somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

Quest of Truth: The Active Elements in the Liberation War of Bangladesh Part-1.

০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমাদের মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয় সবগুলো ইলিমেন্ট আইডেন্টিফিকশনের মাধ্যমেই জানা যাবে মহান এই ত্যাগের প্রকৃত ইতিহাস। চলুন দেখে নেই কে কে এবং কারা কারা ছিল এই মাত্র কয়েক বছর আগের একটা ইতিহাসে।

১. আওয়ামী লীগ কর্মীদের মধ্য থেকে বাছাই করা কর্মীদের নিয়ে একটি বিশেষ রাজনৈতিক সশস্ত্র বাহিনী গঠন করা হবে। এ বাহিনীর সদস্য সংখ্যা হবে এক লক্ষ। বিশেষ ট্রেনিং ক্যাম্পে ওদের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে ভারতীয় সেনা বাহিনীর প্রত্যক্ষ সহযোগিতায়। এ বাহিনীর রিক্রুটমেন্ট, ডিপ্লয়মেন্ট ট্রেনিং সব কিছুই থাকবে মুক্তি বাহিনীর কমান্ডের আওতার বাইরে। এ বাহিনী সরাসরিভাবে নিয়ন্ত্রিত হবে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দ্বারা। এদের সশস্ত্র করা এবং পরিচালনা করার দায়িত্ব নেবে ভারত সরকার। ভারত সরকারের তরফ থেকে এ বাহিনী গঠনের মূল দায়িত্বে থাকবেন জেনারেল ওবান সিং। এদের মূল কাজ হবে স্বাধীনতা উত্তর বাংলাদেশে আওয়ামী লীগের ক্ষমতাকে টিকিয়ে রাখা। প্রশিক্ষণের পর এদের দলে দলে পাঠানো হবে বাংলাদেশের ভেতরে মুক্তিযুদ্ধের শেষ অধ্যায়ে। ভেতরে গিয়ে নিজেদের অবস্থানকে সুসংহত করে তারা প্রস্তুত হয়ে থাকবে আওয়ামী লীগ সরকারের প্রতি যে কোন চ্যালেঞ্জ এর মোকবিলা করার জন্য। এ বাহিনীর নাম রাখা হবে বিএলএফ (বাংলাদেশ লিবারেশন ফোর্স)। যুদ্ধকালে এবং স্বাধীনতার পরে পর্যায়ক্রমে ঐ বাহিনীর নাম রাখা হয় মুজিব বাহিনী এবং রক্ষীবাহিনী।

২. চীন, আমেরিকা, রাশিয়া আর মুসলিম রাষ্ট্র সমূহ।

৩. মুক্তিযুদ্ধে দেয়া অনেকগুলো লোকের খেতাব আমাদের প্রত্যাহার করা উচিত। সাধারন মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে জাতীয় বেঈমানীর প্র্রায়শচিত্ত করা হউক। রাজাকারের বড় অংশ তৎকালীন বাঙ্গালী দেশ প্রেমীক(পাকিস্তানী) সেনা অফিসারগন।

মুক্তিযুদ্ধে দেয়া অনেকগুলো লোকের খেতাব আমাদের প্রত্যাহার করা উচিত। এই লোকগুলোকে জাতীয় বীরের খেতাব দিয়ে আমরা সাধারন মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছি।

যেমন বীর উত্তম মেজর ডালিম। মেজর ডালিম তৎকালীন বাঙ্গালী পাকিস্তানী পরীক্ষিত দেশ প্রেমীক সেনা অফিসার স্বাভাবিক ভাবেই এসকল অফিসারের শেষ বিন্দু রক্ত দিয়ে পাকিস্তানের অক্ষন্ডতা রক্ষার শপথ ছিল।

নতুন প্রজন্মের দাবী এসমস্ত আদর্শিক রাজাকারদের দেয়া খেতাব প্রত্যাহার করে সাধারন মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে জাতীয় বেঈমানীর প্র্রায়শচিত্ত করা হউক।


একটা প্রশ্ন এবং উত্তর বিষয়টাকে বুঝতে সাহায্য করবে।

প্রশ্নঃ ১৯৭৫ এর পূর্বের এই সেনা পরিষদ টা কি এবং এরা কারা ?

উত্তরঃ সেনা পরিষদ হচ্ছে তৎকালীন পাকিস্তানের পরীক্ষিত দেশ প্রামিক পাকিস্তানী বাঙালী সেনা অফিসারদের নিয়ে গঠিত একটি গোপন সংগঠন। এর জন্ম ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধেরও আগে। সংগঠনটি আইএসআই এর ব্রেইন চাইল্ড। গঠনের ভিত্তি ও উদ্দেশ্য দ্বি-জাতি তত্ত্ব ও এর রক্ষা কবজ হিসাবে থ্রাড লাইন রিমেডি। উল্লেক্ষ্য প্রথম লাইনে ছিল পাকিস্তান সেনাবাহিনী, দ্বিতীয় লাইনে জামাত মুসলিমলীগ সহ স্বাধীনতা বিরোধী শক্তি, তৃতীয় টি সেনা পরিষদ। আবার বলছি এরা পরীক্ষিত দেশ প্রেমীক পাকিস্তানী বাঙালী কিছু বাঙালী সেনা অফিসার এর ইন্টেলেজেন্স এজেন্ট।

বাংলাদেশ মূলত এখনও স্বাধীনতা পায়নি কারন ১৫ আগষ্ট এই সেনা পরিষদ ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ এর পরাজয়কে পুনরোদ্ধার করে দ্বি জাতি তত্ত্বের জাতিয়তাবাদকে বাংলাদেশী জাতিয়তাবাদ নামে প্রতিষ্ঠিত করে এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সেকুলার রাষ্ট্রের ধারনাও মুছে দেয়। মুক্তি যুদ্ধের অন্যতম দুইটি ইলিমেন্টকে বাদ দিলে সেখানে কাদের পাওয়া যায় ভেবে দেখবেন। মুক্তিযুদ্ধ অবশ্যই এখনও শেষ হয় নি, দেশ এখনও স্বাধীন হয় নি, কেবল খন্ড কালীন একটা বিজয় সূচিত হয়েছিল মাত্র।

নতুন প্রজন্মের দাবী এসমস্ত আদর্শিক রাজাকারদের দেয়া খেতাব প্রত্যাহার করে সাধারন মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে জাতীয় বেঈমানীর প্র্রায়শচিত্ত করা হউক।


উল্লেক্ষ্যঃ স্বাধীনতার পর ৩০ হাজার বাঙ্গালী সেনা সদ্স্য রিপেট্রিইয়েট হয়ে ছিল পাকিস্তান থেকে। এদের মধ্যে অধিকাংশ সাধারন সোলজার ও অল্প সংক্ষ্যক অফিসারদের বাদ দিলে যাদের পাওয়া যাবে তারা দেশ প্রেমীক পাকিস্তানী সেনা সদস্য অক্ষন্ড পাকিস্তান ছিল এদের রক্তে।
সর্বশেষ এডিট : ০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:০১
৩টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×