somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ত্রিশ লক্ষ বাঙ্গালীর প্রকৃত হত্যাকারী কে?

২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১১:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সত্তুরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরন্কুশ সংখা গরিষ্ঠতা অর্জন করল।সকল দল আওয়ামী লীগের হাতে ক্ষমতা ছেড়ে দেওয়ার জন্য বলল।কিনতু ভুট্টোর চাপে পড়ে পাকিস্তানের সামরিক সরকার ক্ষমতা হস্তানতরে টালবাহানা শুরু করে দিল।তারা শেখ মুজিবের সাঠে সংলাপের নাটক শুরু করে দিল। এভাবে টালবাহানা করে সরকার কাটিয়ে দিল দীর্ঘ সাড়ে তিন মাস।ক্ষমতা প্রদানের প্রক্রিয়াও শুরু হয় না,সংলাপও শেষ হয় না।তারর আসে পঁচিশে মাচর্ে কাল রাত।লক্ষাধিক পাকসেনা ঝর্পিয়ে পড়ল নিরীহ বাঙ্গালীর উপর ।শেখ মুজিব স্বেচছা বন্দীত্ব কবুল করে নিয়ে চলে গেলেন পাকিস্তান।আওয়মী লীগ নেতারা নগণকে তোপের মধে ফেলে রেখে ভারতে পালিয়ে গিয়ে আত্ম রক্ষা করেন। আক্রান্ত বান্গালীরা রুখে দাড়ায় ।
দীর্ঘ নয় মাস লড়াইয়ের পর দেশ স্বাঢীন হয়।পচঁনব্বই হাজার সৈন্য নিয়ে ভারতীয় মির্ত্ত বাহিনীর কাছে আত্মসমর্পন করে।
সিমলা চুক্তির ভিত্তিতে বাংগালী হত্যাকারী পাক সৈন্যদের পাকিস্তানে ফেরোত পাঠানো হয়।চুক্তিপর্তে স্বাখ্ষর করেন ভারটের পররাষ্ট মন্তরী শরনশিং,পাকিস্তানের আজিজ আহমদ,বাংলাদেশের কামাল হোসেন।
তার আগই পাকিসতান কারাগার থেকে ফেরত আসেন সেখ মুজিব। অস্থায়ী সরকারের কাছ থেকে ক্ষমতা বুঝে নিয়ে ত্রিশ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনদেশ টিকে গড়ে তোলার ডাক দেন তিনি।
এবার কয়েকটি প্রশ্ন...
সত্তরের ডিসেম্বরের নির্বাচনে এ দেশে কয় জন পাক সেনা ছিল?
নির্বাচনে তো শান্তি শ্ংখলা রখ্ষা করেছিল এ দেশের পুলিশ,বিডিআর,ও আনসার বাহিনী।
মুষ্টিমেয় যে কয় জন পাক সেনা ছিল তারা কোন হিসাবের আওতায় পড়ে না। তা হলে পঁচিশে মার্চের রাতে লখ্ষাধিক পাক সেনা আমাদের উপর ঝঁপিয়ে পড়ল কিভাবে?
তা হল, নির্বাচনের পর থেকেই দলে দলে পশ্চিম পাকিস্তান থেকে সৈন্য আসা শুরু হল।এক পর্যায়ে বন্ধ হয়ে গেল কুর্মিটোলা এয়ারপোর্ট গেট।তখন জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর চালু হয় নি।কুর্মিটোলাই ছিল আমাদের বিশ্বের সাথে যোগাযোগের মাধ্যম।সেখানে এসে জমা হতে লাগল সৈন্য আর অসত্র।র্পতিদিন হাজার হাজার সৈন্য এসে নামছে বিমানবন্দরে।আওয়ামী লীগের নির্বাচিত সংসদ সদস্য ওজাতীয় নেতাদের সামনে দিয়ে আসতে লাগল অসত্র বোঝাই প্লেন।হাজার মাইল দূর থেকে মাসের পর মাস এভাবে অসত্র আর সৈন্য এনে ওরা আমাদের মারার জন্য প্রস্তুত হতে পারল কিন্তু আমদের নেতারা একবারও বলল না , বন্ধ করো এভাবে অসত্র আর সৈন্য আনা।যদি আনো তবে ার কোনো আলোচনা হবে না তোমাদের সাথে।
