আমার প্রিয় পোস্ট

একটা গাড়ী খুজছি , ব্যাক টু দ্য ফিউচারে যাওয়ার গাড়ীটা খুজছি

X Facts : মুজিব হত্যাঃ জিয়া , প্রচলিত কিছু বক্তব্য , চেপে রাখা না বলা তথ্য

১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:৫৭

শেয়ারঃ
0 126 0

শেখ মুজিব হত্যাকান্ড , ৮/১৫ তে শফিউল্লাহ, জিয়া , খালেদ মোশাররফ, মুজিব হত্যাকারীদের বিদেশে প্রেরণ , মোশতাক-খালেদ মোশাররফ- সায়েম- জিয়ার ভূমিকা এইসব নানা বিষয় নিয়ে কিছু অতি প্রচলিত কথাবার্তা শুনতে শুনতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। যে যা বলছে সেটাকেই মেনে নিতে হচ্ছে। তাই নিজে থেকে কিছু জানার চেষ্টা করলাম। জানতে গিয়ে অনেক প্রচলিত তর্ক-তথ্য-বিশ্বাসের ভেতরে বেশকিছু গরমিল খুজে পেলাম। সেই গরমিল গুলোকে যা জানলাম তার ভিত্তিতে মেলানোর চেষ্টা করলাম। বিপক্ষে মতামত পেলে আমি ক্ষেপে যাইনা , পক্ষে মতামত পেলেও গদগদ হয়ে যাইনা। কিছু সংশোধনী দিতে চাইলে সঠিক তথ্যের ভিত্তিতে সেটা স্বাদরে গৃহীত হবে।
এখানে প্রাসঙ্গিকভাবে ২ জন ব্লগার এর পোস্টকেও ধর্তব্যে রাখতে হয়েছে।
আশা করি পুরোটা পড়ার প্রয়োজনে সেই ২ টি পোস্টে গিয়ে হারিয়ে যাবেন না, মুল পোস্টে (এই পোস্টে) ফিরে আসবেন , কারন এরপর আরো বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের ভুল তুলে আনা হয়েছে যা দিনের পর দিন কান কথায় মানুষ বিশ্বাস করেছে পুরোটা যাচাই না করে।আপলোডকৃত ছবিগুলো জুম ইন করার জন্য পোস্টের একেবারে নীচে যান এবং ক্লিক করুন।

১ম প্রচলিত বক্তব্যটি হলোঃ

বীর পুঙ্গব তৎকালীন সেনাপ্রধান শফিউল্লাহর ডেইলী স্টার এ দেয়া সাক্ষাৎকার অনুযায়ী জিয়া শেখ মুজিব হত্যার খবর পেয়ে যখন তার নির্দেশ অনুযায়ী তার সাথে দেখা করতে আসেন জিয়া ক্লীন শেভড ছিলেন

তিনি এই ধরনের মন্তব্য করার কারনটি আমি চিহ্নিত করি গেম উইথ সেন্টিমেন্ট হিসাবে । মুজিব হত্যা বিষয়ে জিয়ার প্রতি আওয়ামী লীগ এবং মুজিব অনুরক্তদের বিদ্বেষের যে উত্তপ্ত ঘি তাতে তেল ঢেলে নিজেকে বিতর্ক থেকে দুরে রাখার জন্যই তিনি এধরনের মন্তব্য করেছেন বলে আমার বিশ্বাস। তাতে জিয়া Vilified হলো , তার নিজেরও ক্লীন ইমেজ তৈরী হলো।

সেই সাক্ষাৎকারের লিংকঃ

ডেইলী স্টার- ৮/১৫ বিষয়ে শফিউল্লাহর সাক্ষাৎকার

নীচের ছবিটি দেখুন - খোন্দকার মোশতাকের শপথ অনু্ষ্ঠানে মুজিব হত্যার শোকে কার কি দশাঃ






এই ছবিতে Bottom - Right বা নীচে ডানে দেখুন ।
সর্বপ্রথমে ডান থেকে সেনাপ্রধান শফিউল্লাহ কালো চশমা পরিহিত যেই চশমা পরার কারনে জিয়া খারাপ হয়ে গেছেন ,
এরপর নৌ বাহিনী প্রধান এম এইচ খান ,
এরপর বিমান বাহিনী প্রধান এ কে খোন্দকার ,
এরপর সেনাবাহিনীর ২ উপ-প্রধান মেজর জেনারেল খলিলুর রহমান এবং
জিয়াউর রহমান।

ভালো করে লক্ষ্য করে দেখুনতো এদের কারো চেহারায় কি মুজিব হত্যার শোকাবহতা চোখে পড়ে ?
কারো দু চোয়ালে কি খোঁচা খোঁচা দাড়ি চোখে পড়ে ?

আমিতো বরং শফিউল্লাহ , এ কে খোন্দকার , মেজর জেনারেল খলিলুর রহমান , এম এইচ খান যারা সবাই বাকশালের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন এদের চেহারায় একধরনের নির্ভার - নির্লিপ্ততা দেখতে পাই।

ছেলেমানুষী রাজনৈতিক সংবেদনশীলতা দেখিয়ে মুজিব হত্যার পর কে ঐ দিন দুপুরে কাতলা মাছের দুটো মুড়ো দিয়ে ভাত খেয়েছিলো সেটার প্রতি অনুসন্ধানুৎসাহী হওয়াটা আনপ্রাগম্যাটিক ছাড়া আর কিছুই নয়।


২য় প্রচলিত বক্তব্যটি হলোঃ

জিয়া জানতেন মুজিবকে হত্যা করার পরিকল্পনা চলছে এবং সেখানে তার সম্মতি ছিলো।

আমি দ্বিমত করলাম - জিয়া জানতেন মুজিবকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করার পরিকল্পনা চলছে এবং সেখানে তার সম্মতি ছিলো।
জিয়ার ধারনা ছিলোনা সেটা ম্যাসাকারের ভেতর দিয়ে হবে ।

কেন দ্বিমত করলাম সেটার কারনগুলো নীচে দেখুনঃ

ফারুক - রশীদের অ্যান্থনী মাসকারেনহাসের সাথে সাক্ষাৎকারটিকে মিডিয়া ক্রাইমের মাধ্যমে কিভাবে Editing , Trimming , Mis-interpretation by Mis-Traslation করে পাল্টে ফেলা হয়েছে সেটা নীচের লিংকে গেলে পরিষ্কার দেখবেনঃ

শেখ মুজিব হত্যাকান্ড বিষয়ে ওয়ার্ল্ড অন অ্যাকশন অনুষ্ঠানে ফারুক এবং রশীদের সাক্ষাৎকার

জিয়ার সাথে কি কথা হয়েছিলো এ প্রশ্নের জবাবে ফারুক বলেনঃ সরাসরি না বলে জিয়াকে আমি কথাটা একটু ঘুরিয়ে বলি । আমি বললাম দেশ দূর্নীতিতে ভরে গেছে , দেশের জন্য একটি পরিবর্তন দরকার। এটুকু বলতেই জিয়া বলেনঃ হ্যাঁ হ্যাঁ চলো আমরা বাইরে লনে গিয়ে বসে আলাপ করি।

সেখানে আমি তাকে জানাই যে আমরা জুনিয়র অফিসাররা পরিবর্তন আনার পরিকল্পনা করেছি।
সবশুনে তিনি এই উক্তি করেছিলেঃ আমি ১জন সিনিয়র অফিসার । আমি এধরনের ব্যাপারে জড়িত হতে পারিনা। তোমরা জুনিয়র অফিসাররা যদি এটা করতে চাও তবে এগিয়ে যাও।

এই আলোচনা এবং প্রস্তাব পেশ করার পরও তৎকালীন সামরিক বাহিনীর ডেপুটি চীফ অফ স্টাফ মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান ফারুকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপতির কাছে খবর পাঠাননি বা গ্রেফতার করেননি।

এ প্রসংগে ফারুক বলেনঃ না , তিনি এরপর তার এডিসিকে আমাকে সাক্ষাতের অনুমতি আর না দেয়ার জন্য বলেন।
সত্যতা যাচাইয়ের জন্য নীচের ক্লিপটি দেখুনঃ


অন্যদিকে রশিদ বলেনঃ ১৫ই আগস্ট হত্যাকান্ড ঘটানো হচ্ছে এটা মোশতাককে জানাইনি। আমরা শংকিত ছিলাম তিনি যদি শেখ মুজিবের কাছে এটা ফাঁস করে দিয়ে তার আস্থাভাজন হতে চান।

সত্যতা যাচাইয়ে নিচের ক্লিপটি দেখুনঃ


যেখানে খুনীরা মোশতাককেই জানানোর চেষ্টা করেনি সেখানে জিয়ার প্রশ্ন বাতুলতামাত্র।

শেখ মুজিবকে ক্ষমতা থেকে উৎখাতের পরিকল্পনা জিয়া জানতেন , তার মৌন সম্মতিও ছিলো , কিন্তু সেটা ম্যাসাকারের মাধ্যমে হবে শেখ মুজিব পর্যায়ের ব্যক্তিত্বের বুকে গুলি চালিয়ে এটা জিয়ার ধারনাতে ছিলোনা।

শেখ মুজিবকে কেন খুন করলো তার কারন দেখিয়ে রশীদ যা বললোঃ


প্রাসংগিকভাবে যে বিষয়টি জানাচ্ছি সেটি হলো শেখ মুজিবের সাথে তাজউদ্দীন আহমদের বাকশাল নিয়ে কথোপকথন :

জুলাই ২৩ , ২০০৯ এ প্রথম আলো তে জাফর ইকবালের সাধাসিধা কথা সিরিজ কলামে তাজউদ্দিন আহমদের হাতঘড়ি কলাম



নীচে পুরো কলামের দরকারী অংশটুকু তুলে দিলাম:

এ প্রসংগে ১জন সিনিয়র ব্লগার নুরুজ্জামান মানিকের বক্তব্যকে আমলে নিতে হচ্ছেঃ
শেখ মুজিব হত্যা বিষয়ে তার পোস্ট :
ত্রিবেনী এবং পুঁজির নষ্ট সঙ্গমে লুটিয়ে পড়লেন শেখ মুজিব

সেখানে শেখ মুজিব কে হত্যা করা হবে নাকি জোর পূর্বক গান পয়েন্টে ধরে নিয়ে যাওয়া হবে এ বিষয়ে রিভোল্টার অফিসার দের ভেতরে মতভিন্নতা ছিলো বলেই মনে হয়েছে।

তবে রশিদ , ডালিম , নুর এরা যে শেখ মুজিবকে হত্যার জন্য এক্সট্রীম ডেসপারেসী মাইন্ডসেটে পোক্ত ছিলো সেটা নিয়ে কোন সন্দেহ নাই।

হত্যা না আটক - এই মতভিন্নতার বিষয়টা আমার কাছে এই ব্লগেও চোখে পড়ে। ব্লগটি অতি বংগবন্ধু অনুরক্ত অমি পিয়ালেরঃ

জিয়া জানতেন, কতখানি জানতেন... - অমি রহমান পিয়াল

এই ব্লগের যেই অংশটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ন মনে হয়েছেঃ

তবে জিয়া কেনো মিলিটারি কাউন্সিলের দায়িত্ব নেওয়া থেকে পিছিয়ে গেলেন তার একটা ব্যাখ্যাও রয়েছে লিফশুলজের লেখায়। শুধু শেখ মুজিবুর রহমান হত্যাকাণ্ড পর্যন্ত সমর্থন ছিলো জিয়ার, কিন্তু তার পরিবার সদস্যদের অর্থাৎ নারী ও শিশুদের রক্ত নিজের হাতে মাখাতে রাজী ছিলেন না তিনি

আমি মনে করি কেবল নারী এবং শিশু নয় , শেখ মুজিব হত্যার ব্যাপারটাও জিয়ার চিন্তাপটে ছিলোনা ।

অমি পিয়ালের ব্লগে রেফারেন্স হিসাবে দেয়া স্ক্যানড্ পাতাটি ব্যবহার করলামঃ



কৃতজ্ঞতা স্বীকারঃ অমি রহমান পিয়াল

এই খানেও হত্যা না আটক এই মতদ্বৈততা আমি দেখতে পাই শেখ মুজিব কে গুলি করার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ।

৩য় বিষয়টি হলোঃ
ইনডেমনিটি এবং শেখ মুজিব হত্যাকারীদের বিদেশের মাটিতে নিরাপদ থাকতে দেয়া।





২৬শে সেপ্টেম্বর , ১৯৭৫ এ প্রণীত ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ।
মুজিব হত্যাকারীদের কে বিদেশে পাঠানোর ব্যাপারে শেখ হাসিনা যে বক্তব্য অহর্নিশ দিয়ে চলেছেন জিয়াকে দোষারোপ করে সেটির বিপক্ষে আসল সত্যটি জানালামঃ

যেই খালেদ মোশাররফের ক্যু ব্যর্থ হওয়ায় অগুণিত আওয়ামী পন্থীরা আক্ষেপে বেদনার্ত হন ইতিহাসের মোড় ঘুরে না যাওয়ার আফসোসে সেই খালেদ মোশাররফই মুজিব হত্যাকারীদেরকে লিবিয়া পাঠান জেল হত্যাকান্ডও ঘটে যাওয়ার পরও।
খালেদ মোশাররফ এর সাথে কালের কন্ঠ সাংবাদিক আবেদ খানের সাক্ষাৎকারটি দেখুনঃ
বেইলী রোডের লেডিস ক্লাবের ঘটনা নিয়ে রিপোর্ট করতে গিয়ে প্রাপ্ত অভিজ্ঞতা আবেদ খান যেভাবে জানালেন বংগবন্ধু ভক্ত খালেদ মোশাররফ কে

আবেদ খানের রাজনৈতিক মতাদর্শের সাথে আশাকরি সকলেই পরিচিত।
আরেক কট্টর আওয়ামী সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবু শেখ মুজিব হত্যার রায়ের পরে আমাদের সময় পত্রিকায় জিয়ার প্রতি ক্ষোভ ঝাড়তে গিয়ে খালেদ মোশাররফের ক্যু ব্যর্থ হওয়ায় আক্ষেপ করে বলেনঃ
" খালেদ মোশাররফের অভ্যুত্থান সফল হলে ইতিহাস অন্যরকম হতে পারতো"
মুজিব হত্যাকারী ফাঁসি এবং ৫ম সংশোধনী বাতিল বিষয়ে খালেদ মোশাররফের ৩রা নভেম্বরের পাল্টা অভ্যুন্থান প্রসংগে আমাদের সময় পত্রিকায় মোজাম্মেল বাবুর প্রতিক্রিয়া

খালেদ মোশাররফ মোশতাককে লাথি দিয়ে উড়িয়ে দিলেও মোশতাকের ইনডেমনিটি কে লাথি মারেননি।

বরং শুধু শেখ মুজিবের মর্মান্তিক হত্যাকান্ডই নয় , জেল হত্যাকান্ড ঘটে যাওয়ার পরও খালেদ মোশাররফ এদের কে গুলি করে মারেননি।

নীচের লিংকে যানঃ
সি আই এর রেকর্ড থেকে ১৯৭৫ এর সংকটময় আগষ্ট থেকে নভেম্বর

সোর্সঃ Sources: The Library of Congress Country Studies; CIA World Factbook

পুরোটা পড়া লাগবেনা ,এক্সার্পটি এখানে তুলে দিলামঃ

Tensions within the military exploded on August 15, 1975, when thirty middle-ranking army officers, many of whom were repatriates, staged a coup. With the support of troops from the First Bengal Lancers and the Second Field Artillery Regiment, the mutineers assassinated Mujib and members of his family and called on Ziaur Rahman (Zia) to become army chief of staff. Osmany, the former Mukti Bahini chief, lent respectability to the emerging military- political order by agreeing to serve as defense adviser to the new figurehead president, Khondakar Mushtaque Ahmed.

Freedom-fighter elements within the army countered this so- called "majors' plot" by staging a coup of their own on November 3, 1975. Following the murder of prominent Awami League officials detained in Dhaka Central Jail, troops commanded by Brigadier Khaled Musharraf dismissed the government, placed Zia under arrest, created a vaguely defined revolutionary council, and exiled the ringleaders of the original coup to Libya.A total breakdown in discipline within the military occurred shortly after this second coup, as junior army officers and jawans took to the streets to defend themselves against anticipated assaults from rival army factions. Simultaneously, the Jatiyo Samajtantrik Dal called on jawans to kill their commanding officers. On November 7, Zia secured his release from house arrest, reportedly with Jatiyo Samajtantrik Dal backing, and staged a third coup. Musharraff was killed, Zia and other senior officers restored a semblance of army unity, and the jawans returned to barracks.

এ ব্যাপারে উইকিপিডিয়ার ভাষ্য দেখুনঃ

Aftermath of assassination
Khondaker Mustaq Ahmed assumed the presidency and the participating army officers became the de facto leaders of the country. They were later toppled by yet another coup led by General Khaled Mosharraf on November 3, 1975. Mosharraf himself was killed in a counter coup four days later on November 7, which installed General Ziaur Rahman in power. In the meantime Faruque Rahman, Rashid, and the other army officers had been promoted to the rank of lieutenant colonel. They were exiled to Libya and other countries, and were given several diplomatic posts in Bangladeshi missions abroad. Faruque later returned and founded the Bangladesh Freedom Party

যাচাই করার জন্য সোর্সে যানঃ

শেখ মুজিব হত্যা , উইকিপিডিয়া
আশা করি বাংলা ট্রান্সলেশনের প্রয়োজন পড়বেনা।
তাহলে বিষয়টা কেমন দাড়ালোঃ

ইনডেমনিটি জারী করলেন শেখ মুজিবের বিভীষন মোশতাক ,
আওয়ামী বিশ্বস্ত খালেদ মোশাররফ সেটাকে কন্টিনিউ করলেন।
জিয়া সেটার Duration Promote করলেন।

মুজিব এবং ৪ নেতা হত্যাকারীদের কে লিবিয়ায় পাঠালেন আওয়ামী বিশ্বস্ত খালেদ মোশাররফ যদিও ৩রা নভেম্বর তিনি তাদেরকে শ্যুট করতে পারতেন এবং জিয়া সেটাকে কন্টিনিউ করলেন ।

তাহলে কি যত দোষ নন্দঘোষ জিয়াই হয়ে গেলো ?

এখানে আরো ১ টা বিষয় আমাকে অবাক করে । সেটা হলো শেখ মুজিব হত্যাকারী দের বিদেশে প্রেরন এবং কূটনৈতিক চাকরী প্রদানের ব্যাপারে শেখ হাসিনা যে জিয়া কে মুখ্য অপরাধী বানাচ্ছে তার নিয়ন্ত্রনহীন মুখরা স্বভাবে সেটা নিয়ে বিএনপি প্রতিবাদ করেনা কেন ?

প্রাসংগিকভাবে বলতে হয় ফারুক - রশিদ- তোয়াহাব গং রাও যে জিয়ার বিপক্ষেও ক্যু করতে চেয়েছিলো সেটা সম্ভবত অনেকেই জানেন।

এডিশন ১: ১৫ ই এপ্রিল,২০১০:১ জন কমেন্টারের প্রশ্নের প্রেক্ষিতে এই এডিশনটি আনা হলো । হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন : কর্নেল হামিদ এর ভাষ্যমতে খালেদ মোশররফ জানতেন না জেলহত্যাকান্ডের কথা।
শাফায়াত জামিল ও তার বই "ষড়যন্ত্রময় নভেম্বর" এর পৃষ্ঠা -১৩৬ এ দাবী করেছেন একই বিষয়। যদি জানতেন তাহলে নাকি খুনী মেজরদের লিবিয়া যেতে দিতেন না।
বিষয়টা একেবারেই হযবরল । কারন ৮/১৫ তে মুজিব হত্যা হয়েছে।
তারমানে খালেদ মুজিব হত্যাকারীদের বিদেশে যেতে দেবেন , তবে মুজিব অনুগামী ৪ নেতা হত্যাকারী দের যেতে দেবেন না!!!!!
সেই সময়কার মার্কিন এ্যাম্বেসেডর ডেভিস বোস্টার বলছেন সিআইএ রিপোর্টে ৮/১৫ 'র পর অনেক সেনাঅফিসারের পদন্নোতি হলেও তার হয়নি। সে কারনে তিনি ক্ষুব্ধ ছিলেন । মোশতাকের সাথে তার আপোষ হয়েছিলো এইভাবে যে মোশতাক রাষ্ট্রপতি থাকবেন এবং খালেদ হবেন সেনাপ্রধান। শেষ পর্যন্ত খালেদ মোশতাককে কিক আউট করেন।
সিআইএ রিপোর্ট (যেটার লিংক দেয়া হয়েছে উপরে)অনুযায়ী জেলহত্যা ঘটার প্রেক্ষিতেই খালেদ ক্যু করেন।

প্রসংগত জানিয়ে রাখিঃ
জেলহ্ত্যা ঘটে ৩/১১ বেশ সকালে।
খালেদ মোশাররফ ক্যু করেন ৩/১১ বেশ সকালে।
খুনী মেজররা দেশত্যাগ করে ৩/১১ শেষবিকেলে।
মার্কিন রিপোর্ট অনুযায়ী। সোর্স লিংক দিতে পারলাম না বলে দুঃখিত।
কারো দ্বিমত থাকলে জানাতে পারেন।



৪র্থ বিষয়টা হলোঃ

মোশতাক - সায়েম-জিয়ার ১৯৭৯ র জাতীয় নির্বাচন পূর্ববর্তী শাসন কে আওয়ামী ক্রেজী বিচারপতি খায়রুল হক অসাংবিধানিক বলে রায় দিয়েছেন।

কেন ?
উত্তর- শেখ মুজিব হত্যাপরবর্তী দেশের শাসন ক্ষমতা অসাংবিধানিকভাবে
হাত বদল হয়েছে। Unconstitutional power transfer.

