আমার প্রিয় পোস্ট

Check on fb or http://princessdhaka.com

জিয়া এবং বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষনা অনুসন্ধানে গেলে জিয়ার রুটস্‌ খুজে পাওয়া যায়।

০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৩৪

শেয়ারঃ
0 0 0

মুজিব স্বাধীনতার লেডু ঘোষনা দেয়নি এটা ঠিক তবে যারা বলে জিয়াই স্বাধীনতার ঘোষক তাদেরকে বলছি।

স্বাধীনতার ঘোষনা কি বৈদ্যুতিক লাইট যে ট-প-স কইরা একটা সুইস দিলাম আর লাইট জ্বলিতে থাকিল, জ্বলিতে জ্বলিতে কিছু ফাটিয়াও গেল। আমাদের দেশের কিছু জ্ঞানীগুনি প্রবীনের কথা শুনে ঠিক তাই মনে হয়, যেন ব্লেন্ডার মেশিনে টিপ দিলাম আর জুস বাইর হইতে থাকিল।

এই যুদ্ধটা যদি আজ অর্থাৎ ২০১০ এ লাগতো তাহলে আজই কয়েকশ ব্রাউজার ফেইসবুকে "আমরা স্বাধীনতার ঘোষনা দিলাম" নামে গ্রুপ খুইলা কয়েক হাজার দাওয়াত পত্র সেন্ড কইরা যুদ্ধের ঘোষনা দিয়া দিত। আর কয়দিন পর এক সকালে উঠিয়া সবাই আমি ঘোষক, আমি উপস্থাপক বলিয়া চিৎকার করিতে থাকিত (?)

একাত্তুরেও জিয়ার মত আরও অসংখ্য মানুষ, পুলিশ, বিডিয়ার, সেনা কর্মকর্তা তার পিঠের রেডিও দিয়ে, ওয়ারলেস সেটে, টকিতে, মাইকে, কোন ছাত্র বন্ধুদের ডেকে, হাটে বাজারে, মহল্লায় তাদের চারপাশে যুদ্ধের ডাক দিয়া মৃত্যু পথে ঝাপাইয়া পরিয়াছে। এদের সাথে জিয়ার পার্থক্য হচ্ছে তারা কেউ স্বাধীনতার ঘোষক দাবি করবে না, এটা তারা দায়িত্ব মনে করে ছিল। এটাকে ব্যাবহার করে রাজনিতি করার মত অসৎ উদ্দেশ্য তাদের নেই।

আমাদের দেশের বেশ কিছু মানুষ আছে বয়সে প্রবীন যার মিথ্যা বলতে বলতে চেহারায় কুকুরের চেহারার একটা ছাপ ফেলে দিয়েছে যেমন মঔদুদ, সাকা, জয়নাল, দেলোয়ার, হালের ইরানের মীর্জা আলমগির এবং এমাজ উদ্দিন প্রমুখ। এরা যখন নির্লজ্জের মত গলার রগ ফুলাইয়া চিৎকার করিয়া জিয়াকে স্বাধীনতার ঘোষক ঘোষক বলিয়া প্রতিষ্ঠিত করতে চায় তখন প্রতারনাই বিএনপির মৌলিক আদর্শ এটাই তারা প্রতিষ্ঠত করে।

প্রকৃত পক্ষে আনুষ্ঠানিক ভাব আমাদের স্বাধীনতার ঘোষনা হয়েছে ১৯৭১ সালে ১৭ এপ্রিল। বর্তমান মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার এক আমবাগানে। আর সেই ঘোষনা পত্র পাঠ করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেখানে একটা সংক্ষিপ্ত ধারাবাহীকতা যুদ্ধের সূত্রপাত ঘোষনা সব কিছু সম্পর্কে স্পষ্ট বলা হয়েছে। ইতিহাসে এভাবেই কাজটা হয়। আমেরিকার যুদ্ধ শুরু হয়েছিল ১৭৭৪ সালে আর ঘোষনা ৪ জুলাই, ১৭৭৬, এই সময়ে বিভিন্ন অঞ্চলে যুদ্ধ ছড়াতে থাকলেও কেউ পরবর্তীতে অভদ্রের মত লাফ দিয়ে বলে ওঠেনি এই দেখেন আমার এক্স হাসবেন্ডে হেড ডিইকলেয়ার্ড ইট। আবার তখনকার সেই ঘোষনা পত্র নিয়ে পাকিস্তান রাজাকার এবং পরবর্তীতে অক্টবর প্রজন্মের আইএসআই এজেন্টরা ছারা কারও আপত্তিও ছিল না।



এদেশের স্বাধীনতার ঘোষনা শুরু হয়েছিল সেই ১৯৫২ সালেই। পুরো পঞ্চাশ ও ষাটের দশকে আন্দোলনের পরে এলো স্বাধীনতার চুড়ান্ত মুহুর্ত। ১৯৬২, ১৯৬৬, ১৯৬৯, ১৯৭০ এবং ১৯৭১ এর মার্চ পর্যন্ত একের পর এক ধারাবাহিক আন্দোলন। তেশরা মার্চ, ছয়ই মার্চ, সাতই মার্চ, তেরই মার্চ, সতেরই মার্চ, বিশ, পঁচিশ এরপর ছাব্বিশে মার্চ ও সাতাশে মার্চ সন্ধ্যা। কোথায় সে জিয়া ? এক লক্ষ চুয়াল্লিশ হাজার বর্গ কিলোমিটারের বাংলাদেশে সেদিনের সেই কালুর ঘাটের বেতারের - কুমিল্লা পর্যন্তও না পৌছানোর ৫০ কিলোমাটার ক্ষমতা সম্পন্ন - বার্তা এদেশের লক্ষ লক্ষ মুক্তিযোদ্ধার যে কারও জন্য দায়িত্ব হিসাবে যেখানে যা আছে তাই নিয়ে যুদ্ধের ডাক দিয়ে ঝাপিয়ে পরার একটা সুন্দর উদাহরন হতে পারতো। অবশ্য জিয়া নিজেইও তার ঘোষনায় তার প্রকৃত ইনটেশন লুকাতে পারেনি।

যা হউক এবার চলুন জিয়ার ইতিহাসটি দেখি। ১৯৫২ সালে মেট্রিক পাশ করে পাকিস্তান সেনা বাহিনীতে যোগ দেন। স্বাভাবিক ভাবেই কালে ভাদ্রে দু একজন সত্যিকারে টেলেন্ট বাংলা জাতীয়তাবাদ সচেতন কোন রাজনৈতিক সংসর্গ থাকা ভালো ছেলে সেসময়কার পাকিস্তান সেনা অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হত না। নেয়া হতো অপেক্ষাকৃত পাকিস্তান পন্থি আর বাঙালীর চেয়ে ইসলামী জাতীয়তাবাদ সচেতন ছেলেদেরই। এ বিষয়টির প্রভাব পরবর্তীতে বাংলাদেশ সামরীক বাহিনীর ইতিহাসে প্রকট ভাবে দেখা যায়। জিয়া তাদের মধ্যে ছিলেন চৌকশতম একজন অফিসার। ১৯৬৫ সালের পাক ভারত যুদ্ধে মেজর জিয়ার কোম্পানী ছিল দ্বিতীয় সর্বাধিক বীরত্ব পদক পাওয়া দল।

বলেনতো ২৭ মার্চের আগের সপ্তাহ থেকে জিয়া কি কি করছিল ? গত এক সপ্তাহ মেজর জিয়া চিটাগং বন্দরে পশ্চিম পাকিস্তান থেকে আসা সোয়াত জাহাজ থেকে মাল খালাসের জন্য ডিটেইল্ড ছিল। সভাবতই সবচেয়ে বিশ্বস্ত বাঙালী কিন্তু পাকিস্তান মিলিটারী একাডেমিতে সাচ্চা পাকিস্তানী দেশ প্রেমীকের পরীক্ষায় সফল ভাবে উত্তির্ন চৌকশ অফিসারের এক জনই দরকার ছিল ওখানে। ১৯৬৩ সালে আইএসআই এ কাজ করা অফিসার মেজর জিয়াই ছিল বিশ্বস্ততম। কারন ঐ সোয়াত জাহাজের ভেতরে আছে এদেশের গরীব দূঃখি মানুষের টাকায় কেনা অস্র, এদেশের মানুষেরে মারার জন্য।


