আমার প্রিয় পোস্ট
- ব্লগার হাসান মাহবুবের প্রথম গল্পগ্রন্থ প্রবেশাধিকার সংরক্ষিতের মোড়ক উন্মোচিত - নাহুয়াল মিথ
- প্রিয় পোস্টগুলো: মুক্তিযুদ্ধ ১৯৭১; ব্লগের একটি ছোট আর্কাইভ - ফারজুল আরেফিন
- এমন 'ভৃত্যসুলভ' বন্ধুত্ব নয়,শক্ত প্রতিকার ও প্রতিবাদ চাই! - দূর্যোধন
- মুনলাইট সোনাটা - ফাহাদ চৌধুরী
- সামুর বেশকিছু টেকি , টিপস এন্ড ট্রিকস এবং দরকারি পোস্টের সংকলন

- রবিন মিলফোর্ড
- উৎসমুখে আসতে হলে... ইনসোমনিয়াক'স আড্ডা! - রুদ্রপ্রতাপ
- দুঃস্বপ্নের দুঃসময়............... - মিরাজ is
- হঠাৎ মৃত্যু; অতঃপর মৃতজীবন - ইমরান নিলয়
- গ্রোভ এন্ড দ্যা ক্রিমিন্যাল - রিয়েল ডেমোন
- অবাস্তব পরাবাস্তববাদ (শেষ পর্ব) - আকাশ অম্বর
- প্রিয় অনুজেরা, শুনতে পাচ্ছো? - সমুদ্র কন্যা
- আমাদের কিছু বিদেশী বন্ধুর কথা - কল্পবিলাসী স্বপ্ন
- চিৎকাত, ব্লাইন্ড এবং মাইন্ড গেম (শেষ পর্ব) - আজমান আন্দালিব
- মেটামরফিস অথবা মথজীবন - শামীম শরীফ সুষম
- কোনো একরাতে-সামহোয়্যারইন ব্লগের ব্লগাররা - দূর্যোধন
- ~~আমরা তখন পাখি ছিলাম, আমরা তখন ফড়িং~~ - শায়মা
- কর্তব্যকালীন মুহূর্ত - মাহী ফ্লোরা
- গানের জগতে এক বিষ্ময়কর নাম সায়ান - নাআমি
- এই হুমায়ুন স্যার, এই !! - জিকসেস
- ইনসমনিয়াক - rudlefuz
- জেব্রামাস্টারের প্রতি - নাবিক হ্যাডক
- ওয়ারফেজ খ্যাত বাবনা সমগ্র, বাবনার সবগুলো গান একসাথে (লিরিক সহ) আপডেট! - রাজসোহান
- গল্প: ভেজা বাতাসে গ্রামটাকে ভুল মনে হয় - আব্দুল্লাহ আল মুক্তািদর
- রকস্ট্রাটার সকল গানের লিরিকস - টর্মেণ্টর্ বিষু
- চলে গেলো এ-টিমের জন্মদিন, আমরা কি তবে ভুলতে বসেছি তাদের অবদান? - স্বপ্নকথক
- হাচিকো- এক মহান কুকুর - সজল শর্মা
- স্বভাবজাত বোহেমিয়ান এক নাগরিক কবি : শহীদ কাদরীর প্রতি প্রণতি - নাবিক হ্যাডক
- আমাদের বর্ষাক্রান্ত ক্ষ্যাপা নাগরিক ভাবনাগুলো - আমি উঠে এসেছি সৎকারবিহীন
- অরণ্যে বিরতি, এক তুষারাচ্ছন্ন সন্ধ্যায়(অনুবাদ কবিতা) - নাবিক হ্যাডক
- আরেকটি সম্ভাব্য মিরসরাই থেকে কিছু নিষ্পাপের প্রাণরক্ষা - বিনিদ্র ~ রজনী
- কুহক - সমুদ্র কন্যা
- দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের একটি গণহত্যার গল্প,রাশিয়ার ক্ষমাপ্রার্থনা এবং আমাদের পাকি প্রেম। - Neelpoddo
- আজম খান আমাকে এক কাপ চা খাইয়েছিলেন ... - ইমন জুবায়ের
- সহাবস্থান বা প্রস্থানের গল্প! - দ্যা ডক্টর
- আজম খানকে নৈবেদ্য - তাঁর কীর্তি সমগ্র - কবির চৌধুরী
- আমার মন খারাপের পরেও ... - নস্টালজিক
- আমার পিসিতে থাকা কিছু ছোট ছোট পোর্টেবল সফটওয়্যার শেয়ার করলাম - রাজসোহান
- উগড়ে দিলাম কিছু কবিতা - মিরাশদার১০
- আমার পিচ্চি বাহিনী আর একটা মজার খেলা ...
- রক্তিম কৃষ্ণচূড়া
- ডায়লেমা _কারাতে - আহাদিল
- ‘মেহেরজান’ ছবির প্রদর্শনী অব্যাহত থাকুক ও সেইসঙ্গে ‘মেহেরজান’ ছবির পরিচালক রুবাইয়াৎ হোসেনকে কিছু বেদনাবিদ্ধ জিজ্ঞাসা : - বাকী বিল্লাহ
- স্যরি টু সে...আপনাদের ক্ষমা নেই...রাসিকরা মরে নাই - নাহোল
- ফাঁসি........................... - মিরাজ is
- অনন্তকাল শহুরে জানালায় - ত্রাতুল
- তুমি কি কারণ জানো?(অনুবাদের অণুচেষ্টা) - সোমহেপি
- এক পোস্টের কত্তো রূপ!!! - আলিম আল রাজি
- উন্মাদনার যোগজীকরণ – ০০৪ (১৮+) - আকাশ_পাগলা
- স্পর্শবিজ্ঞান - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- মনোলগ - অমিত চক্রবর্তী
- লেট নাইট শো - অন্ধ আগন্তুক
- উত্তরণের পথে - সায়েম মুন
- সৃষ্টি - শিরীষ
- নিরুদ্দিষ্ট হওয়ার কিছু দিন পর - স্বদেশ হাসনাইন
- এক নজরে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড ওয়ানডে সিরিজ - লুলু পাগলা
- সাড়ে সাত হাজারের ভেলরি, আড়াই লাখের শফি সামি, আর দুই পয়সার আমরা.. - আরিফ জেবতিক
- অণুগল্পঃ কয়েকজন গড়পড়তা মানুষের মর্নিং ওয়াক - অমিত চক্রবর্তী
- রেস্তোরাঁজনিত - অমিত চক্রবর্তী
- বিচিত্র বমি - তাশমিয়া
- রোদচশমা - প্রাতঃপর্ব - অন্ধ আগন্তুক
- নেড়ি কুত্তা আর শকুনের খাবার হোক আমার লাশ, তবু এই জাতীয় আস্তিকের হাতের সৎকার যেন না পাই - পারভেজ আলম
- প্রিয় হুমায়ুন আজাদের প্রবচনগুচ্ছ, সবগুলি(২০০)প্রবচন একসাথে - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য-২
- সুমনা হক : বাংলার জিঙ্গেল কুইন - ধ্রুবো
- নস্টালজিয়া.....পরী! - নস্টালজিক
- ঈশ্বরের হনন ও কতিপয় অন্ধ ও বধির গুটিপোকা - নৈশচারী
- নতুন ঈশ্বর আবশ্যক - দীক্ষক দ্রাবিড়
- এক শিবির সদস্যের স্বীকারোক্তি : মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কতো ভুল যে জানতাম! - কানু
- পাপগল্প: পেরেক - পাপতাড়ুয়া
- ভীনদেশী তারা ----- (চন্দ্রবিন্দু) - বিষাক্ত মানুষ
- ছোটগল্প: আমাদের মহল্লায় যে আগন্তুকটি কখনই এসে পৌঁছাবেন না! (অখন্ড) - আকাশচুরি
- ছোটগল্পঃ কাঠকয়লায় আঁকা - মোস্তাফিজ রিপন
- পিঙ্ক ফ্লয়েড অথবা সীড ব্যারেট অথবা বাইক! - ছন্নছাড়ার পেন্সিল
- চলে যাব - অমিত চক্রবর্তী
- বৃষ্টিগুলো পাখীর ডানায়,বাতাস অপেক্ষায়! - নস্টালজিক
- কুক্কুরের কামড় বাধ্যতামূলক - দীহেমে
- আনন্দ
- তাশমিয়া
- উদ্ধরণ - আকাশ অম্বর
- আমি এইখানের কেউ নই, আমি এখানকার ছিলাম না কখনো... - শাওন৩৫০৪
- গল্পঃ একটি পনের সেন্টিমিটার কমেন্টের অপমৃত্যু--রাজ্যদ্রোহীদের জন্য একটি সিরিয়াস (নাতি+) জুক্স - ফাহাদ চৌধুরী
- পুড়ে গেছে উপেক্ষা তোমার - শিরীষ
- পাপগল্প: মানিপ্লান্ট ডগায় দীর্ঘশ্বাসেরা.... - পাপতাড়ুয়া
- সম্মোহনী পেন্ডুলামে কবির স্বতোদহন(মুক্তগদ্য) - অমিত চক্রবর্তী
- বড় পর্দার স্বপ্ন-একটি দৃশ্যকল্প - ফাহাদ চৌধুরী
- যেখানে স্বাধীন বাংলাদেশের লজ্জা: পাহাড়ের আদিবাসীদের মর্মন্তুদ জীবন........ - সুবিদ্
- মনোবিদের দফতরে... - খারেজি
- গল্পঃ বাথরুমে গণতন্ত্রের পতনে শ্যাওড়াপাড়ার মানুষেরা যা করে - মোস্তাফিজ রিপন
- আবেগী পোষ্ট ( উৎসর্গঃ দেশী পোলা ভাইজান ) - রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী
- যৌনাকাঙ্খাই অসহনীয় মাথাব্যথার কারণ - হাবিবমহাজন
- বাংলা ব্লগ'স্ফেয়ারে মুক্ত'চিন্তার গুরুত্বপূর্ণ লেখা/পোস্ট/ব্লগ সংগ্রহের উদ্যোগঃ সচেতন সকলে'র অংশগ্রহন কাম্য … - মনির হাসান
- কবিতা থেকে গান: অপলাপ - ইমন জুবায়ের
- পারভার্ট! পারভার্ট! - আকাশ অম্বর
- ছোটগল্পঃ বিস্রস্ত - মোস্তাফিজ রিপন
- ওয়ার্ল্ডপ্রেস ফটো অভ দ্য ইয়ার ১৯৭৫-১৯৯১ - ম্যাক্স পেইন
- গল্প: ছায়ার ডানা - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- ধর্মের ভৌতিকতা কিম্বা ভুত'আশ্রয়ী ধর্মের অম্লঃপরীক্ষা ... ০১ ... - মনির হাসান
- Wish you were here-'RICK' (1943-2008) - ফয়সালরকস
- হাসনুহেনা ----- [ ফসিলস ] - বিষাক্ত মানুষ
- মুক্তগদ্য: শোনো, এইখানে বর্ষাকালে বৃষ্টি হয় - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- রাত পোহালে কোটি টাকার লড়াই । সুপার কাপের শিরোপা জিতবে আবাহনী নাকি মোহামেডান ? - আবুল বাহার
- ছোটগল্প : আমার মৃত্যু পরবর্তী চিঠি - আবদুর রাজ্জাক শিপন
- অনুবাদ: সিলভিয়া প্লাথ এর Mad girl’s love song - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- অটিজম নিয়ে কিছু কথা - নুশেরা
- চিঠি - সাদা কালো এবং ধূসর
- গণিতের সাহায্যে সিংহ শিকার - ম্যাভেরিক
- গণিতের সপ্ত কৌতুক - ম্যাভেরিক
- আমার প্রিয় পোস্ট : মলয় রায়চৌধুরী'র কবিতা প্রচণ্ড বৈদ্যুতিক ছুতার - নৃপ অনুপ
- আগুন কমেন্ট সংকলন - আই লাভ ব্লগিং
- বুরকা পরা মেয়ে পাগল করেচে - বিষাক্ত মানুষ
- কারো নাভিমূলে পোঁতা কোমলগান্ধার - নির্ঝর নৈঃশব্দ্য
- হা'ভাইত্যামী .. - মনির হাসান
- গাছের বাঁকলে রৌদ্রের ছায়া - ক-খ-গ
- আস্তিক-নাস্তিক-সংশয়ী এবং তাদের ঈশ্বর - আহমাদ মোস্তফা কামাল
- বাইসাইকেল চোর ----- [ ফসিলস ] - বিষাক্ত মানুষ
- রবীন্দ্রসংগীত আর রক/মেটালের তুলনামূলক আলোচনা অথবা অন্য কোন *চনা - শূন্য আরণ্যক
- বেলা অবেলার গল্প - ক-খ-গ
- এটি একটি দুঃস্মৃতি কথা ... - অমি রহমান পিয়াল
- বই মেলা এবং আমার কন্যারত্ন - মেহবুবা
- চাচা, আপনাকে অভিবাদন! আমরা সবাই শান্তি চাই! - ওমর হাসান আল জাহিদ
- ইমরান ব্লগ স্রষ্ট া - দেবরা
- ক্রিকেট-অদ্ভূত কিছু শট (অনেকগুলো ছবি, লোড হতে একটু সময় নিতে পারে) - নাফিস ইফতেখার
- মুছে ফেলুন - কেন লিখে রেখেছেন? - নাফিস ইফতেখার
- স্রোতের বিপরীতে একজন টাইপিস্টের জীবন সংগ্রাম - এ. এস. এম. রাহাত খান
- যৌবনযাত্রা, যৌনতা এবং বর্তমান ব্লগ-বিতর্কঃ পুনর্মূল্যায়ন - নাস্তিকের ধর্মকথা
একটি পারিবারিক গল্প
০২ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৪২
*
সম্প্রতি একটা টেপরেকর্ডার কেনার কথা ভাবছি। পুরোনো আমলের..ছিলোনা ঢাউস সাইজের? গান শোনা যেতো, রেডিও শোনা যেতো, আবার কথা রেকর্ডও করা যেতো! বৃথাই গুণকীর্তন করছি ওই রদ্দিমালের! ইদানিং কত উন্নতমানের, চমৎকৃত করার মত যন্তর বের হয়েছে! আমাদের অনুজেরা কানে অলংকারের মত সজ্জিত করে রাখে প্রযুক্তির ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বিস্ময়! কিন্তু আমার এখন আর কিচ্ছুতেই বিস্ময় জাগেনা। কেউ যখন কোন নব্য আবিস্কৃত বিস্ময় আমার সামনে তুলে ধরে তার গুণকীর্তন করা শুরু করে, তখন আমি ভদ্রতাবশত যথেষ্ঠ উচ্ছাস দেখালেও মনের চরে চড়ে বেড়ায় মরা বক। মনটা মরে গেছে আমার। না..এখনও মনে হয় মরেনি। তাই তাকে বাঁচানোর জন্যে শেষ প্রচেষ্টা হিসেবে আমি প্রস্তুতি নিলাম হাওয়াবদলের। দীর্ঘভ্রমনের জন্যে পর্যাপ্ত পরিমাণ সম্বল সঙ্গে নিলাম।
আমি হাঁটি
আমি হেঁটে চলি
শহরের পীচঢালা পথ কখনও আমার কাছে পলিমাটির মত নিবিড় মনে হয়।
এই দীর্ঘযাত্রার ফলশ্রূতিতে আমি একদিন শহরের প্রত্যন্ত এক অঞ্চলের যন্ত্রপাতি সারাই করার দোকানে এসে উপস্থিত হই। প্রৌঢ় দোকানি বসে বসে ঝিমুচ্ছিলো। আমাকে দেখে তার চোখ চকচক করে উঠলো। আমাকে মোহিত করার জন্যে সে তার পুরোনো, প্রায় বিকল সরঞ্জামগুলোর স্থায়ীত্ব সম্পর্কে বলা শুরু করলো।
"কুনো চিন্তা করবেননা ছ্যার। এইডা ন্যাশনাল কোম্পানির জিনিস। দশ বচ্ছরেও কিছু হৈবোনা। আর কিছু হৈলে নিয়া আসবেন..আইজকাল কি সব জিনিস বাইর হইছে দুইদিন পরপর নষ্ট হয়.."
