ভালো লাগলো৷
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:১৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রোডায়া। অনেক ধন্যবাদ।

৩. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০৬
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: কমেন্ট পরে দিমু, আগে টাইপো সামলান। /:)

১. জরায়ূ - জরায়ু
২. হাঁটে - হাটে
৩. কপর্দকহীণ - 'ণ' এর জায়গায় 'ন' হবে
৪. ত্যাদোড় - ত এর উপরে একটা চন্দ্রবিন্দু হবে
৫. উপঢৌকন - ঢ এর জায়গায় ট হয়ে গেছে
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২০

লেখক বলেছেন: আমি ভাবসিলাম এই গল্পে কোন টাইপো থাকবোনা। দাঁড়া /:)

এইবার দ্যাখ :)

৪. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০৬
আকাশ অম্বর বলেছেন:

ভ্যানিটিব্যাগে এঁটো চুম্বন। অনুদ্দীপ্ত ক্লিটোরিস। শৈশবের সোনারঙ। ঘাসফড়িঙের ঘর।

০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২২

লেখক বলেছেন: পাঠের জন্যে ধন্যবাদ ভ্রাতা। আমরা সব হারিয়ে ফেলেছি....

৫. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:০৮
আরিফ থেকে আনা বলেছেন: গল্প আর স্ক্রীণশটের দূর্বোধ্য বক্তব্য এই ছোট্ট মস্তিষ্কে ঢুকলনা /:)
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৪

লেখক বলেছেন: বক্তব্য খুব বেশি দূর্বোধ্য নারে ভাই। আসলে কোন বক্তব্যই নাই। আসলে কিছুই নাই। এইটাই গল্প। প্রকাশ করতে না পারাটা আমার ব্যর্থতা।

০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!

৭. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:১১
পল্লী বাউল বলেছেন: একতারার তার ছিঁড়ে গেছে সেই কবে
নীরার হাতে আজ অন্য কেউ
আমি একা, নিঃসঙ্গ
প্রতিনিয়ত পানি দিয়ে যাচ্ছি
নীরার ফেলে যাওয়া প্লাস্টিকের ফুলে।।



হামা ভাই, অনুবাদ করে দেবো নাকি? :) :)
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৭

লেখক বলেছেন: একেকজনের অনুবাদ একেকরকম। জীবন যে যেভাবে দেখে!

৮. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২২
তারার হাসি বলেছেন:
একটি প্লাস্টিকের ফুলে পানি দেয় আরেকটি প্লাস্টিকের ফুল।
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৮

লেখক বলেছেন: আমরা সতেজ সজীব ফুলের জন্ম দেখতে চাই। ধন্যবাদ তারার হাসি। ভালো থাকুন।

৯. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৩০
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: ওরে..................... !!
চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়ার পরেও ৫টার মধ্যে এখনও ২টাই আগের মত রয়ে গেলো!! X((
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: ভানাম ভুল কুনো ভেপার্না। পরে ঠিক করুমনে। অহন পারুমনা।

১০. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪২
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: অখনও একখান বাকি আচে! /:)

(যতক্ষণ ঠিক না হৈপে, ততক্ষণ পেলাচ পাইবানা। আমার হাতের পেলাচ খাইতে নাকি চ্রম মজা!) :P
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৮

লেখক বলেছেন: যেই কয়টা কৈছো সব গুইনা গুইনা ঠিকক্কর্লাম। :( তুমারচুখের্ভুল হৈতাসে মনে হয় :-B

১১. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৪
রোদেলা বলেছেন: no comment..direct priote...
a diffent but real touch of life.ami bangla likhtei bhule gelam.

০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ রোদেলা।

অফটপিক- priote... কথাটা আমি প্রথমে বুঝতে পারিনাই। ভাবসিলাম কোন ইংরেজি শব্দ বোধহয় যেটার অর্থ আমি জানিনা :)

১২. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৫
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: আচ্ছা!!... আর উপঢৌকন যে উপটৌকনই রয়ে গেলো! ;)

থাক হামা, বাদ দিন... গল্প খুব সুন্দর হয়েছে , খুব সুন্দর কনসেপ্ট। ভালো লাগলো অনেক (সব মিথ্যে করে বললাম, একটাও বিশ্বাস করবেন না!) :P
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৩

লেখক বলেছেন: উপঢৌকন আর উপটৌকন আমার কাছে কনফিউজিং লাগতেসে :(

আইচ্ছা, বিশ্বাস কর্লাম্না। অবশ্য না করার কারণও আচে। পেলাচ তো বার্লোনা :(

১৩. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৩
ভাঙ্গা পেন্সিল বলেছেন: অনেককিছু বুঝেছি ভেবে শেষে এসে দেখি কিছু বুঝি নাই।:|
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৩

লেখক বলেছেন: বুঝাবুঝির কিছু নাই। প্লাস্টিকের টব জীবন্ত করতে পার্লেই হৈলো। কিন্তু কয়জন আর পারে সেইটা। বৃথাই পানি ঢালা!

১৪. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩১
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: বিশ্বাস করেন হামা, আমি পেলাচটা দিয়া দিতাম, খালি ভেবু আমারে দিতে দিলো না (খালি কয়, আগে টাইপো ঠিক্কোরুক, হের পরে দিস, তার আগে না!) :P
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৩৭

লেখক বলেছেন: অল ডান। এইবার? :#)

১৫. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৪৩
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: থ্যাঙ্কস... ভেবু ইজ রিয়েলি অনারড (প্রাপ্য পেলাচটি এক্ষণে বুঝিয়া লহ হে গুণী গল্পকার!) :``>> :``>>
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৪৯

লেখক বলেছেন: আসলে.....পেলাচ মাইনাচ দিয়া কিছু যায় আসেনা। আপ্নি পড়েছেন এতেই আমি ধন্য। আপ্নি বরং আপ্নার মহামূল্যবান পেলাচ ফিরায়াই নিয়া যান /:)

০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৫৯

লেখক বলেছেন: .......এবং অতি উচ্চ গলনাংকের.......

১৭. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:১১
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: ও ছুট্টু দুষ্টু হামা, গোস্বা কর্লানি! আরে মজাক কর্লাম, ছেলেভেরেটিরা খ্যাপ্লে কি করে ইট্টু দ্যখার ইচ্ছা হৈলো! :P
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:১৫

লেখক বলেছেন: না....খেপমু কেন, ছেলিব্রেটিরা আম্ব্লগার্গো কেমনে খ্যাপায় এইডা এক্টু দেক্লামার্কি B-)

০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:২৩

লেখক বলেছেন: কিমম?

০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৫৪

লেখক বলেছেন: সবাই খালি হুমায় ক্যান! তয় আপ্নের হুমানিডা ১৮ নং এর চে জোরালো হৈছে, এই আর কি /:)

২০. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৫৬
কঁাকন বলেছেন: জটিল হইছে
নীরা নামটা শুনলে আমার মনে হয় সুনীলের নীরা যদিও তার কোন কপিরাইট নাই তবুও মনে হয় এই নামটা ব্যাবহার করার অধিকার আর কারো নাই :(

লেখক বলেছেন: বুঝাবুঝির কিছু নাই। প্লাস্টিকের টব জীবন্ত করতে পার্লেই হৈলো। কিন্তু কয়জন আর পারে সেইটা। বৃথাই পানি ঢালা! (আমার কাছে কিন্তু গল্প পড়ে মনে হয়েছে প্লাস্টিকের টবে পানি ঢেলে যাওয়া আর খেলনা একতারা বাজানোর চেষ্টা করাটাও একটা বড় ব্যাপার এভাবেই হয়তো একদিন রাজকন্যার চুমুতে ব্যাঙ রাজকুমার হবে)

ভালো থাকুন
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:০৯

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ আপনার কথাটাও ঠিক আছে। কিন্তু গল্পটা লেখার সময় আমার মনে হচ্ছিলো কিচ্ছু ঠিক হবেনা। এই পানি ঢেলে যাওয়াটা বৃথাই।

আমি আসলে গল্প লেখার সময় কাহিনীর চেয়ে ফরম্যাটটা বেশি গুরুত্ব দেই। সেই হিসেবে প্লাস্টিকের টব আর খেলনা একতারার ব্যাপারটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ, এই গল্পে।

কিন্তু ঐ যে মাথায় এসেছিলো...সব বৃথা...কিচ্ছু হবেনা....এরকম হয়, মাঝেমধ্যে।


আপ্নিও ভালু থাক্বেন ক্ষ্যাত্রেড :#)

২১. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:১৩
কঁাকন বলেছেন: আমারে ক্ষ্যাত্রেড না কইয়া ক্ষ্যাতিশ বোর্ড কইলে ভালো হয়; একটু বেশি সম্মানিত বোধ করি :P
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:১৮

লেখক বলেছেন: হ......আর সম্মান। যেই হারে সুশীল কমেন্ট দিতাসেন...কয়দিন আর এই উপাধি থাহে, দেহেন /:)

২২. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:১৪
পাথুরে বলেছেন: ইডারে কয় যাপিত জীবন......
খবর কিতা?
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:২০

লেখক বলেছেন: যাপিত জীবন......ইহাই কি হবার কথা ছিলো?

খবর কিতা? ইরামই কি হৈবেক আমাদিগের? :(

২৩. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:১৯
দ্রোহি বলেছেন: প্রেজেন্ট প্লিজ। পড়ে পইড়া কমেন্ট করুম।
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:২৩

লেখক বলেছেন: রোল নাম্বার ২৩। মনে থাহে যানি /:)

২৪. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:২৪
কঁাকন বলেছেন: ব্লগীয় পরিভাষায় সুশীল কিন্তু বেস খারাপ গালি :(
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৩২

লেখক বলেছেন: খারাপ গালি তো ক্ষ্যাত্রাই দিবো। সুশীল্রা তো আর্দিবোনা। আর্তাছাড়া আম্রা আম্রাইতো :#)

২৫. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৩০
পাথুরে বলেছেন: কথা থাকে ...থাকেও না... জীবন চলে নিজের মত........

চলতেই আছে...চইলবেক... :(




মরার উপ্রে খাঁড়া..আজকে গেলাম ৭টায়.। আবার ১১টায় অফিস আইলাম...শান্তি নাই...দুইন্যার যত গ্যান্জাম আইসা হাজির হৈছে..মনে হৈতাসে সকালটাও কামলা দিয়াই যাইব. X( ..মেজাজ চরম বিলা...২০ মিনিট ব্রেক নিলাম....
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৩৮

লেখক বলেছেন: করুণ কাহিনী :(

০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৯

লেখক বলেছেন: আমিও হুমাইলাম। সবাই হুমাইতে পার্লে আমি হুমাইতে পারুম্না ক্যান? আমারো আচে অদিকার।

২৭. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৫৪
পাথুরে বলেছেন: বিড়ি মাইরা আসলাম টানা কয়েকপিস...

অ....হুমাইতে ভুইল্যা গেসলাম
হুমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমমম :D
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৫৯

লেখক বলেছেন: বিড়ির কতা কৈয়াতো আফসুসিতো কর্লেন। ইস্টক শ্যাষ :(

২৮. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:০১
কঁাকন বলেছেন: আচ্ছা নীচে দেখতেসি দুইটা ছবির শর্টকাট ভার্সন একটা ছবি পোস্টের প্রথমে আছে আরেকটা ছবি পোস্টের কোথাও নাই, একটা স্ক্রীন শট ওটা কী ইচ্ছাকৃত না সামহয়ারের বাগ?
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:১০

লেখক বলেছেন: এ্যাঁ! এইডাতো খিয়াল করিনাই। এইডা সামু্র্বাগ। তয় ঠিক্কর্তে পার্মু বৈলা মনে হয়না :(


নাহ পার্সি। আমি পার্সি :D

০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুনিয়া।

৩০. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:২৪
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
"নীরা এখনো তার প্লাস্টিকের ফুলের টবে পানি দেয়।
নীরার স্বামী এখনও খেলনা একতারাটা বাজাতে চেষ্টা করে।
কেন কে জানে!"
কেনো যে কি ঘটে কে জানে!
কেউ কি জানি!

গল্প কিন্তু মনে হলো আবৃতী করলে দারুণ শোনাবে।
ভাল্লাগলো।
শুভেচ্ছা হাসান....।



০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৩১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপু! আপনার কমেন্টের অপেক্ষায় ছিলাম। ভালো থাকুন, প্লাস্টিকের ফুলের কৃত্রিমতা নয়...স্নিগ্ধ সতেজ ফুলের সুবাস ছুঁয়ে যাক আপনার জীবন।

০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:১০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ এ্যাশ!

০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:১৭

লেখক বলেছেন: তবুও নিরন্তর......

৩৩. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:০২
আকাশ_পাগলা বলেছেন: পুরা চ্রম। পুরা চ্রম। চ্রম চ্রম।
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:১৭

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস পাগলা থ্যাংকস পাগলা থ্যাংকস পাগলা :)

৩৪. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:২৯
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: অনেকদিন পরে লগ-ইন করলাম শুধু এই কথা জানাতে যে- দারুণ!!

সোনার দোয়াত-কলম হোক আপনার...
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৩৮

লেখক বলেছেন: আপনি না আসলে আপনাকেই লিংক দিয়ে আসতাম। আসতে আপনাকে হতই! অনেকদিন পর একটা গল্প লেখলাম। সর্বশেষ লিখেছিলাম ছয় মাস আগে। আপনার কথা শুনে সত্যি সত্যিই প্রেরনা পাচ্ছি। ভালো থাকুন......

৩৫. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৩৩
মোস্তাফিজ রিপন বলেছেন: চ্রম কথাটা জোশ!! শব্দটার আবিষ্কারক্রে থ্যাঙ্কু দিতে মঞ্চায়...
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৩৯

লেখক বলেছেন: :) আসলেই জোসসসস। চ্রম!

