দেশের আরও অন্য দশটা বিতর্কের মত অন্যতম বিতর্কটি হচ্ছে দেশে জঙ্গী আছে নাকি নাই?
আমাদের রাজনৈতিক দল থেকে শুরু করে জনগণ পর্যন্ত যে কোন ইস্যু নিয়ে দুই ভাগ হয়ে যাই হোক সেটা বিডিআর এর হত্যাকান্ড কিম্বা দশ ট্রাক অস্ত্র মামলা । দেশে জঙ্গী আছে কি নেই এই বিতর্কটি অনেক দনি ধরে টিকে আছে থাকার কারনও কিন্তু আছে । সেই ২০০৩ সন থেকে বিতর্কটি শুরু। যাই হোক মহাজোট সরকার গঠনের পর তা নতুন মাত্রা পেয়েছে মাত্র। নতুন সরকার আসার পর সরকার জোর দিয়ে বলছে দেশে জঙ্গী আছে বিএনপি-জামাত নেতারা বলছে জঙ্গী নেই । বিরোধী দলের অনেক সিনিয়র নেতা বলেছেন দেশে কোন জঙ্গী নেই । সর্ব শেষ সংসদের প্রধান বিরোধী দলের নেত্রী খালেদা জিয়া ২রা মে প্রায় লাধিক লোকের জনসভায় বলেছেন: ” দেশে কোন জঙ্গী নেই যা ছিল তাদের ধরে আমরা বিচার করেছিলাম। দেশে এত সমস্যা থাকতে সমস্যার সমাধান না করে সরকার কেন জঙ্গী খুঁজে বেরাচ্ছে।”
মননীয় বিরোধী দলের নেত্রীর কাছে আমি কি দুটো প্রশ্ন করতে পারি :
প্রশ্ন-১: গত ১৪মে রাতে বোম মিজান ও তার স্ত্রী এবং বোমা তৈরির যে কারখানা আবিস্কার হলো সেটা কি জঙ্গী কার্যক্রম না কি অন্য কিছু ।
প্রশ্ন-২ : যেহেতু জঙ্গী কার্যক্রম সব সময়ই গোপনে চলে তাই কেউ জানতে পারে না তারা কিভাবে কোথায় কার্যক্রম চালায় । এবারও দেখা গেছে তেমনি ব্যাপার । বাড়্ওীয়ালাও জানে না তার বাড়ী ভাড়া নিয়েছে একজন জঙ্গী। এত গোপন বিষয় সম্পর্কে মাননীয় বিরোধী দলীয় নেত্রী কি করে নিশ্চিত হলেন, যে দেশে জঙ্গী নেই ?
আরও একটি গুরুত্বপূর্ন প্রসঙ্গ নিয়ে ইদানিং কথা বলছেন বিএনপি-জামাতের নেতারা তা হলো। সরকার জঙ্গী আছে জঙ্গী আছে বলাতে বহিবিশ্বে আমাদেও দেশের ভাবমূর্তি ুন্ন হচ্ছে । এটি নিয়েও আমার প্রশ্ন আছে সেটি বিরোধী দলের নেত্রীর কাছে নয় ব্লগারদের কাছে:
প্রশ্ন : কোনটি আসলে বহিবিশ্বে আমাদের ভাবমূর্তি উজ্জল করবে ? দেশে কোন জঙ্গী নেই বলে খোদ রাজধানীতে বোমার কারখানা আবিস্কার করা । নাকি বোমার কারখানা পেলেও আবিস্কার না করা । না কি দেশে জঙ্গী আছে এবং তাদের খুঁজে বের করা হবে বলে তাদের সত্যি সত্যি খুঁজে বের করা ।
বি: দ্র: জঙ্গী কিন্তুু ব্লগেও আছে । মানে আমি বোঝাতে চাচ্ছি তাদেও প্রত্যা এবং পরো সমর্থক আছে । এদের ধারাবাহিক মন্তব্য পর্যালোচনা করলে আপনারও আবিস্কার করতে পারবেন তাদের ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

