বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটা বিষয় বেশ প্রতিষ্ঠিত তা হচ্ছে, নিজের কাজের কথা না বলে অন্যের বদনাম করা । আপনি যদি কোন আওয়ামীলীগ নেতাকে কোন ব্যর্থতার বিষয়ে প্রশ্ন করেন তিনি তার বা তাদের ব্যর্থতার জবাব না দিয়ে বিএনপির একই বিষয়ে অধিক ব্যর্থতা উপস্থাপন করবেন। একই কাজ বিএনপি নেতাও করবেন।
রাজনৈতিক নেতাদের আরও একটি বিষয় আমার কাছে ব্যক্তিগত ভাবে অসহ্য লাগে তা হচ্ছে, জনগনের কথা নিজের নামে কিনে নেয়া। যেমন যে কোন সিদ্ধান্তগত বিষয়ে যে দল ক্ষমতায় থাকে তারা বলেন জনগন এই বিষয়কে স্বাগত জানিয়েছে । আর বিরোধীদল বলে জনগন এই বিষয়কে প্রত্যাখ্যান করেছে। রাতারাতি উনারা জনগনের মতামত পান কোথায় ?
জনগণ কি বিষয়টি উপন্থাপনের সাথে সাথেই তাদেরকে ফোন বা এসএমএস করে তাদের মত জানিয়ে দেন।
ভোটের মাধ্যমে সরকারী দল নির্বাচিত হয় বটে তার মানে তো এই নয় যে ভোটের পরে সেই সরকার যা কিছু করবে তার সব কিছুই তারা সমর্থন করবে।
যাই হোক, রাজনৈতিক নেতাদের এ সব বিষয় এখন প্রতিষ্ঠিত। এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করাও আমার উদ্দেশ্য নয় । আমি একটু জনগণ অর্থাৎ আমাদের সমালোচনা করেত চাই । গত প্রায় ৫/৬ বছর যাবত একটি ফ্যাশন আমাদের অর্থাৎ জনগণ এবং সুশীল সমাজের মধ্যে চালু হয়েছে আর তা হচ্ছে। দুই বড় রাজনৈতিক দলকে গালি দেয়া । যেন তাদেরকে গালি দিলেই সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেল । বিগত তত্বাবধায়ক সরকারের আমলেও এই চর্চা দেখা গেছে।
গনতন্ত্রের রীতি অনুযায়ী দুই জনের বা দুই মতের তুলনা করে ভাল খুজে বের সরাই বাঞ্ছনীয়। গনতান্ত্রিক রীতিতে দুই জন ভাল প্রার্থীর মধ্যে যেমন অপেক্ষাকুত ভাল প্রার্থী খুঁজতে হয় তেমনি দুই জন খারাপ প্রার্থীর মধ্যেও অপেক্ষাকৃত কম খারাপ প্রার্থী খুঁজতে হয়।
তাই আসোন সবাইকে গালি না দিয়ে অপেক্ষাকৃত ভালকে খুঁজে বের করি। আর অর্বাচীন উপদেষ্টা মইনুলের মত সব রাজনীতিবিদকে গালি না দিয়ে ভালটা চিনে নেই । আর তা না হলে গনতান্ত্রীক ব্যবস্থাই আসুন বাতিল করি ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