তার সাথে আলাপে মেতে উঠতে আমার কোন আগ্রহ ছিলোনা। আমি গিয়েছিলাম অসুস্থ্য একজনের জন্যে পথ্য কিনতে।
*
বাসায় থরে থরে সাজানো আছে পুরোনো দিনের গানের এ্যালবাম। আর আছে কিছু ব্যক্তিগত কথোপকথন। আমি ধূলো জমতে দেইনি ওসবের উপরে। সযতনে পরিস্কার করেছি সবসময়।
-তুমি সুস্থ্য বোধ করছোতো? আমি আমার মনটাকে জিজ্ঞেস করলাম। তার প্রফুল্ল হাসি দেখে অনেকটাই আশ্বস্ত হলাম। ওকে শুইয়ে দিলাম একটা আরামদায়ক স্থানে। পরিচর্যার জন্যে ব্যবস্থা করাটাই বাকি এখন।
-বল তোমার কি চাই? আমি শুধোলাম তাকে।
-কি না, বল কাকে।
-আচ্ছা বল কাকে চাও। দেখা যাক এনে দিতে পারি কিনা।
-আচ্ছা তোমার কি মনে আছে ওই গুট্টুস গাট্টুস বাবুটার কথা? ওই যে পানিপিস্তল দিয়ে গুলি ছুড়তো? কি যেন নাম তার.. ওকে একটু এনে দাওনা..ওর কথা শুনতে ইচ্ছে করছে খুব..
বুঝলাম স্মৃতিবৈকল্যে ভুগছে সে। আমার ছোটভাইটার নামটাই ভুলে গেছে! অসুস্থ্যতার চরম পর্যায়। আমি খুঁজতে লাগলাম ওয়ার্ডরোবে সাজানো গল্পবলা ফিতে গুলো। পেয়েও গেলাম। মনে আছে, অনেকদিন আগে, অনেক অনেক..দিন আগে, যখন আমরা দলবেঁধে বনভোজনে যেতাম আর কাগজের স্মৃতিতে বন্দী হতাম হাস্যমুখে.. আমরা তখন ছড়া বলতাম, কেউ কোন লাইন ভুল করলে হেসে ফেলতাম। আমাদের ছোট্টভাইটা একবার ভুল করেছিলো, "ঐ দেখা যায় তালগাছ, ঐ আমাদের গাঁ", বলতে গিয়ে ভুলেই গিয়েছিলো পরের লাইনগুলো বেমালুম! সে নিয়ে আমাদের কত হাসাহাসি! স্মৃতি অবিনশ্বর করার উৎসাহে আমরা তা রেকর্ড করে রেখেছিলাম যন্ত্রের সহায়তায়। আমি এখন ওটাই খুঁজছি। একজন রোগাক্রান্ত মানুষকে সহায়তা করার সামান্য প্রয়াস আর কি! কোথায় গেল! কোথায় গেল! সেইসময়ের চরম জনপ্রিয় হওয়া লম্বা চুলের গায়কটাকে দেখছি, যাকে ইদানিং সবাই ব্যাকডেটেড বলে, তা বলুকগে! এইতো পেয়েছি। স্পষ্ট করে লেবেল সাঁটানো আছে, "গুট্টুসের কবিতা"।
-"এই, এত দেরী করছ কেন! জানোনা আমি অসুস্থ্য!" আকুতি প্রকাশ পেল তার কন্ঠে। আমি দ্রুত গুট্টুসের কবিতা চালিয়ে দিলাম জরাজীর্ণ টেপরেকর্ডারে।
-মনে আছে তোমার? স্মিত হেসে বলল সে।
- কি যে বল! থাকবেনা! আমার ঠোঁটের কোণেও হাসি ফুটে উঠলো সম্ভাব্য অতীত অবগাহনের আনন্দে।
প্লে বাটনটা টিপে দিলাম। কিছুক্ষণ খসখস শব্দ। তারপর আমাদের প্রিয় গুট্টুসকে আবার শুনবো আমরা। অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে আছি আমি আর আমার মন।
*
বেজে উঠলো টেপরেকর্ডার।
হাউয়ার পুলারে এমন ছ্যাচা দিতে হৈবো যে জীন্দেগিতে আর দিল্লাগি করবার পারবোনা।
ঐ দেখা যায় তালগাছ
খানকির পোলার হাইট ছয় ইঞ্চি কমায় দিতে হইবো।
ঐ আমাদের গাঁ
টেপরেকর্ডারে কথা জড়িয়ে যাচ্ছে। এলোমেলো হয়ে যাচ্ছে। আমি আমার ভয়ার্ত চোখে তাকিয়ে থাকা রোগীর দিকে তাকালাম।
"আরে বোঝোনা! পুরোনো জিনিস, একটু আকটু সমস্যা করবেই!" আশ্বস্ত করলাম তাকে। আমি প্রাণপণে চেষ্টা করছি আমার যাবতীয় দক্ষতা দিয়ে বেতাল জিনিসটাকে ঠিক করতে। এইতো হয়ে এল বলে, এইতো হয়ে গেছে। এবার আর কোন সমস্যা হবেনা।
আমি আবার চালিয়ে দিলাম যন্ত্রটাকে।
-"আরে বাল..সমস্যা তো একটু আকটু হইবোই, তারলিগা অত ভয় পাইলে চলবো? আমগো নেতারা আছে কিল্লিগা?"
আমাদের গুট্টুসেরই কন্ঠ।
-ও এরকম করে কথা বলছে কেন? ওর কন্ঠে মানুষের রক্তের নোনতা স্বাদ কেন?
-এটা আমাদের গুট্টুস না
-এটা আমাদের গুট্টুস না, কিন্তু ওই তো একসময় আমাদের গুট্টুস ছিলো, তাইনা?
আমি আর কোন কথা খুঁজে পেলামনা। "আরে বাদ দাও পুরোনো জিনিস, দোকানদার ব্যাটা একটা আস্ত ধড়িবাজ" বলে কোনমতে কেটে পড়লাম। প্রেসক্রিপশনে আর কি কি লেখা আছে দেখছি...."একটি পুরোনো পারিবারিক এ্যালবাম"। তা বেশ। খুঁজে পেতে নিয়ে আসলাম একটা।
স্টুডিওর সাগর বা পর্বতের পাশে কেতাদুরস্ত হয়ে দাঁড়ানো সেসব ছবি! নিশ্চিত প্রতিষেধক হিসেবে কাজ করবে। প্লাস্টিক। কাগজ। অতঃপর মানুষ। আমাদের প্রিয় মানুষ। আমাদের প্রিয় হাসি! তাই বা কম কিসে!
"দেখ দেখ, মা কি সুন্দর হাসছে!" আমি সাগ্রহে তাকে দেখাতে গেলাম।
"কোথায় মা?" আমি তো দেখতে পাচ্ছি শুধু হাড়গোড়।
আমার মাথায় রাগ চেপে গেল। এরকম ভুল কেউ বকে!
"ভালো করে দেখ, হাড়গোড় কোথায় পেলে? এই যে দেখনা, মায়ের কোলে ছোট্ট তুমি!"
"আমার চোখ মিথ্যা দেখেনা। আমি অসুস্থ্য হলেও আমার চোখটা নষ্ট হয়নি" সে সদম্ভে বলল।
"আর তুমি কখনও সুস্থ্য হবেনা এও বেশ জেনে রাখো হাহাহা! অট্টহাসি হেসে সে হূমকি দিলো আমাকে।
আরে... কি বলে!
"অসুস্থ্য তো আমি না, তুমি!" প্রতিবাদ জানালাম আমি।
"কে অসুস্থ্য সেটা খুব ভালো করেই জানা আছে আমার। অনেক হয়েছে এ অভিনয়, আর না" বলে সে গা ঝাঁড়া দিয়ে উঠলো, উঠে গেলো শয্যা থেকে।
"প্লিজ যেওনা। প্লিজ!" অনুনয় করলাম আমি।
কিন্তু সে কোন কথা বলছেনা আর। দৃপ্তপদে এগিয়ে আসছে আমার দিকে..একসময় সে আমার মধ্যে মিশে গেলো।
*
কিছুদিন পরে আমি আবার সুস্থ্য হয়ে উঠি।অফিসে আমার ইনক্রিমেন্ট বেড়ে যায়। আমি আরো বাড়ানোর চেষ্টায় মশগুল থাকি। আর স্মৃতিনগরীতে ক্রমাগত হাঁটার ফলে হাঁটুতে যে ব্যথা হয়েছিলো সেটাও কমে গেছে। আমার আছে জীবন্ত হাড়গোড় আর মাংস। আমি বেঁচে থাকি। আমি সুস্থ্য হয়ে উঠি..
সর্বশেষ এডিট : ০৩ রা ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ২:০১ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, আমরা এভাবেই বেঁচে থাকি। ভালো থাকুন!
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস ভাইডি!
লেখক বলেছেন: আগের পোস্টে দিসিলা পাঁচনম্বরটা, অহন তিন নম্বর। পার্ফরম্যান্সের উন্নতি হৈসে তাহলে! ![]()
লেখক বলেছেন: আপনার পোলা সারাজীবন আপনার কাছে গুট্টুস হয়েই থাকুক, এই কামনা করি।
থ্যাংকস বাউল ভাই।
লেখক বলেছেন: তব্দা খাইলেন ক্যান!
লেখক বলেছেন: হ..টেরাজিক গফ ![]()
লেখক বলেছেন: ওরে.....ধইন্যারে পিরিওতে নিলে বিয়াফক খুশী হই ![]()
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন:
রিফ্র্যাঞ্জিবল।এই একটা মন্তব্যই করতে পারলাম।
লেখক বলেছেন: আলো আসুক সবার জীবনে....
লেখক বলেছেন: তোমার দীর্ঘায়ূ কামনা করি।
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন:
আরেকটা খুজে পাইসি।রিফালজেন্ট।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস!
লেখক বলেছেন: দেন মাইনাস দেন। অসুবিদা নাইক্যা।
ভাঙ্গন বলেছেন:
গল্পটা আরেকবার ভাবা হোক।............অন্যভঙ্গিতে।
একটা পুরোনো মোটা বই।
বইয়ে কতগুলো পৃষ্ঠা। উল্টাতে থাকে প্রথম,দ্বিতীয়,তৃতীয় ও শেষ পাতা।
মধ্যখানে কিছুপাতা হারিয়ে গেছে স্মৃতির সাগরে। পাতার ভিতরের চরিত্রগুলো দ্বিখন্ডিত। বাস্তবতা আর স্বপ্ন। স্বপ্ন অসুস্থ্য হয়ে উঠে। বাস্তবতা পথ্য খুঁজে ফেরে। স্মৃতির ধূলো জমা পথ্য। শেষে বইয়ের এক পৃষ্ঠায় গিয়ে দেখা যায় 'বাস্তবতা'ই তলিয়ে যাচ্ছে....অসুখে।
....................
গল্পটা আরো একবার ভাবা হোক।
.............অন্যভঙ্গিতে।
একটি স্মৃতির বৃক্ষ। শীতের শেষে শুকিয়ে গেছে ডালপালা। নতুন পাতা জন্ম নিতে গাছ ঋতু বয়ে বয়ে যায় শীত শেষে ফাল্গুনে,শরতে। পাতা জন্মাতে ফাল্গুনের বাতাসের কাছে তুলে ধরে তার অতীত, পথচলা,স্মৃতি কাতরতা। দু'পক্ষ দাঁড়ায়। ডানপক্ষ বনাম বামপক্ষ।
................
হাসান মাহবুবের গল্পের স্টাইল সর্ম্পকে নতুন করে বলার নাই। জমিয়ে রাখে অদ্ভূত আবেশে। তবে গল্পের আঙিকে সবসময় স্মৃতিকারতার অদ্ভূত একটা আবহ,আবেশ থেকে যায়। স্মৃতির ধূলোমাখা পথ হাঁটা যেন ফুরায় না।
শুভেচ্ছা।
লেখক বলেছেন: ভাঙ্গনকে পাঠক হিসেবে পেলে সত্যিই ভালো লাগে। গল্প সংক্রান্ত আপনার ভাবনার প্রকাশ বোধ খুব ভালো লাগলো। অনেক ধন্যবাদ। আর হ্যাঁ, আমি সবসময়ই স্মৃতিকাতর একজন, যে খুব সহজেই বিস্মৃত হয় সবার কাছে খুব সহজেই। ভালো থাকুন!
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
আমি রেডিও পছন্দ করি। সেই ফিলিপস কোম্পানীর বড়সড় রেডিওটা। ঐটাতে কেন ক্যাসেট বাজানি যাইতো না তা নিয়া দুঃখ ছিল আমার। একসময় ভিসিআর এর দোকানের বড় বড় স্পিকারগুলার মত আমার রেডিওটা যাতে বাজতে পারে তার জন্য রেডিওটা খুইলা স্পীকারের কাল পর্দাটার উপর শ্যাম্পু ঢেলে দেই। নষ্ট হয়ে গিয়েছিল পরে আবার ঠিক করা হয়েছে। রেডীওটা বাজাতে ডি সাইজের দুটি ব্যাটারী লাগত। টাকা ছিল না। তাই ব্যাটারী কিনতে পারি নাই। রেডিওটা সবসময় একজায়গায় রেখে বাজাতে হত। কারন এডাপ্টার ব্যাবহার করতাম আর ওটার তার ছিল খাটো। একসময় রেডিওটা দুর্বল হয়ে পরে। তারপর একদিন কোথায় যেন হারিয়ে যায়। আর খুজে পাই নি।দোকানগুলোতে টেপ রেকর্ডার চলত। ন্যাশনাল প্যানাসনিক কোম্পানির টেপরেকর্ডারগুলোতে সাধারণত একটা স্পীকার থাকত। কয়েকটাতে দুটো স্পীকার থাকত। অনেকগুলোতে স্পীকারের সাথে লেড লাগানো থাকত। লাল নীল হলুদ সবুজ কত রঙ লাফালাফি করত গানগুলোর সাথে।
আমি লেডগুলোর দিকে তাকিয়ে জীবনকে উপভোগের চেষ্টা করতাম। মাঝে মাঝে আইভরি রঙ এর টেপ রেকর্ডারগুলো কোন একটা দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে দেখতাম। ভাবতাম জিনিসতা আমার হলে কতইনা ভালো হত। বাসায় গিয়ে তো সেই রেডিওটাই বাজাতে হবে। আমার রেডিওটা বড় দুর্বল। টেপ রেকর্ডারের মত সে বহুমাত্রিক ক্ষমতার অধিকারী নয়। মন খারাপ হত। দুর্বল সন্তানকে যেমন মা আগলে রাখে আমিও তেমন আমার রেডিওটা আগলে রাখতাম। আমার বড়সড় কালো রঙ এর ফিলিপস রেডিওটা। ভাবতাম আমি একদিন ইঞ্জিনিয়ার হব। সেইদিন আমি এই রেডিওটাকে টেপ রেকর্ডার বানিয়ে ফেলব। আমার সন্তানটা সেদিন অনেক শক্তিশালী হবে। উচ্চস্বরে জানান দেবে তার শক্তিশালী স্পীকারটা দিয়ে। আমি আগলে রাখতাম।
পাগল মন মন রে মন কেন এত কথা বলে" বাজত রেডিওটায় দুপুর বেলা। একঘেয়ে দুপুরগুলোকে আরো একঘেয়ে করে তুলত ঢাকা বেতার এর গানগুলো। মা হয়তো রান্না বান্নায় ব্যাস্ত আছেন। ডাটা বাছছেন অথবা কাছকি মাছ পরিষ্কার করছেন। চুলোয় আগুন জ্বলছে আর মাঝে মাঝে ভেসে আসছে মসলার গন্ধ। আমি তখনও জানতাম না ডাটা দিয়ে কাচকি মাছের তরকারিই পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ বস্তু। দুপুরগুলো বড়ই একঘেয়ে। মাঝে মাঝে বাজারে চলে যেতাম ঘুরোঘুরি করতে। অনেক দোকানে তখন বাজত রেডিও। আমি মনযোগ দিয়ে শুনতাম। আবিষ্কার করতাম কোন রেডিওতে ঘড়ঘড় শব্দ বেশী হচ্ছে কোন রেডিওতে শব্দ পরিষ্কার। আমি বাসায় এসে আবার আমার রেডিওটা চালু করতাম আর বিভিন্ন দিকে রেডিওটা মুখ করে নিশ্চিত করতাম যে আমার রেডিওটার শব্দ সবচেয়ে পরিষ্কার। আমি চাই আমার রেডিওটা সবার রেডিওগুলোর থেকে শ্রেষ্ঠ হয়ে উঠুক। একদিন যেন কি মনে আরেক পরীক্ষা চালাতে গেলাম। লাল কালো দুটো তারই রেডিওটার একটা পিনে জোড়া দিয়ে পাওয়ার কানেকশান দিলাম। সাথে সাথেই ঠুস। ভয় পেয়ে গিয়েছিলাম রেডিওটার আবার কিছু হয় নি তো! নাহ ওর কিছু হয় নি। মেইন সুইচের তার পুড়ে গিয়েছিল। আমার রেডিওটা বেচে গিয়েছিল সে যাত্রা।
সন্ধ্যার সময় রোজার মাসগুলোতে ইফতারীর আগে কোরআন পাঠ যখন রেডিওতে বাজত তখন যেন মনে হত তাড়াতাড়ি কর তাড়াতাড়ি কর। কিছুক্ষন পরই ইফতার। বার বার খেয়াল করতাম মায়ের ইফতার তৈরী কতদুর এগুলো। একধরনের ব্যাস্ততা তৈরী করে দিত রেডিওর কোরআন পাঠ। কিছুক্ষণ পরেই আযান আর ইফতার শুরু। হামদ নাত যখন বাজত তখন একধরনের পর পর দুরত্ব বজায় রাখা ক্লান্তি আসত। আর সেহেরীর সময় তো বাবাই রেডিওতা ছেড়ে দিত যাতে ঘুম থেকে উঠি।
একবার এমনই ...............
