আমাদের প্রশ্ন হলো এই হারামজাদ এখনও এসব বলার সাহস কোথায় পায়। এদেশের জনগন এই হারামজাদাকে আর এক দিনও জীবিত দেখতে চায়না। এর মত প্রমানীত যুদ্ধাপরাধীর আর কোন বিচারের প্রয়োজন নাই। এর নতুন রায়ের দরকার নাই। একে আগামীকালের মধ্যে কুত্তার মত প্রকাশ্য দিবালোকে জনগনের সামনে হত্যা করে প্রচলিত ঐ শয়তান লোকের গল্পের মত বাঁশ দিয়ে ঢাকার ফার্মগেটের ওভার ব্রজীর উপর পাবলিকের দেখার জন্য রাখা হউক। ইহাই রায়।
প্রথমআলোতে আজ নিউজটা ছিল এ রকমঃ
দেশকে ইসলামহীন করতে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের চেষ্টা: নিজামী
জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী বলেছেন, নয় মাসের আত্মত্যাগের মাধ্যমে অর্জিত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে এখন অশনি সংকেত চলছে। কিন্তু তাঁর দল স্বাধীনতা রক্ষায় অঙ্গীকারবদ্ধ। তিনি বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, দেশকে ইসলামহীন করার ষড়যন্ত্র চলছে। এরই অংশ হিসেবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের মতো একটি মীমাংসিত বিষয়কে সামনে আনা হচ্ছে।
আজ সোমবার রাজধানীর মগবাজারে আল-ফালাহ মিলনায়তনের জামায়াতের মজলিশে শুরার বৈঠকে নিজামী এ কথা বলেন। তিনি বলেন, শিক্ষানীতি থেকে ইসলামকে বাদ দেওয়ার অপচেষ্টা, পঞ্চম সংশোধনী বাতিল করে ’৭২-এর সংবিধানে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার—এসবই ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র।
জামায়াতের আগামী তিন বছরের (২০১০-১২) নতুন শুরা কমিটির প্রথম বৈঠক হয় গতকাল। মতিউর রহমান নিজামী এতে সভাপতিত্ব করেন। দিনব্যাপী এই বৈঠকে জামায়াতের ভবিষ্যত্ কর্মপন্থা নির্ধারণসহ দলের গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদ, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল কামারুজ্জামান, নায়েবে আমির আবুল কালাম মোহাম্মদ ইউসুফ, মকবুল আহমেদ, নাজির আহমেদ, আব্দুস সুবহান, দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীসহ সারা দেশ থেকে আসা মজলিশে শুরার সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনের উদ্বোধনী ভাষণে মাওলানা নিজামী বলেন, শোনা যাচ্ছে, প্রধানমন্ত্রী ভারতে গিয়ে দেশবিরোধী অনেক চুক্তি করবেন। কিন্তু বাংলাদেশের স্থপতির কন্যা শেখ হাসিনা যেন এসব ভুল না করেন। জাতি কোনো স্বার্থবিরোধী চুক্তি চায় না।
আমরা মতিউর রহমান নিজামীর মুখে মুতি। join this interesting group on fb: Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