অস্রের ব্যাপারটা জানজানি হয়ে গেলে ডকের শ্রমিক শহরের মানুষ রাস্তায় বেরিকেড দিয়ে অসংখ্য বাধাও সৃষ্টি করে। সেদিনের চিটাগাং রাজপথের রক্তে কোনটা জিয়ার বুলেট কোনটা খানের বুলেট তার পার্থক্য আজ করা কঠিনই হবে। পচিশ তারিখ রাতে জিয়া অস্র নামাতে যখন ডকের দিকে যাচ্ছেন তখন পথে ঢাকার ক্রাক ডাউনের মেসেজ পান। চিটাগাংয়েও কয়েক দিন ধরে বাঙালী নিধন চলে আসছে। কোন কোন বাঙালী অফিসারকে নিরস্ররী করার খবরও শুনে একমাত্র চয়েস হিসাবে বিদ্রহ ঘোষনা করেন। কয়েকজন পাকিস্তানী অফিসার খতমও করেন।

এ সময় চিটাগাংয়ের বাঙালী সামরীক অফিসারেরা যে যেখানে যে দিকে পারে অনান্য বাহিনী, সৈনিক, সাধারন মানুষ নিয়ে দেশের অনান্য এলাকার বাঙালী সেনাদের মত প্রতিরোধ গড়ে তুলতে থাকে। ২৬ তারিখ সারাদিন যায়, রাত যায়, ২৭ তারিখ সারাদিন এর মধ্যে সারাদেশ ফ্রীজ হয়েছিল কেউ টু শব্দটিও করেনি, তাই না ? এরপর সন্ধ্যা সময় জিয়া কালুর ঘাটের রাস্তার সোজা বিশ কিলো দূরের বাজরের কাছে আশ্রয় থেকে অনেক স্থানে যোগাযোগ করে সিদ্ধান্তটা নিয়ে কালুর ঘাটের ৫০ কিলোমিটারের বেতার যন্ত্রে প্রথম ড্রাফটিতে খুবই সচেতন ভাবে ইনটেনশনাল্লী নিজেকে পূর্ব পাকিস্তানের রাষ্ট্রপ্রধান ও সর্বাধিনায়ক হিসাবে বিদ্রোহের ঘোষনা দেন। উল্লেখ্য তিনি বলেছিলেন ইস্টার্ন ফ্রন্ট অব পাকিস্তান যা পরবর্তীতে জিয়ার স্বরুপ প্রকাশ করবে।

জিয়া প্রকৃত পক্ষে আইএসআই এর থার্ড লাইন এজেন্ট ছিল। যুদ্ধাকালিন সময়েও অক্টবর প্রজন্মের সেনা অফিসারেরা যেমন ডালিম নূর প্রমুখ যার অক্ষন্ড পাকিস্তানের পরীক্ষিত দেশপ্রেমিক এবং যুদ্ধের শেষের দিকে আইএসআই এর এজেন্ট হিসাবে যুদ্ধক্ষেত্রে ইনফিলট্রেট হয়। এরা সবাই ছিল জিয়ার সার্কেল মেট। যুদ্ধের শেষের দিনগুলোতে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের ফলাফল অন্য রকম করতে পাকিস্তানী গোয়েন্দা সংস্থাটি নানা মুখি ষড়যন্ত্র চালায়। এই সব ষড়যন্ত্রে খন্দকার মোশতাক মওদুদ আহাম্মেদ সহ অনেক আওমীলীগ নেতা, অক্টবর প্রজন্মের মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডারদের মধ্যে জিয়া এবং তৎকালীন সময়ে পাকিস্তানে থাকা সেনা কর্মকর্তারা। যুদ্ধ পরবতর্ী কালেও দেখা যায় এরা এক সাথে ওঠা বসা শুরু করে। তখন এদের সাথে এসে সরাসরি যোগদেয় আইএসআই এর সেকেন্ডলাইন ইলিমেন্ট রাজাকারেরা। উল্লেখ্য বাংলার বিজয় যখন নিশ্চিত তখন জিয়ার মাধ্যমে এরা সেক্টর কমান্ডারদের রাজনৈতিক সমাধানে পক্ষে সমর্থন আদায়ের কাজ করে। খন্দকার মোশতাক সহ এই চক্রটিই সেদিন রাজনৈতিক সমাধানের প্রস্তাবে যুদ্ধ বিরতি করতে তৎপর হয়ে ছিল। মোশতাকের আইএসআই লিংকটি জানা জানি হওয়ায় তখন তাকে পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয় থেকে সরিয়ে দেয়া হয়।

চলবে।

 

সর্বশেষ এডিট : ২১ শে মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৫৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৫৩
কল্প কন্যা বলেছেন: আচ্ছা!বুঝতে পারলাম অনেক কিছু!আমি দল করি না ভাই!কিন্তু একটা জিনিস জানি মুজিব একটা সপ্ন দেখাইসে দেখাইয়া পলাইসে!পুরা যুদ্ধের সময় যারা স্বাধীনতার ঘোষনা দিসে তারা কেউ এ ছিল নাহ!আর একটা প্রস্ন!মুজিব এর সাথে ত পাকিস্তান এর বৈঠক হসছিল!আমাদের দেশ এ যে পাকি সৈন্য ঢুখতেসে এইটা সে বুঝে নাই?অত দিন ধরে বৈঠক হইল তার কি হুস ছিল না?মুজিব ভাল নেতা ছিল কিন্তু তার মন কত পরিস্কার ছিল আমার সন্দেহ হয়!আপনের ভাল পরাশুনা আছে লাগে বুঝাই কন দেখি ঘটনা কি?
০৭ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৪

লেখক বলেছেন: মুজিব এখানে আমার বিষয় না। জিয়ার ঘোষনাটা কি ছিল সেটাই বিবেচনা করছি। মুজিব জাহান্নামে গেলেও সমস্যা নাই।

২. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৫৫
"বৃষ্টির কান্না" বলেছেন: আমতলায় না কেতার তলায় -------আপনারা যেটা কইবেন জনগন মানতে বাধ্য............

জাতির জনকেও পোষায়না, মুক্তিযুদ্ধের মহান নায়ক বানাইয়াও পোষায়না এখন আবার বানাইছেন ভাষা আন্দোলনের নায়ক, এরকম হইতে হইতে একসময় কি বিশ্বযুদ্ধের নায়কই বানাইয়া ফেলেন কিনা!!!!!!!!আপনাদের সব সম্ভব!!!!!!!!!!!
০৭ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৯

লেখক বলেছেন: এটা শেখ হাসিনার মিথ্যাচার। আর শেখ হাসিনা জগতের নিৎকৃষ্ট মিথ্যা কথাটা বললেও জিয়া অন্য কিছু হওয়ার কোন সুযোগ নেই। ইতিহাসে যা ছিল তাই থাকবে।

০৭ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৯

লেখক বলেছেন: আমার নেতা কেন দুনিয়ার সবার নেতা মূর্খ হলেও কি জিয়া যে প্রথমবার ইংরেজীতে নিজেকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি এবং পূর্বাঞ্চলীয় (?) সর্বাধিনায়ক হিসেবে পরিচয় দিয়ে স্বাধীনতার ঘোষনা ৫০ কিলোমিটার ক্ষমতা সম্পন্ন বেতারে ট্রান্সমিট করেছিল তা ডিলিট করা যাবে।

৪. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:৫৮
কল্প কন্যা বলেছেন: শেষ টা পড়ি নাই আগে!হাসাইলেন!কিছু মানুস এর সমস্যা আছে!কিছু credit জিয়া র জন্নে ও ছাড়েন!প্রতিরোধ চিটাং থেকে এ শুরু হইসিল!জিয়া এ শুরু করছিল বলে জানি!
০৭ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৩৩

লেখক বলেছেন: চিটাগাংয়ে প্রতিরোধ হয়েছে আরও অনেক কিছু হয়েছে। কিন্তু এর মানে কিভাবে হয় বাঙালীর স্বাধীনতার ঘোষনা হয় ? কি ইনটেনশন ছিল সেদিনের সেই ঘোষনায় ?

