somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

দেশের উন্নয়নে সেনাবাহিনীর জন্য নতুন পোশাক এবং অন্যান্য কথা

০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১:১১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

সেনাবহিনীর জন্য নতুন পোশাক দিতাছে সরকার। দেশের উন্নয়নে সেনাবাহিনীর এই নতুন পোশাকের গুরুত্ব অনেক। এই বিষয়ে কোন সন্দেহ নাই। আমাগো দেশের সেনাবাহিনী বিশ্বের উন্নত সেনাবাহিনীর মতো বুক উচা কইরা ঘুরবো এইডা কি কম কথা? অনেকেই হয়তো জানেন যে, একেক সময় একেক পোশাক পড়নের লাইগা আইনও আছে সেনানিবাসের ভিতরে। বর্তমান সেনাবাহিনীর উন্নতি ও বিশ্বের সাথে তালমেলানের লাইগা সর্বাধুনিক সামরিকবাহিনী বানানোর জন্য সরকারের যে চেষ্টা তা নিশ্চয়ই প্রশংসার দাবী রাখে। সেই সাথে সরকারের নতুন নতুন কর্মকৌশল আমাদের শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য প্রসংশারও বটে।

অনেকেই বিষয়টা নিয়া নিন্দা চর্চায় ব্যস্ত আছে। সেইদিন সকালে পাড়ার চায়ের দোকানে গেছি সেইখানেও এইসব কথাবার্তা। আমাগো পাড়ার মফিজ মিয়া কইতাছে, ''ফাকিস্তানের অবস্থা দেইখা আমাগো সরকার নাকি সেনাবাহিনীরে খুশি করার একটা অভিনব পন্থা আবিষ্কার করছে।'' বুঝেন এইবার আবালগো কথা।
ঐখানে জহির মাষ্টার বইসা ছিল, তিনি কইলেন যে, ''এইটার একটা ভাল দিক আছে ভাই। নারীরা যেমন সুন্দর পোশাক আর আলতা লিপিষ্টিক পাইলে পরিবারে শান্তি বজায় রাখে, তেমনি সেনাবাহিনীরে একটু সাজাইয়া রাইখা যদি দেশের সরকার শান্তি আনতে পারে তবে সামনের ইলেকশনে আর চিন্তা করতে হইবো না। ঠিক কি না কন?''
সবাই তারে সাপোর্ট দিয়া সবাই হে হে কইরা হাসি দিলো। এই তামশা দেইখা আমার সার্কিট আউট। কন আবাল কি গাছে ধরে?

আমাগো দেশের পাবলিক আসলেই বেকুফ। এই বেকুফ পাবলিক ভাল-মন্দ কিছু না বুইজঝাই খালি ফাল পাড়ে, নিন্দার ঝড় তোলে পাড়ার চায়ের টেবিলে। আরে আবাল দেশ জাতির ভাগ্য কি তোর টেবিলের আড্ডা নাকি, যে ফস কইরা মুখে যা আসবো তাই কইয়া ফালাইবি?

এই দেখেন সরকার কত বিচক্ষন, দ্যাশের লাখ খানেক মানুষ সরকারি চাকরি থিকা অবসর নিবার সময় হইয়া গেছিল, সেই খানে সরকার কেমনে সবার চাকরি দু্ই বছর বাড়ায়া দিয়া দেশের মানুষের মইধ্যে শান্তি নিয়া আসছে। তাগো বাল-বাচ্চা এখন সুখে শান্তিতে বাস করবো। এইটা কি আবালেরা বুঝে?
আবার দেশের রাস্তাঘাট পইড়াই তো আছে, এগুলার উপর তো কেউ শুইয়া থাকে না গাড়ি চলে; তাইলে যদি ভারতরে ভাড়া দিয়া দুই পয়সা পাওয়া যায় তয় ক্ষতি কি? কিন্তু মফিজ মিয়া রে কে বুঝাইবো কন? সে শুইনা কয় কি, '' পয়সা কই দিল দিসে তো ঋণ।''
''ক্যান ঋণ কি ট্যাকা না?''
''হ ট্যাকা তয় সেই গুলা সুদেআসলে ফিরতি দেয়া লাগবো; বুচ্ছস?''
''আপনার আমার চেয়ে সরকার ভাল বুঝে; দেশ কে চালায় আপনি না সরকার? এতো বুঝলে তো আর আফনে এই চায়ের টেবিলে বইতেন না, বইতেন সংসদে।'' আমি তারে দিলাম একখান ঝাড়ি।

