নূর হোসেনের প্রতিকৃতিতে সর্বস্তরের শ্রদ্ধাঞ্জলী
১০ ই নভেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:৪৪
আজ শহীদ নূর হোসেন দিবস। প্রতিবছরের মতো এবারও নূর হোসেনের প্রতিকৃতিতে সর্বস্তরের শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদনের মাধ্যমে যথাযোগ্য মর্যাদায় এ দিবসটি পালিত হয়। শহীদ নূর হোসেন দিবস উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৮টায় শহীদ নূর হোসেন স্কয়ারে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে যুবলীগের নেতৃবৃন্দ পুস্পমাল্য অর্পন করে। এরপর শ্রদ্ধাঞ্জলী নিবেদন করে কমিউনিষ্ট পার্টি, ওয়ার্কার্স পার্টি, বাসদ, বামমোর্চা, বিপ্লবী গণতান্ত্রিক পার্টি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণতন্ত্রী পার্টি, ক্ষেত মজুর সমিতি, কৃষক সমিতি, ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র, গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র । এছাড়াও ছাত্র ইউনিয়ন, প্রগতিশী ছাত্র জোট, যুবইউনিয়ন, ছাত্র মৈত্রী, ছাত্রফ্রন্ট, ছাত্র কেন্দ্র, ছাত্র ফেড়ারেশন, ছাত্রলীগ ও ছাত্র দল পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানায়। আরো শ্রদ্ধাঞ্জলি নিবেদন করেন- বাংলাদেশ উদীচী, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক পরিষদ, খেলাঘর, শহীদ নুর হোসেন সংসদ ও শহীদ বাবুল স্মৃতি সংসদ।
১৯৮৭ সালের এই দিনে স্বৈরাচারী এরশাদ সেনাবাহিনীকে লেলিয়ে দিয়েছিল অসহায় বাঙ্গালীর উপর। ওই সময় শহীদ নূর হোসেন খালি গায়ে বের হয়েছিল কারফিউ ভঙ্গ করার জন্য। বুকে সাদা অক্ষরে লিখেছিল ‘স্বৈরাচার নিপাত যাক’ আর পিঠে লিখেছিল ‘গণতন্ত্র মুক্তি পাক’। এ অবস্থায় মিছিল করতে গিয়ে সেনাবাহিনীর গুলিতে তিনি শহীদ হন।
অন্যদিকে সেদিন কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর থেকে ৬০ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে আমিনুল হুদা টিটু ঢাকার স্বৈরাচারী বিরোধী গণয়ান্দোলনে যোগ দেন। সেনাবাহিনীর গুলিতে তিনিও শহীদ হন। তাঁর লাশ সেনাবাহিনী গুম করে।
লেখক বলেছেন: আহমদ আবদুল হালিম-----কাঠাল পাতা খান তাহলে বুঝতে পারবেন।
লেখক বলেছেন: আহমদ আবদুল হালিম-----কাঠাল পাতা খান তাহলে বুঝতে পারবেন।


