বাকীটুকু পরে লেখুমনে। আমি আবার ঘাই না খাইলে বা খুচা না খাইলে কিছু লেখতে পারি না। বাঙ্গালী তো। আপনে একটা খুচা দিছেন বস। উদাস হইয়া গেলাম।
লেখক বলেছেন: বাকিটুকু না হয় পোস্ট আকারেই প্রকাশিত হোক? একটা পোস্ট দিয়া ফালান। বেশ ভালো হবে। আমিও এই লম্বা একটা কমেন্ট করুমনে ঐহানে!
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ তারার হাসি!
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
ঊখে দেকা যাক!
লেখক বলেছেন: আরতো অল্প একটু লেখা বাকি, আইলসামি কৈরেন্না ম্যান!
লেখক বলেছেন: আপনি আমার লেখা পড়লেন বলে খুব খুশী হলাম লোদী ভাই। অনেক ধন্যবাদ!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ বাসার ভাই!
লেখক বলেছেন: সব ঠিক হয়ে যাবে..আমি বিশ্বাস করি..
কাঠের খাঁচা বলেছেন:
আপ্নার ব্লগের আইডি যেমন প্যারানয়েড লেখাগুলোও সেই ধাচের।সুন্দর লেখা হামা ভাইজান। কষ্ট কষ্ট লাগল বুকে।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস।
আমি আসলেও ঐরকম..কি আর করা.. ![]()
মুক্তি মণ্ডল বলেছেন:
গল্পের ভিতর গল্প যেন। ভাল লাগলো।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মুক্তিদা।
রাজসোহান বলেছেন:
হামা ভাই প্লিজ একটা মিনতি আপনি একটু আমার ইয়াহুতে আসবেন????একবার হামা ভাই প্লিজহামা ভাই অনুরোধ রইলো প্লিজ
লেখক বলেছেন: বাচ্চা ছেলে!
সাবলীল গল্প।নিজের সাথেই যেন টানাপোড়েন.......... জমিয়ে গল্প লেখার কৌশল টা কি আসলে?
লেখক বলেছেন: কি জানি!
লেখক বলেছেন: আসলাম!
কাঠের খাঁচা বলেছেন:
রাজসোহান আমি একটু আগে কাহিনী দেখলাম। খুবই বিরক্ত। একটা কমেন্ট দিসিলাম করতে গিয়াই পোস্ট হাওয়া।
আর তুমি এইরম বাচ্চার মত কানলা কেন? একজনকে রাজাকার বললেই কি সে তা হয়া যায় নাকি?
পোস্টটা থাকলে আমিও কেচাল করতাম। এখন বাদ দাও। বাট সবাই মিলা হেরে গদাম দিতে পারলে ভাল হয়। পোস্টটা থাকলে ভাল হইত। সিপিজিপিএইচ১৯৭১ রে ভাল মত বাম্বু দেয়া যাইত।
লেখক বলেছেন: আমিও পোস্টে যাইতে গিয়া দেখি গায়েব। রাজসোহান খামাখাই কষ্ট পাইতেসে। ব্লগের এইসব জিনিস পাত্তা দেয়া উচিত না।
কাঠের খাঁচা বলেছেন:
পাত্তা না দেয়াই উচিৎ।খামাখা কমুনা। সিপিজি হুদাই ওরে রাজাকার ছাগু বইলা গালিগালাজ করসে। সিপিজির রিসেন্ট পোস্টেও মগবাজারি কইতাসে।
রাজুতো আরেকটু হইলেই কাইন্দা দিতেসিল।
ছুডু মানিষ। মাথায় হাত বুলায় দেন গুরু।
হিমু ব্রাউন বলেছেন:
মনটা মরে গেছে আমার। না..এখনও মনে হয় মরেনি।এই প্যারাডক্সের মাঝেই বেচে থাকা......সব মিলিয়ে একটি পারিবারিক গল্প যেন অজস্র পরিবারের অজস্র মানুষের গল্প!.......ভাল লেগেছে ....আসলেই ভাল লেগেছে..
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ..অনেক
হিমু ব্রাউন বলেছেন:
@রাজসোহান Try to be happy. You should not take it seriously....it is totally misunderstood by him....we know clearly about you....So plz be happy and joyous and forget everything.....
লেখক বলেছেন: কালকেই দেখবেন সব ঠিক হয়ে গেছে। আসলে হঠাৎ করে একটা ধাক্কা খাইলে বুকের মধ্যে লাগে একটু।
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
@ রাজসোহানঃ ব্যাপার না ভাই। এইগুলা সামান্য জিনিস। প্রথম প্রথম আমি যহন ব্লগে আইছিলাম তহন আমি যে পরিমান লাত্থিগুতা খাইছি তা আপনি চিন্তাও করতে পারবেন না। Click This Link
এইহানে দেখেন।
তারপরে আবার এদের সাথেই আস্তে আস্তে ভাল সম্পর্ক হয়ে গেছে। ভুল বুঝয়াবুঝি হইতেই পারে। তাই নিয়া মন খারাপের কিছু নাই। আমি তো আমিই নাকি?
সব সময় একটা কথা মনে রাখবেন, আই ডোন্ট গিভ আ ড্যাম!
আপনার জন্য ড্রাফট থিকা পোষ্ট আবার বাইর করলাম। আমার অবস্থাটা দেখেন, আর খারাপ লাগব না। আবারও মনে রাখবেন, আই ডোন্ট গিভ আ ড্যাম!
এহন ফূর্তি করেন
ব্লগ এত সিরিয়াসলি নেওয়ার কিছু নাই। কেউ কারো বাপের পয়সায় নেটের বিল দিয়া ব্লগিং করে না। অতএব কাউরে পুছার টাইম নাই। যদি ব্লগের মালিক কোনদিন কয় যাউগা, তাইলে যামুগা। সোজা কথা!
লেখক বলেছেন: খাইছে কঠিন অবস্থা! একবার আমার পিছনে একজন লাগসিলো। হে কয় আমি নাকি কার লেখা চুরি কর্সি। গালাগালিও কর্সিলো। প্রমাণ হিসেবে সে অনেক পুরান একটা পোস্টের লিংক দিসিলো যেইটার সাথে আমার পোস্ট হুবহু মিলা যায়। ঐ পোস্টটাও ছিলো আরো অনেক আগের। তখন তো পোস্ট এডিট এর সময় দেখা যাইতোনা, তাই কেউ কেউ আমারে চোরা ভাবসিলো! রাজসোহানের মত বাচ্চা ছেলে হৈলে আমিও হয়তো তখন কাইন্দাই দিতাম!
অপরিচিত_আবির বলেছেন:
সিরাম স্কয়ারড!! বৈমেলার মাসে ইরাম গল্প পড়িলে মন্টা আঞ্চান কৈরা উঠে। গতবার প্রায় দেউলিয়া হৈসিলাম এইবার নাজানি কি হয়। ভাগ্য ভাল আপ্নের লেখা বিনা পয়সাতেই পড়ন যায় লেখক বলেছেন: তাইলেতো প্রতিদিন এক্টা কৈরা গল্প লেখা লাগে
তয় এবার আমারে দেউলিয়া হৈতে হৈব মনে হয়। অনেক ছোট গল্পের বই কেনার প্ল্যান। লিখতে হলে পড়তে হবে!
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
রাজসোহান কৈ?? ভাই ছোডবেলা থিকা মাইর খাইতে খাইতে কান্দন ভুইলা গেছি। মাঝে মাঝে হিংস্র জানোয়ার হইয়া যাই। কান্দনের টাইম নাই।
ও কৈ গেল, অনলাইলে দেখতাছিনা তো। ওরে আমার অবস্থাডা দেহান।
লেখক বলেছেন: ওর সাথে ইয়াহুতে কথা হৈসে। বুঝাইসি। ঠিক হয়ে যাবে।
লেখক বলেছেন:
ঘুমায় গেসিলাম
অসীম বলেছেন:
চ্রম!
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস!
সাইফ হাসনাত বলেছেন:
আমার কাছে একটা চমৎকার ফ্ল্যাশব্যাক গল্পের মতো লাগলো। বিশেষ করে- গুট্টুসের কন্ঠ শুনার সময় লেখকের কেটে পড়ার অজুহাত! অসাধারণ লেখেছেন...
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাঈফ! "অফলাইনের" সাফল্য কামনা করি।
করবি বলেছেন:
নিজের ভিতর থেকে নিজেকে বের করে আনা ওয়ার্ডরোবে সাজানো গল্পবলা ফিতে গুলোর মাঝ থেকে ,আর সেই টানা পোড়নের গল্পের মাঝে পাঠককে মাথা অবধি ডুবিয়ে ফেলার চেষ্টায় লেখক সফল।
শুভ কামানা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ করবি, কৃতজ্ঞতা আপনাকে।
ভালো থাকুন..
সাঁঝবাতি'র রুপকথা বলেছেন:
আগুনের কথা বন্ধুকে বলি, দুহাতে আগুন তারো ...
কার মালা হতে খসে পরে ফুল ...
রক্তের চেয়ে গাঢ় ...
লেখক বলেছেন: প্লাস্টিকের ফুলে সুবাস নেই, নিয়ন আলোয় আগুন নেই, রক্ত এখন সবচেয়ে নির্জীব পদার্থ।
প্রাকৃত বলেছেন:
এমন এক গল্প,কেবলই ভেতরে টানে,ভেতরে টানে তারপর শেষ হয় শূণ্যতে।
লেখক বলেছেন: শূন্যতাতেই যে আমাদের বসবাস!
অঃট- আপনাকে ব্লগে নিয়মিত হতে দেখে ভালো লাগছে।
আহসান জামান বলেছেন:
হাসান, চমৎকার বলার ভঙ্গি। ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: পড়ার জন্যে ধন্যবাদ আহসান ভাই। (অবশ্য বরাবরই পড়ে থাকেন, সেজন্যে কৃতজ্ঞতা!)
শাফ্ক্বাত বলেছেন:
আপনি তো দেখি ভয়াবহ নস্টালজিক! একটু রিলীভ্ড হলাম। আমি ভাবসিলাম আমি একাই এই রোগের রোগী। লেখক বলেছেন: নস্টালজিয়া কি কাউকে ছাড়ে!
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস! গালিগুলো তো ওরকমই হবে! আর গল্পে গালির ব্যবহার তো স্বাভাবিক একটা ব্যাপার। আরোপিত না হলেই হল!
জুল ভার্ন বলেছেন:
এক জন লেখক কতটা মেধাবী হলেই কবিতায়-গল্পে সমান পারদর্শী হতে পারে তার জলজ্যান্ত প্রমান-হাসান মাহবুব! আপনার কবিতার স্টাইল সম্পুর্ণ হাসান মাহবুব স্টাইল।গল্পের স্টাইলও ঠিক আপনার মতই-এই স্বকীয়তাই বোধ করি একজন সুলেখকের সবচাইতে বড় অর্জন। সব লেখাই পাঠকদের একটা অদ্ভূত মোহনীয় আবেশে আটকিয়ে রাখে-যা এই গল্পেও প্রমানিত হয়েছে। এই গল্পের আঙিকে অদ্ভুত রকমের একটা নস্টালজিকতা আচ্ছন্ন করে রেখেছে পাঠক হৃদয়কে। মনে হয়-গল্পের এইপথে নিরন্তর চলা আর কোনোদিন থামবেনা-এ পথ কোনোদিন ফুরোবেনা!নিরন্তর শুভ কামনা।
লেখক বলেছেন: কবিতা/লিরিক লিখতাম একসময়..ওসব বাদ দিয়ে দিয়েছি এখন। আসলে এখন কেন যেন হয়না! সে যাক, গল্প লিখবো বলেই স্থির করেছি। আপনাদের অনুপ্রেরণা পেলে সাহস পাই।
আর নস্টালজিয়া.....সেতো আমার চিরসঙ্গী.. I miss the old me!
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আহসান জামান বলেছেন:
প্রশ্নঃ কৃতজ্ঞতা কি ভাবে লেখেন? কীবোর্ডে কোন কোন বর্ণ-বোতাম এন্টার করতে হয়?
অগ্রিম ধন্যবাদ জানাই।
লেখক বলেছেন: আপনি যদি ফোনেটিক ব্যবহার করে থাকেন, তাহলে জ +ঞ
আশা করি কাজে লাগবে। লাগারই কথা! কোন সমস্যা হলে জানাবেন।
কঁাকন বলেছেন:
অনেক ভালো লাগলো হামা@সাঁঝবাতি'র রুপকথা
যার হাত খানি পুড়ে গেল বধু
আঁচলে তাহারে ঢাকো
আজো ডানা ভাঙা একটি শালিখ
হৃদয়ের দাবি রাখো
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ক্ষ্যাতিশবোর্ড।
আমিও অবশ্য রেগে টেগে গেলে গালি দেই, শালা। ফালতু। খেতাপুরি
লেখক বলেছেন: ও আচ্ছা এই ব্যাপার! ![]()
লেখক বলেছেন: দূরের মানুষ কাছে আসায় ভালো লাগলো!
লেখক বলেছেন: ভালো লেগেছে আপনার লেখাটা? অনেক ধন্যবাদ।
সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
অনেক ভালো লিখেছো........
কেমন করে শব্দের মিছিলে হারিয়ে যাচ্ছিলাম......
অনেক ভালো লেখা.......
............ভালো থেকো হাসান।শুভেচ্ছা।
লেখা চলুক......
লেখক বলেছেন: লেখাটা কি হয়েছে জানিনা..তবে একটু ইচ্ছে করছিলো স্মৃতির মিছিলে হারিয়ে যেতে..আর নিজেকে একটা ধাক্কা দিতে।
শুভকামনা সাজি'পা।
ভাবের অভাব বলেছেন:
পুরাতন যে কোন জিনিষের প্রতি আমার অন্য রকম একটা টান আছে। জিনিষ পুরাতন হয়ে গেলে কখনও ফেলে দিইনা। আমার বাড়িতেও একটা অনেক পুরাতন টেপরেকর্ডার আছে এবং সেটাও ন্যাশনাল কোম্পানির (বিক্রি করার কোন চিন্তা নাই আমার) অনেকদিন বাজানো হয় না।
তবে আজকে বাজাতে খুব ইচ্ছা করছে।
+++
লেখক বলেছেন: আমাদের একটা ছিলো ন্যাশনাল কোম্পানির। টানা ১৫ বছর সার্ভিস দিসে। মাঝেমাঝে অবশ্য হেড, পুলি বদলাতে হৈসে। কিন্তু জিনিস ছিলো একখান! ঐডা চুরি হয়া গেসে
খুব মনে পড়ে ওটার কথা।
হাইফেন বলেছেন:
এই লেহায় মাইনাচ দিচে কুন্ রকিবাল? রকিবালরে আমি যে গাইলডা দেই হেরেও ওইডা দিলাম। ুতমারানির বেয়াই।বস সেইরাম হইচে। লও ৩ডা গোণ্ল্ডলিফ লও। +++++
লেখক বলেছেন: একজন হৈলো ১২ নং কমেন্টকারিনী (কাল্কে যার্লগে আমি আর তুমি ক্যাচাল কর্লাম, তার নিক)। ব্যাপারনা বস। গোল্ডলিফ দিলা ক্যান? তুমি জানোনা আমি বেন্সন খাই? ল্যাহাডা কি এতৈ খারাপ হৈচে? ![]()
লেখক বলেছেন: তুমি সারাজেবন হেমায়েতপুরেই থাকো। তুমারে দিয়া কিছু হৈবোনা ![]()
টেকনলজী বলেছেন:
আর একবার পড়লাম আবার সুস্থ্য হইলামঅ।ট।কাল কি কিছু হইছিল??কাউকে নিয়ে
লেখক বলেছেন: আরে বিশাল অবস্থ্যা হৈসিলো তো! ২২ থেকে ২৯ নং কমেন্টগুলা পড় বুঝবা।
হেমায়েতপুরী বলেছেন:
কি জানি মিছাইছি...