এখানে যে বিষয়টা Ironic সেটা হলোঃ
শেখ মুজিব তথা প্রেসিডেন্ট পদ শুন্য হলে সেই ক্ষমতা সাংবিধানিকভাবে হস্তান্তর হবে জাতীয় সংসদের স্পীকার এর কাছে সংবিধান অনুযায়ী পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচনপূর্বপর্যন্ত - প্রেসিডেনশিয়াল শাসন ব্যবস্থায়।

কিন্তু শেখ মুজিবুর রহমান বাকশালের সংবিধানে তথা ৪র্থ সংশোধনী অনুযায়ী নির্বাচন কে পরবর্তী ৫ বছরের জন্য ক্লোসড করে নিজেই সকল এক্সিকিউটিভ পাওয়ার হাতে নিয়ে ফেলেন।

যাই হোক আসল তথ্যটি হলোঃ

সেই সময় যেই ব্যক্তিটি স্পীকার ছিলেন তিনি হলেনঃ
মালেক উকিল যিনি বাকশালের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির (১৩ সদস্য বিশিষ্ট) সদস্য ছিলেন এবং শেখ মুজিব হত্যার পর যিনি উক্তি করেছিলেনঃ
ফেরাউনের পতন হয়েছে

যার হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর হলে সেটা সাংবিধানিক হতো তার অবস্থানটা দেখুন ।
সেলুকাস !!!!!!

আমার খুব জানতে ইচ্ছা করে বিচারপতি খায়রুল হকের কাছে- যদি খালেদ মোশাররফ সফল হতেন ৩/১১ তে তার শাসনকে খায়রুল হক সাহেব কি বলতেন ?
ডকট্রিন অব নেসেসিটি না অসাংবিধানিক শাসন ?

কারন শেখ হাসিনা যিনি হাইকোর্টের জিয়ার শাসন বিষয়ক রায় নিয়ে শুভংকরের ফাঁকি দিয়েছেন [কারন হাইকোর্ট অনির্বাচিত CMLA হিসাবে যারা দেশের শাসনভার নিয়েছেন সেটাকে অবৈধ বলেছেন , ১৯৭৯ এর নির্বাচিত সরকারকে নিয়ে হাইকোর্ট কিছু বলেনি বা বলার এখতিয়ারও রাখেনা] তিনি এরশাদের গনধীকৃত সামরিক শাসন সম্পর্কে বলেছিলেনঃ
I am not unhappy
আমি অখুশী নই।

IMF তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়েই বা খায়রুল হকের বক্তব্য কি হবে সেটাও জানতে ইচ্ছা করে।
এডিশন২: ১৬ই এপ্রিল, ২০১০:
বিচারপতি খায়রুল হক তার রায়ে ১টি অনেক বড় ফাঁকি দিয়েছেন খালেদ মোশাররফের ন্যুনতম সমালোচনা না করে। অরাজনৈতিক ব্যক্তি হয়েও জাতীয় রাজনীতির সংকট সময়ে ত্ৎকালীন প্রধান বিচারপতি সায়েম কে স্পট লাইটে নিয়ে এসেছিলেন খালেদ মোশাররফ যখন মোশতাকের সাথে তার মনমতো আপোষ হয়নি । সায়েম কে ৫ম সংশোধনী বিষয়ক রায়ে অভিযুক্ত করলেও খালেদ মোশাররফ কে তা করা হয়নি।
যুক্তিটা যদি এমন হয় সিএমএলএ হওয়ার দরুন সায়েমকে রায়ে দোষী করা হয়েছে , খালেদ তাকে প্রেসিডেন্ট বানিয়ে ছিলেন - সেটাও কি সাংবিধানিক ছিলো ? পরিষ্কারভাবেই সংবিধান লংঘন করা হয়েছিলো। খালেদের মুজিবভক্তি প্রদর্শন মুজিবের খুনীদের লিবিয়া পাঠিয়ে - আরেক গরমিল ঘটনা।

নীচের সোর্সে যানঃ
লাইব্রেরী অব কংগ্রেস, কান্ট্রি স্টাডিজ, বাংলাদেশ , ১৯৭৫ পরবর্তী পরিস্থিতি , মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র

Excerpt টি তুলে দিলামঃ
Despite the economic and political instability during the last years of the Mujib regime, the memory of the Bangabandhu evoked strong emotions among his loyalists. Many of these, especially former freedom fighters now in the army, were deeply resentful of the majors. One of these Mujib loyalists, Brigadier Khaled Musharraf, launched a successful coup on November 3, 1975. Chief Justice Abu Sadat Mohammad Sayem, who had served Mujib in the Supreme Court, emerged as president. Musharraf had himself promoted to major general, thereby replacing Chief of Staff Zia.
In a public display orchestrated to show his loyalty to the slain Mujib, Musharraf led a procession to Mujib's former residence. The reaction to Musharraf's obvious dedication to Mujibist ideology and the fear that he would renew the former leader's close ties with India precipitated the collapse of the new regime. On November 7, agitators of the Jatiyo Samajtantrik Dal, a leftist but decidedly anti-Soviet and anti-Indian movement, managed to incite troops at the Dhaka cantonment against Musharraf, who was killed in a firefight. President Sayem became chief martial law administrator, and the military service chiefs, most significantly the army's Zia, became deputy chief martial law administrators. Zia also took on the portfolios of finance, home affairs, industry, and information, as well as becoming the army chief of staff.



৫ম বিষয়টা হলোঃ

১টি শব্দের সংজ্ঞা জানতে চাই- বেনিফিসিয়ারী ?
বেনিফিসিয়ারী কাকে বলে ?
মুজিব হত্যার বেনিফিসিয়ারী কে কে ?
মোশতাক কেবিনেটের মহামান্যরা কি বেনিফিসিয়ারী না?
ওসমানী কি বেনিফিসিয়ারী না ?
খালেদ মোশাররফ যদি সফল হতেন তাহলে তিনি কি বেনিফিসিয়ারী হতেন নাকি হতেন না ?

জিয়া বাংলাদেশের ডেমোক্রেটিক ফ্রেমের পঙ্গুত্ব ঘোচাতে আওয়ামী লীগের ১৯-২০ বিরোধী পলিটিক্যাল ফ্রন্ট বিএনপি তৈরী করলেন - সেই জন্যই কি তাকে বেনিফিসিয়ারী বলা হয় ?

আমার তো মনে হয় তার প্রতি কৃতজ্ঞ থাকা উচিত সব গনতন্ত্রমনা মানুষের আওয়ামী লীগের ফাকা মাঠের গোল দেয়ার রাস্তা বন্ধ করে গনতন্ত্রের সংকট থেকে দেশকে বাচানোর জন্য।
এডিশন ৩: এপ্রিল ২৯ , ২০১০:

এই " বেনিফিসিয়ারী " শব্দটার ব্যাপারে একটি অমীমাংসীত প্রশ্ন রেখে যাই সবশেষে । প্রশ্নের প্রেক্ষিত আগের মতই পুরোনো -" মুজিব হত্যার আসল সুযোগ সন্ধানী জিয়া যেহেতু শেষ পর্যন্ত জিয়াই রাষ্ট্রক্ষমতায় আসেন। "
সেখানেই প্রশ্নটা রাখছি : ধরে নেয়া যাক খালেদ মোশাররফ ক্যু করলেন না। তাহলে কি হতো ?
মোশতাকের প্রেসিডেন্সীতে মুজিবের কেবিনেটই দেশ চালাতো ,
তাই নয় কি ?
জিয়া থাকতো কেবলই সেনাপ্রধানের পদবীতে।
তাহলে জিয়াকে ক্ষমতালাভের সুযোগ সন্ধানী বলার সুযোগটা কোথায় ? জিয়া কি জানতেন খালেদের ক্যুর পর তাহের তাকে রেসকিউ করতে সফল হবেন ?
সফল তো নাও হতে পারতেন!
৫ ই নভেম্বর যে জিয়া খালেদের বন্দুকের মুখে সেনাপ্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দেন তাহলে সেটাকে কিভাবে মুল্যায়ন করা হবে ?
যদি খালেদ ক্যু না করতো জিয়া মোশতাকের অধীন সরকারের সেনাপ্রধান হিসেবেই থাকতো।
যদি তাহের সফল না হতো জিয়া কে ৭৬ এ ই অসামরিক জীবনে ফিরে যেতে হতো !

অনেক কিছুই তো জিয়ার বিপক্ষে ছিলো। ঘটনাচক্রে ক্ষমতা জিয়ার কাছে এসে যায় । শুধু রাজনৈতিক বিদ্বেষ থেকেই কি তাহলে জিয়া সুযোগ সন্ধানী বলা হয় যেখানে সুযোগ তার পায়ে এসে ধরা দিয়েছে বারবার , তার নিজের পক্ষ থেকে নিষ্ক্রিয় থাকার পরও !?













 

লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): মুজিবের হত্যা কি জিয়া চেয়েছিলেন ? না চাননিখালেদ কেন আলোচনায় নেই ? যতদোষ নন্দঘোষ জিয়া ;
সর্বশেষ এডিট : ২৪ শে জানুয়ারি, ২০১১ রাত ৩:৩৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...

 

১. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:১০
রিফাত হোসেন বলেছেন: শেখ মুজিব হত্যাকান্ডে সেনাবাহিনীর অনেক অংশই জড়িত ছিল । কেউ সরাসরি কেউ মৌনভাবে ।

তখনকার পরিস্থিতি শেখ মুজিব নিজেই খারাপ করে তুলেছিলেন ।
১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:১৩

লেখক বলেছেন: ৩য় আর ৪র্থ বিষয়টাতে আপনার মতামত কি হবে ?

১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:১৭

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের উল্টো মন্তব্যও আসতে পারে।
সেটার জন্যই অপেক্ষা করছি।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:২১

লেখক বলেছেন: থ্যাংকু

৪. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:২৩
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: পড়লাম। কাল বিস্তারিত আলোচনা।
১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:২৫

লেখক বলেছেন: ওকে

৫. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:২৬
অবাঞ্চিত বলেছেন: রিফাত হোসেন বলেছেন: শেখ মুজিব হত্যাকান্ডে সেনাবাহিনীর অনেক অংশই জড়িত ছিল । কেউ সরাসরি কেউ মৌনভাবে ।

তখনকার পরিস্থিতি শেখ মুজিব নিজেই খারাপ করে তুলেছিলেন
১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:২৭

লেখক বলেছেন: হুমমমমম

৬. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:৪৫
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন: পোস্টে দেখলাম, "মুজিব ভক্ত" আর "অতি মুজিব ভক্ত" নামক ২ টি ক্যাটাগরীতে ২ জনকে ফেলা হইল। সেই হিসাবে, পোস্টের নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে নিজেকে "অতি ইমোশনাল জিয়া ভক্ত" হিসাবে লেখার জন্য অনুরোধ জানাই।

বিশ্লেষণ কিছু জায়গায় ঠিক আছে, কিছু জায়গায় ঠিক নাই। আনকন্সটি টুশনাল পাওয়ার ট্রান্সফারের ব্যাপারে কোন যুক্তিই চোখে পড়লনা, ঐ সময়ের সংবিধানে পাওয়ার ট্রান্সফারের ব্যাপারটা ছিল বলেই জানি (ওরাকল আর অরপির পোস্ট দ্রষ্টব্য) আর এই বিষয়ে হাসিনা এরশাদ শাসন নিয়া কি বলে আর স্পিকার মুজিবরে কি মনে করে--- সেটা ধান ভানতে শিবের গীতই মনে হইল।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:৫৯

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে আপনার মন্তব্য।
শেখ মুজিব হত্যার ব্যাপারে জিয়াকে জড়িয়ে অনেক বক্তব্যই যে অতি প্রচলিত সেগুলোতে ফাঁক ফোকর আছে।
সেই ফাঁকফোকর গুলো ভরাট করার জন্যই এই পোস্ট।

বিশ্লেষনের কিছু জায়গা ঠিক নাই বললেন।
ফিগার আউট করতে পারলেন শুধু ক্ষমতা হস্তান্তরের ব্যাপারটা নিয়ে।

আমি বলি নাই , সংবিধানে ক্ষমতা হস্তান্তরের ব্যবস্থা ছিলোনা, ১ বারও দাবী করি নাই।
বরং বলসি শেখ মুজিবের অনুপুস্থিতিতে ক্ষমতা কার কাছে যেতো আর তার অবস্থান কি ছিলো।

খালেদ মোশাররফ যদি সফল হতেন তাহলে খায়রুল হক , মোজাম্মেল বাবু , আবেদ খানরা কি বলতেন ?

কারন ইয়াজ-মইন-ফখর সরকার সংবিধান মানে নাই ডকট্রিন অব নেসেসিটির কথা বলে।

আদালত ও সেটা মেনে নিসে , খায়রুল হক , হাসিনা , মোজাম্মেল বাবু - আবেদ খানদের এব্যাপারে কোন মাথাব্যথা নাই।

সেই জন্যই বললাম- একই প্যাটার্নের ঘটনায় কেউ দোষী , কেউ দোষী না ।

জিয়াকে নন্দঘোষের চরিত্রে খুজে পেলাম।

মুজিব হত্যাকারী দের লিবিয়া প্রেরনের ব্যাপারে কি বলবেন ?

৭. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:৫৪
সংশপ্তক প্রতিদিন বলেছেন: অসংকোচে সত্য বলার দূরন্ত সাহস দেখালেন। তবে আজকের বাংলাদেশে সত্য প্রকাশের এই সময়টা একটু বিপজ্জনক। কাল থেকে যুদ্ধাপরাধী তালিকায় নিয়মিত চোখ রাইখেন। আপনার সকল নিরাপত্তা কামনা করছি।
১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:০০

লেখক বলেছেন: হুমমমমম

৮. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:২৬
ফেরারী... বলেছেন: ভাল বিশ্লেষন..... তবে যুক্তি খন্ডাতে পরে সময় নিয়ে বসবো।
১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৩০

লেখক বলেছেন: অপেক্ষায় রইলাম

৯. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:২৭
ওরাকল বলেছেন: ভাল বিশ্লেষন। জিয়াকে দায়ী করার মূল কারন রাজনৈতিক। ফেক্ট চিন্তা করলে জিয়ার চাইতে ঢের বেশী দায় ঘারে চাপবে শফিউল্লাহ ও মুশতাকের মন্ত্রীসভায় স্থান পাওয়া লীগের নেত্রীবৃদ্ধ।


সমস্যা হচ্ছে আমাদের বুদ্ধিজীবিদের নিয়ে ড্রকট্রিন অফ নেসেসিটি আর অবৈধ ক্ষমতা দখলের সংগা নির্ধারিত হয় মূলত কোন পক্ষ লাভবান হচ্ছে তার উপর ভিত্তি করে।
১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:২৯

লেখক বলেছেন: জিয়াকে দায়ী করার মূল কারন রাজনৈতিক।

সমস্যা হচ্ছে আমাদের বুদ্ধিজীবিদের নিয়ে ড্রকট্রিন অফ নেসেসিটি আর অবৈধ ক্ষমতা দখলের সংগা নির্ধারিত হয় মূলত কোন পক্ষ লাভবান হচ্ছে তার উপর ভিত্তি করে।

২টা কমেন্টেই পুরোপুরি সহমত

১০. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৩৬
মৌ-মাছি বলেছেন: চেহারা বিশ্লেষনঃ আপনি ১ম প্রচলিত বিশ্বাসের অংশে ফটো থেকে যে রকম চেহারার অনুভুতি বিশ্লেষন করেছেন তা আসলে ব্যক্তিনিষ্ঠ হয়েছে।

"আমিতো বরং শফিউল্লাহ , এ কে খোন্দকার , মেজর জেনারেল খলিলুর রহমান যিনি বাকশালের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ছিলেন এদের চেহারায় একধরনের নির্ভার - নির্লিপ্ততা দেখতে পাই।"

অন্যকারো বিশ্লেষনে এরকম হতে পারে যে জিয়া তো নিশ্চিন্ত জানেন কার পর কি হবে, মোশতাক কি বলবেন তাই নীচের দিকে তাকিয়ে আছেন। আর অন্য চারজন দেখুন কেমন উচাটন হয়ে তাকিয়ে আছেন -- মোশতাক কখন ধামকি মারে, কি বলে, নাকি বন্দুক ধরে। এই রকম একটা ত্রস্তভাব।

ক্লীন শেভড বিষয়টিও এনেছেন। এখানে সবাই গিয়ে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে। এখানে আর্মীরা সবাই তো অফিসিয়ালী ক্লীন শেভড থাকবেই। জিয়ার ক্লীন শেভড থাকার বিষটি প্রসংগে আসে এই কারনে যে আগে থেকে কোন পরিকল্পনা না থাকলে অতো সকালে সাধারণত কেউ ক্লীন শেভড থাকেনা। ঐদিন অতো সকালে জিয়ার এমন কোন কর্মসূচীর কথা আমরা জানিনা যাতে বুঝা যায় যে ক্লীন শেভড থাকাটা স্বাভাবিক ছিল।

কাজেই আপনার চেহারা বিশ্লেষন বিষয়ক যুক্তি খুব বেশী গ্রহনযোগ্য হয় নি।
১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৪৭

লেখক বলেছেন: ক্লীন শেভের বিষয়টা শফিউল্লাহ কেন বললেন সেটার ১টা ব্যাখ্যা আমি দিয়েছি। সেই জন্যই বললাম শফিউল্লাহ , একে খোন্দকার , মেঃ জেনাঃ খলিল এদের বেলায় কি সেই কারন টা পাওয়া যায়না?

সেটা মুজিব হ্ত্যায় নির্লিপ্ততা- মরসে তো কি হইসে।

১১. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:০৬
মৌ-মাছি বলেছেন: আপনার লেখার অন্যান্য অংশে যেমন দলিল দিয়ে একটা বস্তনিষ্ঠ যুক্তির আভাস ফুটে তুলেছেন। যারা দলিল বিষয়ে জানেন তারা সেগুলো খন্ডন বা সমর্থনের চেষ্টা করবেন। তবে আমি মনে করি চেহারা বিশ্লেষন তত্ত্বটির অগ্রহনযোগ্যতা পরের অংশগুলোর গ্রহনযোগ্যতাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করবে। কাজেই এটি সরিয়ে নেয়ার কথা ভাবতে পারেন।

আমার ব্যক্তিগত অভিমত হল জিয়া খুব উচ্চাভিলাসী ও নৃশংস ধরনের ছিলেন। তিনি ১৯৭১ সালে ২৭ মার্চ যে কোন ভাবে সুযোগ পেয়েই রাষ্ট্রপতি হিসাবে নিজেকে ঘোষনা দিয়েছিলেন, যদিও সেটা করার তার তেমন কোন ধরনের ভিত্তি ছিল না। আর জিয়ার বিরুদ্ধে ২১/৪১ টা সেনা বিদ্রোহ হয় যার ফলে প্রায় সহস্রাধিক সেনা ও বিমান বাহিনী সদস্য ফাঁসিতে মৃত্যুবরন করে। এ সবের ফলশ্রুতিতে তাকেও একসময় প্রান হারাতে হয়। উপরন্ত জিয়া একজন গোয়েন্দাবাহিনীর সদস্য ছিলেন ও সেনাপ্রধান হতে না পারার ক্ষোভ ছিল। এ ছাড়াও আরো পারিপার্শিক বিষয় রয়েছে। কাজেই সাক্ষ্যপ্রমানের আইনের চোখে দলিল দস্তাবেজে প্রমান হবে কি হবে না সেটা একটা বিষয়, কিন্তু আইনের বাইরে অন্য যে কোন বিশ্লেষনে জিয়ার অভিযুক্ত হওয়ার বিষয়টি প্রতিষ্ঠিতই থেকে যাবে। আর রাজনীতি শুধু সেই অভিযোগকে জিইয়ে রাখবে মাত্র। একারনেই বিএনপিও এ বিষয়টিতে খুব বেশী জোরালো বক্তব্য রাখতে পারে না বা রাখে না -- কারন তাতে বিতর্কটা জিইয়েই রাখা হয়।
১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:২৩

লেখক বলেছেন: আপনি বললেনঃ আমার ব্যক্তিগত অভিমত হল জিয়া খুব উচ্চাভিলাসী ও নৃশংস ধরনের ছিলেন। তিনি ১৯৭১ সালে ২৭ মার্চ যে কোন ভাবে সুযোগ পেয়েই রাষ্ট্রপতি হিসাবে নিজেকে ঘোষনা দিয়েছিলেন, যদিও সেটা করার তার তেমন কোন ধরনের ভিত্তি ছিল না।

এখানে আপনাকে জানিয়ে রাখি , আপনার জানার ভেতরে ভুল আছে। জিয়া বেলাল মোঃ ও অন্যান্যকে জিজ্ঞেস করছিলেন তিনি কি পড়ে ঘোষনাটা দেবেন , নিজের কি অবস্থান জানিয়ে ?