এই অসত্র আর সৈন্য নিয়ে তারা যে আমাদের উপর ঝঁাপিয়ে পড়বে এই সাধারন কথাটা ও আমাদের নেতারা বুঝতে পারলনা,। এটা কি আহাম্মকী নয়?নির্বাচনের এক মাসের মধ্যে ও যদি যুদ্ধ শুরু হয়ে যেত তবে কোতায় পেতো পাকিস্তানিরা আমাদের মারার জন্য অসত্র আর সৈন্য? যে কয় জন পাকিসতানি সৈন্য এখানে ছিল তারা তো নিজেরাই পালাবার পথ পেতো না,আমাদের হত্যা করতো কখন?আমি তো বলতে চাই ক্রমাগত সৈন্য ও অসত্র আনার বিরুদ্ধে কোন প্রতিরোধ আনদোলন গড়ে না তোলে,এমনকি এর বিরুদ্ধে টু' শব্দটি না করে ;ত্রিশ লখ্ষ বাংালী হত্যার সুযোগ করে দিয়েছিল তৎকালীন জাতীয় নেতৃবৃন্দ,স্পশ্ট করে বলতে গেলে আওযামী লীগ নেতারাই।
শুধু ঢাকা এয়ারপোর্ট নয় ,জাহাজে করে ভারী ভারী অসত্র আসছিল চট্টগ্রাম দিয়ে ও। নেতাদের কোনো দিক নির্দেশনা না থাকার কারনে সে অসত্র খালাস করে মিলিটারির হাতে তুলে দিটে বাধ্য হয়েছিল এদেসের শ্রমিকরাই।ভাগ্যের নির্মম পরিহাস ,আমাদের নেতারা একবারও বলল না, খ্ষমতা হস্তান্তরের আগে বন্দরে কোনো অসত্র বোঝাই জাহাজ ভিরতে পারবে না।বললো না, াগে অসত্র ও সৈন্য ানা বন্ধ করো,নইলে তোমাদের সাথে কোনো আলোচনা নয়। যে নেতারা বুঝতেই পারলো না ,ভারী ভারী ট্যাংক ও কামান মাছি মারার জন্য আনা হচ্ছে না,টন টন গোলা বারুদআতশ বাজি খেলার জন্য ানা হচছে না,তারা যদি আহাম্মক না হ্য় তা হলে আহাম্মক কে? সে দিন যদি মানব প্রাচীর তৈরী করে এসব অসত্র এয়ারপোর্ট ও.বন্দরে আটক করে রাখা হতো তাহলে পাক আর্মি কোথায় পেতো বাংগালীদের উপর তাক করার অসত্র, গুলি?
মুক্তিযুদ্ধের বইগুলি,সে সময়কার সংবাদপত্র ,এমনকি স্বাধীনতার উপর সরকারী ভাবে প্রকাশিত পনেরো খন্ডের 'মুক্তিযুদ্ধের দলিল' গ্রন্থে ও শেখ মুজিব এর কন্তঃ থেকে অসত্র ও সৈন্য আনার বিরুদ্ধে কোনো হুঁশিয়ারী শোনা যায় নি।তিনি বজ্র কন্ঠে অশযোগ আন্দোলনের ডাক দিয়েছিলেন ।খাজনা দিতে নিষেধ করেচিলেন, ৭ই মার্চের ভাসনে যার যা আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকতে বলেছিলেন,কিন্তু পাকিস্তানিদের এ্ই সামরিক প্রস্তুতি যেন তিণি দেখতেই পান নি।
তিনি যখন ইয়াহইয়ার সাথে বৈঠকের পর বৈঠক করছেন, তখন বিমান বন্দরে এসে একের পর এক নামছিল সৈন্য ও অসত্র বোঝাই বিমান। তিনি জানালা দিয়ে দেখেছেন সে বিমানের আসা আর যাওয়া- কিন্তু কোনো ভাবেই বুঝতে পারেন নি আলোচনার আড়ালে কিভাবে চলছে পাক বাহিনীর সামরিক প্রস্তুতি।এভাবেি তৎকালীন আওয়ামী লীগ নেতারা পশ্চিম পাকিস্তান থেকে অসত্র ও সৈন্য আনার পথ উন্মুক্ত রেখে বাংালী হত্যার পথ প্রসস্ত করে রেখেছিলেন? তাদের একটু অদূরদূর্শিতা ও বোকামীর জন্য হাজার মাইল দূর থেকে পাক বাহিনীর লখ্ষাদঃিক সৈন্য প্রয়োজনী্য অসত্র শসত্র নিয়ে এসে পজিশন নিতে পেরেছিল বাংলার মাটিতে।

