নিু মাধ্যমিক মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে শিক্ষক নিয়োগের সময় শিক্ষক নিবন্ধনের সনদ সহ আবেদন করতে হয় । ২০০৫ সাল থেকে শুরু হয় শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা। এনটিআরসি কর্তৃক ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ২০০৫-০৬ সালে নাম, বিষয় ও রোল নং দিয়ে খুব সুন্দর ভাবে প্রকাশ করা হয়। ২০০৭ ও ২০০৮ শুধু বিষয় ও রোল মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক উল্লেখ ফলাফল প্রকাশ করেন। ২০০৯ সালে ঢালাও ভাবে ফলাফল প্রকাশ করেন যেখানে নিুমাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের কোন উল্লেখ নাই। ২০১০ সালের ফলাফলকে এনটিআরসি কর্তৃপক্ষ আরও আধুনিকায়ন করে প্রকাশ করেছেন। সেটা হচ্ছে শুধু রোল দিয়ে সার্চ করলেও হলো। আপনি যদি পাশ করেন তাহলে দেখাবে কংরাচুলেশন ইউ হ্যাব পাশ আর ফেল করলে সরি ইউ হ্যাব ফেইল । আবার ফেল করাদের পাশ দেখানোর জন্য এনটিআরসি কর্তৃপক্ষ আরও একটি ডুপ্লিকেট সাইট তৈরি করেছেন। বর্তমানে সেখানে সার্চ দিলে কিছুই দেখা যায় না। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়োগ ছাড়েন। সেখানে অধিকাংশ ফেল করা প্রার্থী দরখাস্ত করেন। তাহলে শুনুন তারা ফেল করে কিভাবে আবেদন করার সুযোগ পান। বর্তমানে প্রকাশিত ৬ষ্ঠ নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফলের সাইটে আপনার দুর আত্মীয় বন্ধুর পাশ করা একটি রোল দিলেই আপনাকে পাশ দেখাবে। যেহেতু আপনার সার্টিফিকেট নাই তাই আপনার এডমিট কার্ডটি স্ক্যান করে ফটোশোপে গিয়ে আপনার পাশ করা রোলটি বসিয়ে দিয়ে একটি প্রিন্ট বের করে নিন। এর পর আপনি যেকোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দরখাস্ত করুন। সাথে টাকার অংকটা বাড়িয়ে দিন দেখবেন আপনার চাকুরি হয়ে গেছে। আর যারা প্রকৃত পক্ষে পাশ করেছে তাদের কোমরে বেল থাকছে না। আর সার্টিফিকেটের ভাবনা সেটাও টাকা হলে আপনি পাবেন। এবার বলুন আমি বিষয়টি কিভাবে জানলাম? একদিন আমার দোকানে একজন ভদ্রলোক এসে বললেন, ভাই আপনাাদের কি স্ক্যানার আছে? আমি বললাম হ্যা আছে। লোকটি বলল, আমার এডমিট কার্ডটি স্ক্যান করে এর মধ্যে একটি রোল বসিয়ে দিবেন। তখন আমি বললাম, ভাই আপনি এই কাজটি করলে ধরা খাবেন। যদিও প্রতিষ্ঠানগুলো এডমিট কার্ড ইউজার নেম, পার্সওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করেন না। আর সার্চ করলেও এডমিড কার্ডে ছবি পাবেন না। লোকটি আমাকে কাজটির জন্য সামান্য হাত খরচা বাড়িয়ে দিতে চাইলে তখন আমার রাগে ভিতরে জ্বলে যাচ্ছিল। আর মনে মনে বলতে লাগলাম এনটিআরসি কর্তৃপক্ষ যদি নিবন্ধনের ফলাফল নাম ও বিষয় সহ প্রকাশ করতেন তাহলে এই ভদ্র লোক দুই নম্বরী ধান্ধা নিয়ে আমার কাছে আসতো না। আমি লোকটাকে-আমার এখানে এই ধরণের কাজ হয় না সাফ জানিয়ে বিদায় দিলাম এবং আমার ডিজিটাল বাংলাদেশে কথা স্মরণ করলাম আর নিচে বিগত সালের কয়েকটি ফলাফলের অনুলিপি পেশ করলাম।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



