আমার প্রিয় পোস্ট

যত বড় শহর, তত বড় একাকীত্বতা...

শেষের সময় - বার্ধক্য... (প্রথম পর্ব)

১০ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৫:০৩

শেয়ার করুন:                   Facebook

বাস থেকে হুরমুড় করে নামতে গিয়েই স্যান্ডেলের নাকটা ছিঁড়ে গেল। একটু সামনে রাস্তার ডানপাশে ফুটপাতে এক বৃদ্ধ মুঁচি বিড়ি ফুকছে। পা টানতে টানতে সেদিকেই এগিয়ে গেলেন আবেদীন সাহেব। বয়স ষাটের কাছাকাছি। সরকারী কর্মকর্তা ছিলেন, অবসর নিয়েছেন আজ প্রায় দু-বছর হল। তবুও যেন তার অবসর নেই। প্রতি দিনই তাকে ছুটতে হয় তার প্রাক্তন অফিসে। পেনশনের টাকাটার জন্য। আজ নয় কাল, কাল নয় পরশু, ঈদের ছুটি নাহয় পুজোর ছুটির পরে এভাবে করতে করতে প্রায় দু-বছর পার হয়ে যাচ্ছে তবু টাকা হাতে আসেনা। আর স্বপ্নগুলোও যেন স্বার্থকতার মুখ দেখতে পায়না শুধু ঐ টাকাটার জন্য। কত স্বপ্নই না উঁকি প্রতিদিন দেয় সেই টাকাটাকে ঘিরে। মেয়েটা অনার্স পড়ছে, ওর বিয়ের জন্য কিছুটা রেখে বাকীটা দিয়ে গ্রামের বাড়ীতে গিয়ে একটি খামারের মত করবে। বিশুদ্ধ পরিবেশে কাটিয়ে দেবে জীবনের বাকী কটা দিন। কিন্তু তাও বোধহয় হবেনা। দিন দিন টাকাটাকে ঘিরে প্রত্যাশা যে বেড়েই চলছে।
ছেলের ঘরের নাতিটা জানতে পেরেছে দাদাভাই অনেক টাকা পাচ্ছে।
তাই তাকে একটা কম্প্যুটার কিনে দিতেই হবে। না দিয়ে উপায় আছে ! আবেদীন সাহেবের এক ছেলে এক মেয়ে। স্ত্রী বিয়োগ হয়েছে তার চাকুরী কালীন অবস্থাতেই। প্রায় নয় বছর হল। তারপরই ছেলেকে বিয়ে করালেন। আর সেই ঘরের একমাত্র ওয়ারিশ এই নাতিটা। খুবই বিজ্ঞান মনস্ক, আধুনিক সবকিছু তার চাই। প্রতিদিন ঘরে ফিরলেই গায়ের সাথে লেগে থাকে, পরম ঘনিষ্টতায় জানতে চায় টাকাটা পাওয়া গেল কিনা। তাহলে তার আশাটাও পূর্ণ হবে তাই। আবেদীন সাহেব নাতিটার দিকে তাকিয়ে মৃদূ হেসে উত্তর দেন "না দাদাভাই আজ পাইনি তবে দু একদিনের মধ্যেই পেয়ে যাবো।"
দারুন এক আনন্দের উদ্যমতা নিয়ে ছুটে যায় অন্যঘরে। দু-একদিনের মধ্যেই দাদু টাকা পাবে, টাকাটা পেলেই তার আশাপুর্ণ হবে। আর যতক্ষন পুর্ণ না হচ্ছে ততক্ষন এই আশাই হল বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন। পুর্ন জবে কি হবেনা তার নিশ্চয়তা নেই তবু তাকে ঘিরেই বেঁচে থাকা। জীবনের দর্শনটাই যে এমন সেটাতো আর নাতিটা বোঝেনা তাই তার আনন্দেরও সীমা নেই। জীবনের উপান্তে এসে হারে হারে উপলব্ধি করছেন জীবনকে। সুখ-দূঃখ, আশা-হতাশা, জীবন-মৃত্যূ সবকিছুর মাঝেই কেমন যেন এক টানাপোড়েন খেলা করে। এক অনিশ্চয়তা বিরাজিত আপনমনে। এভাবেই বেঁচে থাকা। জুড়ে থাকে ভাবনা, ভাবনার পথ ধরে শুধু পেছনের পানে যাওয়া। জীবনের উপান্তের পথে চলা এক নিস্বঃঙ্গ নাবিকের ভাবনার চেয়ে বড় বন্ধু আর কে আছে ? টাকাটার পেছনে ছুটতে হচ্ছে বলে কিছুটা ব্যস্ততা আছে। বাকীটা সময় ঘরের কোনে ইজি চেয়ারটাতে গা এলিয়ে দিয়ে সিমাহীন ভাবনার রাজ্যে বসবাস। এবাবেই কেটে যায় আবেদীন সাহেবের সময়টা। এভাবে চলবে পর্যায়ক্রমে। তা যে হবার নয় তাও বোঝেন আবেদীন সাহেব। কারন একই গাছের সব ফলের স্বাদ একরকম হয়না। তবু তিনি তার স্বপ্নগুলোকে হেলা করেননা। আজও লালন করেন নিপুণ ভাবে। হয়তোবা লালন করতে করতে গহীন মৃত্যূর ঘুমে ঘুমিয়ে যাবেন, তবু তার এই দৃষ্টিভঙ্গি বদলাবেন না। কারন এই বিশ্বাসটাই তার নৈতিকতা, এটাই তার জীবনের দর্শণ। তার সহকর্মীরা এমনকি তৃতীয় শ্রেনীর কর্মচারীরাও বাড়ী-গাড়ী করে ফেলেছেন। কিভাবে করলেন তারা ?
তারা যেভাবে করেছেন সেভাবে তিনি পারতেননা। তিনিতো লালন করছেন নৈতিকতাকে। যা দিয়ে ব্যাক্তি বিশেষের বস্তুগত কোন লাভ হয়না। তাই তারও হয়নি। এটাই কি তার অদূরদর্শীতা ? আজকাল মনের মাঝে নানা রকম চিন্তা ঘোরাফেরা করে। যা কাউকে বলাও যায়না বোঝানোও যায়না।