বর্তমান আওয়ামী লীগ নেতা মেঃ জেনাঃ (অবঃ) সুবিদ আলী ভূইয়া সেসময় জিয়ার অধীনে ক্যাপ্টেন ছিলেন এবং তিনিই ঐ ১ম ঘোষনার ড্রাফট তৈরী করে দিয়েছিলেন।

জিয়ার আইডিলিক জীবন তার রাজনৈতিক জনপ্রিয়তার অনেক বড় কারন যেমনটা ভাসানীর বেলায়।

নৃশংসতারা বিষয়টা নিয়ে ১দিন পোস্ট দেবো আশা করি।
রক্ষী বাহিনীর হাতে অনেক নিরীহ মানুষ প্রান হারায় নির্মম অত্যাচারে। মোটাদাগে কি শেখ মুজিবকে এজন্য নৃশংস বলবেন ?
রাজনৈতিক সন্দেহ সবসময় "যারে দেখতে নারি তার চলন বাকা"
অনুসরন করে।

ডগম্যাটিক হোন ।
চেহারার বিষয়টা সরিয়ে নেবোনা।
কিছু বাড়তি ব্যাখ্যা এডিট করার কথা চিন্তা করছি

১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:২৬

লেখক বলেছেন: জিয়ার স্বাধীনতার ঘোষনা , রাষ্ট্র পরিচালনা আর অন্যান্য বিষয় নিয়ে সামনে পোস্ট দেবার আশা রাখি এবং অবশ্যই সোর্স এন্ড রেফারেন্সেস দিয়ে।

১২. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:৪০
মৌ-মাছি বলেছেন: কে ঘোষনা পত্র তৈরী করেছিল তা আমার কাছে বিবেচ্য নয়। তিনি ঘোষনা/পাঠের সময় ছিলেন ঘটনার ঐস্থানটিতে সর্বোচ্চ ক্ষমতাধারী। তিনি কি পড়লেন সেটাই তার মানসিক গঠন সম্পর্কে আমার জানার জন্য গুরুত্বপূর্ন। ঘোষনায় তার ডিকটেশন দেয়ার বা যে কোন সংশোধনী আনার ক্ষমতা তার ছিল। আমার ধারনা জিয়া সেদিন থেকেই প্রেসিডেন্ট হওয়ার গোপন বাসনা লালন করেছেন, যা শেষ পর্যন্ত তিনি বাস্তবায়ন করেই ছেড়েছেন।

জিয়ার আইডলিক জীবন এখানে আসছে না। আসছে ১৯৭৫ সালে তার ভুমিকা আর তার ব্যক্তিগত প্রেক্ষাপট নিয়ে। আমরা সেই বিষয়ে কথা বলি।

সামরিক শাসকের সামরিক আদালতের মৃত্যুদন্ডের নৃশংসতা আর বেসামরিক শাসনকালের ক্রশফায়ার এক বিষয় নয়। আপনি রক্ষীবাহিনীর কর্মকান্ডকে ক্রশফায়ারের সাথে তুলনা করে সমালোচনা করতে পারেন, জিয়ার আমলের হাজার খানিক ফাঁসির সাথে নয়, ওই ক্যু গুলো হয়েছিল সরাসরি জিয়ার বিরুদ্ধে।

ডগম্যাটিক হতে বলছেন! অামি ওই নেতিবাচক গুনের অধিকারী হতে চাই না।

ধন্যবাদ।
১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:৪৪

লেখক বলেছেন: সব বিষয় নিয়েই পোস্ট আনবো ধীরে ধীরে।
ডগম্যাটিজমের ব্যাপারে যা বললেনঃ নানা মানুষ নানা মত

১৩. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৪:০৯
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: আর্মি অফিসাররা ক্লীন সেভ থাকে ২৪ ঘন্টাই.....!!! শফি উল্লার ও আওয়ামী ভন্ডদের মতবাদ হলো মুজিব যেহেতু মারা যাবে সেই শোকে মৃত্যুর অনেক আগে থেকেই দাড়ি গোফ কামানো বন্ধ করে অনেক টা "ছ্যাক খাওয়া" প্রেমিক মজনু টাইপের ভাব নিয়ে থাকা উচিত ছিল........!!! সেনা বাহিনী ও বা;লাদেশের ৯৫% মানুষ সেই মহান পট পরিবর্তনের আশায় নামায-রোজা করেছে.....। পট পরিবর্তনটা যারা করেছে, যে ভাবেই করেছে সেটা কারো কাছেই মুখ্য ছিল না, আজও নেই, জাতীর মুক্তিটাই মুখ্য......|
১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৪:১৪

লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের ১ম অংশের ব্যাপারে বলছিঃ
শফিউল্লাহর গেইম অব সেন্টিমেন্ট দিয়ে জিয়ার গায়ে ময়লা ছুড়ে মারা টাকে মেনে নিতে পারছিনা।

মুজিবের শাসন যে মানুষকে বিতৃষ্ণ করে ফেলেছিলো সেটা নিঃসন্দেহ।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৪:২০

লেখক বলেছেন: খালি হুম.. আর কিসু নাই ? গানিতিক ,সাংকেতিক , গাদ্যিক ?
:(

১৫. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৪:৫৯
জাতি জানতে চায় বলেছেন: পোস্ট চরম! কিন্তু ব্যক্তিগতভাবে এতো যুক্তিতে আমার নিজেরও যাওয়ার ইচ্ছে নাই! আপনে যে বিষয় নিয়া কথা বলছেন, সেটা আজ থেকে প্রায় ৩ যুগ আগের ঘটনা! এতদিনে এই ঘটনা পরবর্তী কুশীলবদের ঘটনা সম্পর্কিত আচরন ছাড়াও অন্যান্য রাজনৈতিক আচরন দেখছি, শুনছি, পড়ছি! তাদের আচরনই বলে দেয় অনেক কিছু! ক্ষমতা এমনই বিষয় যে, দরকার হলে মরা বাপরেও ব্যবহার করা হয়!

রক্ষীবাহিনীসহ বেশ কিছু বিষয়ে সেনাবাহিনীর তরুন তুর্কীরা সরকারের উপর নাখোশ ছিলো! এছাড়াও এই তরুন তুর্কীদের ভেতরে চরম ঐক্যও ছিলো! স্বয়ং শফিউল্লাহ নিজেই বঙ্গবন্ধুর উপর রুষ্ট ছিলেন, কারন সেনা ইন্টালিজেন্সকে তখন সেনাবাহিনীর প্রধান থেকে সরিয়ে নেয়া হয়েছিলো! মোদ্দা কথা এই হত্যাকান্ড সম্পর্কে সিনিয়র অফিসারদের ধারনা না থাকলেও, বিভিন্ন ইস্যুতে খুনীরা সিনিয়রদের সরকার প্রধান বিরোধী মনোভাব ধরতে পেরে সেটার ষোলআনা ব্যবহার করে! ঠিক এটা দিয়ে মুজিব হত্যাকান্ডের দায় জিয়ার উপর চাপানোটা চরম রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রনোদিত!

হাসিনাকে কোন ব্যক্তি দেশে প্রটেকশন দিয়ে আনেন??!! কোন নির্লজ্জ বেহায়া মহিলা জিয়া হত্যার পর "i'm not unhappy" এর খুনীর দোসরসুলভ মন্তব্য করেন??!!
১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৬:০১

লেখক বলেছেন: হুমমম.... আস্তে আস্তে আরো অনেক ঘটনার ফাঁকফোকর ভরাট করতে হবে । আই অ্যাম অন অ্যাটেম্পট্... চোখ রাইখেন

১৬. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৭:১৫
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: মৌ-মাছি নামক দ্বি-পদ প্রানীটি যে কত বড় বিনোদন, একটু বলতে হয়:

মৌ-মাছি দাবী করেন তিনি না-কি বিএনপি ভক্ত, তবে সে বিএনপি হতে হবে উদার.......!!!!

উপড়ে তার তিনটি কমেন্ট দেখে জানতে মন চায় তিনি জিয়ার বিএনপি না-কি তত্বাবধায়ক আমলের মান্নান ভূ্ইয়ার বিএনপি ভক্ত........ :):)
১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৭:৪৭

লেখক বলেছেন: ভাই পোস্টের Course of topic এর ভিতরে থাকেন ।
মৌমাছির কমেন্টগুলোর জবাব আমি দিসি অলরেডী।
আরো যদি কোয়েশ্চেন থাকে সেগুলার জবাবও আমি দিবো।
বিএনপি জন্ম থেকেই উদার ।বিএনপি আওয়ামী লীগের নির্বাচন বিজয় কে মেনে নিতে পারে , টানা ১ বছর ৩ মাস হরতাল - অবরোধ ছাড়া রাজনীতি করতে পারে , আওয়ামী লীগ পরের টার্মে কেমন আচরন করে সেটা দেখা যাবে। শেখ হাসিনার ৮৬'র জাতীয় বেঈমান বিষয়ক ভাষন, ৯৬ তে আর হরতাল না করার ঐতিহাসিক ঘোষনা -২ কেসেই নির্লজ্জ ডিগবাজীর সার্কাসরঙ্গ সবার জানা আছে। তারেকের বেশকিছু অন্যায়ের ফল বিএনপি ২০০৮ এর ইলেকশনে পেয়েছে। যা বলার আমিই বললাম। আপনি মৌমাছির সাথে লাইগেননা। গেট কুল।

ঘটনা পোস্টের লাইনে থাকতে দেন।

১৭. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৭:৫৮
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: @লেখক:

উনার উপড়ের জিয়াকে নিয়ে করা কমেন্ট দেখে আমি অবাক হয়েই জানতে চেয়েছি উনি যে দাবী করেন তিনি বিএনপি'র সমর্থক সেটা কতটুকু ভ্যালিড........???????!!!!!!!!
১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:০৭

লেখক বলেছেন: উনি বিএনপি কে সমর্থন করার প্রয়োজনও নাই। সবার রাজনৈতিক পোলারাইজেশন থাকাটা দেশের জন্য ভালো না। দেশে একটা ভালো % নন-পার্টিসান রাজনৈতিক আবেগ হীন ভোটার থাকা ভালো। এরাই গনতন্ত্রের Safe-guard / Defense Sheild. বিএনপি জন্মগত আদর্শগুলো এটাই। বিএনপি জাতিকে বিভাজন করেনা ।

১৮. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:১৪
মৌ-মাছি বলেছেন: জিয়া তৎকালীন আওয়ামী লীগের একদলের জাতীয় শাসন থেকে বহু মত ও পথের রাজনীতি শুরু করেছিলেন। জিয়া রাজনীতির বাইরের ব্যক্তি জীবনে মোটামুটি সৎ ছিলেন। আর গ্রাম মুখী উৎপাদন কর্মকান্ড শুরু করেছিলেন। এসবের জন্য জিয়া বা তার দলকে ও তার মতাদর্শের কিছু অংশ পছন্দ করলেই আমাকে কি জিয়াকে ধোঁয়া তুলসী পাতা মনে করতে হবে? একজন সামরিক শাসক হিসাবে জিয়ার হাতে রক্ত রয়েছে (এখানে অন্য কারো হাতে রক্ত আছে কি নেই সেটা অন্য বিষয়), এমনকি কোর্টের বিচারে তা সাক্ষ্যের ভিত্তিতে প্রমান হোক আর না হোক। এখানে রাজনীতিও যেমন রয়েছে আবার ঘটনা পরম্পরা ভিত্তিক সত্যতাও রয়েছে।

আমি মনে করি জিয়া ছিলেন বাদশা আওরঙ্গজেবের (আলমগীর) মত নৃশংস আর বিতর্কিত আবার নন্দিতও। আওরঙ্গজেব তিন ভাইকে মেরেছেন, বাবা-বোনকে আটকে রেখেছেন, আরও অনেক অত্যাচার নির্যাতন করে নিজের ক্ষমতার ভিত পোক্ত করেছিলেন। অপরদিকে এই আওরঙ্গজেবই টুপি সেলাই করে ও নিজে হাতে লেখা কুরআন বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন বলে শুনেছি, তাছাড়া তিনি শিক্ষকের সম্মানও দিতেন অনেক। জিয়ার নামেও নৃশংসতা ও জননন্দিতা দুটোই রয়েছে। আমি জিয়াকে তার রাষ্ট্রনায়কোচিত নৃশংসতা, ধুরন্ধরতা, ও উচ্চাভিলাস থেকে রাজনীতির কৌশলে মুক্ত করে শুধু তার বহুদলীয় রাজনীতি ও গ্রামমুখী উৎপাদন কর্মকান্ডের মাধ্যমে পরিচিত করতে চাই না। সব মিলিয়ে জিয়া একদিকে বলিষ্ঠ ও নন্দিত কিন্তু অপরদিকে নৃশংস ও নিন্দিত।

লেখক ঠিকই বলেছেন, বিএনপি উদার ডান পন্থী। কিন্তু আমরা বেশ কিছু কট্টোরদের কারনে আজ গ্রহনযোগ্যতা হারাতে বসেছি।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:২৯

লেখক বলেছেন: রাজনীতির ডান-বাম-মধ্যম পন্থা , মুখের তুবড়ি ছোটানো আর কাজে দেখানোর গরমিল "আমাদের দেশে সেই ছেলে কবে হবে , কথায় না বড় হ্য়ে কাজে বড় হবে" 'র দেশে আজ বড় প্রকট।
এগুলা নিয়ে আস্তে আস্তে লিখবো- নিজের মন গড়া কিছুনা , বিএনপি ভুল থাকলে সেটারও সমালোচনা থাকবে।

১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:৩৮

লেখক বলেছেন: রাশেদ খান মেননের অবস্থা দেখছেনঃ ঘুষ খায়া এমনই পেট ফুলতেসে যে লন্ডন থেকে গাফ্ফার চৌঃ তার কুকীর্তি নিয়ে কলাম লিখসে ভিকারুন্নেসা বিষয়ে। প্রিন্সিপালরে নাকি পুলিশ ডেকে চুল ধরে বের করে দিবে।
এম কে আনোয়ার , ডঃ মঈন খান, মির্জা ফখরুল এরা সাম্যবাদের বুলি ছাড়েনা , তবে বহুৎ মানুষের সালাম পায় এলাকায়।

১৯. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:১৭
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: মৌ-মাছি বলেছেন:


অপরদিকে এই আওরঙ্গজেবই টুপি সেলাই করে ও নিজে হাতে লেখা কুরআন বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করতেন বলে শুনেছি........


------------>> ভুল শুনেছেন........!!!
২০. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:২২
মৌ-মাছি বলেছেন: আমার স্মৃতি শক্তি আমার সাথে বিশ্বাস ঘাতকতা না করে থাকলে আমার সে রকমই মনে আছে। Choto belai poreo silam, babar kaseo shunesilam. Ekhon reference dite parbo na. Tobe badhsa alomgir( orophe aogongjeb) eirokom bivinno karone ekjon nondito shashok o silen, khujlei dekhben.
২১. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:২৪
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: @মৌ-মাছি বলেছেন:

সব মিলিয়ে জিয়া একদিকে বলিষ্ঠ ও নন্দিত কিন্তু অপরদিকে নৃশংস ও নিন্দিত।


------------->> এই নৃশংস ও নিন্দিত মানুষটির গড়া দলের সমর্থক হওয়ার কারন টা যদি একটু বলতেন, ভাল হতো.....। কোন লোক নৃশংস ও নিন্দিত এটা মনে প্রানে বিশ্বাস করা আবার তার আদর্শের দলকে সমর্থন করা, সেল্ফ কন্ট্রাডিকটরি...........!!!!
২২. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:২৯
মৌ-মাছি বলেছেন: @বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত, আমরা এই পোস্ট টিকে অন্যদিকে না নিয়ে যাই! এখানে যে আলোচনা চলছে চলুক। তবে চলুন সবাই সহনশীল হওয়ার চেষ্টা করি।
১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:৩১

লেখক বলেছেন: আমরা এই পোস্ট টিকে অন্যদিকে না নিয়ে যাই! এখানে যে আলোচনা চলছে চলুক। তবে চলুন সবাই সহনশীল হওয়ার চেষ্টা করি।

সহমত

২৩. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:৩৩
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: টুপি সেলাই ও নিজ হাতে কোরান লিখে তা বিক্রয় করে স;সার চালাতেন দিল্লীর বাদশাহ নাসির উদ্দীন, খুব ছোট বেলায় পড়েছি, ঠিক মনে নেই| কেউ পারলে এখানে একটু আলোকপাত করতে পারেন|

তবে বাদশাহ আলমগীরকে নিয়ে একটি কবিতায় দেখেছি নিজ পুত্রকে তার শিক্ষকের পা হাত দিয়ে ধুয়ে না দেয়ার জন্য তিরস্কার করেছেন|
২৪. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:৩৭
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: মৌ-মাছি:

আমারও ইচ্ছা পোষ্ট টি অন্য দিকে না যাক, যাবেও না| তবে আপনি নিজেকে বিএনপি সমর্থক বা শুভাকান্খী দাবী করবেন এব: সেই সাথে বলবেন জিয়া নৃশংস ও নিন্দিত.......!!! এথিকস বলেও একটা কথা আছে, আছে না.....??
২৫. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:৪৩
মৌ-মাছি বলেছেন: @বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত, এ বিষয়ে আপনি একটা পোস্ট দেন। সেখানে আলোচনা হবে। আমি আমার অবসর মত মন্তব্য করার চেষ্টা করব। এই পোস্টে আমি প্রসংগের বাইরে হলে আর আপনার মন্তব্যে জবাব দিব না। প্রসংগে হলে আর সে বিষয়ে আমার বক্তব্য থাকলে বলব অবশ্যই।
১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৮:৫৫

লেখক বলেছেন: কড়া সমর্থন

২৬. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:০২
শারিফ বলেছেন: + দিলাম

মৌমাছি কে বলছি মধূ আনার জন্য বনে জেতে ও এখানে কি করে।


ছাগু একটা কাঠাল পাতা দেন সব ঠিক হইয়া যাইব।

আপনার পর্বরতি পোষ্ট এর জন্য..................

ভাল থাকেন
১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:০৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

২৭. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:০৯
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: এক পোস্টে অনেক বিষয় আলোচনা করেছেন। এখানে এসেছে মুজিবের হত্যাকান্ডে জিয়া সম্পৃক্ত ছিলেন কি না, জিয়া সম্পর্কে জনমুখে উচ্চারিত না অভিযোগ, এসেছে সফিউল্লাহ প্রসঙ্গ, জানতে চাওয়া হয়েছে ওই হত্যাকান্ডের বেনিফিসিয়ারি কারা ইত্যাদি।

প্রথমে বলবো,ওই সময়ের পরিস্থিতি অনুধাবনে আপনার 'ছবি তত্ত্ব' খুবই অপরিপক্ক মস্তিস্কের পরিচায়ক। ওই ছবি আসলেই কোন সত্য অনুধাবনে এতটুকুও সহায়ক নয়। ওটা কেবলই কিছু তথ্য দেয়, আর সেটা হলো সেখানে কারা উপস্থিত ছিলেন।

আমি একটা ছবি দিলাম। দেখুন তো নীচের ছবি থেকে ওই সময়ের শামসুল হকের মানসিক অবস্থা নির্ণয় করা সম্ভব কিনা?


আপনি পঞ্চম সংশোধনী সম্পর্কিত হাইকোর্টের রায় নিয়ে উষ্মা প্রকাশ করেছেন। হাইকোর্টের রায়ে মোশতাক, সায়েম, জিয়ার ক্ষমতা গ্রহন অবৈধ ঘোষনা করা হয়েছে, এখানে আপনার উষ্মার কি আছে?
মালেক উকিল মুজিব মারা যাবার পর কি বলেছিল সেটা একেবারেই বিবেচ্য নয়, আইনের দৃষ্টিতে কার ওই সময়ে রাষ্ট্রপতির দায়িত্বে যাবার কথা ছিল????
মোশতাক কোথা থেকে এলেন?
সায়েম কোথা থেকে এলেন?
জিয়া কোথা থেকে এলেন?

তারা সবাই এসেছেন অসাংবিধানিক পদ্ধতিতে। তাই তাদের ক্ষমতায় আরোহনকে অবৈধ ঘোষনা করা হয়েছে। নিম্চয় মানবেন, এখন যদি কোন অজুহাতে বর্তমান সেনা প্রধান সরকার প্রধানের দায়িত্ব গ্রহন করে তবে সেটা অবৈধ হবে, নাকি?
জিয়া বাংলাদেশের ডেমোক্রেটিক ফ্রেমের পঙ্গুত্ব ঘোচাতে আওয়ামী লীগের ১৯-২০ বিরোধী পলিটিক্যাল ফ্রন্ট বিএনপি তৈরী করলেন - সেই জন্যই কি তাকে বেনিফিসিয়ারী বলা হয় ?

জিয়াকে বাংলাদেশের ডেমোক্রেটিক ফ্রেমের পঙ্গুত্ব ঘোচাতে দায়িত্ব দেয়া হয়নি। তাকে আমার আপনার করের টাকায় নিয়োগ করা হয়েছিল আমাদের দেশকে প্রতিরক্ষা করার জন্য, তাকে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল এবং সার্ভিস রুল অনুযায়ী তিনি আমাদেরকে সেই সেবা দিতে বাধ্য ছিলেন। কিন্তু তিনি আমাদের অনুমতি না নিয়ে আমাদের রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করলেন।
তাকে কে দিয়েছিল রাষ্ট্রপতি থাকা অবস্থায় নির্বাচন করার অনুমতি?
তাকে কে দিয়েছিল আমাদের সংবিধানকে স্থগিত ও সংশোধন করার অধিকার?
তবে কি তিনি বন্দুকের জোরেই সবকিছু করেন নাই?
পৃথিবীর ইতিহাসে কোন সামরিক শাষকই তার রাষ্ট্রের জন্য কল্যান বয়ে আনেনি। জিয়াও ব্যতিক্রম ছিলেন না।

অমি পিয়াল বঙ্গবন্ধু অনুরক্ত, আবেদ খানের রাজনৈতিক পরিচয় আছে, তাই তাদের বক্তব্য পাঠের সময় যেমন নিরপেক্ষতা নিয়ে সংশয় থাকে, আপনার বক্তব্য পাঠের সময় সেটার ভিন্নতা হবে কেন?
১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৩১

লেখক বলেছেন: ছবির বিষয়ে যেটা বললেন ছবি দেখে মানসিক অবস্থা নির্ণয় করা যায় কিনা সেই একই মানদন্ডে একজন সেনা কর্মকর্তা তার আপার কমান্ড অফিসারের সাথে শেভ করে দেখ করতে গেসে সেটাকে আপনি গুরুত্ব দিয়ে দেখতেসেন কেন ?