৩৬. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৫৪
শাওন৩৫০৪ বলেছেন: পোষ্ট পৈড়া ৫/৭ মিনিটেও কোনো কমেন্ট করতে পার্লাম্না...বিমোহিত..
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:০৫

লেখক বলেছেন: সত্যি কথা বলতে কি...আমি নিজেও ৫/৭ মিনিটে তোমার কমেন্টের কোন রিপ্লাই খুঁইজা পাইলামনা।

আপ্লুত হৈলাম......

এই গল্পটা লেখা আমার দরকার ছিলো, বা এই টাইপ কিছু। অসুখী লেখা দিয়ে অসুখী মনকে শান্ত করার চেষ্টা... কিছুটা হৈলেও কাজ হৈসে!

৩৭. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:২৭
পারভেজ বলেছেন: বেশ গদ্য কাব্য
+++
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পারভেজ ভাই।

৩৮. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৬
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: অনেক ভালো লাগলো দোস্ত ।

+++++
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:০৪

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস দোস্ত! তোর কমেন্টের অপেক্ষায় ছিলাম। এত পরে আসলি! কালি চাপুফায়িং ;)

৩৯. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৯
কালিদাস কবিয়াল বলেছেন: ব্লগে মোস্তাফিজ রিপনের পর যার গল্প পড়ে ভালো লাগলো, সে হল হাসান মাহাবুব। গল্পে কাব্যের মিশেল- ঘোর লাগানো শব্দসুর- সামগ্রীকতার হালকা স্ক্রেচ, এ ঘরনার গল্পগুলো বরাবরই আমাকে মুগ্ধ করে। তবে গল্পটি আয়তনে খুব ছোট হয়েছে, আরেকটু বড় হলে মন্দ হতো না। কি বলা যায় একে... হাইকু স্টোরি!
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:০৮

লেখক বলেছেন: মোস্তাফিজ রিপনের সাথে আমার তুলনা...কি যে বলেন। উনিতো গল্পই লিখে থাকেন, আর ব্লগে আমার গল্প কয়টা বলেন! এই গল্পটাকে আরেকটু বড় অবশ্যই করা যেতো। সত্যি কথা বলতে কি, পাঠক পড়বে কি পড়বেনা বেশি বড় হলে, আবার ছোট হলে অতৃপ্তি নিয়ে যাবে কিনা.. এরকম একটা বানিজ্যিক সামঞ্জস্য রেখে গল্পটার আকার নির্ধারণ করেছি। ভেজাল লেখক হৈলে যা হয় আর কি!

৪০. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:১২
কালিদাস কবিয়াল বলেছেন: কমার্শিয়াল চিন্দা-ভাবনা বাদ দিয়ে মুক্ত মনে লিখুন; আমার বিশ্বাস মাহাবুব ভাই আপনি পারবেন- সময়ের বিশুদ্ধ লেখক হতে।
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৮

লেখক বলেছেন: আমার হবেনা আমি বুঝে গেসি বস্। একসময় লেখক হওয়ার ইচ্ছা ছিলো, এখন সেইটাও আর নাই, কেম্নে হবে বলেন।

০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৮

লেখক বলেছেন: অবশ্যই চিন্দা= চিন্ত্যা :)

৪২. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:১৮
কালিদাস কবিয়াল বলেছেন: এইডা কি রকম হইছে দেখেনতো বস...

Click This Link
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৪২

লেখক বলেছেন: দুর্দান্ত।

৪৩. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৩
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: এই পোস্টের ছবিটা অনেক সুন্দর হইসে। কিন্তু হামা আপনি বোধহয় ছবি আগে হার্ডডিস্কে সেভ করে নেন, তারপরে এখানে অ্যাড করেন, তাই না? এইজন্যেই ছবিগুলো খুব ছোট আসে সবসময়। সেভ না করে সরাসরি ওয়েব থেকেই লিঙ্ক দিয়ে আপ করবেন, তাহলে দেখবেন ছবিটা একদম প্রপার সাইজে আসবে। একটু ট্রাই করেন না হামা, এই ছবিটা বড় করে দেখতে ইচ্ছে করছে!
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৩

লেখক বলেছেন: এটার মূলছবিটা মাইস্পেসে আপলোড করা। ওখান থেকে দিলে আসেনা। তাই থাম্বনেইল ভার্শনটাই দিলাম।

৪৪. ০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৩
ফয়েজ ০৮ বলেছেন: এক দমে পড়লাম। এক কথায় দারুন।
০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৪০

লেখক বলেছেন: পাঠকের ভালো লাগাতেই আমার আনন্দ। ধন্যবাদ ফয়েজ।

০৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৮

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস। নতুন পোস্ট দাওনা ক্যানো? X((

৪৬. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৬
বিষুন বলেছেন: ফেলে দিয়েছিলো পরপুরুষের চুম্বন.........
পকেট থেকে সব টাকা পয়সা বের করে পুড়িয়ে ফেলল.........


তার পরও গল্পকার কে লিখতে হয় - কেন জানি না । এভাবেই ছড়িয়ে যায় আমাদের চারপাশের অসুখের গল্প ।
ভাল থাকুন
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বিষুন। গল্পকারও হয়তো একদিন সব লেখা পুড়িয়ে ফেলবে! আমাদের ভালো থাকা!

৪৭. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:১২
দ্রোহি বলেছেন:
প্লাস্টিকের ফুল আর খেলনা একতারা ব্যাস্তনুপাতিক টু নীরা, স্বামী...

পানি... বেসুর....


পড়া দিয়া গেলাম ষ্যাঁড় B-))
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:২৯

লেখক বলেছেন: ফুল মার্কস দিলাম ছাত্তর :-B

৪৮. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৫৪
মারুফের রহমান বলেছেন: বন্ধু- আমার এই সপ্তাটা বড়ই নাখান্দা যাচ্ছে,তার উপর ক্র্যাশ হলো ল্যাপটপ,গত দুইদিন ব্লগে ঢুকতে পারিনি তাই।
এক-কথায় তোমার লেখাটা পড়ে মনটা বড্ড ফ্রেশ হয়ে গেছে।অসাধারন লিখেছো বন্ধু অসাধারন।আমি আছি তোমার সংগে।
গো-এহেড।
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:০৭

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস...থ্যাংকস আ লট।

৪৯. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:০৫
শয়তান বলেছেন: নারী চরিত্রে নামে এত আকাল পরছিল???
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:০৮

লেখক বলেছেন: নারী চরিত্রের কোন নামই মনে আসেনা এখন আর!!!

৫০. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৫০
কাজল রশীদ বলেছেন:
ভালো লাগা জানাই।
আপনার সাথে যোগাযোগের মাধ্যমটি জানাবেন।

Click This Link
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কাজল রশীদ। অবশ্যই জানাবো।

৫১. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৫৪
ভাঙ্গন বলেছেন: নীরা নারী হয়ে ওঠে ক্রমশঃ...
...
কবি...!
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১২

লেখক বলেছেন: কবি......যদি হতে পারতাম সত্যিকারের কবি!

৫২. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:১৮
বৃত্তবন্দী বলেছেন: একটুকরো জীবন...


বিচ্ছিরী...
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১৩

লেখক বলেছেন: বিচ্ছিরী রে ভাই, সবই বিচ্ছিরী....

৫৩. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৯
রুমমা বলেছেন: হালকার উপরে ঝাপসা পড়লাম কিনতু বুজলামনা।তাই আবার পড়তে হবে মনে হচ্ছে।তরে একটা ডিং দিতে আসছিলাম।আছিস কেমন?
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১৫

লেখক বলেছেন: ডিং। অত না বোঝাই ভালো রে। তুইই অনেক ভালো আছিস। ভালো থাকিস....

৫৪. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১৪
নীল-দর্পণ বলেছেন: নাহ এইসব বোঝার মত মথা আমার না.....:(
যাইগা.....
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:২৭

লেখক বলেছেন: :( স্যরি....আবার আইসো :)

৫৫. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৩০
ভাঙ্গন বলেছেন: কবি বলতে মিথ্যা কিছুই নাই।
কবি...!
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৩

লেখক বলেছেন: আচ্ছা তাই সই :)

৫৬. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৩
তাজা কলম বলেছেন: সুন্দর লেখা। কবিতার মতোনই গল্পটিতে মোহিত হলাম। +++
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:০৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ তাজা কলম!

৫৭. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৬
নাজমুল আহমেদ বলেছেন:

দারুন ফরম্যাট... দারুন গল্প.... :)



৫০তম পোষ্টের অগ্রিম অপিনন্দন রইল B-) B-)
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:১১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ..ধন্যবাদ..!


আর ৫০ তম পোস্ট! কত ৫০ তম পোস্ট আইলো আর গ্যালো! আমার আগের পোস্টটাও কিন্তু ৫০ তম পোস্ট ছিলো ;)

৫৮. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৪৮
সুবিদ্ বলেছেন: কি মনে করে যেন পকেট থেকে সব টাকা পয়সা বের করে পুড়িয়ে ফেলল।......ইস!! টাকাগুলা না পুড়াইয়া আমারে স্বত্ত্বত্যাগ কইরা দিয়া দিতে পারলোনা.....:)

পড়তে ভালো লাগছে.....কিন্তু টাকা পুড়ানোর ব্যাপারটায় হার্ট হইছি.....:(...অন্যকিছু করা যায়না, যেন টাকাগুলা ব্যবহারযোগ্য থাকে......
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৫১

লেখক বলেছেন: হঠাৎ করে ওদের ব্যবহার্য বস্তুগুলো সচল হয়ে ওঠে। মানিব্যাগে ভর্তি হতে থাকে টাকা।

এই লাইনগুলা খেয়াল করোনাই!

৫৯. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৬
সোনালীডানা বলেছেন: কেন কে জানে!
চমৎকার লাগল লেখাটা।
অসাধারন লিখেছেন হাসান ভাই:)
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সোনালীডানা!

৬০. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৭
শয়তান বলেছেন: ওপস্‌ । নীরা নীতায় সংঘর্ষ হৈয়া গেসিলো । স্যরি :(
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১২

লেখক বলেছেন: আরে নাম কোন ব্যাপার নাকি! :)

৬১. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৫
মেহবুবা বলেছেন: গুনী লেখকের লেখা । ভাল লাগা রেখে গেলাম ।
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:২৬

লেখক বলেছেন: গুনী লেখিকার মন্তব্য পেয়ে খুব ভালো লাগলো। অনেক ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন আপু।

৬২. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৩০
হেমায়েতপুরী বলেছেন: নীরা এখনো তার প্লাস্টিকের ফুলের টবে পানি দেয়।
নীরার স্বামী এখনও খেলনা একতারাটা বাজাতে চেষ্টা করে।
কেন কে জানে!


বাহ! হাসান... স্যলুট।
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ হেমায়েতপুরী!

৬৩. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০৭
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: লেখার ফ্রেম, দৃশ্য উপস্থাপন চমক লাগিয়ে দিলো। আমি তিন-চারবার পড়ে ফেললাম। লেখার পর থেকেই পড়ছি। :)

দ্বিতীয় লাইনে 'পতিতার মতো' উপমাটা বিসদৃশ লাগছে কিছুটা। পতিতার সাথে অর্থের যোগাযোগ থাকে। অভালোবাসার বিয়েতে স্বামীস্ত্রীর মাঝে শারীরিক সম্পর্কটা কেবলই একপেশে। সেখানে নারীর পাওনা পতিতার চেয়েও কম বলে মনে হয়। ভেবে দেখতে পারেন ব্যাপারটা।
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ছন্ন!

ঠিকই বলেছেন কথাটা। এবার একটু দেখুনতো।

১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ছায়ার আলো।

৬৫. ১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৪৯
ডিজিটাল দুষ্ট ছেলে বলেছেন: নো কমেন্ট লেখার ব্যাপারে আপাতত ।শরীর ভালোনা।তোর কি খবর?
১০ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: আমি পুরা টাল হয়া আছি দোস্ত।অনেকদিন ধৈরাই। তর শইলে কি হৈছে?
অনটপিক কমেন্ট কিন্তু পাওনা থাকলো।

৬৬. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫৮
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: আপনার এই লেখাটা খুব দ্রুত অনেক বেশি মানুষকে ছুঁয়ে গেছে, খেয়াল করেছেন?... ভালো লাগছে না দেখে? :)
১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৭

লেখক বলেছেন: তা আর বলতে! :)

৬৭. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৪৬
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
বস্!









পকেটে একটা কবিতার পাতা নিয়ে গেলো। কি মনে করে যেন পকেট থেকে সব টাকা পয়সা বের করে পুড়িয়ে ফেলল।
পকেটে একটা কবিতার পাতা নিয়ে গেলো। কি মনে করে যেন পকেট থেকে সব টাকা পয়সা বের করে পুড়িয়ে ফেলল।
১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৫৩

লেখক বলেছেন: নীরা এখনো তার প্লাস্টিকের ফুলের টবে পানি দেয়।
নীরার স্বামী এখনও খেলনা একতারাটা বাজাতে চেষ্টা করে।


দোস্ত :(

৬৮. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৫৫
রুবেল শাহ বলেছেন:
পড়ার পর শুধু একটি শব্দই উচ্চারিত হল ........ওহ
সত্য আমি মাতাল রাতে মত মুগ্ধ ...............
=======

আমি সুরে কখনই কিছু বলতে পারি না............

অন্তত বেসুরে অনন্ত ভাল লাগা রইল ..........


