somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সাংবাদিকরা খারাপ....

৩০ শে মার্চ, ২০১১ রাত ৯:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

অনেকের কাছে বলতে শুনি সাংবাদিকরা খারাপ। অনেক কিছুই তারা জানে কিন্তু লেখে না। আবার কাউকে বিপদে ফেলার জন্য মিথ্যা যাহোক একটা লিখে দেয়। এরকম অনেক অভিযোগ আমরা সাংবাদিকরা প্রায়ই শুনি।

কথাগুলো হয়তো কিছু ক্ষেত্রে ঠিকও। তবুও যারা এসব কথা বলেন তারা কি কখনো ভেবে দেখেছেন একজন সাংবাদিক যে রিপোর্ট করেন তার উপর কি পরিমান ছুরি-কাঁচি চলে? কোনটি ছাপা হবে সেটা সংশ্লিষ্ট রিপোর্টার বা সহ-সম্পাদকের উপর নির্ভর করেনা এটা কি অভিযোগকারীরা জানেন? অভিাযোকারীরা কি এটাও জানেন যে অফিসের হর্তাকর্তাদের জন্য একজন প্রতিবেদককে অর্ডারি মাল সাপ্লাই দিতে হয়?

এমনও ঘটনা ঘটেছে অফিসের উপরওয়ালার কোনো খাতিরের প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে নিউজ করার দায়ে একজন প্রতিবেদকের চাকরি চলে গেছে।

একজন সাংবাদিক প্রতিদিন কি পরিমান কষ্টের মধ্যে তার জীবন নির্বাহ করে সেটা কি সবাই জানে? সকাল-বিকেল-রাত ২৪ ঘন্টা কোনো কর্মঘন্টার হিসাব না করে একজন সাংবাদিক কতক্ষণ পরিশ্রম করেন? একজন সাংবাদিক সত্যিই জানেন কিনা আগামী মাতে তার বেতন কবে হবে? বা আদৌ হবে কিনা? এ প্রশ্নগুলোর কি কোনো উত্তর আছে?

সাংবাদিকরা গার্মেন্টস কারখানার শ্রমিকদের আন্দোলনের রিপোর্ট করে, ছবি তোলে, সম্পাদনা করে। কিন্তু সে কখনো একই দাবিতে রাস্তায় নামতে পারেনা। পারেনা তার অর্থনৈতিক অসুবিধার কথা জোর গলায় বলতে। পারেনা তার কয়েক মাসের বাকি থাকা বেতনের দাবি করতে। পারেনা সরকার ঘোষিত মজুরি কাঠামো দাবি করতে। (যদিও কাগজে কলমে অনেক সংবাদ প্রতিষ্ঠান সরকারি ঘোষণা মেনে চলে। তাও সেটা সরকারি বিজ্ঞাপনের নির্ধারিত মূল্যের জন্য। আর যারা প্রকৃতঅর্থেই সরকার ঘোষিত মজুরি কাঠামো মেনে চলে তারা কতটুকু মেনে চলে?)

অফিসের উপরওয়ালা সাংবাদিকদের কাছে জানতে চাই বলুনতো কবে থেকে আপনারা আপনার অফিসের নিম্ম পদস্থদের কষ্ট বুঝবেন? কবে মালিকের কাছে আপনারা সবার দাবি নিয়ে যাবেন? জানি আপনারও একদিন কষ্ট করেছেন। এরপর উপরওয়ালা হয়েছেন। কিন্তু তাই বলে কি আপনাদের উত্তরসূরীদেরও আপনাদের ওপর ঘটে যাওয়া অন্যায় সহ্য করতে হবে?

এতকিছুর পরও সাংবাদিকরা কাজ করছেন। করবেন। কারণ সাংবাদিকরাতো সাংবাদিক। মানুষ না। তাদের কিছু চাওয়ার নেই।

৫টি মন্তব্য ৩টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×