লেখক বলেছেন: কি, নাকি কারে! ![]()
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
ভাঙ্গন এর কমেন্টটা ভালো লাগছে। আপনার লেখা আলাদা। আগেই বলেছি, স্টাইলটা খুব ভালো। এই লেখা পড়ে নতুন অনুভূতিটা হলো, সব একরকম হয় না। এটা দারুন। আরেকটা ব্যাপার, অনেক কথা খুব ছোট করে বলে দেয়া, পাঠককে ভাবার মতন স্পেস দেয়া। এটা আমার খুব ভালো লাগে। আপনার লেখার একটা ব্যাপার খুব মনে ধরছে। গল্পের শুরুটা, দারুন ভাবে হয়।
লেখক বলেছেন: গল্পের শুরুটা ভালো হয়, কিন্তু প্রবাদ আছে যে, সব ভালো যার শেষ ভালো তার...তাইলে কি..!
ছোট ছোট করে কথা বলার ব্যাপারটা কালকে আমি লেখার সময় নিজেই খেয়াল করলাম। আপনাদের ভালো লেগেছে তাহলে..যাক!
হেমায়েতপুরী বলেছেন:
.... তুমার চোখটিপিতো সোন্দর...
লেখক বলেছেন: অন্য কেউ দিলে আরো সোন্দর লাগতো
![]()
আহমেদ রাকিব বলেছেন:
না না, শেষটাও ভালো হইছে। তবে আমার মনে হয় শুরুটা ভালোভাবে করা অনেক বেশি চ্যালেন্জের।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস! চ্যালেঞ্জের কথা শুইনাতো নার্ভাস হয়া গেলাম। তয় ব্যাপার্না..
ভাবের অভাব বলেছেন:
মাঝে মধ্যে আমাদেরটারও হেড, পুলি বদলাতে হয়েছে। তবে আমাদের টেপরেকর্ডারের বয়স প্রায় ত্রিশের কাছাকাছি। নষ্ট যাতে না হয় তাই মাঝে মধ্যে বাজানো হয়।
লেখক বলেছেন: আমাদেরটা বেঁচে থাকলে আজ তারও ত্রিশ বছর বয়স হত ![]()
নাজমুল আহমেদ বলেছেন:
সচরাচর আপনার লেখা পড়ে যেমন লাগে ঠিক তেমনই লেগেছে আহ! লেখাটা পড়ে নষ্টালজিক হলাম। এখানে আসার সময় আমার প্রিয় যন্ত্ররপাতিগুলি সযতনে রেখে এসেছি। এখনও মাঝে মাঝে ফোন করে খোঁজ খবর নেই সেগুলো ঠিকমতন আছে কিনা। আবার ফিরে গিয়ে নিশ্চই দেখব পুরনো সেই প্রিয় যন্ত্ররগুলো ধূলো জমে আছে।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস গ্যাংস্টা। মৌসুমী ভৌমিকের একটা গান ছিলো, শিরোনাম হৈলো "কিছু ফেলতে পারিনা"
আমিও অনেককিছুই ফেলতে পারিনা স্মৃতি থেকে..
ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন:
মার্ভেলাস প্রেজেন্টেশন । ভাই পইড়া কি লেখুম ভাবতাসিলাম । প্রথমে যেই শব্দদুইটা টা আইসে মনে তা হল স্যলিয়েন্ট আর ইনক্রিমিনেটরি উপস্থাপন । একটা সঞ্জীবিত চকচকে ও জোরালো প্যারানয়িক আবেগ ব্যক্তকরণ ।
লেখক বলেছেন: মার্ভেলাস প্রেজেন্টেশন! কথাডা আমি তোমার কুন এক পোস্টে কৈছিলাম্না? আমারেই আবার ফিরায় দিলা ![]()
তোমার কমেন্টগুলা জোস্ হয়, আমি হয়তোবা লিখতে পারি একটু আকটু..কিন্তু অন্য কারো লেখার ব্যবচ্ছেদ করতে পারিনা এভাবে।
মনে হয় প্যারানয়া! হাহাহা
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন:
ভাই আপনার লেখা পইড়া পইড়া মাথায় একটা ভুত চাপছে গল্প লিখুম।জানি আমার অন্যান্য লেকাগুলার মত বকওয়াস হইব।তবুও আপ্নে একটু দোয়া কইরা দিয়েন।আজ কালের মধ্যে পোষ্টামু।ভালো গল্প কিভাবে লেখা যায় এই অভিজ্ঞতা না হোক খারাপ গল্প ক্যাম্নে লেখা যায় এইটা তো জানা যাবে।এখনকার মত আলবিদা।
লেখক বলেছেন: যে রাধে সে চুল ও বাঁধে! কবিদের গল্প পড়তে আমার ইন্টারেস্টিং লাগে। নীচের কমেন্টক দ্রষ্টব্য।
নির্ঝর নৈঃশব্দ্য বলেছেন:
তুমি লিখলেই সুন্দর
লেখক বলেছেন: সত্যি! কেন যে বেশি বেশি লিখতে পারিনা! সীমিত সামর্থ্য, ফ্রেন্ডো ![]()
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
গুছানো লেখা । ঘোর টানা । কথোপকথন এর স্টাইলে একটু মিলমিশ লাগছে , আবার পড়লে বুঝতে পারবো । ++++
---
হামা , কেমন চলে ? কি খবর ?
কয়েকটা লেখা মনে হয় মিস হৈছে - পড়ে কমেন্ট করবো
লেখক বলেছেন: এইতো চলে..অনেকদিন পরে তোমারে দেইখা ভালো লাগলো। পুরান লেখায় কমেন্ট করবা জবান দিছো কিন্তু, অহন না দিলে কৈলাম খবর! লেখালেখি কেমন চল্তেসে?
ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন:
"মার্ভেলাস প্রেজেন্টেশন"= অহ হা কিছু পাশবিক কৌতুক এই পোষ্টে পাইছিলাম । মনেই ছিল না । আচ্ছা ভাই মার্ভেলাস এর যায়গায় রাটলিং ও ইউস করা যায় ।লেখক বলেছেন: আমার মনে আছে কোথায় কৈসিলাম কথাডা। তয় এইহানেও ওডিই থাউক। শুন্তে ভালো লাগে।
শিরীষ বলেছেন:
গুট্টুসের পানি পিস্তল, মা'র সাথে তোলা ফেইড ব্ল্যাক এন্ড হোয়াইট ছবিটা, ন্যাশনাল টেপ রেকর্ডার - ফ্ল্যশব্যাক এ গিয়ে জীবনের একটা মোক্ষম স্ন্যাপশট তুলে নিয়ে এলো যেন। সাগ্রহে তাকিয়ে দেখলেন লেখক -
হায় ওটাও যে সাদা-কালো !
নাহ, বড় মায়া - মাহবুব !
লেখক বলেছেন: কেউ যখন আর নেই পাশে
তন্দ্রামগন কোন আকাশে
দূর সময়ের নিঃশ্বাসে
গোধূলির খেলা দিনশেষে নিয়ে আসে
মায়া
তোর পানে
(আমার একটা প্রিয় গান)
শ্রাবনসন্ধ্যা বলেছেন:
স্মৃতি নগরীতে ক্রমাগত হাঁটা.........বুড়ো হলে তাই করতে হয়
ভয়ই পাচ্ছিলাম কোথায় গিয়ে শেষ হয়..........
লেখক বলেছেন: আপনি আমারে বুড়া কৈলেন! তীব্র দিক্কার ![]()
কোথায় যে গিয়ে শেষ হয় এ নিয়ে তো আমি নিজেই শঙ্কার মধ্যে গো আপা!
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস হোসেইন!
আসফাকুল আমিন বলেছেন:
সাইকো সাইকো / পুরা সিক লেখা । অতীত এবং বর্তমান বেশি সুখকর নয়।পুরা সিক লেখা। সিক সিক সিক সিক
সিক সিক সিক সিক
সিক সিক সিক সিক
সিক সিক সিক সিক
আহ!!!!!!!!!! সিক লিখতে আর বলতেও মজা । আহ !!!!!!!
লেখক বলেছেন: আমি ফেসবুকে একটা গুরুপ খুলসিলাম একাউন্ট খোলার পরেই। নাম কি হুনবা? "নিখিল বাংলাদেশ সাইকো সমিতি" তয় বেশি এক্টা বেইলা পায়নাই। বাংলাদেশে সাইকোগো মূল্যায়ন হয়না!
লেখক বলেছেন: এরকম একটা দুঃসহ সময়েও যে সময় নিয়ে আমার পোস্ট পড়লা, কমেন্ট করলা, এজন্যে বন্ধুত্বের সব নিয়ম ভেঙে আমি ফরম্যালি একটা ধন্যবাদ দেবোই তোমাকে।
অনেক ধন্যবাদ!
আর হৃদয়ের গহন থেকে শুভকামনা।
(আইচ্ছা থাম্বস আপ কি গল্পের জন্যে, নাকি বানান ভুল নাই এর জন্যে!
)
একলব্যের পুনর্জন্ম বলেছেন:
হু টাইম লাগবে , অনেকদিন পর ঢুকলে যা হয় এত জমা থাকে -- তবুও ট্রাই করি আশেপাশের সবারটাই খেয়াল রাখার হামা , মিয়া আপনের কিন্তু লেখা অনেক ম্যাচিউরড হৈতেছে - ভাল্লাগছে - তবে কয়দিন কবিতা দেখি নাই মনে হয় ।
আমার লেখালেখি -- হুমম -- টুকটাক চলছে আর কি ! অন্য কাজে বেশি চাপ , তাই খুব ফর্ম্যাট গেম চলছে না ---- লেখার পর আপনাদের কমেন্ট মিস করি
ভালো থাইকেন
লেখক বলেছেন: হু....টাইম নাও। তোমার কমেন্ট পেলে ভালো লাগে। লেখার প্রশংসা করার জন্যে ধইন্যা। কবিতা টবিতা লেখা বাদ দিয়া দিসি। ইদানিং গল্প নিয়ে লিখতেই ভালো লাগে। আর কবিরা অন্যরকম হয়, আমি কবি না, এইটা বুইঝা গেসি।
ভালো থাইকো। সি ইউ!
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন:
আমি নিজে থ্যান্কস/সরি এসবের ক্ষেত্রে বন্ধুত্বের শর্ত মানি না কাজেই আমাকে অন্তত: গাট্টিখানেক থ্যান্কস দিতেই পারো বানান ভূল এখনো চোখে পড়েনি, আর পড়লেও বলতাম না (সে, সে এবোং সে এর টাইপোগুলো এখনো ঠিক করোনি, কাজেই...)
তোমার এই গল্পটায় অদ্ভুত একটা সুঘ্রাণ আছে, যেটা প্লাস্টিকের ফুল আর খেলনা একতারার গল্পে ছিলো। পোস্ট প্রিয়তে নেয়ার ব্যাপারে আমি চিরকালই রাম কিপ্টা তাই প্রিয়তে নেয়া হলো না, কিন্তু যদি কোনোদিন নেয়া হয় সেদিন সত্যিই তোমার চেয়েও অনেক বেশি খুশি হবো। সিরিয়াসলি।
লেখক বলেছেন: কিপটামি কমাইলে হয়না? বানান এখনি ঠিক কর্তাসি। ডিল?
সাকিরা জাননাত বলেছেন:
এত সুন্দর করে আপনি কিভাবে লিখেন ভাই???আমার অনেক ড্রাফট জমা হয়েছে কিন্তু সবগুলো অসমাপ্ত।
মনে হয় না হচ্ছে না,গল্প লিখতে বসলে সব সময় মনে হয় লেখাতে প্রান আসছে না।
একটি পারিবারিক গল্প......সত্যিই অসাধারন।
আমার মনে হয়,এই গল্পটা তার প্রত্যেক পাঠক কে অদ্ভুত একটা নস্টালজিকতায় জড়িয়ে করে রেখেছে ।
ভালো থাকুন, খুব ভালো,খুব ভালো।
লেখক বলেছেন: হু......নস্টালজিয়া একটা জটিল ব্যাধি হাস্যমুখী। সবাইকেই একসময় না একসময় ফিরে যেতে হয়....গল্পটি আপনার ভালো লাগায় অনেক খুশী হলাম। ভালো থাকবেন, হাস্যমুখে থাকবেন।
লেখক বলেছেন: বানান গুলা কিন্তু সব ঠিক কর্সি এক্টু আগে অনেক খাইটা খুইটা ![]()
সাকিরা জাননাত বলেছেন:
হাসান ভাই আমি ইদানিং খুব ভুলো মনের হয়ে গেছি........।আপনার পোষ্টেও আরেকটা চরম ভুল করে গিয়েছি।
আমার + দেওয়ার অধিকারের প্রয়োগ না করে আপনার ব্লগ ছেড়েছিলাম।
তাই সুধরাতে এলাম।
লেখক বলেছেন: ব্যাপারনা হাস্যমুখী!
লেখক বলেছেন: আমি বুঝতে পেরেছি.....ভালো থাকুন....
লেখক বলেছেন: আরে..ম্যান ঐ কাম আমিও কর্সি বেশ কয়েকবার। তয় তোমার মত এতো ফোর্সে করিনাই এইডা ঠিক।ব্রাভো ম্যান! এমনেই ছাগু গুলারে তাড়াইতে হৈবো।
হাসান মাহবুব বলেছেন:
দুইজন ব্লগারের কয়েকটা কমেন্ট মুছা হৈলো
লেখক বলেছেন: কি শুরু কর্স তুম্রা ভাইডি? মিল্যামিশা থাকো।
লেখক বলেছেন: কেন কউ?
লেখক বলেছেন: কাছাকাছি ঘটনা আমার ক্ষেত্রেও ঘটছিলো। পুরা লাইমলাইটে আয়া পর্সিলাম। কান্ড দেহো,
Click This Link
শেষটা সত্যিই মুগ্ধ করে ফেলল ।
একটা ছেলের কাছে শুনেছিলাম , তার এমন গল্প লেখার ইচ্ছের কথা । বলেছিল .....গল্প লিখত পারে না , অথবা কখনও লেখার চেষ্টা করেনি , দ্বিতীয় সত্ত্বাকে নিয়ে তবুও একটা লেখা লেখার কথা মাথায় ঘোরে । হয়ত আজ থেকে অনেকদিন পর লেখা হবে ।
শুধু দ্বিতীয় সত্ত্বাটার নাম ঠিক করে রাখা আছে .... মাহি । আর কিছু ভাবা হয়নি ।
অনেক অফ-টপিক কথা মনে পড়ল , বলে ফেললাম
লেখক বলেছেন: ভালো লাগলো পড়েছেন বলে।
অনেক শুভকামনা আপনার, ঐ ছেলেটা, আর এখনও না লেখা গল্পটার জন্যে।
রাজসোহান বলেছেন:
ওরে উই তো পুরা বেকুব একখান প্লাস ও নাই
উলটা আপনার হিট বাড়াই দিছে
কি আর কমু???
হাসি থামতাছে না
লেখক বলেছেন: আরে ঐদিন আমি বাসায় আসার পর দেহি যে খালি আমার হিট বাড়ে আর কমেন্ট পড়ে। ঘটনা প্রথমে বুঝিনাই। পরে ঐ পোস্ট দেখলাম। শাপেবর এরেই কয়!
ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন:
আপনার গল্পে ডিলুশন, আমনেসিয়া প্যারানয়েডনেস এগুলারত পজিটিভ এক্সপ্লানেশন থাকে । গল্পে অনুসরণ হয় স্মৃতিবেদনাতুর অতীত-আর্ততার পরিমণ্ডল ও সুরভিতরঙ্গ । থাকে স্কিড রো, নিরভানা, ব্লাক সাবেথিয় ভাব ধারার ক্রম বিস্তার ।দীর্ঘভ্রমনের পীচঢালা রাজপথে রদ্দিমাল মনের রিনোভেশন প্রচেষ্টা অতুলনীয় । কথোপকথনের ধরন ভাল্লাগছে ।
লেখক বলেছেন: তিন নাম্বার লাইন প্রসঙ্গে বলি, আমার অনেক লিরিক/কবিতা/গল্প'র উৎস হৈলো গান। নির্ভানার where did you sleep last night নিয়া একটা লেখসিলাম। এছাড়া এ্যারোস্মিথ, পিঙ্ক ফ্লয়েড আর রেডিওহেড এর দ্বারা প্রভাবিত বেশ কিছু লেখায়। এই লেখাটা অবশ্য ওরকম না। লাস্ট তিনটা গল্পের কোনটাই না।
রাজসোহান বলেছেন:
ফাহাদ চৌধুরী এই গল্প ডা লইয়া এত গবেষণা করিতেছে মাগার অহন ও প্রিয়তে লয় না ওর কি শাস্তি হয়া উচিত
লেখক বলেছেন: ফাহাদরে দোষ দিয়া লাভ কি, তুমি ছাড়া কেউই তো লৈলোনা! এই গল্পের মর্ম একমাত্র তুমিই বুঝছো। বাকিরা হুদাই কপচায় ![]()
অভিমানী মেঘ বলেছেন:
প্রিয়তে নিলাম
লেখক বলেছেন: এই বাক্যটি যে কতটা মন ভালো করিয়ে দিলো! অনেক ধন্যবাদ আপনাকে অভিমানী মেঘ! অভিমানের মেঘ কেটে যাক!
ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন:
ভাই আমি কিন্তু কপচাই (ব হুত কষতে আচি । @ রাজসোহান । পরিরা তো আইলো না কেউ হরিখক্সা দিতো ।
আর "ফিআ" নামের এক ছাগু যে আজাইরা চেগাইলো অর কথা কই একটা "হাসান ভাইয়ের গল্প বোঝার মত মেন্টাল গ্রোথ ওই আবালের হয় নাই"
লেখক বলেছেন: আরে ম্যান তোমার কপচানিতো আমি ভালা পাই! ঐ পোস্টে তোমার কমেন্ট দেখসি। পারোও বটে! হাহাহা!। প্যারানয়েডটা লিখা আমারও ভালো লাগসিলো। ঘরে নিসো দেইখা ধইন্যা ![]()
লেখক বলেছেন: ওহ! পরী বুকিং দিয়া রাখচো! কেঠায় হুনি? ![]()
ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন:
@ রাজসোহান অনুভূতি-১(পরীর আগমন) এই ফুস্টে য়ারে আন্নে একটা হরি সওগত স্বরুপ পারসেল ফ র মাইয়াচিলেন?
মনেচেতো ?
লেখক বলেছেন: নিয়ে গেলা! নিজের কাছ থেকে কেউ কোন কিছু নিয়ে গেলে যে ভালো লাগার অনুভূতি হতে পারে তা ব্লগে এসেই প্রথম জানলাম। অনেক ধন্যবাদ ভাই!
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন:
ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন:
হায়্রে ভন্ড । রাজ সোয়ান ভন্ডামি করছে হাসান ভাই । [যদিও ছোট সাম্পল থেকেই সামগ্রিকতা অভ্যুদয় লেখক বলেছেন: হায়রে! পারিবারিক গল্পরেতো পোলাপাইন পরীবারিক গল্প বানায়া ফেল্লো! উচ্ছন্নে গেছে সবডি ![]()
ফাহাদ চৌধুরী বলেছেন:
ভাই চল্বো না । প্রথমটা পোলিও পরি । ২য় টার অর্ধাঙ্গ কাঠামই অদৃশ্য ।
লেখক বলেছেন: আমার্তো দুইডাই পছন্দ হৈছে। পরীদের কোন খুঁত থাক্তে নাই।
রাজসোহান বলেছেন:
পরীবারিক গল্প পাইছি দারুন একটা আওডিয়া আইছে মাথায়
হামা ভাই আমি এই গল্পডারে পরীগল্পে রুপান্তর করব
আপনার অনুমতির অপেক্ষায়......অনুমত দিলে শুক্রবারই গল্পটা রিলিজ হবে
লেখক বলেছেন: শুভস্য শীঘ্রম বৎস! কাজ শুরু করিয়া দাও।
সাইফ হাসনাত বলেছেন:
"অফলাইন" এর সাফল্য কামনার জন্য ধন্যবাদ... ভাইয়া, দোয়া কইরেন- গালি যাতে কম খাই...!
লেখক বলেছেন: আচ্চা দোয়া করব গালি যেন কম খাও..হাহাহা!
এম এস সোহেল বলেছেন:
হাসান ভাই বুঝতে পেরেছেন বলে আমার কপালে ভাজ পেলে দিয়েছেন,ভালো বুঝলে ভালো লাগবে,
সুস্থ্য থাকুন।
লেখক বলেছেন: শুভকামনা সবসময়ের জন্যে।
প্রতীক মণ্ডল বলেছেন:
"আমি হাঁটি আমি হেঁটে চলি
শহরের পীচঢালা পথ কখনও আমার কাছে পলিমাটির মত নিবিড় মনে হয়।"
দুবার পড়লাম। কাব্যময়। সুন্দর। মাঝে মাঝে আরেকটু বিস্তারিত করলে আমার জন্য সুবিধা হ্ত।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনার পরামর্শ মাথায় থাকবে।
অচন্দ্রচেতন বলেছেন:
অ্যামনেশিয়া? টেম্পোরারি ইনস্যানিটি? অন্য কিছু? আমি কিন্তু বুঝি নাই ... পড়তে যদিও খুব ভালো লাগসে।
লেখক বলেছেন: না ভাই, এইটা ঐ জাতীয় কিছু না। আবার ঐ ভাবে ভাবলেও চলে। আমাদের চারিপাশের বাস্তব আর গল্পের বাস্তব এক নাও হতে পারে!
ব্যতিক্রমী বলেছেন:
ইদানিং আপনি মনস্তাত্তিক বিষয় নিয়ে লিখছেন। দুই দিন ধরে কমেন্ট করবো এই সময়েই বিদ্যুৎ নাই। যাই হোক ভালো লাগলো। আর রাজসোহানের সমস্যাটা কী? মনে হয় বেশী পাকনামি করতেছে।অনেকেই কিন্তু লেখাগুলি বুঝতে গিয়ে হোঁছট খাচ্ছে। আমিও এর ব্যতিক্রম নই।
লেখক বলেছেন: মনস্তাত্তিক বিষয় নিয়ে লিখতে ভালো লাগে। আমার প্রায় সব গল্পেই মনে হয় এটা আছে। গল্প পড়তে গিয়ে হোঁচট খেলে দুঃখিত। আমার ব্যর্থতা। কিন্তু তোমার তো ব্যতিক্রমী হওয়া উচিত! ![]()
রাজ মো, আশরাফুল হক বারামদী বলেছেন:
ঘুম নাই বস! চোখ ফাইটা রক্ত বাইর হইব আর কতক্ষণ পরে।
লেখক বলেছেন: আমার পুরা অপজিট অবস্থা। খুব ঘুমাইতেসি। এই কয়দিন বাইরেও যাইনাই।
একটা সময়..মনে আছে? গত রোজার ঈদে নির্ঘুমতা সংঘের কর্মী হয়া গেসিলাম আম্রা! ঐ সময় আমার ওরকম অবস্থা ছিলো। ৭২ ঘন্টা না ঘুমায়া ছিলাম। তারপরেও কেন যেন মনে হয় ঐটাই ভালো ছিলো। এখনকার ম্যান্দামারা লাইফের চেয়ে। একটা জোশে ছিলাম!
ব্যতিক্রমী বলেছেন:
প্রাণের মেলাতে কোনদিন পামু....?আমরা জানি না.......
আমরা জানি........
আমরা মানি না.......
আমরা মানি........
শুভেচ্ছা হামা ভাই।
লেখক বলেছেন: বইমেলা! আহা!
বিশ্বমিত্র বলেছেন:
ভালো লাগল + +
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!
মেঘ রোদ্দুর বলেছেন:
স্মৃতিনগরীতে হাঁটাহাটির প্রেসক্রিপশনটা ভালো না ভাইয়া............রোগতো কমবে না, বাড়বেই বোধহয়
গল্পটা অসাধারন হইছে
লেখক বলেছেন: রোগতো বেড়েই চলে ক্রমাগত....
লেখক বলেছেন: আপনের ইচ্ছা
লেখক বলেছেন: বেইল নাই।
আসফাকুল আমিন বলেছেন:
তা হামা ভাই এই বইমেলায় আপনার কি কি বই বাইর হৈলো ??? আর কয়টা বাইর করবেন ?? তাড়াতাড়ি বইয়ের নাম দেন । কালকে যাইতেসি। কুপায়া বই কিনুম ।
লেখক বলেছেন: ছদ্মনামে তো ম্যালা বাইর কর্সি। আরো অনেকগুলার কাজ চল্তেসে। হ্যানিবাল রে নিয়া এক্টা বই লিক্তিসি অহন ![]()
কাঠের খাঁচা বলেছেন:
বরুনা আফা ওরফে সূর্য কন্যা ও চাঁদ পুত্র মাইনাচ দেয় কিল্লাই ?হামা ভাই একবার কইসিলেন বানুয়াট নাকি কি কাহিনী লিকচে। তহনো বুজিনাই এহনো বুইজবার পারতাসিনা।
উনিতো লিকে বালাই। ২-৩ মাস আগে কি জানি একটা ফ্রেমের কাহিনী পইচ্চিলাম। আমি আবার বালুবাসার কাহিনী খুব বালা পাই।
লেখক বলেছেন: আরে ধুরো বেইল আছে নাকি! যা ইচ্ছা হয় করুকগা।
ফ্লাইওভার বলেছেন:
হামা ভাই, আমার পোষ্টে একটা ছবি দিয়েছেন (নিজামীর মুখে হিসু করার)। রাজনীতি করলে অনেক কিছু মেইনটেইন করতে হয় যা নিজেরও ভাল লাগে না তাই ছবিটা ডিলিট করতে হল। রাগ করবেন না প্লীজ।
লেখক বলেছেন: আইচ্ছা। মেইনটেইন কর্তে থাকেন।
লেখক বলেছেন: কিপ স্মাইলিং বাবুনি! (পুরান ডায়লগ)
কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি বলেছেন:
আমার আছে জীবন্ত হাড়গোড় আর মাংস। আমি বেঁচে থাকি। আমি সুস্থ্য হয়ে উঠি.. জটিল রকমের ভালো
লেখক বলেছেন: থেংকু ![]()
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন:
ছোট্ট দুষ্টুরা প্যাঁ প্যাঁ করলে তাদেরকে এটা এনে দিতে হয় তাহলেই তারা লক্ষ্মী হয়ে যায়।
লেখক বলেছেন: আমার প্রিয় শেল এ্যান্ড কোর। ইগলু কোম্পানিরই।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস ![]()
শাওন৩৫০৪ বলেছেন:
উয়াউ!!!হামা, তুমার ইভোল্যুশন হৈছে, তুমি লেখালেখির পরের স্টেজে গেছো..লাস্টের কয়টা লেখায় অনেক পরিশ্রম করতাছিলা, সেইটার ফলৈছে.....স্যলুট....
লেখক বলেছেন: বয়স হৈছেনা, অহন কি আর পরী বিষয়ক অণুকাব্য লিখলে চল্ব?
ভাব নিসি আর কি, হুদাই!
লেখক বলেছেন: ভালো আছি। তোমার আজকের লেখাটার শতমুখে প্রশংসা করতে হয়। দুর্দান্ত!
তয় এই দারুন লাগা অনুভূতির সাথে কিন্তুক আমিও পরিচিত! প্রথম যখন ব্লগে কোন লেখার ব্যাপক প্রশংসা পাই.. ওরে জোস ফিলিংস! ![]()
লেখক বলেছেন: এই পোস্টটা কয়েকদিন রাখো। জানি তোমার হাত উশখুশ করবে আড্ডা টাইপ বা আজাইরা টাইপ পোস্ট দিতে, কিন্তু না দেয়াই ভালো হবে। কারণ, দিলে তোমার এই ভালো লেখাটা চাপা পড়ে যাবে। কেউ কারো ব্লগে গেলে সাধারণত সবশেষ পোস্টটাই পড়ে। আমি মনে করি এই লেখাটা আরো বেশি পঠিত হওয়া প্রয়োজন।
লেখক বলেছেন: উপদেশ দিয়া বেশ এক্টা মাস্টর মাস্টর ভাব উঠলো ![]()
শান্তির দেবদূত বলেছেন:
এইবারও লেট এবার লেখার কথায় আসি; ---- কি লেখছ তুমি এটা জান? মাই গড ! শেষ ৫/৬ লাইনের আগে বুঝতেই পারিনি ঘটনা কি !! গল্পের মধ্যে এভাবে মিলেমিশে একাকার আর কখনো এই ব্লগে হয়নি!!! চুম্বকের মত টেনে রেখেছিলো পুরোটা সময়!
এর পর থেকে তোমার পোষ্টে আসার আগে আট দশটা টুপি পড়ে আসতে হবে, একটা টুপি খুলে তৃপ্তি পাই না।
লেখক বলেছেন: এত টুপি দিলে তো ভাইয়া লেখা বাদ দিয়ে শেষতক টুপির দোকানদার হয়ে যাবো! অনেক ধন্যবাদ আপনাকে! আপনার প্রশংসা পেলে লেখার সাহস পাই।
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন:
ভাইজান আবার রাগ টাগ করেন নাই তো আমার উপ্রে।করাটা স্বাভাবিক।আপ্নের ডায়লগ আপ্নারে মারা ঠিক হয় নাই চরি।তবে লেখাটা আপনার 'শর্তাবলী' থাইকাই আসছে।মেটালিকার ওয়ান এর একটা অনুবাদ করসি।মাগার পোষ্টানোর সাহস পাইতাছি না।গোস্তাকি করলে মাফ কইরা দিয়েন
লেখক বলেছেন: কি যে কউ! আমি তো দেইখা টাস্কি খাইছিলাম তাই কোন কমেন্ট কর্বার্পারিনাই। আমার ঐ কবিতাটার চেয়ে তোমারটা অনেক বেশি ভালো হৈসিলো, তাই আমি অল্প অল্প শরম আর অল্প অল্প গরবে কিছু কৈতে যাইয়াও কৈতে পারিনাই। বারবার ঐ কথাটা দেইখা আইসা নয়ন জুড়াইসি।
অনুবাদের অপেক্ষায় থাকলাম।
কাঠের খাঁচা বলেছেন:
লেখাটা আবার পড়লাম।মনের অজান্তেই মাউসের কার্সর প্লাসে চলে গেল। দেখি ওখানে লেখা আপনি একবার রেটিং দিয়েছেন।
ধুর!
অবশ্য প্লাস দিয়েতো ভাল লেখার মাহাত্ম প্রকাশ করা যায়না। ওটাতো বহু আব্জাব পোস্টেই দিয়ে থাকি।
অটঃ আপনার ছদ্ম নাম খানি কি জানতে পারি হামা দা??
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস আবার পড়ার জন্যে! আমার ছদ্মনাম? আমি তো ছদ্মনামে লিখিনা। আরেকটা নিক আছে অবশ্য, বন্ধুর কাছ থেকে ধার করা, তবে এখন এবং সবসময় ওটা আমিই ব্যবহার করেছি। আমার ওই বন্ধুর নাম দীপ আহসান। ঐ নিক থেকে জন্মদিনের পোস্ট আর পুরোনো কিছু লেখা দেই মাঝেমাঝে।
কাঠের খাঁচা বলেছেন:
আরে ধুর দীপ আহসান ওইটা তো জানি। আমি ১০৫ নং কমেন্টেরটার কথা কইসি হামা ভাই।
লেখক বলেছেন: ওহ! আরে ঐটাতো ফাইজলামি কৈরা বলা! ![]()
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন:
আহ শান্তি পাইলাম ভাই।আমি তো মনে করসি মাইন্ড খাইয়া গেলেন নাকি।হুম অনুবাদ টা করসি বাট মেটালিকার অনেক তথ্যও ঢুকামু ভাবতেসি।কাল পড়শু করুম।
ভাই কি কোরিয়ান অল্ডবয় মুভিটা দেখছেন নাকি?আমি পড়শু দেখছিলাম।মাথা হ্যাং হইয়া রইসে এরপর থাইকা।দেহেন না উলটা পালটা লিখতেই আছি।
না দেইখা থাকলে দেইখেন।ফাটাফাটি লাগার গ্যারান্টি আমি নিলাম।
আপাতত আলবিদা।
লেখক বলেছেন: ওল্ডবয়ের কথা অনেক শুনসি। দেখার ইচ্ছা আছে। কারণ ঐ টাইপ আমি পছন্দ করি।
গুডনাইট
স্লিপ টাইট
লেখক বলেছেন: হাহাহা! আবার আইসো!