আর মানসিক অবস্থা আঁচ করার কথা যদি বলেন ছবি দেখে আপনার আপলোড কৃত ছবিটা জাতীয় ইতিহাসের বড় কোন সংকটের সময়কার নয়।

মোশতাক-খালেদ মোশাররফ-সায়েম-জিয়া - এটাই হলো ৭৫'র আগষ্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ক্ষমতার পালাবদলের সিকোয়েন্স।
মোশতাক কিকড আউট , খালেদ মোশাররফ ব্যর্থ , সায়েম খানিক পরিস্থিতির ভরসা , জিয়া লং টার্ম সফল।

শাসনামলের অবৈধতা- বৈধতা প্রসংগে খালেদ মোশাররফ সফল হলে আওয়ামী মহলের চোখে সেটা কিভাবে বিবেচিত হতো , ডকট্রিন অব নেসেসিটির সুবিধামত ব্যাখ্যা (১/১১ এর সরকারের মত) দেয়া পুরো বিষয় গুলো আবার পড়ে দেখবেন।

জিয়াকে বাংলাদেশের ডেমোক্রেটিক ফ্রেমের পঙ্গুত্ব ঘোচাতে দায়িত্ব দেয়া না দেয়ার বিতর্ক তুলে আপনি তার নাগরিক অধিকারে হস্তক্ষেপ করলেন । সেনা কর্মকর্তা হোক আর সিভিল অফিসার হোক রাজনীতি করার অধিকার সবার আছে।

বন্দুকের জোরে যে মানুষের গনতান্ত্রিক সমর্থন পাওয়া যায়না সেটা নিশ্চয়ই স্বীকার করবেন বিএনপি বাংলাদেশের রাজনীতিতে কোন দল সেই বাস্তবতা অনুধাবন করে।
গত নির্বাচনে শোচনীয় খারাপ রেসাল্ট করেও বিএনপি ৩ কোটি ভোট পেয়েছে মোট ৮ কোটি ভোটারের মধ্যে।

কাউকে কোন পক্ষে ট্যাগিং করার যে অভিযোগটা করলেন সেটা অস্বীকার করছিনা , আমি নিজেও রাজনৈতিক দিক থেকে জিয়া পন্থী । তবে বিচার করার সময় ২ চোখই আমার খোলা থাকে।
Faults are thick where love is thin - এই ভুল থেকে সাবধান থাকার চেষ্টা করি।

২৮. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:১২
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: জেলখানা হত্যাকান্ড সম্পর্কে খালেদ মোশাররফ জানতেন না - এমনটাই দাবী করা হয়েছে জেনারেল হামিদের বইটিতে।
১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:৩৭

লেখক বলেছেন: কিন্তু যেটা সিআইএ এর ফ্যাক্টবুক বলতেসে:
জেল হত্যাকান্ড ঘটার কনটেক্সটেই খালেদ মোশাররফ ক্যু করেন ।
আর তাছাড়া ৭ /১১ এর আগেই তো খালেদ জেনে গেসেন ৪ নেতা হত্যার বিষয়টা এবং কারা জড়িত।
জেনারেল (নাকি কর্নেল?) হামিদের বইটিকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিতে হবে।
তবে একজ্যাক্ট টাইমিং গুলো অনেক গুরুত্বপূর্ন বলে মনে হয় আমার কাছে :
খালেদ মোশাররফ ঠিক কয়টায় ক্যু করেন ?
কখন জানতে পারেন জেল হত্যাকান্ডের কথা ?
লিবিয়া পাঠান ঠিক কখন ৩/১১ থেকে ৭/১১ এর মধ্যে ?

২৯. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৩২
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:
আপনি প্রশ্ন এবং আলোচ্য বিষয় থেকে দুরে যেয়ে অপ্রাসঙ্গিক বিষয় টেনে আনছেন। এবং আমার বক্তব্য অনুধাবনের চেষ্টাও করেননি।
ছবি জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ সময়ের কিনা সেটা বিবেচ্য নয়-ছবি দেখে মানসিক অবস্থা নির্ভূলভাবে উপলব্ধি করা যায় কি না সেটাই এখানে বিবেচ্য। এবং আমার বক্তব্য হলো ছবি দেখে সব সময় পরিস্থিতি বা ব্যক্তির মানসিক অবস্থা বোঝা যায় না।

আপনি আমার প্রশ্ন এড়িয়ে গেছেন। আপনি বলুন জিয়া কোন অধিকারে ক্ষমতায় এসেছিলেন?? তাকে কে রাষ্ট্রক্ষমতা পরিচালনার অধিকার দিয়েছিল??

বিএনপি বা অন্য কোন দল কোন নির্বাচনে কত ভোট পেল কিংবা পেল না সেটা নিয়ে আমরা আলোচনা করছি না। আশা করি বিষয়টি বুঝবেন।
আপনার জ্ঞাতার্থে বলছি, আপনি হয়তো জানেন না প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের রাজনৈতিক কর্মকান্ডে অংশগ্রহন নিষিদ্ধ। রাজনৈতিক মতামত তাদের থাকতেই পারে। কিন্তু প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কর্মকান্ডে অংশ নিতে পারে না।
আর জিয়া তো রীতিমত বাকশালের সদস্যপদের আবেদন করেছিলেন সেনা উপপ্রধান পদে থাকাকালীন সময়ে!!

খালেদ মোশাররফ জীবত থাকলে কি হতো কি হতো না সেটা বিষয় না। খালেদ মোশাররফ ৩ নভেম্বর, ১৯৭৫ সালে নিজেকে সিএমএলএ-ঘোষনা করে সরকার প্রধানের যে দায়িত্ব নিয়েছিলেন সেটা অবৈধ।
নিশ্চয়ই আইনকে নিজস্ব দলীয় দৃষ্টিকোন থেকে বিচার করার কোন সুযোগ নেই।।
১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৫০

লেখক বলেছেন:

আমার বক্তব্য হলো ছবি দেখে সব সময় পরিস্থিতি বা ব্যক্তির মানসিক অবস্থা বোঝা যায় না।

আপনার এই বক্তব্যের বিরোধীতা করলাম। আপনার বাবার মৃত্যু সংবাদ পাওয়ার পর যদি আপনাকে কেউ হাসতে দেখে বা শোকহীন দেখে তাহলে বাবার প্রতি আপনার মানসিক অবস্থান কেমন ছিলো সেটা আন্দাজ করা যাবে।

ছবিটা আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয় যদি না শফিউল্লাহ হিন্দি সিনেমার শ্যাডো অব সেন্টমেন্ট জিয়া র শেভ করা না করা নিয়ে মুজিব হত্যার ঘটনায় ফেলতেন।

৭৫ এর আগষ্ট থেকে নভেম্বর পর্যন্ত ক্ষমতার পালা-বদল যে সংবিধান মেনে হয়নি সেটা কি আমি অস্বীকার করেছি?

আমার বক্তব্য ছিলো বাকশালের পর ডেমোক্রেসী ক্লোসড হয়ে যায়। দেশে ১ দল , ১ নেতা সাংবিধানিক ভাবে । বিরোধী দল নাই ।
তাহলে সংবিধান মেনে ক্ষমতার পালা বদল করতে হলে কি হবে ?
আবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করতে হবে যিনি ১ দল ১ নেতার রক্ষাকবচ ৭৫ জানুয়ারীর সংবিধান অনুযায়ী ।
এই সংবিধান কি আপনি চান ?
যদি চান তাহলে আমি আর বিষয়টা নিয়ে তর্কে যাবোনা।
আর যদি না চান তাহলে ১টাই সমাধান। ডকট্রিন অব নেসেসিটির গ্রাউন্ডে এই সংবিধান লংঘন করো , ডেমোক্রেসী ফিরিয়ে আনো , বহু দলীয় রাজনীতি ফিরিয়ে আনো ।
জিয়া কি ধীরে ধীরে সেটাই করেন নি ?
১৯৭৯ তে কি জাতীয় নির্বাচন হয়নি ? বহু দল রাজনীতিতে ফিরে আসেনি ? ওসমানী , মালেক উকিল এর ফ্রন্টে কি আওয়ামী লীগ নির্বাচনে অংশ নেয়নি ?
জিয়া কোন অধিকারে ক্ষমতায় এসেছিলেন ?
জিয়া যে ৫ ই নভেম্বর সেনাপ্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন সেটার কথা কি ভুলে গেছেন- সেটা খালেদ মোশাররফের চাপেই হোক আর যেভাবেই হোক।
তাহের ই তাকে ফিরিয়ে এনেছেন ঘটনার স্পটলাইটে।
জিয়া এমন ১জন সামরিক কর্মকর্তা রাষ্ট্রনায়ক যাকে ক্ষমতায় আসতে বন্দুক হাতে নিতে হয়নি । যিনি ছিলেন বন্দী।
তার সময়ে এরশাদবিরোধী গন আন্দোলনের মত গন আন্দোলন হয়নি কেন ? সবকিছু মোটা দাগে না মেপে পরিস্থিতি-স্থান-কাল-পাত্র বিবেচান করবেন আশা করি।
৭৯'র নিয়মতান্ত্রিক নির্বাচনের আগ পর্যন্ত জিয়া দেশের টাল-মাটাল পরিস্থিতি যেভাবে সামলেছেন সেটার Alternative কি হতে পারতো এটা সবচেয়ে দরকারী আলোচনা এই প্রশ্নের বিপক্ষে।
আপনার সাজেশন কি ? কে দেশ চালাবে ?
মালেক উকিল ? তাহলে এর পর নির্বাচন হবে ? কারা প্রতিদন্দ্বীতা করবে ? খোন্দকার মোশতাক , ওসমানী , ফনীভূষন, মনোরন্জ্ঞন রা ? মোশতাক কেবিনেটে কারা ছিলো তখন ?
৭৯ পূর্ববর্তি জিয়ার শাসন নিয়ে ভাসানীর অবস্থান কি ছিলো ?
বিরোধীতা ? আশা করি এই মজলুম জননেতার চেয়ে আপনি বেশী রাজনৈতিক জ্ঞানসম্পন্ন নন।

আপনি আরো বললেনঃ
আর জিয়া তো রীতিমত বাকশালের সদস্যপদের আবেদন করেছিলেন সেনা উপপ্রধান পদে থাকাকালীন সময়ে!!
এটা যে একটা আওয়ামী গুজব সেটা বহুল প্রমানিত।নতুন করে কিছু বলার নাই। যাই হোক সামনে এগুলা নিয়েও পোস্ট দিবো আশা করি। বাকশালের সদস্য ছিলেন অন্য উপসেনা-প্রধান মেজর জেনারেল খলিলুর রহমান সেটা এর মধ্যেই বলসি।


খালেদ মোশাররফ ৩ নভেম্বর, ১৯৭৫ সালে নিজেকে সিএমএলএ-ঘোষনা করে সরকার প্রধানের যে দায়িত্ব নিয়েছিলেন সেটা অবৈধ।
নিশ্চয়ই আইনকে নিজস্ব দলীয় দৃষ্টিকোন থেকে বিচার করার কোন সুযোগ নেই।।

আপনার এই মন্তব্যটার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
এই একই ভাবে যদি আওয়ামী মহল চিন্তা করতো তাহলে বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে সারাক্ষন আঃলীঃ- বিএনপি তায়কোন্দো খেলা চলতেছে সেটা বন্ধ হইতো। এই কথাটা খায়রুল হক সাহেব স্কিপড করেছেন । তিনি মোশতাক -খালেদ মোশাররফ- সায়েম- জিয়া এই CMLA সিকোয়েন্সটা বাদ দিয়ে বলেছেন মোশতাক-সায়েম-জিয়া CMLA .
রাজনৈতিক ক্রেজ থেকেযে তিনি তার রায়ে শুভংকরের ফাঁকিটা দিয়েছেন সেটা আশা করি বুঝতে পারছেন পরিস্কার ভাবে।

আমার এই পোস্টের শিরোনাম দেখুন । এই পোস্টের উদ্দেশ্য বিভিন্ন ঘটনার ৭৫'র আগষ্ট - নভেম্বর পর্যন্ত যে মোটা দাগের ব্যাখ্যা ও প্রচারনা দেয়া হয় সেগুলো কে চিকন দাগে দেখা ।
অবৈধতা- বৈধতা নির্ণয় না , আমি সেটা পোস্টে ১বারও দাবীও করি নাই।



১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৫৮

লেখক বলেছেন: ৭৫'র শেখ মুজিব হত্যা পরবর্তী বাকশাল সংবিধান নিয়ে দেশ চালানোর অসম্ভাব্যতার ব্যাপারে যে ডকট্রিন অব নেসেসিটি তৈরী হয়েছিলো সেটা ৫ম সংশোধনী বাতিলের পক্ষে সবচেয়ে সোচ্চার প্রথম আলো এবং আওয়ামী বুদ্ধিজীবি মহলই স্বীকার করেছেন । জানতে চান কিভাবে ?
এভাবেঃ

৫ম সংশোধনী সব বাতিল করা যাবেনা , মডিফিকেশন থাকবে সিএমএলএ শাসনের বৈধতা বাতিল করে এবং
৪র্থ সংশোধনী (বাকশালের সংশোধনী) তে কোন ভাবেই ফিরে যাওয়া যাবেনা।
ডক্ট্রিন অব নেসেসিটি সেই সময় জিয়ার সামনে কিভাবে ছিলো সেটা আশা করি বুঝতে পারছেন নিরপেক্ষ এবং আওয়ামী মহলের প্রতিক্রিয়ায়।

৩০. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:৩৪
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন: লেখকের লেখায় আর কমেন্টগুলায় লেখকের যে দৈন্যতা প্রকট হয়ে ফুটে উঠছে তা হল তিনি সবকিছুকেই আওয়ামী লীগ আর বিএনপিতে ভাগ করে ফেলছেন, যেখানে একজন বিশ্লেষকের ভাগ করা উচিৎ ছিল "ঠিক আর ভুল" এই ২ ভাগে।

শেখ মুজিবের মৃত্যুর পর স্পিকার তারে নিয়া কী ভাবে, সেইটা যেমন অপ্রাসঙ্গিক, তেমনি "খালেদ মোশাররফ ক্ষমতা নিলে আওয়ামী লীগ মেনে নিত" এই ভাবনাটাও অপ্রাসঙ্গিক। আওয়ামী লীগ মেনে নিলেই কোন জিনিস ঠিক হয়ে যায় না।

আর সামরিক কর্মকর্তার রাজনীতি করার অধিকার আছে, এটা শুনে হাসবো না কাঁদবো বুঝতে পারতেছিনা। অব: হইলে হয়ত করা যায়, কিন্তু সামরিক কর্মকর্তা থাকা কালে??

বেশ কিছু তথ্য আছে, তবে বিশ্লেষণ বাবদে লেখাটা নিতান্তই দূর্বল।
১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:০৩

লেখক বলেছেন: ভাই কাইজা করলে কইবেন ফাউল।
রাজনৈতিক সহনশীলতা দেখাইলে কইবেন রাজনৈতিক দৈন্য।
আবার বললেন: সবকিছু আওয়ামী লীগ - বিএনপিতে ভাগ করে ফেলসি। পাবলিক রেই বিচার করার দায়িত্ব দিলাম আপনার এই কমেন্টের।

শেখ মুজিবের মৃত্যুর পর স্পিকার তারে নিয়া কী ভাবে, সেইটা যেমন অপ্রাসঙ্গিক, তেমনি "খালেদ মোশাররফ ক্ষমতা নিলে আওয়ামী লীগ মেনে নিত" এই ভাবনাটাও অপ্রাসঙ্গিক। আওয়ামী লীগ মেনে নিলেই কোন জিনিস ঠিক হয়ে যায় না।
এই মন্তব্যটার জন্য ধন্যবাদ।

আবার বললেনঃ
আর সামরিক কর্মকর্তার রাজনীতি করার অধিকার আছে, এটা শুনে হাসবো না কাঁদবো বুঝতে পারতেছিনা। অব: হইলে হয়ত করা যায়, কিন্তু সামরিক কর্মকর্তা থাকা কালে??
এই মন্তব্যের জন্য ২৯ এর জবাব পুরোটা পড়েন।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:০৬

লেখক বলেছেন: আপনি বললেনঃ
বেশ কিছু তথ্য আছে, তবে বিশ্লেষণ বাবদে লেখাটা নিতান্তই দূর্বল।

আমারেও হাসাইলেন , সম্ভবত পাবলিকরেও হাসাইলেন।
পুরালেখাটাতেই তো বিশ্লেষন করলাম , পাবলিকেও উপরে সেটাই কইসে, বিশ্লেষন ছাড়া কি এক্সট্রা লিখসি একটু যদি দেখাইতেন !!!!

৩১. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:১৮
হরিসূধন বলেছেন:

++++

আবেদ খানের লেখাটা সেই রকম হয়েছে। তার লেখা থেকে খালেদ মোশারফ সম্পর্কে অনেক অনুমানের ইতি ঘটেছে। তবে আবেদ খান তার এই লেখার মাধ্যমে বর্তমানের প্রধানমন্ত্রী হাসিনা কে ও একটা বার্তা দিয়েছে। শেখ হাসিনা যে দেশের স্বার্থের চেয়ে ভারতের স্বার্থ নিয়ে বেশী চিন্তিত নেপালের গিরিজা প্রসাধ কৈরালার মতো। কৈরালা কে যেভাবে নেপালে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে ভারত ক্ষমতায় গদিতে বসায়। সেই একই ভাবে হাসিনা কে বসায়। ভারত বাংলাদেশের বন্ধু রাষ্ট্র না! ভারত আ.লীগের বন্ধু এর কারনেই আ.লীগ কে-ই মুল্য দিতে হবে। আবেদ খানেরা ইহা ভালো করেই জানে। এবং দেশের মানুষ ও জানে এরশাদ এবং জলিল জানে কিভাবে গনতন্ত্রের নামে সিলেক্টতন্ত্র হয়েছে।

এই দেশের মানুষ কে জোর পুর্বক শেকুলার সহ নানা আগ্রসনের ঔষধ ভিন্ন বোতলের মাধম্যে খাওয়ানোর চেষ্টা হয়েছে এবং হচ্ছে তার পরিনতি যে ভয়াবহ হবে তা আবিদ খানেরা জানে। সাম্প্রদায়িকতা মৌলবাদীতা বা অন্য ইস্যু হচ্ছে শাক দিয়ে মাছ ঢাকার মতো প্রভুদের খুশি করার নেকামী। আ.লীগ তাদের দলীয় নীতি দেশের মানুষের উপর চাপিয়ে দিচ্ছে।
১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:০৮

লেখক বলেছেন: হুমমমম

৩২. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৩০
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: জিয়া একটা সুযোগ সন্ধানী। ক্ষমতা দখল করে পার্টি করেছেন। পার্টি গঠন করে নেতা হয়ে ক্ষমতায় যাননি। বিরাট জিয়া ভক্তকে তার পরিশ্রমের জন্য সাধুবাদ জানাই। ২০১৪-র নির্বাচনের পর বিএনপি সরকারের তথ্যমন্ত্রী যে হবেন তাতে আর সন্দেহ নাই!
১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:০৭

লেখক বলেছেন: আপনার মাইনাস আমার জন্য আশীর্বাদ। পাবলিকে বুঝবো আপনি কি বুইঝা মাইনাস দিসেন। আবার আসবেন।

৩৩. ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৫৫
বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত বলেছেন: ব্লগীয় বিনোদন যদি মিস না করতে চান..... :):)

Click This Link
১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:৩৩

লেখক বলেছেন: মাইনাস কষায়া আইসা পড়েন।
আর কোন সাবজেক্ট খুইজা পায় নাই।

৩৪. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:৪৯
হরিসূধন বলেছেন:
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন:

জিয়াকে বাংলাদেশের ডেমোক্রেটিক ফ্রেমের পঙ্গুত্ব ঘোচাতে দায়িত্ব দেয়া হয়নি। তাকে আমার আপনার করের টাকায় নিয়োগ করা হয়েছিল আমাদের দেশকে প্রতিরক্ষা করার জন্য, তাকে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারী হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল এবং সার্ভিস রুল অনুযায়ী তিনি আমাদেরকে সেই সেবা দিতে বাধ্য ছিলেন। কিন্তু তিনি আমাদের অনুমতি না নিয়ে আমাদের রাষ্ট্র ক্ষমতা দখল করলেন।




