কবি হওয়া কি মুখের কথা?না,কবি হওয়াটা মোটেও সহজ নয়।কিন্তু অল্প বয়সে সবার মধ্যেই কবিতা লেখার একটা চেষ্টা দেখা যায়।এটা মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তি।এটাকে আমি খুব সাধারণ একটা ব্যপার হিসেবেই দেখতে চাই।কিন্তু তারপরও প্রশ্ন থেকেই যায়,এ ক্ষেত্রে পরিবারের অভিভাবকদের ভূমিকা নিয়ে।ক্ষুদে কবিকে আগে জানতে হবে,কোনটা আগে দরকার,কবিতা লেখা নাকি কবিতা পড়া?
সমস্ত ব্লগারদের প্রতি যথাযথ সম্মাণ রেখেই বলছি,কবিতা লেখার আগে দয়া করে কবিতা পড়ুন।আধুনিক কবিতা লেখার আগে পুরোন দিনের কবিতাগুলোকে জানুন।পুরাতনকে না জনলে নতুনকে বরণ করবেন কিভাবে?
অল্প বয়সে কবিতা লেখার চেষ্টা সবাই করে।আমিই বা ব্যতিক্রম হব কেন?ক্লাস টেনে পড়ার সময় বিশেষ পরিস্থিতিতে আমিও একটা কবিতা লিখেছিলাম।২০০৫ সালে লেখা আমার সেই কবিতা এখন আপনাদের সামনে তুলে ধরছি,না বুঝে কবিতা লিখলে সে কবিতার দশা কি হয়,একবার দেখুন,
সুখ দূঃখের পালাক্রম
আগামীকাল হতে চলেছে আরও কঠিন
জীবনটা হতে পারে আরও মলিন।
নাও হতে পারে ভালো ভাগ্যের ভাগ্যলিখন
নষ্ট করতে পারে সে তোমারই জীবন!!
মনের জোড়,পরিশ্রম থাকলে মানুষের,
হতাশা আর ব্যর্থতা হয় অনেক দূরের।
ব্যর্থতার মাঝে মোদের হয় শুধু হিংসা!
সব কিছু শেষ করে গ্রাস করে হতাশা।
স্মৃতির পাতায় আজ সুখের স্মৃতি খোঁজ
সফল হতে তুমিও পার, একটিবার বোঝ।
জীবনটা যে শুধুই তোমার অন্য কারো নয়,
হতাশায় ভেঙে পড়ে কোনো কাজ কি হ্য়?
রাতের পর দিন আসে,দূখের পর সুখ
সেই সুখের দেখা পেতে সবাই উন্মুখ।
এরকম কবিতা লেখা চলতে থাকলে ফলটা নিশ্চই ভালো হত না?তাই অনুরোধ করব,আগে পড়ুন তারপর লিখুন।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