লেখক বলেছেন: গুডমর্নিং সোহান!
লেখক বলেছেন: দেখতেসি!
লেখক বলেছেন: রাজহাস! ![]()
দাঁড়ান,পাশ টা কৈরা লই।রাজধানীতে ঢুকে প্রথম কাজ হৈলো আপ্নের বাসা রে আড্ডা বাসা বানানো ।হে হে হে।
হামা ভাই,চুয়েটের কিছু দেয়ালিকা দেখুন।সিনিয়র এক ভাইয়ের পোস্টে Click This Link
লেখক বলেছেন: আড্ডা! দেয়ালিকা! পোস্ট! কি থেকে কি হয় সব! আমি ঘুমাইসিলাম। এক অদ্ভুত বিষণ্ণ স্বপ্ন দেখলাম, যা ভাষায় প্রকাশ সম্ভব না। স্বপ্নের জগৎ আসলেই অন্যরকম।
যাই হোক, হ্যাঁ আড্ডা হবে বাসায় নো প্রোবলেমো। দেয়ালিকা জিনিসটা বড় ভালো লাগে। দেখলাম। আমাদের আর এক জন জাতভাই আছে দেখে ভালো লাগলো ![]()
গল্পের মত করে একটা পোস্ট দেন।প্রিয়ার মত কেউ আবার পোস্ট ছাড়লেই খুশি হব।বিনোদনেরও দরকার আছে।কি বলেন?
লেখক বলেছেন: হ..ব্লগে এখন আর আগের মত বিনোদন নাই। স্বপ্নটা ঠিক বলে বোঝানো যাবেনা.. অন্যরকম..ওটা শুধুই অনুভব করা যায়..
লেখক বলেছেন: থেংকু গুলাবি! বান্দরবেলার নেক্সট পার্টের জন্যে ওয়েট করে আছি।
হেমায়েতপুরী বলেছেন:
উৎসাহ দিতে লগ ইন করলাম।
লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: হু...আজকে একটু বেশি..তবে এটা অস্বাভাবিক না।
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন:
হামা ভাই ৪ টা মাইনাস খাইয়া তো ভয়ই পাইয়া গেসিলাম আজকে।মনে হইল সোহাইন্যা ছাড়া সবাই মনে মাইলাচ দিয়ে জাবে।তা এখন অবস্থা একটু ভালো।যতোই বলি না কেন পিলাচ মাইলাচ এ কিছু আসে যায় না আজকে রূঢ় বাস্তব আবার দেইখা ফেললাম।
তয় আপনার উপর মেলা রাগ করছি। ভুল টুল না ধইরা সুন্দর মতে চলে আসছেন।
আর ভাই আপনার সব ভালো লিখাতেই দেখি একটা মাইলাচ কমন।আপ্নের এই মারাত্মক বিরোধীডা কিডা জানতে মন চায়।
থাউকগা আর ডিস্টার্ব কইরা লাভ নাই।যাইগা কুয়ো ভাডিস এর "ডে ইন্টু নাইট "এলবাম শুনি।
লেখক বলেছেন: চারটা মাইনাস কেন খাইলা বুঝলামনা। তবে আমি একটা কবিতায় একবার ১০টা মাইনাস খাইসিলাম! কারণ ঐ সময়ে ছাগু নিধন কর্মসূচী জোরদার করসিলাম। তয় ঐ কবিতাটা কিন্তু ছাগু নিয়া ছিলোনা। আমার পোস্টে নিদৃষ্ট কেউ মাইনাচ দেয়না, একেকসময় একেকজন!
লিরিক তো ভালো হৈছে। আমি ভালো সমালোচক না, সমালোচনা করার মত তেমন কিছু পাইনাই। রাগ করার কছু নাই ![]()
লেখক বলেছেন: ও তো চিটাগং গেসে। চলে আসবে। আইসা আবার ধুমসে ব্লগিং শুরু করবে ![]()
লেখক বলেছেন: পুরান লেখায় ঠেলা দেও আর কি করবা ![]()
লেখক বলেছেন: মগবাজার হৈলো জামাতের ঘাঁটি। ঐখানে ওদের অফিস। গোলাম আজম ঐখানে থাকে। এই ব্লগে মগবাজারী হৈলো একটা গালি, রাজাকারের সমার্থক।
হরিদাস পাল মানে হৈলো বেকুব টাইপের ব্লগার। সম্ভবত আইজুদ্দিন দ্য লিজেন্ড চালু কর্চিলো সেই বিখ্যাত ডায়লগ "বলগ ভরিয়া গেলো হরিদাস পালে"
আবুল মার্কা পোস্টে এই কমেন্টটা ফ্রিকুয়েন্টলি ব্যবহার করা হয়। ![]()
ঘাস্ফুল বলেছেন:
হাসান "একটি পারিবারিক গল্প" অনেক জীবন্ত লাগলো।গল্পেও তুমি ভালোই উৎরোও।
পাঠ শেষে একটি সুর'ই তুমি যেন তুললে মনে....
"কোন পুরাতন প্রাণের টানে
ছুটেছে মন....."
এ সুরে তুমিও বিদগ্ধ জেনে ভালো লাগলো।
লেখক বলেছেন: তোমার কমেন্টের অপেক্ষায় ছিলাম ঘাসফুল। অনেক দেরীতে দিলা ![]()
তয় সন্ধ্যাবেলায় সিপাহী রে কট দিয়া মজা পাইছিলাম।দেখসিলেন?গ্রাউন্ডফ্লোরের পোস্টে।
লেখক বলেছেন: গ্রাউন্ডফ্লোরের পোস্টটাই বরং ভালো হইছে। এরকম পোস্ট আসলে ছাগু কট করা যায়। সিপাহীরে তো কঠিন ছ্যাচা দিলা! দারুন কাজ! এইসব পিছলা ছাগুগুলারে ধরা কঠিন, যেইটা তুমি কর্সো।
মগবাজার হৈলো ছাগুদের কেন্দ্রীয় অফিস।
হরিদাস পাল মনে হয় আবাল টাইপের কিছু।
লেখক বলেছেন: রাইট!
রাজসোহান বলেছেন:
কত অজানারে হেই দিন সিপিজি আমারে কইল মগবাজার......কথাটা মাথা উপ্রে দিয়া গেল,বুঝি নাই
আইজ আইজুদ্দিনের একটা পোস্টে দেখলাম হরিদাস পাল
আজ বই মেলাত গেছিলাম কয়েকজন ব্লগারের লগে দেখা হইল
লেখক বলেছেন: কার কার লগে দেখা হৈলো?
লেখক বলেছেন: ঐ ব্যাডা যে লিংক দিসে তাতে আমি বাংলা দেখতে পারতেসিনা ![]()
রাজসোহান বলেছেন:
স্বপ্নকথক,সমুদ্র কন্যা,ব্যতিক্রমী,পাহাড়ের কান্না,আর আমার ব্লগের অরন্য আনা,আর একজন এটিম মেম্বার নাম ভুইল্যা গেলাম গত পরশু দেখা হইছিল অমি পিয়াল,রাসেল ভাইদের সঙ্গে।
সবাই আমারে খালি পুত্তুম পিলাচ বলে
লেখক বলেছেন: আয় হায় এটিম মেম্বারের নাম ভুইলা গেসো!
নাহ পুরাই হতাশ হৈলাম!
@গ্রেট পুত্তুম পিলাচ.....আমারে ফোন করার কথা ছিলো...........
লেখক বলেছেন: উখে!
রাজসোহান বলেছেন:
ভুল হই গেছে শুধু অরন্য আনামের নামটা মনে আছে উনার সাথে বেশীক্ষন কথা হইছে তো......তাই
২০০৬---২০০৭ এর অনেক কথাই উনি বললেন......
লেখক বলেছেন: আর জানি এই ভুল না হয় ![]()
কাঠের খাঁচা বলেছেন:
@পাপী ০০৭ ঃ সিপাহীরে লয়া কয়েকদিন ধইরা সন্দর মইধ্যে ছিলাম।
লেখক বলেছেন: অহন কিলিয়ার হৈচে।
সে এখন লালসালুর কাছে কবিতা চাইতেছে।হা হা হা।
লেখক বলেছেন: ছুপায় ছুপায় ছুপাতোতো..দেখাই যাক! আম্রা রেডি ![]()
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন:
ভালোই আড্ডা জমছে দেহি এইহানে।এইদিকে দোস্তের বার্থডেতে গান গাইয়া গলা কেকু কেকু হইয়া গেসে।
লেখক বলেছেন: কেক্কুক খায়াও কেকু ভাব কটেনাই! নাকি খাওয়াইনাই কিছু ![]()
লেখক বলেছেন: পরীবারিক-পরীর অশ্রু সম্পর্কিত বিষয়! মোটেও হাসিরা না রে হাস্যমুখী! সোহান বলসে এই থিমে নাকি কি লেখা দিবে। দেখা যাক!
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন:
বহুত খাওয়াইসে।কিন্তু পোলাপান রে যতোই কই দোস্ত গান গামু না, গাওয়া ছারান দিসি,গলা ভাংগা শালারা আরো বেশী চাইপ্পা ধরে।কয় কুত্তা রিকোয়েষ্ট করি দেইখ্যা ভাব লও না।কেমুন্ডা লাগে কন দেহি।
একটা কবিতা লিখতেসিলাম।আইসা দেখি বাকি টুকু শেষ করতে পারতেসিনা ।
আম ও গেল ছালাও গেল।
তবে কেক টা কুপারস এর সিল।বড়ই উপাদেয়
লেখক বলেছেন: কুপারস এর জিনিস আসলেই ভালো। খাইয়া আরাম পাই। কবিতা শেষ হয়ে যাবে, ব্যাপারনা, এইটা না হলে অন্য একটা হবে! একবার আমি এক থিম নিয়া গল্প লিখবো বইলা বসছি, দেখি যে ঐটা একটা অন্য গল্প হয়ে গেসে!
লেখক বলেছেন: হাহাহা! জোস! লাস্টের পাঞ্চটা একেবারে জায়গামত দিসো ম্যান! কঠিন ![]()
লেখক বলেছেন: কাঠের খাঁচা বলেছেন:
)
)
আমি একটা দিলাম তাকে .....
অট.আপনার পোস্টে ফাজলামি করে এসেছি ।মাফ করবেন।
কাঠের খাঁচা বলেছেন:
আপ্নারটাও জটিল হইসে। আমি আবার ছিপাইর হয়া কমেন্ট কইরা আসলাম। খেক খেক।ফাজলামি আবার কি? কষ্ট কইরা এত্ত বড় কমেন্ট কইচ্চেন এই ম্যালা।
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন:
ওহ হামা ভাই।আই লাইক ইট।শেষ হৈসে।চারঘন্টা কুত্তা-মানুষ লড়াই এর পর আমি আরেকটি মাকাল ফল (কবিতা) এর জনক হয়েছি।
ওভার কবিতালেশনের দেশে মূর্খরা কবিতা পয়দা করেই চলেছে।কবে যে এরা ঠিক হবে?
লেখক বলেছেন: তুমি কবিতা লেখবা এ আর নতুন কি! তুমি তো কবিই। পোস্টায়া ফালাও।
ফেরারী পাখি বলেছেন:
কি চমৎতার তরে লিখেছিস! এই জেনারেশন খুব প্রমিজিং।অনেকেই এত ভালো লেখে যে কি বলবো!
সত্যি একটু এলোমেলো একটু কাব্যিক কিন্তু অন্যরকম সুন্দর লেখা।
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস আপা ![]()
সুবিদ্ বলেছেন:
তবুও তো বেঁচে থাকা........বেঁচে থাকতে চাই.......
সেই ছোটবেলায় আমার কি কি যেন রেকর্ড করছিল আম্মা........কই যে গেছে সব.......রেডিওটাই কি আছে........খুব মনে পড়তেছে ছোটবেলার কথা
লেখক বলেছেন: কই যে গেছে সব......
এই দুই সন্ত্রাসী ঘোরে ফেলে দেয়ার চক্রান্ত করছে।
লেখক বলেছেন: ব্লগে তো আগুন জ্বালায় দিছে ওরা! এই কমেন্টের রিপ্লাই দেয়ার আগেই আমি ঐখানে কমেন্ট কৈরা আসছি।
লেখক বলেছেন: ![]()
রাজসোহান বলেছেন:
কিচু কি মিচ করচি আজ??? হামা ভাই পরীবারিক থিম টা তো ভুইল্যা গেলাম ঐ মুহূর্তে মনে কি আইছিলো অহন তো মনে পরতাছে না
লেখক বলেছেন: কিছু কি মিস কর্সো? না মনে হয়।
পরীবারিক থিম নিয়া নতুন করে ভাবো আবার। লিখতে তোমারে হৈবোই।
লেখক বলেছেন: হেল্লু মেঘটুস ভেবটুস!
ফূর্তিতে আছি হঠাৎ।
অনেকদিন পর শিরোনামহীনের নিয়ন আলোয় স্বাগতম শুনছি।নতুন স্বাদ।
লেখক বলেছেন: খবর আর কি..গতানুগতিক..
শিরোনামহীন আমার প্রিয় ব্যান্ড। আমি এই মুহূর্তে শুনতেসি পিঙ্ক ফ্লয়েড। অবশ্য বেশিরভাগ সময়ই শুনি। নেশা নেশা লাগে!
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন:
ভাইজান ড্রিম থিয়েটারের "ব্ল্যাক ক্লাউডস এন্ড সিল্ভার লাইনিংস" শুন্তাসি।মাথা নষ্ট অবস্থা।পেত্রুচির আরপেজিও,ক্রোম্যাটিক,ডিমিনিসেস আর ফ্র্যিজিয়ান শুনতে শুনতে পুরা টালমাটাল অবস্থা।এক কথায় চ্রম।
লেখক বলেছেন: ড্রিম থিয়েটার এখন আর শোনা হয়না। আগে শুনতাম। আমি দেশী আন্ডারগ্রাউন্ড বেশি শুনি এখন।
নিয়ন আলোয় স্বাগতম......
পুরোপুরি একাকীত্বে ডুব দিলাম।সন্তরণ জানি না.......
লেখক বলেছেন: ডুব দাও..ডুবে যাও..আর তুলে আনো কিছু মুক্তো..কিছু বিষ..
রাজসোহান বলেছেন:
হামা ভাই নস্টাল দার মনে হয় আমার পোস্ট ভালো লাগে নাই,কুনো কমেন্টাই নাই...... পরীবারিক থিম টা ভাবতাছি পাইয়া যাব ইনশাল্লাহ
লেখক বলেছেন: আরে তা না..ও তো কয়েকদিন যাবত নেটেই নাই। আমার এই পোস্টেও তো কোন কমেন্ট করেনাই। সময় পেলে করবে অবশ্যই।
পোস্টের জন্যে আগাম পিলাচ!