>> ঢাকা ওয়াসার পানি সাপ্লাই, ঢাকা মোট্রো পুলিশের ট্রাফিক কন্টোল, পানি উন্নায়ন বোর্ডের বাঁধ রক্ষা, ফায়ার সার্ভিসের পরিবর্তে সেনা বাহিনী দিয়ে আগুন নিভানো রাষ্ট্রের জরুরী সব কাজই আমাদের জননেতারা "প্রতিরক্ষা বাহিনী দিয়ে করায় আর তারা এয়ার কন্ডিশনেড গাড়ীর মধ্যে থেকে হাত মারে। এই সেই দিন আমাদের জননেত্রী শেখ হাসিনা মইন-ফখরুউদ্দিন সরকার কে তাদের সরকার বা আন্দোলনের ফসল বলেছে!! তাদের আন্দোলন টা কেমন ছিলো? গনতান্ত্রিক কি? নাকি মইনদের ক্ষমতা নিতে বাধ্য করেছে? যাই হোক বাংলাদেশ সরকার জিয়া বা প্রতিরক্ষা বাহিনী কে শুধু দেশ রক্ষার জন্য নিয়োগ দিয়েছে স্বাধীনতার পর? সেই জিয়া কে-ই পাকি সরকার ৭১ পুর্বে দেশ রক্ষার জন্য নিয়োগ দিয়ে ছিলো কিন্তু সে কি করেছে? সময়ের প্রয়োজনে বিদ্রোহ করেছে? কেন? সময়ের প্রয়োজনে। তেমনই ৭৫রের পরে মোশতাক নয়তো মালেক উকিল অথবা শেখ ছলিম উদ্দিন আসতো। যেই তখন ক্ষমতায় আসতো তাকেই বেনিফিশিয়ারী বলা হতো। রাজনীতিবিদেরা তাদের "জনসেবা" ভুলে আত্ম সেবায় ডুবে দেয়। অথচ তাদের শপথ ভঙ্গের বিচার কোন দিন ও হলো না!! সেনাবাহিনীর সদস্যরা জনগণের করের টাকায় চলে। রাজনীতিবিদেরা যে ভাতা পায় সংসদে গিয়ে সেটা মনে হয় জনগণের করের টাকায় না!! সেটা হাসিনা খালেদার টাকায় তাই তাদের পদ লেহন করে? আমাদের জননেতারা টেক্সবিহীন ভাতা পায়, গাড়ী পায়, ঢাকা শহরে দুই চারটা বাড়ী, ফ্লাট, প্লট তো আছে অথচ আমাদের জননেতারা যখন শপথ করে তখন কিন্তু এ গুলার কথা উল্লেখ্য থাকে না। সেই রকমই.. আমাদের বিচারপতিরা যখন দেশের জনগণ এবং ন্যায় বিচারের শপথ নেয় অথচ সার্ভিস দেয় আ.লীগ বিএনপি কে! আমার কথা মিথ্যা হলে সত্য কোন টা? তাদের নিয়োগ দেয়া হয় দলীয় ভাবে আবার তাদের অবসরের পর আ.লীগ বিএনপির সেবা দেয়া থেকে বুঝা যায়.... তারা জনগণের করের টাকা খাইয়া কোন বান্দীরপুতদের সেবা দিয়েছে।

তাই রাষ্ট্রের জননেতারা যখন জনগণের সেবার নামে বাঁশ দেয় তখন সেই জনগণ কে রক্ষার জন্য যেই এগিয়ে আসবে সেই বৈধতা পাবে। কারন আমাদের দুইবারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন "সংবিধানের জন্য মানুষ নয়! মানুষের জন্য সংবিধান।" এই সেই দিন বলেছে। যদি উনার কথা সত্য হয় তবে এই দিন বদলের কালের পরে উন্নায়নের জোয়ারের কালে আবার সংবিধান পরিবর্তন হবে। তকন বিচারপতি খায়রুল হকের ও কথা শুনা যাবে।
১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: দুর্দান্ত!!!!!!!
এবার আপনারেই আমি ঝাজা দিলাম।

৩৫. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:৫৯
শামসুন হাসনাত বলেছেন: আপনার লেখায় নিরপেক্ষতা বজায় থাকেনি। তবে আপনি যে জেনারেল জিয়ার একজন অন্ধ ভক্ত তা বোঝা যায়। শেখ মুজিবকে যখন মারা হয় তখন তিনি জনগণের ভোটে নির্বাচিত প্রতিনিধি ছিলেন। তাকে মেরে ফেলার পর সাংবিধানিকভাবে পরবর্তী নির্বাচন হওযার আগ পর্যন্ত স্পিকার অথবা প্রধান বিচারপতির রাস্ট্রপতি হওয়ার কথা। একজন সেনা কর্মকর্তার নয়। এখানে জেনারেল জিয়া অন্যায় করেছেন। শেখ মুজিবকে সপরিবারে হত্যা করা হলো তার বিচার করলেন না। বরং খুনীদেরকে পুরষ্কৃত করলেন। খালেদ মোশাররফ যদি অন্যায় করে থাকেন তার জন্য জেনারেল জিয়ার তাকে সমর্থন করা উচিত ছিল না। একজনের অন্যায়কে অন্যজন সমর্থন করবেন না নিশ্চয়ই। বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন যারা মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতা করেছে তাদেরকে রাজনৈতিকভাবে প্রতিষ্ঠিত কিন্তু জিয়াই করেছে। কাজেই যদি রাজনৈতিক বিশ্লেষণ করতে হয় তাহলে তা নিরপেক্ষ হওয়া উচিত্।
১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:৫০

লেখক বলেছেন: আমি রাজনৈতিক মতাদর্শের দিক থেকে নিরপেক্ষ নই, তবে তথ্য বিশ্লেষন করে শেষ রায়টা নেয়ার দায়িত্ব আপনারা পাঠকদেরকেই দিয়েছি যেটা সবাই জানাচ্ছেন। এবং তথ্য গুলোতে পক্ষপাত দুষ্টতার কোন সুযোগ নাই। কারন বংগবন্ধুর অন্ধ ভক্ত ব্লগারের ব্লগকে রেফারেন্স হিসাবে নেয়া হয়েছে।


খুনীদের পুরষ্কার দেয়ার বিষয়টা কিভাবে শুরু হয়েছিলো সেই সব ঘটনার ফাকফোকর গুলোইতো জানালাম ।
আপনি তাহলে কি বুঝলেন ব্লগ পড়ে ?

মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীদের রাজনৈতিক পুনর্বাসন নিয়েও প্রচলিত কথাগুলো খন্ডিয়ে পোস্ট আসবে সামনে।
৭২ থেকেই এরা ছড়িয়ে ছিটিয়ে পুনর্বাসিত ছিলো ?
বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের জাসদ থেকে মাওলানা মতিন ৭৩'র নির্বাচনে প্রার্থী হয়েছিলো । এরকম আরো অসংখ্য উদাহরন আছে যারা ছড়িয়ে ছিটিয়ে বিভিন্ন ভাবে রাজনীতিতে ছিলো।
সেটাই ছিলো তাদের রাজনৈতিক পুনর্বাসনের Initial Phase. জিয়ার সময়টা ছিলো Middle Phase । আর মধ্যপ্রাচ্য ফ্যাক্টরকে অনেকে চোখে দেখেও দেখেনা । আপনার অবগতির জন্য জানাই ১৯৭৬ এ জিয়া ১ম ৬০০০ শ্রমিক মধ্যপ্রাচ্যে পাঠান যা আজকে ৭০০০০০০- যা আপনার দেশকে বাচিয়ে রেখেছে।
এই অজানা সত্য গুলো কি মিডিয়ায় আসে। এই সব অনেক তথ্যের ফাক ফোকর বন্ধ করার চেষ্টা আমি চালাবো , অবশ্যই তথ্য বিকৃতি না করে।
ধর্মীয় দল গুলো রাজনীতিতে ছিলোনা- এটা সত্য।

স্বাধীনতা বিরোধী দের মধ্যে যেমন ডান (জামাত)-বাম (চীনা বাম) স্ট্রীম লাইন ছিলো
তেমনি স্বাধীনতাপন্থী দের ভেতরেও ডান (জিয়া, জলিল , ভাসানী, আরো অনেকে ) - বাম (আওয়ামী লীগ) স্ট্রীম লাইন ছিলো।

ধর্মীয় রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করার বিষয়টা একটা মোটা দাগের সিদ্ধান্ত বলেই আমার মনে হয়। গণভোট হলেও এটা কুল পাবেনা আমি নিশ্চিত।


১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:১৮

লেখক বলেছেন: আপনি বললেনঃ
তাকে মেরে ফেলার পর সাংবিধানিকভাবে পরবর্তী নির্বাচন হওযার আগ পর্যন্ত স্পিকার অথবা প্রধান বিচারপতির রাস্ট্রপতি হওয়ার কথা

জ্ঞাতার্থে আবারও জানাচ্ছিঃ সেসময় স্পীকার ছিলেন মালেক উকিল এবং চীফ জাস্টিস ছিলেন বিচারপতি আবু সাদাত মোঃ সায়েম

৩৬. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১:২০
হরিসূধন বলেছেন:

শামসুন হাসনাত@ আপা এই যুগের কথা ধরেন। ৯১য়ের নির্বাচন কে আমাদের গনতন্ত্রের মানস কন্যা শেখ হাসিনা বলেছে "কারচুপি" কিন্তু তারই দলের ড.কামাল হোসেন বলেছে সুষ্ট নির্বাচন। যার কারনে পরে সেই কামাল কে বাংলাদেশে আ.লীগের সস্ত্রস বাহিনী ধোলায় দিয়ে বাহির করে দিয়েছে। যাই হো ৯৬ এ জামাতীদের সাথে আন্দোলন করে জননেত্রী ক্ষমতায় এসে মুক্তিযুদ্ধের না বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন বাস্তবায়নে নেমে পড়লো ভালো। যার ফলাফল ভরাডুবি। কারনটা কি? ওহ্ জানেন না! সুক্ষ কারচুপি। যাক বাবা সেটা গেলো শেখ হাসিনার স্বপ্নের আন্দোলনের ফসল মইন-ফখরুউদ্দিন আসলো? এটা কি বৈধ? তাহলে বুঝা উচিত আইনের পেচ পেচানী বাদ দিয়ে তখন দেশের কি অবস্হা ছিলো? আর জিয়া না রশিদ গং এরই মোশতাক কে ক্ষমতায় বসিয়েছে সে কিন্তু মালেক উকিলের ছোট ভাই ছিলো। যাই হোক হের পরে কিন্তু বিচারপতি সায়েম ও এসে ছিলো!!

গনতান্ত্রিক ব্যবস্হার আইনের বাহিরে ও কিছু আইন আছে। যখন জননেতারা তাদের রচিত কিতাবিক আইন কে ভাঙ্গেন( অমান্য) করেন অথবা নিজেদের সুবিধার জন্য পরিবর্তন করেন তখনই ঐ আইনের বাহিরের আইন চালু হয়ে যায় নিজে নিজেই অন্য কিছুর উপর ভর করে। প্রতারণার শুরু কিন্তু রাজনীতিবিদ অথবা জননেতাদের দিয়ে... তাদের টা কুন বিচারপতি অবৈধ ঘোষনা করবো?
৩৭. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ২:০৭
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন: ৩০ এর রিপ্লাই পইড়া হাসতেই আছি =p~ =p~ ভাইজান কি "বাবদ" নামক কুনো শব্দ জীবনে শুনেন নাই?? আপনার জইন্য এই লিংক

সামরিক কর্মকর্তার রাজনীতি নিয়া যা বললেন, তাতে একগাদা ফেনা ছাড়া সলিড কিছু পাইলামনা।
০৮ ই মে, ২০১০ সকাল ৯:৩২

লেখক বলেছেন: ৩৮ নং এ কি বলসি সেটা একটু খেয়াল করেন প্লীজ

৩৮. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:২২
দাসত্ব বলেছেন: @ ফিউরিয়াস ওয়ানঃ দুঃখিত , ভুলে আপনার করা শেষ কমেন্ট (৩৭নং , হরিসূদনের পরের কমেন্ট টা) ডিলিট হয়ে গেসে। আপনি যদি আবার কমেন্ট টা করেন খুব খুশী হবো।

যাই হোক আপনার উদ্দেশ্যঃ
৬ নং কমেন্টে বলসিলেনঃ
বিশ্লেষণ কিছু জায়গায় ঠিক আছে, কিছু জায়গায় ঠিক নাই।
সেটার জবাব সেখানেই দেয়া আছে।

৩০ নং কমেন্ট বললেনঃ
লেখকের লেখায় আর কমেন্টগুলায় লেখকের যে দৈন্যতা প্রকট হয়ে ফুটে উঠছে
সব কথা ভাই আপনিই বলতেসেন।
বলেন , বলেন- আরো বলতে থাকেন - আমিও শুনতে থাকি , আমজনতাও শুনতে থাকুক
৩৯. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:২৭
পি মুন্সী বলেছেন: আপনার লেখা ও মন্তব্যগুলো পড়লাম।

১. নিজের পছন্দের দলের জায়গায় দাড়িয়ে ইতিহাস বিচারে বসা কী সম্ভব!
২. এধরণের আলোচনা সিরিয়াস করতে গেলে অবজেকটিভ দৃষ্টিভঙ্গীর ছাপে করতে হত। সেটা আপনি বা মন্তব্যকারীরা তৈরি করতে সফল হননি।
৩. ফলে রাজনৈতিক দলবাজীর গিমিকগুলো নিয়ে কথা আর কাটান-কথার মধ্যে সব আটকে গেছে।
৪. কথা শুরু করার আগে আপনিসহ কেউই পরিস্কার রাখেননি যে আপনাদের বিচার কী কনষ্টিটিউশনাল আইনী সীমার মধ্যে করবেন? না রাজনৈতিক জায়গায় (দলীয় না) দাড়িয়ে বিচার করবেন? ফলে আলোচনা আগায় নি, এলোমেলো হয়ে গিয়েছে। যেমন একজন প্রশ্ন তুলেছে জিয়ার ক্ষমতা নেবার অধিকার বা রাষ্ট্রক্ষমতা পরিচালনার অধিকার কী? এই প্রশ্নটা কনষ্টিটিউশনাল আইনী। যদি কনষ্টিটিউশনাল আইনী সীমার মধ্যে আলোচনা সীমাবদ্ধ রাখতে চান তবে আমাদের সবার মানতে হবে কনষ্টিটিউশনাল আইনে জিয়া মারাত্মক দোষী, রাষ্ট্রদ্রোহীতার অপরাধ। কিন্তু সেক্ষেত্রে শফিউল্লাহসহ যারাই মোশতাককে প্রেসিডেন্ট মেনেছিলেন আনুগত্য প্রকাশ বা মন্ত্রী ইত্যাদির শপথ নিয়েছিলেন এরা সবাই একই দোষে দোষী, রাষ্ট্রদ্রোহীতার অপরাধ; এবং তা একেবারে আদি পাপ।
৫. আবার যদি ধরেন, শফিউল্লাহসহ সবাই চাপের মুখে বা ঐসময়ের রাজনৈতিক বাস্তবতা অথবা শান্তিশৃঙ্খলার স্বার্থে ইত্যাদি মনে করতে চান তবে আমরা কনষ্টিটিউশনাল আইনী গন্ডি বাদ রেখে একধরণের রাজনৈতিক বিচারে প্রবেশ করলাম। তখন আর জিয়ার ক্ষমতার কনষ্টিটিউশনাল উৎস কী সে প্রশ্ন করা যাবে না।
৬. ক্যু হত্যা শেষে, একজন বরখাস্ত কর্নেল ডালিম নিজ ষ্টেন গান উচিয়ে সেনাসদরে বুক ফুলিয়ে প্রবেশ করলেন কী করে? সমস্ত বড় অফিসার পরিবেষ্টিত হয়ে আর্মি চীফ শফিউল্লাহর অফিসে ঢুকে গেলেন তিনি, সবার সামনে শফিউল্লাহকে বঙ্গভবনে গিয়ে মোশতাকের সাথে দেখা করতে আদেশ দিলেন, শফিউল্লাহ ডালিমকে অনুসরণ করে বঙ্গভবনে গিয়ে মোশতাকের কাছে আনুগত্য প্রকাশ করলেন, মিডিয়ার সামনে ঘটা এঘটনা দেশবাসী দেখল।
এখন এঘটনাকে কীভাবে বিচার পরখ করে দেখতে চাই আমরা?
সৈনিকের মর্যাদা? নৈতিকতা? প্রতিষ্ঠান হিসাবে গোটা সেনাবাহিনী এরপর কী জীবিত অটুট ছিল? না শফিউল্লাহ একজন সৈনিক হিসাবে তাঁর পোষাক উর্দির মর্যাদা রক্ষা করেছিলেন?
না কী এটাকে কনষ্টিটিউশনাল আইনের সীমায় দৃষ্টিতে বিচার করব?
না কী মোশতাকের নতুন রাজনৈতিক ক্ষমতা কী ভাবে সংগঠিত হতে পেরেছিল, বলপ্রয়োগের ক্ষমতা কী জিনিষ, আমেরিকানের সাথে হাত মিলিয়ে দেশীবিদেশী কী ধরণের রাজনৈতিক ক্ষমতা সেটা, ক্ষমতা দখল মানেই বলপ্রয়োগে ক্ষমতাদখল বৈধ-অবৈধতার প্রশ্ন পরে - ইত্যাদি প্রসঙ্গের দিক থেকে ঘটনাটা দেখব?

ঐ সময়ে ডালিমই সেই ক্ষমতা আর তাঁকে অনুগামী হওয়া শফিউল্লাহসহ সকলে একএকজন জিন্দা লাশ, গায়ের ঊর্দির মত দেখতে বটে কিন্তু আসলে তেনা-মত জড়ানো কবরের কাফন। শফিউল্লাহ, খালেদ, জিয়া সবার গায়েই এই পোষাক। এই হলো রাজনৈতিক ক্ষমতা, বলপ্রয়োগ।
১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:৩৬

লেখক বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। আমি একটু বাইরে যাচ্ছি । ফিরে এসে আপনার সাথে আলোচনা হবে। আপনার অনেক গুলো মন্তব্যতেই আমার সহমত থাকবে অগ্রীম জানবেন।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৬:০০

লেখক বলেছেন: ১. বিচার কিন্তু করে ফেলিনি। ঘটনার ফাঁক ফোকর বন্ধ করার চেষ্টা করেছি। প্রত্যেকটা বিষয় তুলে আনার পর সেখানে ১ টা করে প্রশ্ন রেখে গিয়েছি খেয়াল করেছেন নিশ্চয় । প্রশ্ন গুলো পাঠক দের জন্য - তারমানে বিচার টা আপনারা পাঠকরাই করছেন

১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৬:০৬

লেখক বলেছেন: ২ এবং ৩ . পোস্টে কিন্তু অবজেক্টিভনেস নষ্ট হয়নাই । মন্তব্য পর্যায়ে এসে বাৎচিৎ হয়েছে । তবে আমি কিভাবে রিপ্লাই গুলো দিয়েছি সেটা নিশ্চয়ই দেখেছেন। মন্তব্যকারীরা রাজনৈতিক গিমিকের দিকে চলে গেসে এবং আমাকেও জোর করে টেনে নিয়ে গেসে সেটাও আশা করি দেখেছেন।

তথ্যের নিরপেক্ষতা তথ্যদাতার উপর নির্ভর করেনা যখন সেটা পরিষ্কার গ্রহনযোগ্য সোর্স থেকে আসে। আশা করি একমত হবেন।

১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৬:১৩

লেখক বলেছেন: ৪ এবং ৫ . আমি কিন্তু অস্বীকার করিনি যে সংবিধান থেকে বিচ্যুতি ঘটে নাই তখন। না পোস্টে , না মন্তব্যে।
বাকিটার জন্য ২৯নং এ দুরন্ত স্বপ্নচারীকে দেয়া জবাবটা পড়ুন আবার। সেখানে বেশ কিছু প্রশ্ন রেখেছি সংবিধান থেকে বিচ্যুতি না ঘটলে কি ঘটতে পারতো সেগুলোর সম্ভাব্যতা নিয়ে। আমারতো মনে হয় থোড় বড়ি খাড়া- খাড়া বড়ি থোড় ই ঘটতো।
আপনার কি মনে হয় ? দেশতো চলতে হবে , তাই না?

১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৬:১৪

লেখক বলেছেন: ৬ এবং পরিসংহারঃ পুরোপুরি সহমত।

৪০. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:৩৪
ব্রাইটসেন্ট্রাল বলেছেন: গ্যলারীতে বৈয়া আছি এহনো .......................
১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৩:৩৮

লেখক বলেছেন: থাকেন ...

৪১. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:৩৭
দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: আপনি আইনী মিমাংসা করেন দলীয় স্বার্থের অনুকূলে। আইনকে বাধ্য করতে চান দলের অনুকূলে রায় দিতে। আপনার সাথে আলোচনা চালিয়ে যাওয়াই মুশকিল।
স্বঘোষিত দলীয় রাজনৈতিক কর্মীর 'তথাকথিত নিরপেক্ষ' রচনায় আর কমেন্ট করে মূল্যবান সময় নষ্ট করতে চাই না।
১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:১৯

লেখক বলেছেন: আপনি কি আসলেই আমার কমেন্টগুলো মনোযোগ দিয়ে পড়েন ?
আমি তো বলেই নিসি পোস্টে এবং মন্তব্যে যে মুজিব হত্যা পরবর্তী ক্ষমতা হস্তান্তর সংবিধান মেনে হয়নি ।
আমি যেটা বলতে চেয়েছি সংবিধান মেনে চললে কি ঘটতো ?
আপনার কাছে ২৯নং এর জবাবে অনেক গুলো প্রশ্ন রেখে গেসি।
আপনিতো জবাব দিলেন না ?
আমাকে যেভাবে দোষারপ করলেন সেইভাবে কি অমি পিয়াল বা অন্যান্যদের কে দোষারপ করেন ?
তথ্যের নিরপেক্ষতা তথ্যদাতার উপর নির্ভর করেন যখন তথ্যগুলো যথাযথ সোর্স থেকে আসে।
জিয়ার শাসন ৭৯ পর্যন্ত সংবিধান মেনে হয়নি।
কিন্তু সেটাকে আমাদের দেশের রাজনীতিতে "রাজনৈতিক মনঃস্তত্ত্ব" থেকে বিচার করা হয় ।
অমুক করলে খারাপ , অমুক করলে ভালো।
আমি সেই জায়গাটাতেই আঘাত করতে চেয়েছি।
আইনী মীমাংসায় ১/১১ এর সরকার সম্পূর্ণ অবৈধ । কিন্তু সবাই মেনে নিয়েছে। কেন?