৫. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:০৯
কঠিনলজিক বলেছেন: জিয়া বা মুজিব উভয়েই মৃত এবং সম্মানীত।
উভয়ের ভুল ভ্রান্তি ছিল আবার প্রশ্নাতীত সাফল্যও ছিল।
তাদের কে নিয়া লাফা লাফি বা অসম্মান দোনটাই ঘৃণা করি।
০৭ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪১

লেখক বলেছেন: বিষয়টা একটা অন্যতম রাজনৈতিক দলের মৌলিক আদর্শের একটি। সমাজের প্রথম বিশ্বাসটাই যদি প্রতারনা হয় তবে সে সমাজে অনৈতিকতাই প্রধান্য পায়। বিএনপি দিবালোকে এমন মিথ্যা ধারন করে সমাজের চরিত্রে স্থায়ি ও খারাপ পরিবর্তন ঘটাচ্ছে।

৬. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:১১
শেষ বিকেলের...ফয়সাল বলেছেন: জিয়া শুরু করছিল বঙ্গবন্ধুর পক্ষে
বঙ্গবন্ধুর পক্ষে কথাটা মুছে দিছে, পারলে Clear ঘোষনা শুনবেন
০৭ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৪৭

লেখক বলেছেন: জিয়া কয়বার কয়টা সময় কি কি বলেছিল তা নিয়ে কোন কনফিউশন নাই। থাকা সম্ভবও না। প্রথম দিকে কি বলেছে পরে কি বলেছে তা এই বিতর্কের যুক্তি হিসাবে উপস্থাপন করতে যতটুকু লাগে তা কেউ খুব বেশি পড়াশুনা না করলেও সঠিকই বলতে পারবে।

৭. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:১৪
কঠিনলজিক বলেছেন: আরেকটা কথা, রহিমের সম্মান যদি করিমের অপমান উপর নির্ভরশীল হয় তা হলে কে বেশী গুরুত্তপূর্ণ? রহিম না করিম?
এভাবে আসলে কি আপনি শেখ মুজিব কে সম্মান জানাতে গিয়ে ছোট করে ফেলছেন না?
পক্ষান্তরে জিয়া কে আরো গুরুত্তপূর্ণ ও সম্মানীত করতেছেন।
০৭ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫২

লেখক বলেছেন: বিষয়টা ছোট বড় না। এটা একটা জাতি কতটুকু মিথ্যা বলে বা নিজ স্বার্থে চোখ বন্ধ করে ইচ্ছা মত দেখা এবং পরবর্তী প্রজন্মকে চাঁদ কে সূর্য আর সূর্যকে চাঁদ শেখানোর মত।

৮. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:১৫
কঠিনলজিক বলেছেন: আরেকটা কথা, রহিমের সম্মান যদি করিমের অপমান এর উপর নির্ভরশীল হয় তা হলে কে বেশী গুরুত্তপূর্ণ? রহিম না করিম?
এভাবে আসলে কি আপনি শেখ মুজিব কে সম্মান জানাতে গিয়ে ছোট করে ফেলছেন না?
পক্ষান্তরে জিয়া কে আরো গুরুত্তপূর্ণ ও সম্মানীত করতেছেন।
৯. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:২১
কল্প কন্যা বলেছেন: কঠিনলজিক বলেছেন: জিয়া বা মুজিব উভয়েই মৃত এবং সম্মানীত।
উভয়ের ভুল ভ্রান্তি ছিল আবার প্রশ্নাতীত সাফল্যও ছিল।
তাদের কে নিয়া লাফা লাফি বা অসম্মান দোনটাই ঘৃণা করি

সহমত!জিয়া কোনদিন জিবদ্দশায় কয় নাই সে ঘোষক! জিয়া প্রথম ঘোষনায় কাম হইত না যদি না আগে থেকে সংগ্রাম না করত!
১০. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:২৬
মেহেদী_বিএনসিসি বলেছেন: একজন নিরপেক্ষ লোক হিসেবে যা বুঝি......এই সব পুরোনো প্যাচাল........আর কতো...........অখনতো দেখছি টাইম মেশিন লাগবো......ক্যাডায় কি করছে আর কি করেনাই।
আর এক্ষেত্রে মেজর জিয়াকে দোষারোপ করাটাও বোকামী। সে নিজে নিজেকে কখোনোই স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে দাবী করেনাই........। তাই এসব ব্যাপারে তাকে খাটো করার কোন যুক্তিই নেই।
১১. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:৩২
মোস্তাক খসরু বলেছেন: প্রকৃত পক্ষে আমাদের আনুষ্ঠানিক স্বাধীনতার ঘোষনা হয়েছে ১৯৭১ সালে ১৭ এপ্রিল। বর্তমান মেহেরপুর জেলার বৈদ্যনাথতলার এক আমবাগানে। আর সেই ঘোষনা পত্র পাঠ করেন সৈয়দ নজরুল ইসলাম সেখানে একটা সংক্ষিপ্ত ধারাবাহীকতা এবং যুদ্ধের সূত্রপাত ঘোষনা সব কিছু সম্পর্কে স্পষ্ট বলা হয়েছে। ইতিহাসে এভাবেই কাজটা হয়।

এই সত্যকথাটা কেন আওয়ামী লীগ বোঝে না। ১৭ এপ্রিল কেন সরকারী ছুটি হয় না। এই ভয় কি আওয়ামী লীগকে তাড়া করে তাজুদ্দিন যদি হিরো হয়ে যায়। আমি বেকুব বিধায় একটু কম বুঝি। তাজুদ্দিনের অবদান যথাযথ উঠে আসেনি কেন?
০৭ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:০৭

লেখক বলেছেন: আপনি ঠিক বলেছেন।

১২. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৯
শিমুল আহমেদ বলেছেন: কল্প কন্যা বলেছেন: কঠিনলজিক বলেছেন: জিয়া বা মুজিব উভয়েই মৃত এবং সম্মানীত।
উভয়ের ভুল ভ্রান্তি ছিল আবার প্রশ্নাতীত সাফল্যও ছিল।
তাদের কে নিয়া লাফা লাফি বা অসম্মান দোনটাই ঘৃণা করি

সহমত!জিয়া কোনদিন জিবদ্দশায় কয় নাই সে ঘোষক! জিয়া প্রথম ঘোষনায় কাম হইত না যদি না আগে থেকে সংগ্রাম না করত!
১৩. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৬
আড়াল বলেছেন: আমার ও তাই মনে হয় ।
১৪. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৩৬
novamahdi বলেছেন: এত বৃদ্ধি কী কাজে লাগান ভাই, বাথরুমে যান তাহলেও কিছু পাবেন,,,,,,,,,,
১৫. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:০০
বিবেক হীন বলেছেন: হাসিনা ১০ টেকার চাউল খাওয়ানি নিয়া মিথ্যা বলছে,ঐটা নিয়া একখান পোষ্ট দেন।
১৬. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:০১
অমি রহমান পিয়াল বলেছেন: বাহ, ছাত্রশিবির তো ঝাপাইয়া পড়ছে। তাও ভালো গোলাম আযম ফোনে জিয়ারে ঘোষণা দিতে বলছে এইটা এখনও কেউ বলে নাই
০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:২১

লেখক বলেছেন: দাবি করলেও একেবারে অমূলক হবে না। কেননা বাঙালী অফিসারদের ওর্গানাইজ করার তার কোন উল্লেখযোগ্য ভূমিকা না থকলেও সে সময় জিয়ার কাছে নানা দিক থেকে খবর আসার অভিজ্ঞতা তার সহকর্মীদের অবশ্য মনে থাকবে। কোন মেসেজ কোথা থেকে আসে তার খবর কে রাখে ?