পা টানতে টানতে মুচির কাছে চলে এসেছেন তিনি। টুকটুক করে দুটো পেরেক মেরে দুটো টাকা নিয়ে নিল। এই ভেবে হিসেব কষে আবেদীন সাহেবের মন। জীবনের পুরোটা সময়ইতো কেটেছে হিসেবের বেড়াজালে। আর ব্কীটা সময়ও কাটাতে হবে এই হিসেবের মাঝেই।
সামনের বাঁদিকের মোড়টা পার হলেই তার পুরোনো অফিস। ধীর পায়ে সেদিকেআ এগিয়ে যাচ্ছেন তিনি। মোড় পার হতেই অফিসের প্রধান গেইটটা দেখা যাচ্ছে। গেইট দিয়ে ঢুকছেন এমন সময় তাঁর পাশ দিয়ে এক ভদ্রলোক যাচ্ছিলেন, বয়স তার মতই হবে। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, " কি খবর আবেদীন সাহেব, ভালোতো ? " আবেদীন সাহেব তার দিকে তাকিয়ে উত্তর দিলেন, " জ্বি ভালো।" আর কথা না বাড়ালেন না। কারন প্রশ্নকর্তাকে তিনি মনে করতে পারছিলেন না। আবার দেরী হয়ে গেলে বড় সাহেবকে পাওয়া যাবেনা। তাই সে জলদি হাঁটতে লাগলেন অফিস ভবনের দিকে। আর ভাবছেন কে যেন লোকটা ! অনেকক্ষন পরে মনে পরল উনিতো রহমান সাহেব। দুজনেই একই পথের পথিক। এই রহমান সাহেবকেই মনে করতে পারছিলেন না ! কিযে হযেছে এই ষাটোর্ধ মগজটাতে। কিছুই মনে রাখতে পারেনা। একেই বোধ হয় বলে বার্ধক্য !

