একটা মেইল আসলো, কথা গুলো পড়ে মনে হলো মানুষের মাঝে আন্তরিকতা কত কমে গেছে। মানুষের ভাবনা গুলো কত পরিবর্তীত।
আজ সবাই এক একটা রোবট! যান্ত্রিক সব কিছু।
একদিন রাস্তা দিয়ে হাটছি, হঠ্যাত একজন ডেকে বলল তুমি প্লাবন না?
আমি একটু অবাক হয়ে তার দিকে তাকিয়ে থাকলাম। ভদ্র লোকের চেহারা টা চেনা চেনা লাগছে কিন্তু কেনো যেনো চিনতে পারছি না।
লোকটা বলতে লাগল-রাস্তা মাঝ খান দিয়ে হাটছো কেনো? বাসার সবাই কেমন আছে? বাসায় আসো না কেনো? অনেক দিন পর!
ভদ্র লোকের একটা কথার ও কোন জবাব দিতে পারলাম না। নিজের চারপাশে তাকিয়ে দেখলাম আসলেই আমি হাটতে হাটতে রাস্তার মাঝখান দিয়ে হাটছি!
বাসায় ফিরলাম রুমে ঢুকতেই কারেন্ট চলে গেলো সাথে সাথে। প্রতিদিন কারেন্ট চলে গেলে আমার রুমে চার্জ লাইট জ্বালাই কিন্তু আজ ইচ্ছে করলো একটু মোমবাতি জ্বালাই। কত দিন যে মোমবাতি জ্বালাইনি মনে নেই। মোমবাতি জ্বালানোর পর কেনো যেনো মনে হয় ডায়েরী লিখি না অনেক দিন। মোমবাতির আলোতে এক সময় ডায়েরী লিখতাম। তখন নিজের ভিতর অন্য রকম অনুভূতি কাজ করতো।
ডায়েরী নিয়ে বসলাম কিছু লিখবো বলে। কিন্তু খুলে দেখি ওখানে আমার জীবনের সবচেয়ে গভীর অনুভূতি লুকিয়ে আছে। পরে আছে গোলাপের পাপড়ি গুলো। ঠিক যে ভাবে রেখেছিলাম!
নিজের লেখা গুলো পড়ে নিজেই বার বার অবাক হয়ে যাচ্ছি। মনে হচ্ছিল লিখা গুলো হয় তো আমার নয়। একবার মনে হচ্ছিল ভালোবাসা হয় তো ছিল আমার মাঝে কিন্তু বাস্তবতা!
কিছু পুরোনো কবিতা পড়ে অবাক হয়ে যাই, একটু পর কেনো যেনো হাসি পেলো! আর চোখের সামনে ভেসে আসল কিছু মুখ আর শেষে রাস্তায় দেখা হওয়া ঐ ভদ্র লোকটিকে! ভদ্র লোকটি যে অর্ণার বাবা ছিল?
সত্যি আমি রোবট হয়ে গেছি। আমার ভাবনা গুলো অনেক পরিবর্তীত সেই মেইল টা পাওয়ার মতো!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