১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:২৯

লেখক বলেছেন: বাকশালের সংবিধান দিয়েতো দেশ চালানো সম্ভব না। এটাতো ডেমোক্রেসীকে গদাম দেয়া একটা বিষয়। ৪র্থ সংবিধানকে যে লংঘন করাটা জরুরী ছিলো সেটাতো ৫ম সংশোধনী বিষয়ক রায়েই পরিস্কার। ৫ম সংশোধনীর সামরিক শাসনের বৈধতা দেয়া অংশটা বাতিল , তবে ৪র্থ সংশোধনীতে কোন ভাবেই ফিরে যাওয়া যাবেনা।
আপনি তো বিষয়টা দেখেও না দেখার ভান করলেন ?
আলোচনা কি আসলেই আপনি চালাতে চান না যেন তেন প্রকারেন তর্ক জিততে চান?

৪২. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৩৮
নাজনীন১ বলেছেন: অমি পিয়ালের মুজিব বন্দনা পোস্ট যেমন এড়িয়ে যাই, ঠিক তেমনি এ পোস্ট এড়িয়ে গেলেই পারতাম। তবে আমারও এ ব্যাপারে কিছু জানার কৌতুহল আছে, তাই আসলাম।

১। আপনি স্বীকার করছেন যে জিয়া মুজিববিরোধী অভ্যুত্থানের সাথে জড়িত ছিল বা সমর্থন করতেন, আমেরিকাতে বিভিন্ন মিটিং-এ অংশও নিয়েছেন (রেফারেন্সে দেখা যাচ্ছে)। এ জাতীয় ঘটনার পর কোন সরকার তার অধীনে চাকরী করা সেনা হোক বা সিভিল হোক, কর্মকর্তাদের প্রতি কিভাবে বিশ্বাস স্থাপন করবে?

২। তিনি যখন জানলেন জুনিয়র অফিসাররা ক্যু ঘটাবে, নিশ্চয় তারা অস্ত্র নিয়ে যাবে, এটাতো বোঝা যায়। আবার শেখ মুজিবের বাড়ি যারা পাহারা দেয়, তাদের কাছেও অস্ত্র আছে। তাহলে অল্প বয়স্ক সেনারা কোন রক্তপাত না ঘটিয়েই ক্যু ঘটাবে -- এ ব্যাপারে এতো নিশ্চিত হলে কেমন করে জিয়া?

নাকি যাই ঘটে ঘটুক, মুজিব সরলেই বাঁচি, এরকম কোন চিন্তা?

৩। কেন রশীদ-ফারুক মুজিবের উপর এতো ক্ষেপেছিল? এটা নিয়ে কি জিয়ার কোন প্রশ্ন ছিল, খতিয়ে দেখেছেন? ডালিমের না হয় ব্যক্তিগত ক্ষোভ আছে, বাকীদের? জেনারেল নূরের?

এখানে বাকশালের কথা একেবারেই আসে না। কারণ সেনারা সরকারী কর্মচারী, সরকার যেমনই হোক অন্য যেকোন সরকারী কর্মকর্তাদের মতো তাদেরও বেতন-ভাতা জনগণের ট্যাক্স থেকেই যায়। অতএব, তাদের এ নিয়ে মাথা ব্যাথার কোন কারণ দেখি না।

এ পর্যায়ে হয়তো রক্ষীবাহিনীর কথা আসবে। সেসময়ে তারা প্যারামিলিটারী বাহিনী হিসেবেই ছিল। তাদেরকেও বিরোধী রাজনীতিকে দমন করার কাজে ব্যবহার করা হতো। তারাও সরকারী বাহিনী ছিল। সেক্ষেত্রে বলি বর্তমানে আমাদের যে আইন-শৃংখলা রক্ষাবাহিনী আছে (এটা মনে হয় জিয়ায় শুরু করেছেন), এদের ব্যাপারে কি অভিমত? এখনো তো তারা সরকারী পেটোয়া বাহিনী, বিরোধীদের দমন করতে সরকার ব্যবহার করে, তারাও দূর্নীতি করে............।

বলতে পারেন এখনকার সেনাবাহিনীকে যেভাবে এলিট শ্রেণী হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে, সেটা তখন ছিল না, কিন্তু সেনাবাহিনীদের দাবী সেরকম ছিল। আচ্ছা, অন্যান্য সরকারী কর্মকর্তাদের চেয়ে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের এই যে বাড়তি সুবিধাগুলো দেয়া হয়, এটা কে আপনি ঠিক ভাবেন কিনা? এটা কি হওয়া উচিত?

৪। আর মার্কিনী রিপোর্টে জিয়াকে এতো হিরো বানানোর কারণ কি? এখন তো সন্দেহ হচ্ছে। মার্কীনিদের বন্ধু তথাকথিত গণতন্ত্রের পূজারী আফগানিস্তানের হামিদ কারজাই বা ইরাকের সাদ্দাম পরবর্তী সরকারের সাথে মোশতাক / খালেদ মোশাররফ/ সায়েম/ জিয়ার সরকারের কোন পার্থক্য আছে কি?
১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:৪৮

লেখক বলেছেন: আপনি কিছু ভুল করলেন । জিয়া আমেরিকায় কোন মিটিং এ অংশ নেননি। সিআইএ পৃথিবীর সবচেয়ে ধুরন্ধর গোয়েন্দা সংস্থা যারা খুটি নাটি খবর রাখে তাদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সবদেশের।
মুজিব কে ক্ষমতা থেকে উৎখাতে কি শুধু জিয়ার ই মৌন সম্মতি ছিলো? আর কারো কি ছিলো না ? দেশের মানুষ কি মুজিব শাসন নিয়ে সন্তুষ্ট ছিলো ? তারা কি শাসনে ক্ষমতায় পরিবর্তন চায়নি ? মোশতাকের কেবিনেট দেখুন ? মাওলানা ভাসানীর অবস্থান কেমন ছিলো ?

রক্তপাত ছাড়াই যে মুজিব কে সরানো সম্ভব ছিলো তার ১টা বড় যুক্তি সেনাবাহিনী কে মুজিব আন্ডারমাইন করেছেন। কয়েকজন মেজর এতবড় ঘটনা ঘটিয়ে ফেললো , জিয়া ছাড়াওতো আরো অনেক উর্ধতন অফিসার ছিলো সেনাবাহিনীতে , তারাও চুপ কেন ?
তবে খুনীরা অনেক আক্রমনাত্নক ছিলো মুজিবের প্রতি।

আপনি সম্ভবত RAB কথা বলেছেন রক্ষীবাহিনীর সাথে তুলনা করতে গিয়ে। এরকম কিছু জিয়া করেন নি।

সেনাবাহিনী কে কিছু দেশের আর্থসামাজিক অবস্থার তুলনায় এমন কিছু সুবিধা (গল্ফ খেলা-এরশদের চালু করা , আরো কিছু) দেয়া হয় যেটা আমি সমর্থন করিনা।এগুলো পাকিস্তান লেগাসী থেকে আমদানী করা । পাকিস্তানে সেনাবাহিনী মানে রাজন্যবর্গ।

তবে সেনা বাহিনী মানেই তাদেরকে বিশেষ সুবিধা দিতেই হবে।
হেল্থ বিল পাস করাতে ওবামার ঘম ছুটে যাচ্ছে। আমেরিকায় ডাক্তারের কাছে গেলেই গলাকাটা পড়ে। অথচ মার্কিন সেনাবাহিনীর সদস্য এবং তাদের পরিবারের সদস্য দেরকে ফ্রী চিকিৎসা দেয়া হয় আজীবন।পুরো খরচ সরকারের।

জিয়াকে সিআইএ রিপোর্ট হিরো বানায়নি।
জিয়া দেশের প্রতি বেশকিছু দায়িত্ব পালন করে গেছেন অনেক গুলো Historical Juncture এ।
জিয়ার জায়গায় অন্য কাউকে কল্পনা করুন যার রাজনৈতিক অবস্থান নাই।
একই কাজ করার জন্য সেকি প্রশংসা পাবে নাকি বিতর্ক ?



৪৩. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:৪১
নাজনীন১ বলেছেন: দুঃখিত, জিয়া বা মোশতাক আমেরিকাতে মিটিং-এ অংশ নিয়েছেন --- এটা ভুল কথা বলা হয়ে গেছে। আমেরিকার সিআইএ-র সাথে যোগাযোগ ছিল, এটাই বোধ হয় সম্পূর্ণ ঠিক।

দেখুন আপনার পোস্টটা জিয়াকে নিয়ে, তাই আমি কথা বলেছি জিয়াকে নিয়ে। মুজিব সহ অন্য আর সবাই পাপী নাকি নিষ্পাপ, সেটা তো এখানে বিবেচ্য না। যার যার জায়গায় তার তার ভুল-শুদ্ধ। সে বিতর্ক তো পিছনে নিতে নিতে আরো অনেক পিছনে নেয়া যাবে। সেটা তো শুধু ৭২ থেকে না, ৭১, ৬৯, ৬৬, ৬২ ......... এরকম অনেক ব্যাপারে বলা যাবে। মাওলানা ভাসানীকে নিয়েও বলা যাবে, তাজউদ্দিনকে নিয়েও বলা যাবে। ওসমানী, মনি, আলম, রব , জিজিএম .........সবাইকে নিয়েই তো দোষ-গুণ আলোচনা হয়েছে, হচ্ছে কত! আর মুজিব হত্যায় সফিউল্লাহকে কেন ফাঁসী দেয়া হলো না, এটা তো অবশ্যই একটা প্রশ্ন।

আর শুধু জিয়ার নাম কেন আসছে, অন্য অফিসারদের নাম কেন আসছে না, এটা নিয়েও তো অনেক আলোচনা দেখেছি এ ব্লগেও। সেই ২৭শে মার্চ জিয়ার নিজেকে প্রভিশনাল প্রধান ঘোষণা থেকে শুরু করে পরবর্তীতে জেড ফোর্স, এরপর উনাকে সেনাপ্রধান না করায় ক্ষিপ্ত, এসব নানা যুক্তি তো দেয়া হয়। আর জিয়ার অনুসারীরা যদি আরো কারো নাম জেনে থাকেন এ ষড়যন্ত্রে, উনারাই বা কেন মুখ খুলছেন না?

এ পোস্টে যেহেতু জিয়ার ব্যাপারে বলছেন, এটা নিয়েই বলি। তিনি সব দোষের দোষী- এ জাতীয় কথাই আমি বিশ্বাসী না। কিন্তু একটা ক্যু সফল হয়েছে বলেই আরো অনেক গুলো ক্যু ঘটানো হয়েছে বা চেষ্টা করা হয়েছে এবং শেষ পর্যন্ত উনাকেও একইভাবে জীবন দিতে হয়েছে। তার মানে কি দাঁড়ালো, উনার কর্ম/ মৌন সমর্থন উনার জন্যই বুমেরাং হয়েছে। অন্যায় অন্যায়ই ডেকে আনে। এরশাদ রক্তপাতে যায়নি, তাই তার বিরুদ্ধে রক্তপাতও হয়নি।

আর মুজিব আমলের ভুল ত্রুটিগুলোকে আমি ডিফেন্ড করছি না। বরং আমি এখনকার সংবিধানের মূলনীতিতেই বিশ্বাসী। বুঝি যে এটাই মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশে হওয়া উচিত। আর মাওলানা ভাসানীসহ আরো অনেকে মূলত এ কারণে যে ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন বলে আমার মনে হয়। অথচ মুজিবের খুনীরা এ ব্যাপারে আদালতে কিছুই তেমন বলে না। শুধু বলে বাকশাল আর রক্ষীবাহিনীর নির্যাতন, মুজিব দেশবিরোধী কাজ করেছে, ভারতকে দিয়ে দিচ্ছে। কিন্তু স্পষ্টত দেখা যায় ডালিম বলছে ইসলামী প্রজাতন্ত্র.........। কিন্তু নতুন একটা দেশে মুজিবকেও খুব একটা স্বস্তিতে কাজ করতে দেয়া হয়নি, উনার ভুল-ত্রুটিগুলোসহই বলছি। সরকারকে ভালোভাবে কাজ করতে দেয়ার জন্য বিরোধীদলেরও সহযোগিতা লাগে, সেটা না করে বরং উনাকে সবসময়ই চাপের মুখে রাখা হয়েছে। আইন শৃংখলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতেই উনার বেশির ভাগ সময় গিয়েছে।


আর ভারত-রাশিয়া-চীন-মার্কিন-পাকিস্তান ঘরানা নিয়ে কি আর বলবো। কেউ চেয়েছেন ভারতের কোল ঘেঁষে থাকতে, কেউ সেখান থেকে সরে আসতে গিয়ে মার্কিন খপ্পরে পড়েছে। কেউ আবার চীনাদের খপ্পরে পড়তে চেয়েছে। কেউ আবার ব্যাক টু দ্য প্যাভেলিয়ান হতে চেয়েছে। এ পর্যন্ত কাউকে দেখিনি বাংলাদেশ পক্ষে জোর লবিং করতে। এটা আদৌ কোনদিন হবে কিনা কে জানে!



দেখুন জিয়ার ভাল কাজ, সাধারণের সাথে মিশে যাওয়া, এরকম অনেক ব্যাপার মুজিবের ব্যাপারেও প্রযোজ্য এবং আরো বড় পরিসরে। তবুও দুর্ভিক্ষের পরে মানুষের খেতে পারাটা ঐ সময়টাতে একটা বড় সাফল্য। কিন্তু মুজিবের আমলের দূর্নীতির পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কূটনীতিও যে ঐ দুর্ভিক্ষের জন্য দায়ী ছিল, তা নিশ্চয়ই জানেন।

মুজিব হত্যার পরদিনই ভুট্টো চাল উপহার দেয়, ফাজিল একটা। সৌদিরাও আগে সাহায্য করেনি, সেখানেও তো বিরোধী কূটনীতি কাজ করেছে, নাকি? তাই শুধু মুজিবকে কি দায়ী করা যায়? আবার হয়তো যায়ও। সেখানে রাজনৈতিক পক্ষ-বিপক্ষই আসল ব্যাপার। এদিক থেকে জিয়া আমেরিকা, সৌদি, চীন বিভিন্ন জায়গা থেকে সাহায্য পেয়েছেন। সাধারণ মানুষ খেতে পেয়েছে, আর মানুষের মাথার উপর চেপেছে আইএমএফের ঋণের বোঝা, যা আজো শোধ হয়নি, দিনে দিনে শুধু বাড়ছেই।


১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৫৯

লেখক বলেছেন: যা বলসেন তার অনেকাংশের সাথে সহমত।
এরশাদ রক্তপাতে যায়নি, তাই তার বিরুদ্ধে রক্তপাতও হয়নি।- খুবই মুল্যবান ১টা কথা বললেন।

শেখ মুজিব যে আন্তর্জাতিক সাহায্য পায়নি এটা সত্য।
জিয়া পেয়েছে। বিশেষকরে মধ্যপ্রাচ্যের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাহায্য।
ভুট্টোর ঐ ফাজলামীর কথাতো সবাই জানে।
মুজিব সরল বিশ্বাসী ছিলেন।
তবে অজান্তে হোক আর জান্তেই হোক- বেশকিছু অন্যায় করেছেন।
তার শাসনামলের সবকিছু তার ভাষনের রোমান্টিকতা দিয়ে জায়েজ করা যাবেনা।
আন্তর্জাতিক রাজনীতির ব্যাপারে অনেক ঘোরপয়াচ আছে।কিছু জানি।
আরো জানার চেষ্টা করছি। সামনে এটা নিয়ে পোস্ট দেয়ার চেষ্টা করবো। শুধু এটুকু এখন জেনে রাখুন মোশতাক কিন্তু মস্কোর সমর্থন পেয়েছিলো!
আমেরিকা সমাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে ছিলো , মুজিবের সমাজতন্ত্র তারজন্য কালসাপ হয়ে দাড়ায় - এগুলো হাস্যকর প্ড়মান করে পোস্ট আসবে। এটা জেনে রাখুন:
ইন্দিরা গান্ধী আর নিক্সনের ভেতরে ব্যক্তিত্বের লড়াই ছিলো।
পৈত্রিকসূত্রে রাজনীতিতে আসা ইন্দিরার রাজনৈতিক ধূর্ততা নিক্সনের দারুন অপছন্দ ছিলো!

৪৪. ১৫ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:৪৮
নাজনীন১ বলেছেন: দেইখেন আমারে আবার এরশাদ পার্টি বানায় ফেইলেন না, মান ইজ্জত আর থাকবে না। :) গ্রামে-গঞ্জে মানুষ এরশাদের রেশনিং সিস্টেমের প্রশংসা করে, তিনিও মোটামুটি জনপ্রিয় ছিলেন গরীবদের কাছে। কিন্তু দূর্নীতির আখড়া যা বানিয়ে গেছেন, তা উত্তরাধিকারসূত্রে আমাদের মাননীয় নেত্রীদ্বয় পেয়েছেন। আর সেই বৈদেশিক সাহায্য, ঋণের বোঝা......
১৬ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:০২

লেখক বলেছেন: ভয়ের কারন নাই। আমি রাজনৈতিক দিক মীমাংসাপন্থী। গায়ে পড়ে ঝগড়া না করতে চাইলে আমি কাউকে পলিটিক্যালি ট্যাগিং করিনা।

৪৫. ১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৩২
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: খালেদ মোশাররফ তার জীবনের সবচাইতে অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন সে সময়টাতে। টাইমফ্রেম আমার মনে নেই এখন, কিন্তু কর্নেল হামিদের বইটিতে উল্লেখ আছে যে বিষয়টি জানতে পেরে খালেদ অনেক আফসোস করেছিলেন যে তিনি আগে জানলে কিছুতেই তাদেরকে চলে যেতে দিতেন না। সেটার কথাই উল্লেখ করেছি আমি।
১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ রাত ৮:৪৭

লেখক বলেছেন: এডিশন ১ দেখুন ।
কর্নেল হামিদের বইটার নানা সোর্স থেকে খুচরো খুচরো জানতাম।
তবে কর্নেল হামিদের বইটাকে আমি নিরাপদ ভাবতে পারছিনা।
কারন তার বইয়ের বেশকিছু ধারাবর্ননা রীতিমত মিনা ফারাহ পর্যায়ের।লরেন্জ্ঞ লিফশুলজ বা অ্যান্থনি ম্যাসকারেনহাসের মতো নিরাবেগ ভাবে সব বলে যেতে পারেন নি ।
বেশকিছু গরমিল তুলে আনলাম এডিশন-১ এবং এডিশন-২ এ।
সেগুলো আবার পড়ুন।
হয়তো নতুন করে চিন্তা করবেন।

৪৬. ১৭ ই এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৪৫
হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: খালেদ মোশাররফ তার জীবনের সবচাইতে অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন সে সময়টাতে। টাইমফ্রেম আমার মনে নেই এখন, কিন্তু কর্নেল হামিদের বইটিতে উল্লেখ আছে যে বিষয়টি জানতে পেরে খালেদ অনেক আফসোস করেছিলেন যে তিনি আগে জানলে কিছুতেই তাদেরকে চলে যেতে দিতেন না। সেটার কথাই উল্লেখ করেছি আমি।
৪৭. ১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৪:৫৫
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: +। ইতিহাসের নির্মম রসিকতা দেখেন........যে হেনরী কিসিঞ্জার মুজিব হত্যার মূল নির্দেশদাতা তাকেই আবার ২০০০ সালে হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকা অবস্থায় বাংলাদেশে দাওয়াত করে এনে তার হাত থেকেই পুরস্কার গ্রহণ করে। আর ঐ বুড়ো শয়তান মৃত সামাদ আযাদ বলেন কিসিঞ্জার কে নাকি বিভ্রান্তিকর তথ্য দেওয়া হয়েছিল যার কারণে তিনি বলেন "Bangladesh is a bottomless basket"। এ সবই হল ক্ষমতা লিপ্সুদের সীমাহীন লোভ যারা নিজের পিতা-মাতাকেও পরোয়া করে না। ধন্যবাদ।
১৯ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ৯:৫০

লেখক বলেছেন: হুমমম নিক্সন- কিসিন্জ্ঞার এর বিষয়টা নিয়ে সামনে পোস্ট দিবো। হাসিনার পিতৃশোক নাই আমি শিওর । এরশাদের কথাই চিন্তা করেন । এরশাদ তো ফারুক কে ফ্রীডম পার্টি করতে দিসিলো।

৪৮. ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:৪২
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: এটি আগে দেখিনি । আপাতত প্রিয়তে রাখলাম , পরে আলোচনার যোগ দেয়ার নিমিত্তে ।
৪৯. ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৫:৫৮
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: "এ প্রসংগে শেখ মুজিবের অনুরক্ত ১জন সিনিয়র ব্লগার নুরুজ্জামান মানিকের"

এই সামুতেই মুজিব হত্যা নিয়ে লেখার আগে জিয়া হত্যা নিয়ে আমি লিখেছি , আগামিতেও লিখব এবং মুজিব হত্যা যেমন আমি আমি সমর্থন করিনা তেমনি জিয়া হত্যাও না ।জিয়া হত্যার বিচার আমি আগেও চেয়েছি আজো চাই , পরেও চাব । তাহলে আমি কি জিয়ারও অনুরক্ত ?

