আমার প্রিয় পোস্ট

গণতন্ত্র হল এমন এক অস্তিত্বহীন মদ, যাতে সবাই মাতাল, কিন্তু কেউ কখনো পান করে নি।

ডিজিটাল ফটোগ্রাফির প্রাথমিক শিক্ষা (২য় ও শেষ পর্ব)

২৮ শে মে, ২০০৯ সকাল ৮:৫২

শেয়ারঃ
0 3 0

ডিজিটাল ফটোগ্রাফির প্রাথমিক শিক্ষা (১ম পর্ব)


জুম:
খুব সম্ভব আপনার পয়েন্ট এন্ড শুট ক্যামেরায় একটি অটোফোকাস জুম লেন্স আছে। আপনি আবিষ্কার করবেন যে আপনার বিষয়বস্তুতে জুম করার ক্ষমতা অসাধারন। সাহসী হোন। জুম লেন্সটিকে ব্যবাহার করুন সাবজেক্টটিকে পুরো ফ্রেমে জুড়ে দিতে। আমি খুব চমৎকৃত হব যদি, প্রাথমিক পর্যায়ে, আপনি এমন ছবি অনেক তুলে না ফেলেন ফ্রেমের ভেতর যার আকার খুব ছোট। যখন আপনি ভিউ ফাইন্ডারের ভেতর দিয়ে তাকাবেন, পুরো ফ্রেম ও ছবিতে সাবজেক্টটির আকার কত বড় তা লক্ষ করুন।

দৃষ্টির অবস্থান পরিবর্তন:
ছবি তোলার সময় আরেকটি বিষয় আপনি বিবেচনা করবেন তা হল আপনার দৃষ্টি অবস্থান। একটি ছবি আরও মজাদার হতে পারে যদি তা কোন ব্যতিক্রম কোন হতে তোলা হয়। শুয়ে পড়তে ভয় পাবেন না ও বিষয়বস্তুর দিকে লক্ষ করুন, যখন পোষা প্রাণী বা শিশুদের ছবি তুলবেন অপনাকে সাবজেক্টকে আতংকিত না করে কাছে এগিয়ে যেতে হবে। একই ভাবে আপনি একটি উচু অবস্থানে উঠার চেষ্টা করতে পারেন ও নিচের বিষয়বস্তুর দিকে তাকাবেন, দুই ভাবেই চেষ্টা করুন এবং যেটি আপনার খারাপ লাগে মুছে ফেলতে পারেন।

ডিজিটাল ছবি প্রেরণ:
আজকাল বিভিন্ন উপায়ে ছবি ক্যামেরা হতে কম্পিউটারে পাঠানো যায়। এটি সাধারনত বিভিন্ন ধরনের ক্যাবল বা তারের সাহায্যে, ও যদিও কিছু ক্যামেরায় ইনফ্রারেড আছে এবং আছে অন্যান্য তার বিহীন প্রযুক্তি। অবশ্য সরাসরি সংযোগ কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভে সংরক্ষণের জন্য ভাল পদ্ধতি নয়। অনেকেই বেশি বিশ্বাসযোগ্য করার জন্য কার্ড রিডার খোজে।

ডিজিটাল ডার্করুমে কাজ:
অনেক ফটোগ্রাফার বিভিন্ন ধরনের ছবি সম্পাদক সফটওয়ার যেমন এডোব ফটোশপ ব্যবহার করতে করতে ক্লান্ত হয়েছেন এবং দেখেছেন পুরো প্রক্রিয়াটি জটিল, ভীতিকর ও বিরক্তিকর হিসেবে। এর একটি বড় কারন হল যে অনেক নির্দেশক বই ও ক্লাশে ফটোগ্রাফারদের একটি ভুল ধারনা দেয়া হয়: এটি সফটওয়ার বিষয়ক, ফটোগ্রাফী নয়।
ছবি বিধি: এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি মনে রাখতে হবে। যখন সফটওয়ার দ্বায়িত্বে নিয়োজিত হয় তখন মনোযোগ ছবির উপর থাকে না, থাকে প্রোগ্রামটির সব কর্মপ্রক্রিয়া শেখার ও মনে রাখার উপর। লেয়ার ও সিলেকশনের মত বিষয়গুলো ফটোগ্রাফাররা কেন জানবে তাদের এধারনা না থাকলেও দীর্ঘদিন যাবত তাদেরকে ক্লাশে বলা হয়েছে। এটি স্বাভাবিক কারন ইন্সট্রাক্টরগন ভাবতেন এগুলোই ফটোশপের মূল বিষয়।
একজন ফটোগ্রাফার হিসেবে আপনি আপনার ছবি কে ও তা দিয়ে কি করতে চান তা জানেন। প্রোগ্রামের সাহায্যে যা করতে পাববেন অবশ্যই আপনি তার সব নাও জানতে পারেন, কিন্তু আপনি কেন ছবিটি তুলেছিলেন তার চেয়েতো তা গুরুত্বপূর্ণ নয়। শুধু আপনিই তা জানেন এবং আপনার ফটোগ্রাফ্রিক উদ্দেশ্য আপনাকে পথ দেখাবে, এমনকি ফটোশপেও, নিশ্চিৎ ভাবেই, এটি দক্ষতা নির্ভর অভিযাত্রা, প্রযুক্তি দ্বারা আচ্ছন্ন নয়।
ভয়ভীতিহীন পরীক্ষা-নীরিক্ষা হল ডিজিটাল ডার্করুমে কাজ করার আরেকটি মূল ধারণা। প্রায়ই ফটোগ্রাফারগন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার খেসারত দিয়ে থাকেন, অনেকেই সাবধান হয়েছেন এবং ডিজিটাল ডার্করুমেও সেই সাবধানতা অবলম্বন করেছেন। শুধু মনে রখাবেন যে কম্পিউটারে আপনি এমন কাজ খুব কমই করতে পারবেন যার পর পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে নিতে পারেন। এগিয়ে যান ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে ভয় পাবেন না।