==== শুভেচ্ছা হাসান ভাই
১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:০৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে :) আপনারা পড়েন বলেই লেখার সাহস পাই।

৬৯. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৩৬
ক্ষত্রিয় বলেছেন: সাধারণ উচ্চমধ্যবিত্ত জীবন। এদের প্রতি করুণা হয়। হাড় হাভাতেরা মনে হয় এদের থেকে ভাল আছে। অন্তত তাদের পেয়েও না পাওয়ার যন্ত্রণা নেই। এরা আসলে খুব গরীব। এদের দয়া করতে ইচ্ছে হয়। কিন্তু দয়া করতে পারি না। এরা যেমন দুয়ার থেকে ভিখিরিকে দু টাকা ভিক্ষে দিয়ে বিদায় করে এদেরো তেমন দুটো দয়া ভিক্ষে দিয়ে বিদায় করে দিতে ইচ্ছে হয়।
১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৪৮

লেখক বলেছেন: আমাদের এইসব নাগরিক জটিলতা....আর অশ্লীল প্রগলভতা..অর্থহীন লাগে..ঘেন্নাও হয়..

পড়ার জন্যে অনেক ধন্যবাদ ক্ষত্রিয়।

৭০. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:১৭
হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা বলেছেন: আপনি তো খুব ভালো লেখেন! আগেই এখানে আসা উচিত ছিল আমার! :(
১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:২৬

লেখক বলেছেন: আগে আসেননাই, সমস্যা কি! আমার আরো ৪৮ টা পোস্ট আছে, সবগুলায় গণহারে কমেন্টানো শুরু করেন :#)

অনেক ধন্যবাদ হ্যামেলিন এর বাঁশিওয়ালা!

৭১. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৪৮
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন: .......................
......................
আগে দুটো সমান্তরাল রেখা দিলাম, একটা প্লাস্টিকের ফুল, আরেকটা একতারা।।। দুটোর কোন যোগসূত্র নেই, অথচ পরস্পরের সাথে লেপ্টে আছে।।। গল্প বলার ভঙ্গিটা আমার দারুণ লেগেছে- আধা কাব্যিক, আধা গদ্যিক (এই শব্দটা আছে কিনা জানিনা)........ মেসেজটাও 'মেঘের আড়ালে সূর্য হাসে' র মত করে রেখে দেযা হয়েছে.....কেউ চাইলে মেঘ দেখতে পারে, কেউ মেঘ কেটে কখন সূর্য উঠবে সে অপেক্ষাতেও থাকতে পারে.......একান্তই ব্যক্তিগত অভিরুচি।।।.......
১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:০৩

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ....প্যারালালি বলার একটা চেষ্টা ছিলো। এই ফরম্যাটটা আমার বেশ পছন্দ। এটা বলতে পারেন, অনেক সিনেমা দেখার প্রভাব।

কেউ চাইলে মেঘ দেখতে পারে, কেউ মেঘ কেটে কখন সূর্য উঠবে সে অপেক্ষাতেও থাকতে পারে..


আসলে আমাদের অনেক বেশি চাওয়া, এই কারণেই পাওয়াগুলো বিবর্ণ হয়ে যায়। আর তাই এসব হতচ্ছারা, ক্লিশে অপেক্ষা!

অসুখী গল্পটা পড়ার জন্যে ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।

৭২. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১৩
১৯৭১স্বাধীনতা বলেছেন: সেইরকম কোপাইছেন বস

+++++++++++
১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৪

লেখক বলেছেন: কোপায়া মজা পাইছি। কোপা সামছু কোপা.... কোপানিতেই যাবতীয় আনন্দ।

১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:২২

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস!!

৭৪. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৫
মেহরাব শাহরিয়ার বলেছেন: সুখপাঠ্য , ক্লান্তি লাগল না
১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৩

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। পাঠকের সুখেই লেখকের তৃপ্তি।

১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৪

লেখক বলেছেন: হয়তোবা বুঝবেন কোন এক সময়ে। তবে সেটা যেন না বুঝতে হয় তাই কামনা করি।

৭৬. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮
হেমায়েতপুরী বলেছেন:
ব্যধি দূরারোগ্য
মোহ দূনির্বার
সুখ ক্ষনিককাল
যৌবন দূর্বার
অন্ধেও দ্যাখে,
চোখ বুজে
স্পর্শে,ঘ্রানে
স্বপ্নহীন পথিক হাটে শুধু
অনন্ত অসীমে
তবু তার আশ্রয়
ধূসর- মলীন মহাকালে
কেউ রাখে নাই মনে তারে
তবু শীর্ন স্মৃতিগুলো
সেই, কালের জীর্ণ পুঁথি ঘরে।
১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: এটা কমেন্টাকারে কেন! পোস্টানো হোক! আগাম + :)

৭৭. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:২২
লংকার রাজা বলেছেন: সাব্বাস ইটালি, কোপা লেখা ;)
১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪১

লেখক বলেছেন: ইটালি! বুঝলামনা :(

থ্যাংকস!

৭৮. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৬
হেমায়েতপুরী বলেছেন: ২০০৭ -এ মহাকাল নামে পোস্টাইছিলাম... এখন যাগো ব্লগে নিয়মিত ঘুরি তাগোরে কবিতাটা উপহার দিতেছি... ফ্রি... :-B :-B
১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৪

লেখক বলেছেন: আহা! ফিরি জিনিস পাওনের মঝাই আলিধা !:#P

৭৯. ১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: পরিবর্তনটা আগেই দেখেছি বস। ভালো লাগছে পড়তে বলে বেশি কিছু বলিনি।

গল্পটা অনেকক্ষণ ধরেই মাথায় ঘুরছে। সেই ভাবনাটা কিছুটা আমার এই লেখাতেও চলে এসেছে!
১১ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:১০

লেখক বলেছেন: যাক, শুনে ভালো লাগলো। :)

৮০. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৫০
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: হামা লেখাটা অনেক ভালো লাগছে। আর একটু সময় নিয়ে লিখলে পূর্ণ গল্প হয়ে যেতো কিন্তু -- প্লট ভাষা সব তৈরিই আছে ।

-----------------------------------------

ঐ ব্যাটা কি আগেও এই কাম করছে নাকি ?
১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:৫৮

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস। এটাকে অণুগল্প বলতে পারো।

ঐ ব্যাটা এই টাইপ ছাগলামি না কর্লেও অন্যধরনের ছাগলামি কর্সে।

তোমার আজকে যেই অভিজ্ঞতা হৈলো, সেইম আমারো হৈসিলো। কে করসে নামডা আর কৈলাম্না। মেজাজ এত্ত খারাপ হৈসিলো!

৮১. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:০২
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন: আরে কমেন্ট এর উত্তর দেখছিলেন ? থ্যাংকস , আই নিড ইউর সাপোর্ট !!

এইরকম ও মানুষ হয় =p~
১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:০৫

লেখক বলেছেন: এরা এইরকমই হয়। আমার্ডাও ঐরামই ছিলো :D

৮২. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:২৭
ডিজিটাল দুষ্ট ছেলে বলেছেন: জ্বর মাথা ব্যাথা এসব আরকি ।কোন কিছুতে মন নাই ।পাওনা মিঠানো হইবেক।
১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৩৪

লেখক বলেছেন: আমারো আজকে প্রচন্ড মাথাব্যথা ছিলো। মনে হচ্ছিলো যে মাথা ছিড়ে যাবে। এরকম হয়না কখনও। পরে একটা ঘুম দিয়া আরাম পাইলাম।

গেট ওয়েল সুন ফ্রেন্ডো।

৮৩. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৩৫
প্রাকৃত বলেছেন: পরাবাস্তব অথবা অপর বাস্তবের এ এক অসাধারণ অনুগল্প! হয়তো আরেকটু বাড়ানো যেত।


_____________________________________________
১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৫৮

লেখক বলেছেন: হয়তো আরেকটু বাড়ানো যেত। ঠিকই বলেছেন।

১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৫৯

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে!

৮৫. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৫৫
সুদীপ চৌধুরী বলেছেন: মিনি গল্প!! স্ক্রল বারের সাইজ দেখে ঘটা কইরা পড়তে বসলাম। দেখি সব কমেন্ট!
১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:০১

লেখক বলেছেন: দেখেন। নিজেও কিছু যুক্ত করুন চৌধুরী সাহেব!

৮৬. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:১০
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: আমার নিজের জিনিস এভাবে আপনি কুক্ষিগত করে রেখেছেন মানে! দিয়ে দিন, নইলে কেড়ে নিতে বাধ্য হবো! X((
১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:১৩

লেখক বলেছেন: যাক...এখন মনে হয় ঘুমুতে যাওয়া যায় :D

৮৭. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:১৫
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: আমি জানতাম, আমি জানতাম, আমি আগেই বলেছিলাম... :(( :(( :((
১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৯

লেখক বলেছেন: :(

৮৮. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:২৭
লেফাফাদুরস্ত বলেছেন: কেম্নে লেখে এইসব!

//যেই লোকটা একতারা বেচছিল সে খুব ভালো একতারা বাজাইতে পারত...

ও যখন একতারা বাজাত শীলা নিষ্পলক তাকিয়ে থাকত...

প্রথম সন্তান পূর্বার জন্মের সময় সে যখন একটি চেহারা দেখে কেঁপে শেষ নিশ্বাস নিল, সেদিন থেকে একতারা সুর দিতে ভুলে গেছে...

এরপর অনেকবার সে চেয়েছিল একটু একতারা বাজাতে... //
১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৩৪

লেখক বলেছেন: কেম্নে লেখে এইসব!

দীর্ঘ কমেন্টটি পোস্টে রূপদান করা হৌক।

১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৫৯

লেখক বলেছেন: আগেই পড়া। কেন যেন মন্তব্য করা হয়নি। করে আসলাম এখন।

৯০. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:৪২
স্বপ্নকথক বলেছেন: কঁাকন বলেছেন: জটিল হইছে
নীরা নামটা শুনলে আমার মনে হয় সুনীলের নীরা যদিও তার কোন কপিরাইট নাই তবুও মনে হয় এই নামটা ব্যাবহার করার অধিকার আর কারো নাই :(
১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:১২

লেখক বলেছেন: :)

৯১. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:২৩
রুমমা বলেছেন: kire tor 50 no post ta ki dibi kisu thik korsis?jhakkas akta post de,pori.
১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:১৪

লেখক বলেছেন: ৫০ তম পোস্টে বিশেষ কিছু থাকবেনা। এমনি যা লিখি, সেরকমই কিছু হবে আর কি :)

৯২. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৪
স্বাগত. বলেছেন: পুরোটা পড়লাম এবং ভাল লাগল... :)
১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৮

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!

১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪০

লেখক বলেছেন: জ্বী আপু, খুবই ভয়ংকর।

৯৪. ১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৯
অমিতাভ অধিকারী বলেছেন: আপনার এ রচনাটি আবেশে মুগ্ধ করে। ছোট ছোট অনুপ্রাস গল্পকে অন্যরকম এক মাত্রা দিয়েছে। তবে আমার অনুযোগ একটা আছে। আপনার গল্প ভবিষ্যতে এরকম সংক্ষেপিত হলে কিন্তু দুঃখ পাব। :D
১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! কখনও যদি আবার লিখি তো....হয়তোবা হবে..

৯৫. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:২১
সুমন অহেমদ বলেছেন: একতারা অথবা প্লাস্টিকের ফুল..
দুষ্প্রাপ্য প্রতীক এই গল্পে. .!
-----------------------------------------
অনেক বড়ো একটা মন্তব্য করতাম. .
কিন্তু আমি যা মনে করলাম তা প্রকাশ করলাম না. . .
-----------------------------------------
অর্থবহুল ইঙ্গিতগুলো ভালো লাগলো..
-----------------------------------------
একদিন বিতৃষ্না আসবেই. . .
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৪১

লেখক বলেছেন: আপনার বড় বড় মন্তব্য পেতে ভালো লাগে। এরকম আরো কিছু সিম্বলিক গল্প লেখার ইচ্ছা আছে। দোয়া রাইখেন।

৯৬. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৬:৫৪
আবু মকসুদ বলেছেন:
পানশালা থেকে ফেরার পথে সে কি মনে করে যেন একটা খেলনা একতারা কিনে আনে। প্রায়শঃই তাকে ওটা বাজাতে চেষ্টা করতে দেখা যায়। কোন সুর বের হবেনা জেনেও! কেন কে জানে।

আপনার এই গল্পে প্লাস্টিকের ফুল এবং একতারার প্রতিকী উপস্থাপন মধ্যে দিয়ে জীবনের গভীরে যাওয়ার প্রচেষ্টা ভালো লাগলো।
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৩১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে কবি আবু মকসুদ।

৯৭. ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৩৭
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: টিস্যু পেপারের ছবিটা ফেরত চাওয়া হলো।
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৬

লেখক বলেছেন: :( পেইজ লোড হৈতে অনেক টাইম লাগবে যে!

৯৮. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৮
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: দোস্ত -- কালকে হঠাৎ কইরা রিয়ালিটি বাইটস মুভিটা দেখলাম ।

ইথান হকের করা "ট্রয়" ক্যারেকটার সাথে তোর মিল পাইলাম ।
না দেখে থাকলে দেখে ফেলিস !
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০২

লেখক বলেছেন: কস্কি মমিন! দেক্তে হৈবো তো। আপাতত আইএমডিবিতে যায়া দেহি কি অবস্থা।

১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১০

লেখক বলেছেন: Biography for
Troy Dyer (Character)
from Reality Bites (1994)
advertisement
The content of this page was created by users. It has not been screened or verified by IMDb staff.
Warning! This character biography may contain plot spoilers.
Visit our Character Biography Help to learn more.
Character BiographyEditHistoryDiscussWatch
Long-time friend, temporary roommate and angry starving artist Troy Dyer (played by Ethan Hawke and based on an actual schoolmate of screenwriter Helen Childress) and his love interest, Lelaina Pierce (played by Winona Ryder) are attracted to each other, though it's an attraction that neither of them has really acted upon as the film begins, one alcohol-influenced event in the past notwithstanding. He's a slacker and nihilist grunge rock musician by night, while losing job after job in a series of minimum wage dead end endeavors during the day - the last of which he loses early in the film because of stealing a candy bar from his employer. Troy's father, who is never seen on-screen, is dying of prostate cancer; this prompts Troy to remain close with his father when he can. (source: wiki)

১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১১

লেখক বলেছেন: :(

৯৯. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৪৯
আবু সালেহ বলেছেন:
লেখাটা মিস হয়ে গিয়েছিলো....জটিল.....