১৭. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৫৩
চিকনকালা বলেছেন: বংগবন্ধু বাংগালি জাতিকে স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখিয়েছিলেন। ২৩ বছর সংগ্রাম করেছিলেন মানুষকে বুঝাতে। এ জন্য পাকিস্তানিরা তাঁকে জীবনের বেশীর ভাগ সময় জেলে রেখেছিল।

বংগবন্ধুর নামে মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতা সংগ্রাম হয়েছিল। জিয়া বংগবন্ধুর আহ্বানে মুক্তি যুদ্ধে গিয়েছিল।

কিন্তু মুক্তিযুদ্ধের সফল পরিচালনাকারি হিসাবে তাজউদ্দিন আহমেদ, জেনারেল ওসমানি ও বংগবীর কাদের সিদ্দিকীর সঠিক মূল্যায়ন হয় নাই।

স্বাধীনতার পর শুধুমাত্র রাজনীতি নিয়ে বংগবন্ধুর সাথে মতানৈক্য হওয়ায় তাজউদ্দিন ও ওসমানি তাঁদের সঠিক মূল্যায়ন পান নাই, যা মেনে নেওয়া যায় না। তবে হতাস নই, নিশ্চই তাঁরা জাতীয় বীরের মর্যাদা পাবেন। আমাদের জেনারেশন এত অকৃতজ্ঞ নয়।
১৮. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৯:৩৭
সাজিদ বলেছেন: "এই যুদ্ধটা যদি আজ অর্থাৎ ২০১০ এ লাগতো তাহলে আজই কয়েকশ ব্রাউজার ফেইসবুকে "আমরা স্বাধীনতার ঘোষনা দিলাম" নামে গ্রুপ খুইলা কয়েক হাজার দাওয়াত পত্র সেন্ড কইরা যুদ্ধের ঘোষনা দিয়া দিত। আর কয়দিন পর এক সকালে উঠিয়া সবাই আমি ঘোষক, আমি উপস্থাপক বলিয়া চিৎকার করিতে থাকিত (?)"

এই যুদ্ধ আজকে হয় নাই। ১৯৭১ া হয়েছিল। তখন মানুষ রেডিও শুনতো। আর রেডিওতে একটি ঘোষনা শুনে উদ্দিপ্ত হয়েছিল। এসব ফালতু পোস্ট দেয়া ছাড়েন
০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:০৪

লেখক বলেছেন: কে বেশি উদ্দিপ্ত হয়েছিল ঘোষক না শ্রোতা। উদ্দিপনার চোটে প্রথমে পনের মিনিট পরপর বলতে থাকলো জিয়া স্বাধীনতা ঘোষনা করছি আমি রাষ্ট্রপ্রধান সর্বাধিনায়ক পরের দিন সকালে যাইয়া সংশোধন করে অন বিহাফ অফ বলেন। এত উদ্দিপনা কোথা থেকে আসে ? সুজোগের সদ্‌ব্যবহার না আরও সূদূর প্রসারি ?

১৯. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:২৪
সাজিদ বলেছেন: মানুষ অসুস্হ হলে ডাক্তারের আশ্বাসবানী শুনলে যতটা আস্বস্ত হয় অন্য কেউ বললে ততটা হয় না। নেতা যখন আত্নসমর্পন করলেন, বন্দী হয়ে চলে গেলেন তখন একজন সেনাবাহীনির মেজরের ঘোষনা কতটা উদ্দিপ্ত করেছিল সেটা আপনি স্বিকার না করলেও দেশের সেই সময়ের অনেক মানুষই স্বিকার করে। সেই সময়ে আমাদের রাজনৈতিক নেতৃত্বের পাশাপাশি সামরিক নেত্ত্বের দরকার ছিল। জিয়ার ঘোষনা তাদেরকে মনে করে দিয়েছিল উই আর নট এলোন উই হ্যাভ আওয়ার ব্রাদারস ইন আর্মি। এটা অনেক সাহস যুগিয়েছিল। পরে অনেকে এসেছে। জিয়ার আগেও অনেকে এসেছে। কিন্তু তার স্বাধিনতার ঘোষনা আমজনতাকে যে উদ্দিপনা দিয়েছিল সেটা অস্বিকারের কোনো সুযোগ নেই।

"এত উদ্দিপনা কোথা থেকে আসে ? সুজোগের সদ্‌ব্যবহার না আরও সূদূর প্রসারি ?"

আপনারও কি নেত্রীর মত অবস্হা হলো, আপনাদের দুজনের ভাষার মিল আছে। আপনিই উনি ননতো আবার? :) এড্রিনালিন বলে একটা জিনিস আছে যেটা আসলে মানুষের ক্ষমতা অনেক গুন বেড়ে যায়। আর তখন অন্য কেউ ছিল না। পরে উনি অন্যদের নেতৃত্ব মেনেই যুদ্ধ করেছেন। তার মানে আপনি বলতে চাচ্ছেন জিয়া তখনই জানতেন উনি একদিন প্রেসিডেন্ট হবেন?
০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৪৫

লেখক বলেছেন: এক লক্ষ চুয়াল্লিশ হাজার বর্গ কিলোমিটারের বাংলাদেশে সেদিনের সেই কালুর ঘাটের বেতারের - কুমিল্লা পর্যন্তও না পৌছানোর ৫০ কিলোমাটার ক্ষমতা সম্পন্ন - বার্তা এদেশের লক্ষ লক্ষ মুক্তিযোদ্ধার যে কারও জন্য দায়িত্ব হিসাবে যেখানে যা আছে তাই নিয়ে যুদ্ধের ডাক দিয়ে ঝাপিয়ে পরার একটা নগন্য হলেও সুন্দর উদাহরন হতে পারতো। অবশ্য জিয়া নিজেইও তার ঘোষনায় তার প্রকৃত ইনটেশন লুকাতে পারেনি।

মুহুর্তে তিনি বাংলাদেশ না পূর্বপাকিস্তানের স্বপ্ন দেখে গরম বালুতে বাদাম ভেজে নেয়ার কাজটি করে নিয়ে ছিলেন পরে খাওয়ার স্বপ্ন মাথায় রেখে।

২০. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:২৫
শেলী বলেছেন: জিয়ার ঘোষণাটা এত সহজ ছিলনা। সেনাবাহিনী তে এটা অনেক বড় ব্যাপার। আর যদি দেশ স্বাধীন না হত ,শেখ মুজিবের কিছু হতনা। জিয়ার সেনা আইনে ফাসি হয়ে যেত। আর সবাই নিরাপদ থাকত।এটার জন্য অনেক সাহস দরকার ছিলো।
২১. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:২৭
নেক্সাস বলেছেন: নতুন তৈলবাজ।

তৈলের লিটার কত জানি?
২২. ০৭ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৩৮
ওমর হাসান আল জাহিদ বলেছেন: আচ্ছা, আপনি কি এটা মিনা ফারাহ'র বই থেকে দিচ্ছেন?
২৩. ০৮ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৩৩
কঠিনলজিক বলেছেন: লেখক বলেছেন: বিষয়টা ছোট বড় না। এটা একটা জাতি কতটুকু মিথ্যা বলে বা নিজ স্বার্থে চোখ বন্ধ করে ইচ্ছা মত দেখা এবং পরবর্তী প্রজন্মকে চাঁদ কে সূর্য আর সূর্যকে চাঁদ শেখানোর মত।

পরবর্তী প্রজন্মকে নিয়া আশা বাদ দেন আল্লাহ আপনারে হায়াত দেওক আমারেও দেওক ।
এখন যারা ক্লাস ৫ এ পড়ে এদের কে ২০২৫ সালে দেখবেন জিয়া আর মুজিবের নাম যে লইব ওর মুখে থুতু দিব।
বাংলাদেশের কোন স্কুলে জিয়া বা মুজিবের উপড়ে কিছু পড়ানো হবে না।
আজকে কমপক্ষে ৫০০,০০০ মানুষ পাবেন বাংলাদেশে যারা জিয়া আর মুজিব দুজন কেই ঘৃণা করে । এরা কেও জিয়া বা মুজিব রে দেখে নাই ।
মুজিব আর জিয়ার এই অবস্থার জন্য জিয়া বা মুজিব দায়ী না ,
দায়ী আপনার মত তৈল সাপ্লায়ার, এরা বি,এন,পি আওয়ামীলিগ দুই দলেই আছে।

