somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নিজামী মুজাহিদ সহ টপ লেভেল ২০ রাজাকারের শিরচ্ছেদই চাই।

১১ ই মার্চ, ২০১০ সকাল ১০:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


রাজাকারে বিচারের ইস্যূটাকে সরকার কোন গুরুত্বই দিচ্ছে না। এটাকে অনেকটা মামা বাড়ির মোয়া মনে করছে। যেন চাইলাম আর কামডা করে ফেললাম আর কি ? আর তাই গত এক বছরেরও বেশী সময় কাটিয়ে আজ পর্যন্ত মাঝে মাঝে "আমরা যুদ্ধাপরাধীর বিচার করবই করব" ধরনে স্টান্ট বাজী বক্তব্য ছারা দৃশ্যমান আর কোন অগ্রগতিই দেখাতে পারেনি। যেখানে জামাতে ইসলামের মত একটা দল যুদ্ধাপরাধী হিসাবে অভিযুক্তদের মুলধারা যেখানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মত দেশর অন্যতম বৃহত রাজনৈতিক দলের নাড়ির সম্পর্ক আছা সেখানে সরকারের কাছে যুদ্ধাপরাধীর বিচারের স্পষ্ট কোন কর্মপরিকল্পনা নাই। সুনিদৃষ্ট লক্ষ্য আর সেই লক্ষ্য কোন কর্মতৎপরতাও নাই। জাতি সত্যিই আস্থা রাখতে পারছে না এদের উপর। ইনকনফিডেন্ট ফিল করছে।

শয়তানি করে করে সারা শরীরের পোশম পাকানো বুড়ো হারামজাদাদে কার কে শত্রু তা আমাদের লক্ষ্য না। ( আমরাও এই কিংডমের না দ্যাশের সন্তান। এর মাটিতেই আমাদের জন্ম আমরাই দ্যাশের আগামী দিন। ) আমরা শুধু একটা তালিকা বুঝি (তালিকা এখানে Click This Link ফুল তালিকা ) রাজাকারের তালিকা। এদের থেকে মাত্র টপ বিশটা।

আমরা বিশ্বাস করি নিজামী মুজাহিদ সাকার মত দশ পনেরটা ইবলিশের বংশধরকে দুনিয়া থেকে রিলিজ দিলেই জাদুর সোনার কাঠি রুপার কাঠির মত দুঃস্বপ্নের ঘুম ভেঙে যাবে সমগ্র জাতির। এদেশের মানুষের, সমাজের আত্মবিশ্বাস ফিরে আসবে কয়েক শতাব্দী পর - যে ন্যায় বিচার বাঙালী জাতি হারিয়েছে দূর অতীতে মীর জাফর অথবা তারও আগে। সেই আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়ে মুহুর্তে জাতির সমস্ত ভুলে যাওয়া শুভ অভ্যাস ও বোধগুলি সচল হয়ে যাবে। জাতির সোনালী সূর্যের উদয় হবে।

একাত্তুরে এদেশে গন হত্যা হয়েছে এটা কি কোন বিচারকের, কোন বিবেকের, কোন নীতি শিক্ষার, কোন মানবতার সন্দেহ আছে ? কোন সাহ্যকর বিচারকের সামনে ব্যাখ্যা প্রমানের প্রয়োজন আছে এর ? তিরিশ লক্ষ মানুষ ভূমিকম্পে মারা গেছে এরকম যুক্তি তর্ক কোন বিচারক শুনতে চায় ?

শান্তি কমিটি যে গনহত্যার নেতৃত্ব দিয়েছে, তা কোন রাজাকার আদালত আবার নতুন করে প্রমান দেখতে চায়, এটা কি ফাইজলামী না মঘের মুলুক ?

আর নিজামী মুজাহিদি সাকা এরা শান্তি কমিটি, রাজাকার, আলবদর কোন কমিটির কোথায় ছিল তার প্রমান শুনতে কোন পাকিস্তানী আদালতের পনের মিনিটের বেশী হেয়ারিং লাগাবে ?

সুতরাং গন আদালতে সংক্ষিপ্ত বিচার (সামারী ট্রায়াল) আর দোষী প্রমানে শীরচ্ছেদ। এটাই সঠিক, লিগ্যাল এবং জাসটিস। এর ব্যত্যয়ই ইনজাস্টিস। একটা মানুষ মারলে দশ বছরে বিচার করতে হয়, তাতেই ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়। আর যখন হত্যা করা হয় লক্ষ লক্ষ নিরিহ মানুষ, তার বিচার একদিনে করাই সর্বোৎকৃষ্ট ন্যায়বিচার বরং অন্যথায়ই হচ্ছে চুড়ান্ত অবিচার। লক্ষ প্রাণের হত্যাকারীর বিচার সভ্য জাতি এভাবেই করে ইতিহাস তাই বলে।

এদেশের ভবিষ্যৎ সমাজ, নতুন প্রজন্ম টপ লেভেল ২০ রাজাকারের বিচার প্রকাশ্য গনআদালতে সামারী ট্রায়ালে, প্রকাশ্য রায়, ও রায় কার্যকর দেখতে চায়- গনআদালতে, প্রকাশ্য, এবং শীরচ্ছেদ।

