বর্তমান সময়কালে বেশ কয়েকজন বিদেশী ভিআইপি ভ্রমনকারী বাংলাদেশে এসেছেন এবং আসছেন। ভারতের পররাষ্ট্রসচিব নিরুপমা রাও এসেছিলেন ৬ জুন। ভারতের সেনাপ্রধান ভি কে সিং এসছিলেন গত রবিবার। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আসবেন ৬ জুলাই। ভারতীয় কংগ্রেসের প্রেসিডেন্ট সোনিয়া গান্ধী এবং ভারতেদর প্রধানমন্ত্রী আসবেন জুলাই মাসের মধ্যেই।
লক্ষ করেছেন নিশ্চয় এই ভিআইপি ভ্রমনকারীদের সবাই ভারতের। আপনারা লক্ষ করে থাকবেন ভারতের বাইরে যে বিশ্বটা আছে, সেখান থেকে বিগত কয়েক মাসে কোন ভিআপি পরিব্রাজক আসেননি।
প্রধানমন্ত্রী প্রায়াই বলেন খালেদা জিয়ার আমলে বিদেশের সাথে বাংলাদেশের সুসর্ম্পক ছিল না, তিনি ক্ষমতা পেয়ে বিদেশের সাথে আকাশচুম্বী সদ্ভাব গড়ে তুলেছেন। সমস্য হচ্ছে বাস্তবে সেই ঘটনা খুবই বিরল।
১৯৭১ সালে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ ঘুটঘূটে অন্ধকার মনে হচ্ছিল। শেখ মুজিব স্বেচ্ছায় ধরা দিয়ে পাকিস্থানে চলে গেলেন আর আওয়ামীলীগের নেতারা ভারতে গিয়ে আশ্রয় নিল। সেখানে তারা একটি আশ্রিত সরকারো গঠন করেছিলেন। সেই আশ্রিত সরকারের সাথে ভারত সরকারের একটি চুক্তি হয়েছিল। বিভিন্ন শর্তের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য ছিল বাংলাদেশ স্বাধীন হলে বাংলাদেশের স্বাধীন কোন পররাষ্ট্রনীতি এবং স্বাধীন প্রতিরক্ষা বাহিনি থাকবে না। শুধু একটা বর্ডার গার্ড বাহিনি থাকবে যার প্রশিক্ষন দেবে বিএসএফ।
আমরা বিগত আড়াই বছরে সেই চুক্তি বাস্তবায়নের চেষ্ট দেখতে পাচ্ছি। ইতিমধ্যে বিডিআর কে ধ্বংশ করে বিজিবি বানানো হয়েছে।
ভারতীয় ভিআইপিদের সফর সর্ম্পকে নানা কথা শুনা যাচ্ছে। কেও কেও বলছেন শাসক দলের সমর্থনবিহীনতা চাপা দেয়া অথবা রাজনৈতিক বিরোধীদের ভয় দেখানো এসব সফরের উদ্দেশ্য। সে কথা সত্যি হলে প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়ে দেয়া সমীচীন হবে যে, তার প্রতিক্রিয়া মারত্মক হতে বাধ্য।
আমরা দেশে স্বাধীন করেছি প্রভু পরিবর্তনের জন্য নয়, শোষণ ও আধিপত্যবাদ থেকে চিরতরে মুক্তি পাওয়ার লক্ষ্যে।
এই সর্ম্পকে আরো জানতে এই লেখাটি পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।