প্রিয়তে নিয়ে নিলাম.........................
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৪

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে!

কিন্তু আপনার প্রিয় লিস্টে তো দেখলামনা :(

১০০. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৫
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: আরেকবার পড়ে গেলাম!

রিয়েলিটি বাইটস ভালো লেগেছিলো। প্রায় ছয়সাতবছর আগে টিভিতে দেখেছিলাম, এখনও মনে আছে! :)
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২২

লেখক বলেছেন: রিয়েলিটি বাইটস! কামড়ের চোটে অস্থির :(

১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৫১

লেখক বলেছেন: কেউ জানেনা...

গল্পটি প্রিয়তে নেয়াতে আপনাকে অশেষ ধন্যবাদ..

১০২. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৬
অদ্রোহ বলেছেন: নীরা এখনো তার প্লাস্টিকের ফুলের টবে পানি দেয়।
নীরার স্বামী এখনও খেলনা একতারাটা বাজাতে চেষ্টা করে।
কেন কে জানে!

আমার গল্প লেখার সময় থিমটা থাকে ,কিন্তু এরকম পাঞ্চলাইন মাথায় আসি আসি করেও আসেনা ।

ও হ্যাঁ, গান ভাল্লাগসে।
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:০৪

লেখক বলেছেন: আমি আসলে গল্প লেখার সময় গল্পটাকে প্রাধান্য দেইনা....ফরম্যাট নিয়ে চিন্তা করি বেশি।

গানটা জানতাম ভাল্লাগবে :)

১০৩. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:২৪
ভাবের অভাব বলেছেন: আগেও বলেছি আবারো বলবো ভালো লেখা তো অনেকই লিখে কিন্তু কিছু কিছু ভালো লেখা আছে যেগুলোকে আলাদা করে রাখা যায়। আপনার লেখাগুলো অনেক ভালো লেখার মধ্যে আলাদা রকমের ভালো।

১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:১৫

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যটা অনেক প্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

১০৪. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪
মুক্ত বয়ান বলেছেন: কঠিন হইছে। লেখা বুঝি নাই। :(
তয়, মন্তব্য পইড়া যেটা বুঝলাম, প্লাস্টিকের ফুলরে জীবন্ত করার প্রয়াশ -এই কথাটা দিয়া কিছু এক্টা বুঝাইতে চাইছেন।
আমার নির্বুদ্ধিতা। টাওয়ারে ধরে নাই। :(
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:০১

লেখক বলেছেন: আসলে প্রাণপন চেষ্টা কর্সিলাম যেন পাঠক না বুঝে..আমার প্রয়াস সফল B-) খেক খেক। তার্পরেও কেউ বুইঝা ফালাইছে। তাগো সবাইরে মাইনাচ X(

১০৫. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:০৪
মুক্ত বয়ান বলেছেন: কমেন্টটে কি আমারে কিছু কইলেন!!! :-/
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:১৩

লেখক বলেছেন: তোমার কমেন্ট বুঝিনাই। দুর্বোধ্য। মাথার উপর্দিয়া গ্যাসে B:-)

১০৬. ১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:১৮
মুক্ত বয়ান বলেছেন: ১০৪ এর উত্তরে কি আমারে কিছু কইলেন?? :-/
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:১৪

লেখক বলেছেন: আচ্ছা সহজ ভাবে বলি, ফ্রয়েডিয় মনোস্তত্বের সাথে আরব্য রজনীর ১০০১ তম রজনীর এবং রজনীকান্তের ফিল্মের সাথে পিএল এর সময়ের যে আধ্যাতিক সংযোগ তারই প্রকৌশলিক ছ্যাকা খাওয়ার নিস্কাম কোলেস্টরেল বিহীন ফাস্টফুড বানানোর ক্ষুদ্র প্রয়াসে এক্টি সুররিয়ালিস্টিক ভাই বেরাদর প্রযোজনা এই গল্পটি।

আশা করি বুস্তে পার্সো :|

১০৭. ১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৩৭
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন: দিনে দিনে কি সব প্লাস্টিক হয়ে যাচ্ছে?
১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:৪২

লেখক বলেছেন: সবার ক্ষেত্রে না.....

এই গল্পটা লেখার অনুপ্রেরনা রেডিওহেডের "ফেক প্লাস্টিক ট্রিজ"।

১০৮. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৪৭
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন: এই গল্পটি পড়ে দু-এক লাইনে মুগ্ধতা প্রকাশ ছাড়া আর কিছুই করার থাকে না- আমিও সেটাই করলাম!


[পরের মন্তব্যটি দেখুন।]
১০৯. ১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:০৩
আহমাদ মোস্তফা কামাল বলেছেন:
[আগের মন্তব্যটির ব্যাখ্যা এটি]

বাংলা গল্পকে আমি প্রধানত দুটো ধারায় ভাগ করেছি। একটি আখ্যানপ্রধান গল্প, অন্যটি অনুভূতিপ্রধান গল্প।

আখ্যানপ্রধান গল্পে সাধারণত একটি 'গল্প' বলা হয়, অর্থাৎ আখ্যান-বর্ণনাই সেখানে মূল ব্যাপার; গল্পকার চাইলে কিছু মেসেজও সেখানে দিয়ে দিতে পারেন, সেসব গল্প পড়ে আমরা নানারকম অনুভূতিতে আক্রান্তও হতে পারি; কিন্তু সবকিছুর মূলে থাকে ওই 'গল্প' বা 'আখ্যান'টি। বাংলা গল্পের প্রধান ধারা এটিই। বাংলাসাহিত্যের সকল প্রধান লেখকই এই ধারায় গল্প-রচনা করেছেন।

অনুভূতিপ্রধান গল্পে আদৌ 'গল্প' না-ও থাকতে পারে। গল্পকারের মূল উদ্দেশ্য থাকে একটি অনুভূতিকে পাঠকের মনে ছড়িয়ে দেয়া। এমনকি গল্পকারের যদি তেমন কোনো উদ্দেশ্য না-ও থেকে থাকে, তবুও এসব গল্প পড়ে পাঠক এক ধরনের অবর্ণনীয় অনুভূতিতে আক্রান্ত হন, এবং প্রায়শই সেই অনুভূতি প্রকাশ করতে অক্ষম হন! (আমরা কি আমাদের সব অনুভূতি প্রকাশ করতে পারি?) সেই অনুভূতি সুখের হতে পারে, দুঃখেরও হতে পারে, হতে পারে আনন্দ বা বেদনার, এমনকি ক্রোধ বা উল্লাসেরও! কিন্তু অনুভূতিটি ঠিক কেমন সেটি বুঝিয়ে বলা কঠিন হয়ে পড়ে। বাংলা সাহিত্যে এই ধরনের গল্প খুব বেশি লেখা হয়নি, বলা যেতে পারে এটি ক্ষীণ ধারা। তবু উদাহরণ হিসেবে আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের 'নিরুদ্দেশ যাত্রা' মাহমুদুল হকের 'হৈরব ও ভৈরব' বা শাহাদুজ্জামানের 'কাগজের এরোপ্লেন' পড়ে দেখতে পারেন আগ্রহী কেউ। (শাহাদুজ্জামান এই ধরনের গল্পে সিদ্ধহস্ত, অনেক কাজ করেছেন তিনি এই ধারায়)। আপনার এই গল্পটিও এই ধরনের। লক্ষ্য করে দেখুন, পাঠকরা কেউই বিস্তারিত কিছু বলতে পারেনি এই গল্প পড়ে, অথচ সবাইকেই স্পর্শ করে গেছে এই গল্প সেটি মন্তব্যগুলো থেকেই বোঝা যাচ্ছে। অনুভূতিপ্রধান গল্পের এটিই প্রধান স্বার্থকতা।

আপনি এই গল্পে 'অনুভূতিপ্রধান' গল্প রচনার ক্ষেত্রে চমৎকার কুশলতার পরিচয় দিয়েছেন; এই ধারায় আপনার পক্ষে আরো ভালো কিছু কাজ করা সম্ভব বরে আমার প্রতীতি জন্মালো।
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৩:১৮

লেখক বলেছেন: আমি শাহাদুজ্জামান এবং আখতারাজ্জুমান ইলিয়াসের লেখা পড়েছি। আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের প্রায় সব গল্পই আমার পড়া। আর আমি যে গুটি কয় গল্প লিখেছি তাতে আপনি দ্বিতীয় যে ধারাটার কথা বলেছেন, অমনভাবেই লেখার চেষ্টা করেছি। লিনিয়ার স্টাইলে শুধু গল্পটা বলে যাওয়ার চেয়ে ফরম্যাট নিয়ে কাজ করতে ভালো লাগে।

এত দীর্ঘ মন্তব্যের জন্যে আপনাকে অনেক ধন্যবাদ স্যার। একসময় ইচ্ছে ছিলো গল্পগ্রন্থ প্রকাশ করব, একটা ঘোরের মধ্যে সময় কাটাতাম। এখন নানাবিধ জটিলতায় সেই ঘোরটা কেটে গিয়েছে, কিন্তু আপনার মন্তব্য পেয়ে সাহস পাচ্ছি।

আবারও অনেক ধন্যবাদ আপনাকে!!

১১১. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৮
আবু সালেহ বলেছেন:
আমি প্রিয়তে যুক্ত করেছিলাম বলেই মনে হচ্ছে... X((
যাক আবার যুক্ত করলাম... ;)
১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫০

লেখক বলেছেন: :)

১১২. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:০৫
নাজমুল আহমেদ বলেছেন:

তাতিন গানটার লিঙ্কু রাইখা যান। নাইলে খপর আছে X((
১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫৩

লেখক বলেছেন: রাগ করেন কেন? এই লন আপনার তাতিন।

১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৬

লেখক বলেছেন: খুব খ্রাপ। তুমার এইবারের ফডুডা ছুড ক্যান?

১১৪. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:১৭
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: আরো একবার পড়ে গেলাম।

গল্পটা মাথা থেকে সরছেই না!...
১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:২৬

লেখক বলেছেন: হাহা..নিয়ে যান এটা!

১১৫. ১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:২০
ব্যাপারনা বলেছেন: সবকিছুতেই আজ প্লস্টিকের জয়জয়কার ..............।আবেগ অনুভুতি আজ আর কোন বিষয় নয় ।
১৮ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:২৮

লেখক বলেছেন: এইটাকে কিন্তু ব্যাপারনা বলা যাবেনা..হু

১১৬. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৫২
এরশাদ বাদশা বলেছেন: লেখনীর তো জবাব নাই। কিন্তু মাতায় ঢুকেনা ক্যা?? ওয়ারলেস হইয়া যাইতেছিনা তো?? :(
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৩

লেখক বলেছেন: মাথা না, হৃদয় না, এটা পড়তে হবে পুড়ে যাওয়া, ক্ষয়ে যাওয়া মন দিয়ে।

১১৭. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:১৬
এরশাদ বাদশা বলেছেন: মনের কতা কি কমু ভাই...মন পইড়া আছে বাংলাদেশে....আমি খালি টাঁট লইয়া ঘুরতাছি...উর্পে ফিটফাট, অন্দরে মাঝিরঘাট... :( :((
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৭

লেখক বলেছেন: :( বিদেশে যাওন ভালা না।

১১৮. ১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৩
আমড়া কাঠের ঢেকি বলেছেন: আইজ রস আলোয় একজন লেখকের নাম চেনা চেনা লাগলো! :-0 :-0 :-0

:)
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:২৮

লেখক বলেছেন: হ, আমিও চিনি তারে। খুবৈ ভালো লেখক :-B

১১৯. ২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:১৮
সবাক বলেছেন:
আপনার কিছু পোস্ট কি মুছে দিলেন? তাতিন গানটা নিয়ে আপনিইতো পোস্ট দিয়েছিলেন?

