শেষ বিকেল। ক্যম্পাস থেকে ফিরছি। হলের কাছাকাছি।সাথে বন্ধু হাছন রাজা। খুবই আচমকা।হুমায়ুন আজাদের ৫৬হাজার বর্গমাইল কাবিতার সে যুবকের মত এক যুবক। প্রচন্ড গতিতে মোটর বাইক চালিয়ে আসছে। হলের সামনে রাস্তার মঝে উচু আইল্যান্ড সে খেয়াল করেনি। স্প্রিংএর মত মটর বাইক এবং যুবক ভূমি থেকে অনেক উপরে উঠে আবার মাটিতে ছিটকে পড়ল। তার পর যা হয়।
মহসিন হলের মাঠের পাশে বসে কয়েক তরুন গাজন সেবন করছিল।বিষয়টি তারা খেয়াল করল। তড়িৎ গতিতে তারা যুবককে টেনে হিছরে মাঠের মধ্য নিয়ে এল। যুবকের শরীর অনেক স্থানে থেতলে গেছে। গাজন সেবক তরুনরা তার উপরেই যুবককে উত্তম- মাধ্যম - মধ্যম দিল।
মুমূর্ষু য়ুবক। গুটি কয়েক পুলিশ তখন এসে তাকে নিয়ে গেল।আমার মন খুব খারাপ হয়ে গেল। মানুষটা এ্যাকিসডেন্ট করছে তার পর আবার তাকে যাচ্ছেতাই মারা হল। অমানবিক।
ফিলসফির ছাত্র হাছন রাজা। দার্শনিক দৃষ্টিভঙ্গিতে বিষয়টি তার কাছে মজার লেগেছে।হাসতে হাসতে সে বলল,ভালই হয়েছে। শালা ক্যাম্পাসে হিরো সাজতে এসেছে। গাজন খোরদের কার্যাবলী তার কাছে ভালই মনে হয়েছে। কিন্ত সে জানতো না গাজা সেবন না করলে তারা এ কাজ করতো না।
বি:দ্র: পরে শুনতে পেলাম পুলিশ ও তার কাছ থেকে চা পানির পয়সা নিয়েছিল।
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে জুলাই, ২০০৮ বিকাল ৩:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