* ছবিটি ফ্লিকার হতে নেয়া।
মূল ইংরেজী নিবন্ধটি রব শেফার্ড ও বব মার্টিনের Photography Field Guide: Digital Media and Ultimate Field Guide to Photography (August 2007) বই হতে নেয়া যা ন্যাশনাল জিওগ্রাফিতে প্রকাশিত হয়েছিল।

 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): ডিজিটাল ফটোগ্রফিক্যামেরাছবি ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ফটোগ্রাফি  বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:১২ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ২৮ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:০৪
মন মানে না বলেছেন: পরের পর্বগুলোর জন্য অপেক্ষায় থাকবো । ++

যদি একটু আসতেন অধমের দরজায়
Click This Link
২৮ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:৫৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। পরের আর্টিকেলটি শিঘ্রই ধরার আশা রাখি।

আপনার রিভিউ লেখার হাত ভাল।

২. ২৮ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:০৮
মুহিব বলেছেন: আমি খুব ভাল ছবি তুলি। ছবি তোলার পর আত্নতৃপ্তিতে থাকি। যখন অন্যের তোলা ছবি দেখি তখন বুঝতে পারি কতটা কাউডাং ছবি তুলেছি। এই দু:খে সাইবার শটে ছবি তোলাই বন্ধ করে দিয়েছি। ভাল ছবি তুলতে না পারলে না তোলাই ভাল। তবুও আপনার পোস্টটি সেভ করে রাখলাম শেখার জন্য।
২৮ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:২২

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। ভাল ছবি তোলার আগে প্রথম কাজ হল ভাল ছবি দেখা। বিভিন্ন ফটোগ্রাফিক ম্যাগাজিন, অনলাইন এ্যালবাম, ও অন্যান্য যায়গায় যেখানে অভিজ্ঞ ফটোগ্রাফারদের ছবি পাবেন শুধু দেখবেন আর ভাববেন, ছবিটির বিশেষত্ব কি, কি জন্য ছবিটিকে সুন্দর লাগাছে, অন্যরকম লাগছে?
ছবি দেখতে থাকুন আর তুলতে থাকুন।
আপনি প্রথম পর্ব দেখুন, তাহলে আপনার বুঝতে সুবিধা হবে।

৩১ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ। উৎসাহিত বোধ করছি।

৪. ২৮ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:১০
শেরজা তপন বলেছেন: সখের ফটোগ্রাফিতে কাজে লাগবে। ধন্যবাদ আপনাকে
৩১ শে মে, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৭

লেখক বলেছেন: কাজে লাগাটা আনন্দের। আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।

৫. ১০ ই জুন, ২০০৯ রাত ১:১৪
'লেনিন' বলেছেন: ফুলের ছবিটায় অনেক দূরের অতীত মনে পড়লো.. শৈশবে গ্রামের বাড়িতে লাগানো ফুলগাছের কথা।

আপনার মনে আছে নিশ্চয় যেখানে দাঁড়িয়ে আমি গাছগুলোর কথা বলছিলাম :)

পোষ্টে অবধারিত প্লাস তবে ... সামুয়িক বাগ দেখাচ্ছে আমি একবার দিয়ে ফেলেছি..
১০ ই জুন, ২০০৯ সকাল ১১:১৫

লেখক বলেছেন: হ্যা মনে আছে। ছোটবেলায় বাগান করতেন বুঝি? আমিও করতাম। আপনাদের বাড়ীটাকে আবার নতুন করে সাজান না।

কি আর করা কপাল খারপ।

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:০০

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রক্ত রঙ ভাই।।

২০ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১২:০২

লেখক বলেছেন: তাই? জেনে ভাল লাগল। আপনাকে ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ০.৮৮২২ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
আয়নার মতো মানুষ

আপনি একজন নিরাপদ ব্লগার

: কন কি! আমার চারদিকে কত বিপদ!
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