somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

www.gunijan.org.bd

১৬ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৩৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
http://www.gunijan.org.bd ডি.নেটের কর্মযজ্ঞের অন্যতম অংশ হল 'তথ্যে প্রবেশাধিকারের' তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক দিক নিয়ে কাজ করা। বাংলাদেশ নিয়ে গবেষণাকর্মের ওয়েবসাইট bdresearch.org.bd স্থাপনের পর চিন্তা আসলো, নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করতে বাংলাদেশে গুণীজনবৃন্দকে তাঁদের সাথে পরিচিত করে তোলা দরকার। চারিদিকে হতাশা আর দিকভ্রান্তির মধ্যে গুণীজন আমাদের আলোক-বর্তিকা। অধ্যাপক আনিসুর রহমানের সঙ্গে 'গুণীজন' কর্মসূচি নিয়ে আমাদের প্রথম আলাপ হয়। আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ ও ডি.নেটের যৌথ উদ্যোগে অধ্যাপক আনিসুর রহমানের একক রবীন্দ্র সঙ্গীত সন্ধ্যা আয়োজনের মধ্য দিয়ে 'গুণীজন' কর্মসূচির সূচনা ঘটে ২০০৩ সালের মার্চে। অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী 'গুণীজন' ওয়েবসাইট উদ্বোধন করেন। কথা সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, অধ্যাপক আনিসুর রহমানের রবীন্দ্র সঙ্গীতের সিডি 'মহারাজ'- এর মোড়ক উন্মোচন করেন। 'গুণীজন' ওয়েবসাইট তৈরীতে সিপিডির সাঈদ আহমেদ, ওয়েব ডেভেলপার ফয়সাল আহমেদ এবং ঐ সময়ে কনসার্নে কর্মরত তাইফুর রহমান গুরুত্ত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। নাইমুল হক জোয়ারদার পুরো 'গুণীজন' কর্মসূচি আগলে রাখেন। 'গুণীজন' এর কার্যক্রমকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার জন্য চার সদস্য বিশিষ্ট জুরী বোর্ড গঠন করা হয়। মূলত: গুণীজন নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তির আবির্ভাব প্রতিরোধ করাই ছিল 'জুরী বোর্ডের' মূল কাজ। পরবর্তী সময়ে 'জুরী বোর্ডে'র নাম পরিবর্তন করে 'উপদেষ্টা পরিষদ' করা হয়। অধ্যাপক আনিসুর রহমান, কথা সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, মানবাধিকার কর্মী হামিদা হোসেন ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী জুরী বোর্ডের সদস্য ছিলেন। বর্তমান উপদেষ্টা পরিষদে আছেন সেলিনা হোসেন, হামিদা হোসেন ও জামিলুর রেজা চৌধুরী ।

২০০৪ সালে 'গুণীজনে'র কাজ স্থবির হয়ে পড়লে আবারো তাকে চাঙ্গা করার উদ্যোগ নেয়া হয়। তপন বাগচীকে কর্মসূচির সমন্বয়ক নিয়োগ করা হলেও তিনি খুব বেশি দূর অগ্রসর হতে পারেননি। এরপর আশ্রাফ আবির 'গুণীজন' কর্মসূচির দায়িত্ব নেন। আশ্রাফ আবির দায়িত্ব নেয়ার পর 'গুণীজন' আবার সবল হয়ে ওঠে। তিনি একদল সাংবাদিককে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে 'গুণীজনে'র কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে সক্ষম হন। ধীরে ধীরে ওয়েবসাইটে গুণীজনদের সংখ্যা বাড়তে থাকে।

২০০৬ সালের মে মাসে দৃক গ্যালারী ও গুণীজনের যৌথ উদ্যোগে গুণীজনবৃন্দের ডিজিটাল বায়োগ্রাফী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এ ধরনের প্রদর্শনী বাংলাদেশে প্রথম ছিল। দীন মোহাম্মদ শিবলীর তোলা গুণীজনবৃন্দের আলোকচিত্রের পাশাপাশি সারি সারি কম্পিউটার স্ক্রীনে গুণীজনের ছবি, জীবনী, সৃষ্টির প্রদর্শনী ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।

ঐ সময়েই স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য 'গুণীজন স্কুল ইভেন্ট' নামের একটি কর্মসূচি শুরু করা হয়।