অমিত চক্রবর্তী বলেছেন:
বাল্লাগতাসে না।কয়দিন ধইরা ব্লগে খালি নিজেরে মজাক বানাইতেসি।মেটালিকার পোষ্টে নিজেরে মহান গীটারিষ্ট বানাইলাম।কেন জানি অনুবাদের ইতিহাস লিক্তে মন চাইল।আবার সমাজ ব্যবচ্ছেদে নিজেরে মহান শব্দসন্ত্রাসী বানাইলাম য্যান এই সমাজের বেবাক মান্যগন্য আমারে আজাদ স্যারের মত মারতে আইব।নিজেরে পুরা আবুল আবুল লাগতেসে।এই সব জিনিস বাদ দিলেই বালা হইত।
দুক্কের কথা কারে আর কমু।পাপী তো পারলে আমারে এহনি নোবেল দেয় আর মিশু বাইর হরীক্ষা।তাই আন্নেরে বার বার ডিস্টাব করি।
মুনটা কুব খারাপ ভাইজান।তাড়াতাড়ি কিছু একটা লেহেন।রাজনীতি আর আবাল্টার থুক্কু এবাটার লইয়া পড়তে পড়তে ঝিমানি আইতাসে।
লেখক বলেছেন: লেইখা যাও তো মিয়া। তুমি পাপী আর ফাহাদ নিয়মিত লেখা দেও বইলা তো ব্লগটা সমৃদ্ধ হৈতাসে। লেখো, আরো লেখো। আমি দেখি মুগ্ধ হৈয়া।
আমার লেহা তো অত সহজে আহেনা। তয় দুই তিনডা থিম ঘুরতেসে মাথায়, লেখতে গেলে দেহা যাইবো যে পুরা অন্য জিনিস লিখ্যা ফালাইছি। হাহা!
কাঠের খাঁচা বলেছেন:
হা মা ভাই তো দেখলাম আমার দুসরা নিকে বেড়াইতে গেসেন।আরেকটা নিক খুইলাই ফেললাম। মুক্তি পাওনের লাইগা আবজাব লেখা পুস্টাইতেসি উইখানে।
লেখক বলেছেন: আমি ভিজিটর লিস্টের সবগুলা নামেই কিলিক করি। তয় তুমার দুসরা নিক্টা অবশ্য চিন্তে পার্লাম্না। মুক্তি চাই দুসরা নিকের দিতে হবে ![]()
শ্রাবনের ফুল বলেছেন:
লেখার শুরু থেকে শেষ নাটকীয়তাটাই মুগ্ধ হবার মতো.. আমি পুরাই মুগ্ধ হামা ভাই..আরো লেখা চলুক শুভ কামনা...
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস শ্রাফু!
কাঠের খাঁচা বলেছেন:
বস কি কখনো জিনারেলের ক্যাপ পইচ্চেন নাকি?
লেখক বলেছেন: তিনবার। আর একবার হৈছিলাম লগইন ব্যান,তার আগের মুহূর্তে পোস্ট+কমেন্ট ব্যান ![]()
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
কাল পড়বো। ঘুমাতে যাইতেছি। বুকমার্কড।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা। অপেক্ষায় থাকলাম মন্তব্যের। গুডনাইট!
নীজর্ন বলেছেন:
হামা ভাই, study niye bz thaker karoner last 1week off cilm samu te . aj log in kore at first apnr nick knock krlam. jntm jotil kisu pabo n seta pailam o . khub hingse hy apnr lekhonir motthe reader ke dore raker ae power deke. bt pore abr valo lage hyto banglai nation aro akta valo writer pacche. valo thakben. * bhaire amr mone hy banglay comment r deya hobe nh* (khub slow tai eng ta e akto ksto kore poiren.)
লেখক বলেছেন: ব্লগে এসে প্রথমেই আমার পোস্টে ঢুকলেন দেখে প্রীত হলাম। বাংলায় কমেন্ট একসময় অবশ্যই করতে পারবেন আশা রাখি। চেষ্টা করে যান। অবশ্য পড়াশোনা নিয়ে ব্যস্ততায় আছেন..সেটা ব্লগিং এর চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শুভকামনা সবসময়ের জন্যে।
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন:
মেঘটুস ভেবটুস বলছে লেখাটা ফেসবুকে শেয়ার করার জন্য (গাল ফোলানোর ইমো)।
লেখক বলেছেন: কর্সিলাম তো! কয়বার কর্মু?
লেখক বলেছেন: হ! ফুলের্মালা দিয়া সম্বর্ধনা দেউ ![]()
অক্ষর বলেছেন:
কি হে মশাই, কেমন চলছে?
লেখক বলেছেন: চলছে কোনমতে ![]()
লেখক বলেছেন: গজব পর্বে গজব। ধ্বংস হয়ে যাবি।
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন:
তর উপ্রে গজব পর্বে! একখান মেচেজ দিচিলাম, খুইলাও তো দেক্লি না। খুব মজার মেচেজ কিন্তুক হুঁহুঁ লেখক বলেছেন: নট ফানি এ্যাট অল।
লেখক বলেছেন: এইটা হৈলো আড্ডা দেয়ার জায়গা
লেখক বলেছেন: মন্তব্য দিয়া আসলাম।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পাঠের জন্যে সৈকত। ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: আমি আগেই দেখসি। হাহাহা! জোস হৈছে!
এরশাদ বাদশা বলেছেন:
একরাশ মুগ্ধতা। আপনের লেখনীর একটা নিজস্বতা আছে। যেকোন বিষয়ই দারুন জীবন্ত হয়ে ধরা দেয় সাবলীলভাবে। খুব ভালো হয়েছে।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন:
একটা টাইপো পাওয়া গেছে।
লেখক বলেছেন: মাত্র একখান!
কুন্ডা?
লেখক বলেছেন: পুস্টে এক্টাও নাই! এ কি কথা শুনিলাম। অবশ্য না থাকনের কারণ আচে। ![]()
মাহাত্ন্য ভেবোনা! ![]()
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন:
পুস্টেও ম্যালাডি আচে বাছাধন। কিন্তুক ঐগুলান আর কমু না। মুখে ব্যথা হয়া গ্যাছে কৈতে কৈতে। অহন 'মাহাত্ম্য' বানানডি ঠিক করোদি। 'ত' এর লগে 'ন' লাগাইসো ক্যান? 'ম' হৈবো ওডি। পুলাপাইন মানুষ হৈলো না!
লেখক বলেছেন: ও! ![]()
মাসুদুল হক বলেছেন:
ভাল লাগলো...আপনার স্টোরি টেলিং যাদুময়...
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পাঠের জন্যে।
চিটি (হামিদা রহমান) বলেছেন:
গল্পের নাম "একটি পারিবারিক গল্প" লেখাটি দুইবার পড়লাম।মুগ্ধ আপনার রচনা কৌশল। শব্দ চয়নে।
ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন:
বই চাই । আপনার গল্প সংকলন চাই ।
ভাল হইছে গল্প ।
অন্য গল্প গুলার চেয়ে বলনে কিছুটা আলাদা হইছে । এই কারণে স্বাদ খানাও বেশি ।
কলম চলুক গল্পতেই ।
( অট খোমাখাতায় শেয়ার দেন নাই?
লেখক বলেছেন: আমিও চাই। তবে দেরী হবে ম্যালা। হয়তোবা ৫ বছর পরে! খোমাখাতায় তো শেয়ার দিসিলাম, তুমি দেখনাই ![]()
নস্টালজিক বলেছেন:
দুর্দান্ত হইসে হাসান।।তোমার লেখাটা পড়ে একটা লাইন মাথার ভেতর ঘুরতেসে,
' প্রিয় শহর ছেয়ে যায় নিজেকে হারিয়ে ফেলা মানুষের ভীড়ে.....'
লেখক বলেছেন: লিখা ফেলো পুরাটা।
লেখক বলেছেন: বাসি জিনিস খাওনেরও মজা আচে। যেমন বাসি পোলাও।
নস্টালজিক বলেছেন:
সোহান,বেটার লেট দেন নেভার,বাডি!হাসান,লেখাটা নিয়া আমার একটা অবজারভেশন আছে,পরে দিমু নে।।
হ্যাপি নাইট ব্লগিং!
ঘুম দেশে যাই!
লেখক বলেছেন: ওকে! অপেক্ষায় থাকলাম। আমিও ঘুমানোর ট্রাই করি যাইগা। গুড নাইট, স্লিপ টাইট।
তাজা কলম বলেছেন:
গল্প বলার ঢংটি অপূর্ব। মনে হচ্ছিল আপনি নিজেই যেন গল্পটি শোনাচ্ছিলেন আমায়। ++
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!
লেখক বলেছেন: দিতেই থাকবো। ধন্যবাদ দিতে তো আর পয়সা লাগেনা।
নট ডিফাইন বলেছেন:
চমৎকার গল্প। আপনি কিন্তু দারুন লিখেছেন।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!
লেখক বলেছেন: অপদার্থতাকে মাহাত্ম্য ভেবোনা..
লেখক বলেছেন: হ! ভেরি স্যাড ![]()
প্রবাসী রনি বলেছেন:
"আমার চোখ মিথ্যা দেখেনা। আমি অসুস্থ্য হলেও আমার চোখটা নষ্ট হয়নি" সত্যিই তো তাই। খুব ভালো লাগল।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!
আবু মকসুদ বলেছেন:
শুধু গুট্টুস নিয়ে স্মৃতিচারণ করলে চলে, আমাদের সুস্থ হয়ে উঠতে হবে
কিছুদিন পরে আমি আবার সুস্থ্য হয়ে উঠি।অফিসে আমার ইনক্রিমেন্ট বেড়ে যায়। আমি আরো বাড়ানোর চেষ্টায় মশগুল থাকি। আর স্মৃতিনগরীতে ক্রমাগত হাঁটার ফলে হাঁটুতে যে ব্যথা হয়েছিলো সেটাও কমে গেছে। আমার আছে জীবন্ত হাড়গোড় আর মাংস। আমি বেঁচে থাকি। আমি সুস্থ্য হয়ে উঠি..
চমৎকার গল্প মাহবুব ভাই।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ!
বৈরী হাওয়া বলেছেন:
যে কোন লিখা, পড়ার ক্ষেত্রে আগ্রহ তৈরি হওয়ার জন্য কিছু সাধারণ, কিন্তু অসাধারণ রুপে সজ্জিত করতে হয়। সেটা যখন একজন লিখক করতে পারেন, তখন তিনি স্বার্থক।লিখা হচ্ছে একটি চক্র। এখানে পাঠক ঘুরপাক খায়। খাওয়ানোটাই লিখা এবং লিখকের বৈশিষ্ট্য।
আরেকটি বিষয়; বানান এবং বুনন- এ দু'টো জিনিস অবশ্যই গভীর ভাবে লক্ষ্য রাখা উচিৎ। যেমন: ছিলনা (এক সাথে হয় না, যেহেতু দু'টো আলাদা শব্দ), প্রকৃত (ছিল না); ওয়ার্ডরোবে (রেপ এর পর র হয় না); এমন আরো কিছু।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে মন্তব্যের জন্যে। লিখক না হয়ে লেখক হবার চেষ্টা থাকবে অবশ্যই।
লেখক বলেছেন: Click This Link
আকাশ অম্বর বলেছেন:
আমার আছে জীবন্ত হাড়গোড় আর মাংস।
লেখক বলেছেন: সময় সহায় হোক!
লেখক বলেছেন: বুকে আইলাম ইয়া খারেজি! সেদিন আপনার রুপকথা নিয়া পোস্টটা আবার পড়লাম। মিয়া.....!
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ অনুপ্রেরণামূলক মন্তব্যের জন্যে।
লংকার রাজা বলেছেন:
প্রায় ভাবি আপনার লেখায় কমেন্ট করব,এসে তিন-চারশ কমেন্ট দেখে আর করি না।একদিন আগে আগে এসে বলব,ভাল হইছে লেখক বলেছেন: কিন্তু এর পরে কি যে লিখি? মাথায় তো কিছুই আসেনা ![]()
শত রুপা বলেছেন:
মেহেরুবা বলেছেন: আমার আছে জীবন্ত হাড়গোড় আর মাংস। আমি বেঁচে থাকি। আমি সুস্থ্য হয়ে উঠি..
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ, আমরা বেঁচে থাকি!
লেখক বলেছেন: শিওর!
প্রেসিডেন্ট মামা বলেছেন:
হামা ভাই চিনছো আমারে?
লেখক বলেছেন: কোন হিন্টস ছাড়া কেম্নে চিনি। আচ্ছা.."কবিতার আড্ডা" নাকি?
লেখক বলেছেন: বিড়াট ক্যারফা ![]()
সায়েম মুন বলেছেন:
হামা ভাই বেশ কিছুদিন অফলাইনে ছিলাম বিধায় দেরীতে পোষ্টে ডু মারলাম। আপনার ষ্ট্যাইলিশ লেখা সবসময় এক নি:স্বাসে পড়ে যাই আজও পড়লাম---
লেখক বলেছেন: আমিও ভাবতেসিলাম তুমি গেলা কই। যাই হোক দেরীতে হলেও পড়ার জন্যে থ্যাংকস!
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
আপনার বলার স্টাইল দারুণ লাগে।জহির রায়হানের বই পড়েন?
উনার কোন একটা ছোটগল্পে এমন একটা স্টাইল(কাছাকাছি হয়ত) দেখছিলাম।
এই গল্পপ্টার শুরুতে একরকম, মাঝে একটা ভাবমূর্তি শেষে আরেক। সব মিলিয়ে ভাল জমেছে। মাঝের দিকটা আরও একটু ব্যাপ্তি পেলে(ক্যাসেটের কথাগুলি) আরও চরম লাগত।
সব মিলিয়ে ++++।
ভাই, মেলায় যায়া দেউলিয়া হয়ে গেসি।
এখক কী করি?
পুরা ধরা।
ছাত্রাবস্থায় বই মেলায় যাওয়াটা বুদ্ধিমানের কাম না।
আপনের খবর কী?
লেখক বলেছেন: জহির রায়হানের একটা গল্প সংকল পাইসিলাম ভার্সিটি থাকতে। দারুন। তবে কোন গল্পটার সাথে এইটার মিল পাইসো মনে নাই। ঐ গল্পটা আদৌ পড়সি কিনা তাই বা কে জানে!
মেলায় আজকে গিয়া বেশ কিছু বই কিনলাম। সামনে তো আরো কয়েকবার যাবো। টার্গেটেড অনেক বই'ই কেনা হয়নাই।
আরে বইমেলা তো বছরে একবারই আসে। ধুমায় কিনতে থাকো বই।
রুবাইয়াত ইসলাম সাদাত বলেছেন:
উফ, পুরা দুই ঘন্টা পর সামুতে ঢুকতে পারলাম।এই গল্প এতদিন পর পড়ার কারণে আমারে মাইনাস!
লেখক বলেছেন: শুধু মাইনাস কেন, আপনের ব্যান চাই।
লেখক বলেছেন: ভালো আছি। আজকে বইমেলায় গেসিলাম। নয়া লেখা কি যে দেই..তোমার ভাইয়ের সাথে দেখা হইসে আজকে।
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন:
কমু না? না কৈলে কওনের্লিগা সাধাসাধি কর্বি না?
লেখক বলেছেন: হেহে! আইচ্ছা সাধাসাধি কর্লাম। অহন কউ।
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন:
প্লাস্টিকের ফুল গল্পটার একটা রঙ ছিলো। অনেকটা সন্ধ্যাবেলা অস্তরাগের যেমন রঙ হয়... অনেক লাল, খানিকটা কালচে, খানিকটা নীলের মাখামাখি, সেরকম।আর এই গল্পটার রঙ হচ্ছে সমুদ্রের ধারে বালিয়াড়ির মত। একটু ছাই, একটু সাদা, একটু ধূসর...
সুন্দর। খুব খুব।
লেখক বলেছেন: এইরকম কৈরা তো ভাবিনাই। তবে আমার লেখার কমন রং হৈলো কালো আর ধূসর। তোমার দেখার চোখটা চমৎকার।
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন:
আরে আমিও হুদাই ভাব লৈতেসি। এরাম ক্যান লাগলো সেইডা একটু আগে বুঝলাম। প্লাস্টিকের ফুল গল্পটায় 'সাঁঝের মায়া' বলে একটা টার্ম ছিলো না? ঐজন্য ওটা ওরকম লাগসিলো। আর এখানে 'স্টুডিওতে সমুদ্রের ছবির পাশে' জাতীয় একটা ব্যাপার বলা হয়েছে তো, তাই এই গল্পটা এমন লাগে। আমার আবার প্রকৃতির লগে যুগাযুগটা এট্টু বেশি তো, হেল্লিগা আর কি। লেখক বলেছেন: তাই তো কই এত রংবাজি শুরু কর্চ কিল্লিগা!
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
গল্পের মিল বলি নাই। মানে এটা বুঝাতে চাই নাই।জহির রায়হানের গল্প পড়ছিলাম।
পুরানো একটা গল্প। আগেও কই যেন পড়ছি। সময়ের প্রয়োজনে। মুক্তিযুদ্ধের গল্প এইটা। মনে হল, স্টাইলের একটা মিল আছে। এইটাই বললাম আর কী !!
