উল্লেখ্য গতকাল ২৫/১০/১০ সকালে ৯.২০ মিনিটে বাকী ভাই মো:পুর থেকে ফকিরাপুল যাওযার উদ্দেশ্যে “মালঞ্চ গাড়ী”তে উঠে। এরপর অজ্ঞান র্পাটির কবলে পড়ে। তার আর পল্টন নামা হলো না। অজ্ঞান হয়ে গাড়ী মধ্যে পড়ে থাকলেন। গাড়ী কন্ট্রাক্টার (সাইফুল) মনে করেছিল সে ঘুমিয়ে আছে। তাই তিনি বিরক্ত করলেন না। অবশ্য পাশে যে ৩/৪ টি লোক বসেছিল, তারা অনেক আগেই নেমে গেছে। গাড়ীর শেষ স্টেশন, লোহারপুল ঢালে। সেখানে গাড়ী পৌছানোর পর সব লোক নেমে গেল। কিন্তু একটা লোক নামলো না। সে অবিরাম ঘুমাচ্ছে। গাড়ী কন্ট্রাক্টার (সাইফুল) গিয়ে দেখলো, সেই মানুষটি এখনো ঘুমাচছেন, যিনি সাইন্সল্যাব থেকে ঘুমাচ্ছিলেন। তিনি এই প্যাসেঞ্জারকে ডেকে তোলার চেষ্টা করলেন। উঠতেছেন না দেখে, ধাক্কাও মারলেন। কিন্তু তিনি ঘুমাচ্ছেন। তারপর ড্রাইভার, হেলপার, কন্ট্রাক্টার বেশ ঝামেলায় পড়ে গেলেন। তারা এই প্যাসেঞ্জারের পকেটে একটি কাগজ পেয়েছিল। তারা অবশেষে স্থানীয় মানুষজনকে নিয়ে_ এই প্যাসেঞ্জার এবং তার পকেটে পাওয়া কাজটিকে পুলিশের হাতে দিলেন। পুলিশের অফিসিয়াল আমলাতান্ত্রি জঠিলতা সেরে এই প্যাসেঞ্জারকে মিডফোর্ট হাসপাতালে নিয়ে যায়। তারপর পুলিশ ওই কাজটির মাধ্যমে এই প্যাসেঞ্জারের বন্ধু সুলভকে পেয়ে যায়। সুলভ দা রুমান মাহমুদকে ফোন করে এই ঘটনা বলে। রুমান মাহমুদ বিকেল ৩.৪৫ মি. মিডফোর্ট হাসপাতাল থেকে বাকী ভাই-কে নিয়ে হেলথ এন্ড হোপ হাসপাতালে নিয়ে আসে। তারপর চলে চিকিৎসা।
বাকি ভাই ঘুমিয়ে আছে। স্যালাইন শেষেও সে উঠে না। রক্ত টেস্টের রিপোর্ট বেরুলো রাত ১০.৩০ মিনিটটে। জানা গেল তার শরীরে বিষ রয়েছে। চলছে চিকিৎসা। (বাকি ভাই নিরিবিলি ঘুমিয়ে। তখন বাকী ভাই’র কাছে কোনো কিছুর অস্থিত্ব ছিল না। মানুষ, পৃথিবী, মহাবিশ্ব, মায়া জগতের মায়া----কিছুই ছিল না। কোনো অনুভূতি নাই, উপলব্দি নেই। এমনকি নিজের কাছে নিজেও না। এক কথাই নাথিং। আর এর নাম মৃত্যু।)
সবাই (ছাত্রইউনিয়ন, যুব ইউনিয়ন, সিপিবি ও অনন্যরা) রয়েছে উৎকন্ঠার মধ্যে___বাকী ভাই’র কখন জ্ঞান ফিরবে?
অবশেষে আজ ২৬/১০/১০ সকালে বাকী ভাই’জ্ঞান ফিরে ফেল। পেল না ২৫ হাজার টাকা ও মোবাইল এবং মানিব্যাগ। ---------অত:পর বাকী ভাই ----------বলে।
সাজেশন: একাধিক পকেটে, একাধিক কাগজে. একাধিক মোবাইল নাম্বার রাখুন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


