Homo Sapience নামক এই প্রাণীটা যখন থেকে চিন্তা করতে শিখল তখন থেকে সহস্রের পর সহস্র বছর অবধি চিন্তা করে যাচ্ছে কোথা থেকে তাদের আগমন আর কোথায় তাদের গন্তব্য। এসব চিন্তার মাঝে কত ধর্ম আর দর্শনের জন্ম হল। কত ধর্ম প্রণেতা আর দার্শনিকের জন্ম দিল এই পৃথিবী নামক গ্রহটা। কিন্তু আদৌ কি মানব জাতি জানতে পেরেছে এ রহস্যটা।
নাস্তিক হবার চেষ্টা করে দেখেছি। কিন্তু এত বড় সৃষ্টি দেখে, ভলতেয়ারের ক্যান্ডিড উপন্যাসের স্যার প্যান্গ্লসের মতো মনে প্রশ্ন জাগে, কোন কারন ছাড়া, কোন কর্তা ছাড়া এত বড় কার্য্য কিভাবে সম্পন্ন হতে পারে। একটি ঘড়ি দেখলে আমরা জানি এর একজন মেকার আছেন, কোন একটি কোম্পানি এটি তৈরি করেছে। একটি টেবিল দেখলে আমরা ভাবি এর একজন তৈয়ার কর্তা কার্পেন্টার আছেন, আর এই টেবিলের কাঠ গুলি কোন সময় একটি গাছ ছিল। তখন এত বিশাল এক জগত যেটা কিনা ৯৩ বিলিয়ন আলোক বর্ষ জুড়ে বিস্তৃত (বর্তমান কাল পর্য্যন্ত উদ্ঘাটিত তথ্যকে ধরে নিয়ে)। কোন ধরনের কারন আর অজুহাত ব্যতিত হঠাৎ একদিন এমনিতেই অনস্তিত্ত্ব থেকে অস্তিত্ত্বে এসে গেছে ভাবতে গিয়ে অবাক হই। ইন্দ্রজালে গড়া এই পৃথিবীতে এসব প্রশ্নের কোন শেষ হবে কিনা জানা নেই। তবে আমার নাস্তিক হবার স্বপ্ন আর পূরন হয়না।
এখানে এই ব্লগে অনেক নাস্তিক ব্লগার আছে দেখে ভাবলাম হয়তো তারা “ফাইনাল ট্রুথ” এর তথ্যটুকু পেয়েছেন। নইলে কোন এক অদেখা কিছু আমি দেখিনি বলে তার অস্তিত্ত্ব নেই, এটাতো বলা যায়না। হ্যাঁ তার ওপর সন্দেহ পোষন করা যেতে পারে, যদি নিজের বিশ্বাস ওটাকে মেনে না নেয়।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে ডিসেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