আমি তাহেরকে নিয়েও লিখেছি এই সামুতেই , প্রহসনমুলক বিচারে তাহের হত্যার বিচার চাই আমি । আমি কি জাসদ ? খালেদ-হায়দার নিয়েও আমার একাধিক ব্লগ আছে এখানে ? আমি কাদের দালাল ?

বিনাবিচারে , প্রহসনমুলক বিচারে , ক্রসফায়ারে হত্যার আমি বিরোধী ।

খালেদা-হাসিনার র্যাব দ্বারা ক্রসফায়ারের মাধ্যমে হত্যার বিরোধিতা আমি সর্বদা করেছি এবং এদেশে প্রথম ক্রসফায়ারের নিহত হন কমরেড সিরাজ সিকদার মুজিবামলে , এটাও আমি অস্বীকার করিনা ।
২১ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:৩৪

লেখক বলেছেন: ঠিক আছে, দুঃখিত , এডিট করে ঠিক করে দেবো।

৫০. ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৩
মুহাম্মদ মামুনুর রশিদ বলেছেন: ভাই মুজিবের পতনে দেশের অধিকাংশ লোক খুশী হয়েছিলো তারা কি সবাই জড়িত ছিলো?
২১ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:৩৩

লেখক বলেছেন: মুজিবের খুনে সবাই খুশী হয়নি। আমার নানাবাড়ীর ১ নানু সম্পর্কের মহিলার কথা বলতে পারি। তার ছেলে মুক্তিযোদ্ধা ছিলো, পরে জাসদ করতো। রক্ষী বাহিনী তাকে গুম করে ফেলে। মুজিব হত্যার পর নাকি আমার ঐ নানু সম্পর্কিত বৃদ্ধা মহিলা বলেছিলেন: "আমিতো শেখ মুজিব কে বদদোয়া দেই নাই"।
তবে শেখ মুজিবের পতনে দেশের অসংখ্য মানুষ স্বস্তি পেয়েছিলো- এটা ধ্রুব সত্য।

২১ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: প্রশ্নটা ভালোই করেছেন!
মুজিব হত্যার ব্যাপারে সবাই যেভাবে জিয়াবিদ্বেষী হয়ে যায় তার কারন সম্পুর্ন মনঃস্তাত্ত্বিক। যারে দেখতে নারি তার চলন বাকা।

৫১. ২১ শে এপ্রিল, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৪
সুবিদ্ বলেছেন: ইতিহাস ঘাঁটলে দেখা যাবে দায় সবারই আছে.......কিন্তু আমরা তো সময়ে সময়ে শুধু নিজেদের সাময়িক স্বার্থই দেখে থাকি, তাই অনেকক্ষেত্রেই গোঁজামিল দেই, মিথ্যা বলি, সত্য বা সমস্যাকে লুকিয়ে রাখি, একই রেকর্ড বারবার বাজাই........অজস্র ভন্ডামিতে ভরা চারপাশ

তবে ঘটনার দায় জিয়া কেন শুধু শফিউল্লাহ বা খালেদ বা তাহের কেউই এড়াতে পারবেন না.........

আপনার প্রয়াসের জন্য ধন্যবাদ
২১ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১০:৩৫

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ- ইতিহাসকে নিজের স্বার্থে যদি বিএনপিও দলাই-মলাই করে আমি সেটাও তুলে আনবো।

৫২. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৩৮
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: ১. বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ড তদন্তে কমিশন গঠন করা হোক

২.সংবিধানের ৪র্থ সংশোধনীর কপি দরকার , পেলে আমাকে পাঠান ।
২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:১৫

লেখক বলেছেন: এই জিনিসটা আমিও খুজতেস.. আপনিও পেলে আমাকে পাঠাবেন।

২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৫৭

লেখক বলেছেন: আপনার লিংকে গেলাম। শেখ সেলিম যে কথাটা বলেছেন সেটাই তো আমিও বলতে চেয়েছি। ধন্যবাদ। সেলিম যে এই রকম ১টা মন্তব্য করেছে সেটাতো জানতামই না।

৫৩. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১২:৫২
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: "যেই খালেদ মোশাররফের ক্যু ব্যর্থ হওয়ায় অগুণিত আওয়ামী পন্থীরা আক্ষেপে বেদনার্ত হন ইতিহাসের মোড় ঘুরে না যাওয়ার আফসোসে সেই খালেদ মোশাররফই"

সত্য । দেখুন আমার ব্লগ- নভেম্বর ৩ , ১৯৭৫
২৩ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১২:১৪

লেখক বলেছেন: ইতিহাসের মোড় কোন দিকে ঘুরতো সেটা বলে ফেলা এত সহজ না। যাই হোক আমি যেটা বলতে চেয়েছি:
খালেদ মুজিবের খুনীদের দেশত্যাগ করতে দিয়েছেন।
সে কারনে খালেদ যদি দোষী না হয় তাহলে জিয়া কিভাবে দোষী?
জেলহত্যার ঘটনা পরে জানুক আর আগেই জানুক -
মুজিহ হত্যাকারী দের খালেদ দেশত্যাগ করতে দেবে আর মুজিবের ডেপুটি নেতাদের হত্যাকারী দের যেতে দেবেনা এটা কোন যুক্তিতে দাড় করাতে চান ?
আমিতো বিশ্বাস করি খুনীরা যদি আরোকিছু খুনাখুনীও করতো মোশতাকের সাথে আপোষরফা হিসেবে খালেদ তাদেরকে ছাড়তেন।
ওটা পরে জেনেছি , এটা পরে জেনেছি- নইলে ওটা করতাম , এটা করতাম - হাস্যকর।

৫৪. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:০০
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: "প্রাসংগিকভাবে বলতে হয় ফারুক - রশিদ- তোয়াহাব গং রাও যে জিয়ার বিপক্ষেও ক্যু করতে চেয়েছিলো ।"

সত্য । জিয়া পাওয়ারে আসার ৬ মাসের মাথায় এপ্রি;'৭৬ এ ফারুক-রশিদ জিয়া উৎখাতের ব্যর্থ ক্যু ঘটান । এর পরেও জিয়ার আমলে একাধিক ক্যু-বিদ্রোহ ঘটে খুনি মেজরদের দ্বারা । অথচ এই খুনি চক্রের বিচারে খালেদা আর তার বিএনপি প্রতিক্রিয়াহীন! ব্লগাস্ফিয়ারে চলে ফারুকের জন্য মায়াকান্না !!
২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:১৫

লেখক বলেছেন: আমি কিন্তু কাঁদিনা

৫৫. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:১৯
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: হাসান শহীদ ফেরদৌস বলেছেন: "খালেদ মোশাররফ তার জীবনের সবচাইতে অদক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন সে সময়টাতে। "

শুধু অদক্ষতাই নয় সে সময় খালেদের ভুমিকায় তার সহযোদ্ধারাও হতাশ হন ।এর নেপথ্যের কারন তথা চমকপ্রদ তথ্য আমার কাছে আছে । যা খালেদ ছাড়া আর কেউ জানতেন না । আমার প্রকাশিতব্য গ্রন্থে থাকবে সেই তথ্য ।
২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:১৭

লেখক বলেছেন: ভিন্ন দৃষ্টিভংগীতে একই ঘটনাকে নানা জন ভিন্ন ভাবে বিচার করবে। তথ্যটা জানালে খুশী হবো।

৫৬. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:৩১
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: লেখক বলেছেন: লরেন্জ্ঞ লিফশুলজ বা অ্যান্থনি ম্যাসকারেনহাসের মতো নিরাবেগ ভাবে সব বলে যেতে পারেন নি ।

জিয়া বিরোধী প্রচারনার প্রধান দুই উৎসই তো এরা । হামিদ আর যাই হোক জিয়াকে গালি দেননি কিন্তু লিফশুলজ জিয়াকে মীরজাফর হিসেবেই চিহ্নিত করেছেন । আর মাসকারেনহাস তো জিয়াকে নির্মম খুনি হিসেবেই সাব্যস্ত করেছেন ।

"He was a man who could kill with one hand & eat with the other"-. (The legacy of Blood)

২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:১৯

লেখক বলেছেন: কিন্তু তারা জিয়ার কৃতিত্ব এবং কাজ গুলোকে অস্বীকার করেননি।
সেগুলোকেও স্বীকার করেছেন। যেটা দেশীয় মানুষরা করেনা।

৫৭. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ১:৪৪
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: "One of these Mujib loyalists, Brigadier Khaled Musharraf, launched a successful coup on November 3, 1975. Chief Justice Abu Sadat Mohammad Sayem, who had served Mujib in the Supreme Court, emerged as president. Musharraf had himself promoted to major general, thereby replacing Chief of Staff Zia.
In a public display orchestrated to show his loyalty to the slain Mujib, Musharraf led a procession to Mujib's former residence. "

ভুল । খালেদের ক্যুর পরেও ৫ তারিখ পর্যন্ত মোশতাকই প্রেসিডেন্ট ছিলেন ।তিনিই খালেদকে জেনারেল ও চিফ করেন । সায়েম প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নিয়ে ৬ তারিখে বেতার ভাষন দেন । সেদিন দিবাগত রাতেই তাহেরের ক্যু ঘটে - ভোরে খালেদ নিহত হন ।
২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:২১

লেখক বলেছেন: সেটা কিন্তু আমি বলেছি। খালেদের সাথে মোশতাকের আপোষরফা চলছিলো । খালেদকে যে মোশতাক ই চীফ করেন সেটাও জানতাম। বলা হয়নি। তবে সেটা খালেদ বন্দুকের মুখে আদায় করে নেন।

২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:২৬

লেখক বলেছেন: আমি কিন্তু বলেছি: ডেভিস বোস্টারের মতে খালেদ পদন্নোতি না পাওয়ায় ৮/১৫ এর পরে তার ভেতরে ক্ষোভ জমে ছিলো।

আর ভুল কিভাবে হলো ? সায়েম কে তো প্রেসিডেন্ট হিসেবে খালেদ ই তুলে আনে। তারিখ কিন্তু ঐ লাইনে উল্লেখ নাই।

৫৮. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ দুপুর ২:২২
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ আইনে পরিনত হয় জিয়ার আমলে । খালেদের ক্যুর ৩-৫ তারিখে আলাপ আলোচনায় কাটে । সায়েম-খালেদ সরকার কার্যত শুরু হয় ৬ তারিখে । একদিনও টিকেনি সেই সরকার তবে সায়েম রয়ে যান । জিয়া মোশতাককে পুনর্বহাল না করে সায়েমকেই রাখেন । ৬ তারিখেই সংসদ বাতিল করা হয় । সায়েমের ঘোষণাটি দেখে পড়ে আমি জানাব সেখানে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ নিয়ে কোন কথা ছিল কিনা ?

২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:৩৪

লেখক বলেছেন: ইমডেমনিটি যে আইনে পরিণত হওয়ার মাধ্যমে কন্টিনিউ হয় সেটা কি আমি বলিনি পোস্টে ?

ইমডেমনিটি নিয়ে কিছু না করার সুযোগ থাকুক বা না থাকুক ,
খালেদ তো মোশতাকের সাথে আপোষ রফার প্রথম দান হিসেবে মুজিব খুনীদের লিবিয়া যেতে দেন- অস্বীকার করতে পারবেন ?

বন্দুক নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট থেকে বের হলেন , প্রেসিডেন্ট কে ঝাড়ি দিলেন , জিয়া কে হাউস অ্যারেস্ট করলেন আর প্রিয় নেতার খুনীদের কে শ্যুট করতে পারলেন না ?

যদি কোন কারনে না পেরে থাকেন , সেই কারনটা কি জিয়ার বেলায় ছিলোনা ?

৫৯. ২২ শে এপ্রিল, ২০১০ বিকাল ৩:৩৯
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ- ইতিহাসকে নিজের স্বার্থে যদি বিএনপিও দলাই-মলাই করে আমি সেটাও তুলে আনবো।

ভাল লাগল । 'সত্য ইতিহাস' যদি সত্যি আপনি জানতে চান তবে যে কোন ঐতিহাসিক ব্যক্তি (যেমন মুজিব , জিয়া ) এর ভাল মন্দ তথা অপ্রীয় সত্য শোনার সৎ সাহস থাকা চায় । মুজিব বিরোধী অপ্রীয় সত্য মানবেন কিন্তু জিয়ার মানবেন না , এমন হলে ইতিহাস চর্চা মুশকিল ।
২২ শে এপ্রিল, ২০১০ রাত ১১:২৮

লেখক বলেছেন: জিয়া যে সমালোচনা যোগ্য কোন কাজ ই করে নাই সেরকম কোন গোড়ামী আমার নাই । তবে জিয়া কে বিচার করার সময় একই দোষের অন্য দের ছাড় দেয়া হয় । এবং জিয়ার ক্রেডিট ডিসার্ভিং কাজ গুলোকে ভুয়া দেখানোর চেষ্টা চলে।

৬০. ২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৯:২৭
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: খুনি মেজরদের প্রতি খালেদের আচরণ নিয়ে উপরে আপনার একাধিক মন্তব্য এসেছে , সে ব্যাপারে আমার মন্তব্য

১। খুনি মেজরদের খালেদ নিরাপদে দেশত্যাগের অনুমতি দিয়েছিলেন । এর দায় তিনি কোনোভাবেই এড়াতে পারেন না ।

২। ১৫/৮/৭৫ এ জিয়া, খালেদ, শাফায়াত তিনজনের ভূ্মিকাই প্রশ্নের জন্ম দেয় । নিরপেক্ষ তদন্ত ও কোর্ট মার্শাল হলে এরা তিনজনই ফাঁসবেন বলে মনে করি । এদের মধ্যে শাফায়াতের দায় বেশি অথচ সেই বড় গলায় কথা বলে , মুজিব হত্যা মামলার সাক্ষী হয় !
২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৯:৪৬

লেখক বলেছেন: শেখ সেলিমের মন্তব্য টা যে আমার পছন্দ হয়েছে সেটা আগেই বলেছি।

৬১. ২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৯:৩২
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: আপনার সাথে আলোচনা করার আগে জানা দরকার আপনি আসলে কি চান -

১। চেপে যাওয়া বা না বলা ইতিহাস জানতে চান নাকি জানাতে চান ?

২। ইতিহাসের ব্যক্তি /ঘটনার শুধু তথ্য/বিবরন জানতে /জানাতে চান নাকি মূ্ল্যায়নও করতে চান । যদি উত্তর হ্যাঁ হয় তবে সেক্ষেত্রে আপনার দৃষ্টিভঙ্গিটা স্বচ্ছ থাকা চাই , আমাদেরও জানা দরকার । আপনার আনুগত্য কার কাছে ব্যক্তি , দল নাকি দেশ ? রাজনৈতিক নেতা /দলের দৃষ্টিভঙ্গিতে আপনি শত্রু মিত্র নির্ধারণ বা নায়ক-ভিলেন বানাবেন নাকি দেশের স্বার্থে তথা দেশের জনগোষ্ঠির স্বার্থে ব্যক্তি বা দলের মূল্যায়ন করেন । দলের ফেরেশতা কিন্তু অনেক সময় দেশের স্বার্থের দিক থেকে শয়তান হতে পারে , খেয়াল কইরেন ।


২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৯:৪৫

লেখক বলেছেন: ১। জানতে চাই আগে , নিজে পরে যাচাই করতে চাই। গরমিল পেলে সেটা সবাইকে জানাতে চাই।

২। মুল্যায়ন ই করতে চাই দেশকে সবার আগে রেখে ।
মুজিবের উৎখাত আমিও সমর্থন করতাম সেসময় আমিও যদি সেনাবাহিনীতে থাকতাম ।
তবে মুজিব হত্যা কোন ভাবেই নয় , মুজিবের নির্দোষ পরিবারসদস্য দের হত্যাতো প্রশ্নই আসেনা ।
প্রয়োজনে রক্ষীবাহিনীকে দমন করার জন্য দেশে একটা ক্ষণস্থায়ী গৃহযুদ্ধ সমর্থন করতাম এবং মুজিব কে নিষ্ক্রিয় করতাম।

মুজিবের উৎখাত চেয়ে শুধু জিয়া কেন , কেউই কোন অপরাধ করেনি নৈতিক দিক থেকে।
সামরিক আইনে জিয়া দোষী , শুধু জিয়া নয় , শাফায়াত জামিল , তাহের সবাই দোষী।
তবে জড় আইন কি সবসময় বাস্তবতা কে সাহায্য করতে পারে?

৬২. ২৪ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:১৮
নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: লেখক বলেছেন: ১। জানতে চাই আগে , নিজে পরে যাচাই করতে চাই। গরমিল পেলে সেটা সবাইকে জানাতে চাই।
২। মুল্যায়ন ই করতে চাই দেশকে সবার আগে রেখে ।

এটুকুই জানতে চেয়েছি ।
০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ২:৩০

লেখক বলেছেন: বাকিটুকুও ফেলনা নয়।

৬৩. ২৬ শে এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৯:১৫
ডিটেকটিভ বলেছেন: হুমমমম , কালেকশনে রাখলাম।
এই ধাঁধাঁ টার জবাব দেনঃ
Click This Link
০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ২:৩১

লেখক বলেছেন: ঘুরে আসছি , জবাব দিতে পারলাম না , কালেকশনে নেয়ার জন্য ধইন্যা।

০১ লা মে, ২০১০ ভোর ৬:৩৯

লেখক বলেছেন: থ্যাংকস

৬৫. ০৪ ঠা মে, ২০১০ বিকাল ৪:৫১
স্বপ্নরাজ বলেছেন: প্লাস এবং প্রিয়তে। আওয়ামী পেইড ব্লগারদের একপেশে একচোখাভাবে মুক্তিযুদ্ধের সেক্টর কমান্ডার জিয়ার চরিত্র হননের চেস্টার জবাব এটা।
০৪ ঠা মে, ২০১০ রাত ১১:৪৮

লেখক বলেছেন: হুমমমমম .. অনেক চেষ্টা করছে , চরিত্র হনন এত সোজা না

৬৬. ০৫ ই মে, ২০১০ বিকাল ৩:২২
ডিটেকটিভ বলেছেন: ব্লগে ভালা পোস্ট আসেনা , তাই আপনার পুরান পোস্ট আবার পড়তে আইলাম।






০৫ ই মে, ২০১০ বিকাল ৩:২৫

লেখক বলেছেন: বেশী মিডা লাগতেসে

০৫ ই মে, ২০১০ বিকাল ৩:২৬

লেখক বলেছেন: ভাইরে থামেন , বহুৎ খোশ হো কার আপনার তালি পাইয়া

৬৮. ১৩ ই মে, ২০১০ সকাল ৯:৫৩
বাতাসের ছায়া বলেছেন: তুখোড়! লা জওয়াব! শোকেসে থাকলো
১৩ ই মে, ২০১০ দুপুর ১২:০৮

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৬৯. ২৭ শে মে, ২০১০ রাত ৮:২০
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: নুরুজ্জামান মানিক বলেছেন: আপনার সাথে আলোচনা করার আগে জানা দরকার আপনি আসলে কি চান -

১। চেপে যাওয়া বা না বলা ইতিহাস জানতে চান নাকি জানাতে চান ?