আবির নতুন কর্মসূচির কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় স্বেচ্ছাসেবী সমন্বয়ক হিসেবে ঊর্মি লোহানী ২০০৭ সালে 'গুণীজন' কর্মসূচির দায়িত্ব নেন।

গুণীজন এর কাজে সহায়তা করার জন্য বিশিষ্ট প্রকৃতিবিদ রোনাল্ড হালদার তাঁর সৃষ্টি 'বাংলার পাখি' ও 'টাঙ্গুয়া হাওর' থেকে বিক্রয়লব্ধ অর্থ দান করেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ফেডারেল সরকারের শিক্ষা বিভাগে নিয়োজিত ক্যাথেরিনা রোজারিও তাঁর আবৃত্তির সিডি থেকে বিক্রয়লব্ধ অর্থ 'গুণীজন' কর্মসূচির কাজে দান করেন।

এছাড়া ডি.নেটের কর্মীবৃন্দ বিভিন্ন সময়ে ব্যক্তিগতভাবে আর্থিক সহায়তা করে 'গুণীজন' কর্মসূচিকে সচল রেখেছেন। ডি.নেটের কর্মযজ্ঞের অন্যতম অংশ হল 'তথ্যে প্রবেশাধিকারের' তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক দিক নিয়ে কাজ করা। বাংলাদেশ নিয়ে গবেষণাকর্মের ওয়েবসাইট bdresearch.org.bd স্থাপনের পর চিন্তা আসলো, নতুন প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করতে বাংলাদেশে গুণীজনবৃন্দকে তাঁদের সাথে পরিচিত করে তোলা দরকার। চারিদিকে হতাশা আর দিকভ্রান্তির মধ্যে গুণীজন আমাদের আলোক-বর্তিকা। অধ্যাপক আনিসুর রহমানের সঙ্গে 'গুণীজন' কর্মসূচি নিয়ে আমাদের প্রথম আলাপ হয়। আলিয়ঁস ফ্রঁসেজ ও ডি.নেটের যৌথ উদ্যোগে অধ্যাপক আনিসুর রহমানের একক রবীন্দ্র সঙ্গীত সন্ধ্যা আয়োজনের মধ্য দিয়ে 'গুণীজন' কর্মসূচির সূচনা ঘটে ২০০৩ সালের মার্চে। অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী 'গুণীজন' ওয়েবসাইট উদ্বোধন করেন। কথা সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, অধ্যাপক আনিসুর রহমানের রবীন্দ্র সঙ্গীতের সিডি 'মহারাজ'- এর মোড়ক উন্মোচন করেন। 'গুণীজন' ওয়েবসাইট তৈরীতে সিপিডির সাঈদ আহমেদ, ওয়েব ডেভেলপার ফয়সাল আহমেদ এবং ঐ সময়ে কনসার্নে কর্মরত তাইফুর রহমান গুরুত্ত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। নাইমুল হক জোয়ারদার পুরো 'গুণীজন' কর্মসূচি আগলে রাখেন। 'গুণীজন' এর কার্যক্রমকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়ার জন্য চার সদস্য বিশিষ্ট জুরী বোর্ড গঠন করা হয়। মূলত: গুণীজন নির্বাচনে অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তির আবির্ভাব প্রতিরোধ করাই ছিল 'জুরী বোর্ডের' মূল কাজ। পরবর্তী সময়ে 'জুরী বোর্ডে'র নাম পরিবর্তন করে 'উপদেষ্টা পরিষদ' করা হয়। অধ্যাপক আনিসুর রহমান, কথা সাহিত্যিক সেলিনা হোসেন, মানবাধিকার কর্মী হামিদা হোসেন ও শিক্ষাবিদ অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী জুরী বোর্ডের সদস্য ছিলেন। বর্তমান উপদেষ্টা পরিষদে আছেন সেলিনা হোসেন, হামিদা হোসেন ও জামিলুর রেজা চৌধুরী ।