টুকটুক করে সিড়ি বেয়ে ওপরে চলে আসেন আবেদীন সাহেব। বড় চেনা এই সিঁড়িগুলো, করিডোর, কক্ষগুলো, চেয়ার-টেবিল সবকিছু। চেনা লাগারই কথা কারন এখানেই তো কাটিয়েছেন জীবনের পঁচিশটা বছর। আরো দুটো বছর বেশী কাটাতে পারতেন, যদি বয়সটা সাতান্ন পাড় না হতো। সবাইতো সার্টিফিকেটে বয়স কিছুটা কমিয়ে দেয় আসল বয়সের চেয়ে। আবেদীন সাহেব এই চালাকীটুকু করতে পারেননি। হয়তো এতোটা দূরদর্শী ছিলেননা। তার এই অদুরদর্শীতার কারনে তার জীবনে কিছুই হলনা। আজ পর্যন্ত সন্তানদের জন্য একটা মাথা গোঁজার ঠাঁই করতে পারলেননা। সারাটাজীবন কাটালেন ভারাটিয়া হিসেবেই। আর গ্রামের বাড়ী ? গ্রামের বাড়ীর কথা বাদ। আজকাল মানুষ সব জিবীকার সন্ধানে ছুটছে শহরের পানে। সবাই শহরমুখী। শহরে আছে ব্যাস্ত গতিময়তা। সবাই ছুটছে শহরে, এখানেই যেন লুকিয়ে আছে প্রান ভোঁমরা।মানুষ যার খোঁজে ছুটছে দিশেহারার মত। তাই সবাই শহরমুখী। আর গ্রামে গিয়েওবা কি হবে ? সেখানে চলছে পাঁচ ভাই আর তিন বোনের ভাগাভাগির যুদ্ধ। এই যুদ্ধ যুদ্ধ খেলা তার ভাল লাগেনা। তিনি চান সহমর্মিতা আর ভালবাসা।
প্রয়োজনে সবাই মিলে কষ্ট করবো তবু সবাই মিলে গড়ে তুলবো এক শান্তির ভুবন। যেখানে সন্দেহ থাকবেনা, থাকবে সিমাহীন বিশ্বাস। সেই বিশ্বাসের ছায়াতলে বেড়ে উঠবে নতুন প্রজন্ম। একা একা ভেবে যাওয়া অবশেষে নিজের কাছেই নিজেকে প্রশ্ন ছূঁড়ে দেয়া। এমন সব প্রশ্ন যার কোন উত্তর পাওয়া যায়না।
আবেদীন সাহেব করিডোর পার হবার সময় একটা কক্ষের সামনে একটু দাঁড়িয়ে গেলেন। একসময় এই রুমটাতে তিনি বসতেন। সেই রুম সেউ চেয়ার সবই আছে শুধু মানুষটা বদলে গেছে, বদলেছে দড়জায় ঝোলানো নেইমবোর্ডটা। এভাবেইতো বদলে যায় সবকিছু। পুরাতনকে রুখে দাড়ায় নতুন। আবার নতুনও সময়ের নিয়মে ধীরে ধীরে পুরাতনের পথেই ছোটে। আবেদীন সাহেব সামনের রুমটার দিকে এগিয়ে যান, সেখানে একসময়কার তার সহকর্মীরা