মুছলেন কেন? নাকি আমি ভুল দেখলাম? :(
২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:২৫

লেখক বলেছেন: গানের পোস্ট দুইটা আপাতত ড্রাফ্টিত কর্সি। ফেরত আনবো আবার, আমার আবার খুব বাজে অভ্যাস পোস্ট ড্রাফ্ট করার :(

১২০. ২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৪৩
সবাক বলেছেন:
ও আচ্ছা।

আপনার পোস্টের লিংক থেকে তাতিনকে লোডাইছিলাম। এখন খুঁজে পাচ্ছি না। আবার এসে হতাশ হলাম।

এ রোগ আমারও আছে। :(
২০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ২:৫২

লেখক বলেছেন: ১১২ নং কমেন্টের রিপ্লাইয়ে দেখেন ডাউনলোড লিংকটা আছে :)

১২১. ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১০:৪৫
আমি ও আমরা বলেছেন: ৫১ নম্বর প্লাস আমার
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৯

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস বাপ্পী ভাই :)

১২২. ২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৪
জনৈক আরাফাত বলেছেন: ওরে কেউ আমারে একখান হাতুড়ি দে। আমার মাথায় কিছু ঢুকতাছে না ক্যান? :||
২১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫২

লেখক বলেছেন: এইডা আর কি। এর্পরেরটা এমুন লিখুম, যে আমি নিজেও বুঝুমনা :-/

১২৩. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৫৫
মহাকালর্ষি বলেছেন: বেশ লাগলো তো! কাব্য ঢঙেই উপভোগ করলাম।
লেখা অনন্ত হোক...
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৫৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। একটা লেখার নির্যাস একেকজন একেকভাবে নিচ্ছে দেখে খুব ভালো লাগলো।

১২৪. ২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:১৭
আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

হাসান মাহবুব, লেখার বিষয়ে একটা কথাই শুধু বলতে চাই,- ভালো লাগা জানাই ।

আর, হ্যাঁ, আরেকটা কথা, আপনার নিজস্ব ঢং আছে লেখার, এইটাকে বাঁচিয়ে রাখুন ।
২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শিপন ভাই :)

২৩ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৯

লেখক বলেছেন: আমার অপদার্থতাকে মাহাত্ন্য ভেবনা

-ফসিলস, কলকাতার একটা ব্যান্ড।

১২৬. ২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৩৯
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: একজন ম্যাঙ্গো ব্লগারের ২৫০০তম মন্তব্যটি গ্রহণ করিয়া ধন্য করুন হে চেলেভেরেটি! ;)
২৪ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৫

লেখক বলেছেন: কমেন্টটি রিভার্স করিয়া গ্রহণ করা হৈলো।

১২৭. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৪০
অংকুর বলেছেন: মনে হচ্ছে সরল রেখা, কিন্তু মাঝে মাঝে রাবার দিয়ে মুছে দিল কে?

হ, বুঝছি।
এইডা আপনারই কাম?


২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৪:৪৪

লেখক বলেছেন: আমার দুষ নাই। এইডা সময় নামক এক নিষ্ঠুর শিল্পীর কাম। হে খালি সব মুইছা দেয়। আবার হুদাই ডার্ক শেড মারে :(

১২৮. ২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৪০
নুশেরা বলেছেন: Seemed like something in between prose-n-poem. well-thought, well-written as well. keep it up!
[sorry, Bangla asche na]
২৬ শে অক্টোবর, ২০০৯ ভোর ৫:৪৯

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নুশেরাপু :) আপনার কমেন্ট পেলে উৎসাহ পাই।

১২৯. ২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৩৮
শফিউল আলম ইমন বলেছেন: চমৎকার লেখা। হাহাকারময় লেখা, ভিন্নধর্মী লেখা পড়তে কার না ভালো লাগে? গল্পটা পড়ে আসলেই আরামবোধ হচ্ছে।
ভালো থাকুন।
আগেই পড়েছি আলসেমির কারণে লগইন করতে ইচ্ছে হয়নি।:)
২৮ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:০৮

লেখক বলেছেন: মন্তব্য পেয়ে খুব ভালো লাগলো। থ্যাংকস!

১৩০. ২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:২০
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: স্টিল নাউ এই গল্পটা নিয়ে আমাকে মাথা খাটাতে হচ্ছে... আচ্ছা 'কি মনে করে যেন পকেট থেকে সব টাকা পয়সা বের করে পুড়িয়ে ফেলল' এ কথাটার অর্থ কি এরকম যে, তারা মনে করেছিলো যে তাদেরকে আর সুখের জন্য টাকার ওপর নির্ভরশীল থাকতে হবে না, coz they can make the happiness themselves by the fragrance of their love & relationship... এই জাতীয় কিছু???
২৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: "তাদেরকে আর সুখের জন্য টাকার ওপর নির্ভরশীল থাকতে হবে না,"-ঠিক টা নয়। এইটা হৈলো অসুখী জীবন, নাগরিক ক্লেশ, বস্তুবাদী সমাজ সবকিছুকে কিছুক্ষণের জন্যে অবজ্ঞা করার একটা রূপক। তারা কিছুক্ষণের জন্যে নির্মল ভালবাসা চেয়েছিলো, বর্তমানের কঠিন চোখ রাঙানি ভুলে থাকতে চেয়েছিলো। নেহায়েৎ কিছুক্ষণের জন্যেই।

১৩১. ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:১৯
সীমানা ছাড়িয়ে বলেছেন: চমৎকার লেখা। নীরা এখন কেমন আছে?
৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৫২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ! নীরা এবং আমরা এবং প্লাস্টিকের ফুলেরা বেঁচে আছি।

১৩২. ০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৪
লিটল হামা বলেছেন: মাহবুব সাহেব, আপনার এই গল্পটি আমার ভালো লেগেছে।
০৩ রা নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে।

১৩৩. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৬
ম্যাক্স পেইন বলেছেন: ভাইরে ভাই মাথা নস্ট
০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১৯

লেখক বলেছেন: কেন? :(

১৩৪. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫০
ম্যাক্স পেইন বলেছেন: একতারা বাজানো আর পানি দেওন দেইখা
জট্টিল লাগসে
০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৪

লেখক বলেছেন: থ্যাংক ইউ! :)

১৩৬. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:২৯
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: পড়ে নেই তারপর মন্তব্য দিব! :P
১৩৭. ০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৩২
বাবুনি সুপ্তি বলেছেন: ভাইয়া গল্পটা বুঝলাম না :( আবার পড়তে হবে :(
০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৬

লেখক বলেছেন: আর পড়ার দরকার নাই সুপ্তি! সময়ই হয়তোবা বুঝিয়ে দেবে তোমাকে এই গল্প। তবে তেমনটা যেন না হয় এই আশা করি। ইহা অতীব ভয়ংকর গল্প :(

০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৩

লেখক বলেছেন: কিপ স্মাইলিং সুপ্তি!

১৩৯. ১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ ভোর ৪:০৮
রোবোট বলেছেন: বাপ্রে। ভেভেব্রেকি নুশেরাইটিসে ধর্সে? নাকি তনুজায়েড?
১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৬

লেখক বলেছেন: নুশেরাইটিসে ধর্সে আংকল। সংক্রামক ব্যাধি। তনুজা তো এখন আর নাই। তাই প্রথমটা হওনের চান্সই বেশি :(

১১ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:৩০

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস!

১৪১. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৬
ত্রেয়া বলেছেন: এর আগে যেদিন আপনার এই গল্পটা পড়লাম কি যে হলো পড়তে পড়তেই এত কাঁদলাম এত কাঁদলাম....ভোর রাত অব্দি নিশ্চুপ বসে ছিলাম।কেন যে এমন হলো তা বলতে পারবো না তবে সম্পর্কের বিচ্ছিরি শীতলতাটাই বোধহয় নিতে পারছিলাম না।
এত সুন্দর এত অদ্ভুত সুন্দর লিখেছেন আপনি!!অসাধারণ সত্যি।
প্রতিটা লাইনই যেন ভয়ংকর সত্যিটাকে প্রকাশ করছিলো।
পুরোটাই বুঝতে পরেছি এমন বলবো না তবুও যেন আমি রুপকগুলো ধরতে পেরেছি আমার মনে হয়েছে।মনে হয়েছে গল্পের মূল চিত্রটা আমি আঁকতে পেরেছি পড়তে গিয়ে।
কয়েকবার পড়েছি বোঝার চেষ্টায়।
এই যে সব অবজ্ঞা করে সুখী হওয়ার একটা আপ্রাণ চেষ্টা আর এর পরেই বিচ্ছিরি বিচ্ছিরি রকমের বাস্তবতা সমানে চলে আসা...আর হার মেনে নেয়া প্রতিটি সম্পর্কের একই গতবাধা পরিণতি...নাহ্‌ নিজস্ব ভাষায় এত সুন্দর প্রকাশ করেছেন আপনি!!
মূল ব্যপারটা ধরতে তো আমি ভুল করিনি তাইনা?আমার এমনই মনে হয়েছিলো পড়ার সময় যে এমনটাই আপনি বোঝাতে চেয়েছেন যেন।
সেদিন পড়ে সত্যিই মন্তব্য করার জন্যে বাকী ছিলাম না আমি।
তবুও বারবার একদিন মনে পড়ছিলো,,,
মনে হচ্ছিলো আমার ভিষণ অন্যায় হচ্ছে যে এত বেশি আপ্লুত হলাম যে লেখায়,,,লেখক কে সেটা জাননো তো কর্তব্যই।
অনেক অনেক ধন্যবাদ এত ভয়ংকর সুন্দর গল্পের জন্যে।

আমার নিজেরও না মাঝে মাঝেই এমনটাই মনে হয়।মনে হয় সবার হাতেই এমন একটা প্লাস্টিকের ফুল আছে।
সবাই পানি দিয়েই যাচ্ছে দিয়েই যাচ্ছে.....
আবার তারা গোপনে হয়তো একটুকরো সুখও ভরে ব্যাগটায় মাঝে সাঝে তবু আবার সেই প্লাস্টিকের ফুলের কাছেই আসতে হয় তাদের।তারা আবার পানি দিয়েই চলে......


ধন্যবাদ হামা।
আপনি কেমন আছেন?
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৩

লেখক বলেছেন: আপনি খুব চমৎকার বুঝেছেন গল্পটি। আসলে এই গল্প যারা লেখে বা যারা বোঝে তারা বড়ই দুর্ভাগা। তারাই হয়তোবা একসময় এই গল্পটির চরিত্র হয়ে যায় বাস্তব জীবনে।

শুভকামনা আপনার জন্যে। আমার ব্লগে এই প্রথম মন্তব্য করলেন, অনেক ধন্যবাদ!

১৪২. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১৭
ত্রেয়া বলেছেন: এই ভয়টাই তো আমারও হামা :( ভাবি যে নিজের চারপাশটাও হয়ত এমনই হবে....কবে না জানি আমিও একটা প্লাস্টিকের ফুল কিনে আনি ঘরে!!
কিন্তু এতটা দুর্ভাগা হতে চাই না যে....অবশ্য কেই বা চায়!!

হুমম প্রতিবারই এমন হয় :( ।ঐ যে আপনার কুচি কুচি করে কাঁটা গল্পটাও আমার এত এত ভালো লেগেছিলো।কিন্তু একই ব্যাপার পড়ার পর আমি কেমন যেন ঘোরে চলে যাই মন্তব্যের আর হুশ থাকে না :|
এটা একদমই ঠিক না।এজন্যে আমার মাঝে মাঝেই কেমন একটু লজ্জাই লাগে কিছু পড়তে এলে।
তাই এবারই বলে রাখছি আপনার লেখা আমার অসম্ভব ভালো লেগেছে যতবার পড়েছি।সত্যি!!

আর হ্যা গল্পকারের প্রতিও এই শুভকামনা রইল যেন সে কখনই এমন কোন গল্পের চরিত্র না হয়।
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৫

লেখক বলেছেন: যাক... এতদিন মন্তব্য করেননি, আর আজকে একেবারে বিশাল দুটো মন্তব্য করে ফেললেন।খুব ভালো লাগলো।

শুভকামনার জন্যে ধন্যবাদ। তবে বিশেষ ভরসা পাইনা..... :(

১৪৩. ১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৪
ত্রেয়া বলেছেন: বেশ কদিন পর আমার জানালায় সূর্য উকি দিয়েছে।মন ভালো তাই মনে হয় মন্তব্যের এত দীর্ঘ্যতা,,,,হিহিহি
তবে সত্যি বলতে কি আসলে প্রায়ই আমার আপনার এই গল্পের কথা মনে পরে।আসেপাশে সম্পর্কের অসুখগুলো দেখলেই হঠাৎই মনে হয় আপনার গল্পের লাইনগুলো...
আর এমন ভয় পাওয়ায় দেয়ার জন্যে আপনারে মাইনাস দিতে ইচ্ছে করে :((
১২ ই নভেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৯

লেখক বলেছেন: হেহে... এটাতে হরর গল্পের ট্যাগ লাগায় দিবো ভাবতেসি! আর এটাতে ভুল করে প্লাস দিয়ে ফেলসেন সমস্যা নাই, সামনে এ ধরনের আরো কিছু লেখার প্ল্যান আছে, তখন চুটিয়ে মাইনাস দিবেন :#)

১৪৪. ১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪১
অন্ধ আগন্তুক বলেছেন: নীরা সুখ খোঁজেনা এখন আর। তবে নীরা বিনোদন খোঁজে। ..................নীরার স্বামী খুব ঘুমুতে শিখেছে ইদানীং.........সে পুরুষ হয়ে ওঠে খুব...........একটা খেলনা একতারা কিনে আনে। প্রায়শঃই তাকে ওটা বাজাতে চেষ্টা করতে দেখা যায়। কোন সুর বের হবেনা জেনেও! কেন কে জানে.....................কিন্তু আশপাশের অজস্র অসুখী চুন্বন, আর অস্থায়ী আলিঙ্গন ওদেরকে উদ্দীপ্ত করতে পারলোনা মোটে............। ওদের সেলফোন বেজে ওঠে। ওরা দূরে সরে যায় কথা বলার অজুহাতে।

অনবদ্য রূপান্তর এই অনতিক্রম্য দূরত্বের।+
১৩ ই নভেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৫:৪৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।

১৪৫. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২০
অন্যরকম বলেছেন: ১০৯ নং কমেন্টে বিপ্লব! :)

আগেই পড়ছিলাম অফলাইনে। কিন্তু কি কমেন্ট করমু বুঝতে না পাইরা আর লগইন করি নাই! :(
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:২৪

লেখক বলেছেন: ১০৯ কমেন্টে সেইরকম বিপ্লব। পুরা উড়তেসিলাম আমি ঐ রাতে :) পরাবাস্তবতা জিনিসটা আসলেই সেরকম ইন্টারেস্টিং।