২০০৪ সালে 'গুণীজনে'র কাজ স্থবির হয়ে পড়লে আবারো তাকে চাঙ্গা করার উদ্যোগ নেয়া হয়। তপন বাগচীকে কর্মসূচির সমন্বয়ক নিয়োগ করা হলেও তিনি খুব বেশি দূর অগ্রসর হতে পারেননি। এরপর আশ্রাফ আবির 'গুণীজন' কর্মসূচির দায়িত্ব নেন। আশ্রাফ আবির দায়িত্ব নেয়ার পর 'গুণীজন' আবার সবল হয়ে ওঠে। তিনি একদল সাংবাদিককে স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে 'গুণীজনে'র কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত করতে সক্ষম হন। ধীরে ধীরে ওয়েবসাইটে গুণীজনদের সংখ্যা বাড়তে থাকে।

২০০৬ সালের মে মাসে দৃক গ্যালারী ও গুণীজনের যৌথ উদ্যোগে গুণীজনবৃন্দের ডিজিটাল বায়োগ্রাফী প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়। এ ধরনের প্রদর্শনী বাংলাদেশে প্রথম ছিল। দীন মোহাম্মদ শিবলীর তোলা গুণীজনবৃন্দের আলোকচিত্রের পাশাপাশি সারি সারি কম্পিউটার স্ক্রীনে গুণীজনের ছবি, জীবনী, সৃষ্টির প্রদর্শনী ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে।

ঐ সময়েই স্কুলের শিক্ষার্থীদের জন্য 'গুণীজন স্কুল ইভেন্ট' নামের একটি কর্মসূচি শুরু করা হয়।

আবির নতুন কর্মসূচির কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ায় স্বেচ্ছাসেবী সমন্বয়ক হিসেবে ঊর্মি লোহানী ২০০৭ সালে 'গুণীজন' কর্মসূচির দায়িত্ব নেন।

গুণীজন এর কাজে সহায়তা করার জন্য বিশিষ্ট প্রকৃতিবিদ রোনাল্ড হালদার তাঁর সৃষ্টি 'বাংলার পাখি' ও 'টাঙ্গুয়া হাওর' থেকে বিক্রয়লব্ধ অর্থ দান করেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত ফেডারেল সরকারের শিক্ষা বিভাগে নিয়োজিত ক্যাথেরিনা রোজারিও তাঁর আবৃত্তির সিডি থেকে বিক্রয়লব্ধ অর্থ 'গুণীজন' কর্মসূচির কাজে দান করেন।

এছাড়া ডি.নেটের কর্মীবৃন্দ বিভিন্ন সময়ে ব্যক্তিগতভাবে আর্থিক সহায়তা করে 'গুণীজন' কর্মসূচিকে সচল রেখেছেন।
সর্বশেষ এডিট : ১৬ ই মার্চ, ২০১০ দুপুর ২:৪৯
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

অনুকুলে নয় শেখ হাসিনা (আপা) প্রতিকুল পরিস্থিতিতেই বেশি অকুতোভয়।

লিখেছেন ক্লোন রাফা, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৪




একদিকে তিনি ঘোষণা দিয়েছেন তিনি দেশে ফিরছেন, আরেকদিকে তিনি প্রায় নিশ্চিন্ন করে দেয়া আওয়ামী লীগকে পুনর্গঠন করে ফেলেছেন! এবং সেই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও বাংলাদেশের অগণতান্ত্রিক, ভয়ঙ্কর এবং অবৈধ রাজনৈতিক... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিএনপির আবালীপনা।

লিখেছেন তানভির জুমার, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:০৮

বিএনপি ৫০ হাজার নাচের শিক্ষক নিয়োগ দিতে যাচ্ছে। যার পেছনে ১০ বছরে ব্যায় হবে ১৫ হাজার কোটি টাকা। যা দিয়ে ফুল প্যাকেজ ৩০ টি জেএফ-১৭ থান্ডার যুদ্ধবিমান... ...বাকিটুকু পড়ুন

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

লিখেছেন নতুন নকিব, ১২ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:২৪

আদ্-দ্বীন হাসপাতালের লাইসেন্স বাতিলের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা জরুরি

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

রাজধানীর মগবাজারে অবস্থিত আদ্-দ্বীন হাসপাতালে ছয় নবজাতকের মৃত্যুর ঘটনায় সারা দেশ শোকাহত। এতগুলো নিষ্পাপ প্রাণের মৃত্যু নিঃসন্দেহে অত্যন্ত বেদনাদায়ক... ...বাকিটুকু পড়ুন

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×