রয়েছেন। তাদের কাছ থেকেই জানতে পারবেন বড় সাহেব এসেছেন কিনা। না আসলে কখন আসবেন। আর তার ফাইলটার কি হলো। কিন্তু এ কি অবস্থা ! সবাই যেন ব্যাস্ত। কেউ মোটা মোটা রেজিষ্টার খাতা ওল্টাচ্ছেন আবার কেউ বসে বসে গল্পে মেতেছেন। কার কাছে জিজ্ঞাসা করবেন ভাবলেন, তারপর সামনের ডানদিকের টেবিলটার দিকে এগিয়ে গেলেন। যেখানে বসে দুজন মহিলা গল্প করছেন। একজনকে তিনি চেনেন, সায়রা খানম তার নাম। অন্যজনকে চেনেননা, হয়তো নতুন। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, " কেমন আছেন সায়রা ? " ভদ্রমহিলা অভিনয়ের হাসি হেসে উত্তর দিলেন " জ্বি ভাল, আপনি ভালোতো।" বলেই আবার মেতে গেলেন গল্পে। আবেদীন সাহেব হাসেন আবার ভাবেন, এই মহিলা মেয়ের অসুখের কথা বলে কত যে অফিস কামাই দিয়েছেন তার হিসেব নেই। তখন স্যার বুলিটা যেন মুখ থেকে সরতোই না। আর এখন যেন বুলিটা বেমালুম ভুলেই গেছেন। কোথায় যেন পড়েছিলেন ডুবন্ত সুর্যকে কেউ স্যালুট করেনা। আজ তা নিজস্ব অভিজ্ঞতায় অনুধাবন করছেন। আবেদীন সাহেব আবার জিজ্ঞাসা করেন, " বড় সাহেব কি আছেন ? " ভদ্রমহিলার উত্তর , " জ্বি, স্যার জরুরী মিটিং এ আছেন। অপেক্ষা করুন।" আবেদীন সাহেব রুমের কোনে একটা চেয়ারে বসে থাকেন কিছুক্ষন। তারপর রুম থেকে বেরিয়ে করিডোরে কিছুক্ষন হাঁটাহাটি করে কাটালেন। কিন্তু বড় সাহেবের মিটিং আর শেষ হয়না।
" আসসালামুআলাইকুম স্যার কেমন আছেন ? "
আবেদীন সাহেব ফিরে তাকান, তাকিয়ে দেখেন প্রশ্নকর্তা এই অফিসেরই একজন পিওন, নাম রহিম। বয়স ২৫ - ৩০ হবে। এই রহিমকে তিনিই চাকুরীটা দিয়েছিলেন। ওর মা একসময় তার বাসায় কাজ করত। রহিমের মায়ের অনুরোধেই বাপ মরা ছেলেটাকে চাকরীর ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন তিনি। ছেলেটা ভালোই, চাকরী পাবার পর থেকে মাকে আর মানুষের বাসায় ঝি এর কাজ করতে দেয়না। একটু স্বচ্ছলতাও ফিরিয়ে এনেছে সংসারে।