১৪৬. ১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৪
অন্যরকম বলেছেন: হুমম...... ভ্যানগগের কিছু ছবি বা পোর্টট্রে দেখছিলাম! তখনও পরাবাস্তববাদ কি জানতাম না। কোন আইডিয়া নাই মাথায়। আমি অনেকক্ষণ ছবির দিকে তাকাই থাকতাম, বিভিন্ন ধরণের অনুভূতি সৃষ্টি হইত। কিন্তু কি হইত কিছুই বুঝতাম না! :|
১৪ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪২

লেখক বলেছেন: বিভিন্নরকম অনুভূতি সৃষ্টি হওয়াটাই মূল ব্যাপার। পরাবাস্তব গল্পের ক্ষেত্রে যা হওয়া উচিত আমার মনে হয়, গল্পটা পড়ে একেকজন একেকরকম ভাবে উপলদ্ধি করবে, অবশ্য মূল সুরটা অবিকৃত রেখে।

১৪৭. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪২
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: ১৩৯ এর ব্যাপারটা বুঝলাম না :( কি বলে গেলো রোবোটাঙ্কেল?
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৪৭

লেখক বলেছেন: বানান ভুল ধর্সো তো এর্লিগা কৈসে। এই কাজটা আগে নুশেরাপু করতো। ঐডার নাম আমরা দিসিলাম নুশেরাইটিস। পরে তনুজা আসার পরে দেখা গেলো যে তারো একই রোগ আছে :D

১৪৮. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫৩
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: আমারডারে এট্টা নুতুন নাম দেওন যায় না? ;)
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:৫৯

লেখক বলেছেন: হ। ভেবলুমি। কিমুন হৈলো নামডা? :D

১৪৯. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:০৭
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: লগাউট হয়া গেসিলাম, নুতুন নাম্পায়া লগিন হৈলেম। আভেগে :((
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১২

লেখক বলেছেন: এই নামটারে একটা টার্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার জন্যে সংগ্রাম চল্বে।

১৫০. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:১৭
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: ও গ্যাংস্টাররা এরাম অনেক সংগেরামই করে আবার ঘুমায়াও যায়, এডি আর নুতুন কি!
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২০

লেখক বলেছেন: কি চালাক! আচ্ছা যাও, হবে হবে!

১৫১. ১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:২৪
ভেবে ভেবে বলি বলেছেন: চালাক বলার্লিগা + যাইতে বলার্লিগা রিফুটিত! :`> :`>
১৫ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ৩:৩০

লেখক বলেছেন: রিফুটে ডরেনা গ্যাংস্টার B-))

১৫২. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৩৯
তাসবির বলেছেন: ভালো লাগাটাকে প্রকাশ করার মতো কোন বিশেষন খুজে পাচ্ছি না ।
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৬

লেখক বলেছেন: পাঠের জন্যে অশেষ কৃতজ্ঞতা।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৯

লেখক বলেছেন: আচ্ছা

১৫৪. ২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:২৩
ধ্রুব তারা বলেছেন: নীরা এখনো তার প্লাস্টিকের ফুলের টবে পানি দেয়।
নীরার স্বামী এখনও খেলনা একতারাটা বাজাতে চেষ্টা করে।
কেন কে জানে


আমরা আসলেই জানি না। অসাধারণ
২০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৫৭

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ।

১৫৫. ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৬:৫১
রাতফুল বলেছেন: এটা অফলাইনে পড়েছিলাম। অনেক পরিণত লেখা। আপনি লিখতে থাকুন।
৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:০০

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস! ইচ্ছা আছে লিখে যাওয়ার। জানিনা তা সম্ভব হবে কিনা।

১৫৬. ১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৩৬
সাকিরা জাননাত বলেছেন: "কেন কে জানে!"
এক নিঃশ্বাসে পড়লাম....... ভালো লেগেছে:)

১১ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:৫১

লেখক বলেছেন: এই লেখাটা পড়লেন বলে খুব ভালো লাগলো। আমার প্রিয় একটা লেখা।

১৫৭. ২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৫
নীরজন বলেছেন: এক নীরার গল্পে আরেক নীরা এসে প্লাস দিয়ে গেলাম..........++
২৮ শে জানুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২১

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ভালো থাকবেন....

১৫৮. ২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:১৪
রাজসোহান বলেছেন: এইখান থেকে আপনার চুডু গল্প ছুড়ু হইল??

যাই হোক ছিলেন ৬৯প্লাস মানে A-

অখন আমি দিলাম ৭০ হইল A :-0

A+ এর অপেক্ষা করেন

৮০হইলে A+ ;) ;)
২৯ শে জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৩:২২

লেখক বলেছেন: না...এর আগেও কয়েকটা গল্প পোস্টানো হৈছে। A+ হয় কিনা দেখি :)

১৫৯. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:০৬
ব্যতিক্রমী বলেছেন: সবকিছু ভেঙে পড়ে....

ক্ষণিকের মোহ কিছুদিন পারেই ধূসর হয়ে যায়
তবুও অক্লান্ত চেষ্টা চলতে থাকে....
এরমাঝে সেতুবন্ধন হয় সন্তান...


টোনটা কি ধরতে পেরেছি হামা ভাই?
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১৭

লেখক বলেছেন: একদম!

১৬০. ০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৮:১৯
ইবনে বতুতা বলেছেন: পার্লামেন্টারিয়ান সুরঞ্জিত সেন গুপ্তের সংসদে একটা উক্তি করেছিলেন সম্ভবত জনাব সাকা চৌধুরীকে নিয়ে- " এ কী কথা শুনি আজ মন্থরার মুখে"

ভাইয়া! বেশীরভাগ মানুষ কিন্তু সমাজে নিজ ঘরটাকে স্বর্গ বানিয়ে রেখেছে বা বানানোতে ব্যস্ত। চতুর্দিকে তাকিয়ে দেখেন মানুষ ছুটছে... ছুটছে... ছুটছে... গন্তব্য কিন্তু ঘরের সুখ। নায়েগ্রা জলপ্রপাতের নিকট মাথা নত করে একজন নারীকে বসে থাকার একটি চিত্র দেখতে পাওয়া যায়। দুঃধ, বেদনা, শোক সবারই কমবেশী আছে। প্রকাশিত দুঃখবাদী কিন্তু পাওয়া মুশকিল। আমারা বেশীরভাগ দিন শেষে সুখভোজন দিয়ে আরেকটি শুভ সকালের আশায় একই বিছানায় দু'জনে সুখনিদ্রায় বিভোর হই। প্রত্যেকটি রাত সকলের জন্য একই রকম।

ধন্যবাদ।
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫৬

লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্টটা অনেককিছুই বলে দেয়। ধন্যবাদ নিবিড় পাঠের জন্যে। ভালো থাকবেন।

আবারও ধন্যবাদ জানাই চমৎকার কমেন্টের জন্যে।

১৬১. ০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:১৯
পাপতাড়ুয়া বলেছেন: পাশাপাশি দুজোড়ো চোখ।অথচ পাপড়িগুলো আলাদা।স্পর্শ করে কিন্তু মিলে যায় না।পারস্পরিক অতিক্রম করে যায় পেছনে।

পাংশু মুখে ফিরে গেল সাঁঝের মায়া, এই আফসোসটুকু নিয়ে, আরো কতকিছু তার দেবার ছিলো ওরা যদি দেখতে পেতো!

দেখা হয় না।

প্লাস্টিক ফুল আর একতারা জোড়া জোড়া।
০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ৩:৪৫

লেখক বলেছেন: অসম্পর্ক!

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ ভোর ৪:০৫

লেখক বলেছেন: ওই মিয়া ভাগো! আইছে এদ্দিন পর X(

১৬৩. ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৪
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন: এইটা অনেকবার পড়ছি।কিন্তু কমেন্ট করতে পারি নাই।আজকেও পারলাম না।একটা কথাই বলি,এই গল্পে মুডের যে ক্রনোলজিকাল ডাইভারশন আনা হইছে এটা অনন্যসাধারন।মুভি দেখার মতো।হ্যাটস অফ আগেইন।
২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৫

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস! সেদিন খারেজি আমার লাস্ট গল্পটায় কমেন্ট করল যে আমার গল্পে নাকি মুভির প্রভাব অনেক বেশি, খুব সহজেই চিত্রনাট্য বানানো যায়। আসলেই, গল্পের ফরম্যাট গড়ার ক্ষেত্রে মুভি দ্বারা আমি বিশেষভাবে অনুপ্রাণিত।

১৬৪. ০৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:০৬
আদনান০৫০৫ বলেছেন: আমারও একই মত, আপনার গল্পগুলা মুভি দেখার মতই মনে হয়। Francis For Capolla-র "Youth without youth"-মুভিটা না দেখা হলে দেখতে পারেন, আপনার গল্পের মতই ক্রনোলজিক্যাল।
০৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:১৯

লেখক বলেছেন: হু..একসময় মুভির মধ্যে ডুবে ছিলাম.. ছবিটা দেখিনাই। থ্যাংক্স।

২৯ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:৫৬

লেখক বলেছেন: আমিও খুশী হৈছি :#)

১৬৬. ০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ১:১৩
নৈশচারী বলেছেন: গল্পটা পড়লাম! পড়ব পড়ব করেও আগে পড়া হয়নি। গল্পটা তো ভালই হয়েছে যথারীতি, কিন্তু একটা প্রশ্ন, এই গল্পটা আর সুইট হোম এ দুটোর থিম প্রায় একই হয়ে গেল না? এই থিমটাই কি আপনাকে সবসময় নাড়া দেয় বা সম্পর্কের শীতলতার ব্যাপারটাই আপনার চিন্তায় বেশিরভাগ সময় কাজ করে? লক্ষ্য করে দেখবেন আমার খেয়ালী প্রেমিকার থিমটাও শেষ পর্যন্ত এই- শুধু পটভূমিগুলো আলাদা!
আশা করি গল্পকারের ভাবনা নিয়ে প্রশ্ন করে অনধিকার চর্চা করিনি।প্রশ্নটা মাথায় আসল তাই করে ফেললাম!
গল্পটা পড়ে মূল থিমটা বুঝেছি তবে যেই দুটো জিনিস বুঝিনি সেটার ব্যাপারে প্রশ্ন, প্লাস্টিকের ফুল আর খেলনা একতারা কি শুধুই সম্পর্কের শীতলতার প্রতীক নাকি এ দুটোর আরো নির্দিষ্ট কোনো অর্থও আপনি ভেবেছেন? অর্থাৎ সরাসরি বাস্তব জীবনের কোনো ঘটনা বা উপাদানের প্রতীক কি?
০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ২:০৫

লেখক বলেছেন: সম্পর্কের শীতলতা নিয়ে আরো একটা গল্প আছে। কুচি কুচি করে কাটা সময়। ঐটা, এইটা আর সুইট হোম মিলে একটা ট্রিলোজি ধরে নিতে পারো। খেয়ালী প্রেমিকা ঠিক সম্পর্কের শীতলতার গল্প না তো। আসলে চারিপাশের মেকি সম্পর্কগুলো আমাকে খুব নাড়া দেয়। ভালোবসা জিনিসটার ওপর বীতশ্রদ্ধ। ভালোবাসাকে পচাইতে ভালো লাগে আমার। B-)

প্লাস্টিকের ফুল আর খেলনা একতারা দুটো প্রতীক। শীতলতার, নির্জীবতার, অনুর্বরতার......

ইয়ে..তোমার কোন ইমোটিকন ছাড়া এত বড় কমেন্ট দেইখা টাস্কি খাইছি :|

১৬৭. ০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ২:৩৯
নৈশচারী বলেছেন: ভালোবসা জিনিসটার ওপর বীতশ্রদ্ধ। ভালোবাসাকে পচাইতে ভালো লাগে আমার। - প্রথমত এই বিষয়ে সহমত জ্ঞাপন করলাম!
ভালোবাসাকে পচান তবে বেশিরভাগ গল্পে ঘুরেফিরে একই বা কাছাকাছি থিম এসে না যাওয়াটাই কাম্য এটাই বোঝাতে চাইলাম আরকি। সম্পর্কের জটিলতা ছাড়াও আরো অনেক স্পর্শকাতর চিন্তার খোরাক যোগানোর মত বিষয় আছে আপনি সেগুলো নিয়েও ভাবতে পারেন। সেক্ষেত্রে আপনার লেখায় বেশ ভ্যারিয়েশনও চলে আসবে which will be interesting to see। ( এই বাক্যগুলিকে আমার উপদেশ দেয়ার ধৃষ্টতা মনে না করার সনির্বন্ধ অনুরোধ জানাচ্ছি। আমি শুধু আমার মতামতটা বললাম)।
আর, ইয়ে..তোমার কোন ইমোটিকন ছাড়া এত বড় কমেন্ট দেইখা টাস্কি খাইছি - টাসকি খাওয়ার কি কারণ? আপনার কি ধারণা আমি সবসময় ফাইজলামি করি? অন্তত আমার পোস্টগুলি (যদিও সেগুলা কোনো কালজয়ী সাহিত্যের মধ্যে পড়ে না তবু ভাবপ্রকাশের জন্য যথেষ্ঠ আমার মনে হয়) কেউ পড়লে তার এইটা মনে হওয়ার কথা না। যেই জায়গায় আপনাকে পচাইতে হবে সেখানে ইমোটিকন এর যথাযথ ইউজ করব এখানে সেটার কোনো প্রয়োজনীয়তা অনুভব করি নাই।
০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ২:৫৩

লেখক বলেছেন: একই জিনিস নিয়ে লিখতে থাকলে পাঠক বোরড হবে, আমারও ভালো লাগবেনা। তাই অন্যকিছু নিয়েও ভাবছি। তবে আমার অন্যরকম থিমের গল্পও আছে।

তবে একটা ব্যাপার, যারা লেখে বা ছবি বানায় তাদের অনেকেরই পছন্দের একটা ক্ষেত্র থাকে। মঈনুল আহসান সাবেরের বেশ কটা ছোটগল্প আছে দুপুরবেলা নিয়ে। মার্টিন স্করসিসের বেশিরভাগ সিনেমা গ্যাংস্টারদের নিয়ে। একই জিনিস বারবার ভিন্নভাবে আসলে খারাপ লাগেন.

আমার ঐ কথায় দুঃখ পাইলে স্যরি। আসলে এই লেখাগুলো, এই ভাবনাগুলো কষ্টের। তাই বিষয়গুলো হালকা করতে আমি নিজেই একটু ফাজলামি করসিলাম। ভাবিনাই যে সিরিয়াসলি নিবা। তোমার ব্লগ বেশ নিয়মিত এবং মনোযোগ দিয়েই পড়ি, জানি তুমি কেমন। আমি ভাবসিলাম, আমি যে জানি এটা তুমি জানো। যাই হোক, স্যরি এগেইন।

১৬৮. ০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ৩:২৫
নৈশচারী বলেছেন: আপনাকে এতবার স্যরি বলতে দেখে আমি এখন বিস্মিত হয়ে ভাবতেসি আসলেই কি এখানে এইরকম সিরিয়াস হয়ে যাওয়ার মত কিছু ঘটসিল? :-* বোধহয় আমি লাস্ট কমেন্ট এর লাস্ট কথাটার সাথে কোনো ইমোটিকন লাগাইনি দেখে আমি বিভ্রান্ত হয়েছেন। অতএব বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্য আমি দুঃখিত। :|
সামুতে আমি কিছু কিছু ইমোটিকন এর প্রবল অভাব অনুভব করি তার একটা হলো raised eyebrow। ওই কথাটার শেষে এই ইমোটা হবে।
আর আমি এত ন্যাকা না যে কারণে অকারণে যেকোনো বিষয়কে সিরিয়াসলি নিব বা সেগুলা নিয়া গাল ফুলায় ঢংঢাং করব! সেটা আপনার বোঝা উচিত ছিল। ফাইজলামি তো আগেও আপনি করসেন আমিও করসি সিরিয়াসলি নিলে তো তখনি নিতাম। আশা করি ভবিষ্যতে আর মিসআন্ডারস্ট্যান্ডিং হবে না।
ভালো থাকবেন। (ঘাম মুছার ইমো)
০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ৩:৩৫

লেখক বলেছেন: হাঁফ ছাড়ার ইমো কই! থাক দরকার নাই ইমোর। মুখে মুখেই বৈলা দেই হাঁফ ছাইড়া বাঁচলাম! এরপরের বাস মিস আন্ডারস্ট্যান্ডিং হৈলে সব দোষ তোমার।

১৬৯. ০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ৩:৩০
নৈশচারী বলেছেন: আমি এর জায়গায় আপনি হবে! :-P
০৪ ঠা মে, ২০১০ ভোর ৫:০৫

লেখক বলেছেন: এটা কোন ব্যাপারই'না আপু। ভুলতো শুধু মানুষই করবে, পেঁচারা করতে পারবেনা এমন কোন কথা নাই :) /:)

১৭০. ০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ৩:৪৮
নৈশচারী বলেছেন: মিস আন্ডারস্ট্যান্ডিং যাতে না হয় সেইজন্যই তো বলে রাখলাম কথাগুলা! তারপরেও হইলে সেটা আপনার নির্বুদ্ধিতা আমার কিছু করার নাই! B-) B-)
আর যদি সিরিয়াসলি মাইন্ড করি তাহলে সেটা সোজাসুজি আইসা বলব অথবা কিছুই বলব না (কিছু না বলার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি)। রংঢং করার টাইম নাই! :| :|
০৪ ঠা মে, ২০১০ ভোর ৫:০৮

লেখক বলেছেন: (কিছু না বলার সম্ভাবনাই সবচেয়ে বেশি) -এইটা একটা চ্রম রংঢং :#)

১৭১. ০৪ ঠা মে, ২০১০ ভোর ৫:২২
নৈশচারী বলেছেন: তাইলে তো বলতে হয় আমার চেয়ে বড় রঙ্গিলা এই দুনিয়ায় আর একটাও পয়দা হয় নাই! B-) B-)
এইটা আমার জন্মগত বদ অভ্যাস কিছু করার নাই! ঘরে নিজের বাপ মায়ের সাথেও আমি এমন বিহেভ করি। তাদেরকে জীবনেও কোনদিন বলি নাই কোন কথায় রাগ করসি বা দুঃখ পাইসি। ইনফ্যাক্ট দুনিয়ার সব মানুষের সাথেই আমি এই কার্টেসি মেইনটেইন করে চলি। যেকোনো কারণেই হোক রাগ করলে সেটা বলার অভ্যাসটা তৈরী হয়নাই। চুপ থাকতেই বেশি ভালো লাগে, যেকোনো ধরনের সিনক্রিয়েট এড়ায় চলতে চাই সেটা একটা বড় কারণ! অতঃপর আপনার এই বিষয়ে আর কোনো বক্তব্য থাকলে সেটা আমর পোস্টে গিয়া বলবেন এইখানে আমি আর রংঢং বাড়াইতে চাচ্ছি না!
:P :| :|
০৪ ঠা মে, ২০১০ ভোর ৫:৩১

লেখক বলেছেন: ইয়ে, আমার সাথে তোমার এত মিলে কিভাবে? তুমি কি আমার সেকেন্ড নিক নাকি? :| মনেও তো থাকেন কয় হাজার নিক খুইলা থুইসি কোনডা আমি =p~

আসতেছি তোমার পোস্টে। খায়া আসি হাল্কা। য়্যুনো মোমেন্তো।

১৭২. ০৪ ঠা মে, ২০১০ ভোর ৬:৩৪
স্তব্ধতা' বলেছেন: প্রথমে রাগ হয়েছিলো গল্পটি পড়ে।পুরুষতান্ত্রিকতার যাঁতাকলে নীরারা প্রতিনিয়ত পিষ্ট হচ্ছে এতে কোন দ্বিমত নেই।কিন্তু লেখকদের মাঝে এই অনুধাবন প্রক্রিয়াটার একটা একপেশে ধরন লক্ষ্য করা যায়।নীরার হাবি'রা কেনো মাতাল হয়, কোন অব্যক্ত যন্ত্রনায় তাদের পাশবিকতার রুদ্রতার বহি:প্রকাশ ঘটে এ ব্যাপারটি মূদ্রার আরেকটি পিঠ হলেও বেশীরভাগ লেখকরাই এ ব্যাপারটি দেখেননা অথবা দেখতে চাননা।আমার রাগ তাই পানি হয়ে গেলো যখন দেখলাম আপনি সুন্দর করে নীরার হাবি'র দ্বান্দ্বিকতাটার প্রতিফলন ঘটিয়েছেন।হয়তো সেও ছিলো স্বপ্নীল এক যুবক, হয়তো সে এক সময় কবিতাও লিখতো, নিজের মনে মনে হয়তো সে সুরও ভাঁজতো, কিন্তু নিষ্ঠুর সমাজের গিলোটিনে তার সেই মনটির হয়তো মাথা কাটা গিয়েছে।তবু হয়তো সে মাঝে মাঝেই ফিরে যেতে চায় তার পুরোনো কবিতার আশ্রয়ে, তাই টাকা গুলোকে পুড়িয়ে ফেলে, আঁকড়ে ধরে পকেটের কবিতাটাকে, যদিও সে জানে একটা অসম্ভবকে সে ধারন করছে।অসাধারনভাবে জীবনের দ্বান্দ্বিকতা ফুটে উঠেছে।এক কথায় অপূর্ব।অভিবাদন।

এবার আরেকটি দিক বলি।আমরা ছোট বেলায় পড়তাম 'সকালে উঠিয়া আমি মনে মনে বলি, সারা দিন আমি যেনো ভালো হয়ে চলি'....এই পংতিগুলো অতি ব্যবহারে আটপৌরে হলেও এর বিশেষ কিছু তাৎপর্য আছে।আমরা যদি ভালো কিছু করার চেষ্ট করি, ভালো কিছুর প্রচেষ্টায় প্রতি নিয়ত থাকি, তবেই ভালো কিছু সম্ভব।অর্থ্যাৎ আমাদের প্রতি নিয়ত 'ভালো'র প্রতি আকর্ষিত হতে হবে।আম-জনতা যদি হয় সমাজ গড়ার হাতিয়ার, তবে লেখক, শিল্পি সাহিত্যকরা সেই হাতিয়ার গড়ার কারিগর।তাই তাদের একটা বিরাট সামাজিক দায়িত্ব আছে বলে আমি মনে করি।সেটা হলো সমাজে হতাশার বাণী না ছড়িয়ে আশার বাণী শোনানো।নৈরাশ্যবাদ ও নৈরাজ্যবাদ বোধ করার জন্য জীবনে কোন অনুরনন প্রয়োজন হয়না, কিন্তু আশাবাদী হওয়ার জন্য অনুরননের প্রয়োজন আছে।সেই অনুরননটা সমাজের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে দিতে পারে এই লেখক শিল্পিদের প্লাটফর্মটাই।সেই দিক থেকে আপনার গল্পটি ব্যর্থ।কেন নীরা একটি বারও বোঝার চেষ্টা করলোনা যে, যে মানুষটি সুর ভাঁজতে চায়, সেই মানুষটি কেনো খিস্তির/অত্যাচারের আশ্রয় নেয়? যে মানুষটি পকেটে কবিতা নিয়ে টাকা পুড়ে ফেলতে পারে, সে মানুষটি কেন প্রতি সন্ধ্যায় শূঁড়িতলায় যায়? সেই অনুধাবন প্রক্রিয়ায় না গিয়ে নীরা কিন্তু নিজের বিনোদনে ব্যস্ত।নীরার সুখী না হয়ে বিনোদীনী হবার যে যন্ত্রনা, তার থেকে নীরার হাবি'র অব্যক্ত যন্ত্রণাটা বড় বেশী বেজেছে।আপনার নীরা অন্তত এখানে বড় স্বার্থপর।হয়তো আপনি চাইলেই আমরা একটু ভিন্ন গল্পও শুনতে পারতাম, একটু আশান্বিত হতে পারতাম। একটু একটু করে তিল তিল করে দু'জনে মিলে কষ্ট করে গড়ে তোলার গল্পও এই সমাজে অনেক আছে।আমরা কেন যেন তাদের দেখিনা।ভীষণ কষ্ট পেয়েছি গল্পটা পড়ে।তাই অনিচ্ছা সত্ত্বেও অনেক বড় মন্তব্য করলাম।ক্ষমা করবেন।ভীষণভাবে ছুঁয়ে যাওয়া একটি গল্পের জন্য আবারও অভিবাদন।
০৪ ঠা মে, ২০১০ সকাল ৭:০৫

লেখক বলেছেন: আমি সত্যিই অভিভূত গল্পটা আপনাকে এভাবে ছুঁয়ে গেছে বলে। তবে দ্বিতীয় প্রসঙ্গে, এই যে বললেন লেখক হিসেবে সামাজিক দায়িত্ব পালন, বা আশার বাণী ছড়িয়ে দেয়ার কথা..সেক্ষেত্রে আমাকে বারংবার ব্যর্থই হতে হবে। লেখার সময় আসলে সামাজিক কমিটমেন্টের কথা মাথায় আসেনা। যা অনুভব করি, লিখি। আর আমাকে সুখ বা ভালো লাগা, বা এক টুকরো হাসি, একটা সান্তনা বাণী প্রভৃতির চেয়ে অন্ধকারে শুয়ে জানলা দিয়ে একটা অসুখী তারাকে ঝরে পড়তে দেখাটাই বেশি প্রভাবিত করে। লেখার মধ্যেও ওসব এসে যায়.....

১৭৩. ০৪ ঠা মে, ২০১০ সকাল ৭:০৮
কুড়িয়ে পাওয়া কানাকড়ি বলেছেন: প্লাস না দিয়ে উপায় নেই। প্লাস ছাড়া আর কী ই বা দিতে পারি।।
০৪ ঠা মে, ২০১০ সকাল ৭:১২

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্যে!

১৭৪. ০৪ ঠা মে, ২০১০ সকাল ৭:৩১
নৈশচারী বলেছেন: তুমি কি আমার সেকেন্ড নিক নাকি? - আমি এই বাক্যের তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি!আমার স্বকীয়তায় যেকোনো ধরনের প্রশ্ন তোলার ষড়যন্ত্রকে আমি যেকোনো মূল্যে নস্যাৎ করব!
কিভাবে মিলে সেটা গবেষনাসাপেক্ষ বিষয়! দুইজন একই চেহারার মানুষ পৃথিবীতে সহজে না পাওয়া গেলেও দুইজন একই মানসিকতার মানুষ পাওয়া তেমন কঠিন কিছু না। তবে এই ক্ষেত্রে আপনার এবং আমার ব্যাকগ্রাউন্ড এতই ডিফরেন্ট যে এই মিলটা একটু অদ্ভুতই লাগছে!
একটা প্রশ্ন, সামুর ইমোগুলি নিয়ে আমি খুব কনফিউজড। /:) - এই ইমোটার মিনিং কি?
০৪ ঠা মে, ২০১০ সকাল ৭:৪২

লেখক বলেছেন: কি জানি! তোমার ব্যাকগ্রাউন্ডের কথাতো জানিনা। আমারটা কিভাবে জানলা বা কি জানলা সেটাও তো বেশ অবাক ব্যাপার।

/:) এইটা আমার খুব প্রিয় একটা ইমো। প্রায়ই ইউজ করি। বিভিন্নসময় বিভিন্ন অর্থ বহন করে। তবে মূলত, একটা ড্যাম কেয়ার ভাব দেখানোর জন্যে। উদাহরণ,

হু! দেখা যাবে /:)

আবার কখনও ক্লান্তি

ঘুমাইনা দুই রাত ধৈরা /:)

কখনও হুমকি, কখনও নির্লিপ্ততা ইত্যাদি!