আওয়ামীলিগ মুজিব রে কচলাইয়া এমন অবস্থা করছে যে মনুষ অলরেডি বলা শুরু করছে যে মুজিব রে হত্যার পড়েও যে অবস্থা মুজিব বাইচা থাকলে না জানি কি হইত।
২৪. ১০ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:২৭
এস এইচ খান বলেছেন: শেলী বলেছেন: জিয়ার ঘোষণাটা এত সহজ ছিলনা। সেনাবাহিনী তে এটা অনেক বড় ব্যাপার। আর যদি দেশ স্বাধীন না হত ,শেখ মুজিবের কিছু হতনা। জিয়ার সেনা আইনে ফাসি হয়ে যেত। আর সবাই নিরাপদ থাকত।এটার জন্য অনেক সাহস দরকার ছিলো।

++++++++++++++++++

কঠিন সত্য।
১০ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:৫৫

লেখক বলেছেন: তাইতো ফুল সিওর হওয়ার পর গোলাম আজম ও আইএসআই এর ক্লিয়ারেন্স নিয়ে এবং সেরুপ সাজেশনে প্রথম ঘোষনাটি দেন ২৭ তারিখে নিজেকে পূর্বপাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি ও সর্বধিনায়ক দাবী করে। প্লানটা আপনাদের মাথায় ঢুকবে না।

২৫. ১০ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:৪৪
মুখ ও মুখোশ বলেছেন: "বৃষ্টির কান্না" বলেছেন: আমতলায় না কেতার তলায় -------আপনারা যেটা কইবেন জনগন মানতে বাধ্য............

জাতির জনকেও পোষায়না, মুক্তিযুদ্ধের মহান নায়ক বানাইয়াও পোষায়না এখন আবার বানাইছেন ভাষা আন্দোলনের নায়ক, এরকম হইতে হইতে একসময় কি বিশ্বযুদ্ধের নায়কই বানাইয়া ফেলেন কিনা!!!!!!!!আপনাদের সব সম্ভব!!!!!!!!!!!
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:১৪

লেখক বলেছেন: জাতির পিতারও হাজারটা সমস্যা আছে। যে যইটা তাকে তার অধিক দেয়া যাবে না কারন এ জাতির চরিত্র খুব খারাপ একে একটু এদিক ওদিক সুজোগ দিলেই দিনের বেলা প্রখর সূর্যের নিচে দাড়িয়েও বলতে থাকে এখন নিশি রাত।

আর এই প্রকল্পে জিয়ার মোনচরিত্র ও কর্মের অনুসন্ধান চলছে। তাই তুলনা না করে টুদা পয়েন্ট থাকেন।

২৬. ১০ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:৫৫
জিয়া চৌধুরী বলেছেন: এই বির্তকে নিজেকে জড়াবো কিনা ভাবছি।


১. জিয়া কি নিজ উদ্যোগে এসে স্বাধীনতার ঘোষনা দিয়েছিলেন?
২. জিয়ার প্রথম এবং দ্বিতীয় ঘোষনাটি কি ছিল?
৩. ঐসময় কালুরঘাট বেতার কেন্দ্রের রেঞ্জ কতটুকু ছিল?
৪. জিয়া কোনদিন নিজেকে স্বাধীনতার ঘোষক দাবী করেছিল কিনা?
৫. বেতার কেন্দ্র থেকে ঘোষনার আগ মুহুর্ত পর্যন্ত বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে জিয়া আর কি কি ভূমিকা ছিল?


এই টপিকে কিছু বিষয় আমার কাছে নতুন।
বিশেষ করে আইএসআই কানেকশন। এটা আগে শুনিনি।

তবে এটা জানি জিয়া ২৫ তারিখ কালুরঘাট ব্রিজ পার হয়ে বোয়ালখালীর করলডেঙ্গা পাহাড়ে আশ্রয় নিয়েছিলেন। ২৬ তারিখ চট্টগ্রামে আওয়ামীলীগ নেতৃবৃন্দের সভা হয় গোপনে। ওখানে সিদ্ধান্ত নেয়া হয় আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে এম এ হান্নান এবং সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে চট্টগ্রামের দুই মেজরের যেকোন একজনকে দিয়ে সবাইকে প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশগ্রহনের আহ্বান জানানো হবে। অপর মেজরকে পাওয়া না যাওয়ায় অনেক খুজে পেতে মেজর জিয়াউর রহমানকে দিয়ে ঘোষনা দেয়া হয়।
+++++++++++++++++
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:১৭

লেখক বলেছেন: আইএসআই কানেকশনটা ১০০% পরিষ্কার হয় ১৯৭৫,,,,

২৭. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:০৫
সাজিদ বলেছেন: আগেরবার বলেছিলেন জিয়া আগে থেকে জেনে বুঝেই নিজের নামে স্বাধিনতার ঘোষনা দিয়েছিল। আজকে বলছেন গোলাম আজম আর আইএসআই এর কথা। এরপর কি বলবেন জিয়াকে আর্মিতে সেআইএ রেখেছিল তাদের ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পনার াংশ হিসেবে?
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:২৪

লেখক বলেছেন: আপনি জানাশোনা মানুষ। আপনি দেখেছেন অক্টবর প্রজন্ম এসেই জিয়াকে খুজেছিল এবং দলনেতা হিসাবে পেয়েছিলও বটে।

২৮. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:১১
মেঘকন্যা বলেছেন: শিমুল আহমেদ বলেছেন: কল্প কন্যা বলেছেন: কঠিনলজিক বলেছেন: জিয়া বা মুজিব উভয়েই মৃত এবং সম্মানীত।
উভয়ের ভুল ভ্রান্তি ছিল আবার প্রশ্নাতীত সাফল্যও ছিল।
তাদের কে নিয়া লাফা লাফি বা অসম্মান দোনটাই ঘৃণা করি
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:৩৬

লেখক বলেছেন: মুক্তিযুদ্ধকে এদেশের একদল লোক দুই কুকুরের ঝগড়া বলেছিল। কিছু আলালের ঘরের দুলাল এ ঝামেলা এড়াতে ইউরোপ আমেরিকায় শান্তির আসায় চলে গিয়েছিল। আপনারাও থাকেন, কোন অসুবিধা নাই।

২৯. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:১৮
দাসত্ব বলেছেন: চারুকলায় পড়েন মনে হ্য় ?

মুক্তধারা তথা মুত ধারার (muktodhara.net) কতো নাম্বার পোস্টে চাকরি করেন ?

