ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন এবং টেলিযোগাযোগ সংশ্লিষ্ট শুল্কই প্রধান প্রতিবন্ধকতা হিসাবে বিবেচনা করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতাগুলো অপসারনের কৌশল নিরুপণে আজ জাতীয় সংসদে বিশেষ বৈঠকে বসেছিল ডাক ও টেলিযোগাযোগ সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি।
মিটিং শেষে জানানো হয় আগামী দুই মাসের মধ্যে ভিওআইপি উন্মুক্ত করে দেওয়ার সুপারিশ করেছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি। ২% ভাল কাজ করলেন মাত্র তবে জয়ের পারপাস সার্ভ করছেন।
একই সঙ্গে উদ্বৃত্ত ব্যান্ডউইথ রপ্তানির জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে।
হাসানুল হক ইনুর সভাপতিত্বে সভায় ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী রাজিউদ্দিন আহমেদ, কমিটির সদস্য আবদুল কুদ্দুস, সোলায়মান হক জোয়ার্দ্দার, আবদুল ওদুদ, নজরুল ইসলাম, খালিদ মাহমুদ চৌধুরী ও মোয়াজ্জেম হোসেন অংশ নেন।
উল্লেখ্যঃ ২০০৭ সালে মে মাস থেকে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবেলে যুক্ত হওয়ার পর থেকে আজ প্রায় তিন বছর যাবৎ প্রতি মুহুর্তে সারাদেশে যতটুকু ইন্টারনেট ব্যবহার করতে দিচ্ছে তার চার গুন ইন্টারনেট নষ্ট করছে। যেমন এই মুহুর্তে এই সংযোগে আমাদের ব্যান্ডউইথ এর পরিমান ৪৪.৬০ জিবিপিএস ( পৃথিবীর অনেক বিশ্ববিদ্যালয় এরচেয়ে বেশি ব্যাবহার করছে) আর এই ব্যান্ডউইথের মাত্র ১০ জিবিপিএস সারা দেশে ব্যাবহার করছি। বাকি ৩৪.৬০ জিবি ব্যবহার না হওয়ায় প্রতি সেকেন্ডে অব্যবহৃত থাকছে, না থাকছে না, নষ্ট হচ্ছে। এদিকে গত বছর ডিসেম্বর মাসে এই সংযোগে তৃতীয় আপগ্রেডেশনের কথা ছিল, সে ক্ষেত্রে এর ব্যান্ডউইথ হতো ৮৫ জিবিপিএস, স্বাভাবিক ভাবেই অনেক অনেক কম মূল্যে যা আমরা রিজেক্ট করেছি যা আছে তাই ব্যবহার করতে পারছিনা এই অজু হাতে "
তিন বছর নষ্ট করলেন এখন অন্তত তিন দিনের জন্য পুরোটা নেটে দিয়ে দেখান ৫ কেবি ৫০ কেবি হয় কিনা ?
আপনারা কেন থ্রীজি লাইসেন্স নিয়ে কথা বলেন নি ? দুনিয়ার প্রথম থ্রীজি (3G) নেটওয়ার্ক ইনস্টল কছিন জাপান ২০০১ সালের মে মাসে। দক্ষিন কোরিয়া ২০০২ জানুয়ারীতে। শ্রীলংকা ২০০৬ সালে ফ্রী লাইসেন্স দিয়ে দিছে।
ইতিহাসে অপটিকেল ফাইবার নেটওয়ার্ক ১৯৭৭ সালের এপ্রিল মাসে পৃথিবীর প্রথম। অথচ আমরা হারামজাদা জাতি ২০০৯ সালে বাংলাদেশে ডিসেম্বর মাসে অপটিক@হোম (এখানে Click This Link ) নামক একটি মাত্র কোম্পানীকে সারাদেশে অপটিক ক্যাবল নেটওয়ার্ক স্থাপনের জন্য লাইসেন্স দিয়েছি। শুধু একটি মাত্র কোম্পানী একটি মাত্র লাইসেন্স। সুতরাং আমাদের নেশন ওয়াইড অপটিক ক্যাবল হতে অন্তত ৪০ বছর সময় লাগবো যা কিনা নব্বুইয়ের মাঝামাঝি এদেশে সেবা নামক একটি মোবাইল লাইসেন্স দেয়ার চেয়ে কয়েক হাজারগুন খারাপ ও ভয়ংকর কাজ হইছে।
এছারা আপনারা টেরেষ্টারিয়াল টিভির একটা চেনেল বন্ধরেখেছেন। কমিউনিটি রেডিওর নামে ফাউল নীতিমালা বহাল রেখেছেন। আরও কয়টা বলবো ?
এই কর্মের জন্য দায়ী ব্যাক্তির লিস্ট নিচে দেয়া হলো। এদের কি করবেন আপনারাই সিদ্ধান্ত নিন। নিচের উল্লেখিত ব্যাক্তি বর্গই দেশের পুরা টেলিকমিউনিকেশনের জন্য দায়ী।
১. জনাব রাজিউদ্দিন আহাম্মে রাজু, মাননীয় ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী।
২. জনাব সুনিল কান্তি বোস, সচিব ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রনালয়।
৩. মেজর জেনারেল অব জিয়া আহাম্মেদ পিএসপি চেয়ারম্যান বিটিআরসি (বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরী কমিশন)
৪. জনাব সুনিল কান্তি বোস, চেয়ারম্যান টেলিটক বাংলাদেশ লিঃ।
৫. জনাব সুনিল কান্তি বোস চেয়ারম্যান বাংলাদেশ সাবমেরিন কম্পানী লিঃ
৬. জনাব সুনিল কান্তি বোস, সভাপতি ন্যাশনাল ফ্রিকোয়েন্সি এলোকেশন কমিটি।
৭. জনাব সুনিল কান্তি বোস, চেয়ারম্যান বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ ক্যাবল শিল্প লিঃ।
আজ যোগ হলো সংসদীয় কমিটি।
ডিজিটাল বাংলাদেশ বলে শেখ হাসিনা নতুন প্রজন্মের সাথে প্রতারনা করেছে। আমরা আমাদের ভোট ও সমর্থন প্রত্যাহার করে নিলাম আজ এই মুহুর্ত থেকে।
নিজামী মুজাহিদ রাজাকার হলেও তুলনা করলে তারা আপনাদের চেয়ে একশ গুন ভালো। যুদ্ধাপরাধীর বিচারের কোন নৈতিক যোগ্যতা আপনাদের নাই। মানি না এই বিচার। খালেদা নিজামী নতুন প্রজন্ম এক হও টাউটলীগ হটাও।
সর্বশেষ এডিট : ০১ লা এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:২৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

