somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রসঙ্গ: শিক্ষক নিবন্ধন বনাম ডিজিটাল বাংলাদেশ

২০ শে এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:৪৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



নিু মাধ্যমিক মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে শিক্ষক নিয়োগের সময় শিক্ষক নিবন্ধনের সনদ সহ আবেদন করতে হয় । ২০০৫ সাল থেকে শুরু হয় শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষা। এনটিআরসি কর্তৃক ফলাফল প্রকাশ করা হয়। ২০০৫-০৬ সালে নাম, বিষয় ও রোল নং দিয়ে খুব সুন্দর ভাবে প্রকাশ করা হয়। ২০০৭ ও ২০০৮ শুধু বিষয় ও রোল মাধ্যমিক উচ্চমাধ্যমিক উল্লেখ ফলাফল প্রকাশ করেন। ২০০৯ সালে ঢালাও ভাবে ফলাফল প্রকাশ করেন যেখানে নিুমাধ্যমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের কোন উল্লেখ নাই। ২০১০ সালের ফলাফলকে এনটিআরসি কর্তৃপক্ষ আরও আধুনিকায়ন করে প্রকাশ করেছেন। সেটা হচ্ছে শুধু রোল দিয়ে সার্চ করলেও হলো। আপনি যদি পাশ করেন তাহলে দেখাবে কংরাচুলেশন ইউ হ্যাব পাশ আর ফেল করলে সরি ইউ হ্যাব ফেইল । আবার ফেল করাদের পাশ দেখানোর জন্য এনটিআরসি কর্তৃপক্ষ আরও একটি ডুপ্লিকেট সাইট তৈরি করেছেন। বর্তমানে সেখানে সার্চ দিলে কিছুই দেখা যায় না। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো যে সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নিয়োগ ছাড়েন। সেখানে অধিকাংশ ফেল করা প্রার্থী দরখাস্ত করেন। তাহলে শুনুন তারা ফেল করে কিভাবে আবেদন করার সুযোগ পান। বর্তমানে প্রকাশিত ৬ষ্ঠ নিবন্ধন পরীক্ষার ফলাফলের সাইটে আপনার দুর আত্মীয় বন্ধুর পাশ করা একটি রোল দিলেই আপনাকে পাশ দেখাবে। যেহেতু আপনার সার্টিফিকেট নাই তাই আপনার এডমিট কার্ডটি স্ক্যান করে ফটোশোপে গিয়ে আপনার পাশ করা রোলটি বসিয়ে দিয়ে একটি প্রিন্ট বের করে নিন। এর পর আপনি যেকোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে দরখাস্ত করুন। সাথে টাকার অংকটা বাড়িয়ে দিন দেখবেন আপনার চাকুরি হয়ে গেছে। আর যারা প্রকৃত পক্ষে পাশ করেছে তাদের কোমরে বেল থাকছে না। আর সার্টিফিকেটের ভাবনা সেটাও টাকা হলে আপনি পাবেন। এবার বলুন আমি বিষয়টি কিভাবে জানলাম? একদিন আমার দোকানে একজন ভদ্রলোক এসে বললেন, ভাই আপনাাদের কি স্ক্যানার আছে? আমি বললাম হ্যা আছে। লোকটি বলল, আমার এডমিট কার্ডটি স্ক্যান করে এর মধ্যে একটি রোল বসিয়ে দিবেন। তখন আমি বললাম, ভাই আপনি এই কাজটি করলে ধরা খাবেন। যদিও প্রতিষ্ঠানগুলো এডমিট কার্ড ইউজার নেম, পার্সওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করেন না। আর সার্চ করলেও এডমিড কার্ডে ছবি পাবেন না। লোকটি আমাকে কাজটির জন্য সামান্য হাত খরচা বাড়িয়ে দিতে চাইলে তখন আমার রাগে ভিতরে জ্বলে যাচ্ছিল। আর মনে মনে বলতে লাগলাম এনটিআরসি কর্তৃপক্ষ যদি নিবন্ধনের ফলাফল নাম ও বিষয় সহ প্রকাশ করতেন তাহলে এই ভদ্র লোক দুই নম্বরী ধান্ধা নিয়ে আমার কাছে আসতো না। আমি লোকটাকে-আমার এখানে এই ধরণের কাজ হয় না সাফ জানিয়ে বিদায় দিলাম এবং আমার ডিজিটাল বাংলাদেশে কথা স্মরণ করলাম আর নিচে বিগত সালের কয়েকটি ফলাফলের অনুলিপি পেশ করলাম।
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র - ভ্রাম্যমান লাইব্রেরী ভাবনা

লিখেছেন ইফতেখার ভূইয়া, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৮:৪৬


শ্রদ্ধেয় আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যাররে হাতে গড়া প্রতিষ্ঠান বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র তার জন্মলগ্ন ১৯৭৮ সাল থেকে অনেকটা পথ পেরিয়ে এসেছে। আমার মনে পড়ে, আমি স্কুলে পড়াকালীন সময়ে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে স্কুল... ...বাকিটুকু পড়ুন

=একান্ত নিজস্ব জিনিসগুলো পর হয়ে যাচ্ছে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ১০ ই জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৫



যে চোখ দিয়ে দেখেছি ধরার আলো, সে চোখও দিচ্ছে ফাঁকি,
যে চোখের আলোয় দেখেছি পুকুর নদী, শুকনো উঠোন;
বৃষ্টি ভেজা দিন, দেখেছি ময়না শালিক, ঘুঘু ডাকা দুপুর
সে চোখ পর হয়ে যাচ্ছে অল্প... ...বাকিটুকু পড়ুন

রবিন খুদারা কেন বাংলাদেশে বিনিয়োগ করেন না ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:২৩


Robin Khuda ঢাকার ছেলে। স্কুল পড়েছেন এই দেশেই। তারপর অস্ট্রেলিয়া গেছেন, AirTrunk বানিয়েছেন, Blackstone তাকে ১৬ বিলিয়ন ডলারে কিনে নিয়েছে, আর এখন তিনি ভারতে ৩০ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করছেন... ...বাকিটুকু পড়ুন

দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১১ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৪

আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

লিখেছেন শায়মা, ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১০:০৪



ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×