আবেদীর সাহেব কিছু বলার আগেই রহিম বলতে থাকে, " স্যার আপনে কি বড় সাহেবের কাছে আইছেন ? বড় সাবতো আইজকা আসবোনা। আইজ বড় সাবের মেয়ের জন্মদিন। তাই ম্যার আসেনাই। আসি স্যার, আসসালামুআলাইকুম।" চায়ের ফ্লাক্স হাতে চলে যায় রহিম। কিছুক্ষন চুপ করে দাঁড়িয়ে থাকেন। কি আর করা, মনের মাঝে সংকল্পটাকে স্মরন করেন, আবার আসতে হবে তাকে। তবে কতবার আর কতদিন তার সঠিক হিসেব জানা নেই। অফিস থেকে বেড়িয়ে পরেন তিনি।

দুপুরের দিকে গাড়ীগুলোতে একটু ভীড় কম থাকে। বাস স্টপে দাড়িয়ে একটি গাড়ী, হেল্পার ননস্টপ বলে যাচ্ছে- " এই মালিবাগ, রামপুরা, কুড়িল সিট খালি সিট খালি। আবেদীন সাহেব দ্রুত পা চালান গাড়ীটা ধরার জন্য। কয়েকটা সিট খালি দেখা যাচ্ছে। আরও দ্রুত হাটেন, দ্রুত হাঁটতে গিয়ে হোচট খেয়ে পরে যান রাস্তায়। চশমাটা চোখ তেকে ছিটকে পরেছে হাত দশেক দুরে। টাল সামলাতে না পেরে রাস্তাতেই পরে রইলেন তিনি। গাড়ীটা চলে গেছে। পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে মানুষ। তাকিয়ে তাকিয়ে দেখছেন আবার কেউ কেউ উৎসুক হয়ে জিজ্ঞাসা করছেন কি হয়েছে ? কিন্তু কেউ সাহায্যের হাত বারাচ্ছেন না। যেন পৃথিবী নামক চিড়িয়াখানায় এক চিড়িয়ার ধরাশায়ী অবস্থা দেখছেন অন্যরা। একজনের বিপদ উপভোগ করছেন অন্যরা কিন্তু তাদের বোধ কিছু বলছেনা। যেন করার কিছু নেই। সবার মনের অনুভূতি যেন ভোঁতা হয়ে গেছে। তবু কেউ না কেউ এগিয়ে আসে, আজও মানুষের পাশে এসে দাড়ায় মানুষ। একজন রিক্সাওয়ালা রিক্সা থামিয়ে দৌড়ে এলেন। আবেদীন সাহেবকে কোমড়ে জাপটে ধরে তুলে নিয়ে বসিয়ে দিলো রিক্সাতে। আবেদীন সাহেব নিথর হয়ে বসে রইলেন কিছুক্ষন। দৃষ্টি একটু ঘোলাটে লাগছে, স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছেন না। মাথাটা ঘুরছে। ভাবেন, যদি সেই যুবক বয়সট হতো তাহলে
এক ঝাপটা মেরে উঠে দাঁড়াতেন। আর এখন ! এখনতো বয়স হয়েছে, বুড়ো হয়েছি না ! রিক্সাওয়ারা জিজ্ঞাসা করে, '' কেমন লাগতাছে এহন ? আবেদীন সাহেব ঘার কাত করে জানায় "ভালো।" আবার জিজ্ঞাসা করে " কই যাইবেন চাচামিঞা ? " তিনি উত্তর দেন " রামপুরা।" রিক্সাওয়ালা পেডেল মেরে রিক্সা চালাতে থাকেন। আবেদীন সাহেব কিছু বলেন না। চুপ করে বসে থাকেন। দেখছেন কোথায় কোথায় আঘাত লেগেছে। ডান পায়ের হাঁটুর এখানে প্যান্টটা ছিড়েছে, হাঁটুটা ছিলে গেছে। বাঁ হাতের কনুইটাও ছিলে লাল হয়ে আছে। চশমার একটা গ্লাস ফেটেছে। তবু ভাগ্য ভালো যে মাথায় আঘাত লাগেনি বা তার ওপর দিয়ে কোন গাড়ী চালিয়ে দেয়নি ! মানুষ যখন বিপদে পরে তখন ভাবে বিপদটা কেটে যাক কেটে যাক, কাটিয়ে উঠতে পারলেই শান্তি। কিন্তু যখন বিপদটা কেটে যায় তখন শুরু হয় বিপদকালীন সময়ের ক্ষয়-ক্ষতির হিসেব। রিক্সায় বসে বসে আবেদীন সাহেব ও সেই হিসেব করছেন।



চলবে...