জিয়ার ISB test এ মনে হয় আপনার বাপ - দাদা কেউ ছিলো ।

আপনি বলেছেন :

যা হউক এবার চলুন জিয়ার ইতিহাসটি দেখি। ১৯৫২ সালে মেট্রিক পাশ করে পাকিস্তান সেনা বাহিনীতে যোগ দেন। স্বাভাবিক ভাবেই কালে ভাদ্রে দু একজন সত্যিকারে টেলেন্ট বাংলা জাতীয়তাবাদ সচেতন কোন রাজনৈতিক সংসর্গ থাকা ভালো ছেলে সেসময়কার পাকিস্তান সেনা অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হত না। নেয়া হতো অপেক্ষাকৃত পাকিস্তান পন্থি আর বাঙালীর চেয়ে ইসলামী জাতীয়তাবাদ সচেতন ছেলেদেরই। এ বিষয়টির প্রভাব পরবর্তীতে বাংলাদেশ সামরীক বাহিনীর ইতিহাসে প্রকট ভাবে দেখা যায়। জিয়া তাদের মধ্যে ছিলেন চৌকশতম একজন অফিসার। ১৯৬৫ সালের পাক ভারত যুদ্ধে মেজর জিয়ার কোম্পানী ছিল দ্বিতীয় সর্বাধিক বীরত্ব পদক পাওয়া দল।

আপনার বক্তব্য অনুযায়ী এ কে খোন্দকার , শফিউল্লাহ , সেক্টর কমান্ডার ফোরাম এর সব নেতা যারা ২০০৯ ইলেকশান এ আওয়ামী লীগ কে জেতানোর জন্য জান দিয়ে ফেলছেন এরা সবাই অপেক্ষাকৃত পাকিস্তান পন্থি আর বাঙালীর চেয়ে ইসলামী জাতীয়তাবাদ সচেতন ছেলে। B:-) B:-)

নাকি এরা সবাই ভালো , খালি জিয়া খারাপ ।

হুহ .। আওয়ামী লীগ কেতো এমনেই "কানার দল" বলেনা ।

আপনি বল্লেন :

১৯৬৫ সালের পাক ভারত যুদ্ধে মেজর জিয়ার কোম্পানী ছিল দ্বিতীয় সর্বাধিক বীরত্ব পদক পাওয়া দল।


জিয়ার তাহলে কি করা উচিত ছিলো ?
ভারতের পক্ষে যুদ্ধ করা উচিল ছিলো?

এখন আপনাকে যদি ভারতীয় রাজাকার বলি কোন ভুল হবে?
১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১২:৩৯

লেখক বলেছেন: প্রকৃত ভালো মানুষ ছিল সাধারন সৈনিকেরা। তাই দেখবেন এদের উল্লেখ কোথাও নাই।

৩০. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:০৬
প্রিন্‌সেস ঢাকা বলেছেন: জিয়ার আইএসআই কানেকশনের এ ভিডিও টি দেখবেনঃ
৩১. ১০ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৩১
দাসত্ব বলেছেন: RTV :

বেংগল গ্রুপের টিভি তো , আর জানতে ইছ্ছা করেনা ।

ভালো করে আবার শুনেন :

RTV (RAW TV) এর দালালি কারে বলে ?

ফারুক বলছে : our first choice was obviously Zia as he was "untarnished" ...
"untarnished" এর অর্থ হলো " কলংকমুক্ত" অথবা "বদনাম হীন"

দালাল আরটিভি বাংলা ট্রান্সলেট করসে : " একই মতাদর্শ "

বাংগালী কে যে কে কেমনে বেকুব বানায়.

আপনিও বেকুব হইলেন ? :-P :-P :-P :-P
১০ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৫:৫৭

লেখক বলেছেন: চোর চোর বন্ধুকে আনটার্নিশড বলবে নাতো, মসজিদের ইমাম হইয়া গেছে বলবে নাকি ?

আর সাগরেদ সারাটা সময় ওস্তাদের সাথে সাথে থেকে এটুকু জানবে না ওস্তাদ চুরি ছেরে দিয়ে ইমামতি শুরু করছে কিনা ? টার্নিশ হয়ে গেছে কিনা ? আরে ওস্তাদ কোন কাজ না পেলে নিজের ঘরেই নিজের জিনিষটা লুকিয়ে রেখে চুরি চুরি খেলে মজা লয়, সেদিনও সাগরেদ তাই দেখলো। আর আপনি বলেন হি ওয়াজ টার্নিশড।

আমারতো মনে হয় টার্নিশ শব্দটা আইএসআই এর একটা ক্লাসিফাইড ওয়ার্ড। আবার বসের কথাই প্রথম মনে না আসার সুজোগ ছিলনা কারন এই বসই যখন ১৯৬২ সালেসামরিক গোয়েন্দাতে ছিল তখন তার হাত ধরেইতো ডালিম রসিদ নূরের আইএসআই নোমিনেশ পায়।

৩২. ১০ ই মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২৭
জিয়া চৌধুরী বলেছেন: বাঙ্গালীরে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখাইলেও দেখেনা। এমন অন্ধ।




অট: আমার কাছে বিভিন্ন দেশের লোকজন আসে। ইন্ডিয়ান, পাকিস্থানী বা অন্যান্য দেশের লোকজনদের কোন জিনিষ একবার বললে এরা তা বুঝে নেয়। আর বাংগালী ? হাজার বার বলার পরও বলে ভাই এ জিনিষটা কেমনে কি হয়?
৩৩. ১০ ই মার্চ, ২০১০ রাত ৮:৪০
পত্রমিতালী বলেছেন: লেখক ভাই, আপনাকে কিছূ প্রশ্ন-
-অন্যকে কুকুর বেড়াল বলাটা কি ভদ্রতার পরিচয়? কেও যদি আপনাকে বলে...? মনে হচ্ছে আপনি মানুষ না, আওমিলীগ
-জিয়া যদি পাকিস্থানীদের কেও হতো, তবে তখনকার নীতি নিরধারক রা এক টা সেক্ট্রের ভার তাকে কিভাবে দিলো? তারা বোধ হয় আপনার মতো জ্ঞনী ছিলোনা
-এদেশে ৪০ ভাগের বেশি মানুষ এখনো টিভি দেখতে পায়না, বিটিভি ও না। আজ প্রধান্মন্ত্রী টিভিতে এক টা ঘোষনা দিলে, তা কি ঘোষনা হবেনা?

তার সাথে উপরের কমেন্ট গুলোতে আমার সমথন জানাচ্ছি। আর আপনার উত্তর গুলো দেখে মনে হচ্ছে- তোমরা যে যাই বলো, তাল গাছটা আমার।

খোদা আপনার মঙ্গল করুক-
৩৪. ১০ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১০:১৩
প্রিন্‌সেস ঢাকা বলেছেন: প্রসিডেন্ট হওয়ার স্বপ্ন জিয়া প্রথম বার পূরন না হলেও ৭৫ তা ঠিকই পূরন করেন



৩৫. ১০ ই মার্চ, ২০১০ রাত ১১:৩১
প্রিন্‌সেস ঢাকা বলেছেন:

জিয়া যেটা করেছিল তাছিল একটা বিদ্রহ বা প্রতিরোধ যখন জীবন বাঁচাতে বিকল্প অন্য কোন অপশন ছিলনা। এরকম ঘটনা সারাদেশে আরও অসংখ্য ছিল। জিয়া সৌভাগ্যবসত একটা রেডিও ট্রান্সমিটারে কাছাকাছি থাকায় সে সময় সবচেয়ে লাউডলী বলতে পেরেছিল। তবে মাত্র পঞ্চাশ কিঃমিঃ। যদিও এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেকে নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষনা করে ফেলেছিলেন।




যুদ্ধ উত্তর মুজিব বলছেন।
৩৬. ১১ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৯:৩২
দাসত্ব বলেছেন: মুখ ও মুখোশ বলেছেন: "বৃষ্টির কান্না" বলেছেন: আমতলায় না কেতার তলায় -------আপনারা যেটা কইবেন জনগন মানতে বাধ্য............হাহাহাহাপেগে

জটিল কৈসেন
৩৭. ১১ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৯:৩৩
দাসত্ব বলেছেন: শেলী বলেছেন: জিয়ার ঘোষণাটা এত সহজ ছিলনা। সেনাবাহিনী তে এটা অনেক বড় ব্যাপার। আর যদি দেশ স্বাধীন না হত ,শেখ মুজিবের কিছু হতনা। জিয়ার সেনা আইনে ফাসি হয়ে যেত। আর সবাই নিরাপদ থাকত।এটার জন্য অনেক সাহস দরকার ছিলো।

১০০% সহমত
১১ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:১৮

লেখক বলেছেন: জিয়া যেটা করেছিল তাছিল একটা বিদ্রহ বা প্রতিরোধ যখন জীবন বাঁচাতে বিকল্প অন্য কোন অপশন ছিলনা। এরকম ঘটনা সারাদেশে আরও অসংখ্য ছিল। জিয়া সৌভাগ্যবসত একটা রেডিও ট্রান্সমিটারে কাছাকাছি থাকায় সে সময় সবচেয়ে লাউডলী বলতে পেরেছিল। তবে মাত্র পঞ্চাশ কিঃমিঃ। যদিও এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেকে নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষনা করে ফেলেছিলেন।