জহির রায়হান এক্সপেরিমেন্ট করছিল।
তার বাকি লেখাগুলা এরকম না।
উপন্যাসে তাঁর ক্ষমতাই আলাদা। উনার ছোটগল্পগুলো যেন বেশি ছোট। খণ্ড। কাহিনী জমে না বেশিরভাগ, ব্লগের মত ছোট থাকে।
তবে, জহির রায়হান তার উপন্যাসের গুণে আমার প্রিয় বাংলা লেখক। আমার কাছে উনিই সেরা।
ঐ সাইডে বিভূতিভূষণের চরম ভক্ত আমি। এমন উপন্যাস হয় না। আনকমনগুলার মধ্যে দৃষ্টিপ্রদীপ পড়ে থমকে গেসিলাম। এদের সময়কালে বেশি পার্থক্য থাকায় তুলনা করা সম্ভব না।
লেখক বলেছেন: ছোট গল্পের জন্যে আমার কাছে আখতারুজ্জামান ইলিয়াস আর মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় বেস্ট। উপন্যাসের জন্যে অনেকেই। তবে মানিকের চতুষ্কোণ পড়া না থাকলে পড়ে দেখতে পারো। একদমই অন্যরকম। ঐসময় ওরকম উপন্যাস কল্পনাই করা যায়না। সময়ের চেয়ে অনেক এগিয়ে থাকা একটা লেখা।
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন:
এত দেরি হবে না!!! ব্লগারদের বইয়ে সাধারণদের আগ্রহ বাড়তেছে । তারা বুঝে ফেলতেছে / ফেলবে লেখা লেখাই । তা যেই খানেই প্রকাশ হোক না কেন?! সো ...
কাল মেলায় যাবেন নাকি?
আমি যাইতেছি । পহেলা ফাল্গুন । আর অনেক ব্লগার ও তো আসবে মনে হয় । অপরবাস্তবে ইণ্টারেস্ট নাই । কিন্তু ব্লগার দের ব্যাপারে ইন্টারেস্ট আছে!!
লেখক বলেছেন: যাবার সম্ভাবনা বেশি।
সিনসিয়ার বলেছেন:
আজ থেকে মেলায় ৭/৮ দিন থাকবো সকাল-সন্ধ্যা ।ইচ্ছে হলে যোগাযোগ করতে পারেন - ০১৭১৩২২৮০৪০
লেখক বলেছেন: আচ্ছা
ব্যতিক্রমী বলেছেন:
আজ কি আসবেন? আসলে শিওর করবেন। আমি মেলায় গিয়ে ফোন দেব।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ আসছি।
অজন্তা তাজরীন বলেছেন:
গুছিয়ে কি করে গল্প লিখতে হয় তা আপনার লিখা থেকে দিক্ষা নেয়া যায়। খুবই সাবলিল ও মন ছোঁয়া। ভাল লাগল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ অজন্তা। আমার ব্লগে স্বাগতম।
লেখক বলেছেন: হ। রওনা দিমু আর ঘন্টাখানেক পরে ![]()
সকাল রয় বলেছেন:
আপনি খুব সুন্দর লিখেন।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আপনাকে। আপনার লেখাও খুব ভালো লাগে।
লেখক বলেছেন: আপনাকেও শুভেচ্ছা হাস্যমুখী!
যাদুকর... বলেছেন:
গল্প বুনতে পারেন বটে,রূপক এবং মিস্ট্রি মাখিয়ে...
এতগুলো কমেন্ট এবং এর জবাব দেখে মনে হচ্ছে, আপনি সার্থক লেখক।
আপনার সার্থকতা অব্যহত থাকুক।
লেখক বলেছেন: কতগুলো কমেন্ট আসলো তা দিয়ে কি লেখালেখির সার্থকতা বিচার করা যায়? তবে এই যে আপনি পড়লেন, আপনার ভালো লাগলো, এতে আমার লেখাটি কিছুটা হলেও সার্থকতা পেলো। অনেক ধন্যবাদ।
মেঘ বলেছে যাবো যাবো বলেছেন:
কি লেইখ্যা সার্চ দিয়া অই ফটুকখান পাওয়া গ্যাছে?
লেখক বলেছেন: ইয়াদ নাই ![]()
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাহী ভাই! অনেকদিন পর আপনাকে নিয়মিত ব্লগে দেখে ভালো লাগছে। ভালো আছেন আশা করি।
লেখক বলেছেন: আরে কই ছিলা তোমরা! তোমাদের গ্রুপের প্রায় সবার সাথেই তো দেখা হইলো। বোহেমিয়ান, মুক্ত, হিমালয়, তুহিন..শুধু তোমার আর অদ্রোহ'র সাথে দেখা হৈলোনা ![]()
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
এই লেখাটা অনেকদিন ধরে না পড়ার জন্যে নিজের কী শাস্তি হওয়া উচিত তাই ভাবছি। গল্পের শুরুটা আলতো, যেনো কিছুই হয় নি। তেমন জরুরি নয়, এমন একটা ভঙ্গিতে শুরু। আমার আরো বেশি ভালো লাগলো, কারণ "পীচঢালা পথ" বদলে গেলো কবিতার মতো, তাই!
গুট্টুসের সাথে কথোপকথনের সময়ে, "আমি" চরিত্রের চমকে যাওয়া, যেনো সে জানতোই না গুট্টুস এমন হয়ে গেছে, যেনো সে বিশ্বাসই করতে পারছে না যে তার আদরের গুট্টুস এমন করতে পারে- এই বিস্ময়ের প্রকাশটুকু যেভাবে করলেন, সেটা অসামান্য!
তবে সমাপ্তির অনুচ্ছেদ বাকি গল্পের সাথে একটু বদলে গেলে হয়তো আরো ভালো মিশে যেত। গল্পটা তো স্মৃতিকাতরতাকে কেন্দ্র করে। সেটা থেকে বাস্তবে ফিরে আসার সময়ে সেই স্মৃতিগুলো, বা স্মৃতির অনুষঙ্গগুলো ফিরে এলে অন্য ধরনের কন্ট্রাস্ট আসতো বলে আমার ধারণা। আমার ধারণাকে চমকে দিতে পারেন আপনি, সেই শক্তি আপনার বেমালুম আছে।
----
ইদানিং আমাকেও গল্পের ভূতে পেয়েছে। শাহাদুজ্জামান আর শহীদুল জহিরের সাথে কথাবার্তা চলছে দিনভর, রাতভর, জ্যামের সময় জুড়ে। আপনার গল্প সেগুলোর মাঝেও জ্বলজ্বল করবে, আমি নিশ্চিত!
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস ছন্ন..শেষটুকু নিয়ে আরো কাজ করা যায় অবশ্যই। এসব জিনিস ধরিয়ে দেয়ার জন্যেই তো আপনাকে টেনে নিয়ে আসি জোর করে!
আমি এখন সাহাদুজ্জামান পড়ছি। খুব ধীরে ধীরে, আয়েশ করে। সে অনেক আগে থেকেই প্রিয় লেখক। শহীদুল জহিরের বই এই প্রথম কিনলাম। এর আগে পড়া হয়নাই।
আপনার মুখে ফুলচন্দন পড়ুক! কিন্তু ওরকম হবার কোন সম্ভাবনা নাই। আমি কলমটাকে ধরে রাখার চেষ্টা করছি জোর করে, কিন্তু এ বস্তু মনে হয় আমার হাতে থাকার নয়। আমার কাজ হলো ফিচকেমি করে বেড়ুনো ![]()
ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন:
শাহাদুজ্জামানকে আমি খুব সিরিয়াস বিষয় নিয়ে লেখা মানুষ ভেবেছিলাম। কিন্তু "ক্যালাইডোস্কোপ" গল্পটা পড়ে বুঝতে পেরেছি আমরা সবাই-ই মনের ভেতরে একটা 'ফিচকে'কে লালন করি। মাঝে মাঝে সেটারও প্রকাশ ঘটা দরকার।আপনি বিনয় মজুমদার হইলে আমি তাহাকে চিনিবো না কেনো?
লেখক বলেছেন: হাহাহা! ক্যালাইডোস্কোপের ফিনিশিংটা! "কয়েকটি বিহবল গল্প" গত বইমেলায় কিনেছিলাম। এইবার কিনলাম "পশ্চিমা মেঘে সোনার সিংহ"। এটার শেষ গল্পটা পড়া বাকি। আজকে রাতে ঘুমানোর আগে পড়ব।
লেখক বলেছেন: ধইন্যা ভচ!
লেখক বলেছেন: থ্যাংকস মেইট! ![]()
পারভেজ বলেছেন:
উপভোগ্য
লেখক বলেছেন: পাঠের জন্যে ধন্যবাদ পারভেজ ভাই।
হিমালয়৭৭৭ বলেছেন:
আপনার পোস্টে কমেন্ট করার এই এক সমস্যা- স্ক্রল করতে করতে চোখ-আঙ্গুল দুটোই ক্লান্ত হয় যায়।।।স্টাইলের প্রতি আমার একটা চিরকালীন ফ্যাসিনেশন আছে। আপনার লেখা পড়লে বোঝা যায় স্টাইল নিয়ে আপনিও বেশ ভাবেন।।। তবে আরও একটা ব্যাপার আপনি ভাবেন বলে মনে হয়, যেটাকে আমি লেখার ক্ষেত্রে নেগেটিভ এপ্রোচ বলব। সেটা হল, ব্লগের কথা মাথায় রেখে গল্পকে বড় হতে দেননা, অনেকটা ৫ জনের রুমে ১১জনকে বসানোর মত অবস্থা। এতে করে লেখার বিকাশটা বাধাগ্রস্ত হয়। গল্প যারা পড়ার তারা এমনিতেই পড়বে, দৈর্ঘ্য কোন ব্যাপারই নয়। দৈর্ঘ্য ব্যাটাকে গুরুত্ব দিতে গিয়ে সৌন্দর্য বেচারির প্রতি অবহেলা হচ্ছে কিনা, এই বিষয়টা বিবেচনায় রাখা উচিৎ।।।
মন্তব্য করতে এসে অফটপিক কথা বার্তাই বেশি হয়ে গেল বোধহয়, ইচ্ছা ছিল এই গল্প নিয়েই কথা হবে, কিন্তু ৫জনের সিটে ১১জনকে বসতে দেখে অতিরিক্ত ৬জনের ব্যাপারে অভিযোগ জানানোটা পাঠকাধিকারের মত লাগল।।।
লেখক বলেছেন: আপনি ঠিকই বলেছেন। আমার কাছে আসলে কি বলা হল ,এর চেয়ে কিভাবে বলা হল এটাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ। আর দৈর্ঘ্যের ব্যাপারে একদম সত্যি কথা বলেছেন। তবে এখন আমি চেষ্টা করছি সেটা কাটিয়ে উঠতে। সময় নিয়ে লিখতে। আমার এবারের অপরবাস্তবে ছাপা হওয়া গল্পটি এবং সেই সময়ে লেখা আরেকটি গল্পের ক্ষেত্রে তাই করেছিলাম। এখনকার গল্পগুলো দেখবেন আকারে ওগুলোর চেয়ে বড়। চেষ্টা থাকবে ব্লগলেখক থেকে সত্যিকারের লেখক হবার!!
আস্তে আস্তে গুছিয়ে ফেলো দোস্তো ।
নতুন নতুন গল্প দিয়ে ।
------
দ্বৈতসত্ত্বা সবসময়ই ইন্টারেষ্টিং
--
কোন এক বিপন্ন বিস্ময়, অন্তর্গত রক্তের ভিতর খেলা করে
আমাদের ক্লান্ত করে
ক্লান্ত করে ।
লেখক বলেছেন: কতদিন পরে আমার ব্লগে তোর কমেন্ট পেলাম! অনেক ভাল্লাগলো দোস্ত! আর বই? সেজন্য আরো অনেক অনেক লিখতে এবং পড়তে হবে। মনে হয়না আমাকে দিয়ে সম্ভব ![]()
মনে হয় গ্রামের বাড়ীতে দাদীর কাঠের আলমারীটা খুলে দাড়িয়ে বুকের মধ্যে শ্বাস টেনে নিচ্ছি।
খুব সুন্দর।
লেখক বলেছেন: কিছু ফেলতে পারিনা..মৌসুমী ভৌমিকের একটা গান ছিলো। আমার খুব প্রিয়। তবুও কত কিছুই আমাদের ফেলে চলে যায়..
লেখক বলেছেন: আপনার পরেও কেউ পড়ে কমেন্ট করবে হয়তো। পাঠের জন্যে ধন্যবাদ।
নৈশচারী বলেছেন:
আমার আছে জীবন্ত হাড়গোড় আর মাংস। আমি বেঁচে থাকি। আমি সুস্থ্য হয়ে উঠি..কিন্তু আমার ভেতরের আমি মরে যায়......চিরকালের জন্য....
খুব সুন্দর!! একইরকম প্যারানয়ডিজম বোধহয় কাজ করে আমাদের সবার ভেতরেই....
লেখক বলেছেন: কারো মধ্যে বেশি..কারো মধ্যে কম..যারা বেশি ভুগছে তারা বড়ই দুর্ভাগা..
ধন্যবাদ পড়ার জন্যে।
লেখক বলেছেন: জীবনের জন্যে শিল্প নাকি শিল্পের জন্যে জীবন? শুধু যদি ডুবে থাকতে পারতাম সৃজনে....দুঃখের বিষয় আমি সেরকম হতে পারিনি। হতে পারলে ভালো হত। মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় খুব কম বয়সে মারা গিয়েছিলেন। তার জীবনে সচ্ছলতা ছিলোনা, কিন্তু তার এ নিয়ে কোন আক্ষেপও ছিলোনা। সারাজীবন শুধু লিখেই গেলেন।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ! বই বের করতে এখনও অনেক দেরী। সে পরিমাণ লেখাই তো নাই আমার ![]()
লেখক বলেছেন: জ্বী। আমরা অত্যন্ত সুস্থ্য এবং বলিষ্ঠ। আমরা অনেক কিছুকেই গলাটিপে মেরে ফেলতে পারি খুব সহজেই।
ত্রিভুজ ভায়ের লেখা পড়া শুরু করলাম।
হঠাৎ দেখি তার সব পোষ্ট গায়েব।
আজ এরশাদ বাদশা ভায়ের নিজের প্রিয় কয়েকটা লেখার লিংক দেখে গিয়ে দেখি সব ভ্যানিস।
অনেক দিন থেকেই ভাবি আপনার পোষ্টগুলোও পড়ব
কিন্তু ভয়ে আছি, কখন হইত আপনিও তাদের মতন করবেন।
সত্যিকারেই মডারেটরের উপর আমি ত্যাক্ত বিরক্ত।
লেখক বলেছেন: আমার ওরকম করার কোন সম্ভাবনা নাই। আমার লেখা পড়তে চাইছেন দেখে ভালো লাগলো। ভালো থাকুন।
সমুদ্র কন্যা বলেছেন:
আমি এই গল্পটা আগেও পড়েছিলাম। কিন্তু তখন কমেন্ট করার সাহসই পাইনি। গল্প পড়ে মনে হয়েছিল না জানি এটা কি! আপনার গল্পগুলো পড়লে একটা কথাই মনে হয়। যদিও এটা পড়ে সেই কথাটা অতটা প্রবলভাবে মনে হচ্ছে না। কারণ আমারও এমন হয়, আমিও এমন! অন্তত: এই একবার আমার তাই মনে হল।
এরজন্য গল্পটা বিশেষভাবে ভাল লেগেছে।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সমুদ্র কন্যা। ভালো থাকুন।
লেখক বলেছেন:
(সাংকেতিক কথাবার্তা) খিক!!
আহাদিল বলেছেন:
চমৎকার!!আপনার লেখা এত ভালো আর সেখানে এত কমেন্ট, পড়ার পর তুচ্ছাতিতুচ্ছ আমার মন্তব্য করার আর কিছু থাকে না, করলেও তো তা সমুদ্রের মাঝে কয়েক ফোঁটা জল ফেলার মতো!
লেখক বলেছেন: এত এত কমেন্ট তার মধ্যে বেশিরভাগই তো আড্ডা। আপনার ভালোলাগার অনুভূতি জানালেন, এটা আমার কাছে বিশেষ'ই হয়ে থাকবে। অনেক ধন্যবাদ!
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...

























.jpg)
.jpg)












ভাল লাগলো। ভাল থাকুন........