 

 

  • ১৪ টি মন্তব্য
  • ১৫০ বার পঠিত,
Send to your friend Print
রেটিং দিতে লগ ইন করুন
পোস্টটি ৪ জনের ভাল লেগেছে, ০ জনের ভাল লাগেনি
১. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ সন্ধ্যা ৬:০৬
comment by: হুমায়ুন বলেছেন: ভালই লাগলো। চলূক
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:২১

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ। চলবে।

২. ১০ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:১১
comment by: ছন্নছাড়ার পেন্সিল বলেছেন: ভাল লাগল! চলুক...
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৯:২২

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ। চলবে।
আজকেই শেষ করে দেব।

৩. ১১ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১০:২৪
comment by: আমি ও আমরা বলেছেন: ভালো লাগল কিন্তু, চলতে থাক।
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:১৪

লেখক বলেছেন:
আজকেই শেষ করে দেব।

৪. ১১ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:০৫
comment by: চিটি (হামিদা আখতার) বলেছেন: অসাধারণ!!!! ভাবনাগুলো চমৎকার
তবে আবেদীন সাহেবের জন্য মায়া লাগছে।

চলুক সাথে আছি।
ব্যস্ততার জন্য দেরি, সরি.....।

ভালো থাকুন।
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:১৬

লেখক বলেছেন:
সাথে আছেন তাতো জানিই...
বেশী দেরী করতে হবেনা। আজকেই শেষ করে দেব।

৫. ১১ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১২:৫৫
comment by: মমমম১২ বলেছেন: লেখার শুরুটা খুব সুন্দর হয়েছে।


১১ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৩২

লেখক বলেছেন:
ধন্যবাদ। আসলে লেখালেখি কাজটা সৃষ্টিশীল কাজের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন এবং সাধনার ব্যাপার। আর তাই আমি মনে করি আমি এখনও কিছুই জানিনা বা লিখতে পারিনা। তবে চেষ্টা করে যাচ্ছি। আর এই চেষ্টার মধ্যে যদি এমন মন্তব্য পাই তবে মনের মধ্যে সাহস সঞ্চারিত হয়। আর আশা করছি শেষটাও এমনই হবে।

ধন্যবাদ, মন্তব্যের জন্য।

৬. ১১ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ২:৫৮
comment by: পুষ্প বলেছেন: ঐ দিন ভার্সিটি থেকে ফিরছিলাম,এ এফ রহমান হলেন সামনে আসতেই স্যান্ডেল ফিতা ছিড়ে গেল।কি বিপদ!না পারি সামনে যেতে,না পারি পেছনে।ভাগ্যিস দু কদম সামনেই এক মুচিকে পেয়ে গেলাম।


আর লেখাটা সম্পর্কে বলব,এমন লেখা পাই বলেই ঝামেলা পোহায়েও ব্লগে বসি।আর এটাও কি কল্পনা আর বাস্তবতার মিশেল।
১১ ই আগস্ট, ২০০৮ বিকাল ৪:৫৮

লেখক বলেছেন:
যাহোক মুচি পেয়ে গিয়েছিলেন। নাহলে তো স্যান্ডেল হাতে নিয়ে হাঁটতে হত।

আর সব লেখকের লেখাই বাস্তব আর কল্পনার ফলশ্রুতিতে জন্ম নেয়। আর সে জন্য সবচেয়ে বেশী প্রয়োজন অবজারভেশন পাওয়ার।
যদিও আমি লেখক হতে পারিনি। চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
আজকেই বাকী পর্বে শেষ করে দেব।

ভাল থাকবেন।

৭. ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:১৬
comment by: কঁাকন বলেছেন: এত বড় লিখেন কিভাবে?
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৮ দুপুর ১:৫৮

লেখক বলেছেন:
কেমনে জানি লিখতে লিখতে হয়ে যায়। অনেক কষ্টে কন্ট্রোল করে থামিয়ে দিতে হয় ভাবনাকে। না হলে বাড়তেই থাকবে।

ভাল থাকুন।

 



 


পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ

    কোন বিভাগ নেই

সর্বমোট হিট

 ২০৫১৩