৩৮. ১১ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:১৮
দাসত্ব বলেছেন: এইতো আবার swing করলেন ।

" আর যদি দেশ স্বাধীন না হত ,শেখ মুজিবের কিছু হতনা। জিয়ার সেনা আইনে ফাসি হয়ে যেত। আর সবাই নিরাপদ থাকত।এটার জন্য অনেক সাহস দরকার ছিলো। "

কে আপনাকে বলছে সুযোগ পাইয়া জিয়া নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করছেন।

ভালো করে শোনেন কি বলি :
জিয়া যে ঘোষণা টা দিসেন সেটা ইংরেজীতে ।
সেটাই একমাত্র ঘোষনা যেটা আন্তর্জাতিক ভাবে বাংলাদেশের পরিস্থিতি এবং অবস্থান তুলে ধরতে পারে ।

ঐ ঘোষনায় নিজের একটা অবস্থান না জানালে সেটা " ভাদাইম্যা ঘোষনা " অথবা " Anonymous declaration " হইতো ।

ঐ ঘোষনার পর আওয়ামি লীগ নেতা এ কে খান (মো্রশেদ খান এর চাচা ) , হান্নান এদের চান্দি গরম হয়া যায় ।

কারন আওয়ামী লীগ একটা পীর - মুরিদের উন্মাদনার দল।
মুজিব পীর ছাড়া এরা পয়:ত্যাগও মনে হয় করতে চায়না ।

অত:পর জিয়া আবার এই ঘোষনা শেখ মুজিব এর পক্ষে আবার দেন।

এই ঘোষনাটা এতই গুরুত্বপুর্ণ যে আরো বেশ কয়েকবার এইটা রিপিট করে শুনাইছে ।

মনে রাইখেন :

ঐসব আবাল হান্নান ফান্নান এর ঘোষনা আর " I Major Zia...." ঘোষনা-

তেলে জলে পার্থক্য।



১২ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৯:৪৭

লেখক বলেছেন: আর যদি দেশ স্বাধীন না হত ,শেখ মুজিবের কিছু হতনা। জিয়ার সেনা আইনে ফাসি হয়ে যেত। আর সবাই নিরাপদ থাকত।এটার জন্য অনেক সাহস দরকার ছিলো।

এটা একটা ফাউল কথা।জিয়া কেন কোন আর্মী বা সাধারন লোকেরে যখনই পাকিরা ধরছে দম ফালানোর সময় দেয় নাই। সঙ্গে সঙ্গে খতম। এবার শুনেন আসল কাহিনী। ২৫ মার্চ রাতের ঘটনার পর সারা দেশে অসংখ্য ঘোষনা দিয়ে বিচ্ছিন্ন প্রতিরোধ গড়ে ওঠে। ২৫ তারিখ ভোর থেকে ২৭ তারিখ সন্ধা এসময় সারাদেশে কি কি হচ্ছিল তা দেখার জন্য ঢাকার লোকগুলো নানা রুটে পালাচ্ছে সে সব জায়গায় কি হচ্ছিল তা দেখেন। এবং শুনেন ২৬ তারিখ সকাল শরু করে রাত এবং পরদিন ২৭ সন্ধা পর্যন্ত এই সময়টা ঢাকা কেন্টনমেন্টে খালেদা জিয়া গোলাম আজম কামরুজ্জামান এবং আইএসআই এর আপার লেভেল পাকি এজেন্টরা এক দীর্ঘ আনন্দ আয়োজনে বসে। সেখান থেকে এই যুদ্ধের নাম ও জন্ম দুইটাই জারজ করার লক্ষ্যে খালেদা জিয়া ও গোলাম আজম জিয়ার প্রথম ঘোষনা পত্র খসড়া করে এবং জিয়ার সাথে ২৭ তারিখ সকালে খসড়াটির মূল উপাদান খালেদা জিয়ার টিমে কমিনিকেট করে এবং সে মত জিয়া সন্ধায় পাঠ করে।

৩৯. ১১ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ১:৪৬
দাসত্ব বলেছেন: আমার কথা মিছা কি হাছা বেলাল মো: আর আওয়ামী লীগ এর দাউদকান্দি (কুমিল্লা) এর এম পি মেজর জেনারেল (অব:) সুবিদ আলী ভুইয়া কে জিগান ।

এই সুবিদ আলী ভুইয়া ই জিয়া কে ঐ আপনাদের অপ্রিয় ঘোষনার ড্রাফট করে দিসিলো।

৪০. ১১ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৪:১৪
জিয়া চৌধুরী বলেছেন: এম এ হান্নান তখন আওয়ামীলীগের নীতিনিধার্রক মন্ডলীর সদস্য আর মেজর জিয়া একজন গর্ভনমেন্ট সার্ভেন্ট। কোথায় আগরতলা আর কোথায় খাটের তলা।

এদেশের মানুষের দেখি সত্য মানতে ভয় হয়। না হলে যে জিয়াকে করলডেঙ্গা পাহাড় থেকে ধরে এনে ঘোষনা করানো হয়েছিল সে জিয়া হয়ে গেলো হিরো আর যে এম হান্নান এম এ মান্নান তাকে ধরে এনেছিল তারা হয়ে গেলো জিরো।

হায়রে প্রজন্ম দুহাজার। তোরা এ জনমে আর মানুষ হইলিনা।
পাঠক আমাকে ক্ষমা করবেন। এই টপিকে এটা আমার শেষ পোষ্ট।
রাজনীতি নিয়ে আমি কমেন্টও করবোনা।
৪১. ১২ ই মার্চ, ২০১০ রাত ২:৫৪
দাসত্ব বলেছেন: @ জিয়া চৌধুরী : হায় হায় ভাই এইটা কি শুনাইলেন ?

নিজের পায়ে কুড়াল মারলেন তো ।
যেই বেলাল মো: এর টেস্টিমনি লইয়া আওয়ামি লীগ স্বাধীনতার ঘোষনা ইস্যুতে এতো ফাল পাড়ে সেই বেলাল মো: সব জায়গায় কৈয়া বেরাইতেছে "আমি নিজে গিয়ে জিয়াকে নিয়ে আসছিলাম কালুরঘাট বেতার কেন্দ্র পাহারা দেয়ার জন্য আর আমি জিয়াকে অনুরোধ করছিলাম একজন সেনা কর্মকর্তা হিসাবে ঘোষনা দেয়ার জন্য যাতে মানুষ সাহস পায় পান্জাবীদের এগেইনেস্ট এ আমাদের বাঙালি সৈন্যরাও আছে "

চুলের বেণী হয়া গেলোনা ?