২। ইতিহাসের ব্যক্তি /ঘটনার শুধু তথ্য/বিবরন জানতে /জানাতে চান নাকি মূ্ল্যায়নও করতে চান । যদি উত্তর হ্যাঁ হয় তবে সেক্ষেত্রে আপনার দৃষ্টিভঙ্গিটা স্বচ্ছ থাকা চাই , আমাদেরও জানা দরকার । আপনার আনুগত্য কার কাছে ব্যক্তি , দল নাকি দেশ ? রাজনৈতিক নেতা /দলের দৃষ্টিভঙ্গিতে আপনি শত্রু মিত্র নির্ধারণ বা নায়ক-ভিলেন বানাবেন নাকি দেশের স্বার্থে তথা দেশের জনগোষ্ঠির স্বার্থে ব্যক্তি বা দলের মূল্যায়ন করেন । দলের ফেরেশতা কিন্তু অনেক সময় দেশের স্বার্থের দিক থেকে শয়তান হতে পারে , খেয়াল কইরেন ।

লেখক বলেছেন: ১। জানতে চাই আগে , নিজে পরে যাচাই করতে চাই। গরমিল পেলে সেটা সবাইকে জানাতে চাই।
২। মুল্যায়ন ই করতে চাই দেশকে সবার আগে রেখে ।

=
সাথে আছে সত্যান্বেষী পুরো জাতি।

২৭ শে মে, ২০১০ রাত ৮:২৭

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৭০. ১৮ ই জুন, ২০১০ রাত ১০:০৭
অবাঞ্চিত বলেছেন: এই ১জিনিস নিয়া আর কোন মাথাব্যথা নাই। কে যে সত্যি বলে আর কে যে মিথ্যা বলে আল্লাহ মালুম
০৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৩৭

লেখক বলেছেন: তবুও জেনে রাখা ভালো

৭১. ১২ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:৫৩
হাসান আব্দুল্লাহ বলেছেন:
DOl
ভাইদের বিশ্লেষনধর্মী তথ্য নির্ভর মেধা জাতির জন্য সব সময়ই থাকে!
এই লেখাটা অনেক পুরনো কিন্ত দুর্ভাগ্য বশত আমার অংশগ্রহন অনেক দেরীতে! আসলে সামহোয়ার এর পুরনো নিক কিংবা পাস--ভূলে যাওয়ায়
বিরক্তিকর চেষ্টায় নতুন নিক বানাতে সময় দেওয়ার মানসিকতা ছিলোনা!
ভয়েজ চ্যাট পালটকে নিয়মিত ভাবে অধর্মী পাপীদের সাথে যুদ্ব করতে করতে ব্রাউসিং আওয়ার শেষ হয়ে যায়! নিজের অজান্তেই মাথা কাত হয় বালিশে!হা হা! এই নিবন্দ্বনের সব কমেন্ট্সগুলো পড়লাম!
মৌমাচির কমেন্ট্স থেকে নন্দিত নিন্দিত শব্দ গুলি দেখে-মনে হয়নি প্রায় ৪ লক্ষ না ভোটার(আমার দৃষ্টিতে পাঘল)দের কেউ!২০০৮ সালের তথাকথিত অর্থবহ নির্বাচনের রায় যে পরিকল্পিত মেইড বাই মইনের উদার বাল প্রীতির নিদর্ষন ছিলো তা কে না জানে! টোটাল সিচ্যুয়েশনটাই ছিল আজকের ক্ষমতাসীনদের সাডো সরকারের মন্চায়ন! তার পরও বলবো -নির্বাচন কমিশনারের ফাল্ত না ভোট তত্বের প্রায় ৪ লাখ ভোট খাটিঁ! মোটেও ঐ ভোটগুলো জ্বাল নয়! এরা না ভোটার রা সত্যিই তাদের মত প্রকাশ করেছেন! মৌমাচি তাদের কেউ নন! তিনি যে একজন বালভক্ত তা বুঝা যায়! শাক দিয়ে মাছ ঢাকা যায়না! রাজা রাষ্ট্র ক্ষমতা ও রাজনীতির সাথে নন্দনিয় চরিত্র খুজাঁ খুবই দুষ্কর! তবে রাজনীতির বিকাশ ঘটে কতটুকু নির্লোভ রাজনীতিককের মাঝে বসবাস করতো! রাজা তখননি গ্রহনযোগ্য উদার প্রমাণীত হোন যতক্ষন রাষ্ট্রের প্রজারা সুখে থাকেন! আপাদমস্তক রাজনীতিক বাংলাদেশের স্হপতি গনতন্ত্রের মহানায়ক যখন অটো ক্ষমতায় প্রতিষ্টিত ছিলেন তখন পদপরিবর্তন আইন সংশোধন আইন
করণ ,রক্ষীবাহিনী যক্কিবাহিনী কত কিইনা করলেন! শেষতক রাষ্ট্রকে নিজের করে নিয়েও প্রজাদেরকে সুখ দিতে পারেন,নি! হত্যা ধর্ষন ডাকাতি
প্রতিটি সকালের বাস্তবতা ছিলো ,খুন ছিলোনা এরকম সকালের অস্হিত্ব কোন
একটা অন্চলের মানুষ দেখেনি! নাহ এসব কোন দৈনিকের পাতার না! আমার নানা দাদা চাচার মূখ থেকেই শুনা! এ চিত্র প্রত্যেকটা থানা কিংবা গ্রামের! সামাজিক শোষন লুন্টন হাহাকারে অতিষ্ট জনগন স্বাধীনতাকে অভিশপ্ত প্রাপ্তী হিসেবে অলক্ষুনে ফসল ভাবতে শুরু করেছিলো!
লক্ষ প্রাণের স্বাধীনতা যখন অভিশাপ হয়ে দাড়ালো তখনি মহানায়ক মহামানব নিজেকে রাজা ঘোষনা করলেন! সেলুকাশ---
আজন্ম রাজনীতিক যখন সেচ্চায় কারাবরণে নিরাপদে গিয়েও ফেরত এসে
পেলেন একটা দেশ-কিভাবে এলো কারা মরলো কিছু না জেনেই অপ্রত্যাশিত প্রাপ্তীতে তিনি দিশেহারা ছিলেন! তিনি জাতিকে উপহার দিলেন বাকশাল- !!একনেতার এক দেশ শেখমুজিবের বাংলাদেশ!!
শ্লোগানটির উদ্ভাবক কারা জানিনা,তিনি যা করেছিলেন এটা তারই মাঝে ফুটে উঠেছে! আমার কথা ছিলো ভিন্ন-হয়তো লেজেগোবরে করে ফেলবো!
তাই আসল কথাটি না বল্লেই নয়! তিনি শেখ (যাকে হিমালয় তুল্য সাহসীঁ স্হুতি দিতেও লজ্জাবোধ করেন না বালগন-তিনি যদি গনতন্ত্রের মহা কিলার হয়ে
রাষ্ট্রটিকে নিজের বানিয়ে ফেলতে দিদ্বাম্বিত না হোন! তার চেলা চামচিকাদের অত্যাচারে অতিষ্ট দেশবাসী যখন কোন জেনারেলের লাগানো গাছের শীতল ছায়ায় তৃপ্ত হয়,তখন তাকে ইতিহাসের অবৈধ ঘোষনা করতে হবে! তাকে জনগনের চাকর বলে ক্ষমতাসীন হওয়াটা পাপ ঘোষনা দিতে হবে! আর জনগনের খাদেম(-মহামান্য -জাত-পিতা??)যদি দুঃশাসন বন্চনা লুন্ঠন রক্তখেকো আদীমত্বা উপহার দেয়-তিনিই সাংবিধানিক! হায় রে জাতি হায়রে বিছারপতি খাইরূল হক..হায়রে বাল হায়রে বাংলাদেশ! যিনি সবুজ ধানের ফসলে ভরে দিলো দেশ ,যার ক্ষমতায়নে জাতির চোখের পানি সরে গিয়ে অল্পসময়ে হাসিঁ ও গানে গানে প্রাণ ভরে উঠলো তিনি তো অবৈধ হবেনই!তার মাঝে মৌমাচিরা দেখতে পাবে নিন্দনীয় কল্পিত লেবাস!এটা তাদের অন্দ ছানিআক্রান্ত চোখের দোষ! মস্তিষ্ক বিকৃতির কথা বলবোনা তাদের মস্তিষ্কের পোকা তাদেরকে এমন অবস্হায় ফেলেছে!পোকা সরানের দায়িত্ব কার জানি না!
মৌমাচি হয়তো সময়ের ব্যবধানে হারিয়ে গিয়েছেন!
তাকে বলবো- শেষ ভালো যার সব ভালো তার--স্বাধীনতার বীর সেনা
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শুধু শেষ নয় শুরুও ছিলো নান্দনিক!
নিজে সেনাপ্রধানের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়া বন্দী থাকা সিপাহী জনতার আন্দোলনে মুক্ত হওয়াটা তার ইচ্ছেতে ঘটেনি!জাতির ক্লান্তি লগ্নে যে বিশ্বাসে তাকে ক্ষমতায়ন করা হয়েছিলো ,তিনি সে বিশ্বাস রেখেছিলেন !!
পক্ষান্তরে আপনাদের মহাবাবা?মন্থব্য--নিষ্প্রয়োজন--ইতিহাস তার সাক্ষী!!

নোটঃ জনাব লেখক-- আপনাকে দেওয়া প্রস্তাবটির কোনই উত্তর দেন.নি!!!
NB: bal=bangladesh awami leauge
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:৪০

লেখক বলেছেন: আমি আসলে প্রফেসরের কাজ আর স্টাডির ফাঁকে ব্লগিং করি।
অনলাইনে ইচ্ছামত সময় দিতে পারিনা।
যাইহোক আপনি আমাকে ফেসবুকে " Dasotto দাসত্ব " লিখে সার্চ দিলে পাবেন।

১৯ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৫৭

লেখক বলেছেন: +

৭৩. ১৯ শে জুলাই, ২০১০ ভোর ৬:৩৫
বিডি আইডল বলেছেন: জিয়া যে পাকি রাজাকার ছিলো এইটার সপক্ষে একটা বড় পোষ্ট আশা করছি....অনেকেই এই অভিযোগটা তুলে কোন কিছু না জেন্‌ি..
১৯ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:০২

লেখক বলেছেন: তাহলে এই ব্লগ হবে পৃথিবীর ৮ম আশ্চর্য !
ডেথ পেনাল্টী মাথায় নিয়ে ইন্ডিপেন্ডেন্স ডিক্লারেশন দেয়া - এই লোক রাজাকার !!
কয় কি ?
যাইহোক - এই বিষয়ে খোঁচা একটা দেয়া হবে ইনশাল্লাহ

৭৪. ১৯ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ৭:১৫
এস বাসার বলেছেন: ১১ নং কমেন্টের উত্তরে লেখক বলেছেন :

নৃশংসতারা বিষয়টা নিয়ে ১দিন পোস্ট দেবো আশা করি।
রক্ষী বাহিনীর হাতে অনেক নিরীহ মানুষ প্রান হারায় নির্মম অত্যাচারে। মোটাদাগে কি শেখ মুজিবকে এজন্য নৃশংস বলবেন ?
রাজনৈতিক সন্দেহ সবসময় "যারে দেখতে নারি তার চলন বাকা"
অনুসরন করে।


আমাদের চরিত্রটাই এমন, ওমুক এটা করেছিলো তাই আমি ও করতে পারি।

মানে খুন করাটা অপরাধ নয়, অপরাধ হচ্ছে কে কতটা খুন করলো।




১৯ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:০৪

লেখক বলেছেন: রাজনীতির খুন হলো সাপ মারা , না মারলে নিজে মরতে হয়।
আরো ভালো ভাবে বোঝেন।

৭৫. ১৯ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:৫৫
এস বাসার বলেছেন: লেখক বলেছেন: রাজনীতির খুন হলো সাপ মারা , না মারলে নিজে মরতে হয়।

সুতরাং জিয়াকে না মেরে শেখ মুজিব ভুল করেছিলো!!!

সেটা হলে বাংলার ইতিহাসটা অবশ্য অন্যরকম হতো।
১৯ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৩৮

লেখক বলেছেন: ভাই , আপনি পোস্ট পড়ে কি বুঝলেন ?
জিয়া মুজিবকে মারতে চেয়েছিলো - এটাই বুঝলেন ?
যদি এটাই বুঝে থাকেন তাহলে আলোচনা অনর্থক।

১৩ ই আগস্ট, ২০১০ সকাল ৯:৫২

লেখক বলেছেন: ধইন্যা

৭৭. ১৪ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১০:৩৯
সোহরাব সুমন বলেছেন: রিফাত হোসেন বলেছেন: শেখ মুজিব হত্যাকান্ডে সেনাবাহিনীর অনেক অংশই জড়িত ছিল । কেউ সরাসরি কেউ মৌনভাবে ।

তখনকার পরিস্থিতি শেখ মুজিব নিজেই খারাপ করে তুলেছিলেন ।


আজকে তিনি কেস্টোর মত নেতৃত্বদিতে থাকলে দেখা যাইতো বাপের ব্যডারা কিকয়।

আমার সেভ করতে স্রেফ পাঁচ মিনিট লাগলেও কই আপনে মনে হয় হেতেরে ক্লিন করতেই মাঠে নামছেন। তবে ইতিহাসের ময়লা পরিষ্কার করা সোজা কাজ না তাতে করে আরো ময়লা লাগার সম্ভাবনা আছে!
১৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ১২:৩৪

লেখক বলেছেন: কিভাবে বুঝলেন উনি ক্যাস্ট্রো ?
৪ বছরতো দেশ শাসন করেছেন স্বাধীনতার পর।

কাউকেই ক্লীন করার প্রয়োজন নাই। পোস্ট পড়ে যারা বোঝার তারা বুঝছে কি ঘটেছিলো।

খালেদের গায়ে যে ময়লা আছে আর আওয়ামী প্রচারনার ভেতরে যে ময়লা আছে সেটাও ধরা পড়েছে এই পোস্টে

৭৮. ১৫ ই আগস্ট, ২০১০ বিকাল ৩:৪৯
সোহরাব সুমন বলেছেন: রেফারেন্সের জোরা তালি দিয়ে ফেরেসতাকেও মানুষ বানানো যায় আর মানুষকে ফেরেশতা! আপনি কি সেরকম কিছু করেন নাই? বুকে হাত দিয়ে বলেন দেখি।

ক্যস্টোর চাইতে কম কি । শাসন কাল দিয়ে কি লোক বিচার হয়?
পারলে ক্যস্টোরে একবার উনার কথা জিগান গিয়া, কারে বেশী মনে রাখছে বিশ্ববাসি আপনার জিয়ারে না উনারে?

বিশ্বের কোন দেশে ঘোষক বইলাতো কোন পোস্ট নাই অথচ ভুদাই গুলান এইটা নিয়াই চিল্লাচিল্লি করে। এই ব্যপারে কি বলবেন।
১৫ ই আগস্ট, ২০১০ রাত ৮:৪৫

লেখক বলেছেন: আপনার যদি মুজিবকে ক্যাস্ট্রো ভেবে ভালো লাগে তাহলে আপনার ভালো লাগায় আমি ব্যাঘাত ঘটাতে চাইনা।
আপনি ভাবুন।

কাউকে ফেরেশতাও বানানো হয়নি , কাউকে মানুষ ও বানানো হয়নি।
কিছু ঘটনা কখনো আলোচনায় আসেনা , সেগুলো আলোচনায় আনা হয়েছে এই পোস্টে।

আর ঘোষক বিষয়ে বলবো : আমার একটা সিরিজ আছে DOI নামে।
আমার প্রিয় পোস্ট তালিকায় পাবেন পোস্ট গুলো।
পড়ে দেখেন কি বোঝেন ?
ধন্যবাদ

০৯ ই অক্টোবর, ২০১০ রাত ১২:৪৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৮০. ২৬ শে অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৫:২৮
বখতিয়ার সোহাগ বলেছেন: লেখাটা পড়লাম, ভালো হয়েছে। বেশ ভালো হয়েছে।
তবে এধররনের লেখার ক্ষেত্রে আমিলীগ/এন্টি আমিলীগ সেন্টিমেন্ট বর্জিত হলে ভালো হয়। আপনার লেখায় পরেরটা স্পষ্ট হয়েছি। আমিও হয়ত আপনার দলেই, শুধুমাত্র ওদের দলের প্রতি অতীব ইমোশনাল লয়াল্টির প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে। তাই ওদের দূর্বলতা আপনার মধ্যে দেখতে চাইনি।
ইতিহাস তো স্রেফ সত্য, কে পেল হাত্তালি, কার গায়ে পরলো কালি সেটা যাচাইয়ের অবকাশ ইতিহাস বক্তার নেই।

তবে লেখাটা অনেক অনুসন্ধানী হয়েছে। আবারো ধন্যবাদ।
২৯ শে অক্টোবর, ২০১০ রাত ২:২৩

লেখক বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ।

আমি রাজনীতির ফ্লেভার ছাড়াও যদি এটা লিখতাম তবুও এটা রাজনৈতিক ই হতো অনেকের কাছে , বিশেষ করে জিয়া বিদ্বেষীদের কাছে।

তারচেয়ে ইনফরমেশন বোনাফাইড রেখে সরাসরি অবস্থান প্রকাশ করলেই ভালো।

০৯ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ২:১৬

লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ

৮২. ০৯ ই জুলাই, ২০১১ দুপুর ১২:৪৪
খােলদ রাজা বলেছেন: কে এম শফি উল্লাহ, ,একে খন্দকার, মেজর খলিলুর রহমান, মালেক উকিল,। ,বঙ্গবন্ধুর হত্যায় উনাদের কি কোন দায় নাই । আর যদি থেকে থাকে তাহলে তাদের কেন বিচার হচ্ছে না । আওয়ামী লীগাররা ওদের নাম কেন মুখে নেয় না । হাসিনা একে খন্দকার কে কেন মন্ত্রী বানায় । বঙ্গবন্ধু ভক্ত, জিয়া ভক্ত এসব বলে লাভ নাই, , বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর মুশতাকের শপথ অনুষ্টানে যদি একে খন্দকার না যেত তাহলে কি তাকে মেরে ফেলা হত। অন্তত এটা বুঝা যেত এই হত্যায় সে খু শি নয় । শফি উল্লাহ বড় বড় কথা বলে বেড়ায় সে কালোচশমা পরে কেন এসেছিল । জিয়া ও এসেছিলেন সেই দায় তার ও আছে । আমার ব্যক্তিগত ধারনা ওরা কেউ যদি জিয়ার মত দল গঠন করে সফল হয়ে যেত তাহলে আজ শেখ হাসিনা তাদের নিয়ে বিচারের কথা বলতেন । তাই পরিশেষে বলি অনেক বক্তব্যই শুধু রাজনীতির জন্য বলা হয় আর আমরা সেটা নিয়ে বিভক্ত হয়ে যাই । নাম বিক্রি করে রাজনীতি করতেছে, দেশের প্রয়োজনের কথা না ভেবে কথায় কথায় ৬৯,,৭০,,৭১,,৭২,,৭৪,,৭৫,, ৭৯,৯০,,২০০৭,, ঐ সময় কি হয়েছে,, কে কি করেছে ,,তার বিচার এর বিচার দেশটাকে যেন আদালত বানিয়ে ফেলা হয়েছে । আর কাজ হল বিদেশী কোম্পানীর সাথে এই চুক্তি ঐ চুক্তি দেশ ও জনগন গোল্লায় যাও।
৮৩. ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ রাত ২:৪৬
কিছু নেই বলেছেন: লেখক কে অনেক ধন্যবাদ।

@মৌমাছিঃআপনার যুক্তি গুলা অসাধারন লেগেছে।

@বিদ্রোহী রণ ক্লান্ত ঃকোন দল কে সমর্থন করলে কি তার ভুল গুলুও মেনে নিতে হবে?আপনি তো অনেক বিএনপি ভক্ত!!

@শারিফঃ শারিফ বলেছেন: + দিলাম

মৌমাছি কে বলছি মধূ আনার জন্য বনে জেতে ও এখানে কি করে।


ছাগু একটা কাঠাল পাতা দেন সব ঠিক হইয়া যাইব।

.....................কত সুন্দর একটা আলোচনার মাঝে আপনার পানি ঢেলে দেয়ার মানে বুঝলাম না।কাউকে আক্রমন না করে আপনার কাছে যুক্তি থাকলে দেন।তাতে আপনার সম্মান টা বেচে যায়।তাই নয় কি???


@দুরন্ত স্বপ্নচারী : আপনার যুক্তি ভালো লেগেছে।



মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: জিয়া একটা সুযোগ সন্ধানী। ক্ষমতা দখল করে পার্টি করেছেন। পার্টি গঠন করে নেতা হয়ে ক্ষমতায় যাননি।

......এই লেখাটা আমিও পড়েছি

বাংলাদেশঃ রাজনিতি,সরকার ও শাসন্তান্ত্রিক উন্নয়ন ১৭৫৭-২০০০.........ড হারুনুর রাশিদ এর বই।


বিরাট জিয়া ভক্তকে তার পরিশ্রমের জন্য সাধুবাদ জানাই। ২০১৪-র নির্বাচনের পর বিএনপি সরকারের তথ্যমন্ত্রী যে হবেন তাতে আর সন্দেহ নাই!

............ভাই এভাবে আক্রমণাত্মক কথা না বললে আলোচনাটা সুন্দরভাবে এগিয়ে যায়।


@ দি ফিউরিউয়াস ওয়ানঃ আর সামরিক কর্মকর্তার রাজনীতি করার অধিকার আছে, এটা শুনে হাসবো না কাঁদবো বুঝতে পারতেছিনা। অব: হইলে হয়ত করা যায়, কিন্তু সামরিক কর্মকর্তা থাকা কালে??।

সহমত।

@লেখকঃ
আমি রাজনৈতিক মতাদর্শের দিক থেকে নিরপেক্ষ নই, তবে তথ্য বিশ্লেষন করে শেষ রায়টা নেয়ার দায়িত্ব আপনারা পাঠকদেরকেই দিয়েছি যেটা সবাই জানাচ্ছেন। এবং তথ্য গুলোতে পক্ষপাত দুষ্টতার কোন সুযোগ নাই। কারন বংগবন্ধুর অন্ধ ভক্ত ব্লগারের ব্লগকে রেফারেন্স হিসাবে নেয়া হয়েছে।


আপনি বংগবন্ধুর অন্ধ ভক্ত ব্লগারের ব্লগকে রেফারেন্স হিসাবে কেন নেবেন?

সবাইকে ধন্যবাদ।

 

মোট সময় লেগেছে ১.০৫০৩ সেকেন্ড

 

সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব‍্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...
© সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড | ব্যবহারের শর্তাবলী | গোপনীয়তার নীতি
১৯৭৬ প্রেসিডেন্ট জিয়া এ দেশটার জনসংখ্যা বিস্ফোরন নিয়ে যেভাবে ভেবেছেন বাকি এতগুলো বছর ধরে আর কোন স্টুপিড সেভাবে ভাবেনি.......
এখনো...
আর এস এস ফিড

পোস্ট আর্কাইভ

আমার লিঙ্কস

আমার বিভাগ