তাই যদি বলি ,পশ্চিম পাকিস্তান তেকে এই অঢেল অসত্র আর সৈন্য আনার পথ যারা বন্ধ করে নি -লখ্ষ লখ্ষ বাংালীর প্রকৃত হত্যাকারী তারা ,তা হলে কি ভুল বলা হবে?
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ৯:৫০
৬৩টি মন্তব্য ১৬টি উত্তর পূর্বের ৫০টি মন্তব্য দেখুন

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

Claude Fable 5: Journey from ANI 2 AGI -প্রযুক্তির ইতিহাসে নতুন এক সন্ধিক্ষণ

লিখেছেন বোকা মানুষ বলতে চায়, ১২ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ২:২৭



প্রযুক্তির ইতিহাসে এমন কিছু মুহূর্ত আসে, যা পরবর্তী কয়েক দশকের গতিপথ নির্ধারণ করে দেয়। ইন্টারনেটের আবির্ভাব, স্মার্টফোন বিপ্লব কিংবা Generative AI-এর উত্থান ছিল তেমনই কিছু ঘটনা। সম্প্রতি Anthropic-এর নতুন Frontier... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:০৭


আমরা এখন কোথায় আছি, কোথায় যাচ্ছি জানিনা ?



আজ শুক্রবার, ১২/০৬/২০২৬ ইং তারিখ
................................................................
গিয়েছিলাম পাড়ার মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়তে ।
সব সময়ই যাই, একটু বয়ান শুনি তারপর খুৎবা শুরু হয়,নামাজ... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে যায় লঙ্কায় সে হয় রাবণ

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৩ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২


ব্যাংকের সিএসআর বা কর্পোরেট সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি (Corporate Social Responsibility) তহবিল জিনিসটা খাতায় কলমে বড়ই পুণ্যের কাজ। ব্যাংক ব্যবসা করে লাভ করবে, সেই লাভের একটা অংশ সমাজের জন্য আলাদা রাখবে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাকি রইলো; কাঁচা কলা

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ১৩ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১১:৪৭


স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম, স্ল্যা-কুম.....!!
বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অভাবনীয় উন্নতির এ সময়ে; উড়ে এসে জুড়ে বসা, মাথা নষ্ট এ চীজ গুলো আমাদের শিশুদের ব্রেইন ব্লক করে দেয়ার কোনও এক সুদূর প্রসারী প্লানের... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্মৃতির নৌকা

লিখেছেন সেজুতি_শিপু, ১৩ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:১১


কোন কোনদিন আলোর শৈশবে চোখ মেলে
মাধবীলতার হাসিমুখ সম্ভাষণের ওপাশে স্বচ্ছ আকাশে
এক ঝাঁক কবুতরের ওড়াউড়ি দেখতে দেখতে-
নিজেকে বড় ভাগ্যবান বলে মনে হয়,
চকিতে অপার্থিব আলো যেন ঢুকে পড়ে আত্মায়।

কোন কোন সন্ধ‍্যেয়... ...বাকিটুকু পড়ুন

×