অহন প্যাচ খুলেন ।

করলডঙ্গা না কাঠালডঙ্গা কি জানি কৈলেন ,
আওয়ামী লীগ এর দাউদকান্দি (কুমিল্লা) এর এম পি মেজর জেনারেল (অব) সুবিদ আলী ভুইয়া কে জিগান ।

হেয় তখন জিয়ার আন্ডারে ক্যাপ্টেন আসিলো ।

খাটের তলা , কেতার তলা যাই কৈবেন আমরা ম্যাংগো পিপল মাইনা লমু /:) /:) /:) /:) /:) /:)

" এম এ হান্নান তখন আওয়ামীলীগের নীতিনিধার্রক মন্ডলীর সদস্য ":
হ বুঝছি ভাই, আ-লীগ মানেই আগর কেন , সাগর তলা =p~ =p~

৪২. ১২ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৯:৫২
সাজিদ বলেছেন: হান্নান নীতিনির্ধারক? তাই নাকি? তো তার পদবী কি ছিল তখন?
৪৩. ১২ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৯:৫৮
দাসত্ব বলেছেন:
১) "লেখক বলেছেন: জিয়া যেটা করেছিল তাছিল একটা বিদ্রহ বা প্রতিরোধ যখন জীবন বাঁচাতে বিকল্প অন্য কোন অপশন ছিলনা। এরকম ঘটনা সারাদেশে আরও অসংখ্য ছিল। জিয়া সৌভাগ্যবসত একটা রেডিও ট্রান্সমিটারে কাছাকাছি থাকায় সে সময় সবচেয়ে লাউডলী বলতে পেরেছিল। তবে মাত্র পঞ্চাশ কিঃমিঃ। যদিও এই সুযোগ কাজে লাগিয়ে নিজেকে নিজেকে প্রেসিডেন্ট ঘোষনা করে ফেলেছিলেন।"






২) " লেখক বলেছেন: আর যদি দেশ স্বাধীন না হত ,শেখ মুজিবের কিছু হতনা। জিয়ার সেনা আইনে ফাসি হয়ে যেত। আর সবাই নিরাপদ থাকত।এটার জন্য অনেক সাহস দরকার ছিলো।

এটা একটা ফাউল কথা।জিয়া কেন কোন আর্মী বা সাধারন লোকেরে যখনই পাকিরা ধরছে দম ফালানোর সময় দেয় নাই। সঙ্গে সঙ্গে খতম।

এবার শুনেন আসল কাহিনী। ২৫ মার্চ রাতের ঘটনার পর সারা দেশে অসংখ্য ঘোষনা দিয়ে বিচ্ছিন্ন প্রতিরোধ গড়ে ওঠে। ২৫ তারিখ ভোর থেকে ২৭ তারিখ সন্ধা এসময় সারাদেশে কি কি হচ্ছিল তা দেখার জন্য ঢাকার লোকগুলো নানা রুটে পালাচ্ছে সে সব জায়গায় কি হচ্ছিল তা দেখেন।

এবং শুনেন ২৬ তারিখ সকাল শরু করে রাত এবং পরদিন ২৭ সন্ধা পর্যন্ত এই সময়টা ঢাকা কেন্টনমেন্টে খালেদা জিয়া গোলাম আজম কামরুজ্জামান এবং আইএসআই এর আপার লেভেল পাকি এজেন্টরা এক দীর্ঘ আনন্দ আয়োজনে বসে। সেখান থেকে এই যুদ্ধের নাম ও জন্ম দুইটাই জারজ করার লক্ষ্যে খালেদা জিয়া ও গোলাম আজম জিয়ার প্রথম ঘোষনা পত্র খসড়া করে এবং জিয়ার সাথে ২৭ তারিখ সকালে খসড়াটির মূল উপাদান খালেদা জিয়ার টিমে কমিনিকেট করে এবং সে মত জিয়া সন্ধায় পাঠ করে। "


আমি বলিলাম : কয়বার সুইং করলেন ?



১২ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:২৪

লেখক বলেছেন: বিষয়টা সুইংনা জনাব। মূল পয়েন্টাকে মানে ঘোষনা টিকে ফিক্সড রেখে এর পেছনের সবগুলো মোটিভেশনকে বিবেচনায় নিয়া হচ্ছে।

সমগ্র প্রক্রিয়াটিকে বলে জেনারেল টু স্পেসেফিক লজিকেল ইভালুয়েশন।

৪৪. ১২ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:০০
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: আহা রাজ কুমারী দেখি মুজিব প্রেমে হাবু ডুবু......

ভাগ্য ভাল শেখ কামালের সামনে পড়ে নাই........ :):)
৪৫. ১২ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:১৫
দাসত্ব বলেছেন: লেখক বলেছেন : এবার শুনেন আসল কাহিনী।
সেখান থেকে এই যুদ্ধের নাম ও জন্ম দুইটাই জারজ করার লক্ষ্যে খালেদা জিয়া ও গোলাম আজম জিয়ার প্রথম ঘোষনা পত্র খসড়া করে এবং জিয়ার সাথে ২৭ তারিখ সকালে খসড়াটির মূল উপাদান খালেদা জিয়ার টিমে কমিনিকেট করে এবং সে মত জিয়া সন্ধায় পাঠ করে।

জিয়া চৌধুরী বলেছেন: জিয়াকে করলডেঙ্গা পাহাড় থেকে ধরে এনে ঘোষনা করানো হয়েছিল সে জিয়া হয়ে গেলো হিরো আর যে এম হান্নান এম এ মান্নান তাকে ধরে এনেছিল তারা হয়ে গেলো জিরো।


আমি বলিলাম : মাথা ঘুরায় ।

বেলাল মো: , সুবিদ আলী ভুইয়া - তোমরা কোথায় ?
আমার মাথারে ব্রেক দেও
৪৬. ১২ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:৫১
নগরের নাগরিক বলেছেন: সব শালা শালীদের পাছায় গরম লোহা............।
শালারা কে মুজিববাদী কে জিয়াবাদী এইটা নিয়া ফাল দিচেছ। আগে বর্তমানে তোরা কি করছিস স্বাধীন একটা দেশ পাইয়া হেইটা নিয়া ভাব আর সামনের দিকে দৃষ্টি দে। দেশ অনেক আউগ্যাইয়া যাইবো। ৭১ এ জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দিলেও বর্তমানে দেশে সোনা ফলবে না। আর মুজিব ঘোষণা দিলেও এখন দেশ স্বর্গ হয়ে যাবে না। সো সব শালারা সোজা হ....লেফট রাইট.....লেফট রাইট.......সামনে চল.....চল...চল...চল.....উর্ধ্ধ গগনে বাজে মাদল..........চল....চল....চল....।
৪৭. ১২ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১১:০৯
জর্জিস বলেছেন: আলোচনায় যোগ দিতে চাইছিলাম....কিন্তু রাজকুমারীর বিভিন্ন কমেন্টের জবাব গুলো দেখে আর সময়ের অপচয় করলাম না...মাইনাস
৪৮. ১৫ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ৮:১৬
কল্প কন্যা বলেছেন: The Bengali sub-titles are biased and do not translate well as to why they made the choice to eliminate Mujib.

"Mujib has got a very good quality to agitate the general mass" - Rashid said it in a negative context. But it was translated in a positive way. Agitate was translated as "niyontron", whereas the appropriate word would have been "uttejito"

"He could have done any sort mysterious act even at the cost of even the country" was not translated appropriately.

"Zia was not tarnished" was translated as "Zia Mujib er onugoto chilo na".
৪৯. ২১ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৩৭
রিফাত হোসেন বলেছেন: স্বাভাবিক ভাবেই কালে ভাদ্রে দু একজন সত্যিকারে টেলেন্ট বাংলা জাতীয়তাবাদ সচেতন কোন রাজনৈতিক সংসর্গ থাকা ভালো ছেলে সেসময়কার পাকিস্তান সেনা অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হত না। নেয়া হতো অপেক্ষাকৃত পাকিস্তান পন্থি আর বাঙালীর চেয়ে ইসলামী জাতীয়তাবাদ সচেতন ছেলেদেরই।

মেনে নিতে পারলাম না । তাই মাইনাস
৫০. ২১ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১০:৩৯
রিফাত হোসেন বলেছেন: পাকিস্তানীরা কেন নিজের পাকিস্তানীদের বাদ দিয়ে বাঙ্গালীদের নিবে? নিশ্চয়ই ট্যালেন্ট হিসেবে নিবে । এর মানে এই নয় যে, তাকে পাকিস্তান পন্থী হিসেবই হতে হবে না হয় ইসলামী জাতীয়তাবাদী ।
২২ শে মার্চ, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:২১

লেখক বলেছেন: আরে বেহল যেই বিবেচনায় আপনি চাইলেই উত্তর বঙ্গ বাদ দিয়া শুধু দক্ষিন বঙ্গ নিতে পারবেন না তেমনি পূর্ব পাকি বাদ দিয়া শুধু পশ্চিম পাকি নেয়া সম্ভব ছিল না।

 

মোট সময় লেগেছে ৩.০১১৫ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
ফ্রিডম অব নিউজ এট প্রিন্সেস ঢাকা ডট কম।
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই