শুধু নিচের কপি পেস্ট ই পরেন, তাহলেই বুঝবেন আমাগ দেশের আসলেই
কোন আশা ভরশা নেই........।
আফসুস বরই আফসুস...........................।
চট্টগ্রাম মহানগরীর চারটি আসনে বিএনপির প্রার্থী মনোনয়নে বড় ধরনের চমক আসছে। এ নিয়ে বৃহস্পতিবার দিনভর ঘটেছে নাটকীয় সব ঘটনা। নগরীর দুটি আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পাওয়া দুই নেতা ভারপ্রাপ্ত সিটি মেয়র এম মনজুর আলম মঞ্জু এবং শিল্পপতি শামসুল আলম বৃহস্পতিবার বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করেছেন। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন না পেয়ে এই দু’জন এবার বিএনপির মনোনয়ন চান। মনজুর আলম চট্টগ্রাম-৯ (পাহাড়তলী-ডবলমুরিং) আসনে এবং শামসুল আলম চট্টগ্রাম-১০ (কোতোয়ালি-বাকলিয়া) আসনে বিএনপির প্রার্থী হওয়ার ব্যাপারে আগ্রহের কথা খালেদা জিয়াকে জানিয়েছেন। দু’জনই বৃহস্পতিবার ঢাকায় গিয়ে বিএনপির মনোনয়ন বোর্ডে সাক্ষাৎকারে অংশ নেন। এছাড়াও নগরীর দুটি আসনে হেভিওয়েট দুই প্রার্থী সাবেক দুই মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমান এবং আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর আসনও ওলট-পালট হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। বিশেষ করে তারা নিজেরাই এবার আসন পরিবর্তনে আগ্রহী বলে উভয়ের ঘনিষ্ঠজনরা নিশ্চিত করেছেন। চট্টগ্রাম-৯ আসনে ভারপ্রাপ্ত মেয়র মনজুর আলমকে বিএনপির প্রার্থী করার ব্যাপারে সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনে ইলিয়াস ব্রাদার্সের এমডি শামসুল আলমকে প্রার্থী করার ব্যাপারে সাবেক পশুসম্পদ মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমানের নেপথ্য সমর্থন রয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে। মনজুরের জন্য পাহাড়তলী আসন ছেড়ে আমীর খসরু এবার নবসৃষ্ট চট্টগ্রাম-১০ (বন্দর-পতেঙ্গা) আসনে প্রার্থী হতে চান। অন্যদিকে কোতোয়ালি আসনে শামসুল আলমকে প্রার্থী করা হলে আবদুল্লাহ আল নোমান চট্টগ্রাম-৯ (পাহাড়তলী-ডবলমুরিং) আসনে প্রার্থী হতে আগ্রহী। নগরীর অপর আসন চট্টগ্রাম-৭ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসনেও সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী এম মোরশেদ খানের অনুপস্থিতিতে প্রার্থী হিসেবে নতুন মুখ খুঁজছে বিএনপি। দলীয় বিভিন্ন সূত্র জানায়, ভারপ্রাপ্ত সিটি মেয়র মনজুর আলমকে বিএনপিতে আনার ব্যাপারে মূল উদ্যোগ নেন সাবেক মন্ত্রী আমীর খসরু। মনজুর সমর্থনে পাহাড়তলী, খুলশী, কাট্টলীর বিপুল সংখ্যক বিএনপি নেতাও ঢাকায় যান। মঞ্জু ঢাকায় গিয়ে উঠেছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর মালিকানাধীন হোটেল সারিনায়। পাহাড়তলী আসন থেকে মনজুর আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চাইলেও তৃণমূলের প্রার্থী তালিকায় কৌশলে তার নাম অন্তর্ভুক্তই করা হয়নি। এ নিয়ে ক্ষোভ আর অভিমান থেকে তিনি বিএনপিতে যোগ দিচ্ছেন বলে রব ওঠে। বিএনপি নেতারা জানান, প্রথমদিকে পাহাড়তলী আসনে মনজুরের মনোনয়ন অনেকটা নিশ্চিত বলেই ধরে নেয়া হচ্ছিল। এমনকি নিশ্চিত মনোনয়ন পাবেন ধরে নিয়েই ভারপ্রাপ্ত মেয়র মনজুর বিএনপির মনোনয়নপত্র নিতে ঢাকায় গিয়েছিলেন। তবে দলের ভেতরে তখন চলছিল আরেক খেলা এবং সে খেলাতেই পাল্টে যায় পরিস্থিতি। এবার মাঠে নামে এমইবি গ্র“পের এমডি বিশিষ্ট শিল্পপতি শামসুল আলম। আবদুল্লাহ আল নোমানের নেপথ্য সমর্থন নিয়ে তিনি বৃহস্পতিবার ঢাকায় গিয়ে খালেদা জিয়াকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান এবং চট্টগ্রাম-৮ আসনে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহের কথা ব্যক্ত করেন। মাস দুয়েক আগে শামসুল আলমকে মাঠে নামিয়েছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা মেয়র মহিউদ্দিন চৌধুরী। কোতোয়ালি আসনে তৃণমূলের পছন্দের প্রার্থীকে বাদ দিয়ে যেকোন মূল্যে ধনাঢ্য শামসুল আলমকে প্রার্থী করতে মেয়র রীতিমতো উঠেপড়ে লাগেন। এদিকে মেয়র মহিউদ্দিন এবং বিএনপির নোমান দু’জন দু’দলের নেতা হলেও তাদের মধ্যকার দহরম মহরমের কথা সর্বজনবিদিত। নানা সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পাইয়ে দিতে ব্যর্থ হওয়ায় মেয়র মহিউদ্দিনের পরামর্শেই শামসুল এবার ভিড়েছেন নোমানের সঙ্গে। আর এই পর্বে মেয়র মহিউদ্দিনের ভূমিকায় নেমেছেন নোমান। নোমানের ঘনিষ্ঠ এক অনুসারী জানান, বিএনপির ঘাঁটি এবং ভোট ব্যাংক হিসেবে পরিচিত ষোলশহর, মাদারবাড়িসহ বেশ কয়েকটি ওয়ার্ড আসন পুনর্বিন্যাসের ফলে কোতোয়ালি আসন থেকে কাটা পড়ে অন্য আসনে সংযুক্ত হয়েছে। মূলত সে কারণে এবং চট্টগ্রাম-৯ আসনে যোগ্য প্রার্থী সংকটের কারণেই নোমান সেখানে প্রার্থী হতে চাচ্ছেন। একদিকে যখন ঘটছে এসব ঘটনা তখন নগরীর দুটি আসনে বিএনপির মনোনয়ন পেতে মাঠে নেমেছেন আরও দুই হেভিওয়েট প্রার্থী। খালেদা জিয়ার সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা সালাহউদ্দিন কাদের চৌধুরী চট্টগ্রাম-৯ এবং সদ্য কারামুক্ত সাবেক মেয়র ও সাবেক বিমান পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন চট্টগ্রাম-১০ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। দু’জনই বৃহস্পতিবার বিএনপির মনোনয়ন বোর্ডে সাক্ষাৎকারে অংশ নেন। মনোনয়ন নিশ্চিত করতে তারাও কেন্দে ব্যাপক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছেন।
কপি পেস্ট করার জন্য ভিষন ভাবে দুঃখিত ...।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