১৭৫. ০৪ ঠা মে, ২০১০ সকাল ৮:০৬
নৈশচারী বলেছেন: হমম ঠিক আসে! সোহান আমাকে বলসিলো যে এটার মানে শুধুই ক্লান্তি! এইজন্য আমি একটু কনফিউজড হইসিলাম কারণ সবখানে এটাকে সেই হিসাবে ইউজ করতে দেখি নাই অন্যদেরকে। আপাতত সামুর ইমোগুলা নিয়ে আমি মোটামুটি সংকটে আসি /:) /:)
আর ব্যাকগ্রাউন্ড বলতে এমন কোনো হাতিঘোড়া কাহিনী বুঝাই নাই। এটা তো বুঝাই যায় যে আপনার এবং আমার জেন্ডারে এবং বয়সে যথেষ্ট অমিল। আমি এটাকেই বুঝাইসি। মেন্টালিটির ব্যাপারে এই দুইটা জিনিস নিশ্চয়ই গুরুত্বপূর্ণ। সো অবাক হওয়ার কিসু নাই B:-)
০৪ ঠা মে, ২০১০ সকাল ৮:১৫

লেখক বলেছেন: ও আচ্ছা সে কথা! আমি ভাবসিলাম ব্যাকগ্রাউন্ড বলতে ফ্যামিলি, এডুকেশন, হোম এইসব বুঝাইসো তাই অবাক হৈসিলাম। বয়সের ডিফারেন্স কত সেইটা অবশ্য জানিনা। যাউকগা তয় তুমি যে টাইপ লেখো, ব্লগে আর কোন মেয়েরে এই টাইপ গদ্য লিখতে সচরাচর দেখা যায়না। এইটা একটু অবাকই লাগসে।

১৭৬. ০৪ ঠা মে, ২০১০ সকাল ৮:৩২
নৈশচারী বলেছেন: আমি সোহানের চেয়েও প্রায় দেড় বছরের ছোট! সো এখন আপনি বুঝে দেখেন.......
হাল্ক ভাই এর টুইলাইটের পোস্টটা প্রিয়তে নিসি দেখে আমার এক বান্ধবী আজকে সন্ধ্যায় আমাকে শারীরিকভাবে লাঞ্চনার হুমকি দিসে! :| বুঝতেই পারতেসেন আমি বহুত বেকায়দায় আসি :(
যাই হোক,একটা ভালো এবং একটা খারাপ খবর! সারারাত জেগে ধারাবাহিক পোস্টের প্রথম পর্ব লেখা এইমাত্র শেষ করলাম! এখন এটা পাবলিশ করার জন্য কোন টাইমটা উপযুক্ত হবে তাই ভাবতেসি B:-)
খারাপ খবর হলো পোস্টের কি নাম দিব বুঝে পাচ্ছি না :(( :((
০৪ ঠা মে, ২০১০ সকাল ৮:৪১

লেখক বলেছেন: ও! তাহলে অনেক ছোট। টুইলাইট নিয়া মাইনষে কি এত কয় বুঝিনা। দেখিনাইক্যা মুভিডা। ইচ্ছাও নাই দেখার।

যখন খুশী তখন দাও। তোমার পোস্ট যারা পড়ার পড়বেই। তবে রাতে দেয়াই ভালো। নৈশচারীর পোস্ট বলে কথা! তোমার আগের পোস্টগুলাও তো সব রাতে দেয়া। তবে আমি কোন একটা লেখা শেষ করলে ওটা সঙ্গে সঙ্গে না দিয়া পারতামনা।

শিরোনাম নিয়া আমাকেও বেশ সমস্যায় পড়তে হয় মাঝেমধ্যে। তোমার লেখাটার ভেতর থেকেই শিরোনাম বের করা যায় কিনা দেখো, কোন বাক্য বা শব্দ থেকে।

১৭৭. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ২:৩১
স্তব্ধতা' বলেছেন: হামা, আপনার মন্তব্যের প্রতিউত্তরে আমার জবাবটা বড় হয়ে গিয়েছিলো, তাই পোষ্ট আকারে দিলাম।
লিঙ্ক
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ২:৪০

লেখক বলেছেন: দেখছি...ধন্যবাদ

১৭৮. ০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৩:৪৩
মতিউর রহমান সাগর বলেছেন: আমাদের হাসান মাহবুব ভাই একজনই, সে কথা প্রতিটি লেখাতে দেখি।
অনেক শুভকামনা নিবেন।

এমন লিখায় রীতিমত স্যালুট।।
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৩:৪৬

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ কবি!

১৭৯. ০৬ ই মে, ২০১০ বিকাল ৩:৩০
পি মুন্সী বলেছেন: হাসান মাহবুব,
আপনার লেখার প্রতি এতদিন অমনোযোগের একটা দায় অনুভব করছি। কেন পারিনি সে নিয়ে কিছু কথা স্তব্ধতার আলাদা পোষ্টে আমার মন্তব্যে জানিয়েছি।
যদিও আমার বিচারে, আপনি যত পাঠক মন্তব্য পেয়েছেন এর মধ্যে স্তব্ধতার মন্তব্য ও পোষ্ট পড়ে মনে হচ্ছে স্তব্ধতাই সবচেয়ে ভালভাবে আপনার গল্প বুঝে নতুন নতুন অর্থ উৎপাদনের চেষ্টা করেছে।
কিন্তু স্তব্ধতা সাথে কিছু প্রশ্নও তুলেছে; "দায়বদ্ধতা" বিষয়ে চাপা পড়ে থাকা একটা পুরানো বিতর্কের সামনে আমাদের দাঁড় করিয়েছে। আপনি সেখানে গল্প লেখক হিসাবে আপনার কিছু উপলব্দি আমাদের জানিয়েছেন, জবাব লিখেছেন।
আমি নিজেকে আপনার লেখক ঊপলব্দির পক্ষে দাড়িয়েছি দেখতে পাই। আবার চাপা পড়ে থাকা "দায়বদ্ধতা" বিষয়ে স্তব্ধতার উদ্বেগগুলোকে গুরুত্ত্ব দেয়া দরকার মনে করি। "দায়বদ্ধতা" বিষয়ে আমাদের ভাবনাগুলোর একটা পুণর্মুল্যায়ন এখান থেকে করে নেয়া যায় কী না সে চেষ্টা করছি, আলাদা পোষ্টে। আশা করি দেখবেন।
০৬ ই মে, ২০১০ রাত ৮:৪৪

লেখক বলেছেন: আপনার কমেন্ট দেখেছি স্তব্ধতার পোস্টে। অনেক ধন্যবাদ। নতুন পোস্ট দিলে দেখব অবশ্যই। শুভকামনা।

১৮০. ০৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১১:২৯
রক্তিম কৃষ্ণচূড়া বলেছেন: কিছু কিছু কাব্য অনেক কঠিন মনে হয়। সেক্ষেত্রে সেগুলোকে নিজের ভাষায় অনুবাদ করে নেই। হয়ত বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই কবি / লেখকের ভাবনার সাথে মেলে না।
এ লেখাটিও বুঝতে একটু কষ্ট হলো। পড়ে কেন যেন মনে হল এ এক জোড়া যন্ত্রমানব-যন্ত্রমানবীর গল্প যারা প্রতিনিয়ত সংগ্রাম করছে নিজেদের অনুভূতি বাঁচিয়ে রাখতে। তাই কি?
০৯ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৩০

লেখক বলেছেন: হ্যাঁ সেরকমই। আপনি ফিরে এসেছেন দেখে ভালো লাগলো। মাঝখানে তো সব খালি করে চলে গিয়েছিলেন। শুভ প্রত্যাবর্তন।

০৯ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১:০৩

লেখক বলেছেন: ভালো থাকুন।

১৮২. ২০ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:১৮
চতুষ্কোণ বলেছেন: কাব্যিক ভঙ্গিমায় মুগ্ধ! গল্প ও গল্প বলার ভঙ্গি অসাধারণ লাগলো। জীবনের সম্পর্কগুলো নিয়ে আমি অবশ্য এখনো অতটা হতাশ নই। তবে সেদিকেই এগিয়ে যাচ্ছি ক্রামাগত...
২০ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:১৫

লেখক বলেছেন: শুভকামনা! সম্পর্কগুলো সহজ আর সুন্দর হোক...

১৮৩. ২৫ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:০৭
মিরাজ is বলেছেন: কঠিন গপ্পো । তবে ভাল লাগল বস ।
২৬ শে জুলাই, ২০১০ রাত ২:৩৮

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস পুরোনো লেখা পড়ার জন্যে!

১৮৪. ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১১:৪২
আহাদিল বলেছেন: গল্প পইড়া যত না টায়ার্ড, মন্তব্য পড়তে গিয়া ঘাড় ব্যাথা হয়া গেসে!
কী বলতে চাইসিলাম ভুইল্যা গেসি!!

তবে দীপ আহসান বলেছেন: মাহবুব সাহেব, আপনার এই গল্পটি আমার ভালো লেগেছে। উনার সাথে সহমত প্রকাশ করছি!!!
০৫ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:২৩

লেখক বলেছেন: আপনাদের দুজন্রেই ধইন্যা :-B

১৮৫. ০৯ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১১:৩৭
ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন:


সেদিন চতুরে কমেন্ট লিখতে যাইয়া নিচের লিখাটা লিক্সিলাম!পরে ভাবছি এইডা মোডিফাই কোইরা মানুষ করুম! কিন্তু আর এইডা আর মোডিফাই করা হয় নাই!


=====

চিকন সুতোর বুনন গড়ে কুয়াশার শুভ্রজাল,
গোলাপী আভায় বিদ্ধ শরীর খুঁজে ফেরে নির্বান ।

মুখসের আড়ালে অতৃপ্ত জীবন
মুক্তিহীন যন্ত্রণার ভুল সমীকরন,
জাগতিক সুখে জেগে উঠে বিষাক্ত দৃষ্টি
আদ্রতাহীন জীবনে নামেনা বিদগ্ধ বৃষ্টি ।

ছুরির ধারে ক্ষতবিক্ষত হলুদাভ সময়,
কাম ঘ্রাণে বাতাস শুকে পথভোলা প্রণয় ।
নিস্পৃহ মনের নিথরতায় জাগে অবসাদ,
জানালা বন্দী মৃত জোছনায় মৌন বিষাদ ।

গাছের গায়ে নখ আকড়ে কাঠঠোকরা ঠোকর দেয়,
রাবারে গড়া ঠোট মসৃন বাকলের স্বাদ না পায় ।

সম্পর্কের শরীরে বক্রতার ভাজ
নিস্চুপ মেঘেদের শুন্যতার সাজ
দ্বিধায় মাতে তীক্ত বোধ,
নির্লিপ্ত সময়ের শীতল অবরোধ ।

নিথর স্বরে কেদেঁ উঠে চির কষ্টের ম্যানিকিন,
লাশকাটা ঘরে পচে গলে আবেগটুকু বর্নহীন ।

১০ ই এপ্রিল, ২০১১ রাত ১২:০৪

লেখক বলেছেন: এই গল্পটার প্রতি তোমার এবং অনেকের ফ্যাসিনেশন দেখে আমি সত্যিই নিজেকে সার্থক মনে করছি।

কবিতাটা তো আমার জন্যে উপহার তাইনা? আর উপহার সবসময়ই প্রিয়। ওটা সম্পর্কে মন্তব্য করে আমার পক্ষপাতকে তুলে ধরতে চাইনা। শুধু বলি, অনেক ধন্যবাদ!

১৮৬. ১০ ই জুলাই, ২০১১ রাত ৯:৪৮
রেজওয়ান মাহবুব তানিম বলেছেন: গল্পটা একদম অন্যরকম লাগল । বেশ খানিকটা কবিতার মতোন, অনেক কিছু ভেবে নিতে হবে পাঠককে ।

তবে এই লেখাটা কিছু ক্ষেত্রে সার্বজনীনতা হারিয়েছে তার ভারিক্কি ভাবের কারণে । সবার পক্ষে লেখাটা বোঝা সম্ভব হয়েছে বলে মনে হয় না হাসান ভাই
১০ ই জুলাই, ২০১১ রাত ৯:৫৮

লেখক বলেছেন: এটা আমার প্রিয় একটা লেখা। অনেক ধন্যবাদ পুরোনো লেখা পড়ার জন্যে।

সবকিছু বোঝার কী দরকার! আমিও অনেক কিছু বুঝিনা, কিন্তু ভালো লাগে!

১৮৭. ১৫ ই জুলাই, ২০১১ বিকাল ৪:৩৭
তন্ময় ফেরদৌস বলেছেন: অসাধারন,অসাধারন। প্রতিটা লাইন কোথায় যেন আবেগের সাথে মিলেমিশে যায়। জীবন উপ্লদ্ধির অক্ষমতা আমাদের কতটা যে কাদায় পোস্টটা পরে নতুন করে বুঝলাম।
১৫ ই জুলাই, ২০১১ বিকাল ৫:২১

লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ। জীবনের বোধের দেয়ালে প্রজাপতিরা বাসা বাঁধুক, ক্ষীণভাবে হলেও একটা মোমবাতি জ্বলুক আত্মার অন্ধকার প্রকোষ্ঠে।

ভালো থাকুন।

 

মোট সময় লেগেছে ১.২০৩৭ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আমার অপদার্থতাকে মাহাত্ম্য ভেবোনা...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই