ফুলকে কৃষি ফসলের পাশাপাশি বৃহৎ পরিসরে চাষ করছেন যশোর-খুলনা অঞ্চলের প্রায় তিন হাজার কৃষক। তাছাড়া বেনাপোল সীমান্তবর্তী অঞ্চলে অসংখ্য কৃষক এখন খাদ্যশস্য চাষের পরিবর্তে ফুল চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন। বিশেষ সূত্রে জানা গেছে, যশোরের কামারপাড়া, গদখালি, পটুয়াপাড়া, নবীনগর, বোধখানা, ফতেপুর, জাফরনগর, মেঠোপাড়া, পানিমরা, চাপাতলা, সৈয়দপাড়া, বইচিতলা, কৃষ্ণচন্দপুর, পারানদাসা, কুলিয়া, গাবড়েপাড়া, নাভারন, বাইশা, চাদপুর, আমিনি, শরিকপুর, নিধামখোলা, শিয়রদা, আরসিংড়ি, শার্শা, জিরেনগাছা, শ্যামলাগাছি, ধলদাররামপুরসহ শতাধিক গ্রামে সাত হাজার বিঘা জমিতে নানা প্রজাতির ফুলের চাষ হচ্ছে। এখানে উৎপাদিত ফুল ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেটসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌছে যায়।
আশির দশকের শুরুতে সারা দেশে ফুলের ব্যবসায়িক প্রসার ঘটে। ফলে ফুল চাষেও বৈপ্লবিক পরিবর্তন শুরু হয়। এ কারণে সরকারি-বেসরকারি পর্যায়ে ফুল বীজসহ অন্যান্য দ্রব্যসামগ্রীর সহজ প্রাপ্তি শুরু হয়। বীজ এবং ফুল চাষের প্রশিক্ষণের সহজলভ্যতার কারণে এক দশকের ব্যবধানে ফুল চাষীর সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়ে যায়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