আপনারাই কন বাই এইসব আবালরে কি দিয়া বুঝাই। আরে তোগো মতো পাবলিকরে ভাল রাখনের লাইগা, শান্তিতে রাখনের লাইগা সরকার চিত্তবিনোদনের ব্যবস্থা ভি করছে। ইন্ডিয়া থাইকা ফিলিম ভি আমদানি করতাছে। দেখোস তো পাইরেসি গুলা, অরিজিনাল প্রিন্ট দেখতে কেমন তা তো জানতি নারে আবাল, এইবার অরিজিনাল প্রিন্টে ছবি দেখবি। যেইরম সাউন্ড সেইরম রেজুলেশন সেইরম মজা ব্যাটা। আসলে কি কমু পাবলিক কি এই গুলা বুঝবো? আপনেরা কন ভাই?

১২টি মন্তব্য ১০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একটি বড়দের গল্প - ছোটরাও পড়তে পারে

লিখেছেন মুনতাসির, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১০:৫০

বিজ্ঞানীরা তিনটা আলাদা দ্বীপে দুইজন পুরুষ আর একজন মহিলা মানুষকে এক বছরের জন্য ফেলে রেখে এসেছে। একটা দ্বীপ ব্রিটিশদের, একটা ফ্রেঞ্চদের, আর শেষটা আমাদের বাংলাদেশীদের। এক বছর পর যখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

সংকটে আওয়ামী লীগের কর্মীরা কোথায় দাঁড়িয়ে?

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:০০

সংকটে আওয়ামী লীগের কর্মীরা কোথায় দাঁড়িয়ে?
বাংলাদেশের রাজনীতির ইতিহাসে বহুবার প্রমাণ হয়েছে যে, কোনো রাজনৈতিক দলের প্রকৃত শক্তি থাকে তার তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে। তাদের শ্রম, ত্যাগ, জেল-জুলুম সহ্য করার মানসিকতা এবং... ...বাকিটুকু পড়ুন

খাজনা

লিখেছেন রাজীব নুর, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১:২৯



মন! মানুষের মন! মানুষকে তছনছ করে দেয়!
কখনো সে বাঘ, কখনো সে অজগর, কখনো সে শত্রু, কখনো সে বন্ধু!
কখনো সে ঈশ্বর, কখনো সে শয়তান, কখনো সে নিয়তি!
বিদিকিচ্ছিরি কান্ড!

লম্বা টানা... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের ওভারব্রীজ

লিখেছেন নাহল তরকারি, ০২ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৯:০৪

বেশ অনেকদিন আগের কথা। আমি কোন এক দুর্ঘটনায় পা এ ব্যাথা পাই। হাসপাতালে ইমারজেন্সি চিকিৎসা নেই। কিন্তু সুস্থ হতে আরো অনেক দেরী। সম্ভবত চিটাগাং রোডে (নারায়ণগঞ্জ) এ রাস্তা পার হবার... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরানের পক্ষে বাংলাদেশ সরকারের সরাসরি দাঁড়ানো সম্ভব নয়

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৩ রা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১:১৫


ঢাকায় ইরানের রাষ্ট্রদূত যখন মাইক্রোফোনের সামনে কথা বলা শুরু করলেন , তখন তার চোখে রাগ ছিল না, ছিল এক ধরনের ক্লান্ত অভিমান। একটা মুসলিম দেশ, কোটি কোটি মুসলিম মানুষের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×