রাজাকারে বিচারের ইস্যূটাকে সরকার কোন গুরুত্বই দিচ্ছে না। এটাকে অনেকটা মামা বাড়ির মোয়া মনে করছে। যেন চাইলাম আর কামডা করে ফেললাম আর কি ? আর তাই গত এক বছরেরও বেশী সময় কাটিয়ে আজ পর্যন্ত মাঝে মাঝে "আমরা যুদ্ধাপরাধীর বিচার করবই করব" ধরনে স্টান্ট বাজী বক্তব্য ছারা দৃশ্যমান আর কোন অগ্রগতিই দেখাতে পারেনি। যেখানে জামাতে ইসলামের মত একটা দল যুদ্ধাপরাধী হিসাবে অভিযুক্তদের মুলধারা যেখানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির মত দেশর অন্যতম বৃহত রাজনৈতিক দলের নাড়ির সম্পর্ক আছা সেখানে সরকারের কাছে যুদ্ধাপরাধীর বিচারের স্পষ্ট কোন কর্মপরিকল্পনা নাই। সুনিদৃষ্ট লক্ষ্য আর সেই লক্ষ্য কোন কর্মতৎপরতাও নাই। জাতি সত্যিই আস্থা রাখতে পারছে না এদের উপর। ইনকনফিডেন্ট ফিল করছে।
শয়তানি করে করে সারা শরীরের পোশম পাকানো বুড়ো হারামজাদাদে কার কে শত্রু তা আমাদের লক্ষ্য না। ( আমরাও এই কিংডমের না দ্যাশের সন্তান। এর মাটিতেই আমাদের জন্ম আমরাই দ্যাশের আগামী দিন। ) আমরা শুধু একটা তালিকা বুঝি (তালিকা এখানে Click This Link ফুল তালিকা ) রাজাকারের তালিকা। এদের থেকে মাত্র টপ বিশটা।
আমরা বিশ্বাস করি নিজামী মুজাহিদ সাকার মত দশ পনেরটা ইবলিশের বংশধরকে দুনিয়া থেকে রিলিজ দিলেই জাদুর সোনার কাঠি রুপার কাঠির মত দুঃস্বপ্নের ঘুম ভেঙে যাবে সমগ্র জাতির। এদেশের মানুষের, সমাজের আত্মবিশ্বাস ফিরে আসবে কয়েক শতাব্দী পর - যে ন্যায় বিচার বাঙালী জাতি হারিয়েছে দূর অতীতে মীর জাফর অথবা তারও আগে। সেই আত্মবিশ্বাস ফিরে পেয়ে মুহুর্তে জাতির সমস্ত ভুলে যাওয়া শুভ অভ্যাস ও বোধগুলি সচল হয়ে যাবে। জাতির সোনালী সূর্যের উদয় হবে।
একাত্তুরে এদেশে গন হত্যা হয়েছে এটা কি কোন বিচারকের, কোন বিবেকের, কোন নীতি শিক্ষার, কোন মানবতার সন্দেহ আছে ? কোন সাহ্যকর বিচারকের সামনে ব্যাখ্যা প্রমানের প্রয়োজন আছে এর ? তিরিশ লক্ষ মানুষ ভূমিকম্পে মারা গেছে এরকম যুক্তি তর্ক কোন বিচারক শুনতে চায় ?
শান্তি কমিটি যে গনহত্যার নেতৃত্ব দিয়েছে, তা কোন রাজাকার আদালত আবার নতুন করে প্রমান দেখতে চায়, এটা কি ফাইজলামী না মঘের মুলুক ?
আর নিজামী মুজাহিদি সাকা এরা শান্তি কমিটি, রাজাকার, আলবদর কোন কমিটির কোথায় ছিল তার প্রমান শুনতে কোন পাকিস্তানী আদালতের পনের মিনিটের বেশী হেয়ারিং লাগাবে ?
সুতরাং গন আদালতে সংক্ষিপ্ত বিচার (সামারী ট্রায়াল) আর দোষী প্রমানে শীরচ্ছেদ। এটাই সঠিক, লিগ্যাল এবং জাসটিস। এর ব্যত্যয়ই ইনজাস্টিস। একটা মানুষ মারলে দশ বছরে বিচার করতে হয়, তাতেই ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়। আর যখন হত্যা করা হয় লক্ষ লক্ষ নিরিহ মানুষ, তার বিচার একদিনে করাই সর্বোৎকৃষ্ট ন্যায়বিচার বরং অন্যথায়ই হচ্ছে চুড়ান্ত অবিচার। লক্ষ প্রাণের হত্যাকারীর বিচার সভ্য জাতি এভাবেই করে ইতিহাস তাই বলে।
এদেশের ভবিষ্যৎ সমাজ, নতুন প্রজন্ম টপ লেভেল ২০ রাজাকারের বিচার প্রকাশ্য গনআদালতে সামারী ট্রায়ালে, প্রকাশ্য রায়, ও রায় কার্যকর দেখতে চায়- গনআদালতে, প্রকাশ্য, এবং শীরচ্ছেদ।
আজই এদেশের লক্ষাধীক রাজাকার থেকে (এখানে শান্তি কমিটির ফুল তালিকা আছে Click This Link বর্তমান অবস্থান সহ) টপ ২০ জনের তালিকাটা ফ্রেস একটা কাগজে লেখেন। রাতের মধ্যেই সব কয়টাকে ধরেন এবং ঘোষনা দেন আগামী সপ্তাহের প্রথম কার্যদিবসে সকাল ১১ ঘটিকায় বঙ্গবন্ধু জাতিয় স্টেডিয়ামে প্রকাশ্য গনআদালতে এই কয়টার বিচার এবং রায় কার্যকর করা হবে।
দেশের প্রচলিত আইনেই বিচারক তালিকাটা হাতে নিবে। এক সংগে অভিযুক্ত ২০ জন হাজির। সিআরপিসি ১৯০ ধারায় অভিযোগ আমলে নিবেন। ৩৪২ ধারায় আসামী পরীক্ষা করবেন। এরপর রায় দিবেন। অর্থাৎ প্রথমে অভিযুক্তকে মাঠের মধ্যে হাজির, প্রমান দলীল ইত্যাদী উপস্থাপন, অভিযুক্তকে শ্রবণ এবং রায় প্রদান।
শীরচ্ছেদ সব কয়টারে, ফাল্গুনের চক চকে রোদের আলোয়, গ্যালারী ভর্তি দর্শকের উপস্থিতিতে। আর নতুন প্রজন্ম আপনাদের এই ৫কেবিপিএসে ডিজিটাল বাংলাদেশে ভিসেটে ব্রডব্যান্ড স্পীডে এই বিচার সারা দুনিয়ায় লাইভ কাস্ট করবে।বাংলার মাটিতে রাজাকারদের আর এক মুহুর্ত দেখতে চায় না তারা।
শুধু এক বিকাল একটা ফুটবল ম্যাচ এদের এই ২০ টা মাথা, ফাল্গুনের বিস্তির্ন হাওরের মাঠে। অতপর হাতমুখ ধুয়ে ভালো ছেলের মত সন্ধায় পড়ার টেবিলে।
সরকারের কার্যকলাপে দেশের নতুন প্রজন্ম সন্দেহ পোষন করছে।
এই রাজাকার বাহিনীর চেহারা তাই জনগন আর দেখতে চায় না। জনগন মনে করেঃ
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই মার্চ, ২০১০ বিকাল ৩:০০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