আজই এদেশের লক্ষাধীক রাজাকার থেকে (এখানে শান্তি কমিটির ফুল তালিকা আছে Click This Link বর্তমান অবস্থান সহ) টপ ২০ জনের তালিকাটা ফ্রেস একটা কাগজে লেখেন। রাতের মধ্যেই সব কয়টাকে ধরেন এবং ঘোষনা দেন আগামী সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে সকাল ১১ ঘটিকায় বঙ্গবন্ধু জাতিয় স্টেডিয়ামে প্রকাশ্য গনআদালতে এই কয়টার বিচার এবং রায় কার্যকর করা হবে।

দেশের প্রচলিত আইনেই বিচারক তালিকাটা হাতে নিবে। এক সংগে অভিযুক্ত ২০ জন হাজির। সিআরপিসি ১৯০ ধারায় অভিযোগ আমলে নিবেন। ৩৪২ ধারায় আসামী পরীক্ষা করবেন। এরপর রায় দিবেন। অর্থাৎ প্রথমে অভিযুক্তকে মাঠের মধ্যে হাজির, প্রমান দলীল ইত্যাদী উপস্থাপন, অভিযুক্তকে শ্রবণ এবং রায় প্রদান।

শীরচ্ছেদ সব কয়টারে, ফাল্গুনের চক চকে রোদের আলোয়, গ্যালারী ভর্তি দর্শকের উপস্থিতিতে। আর নতুন প্রজন্ম আপনাদের এই ৫কেবিপিএসে ডিজিটাল বাংলাদেশে ভিসেটে ব্রডব্যান্ড স্পীডে এই বিচার সারা দুনিয়ায় লাইভ কাস্ট করবে।বাংলার মাটিতে রাজাকারদের আর এক মুহুর্ত দেখতে চায় না তারা।







শুধু এক বিকাল একটা ফুটবল ম্যাচ এদের এই ২০ টা মাথা, ফাল্গুনের বিস্তির্ন হাওরের মাঠে। অতপর হাতমুখ ধুয়ে ভালো ছেলের মত সন্ধায় পড়ার টেবিলে।



সরকারের কার্যকলাপে দেশের নতুন প্রজন্ম সন্দেহ পোষন করছে।

এই রাজাকার বাহিনীর চেহারা তাই জনগন আর দেখতে চায় না। জনগন মনে করেঃ
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:০০
৬টি মন্তব্য ১টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাহাড়ে চড়া আর মাউন্টেনিয়ারিং: এক নয়

লিখেছেন মুনতাসির, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮




আজকাল পাহাড়ে ওঠা অনেক সহজ হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায় প্রতিদিনই দেখা যায় কেউ না কেউ কোনো পাহাড়ের চূড়ায় দাঁড়িয়ে ছবি তুলছেন। ট্রেইল ধরে হেঁটে, কখনো দড়ি ধরে, কখনো গাইডের সাহায্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

লিখেছেন মোস্তফা কামাল পলাশ, ০৯ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৭



“আবহাওয়াবিদ” মোবাইল অ্যাপের শুভ উদ্বোধন: বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

আনন্দের সঙ্গে জানাচ্ছি যে বাংলাদেশের সর্বস্তরের মানুষের কাছে সহজে আবহাওয়া পূর্বাভাস এবং আবহাওয়া-সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতামূলক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে abohawa.com... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিলিয়নিয়ার রবিন খুদা ও আমাদের জাতীয় অগ্রাধিকার

লিখেছেন জুয়েল তাজিম, ০৯ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:৩০

বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে জরুরি বিষয় কী?

কর্মসংস্থান? না।

বিনিয়োগ? না।

ডলার সংকট? না।

গার্মেন্টস খাতে ছাঁটাই? না।

ব্যাংকিং খাতের আস্থা সংকট? না।

সবচেয়ে জরুরি বিষয় হলো— কোনো অনুষ্ঠানে জুলাই চেতনা কত মিলিলিটার ঢুকেছে, কে কতবার উচ্চারণ... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের গ্রামের গল্প!

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৯ ই জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৩



আমাগো গ্রাম আপনারা সবাই চিনেন।
মুন্সিগঞ্জ, বিক্রমপুর। শ্রীনগর থানা। খুবই প্রাচীন অঞ্চল। অবশ্য এখন গ্রাম বদলে গেছে! ইংলিশ মিডিয়াম স্কুল হয়েছে, বিউটি পার্লার, কমিউনিটি সেন্টার, শপিংমল, ফাস্টফুডের দোকান হয়েছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

পণ্ডশ্রম

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ১২:৩৪



এই নিয়েছে ঐ নিল যাঃ! কান নিয়েছে চিলে,

চিলের পিছে মরছি ঘুরে আমরা সবাই মিলে।

কানের খোঁজে ছুটছি মাঠে, কাটছি সাঁতার বিলে,

আকাশ থেকে চিলটাকে আজ ফেলব পেড়ে ঢিলে।

দিন-দুপুরে জ্যান্ত আহা, কানটা... ...বাকিটুকু পড়ুন

×