আমার প্রিয় পোস্ট
- ১৯৭১ , জেড ফোর্সের মুক্তিযুদ্ধ : জিয়া-শাফায়াত-মইন-আমিনুলদের যুদ্ধ দিনের গল্প জানুন ছবি আর বর্ননায়........ - দাসত্ব
- সেয়ানা বিপ্লবী তাহের আর ৭ ই নভেম্বরের ছায়া নায়কদের অস্পষ্ট কায়া........... - দাসত্ব
- প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : যার নিরেট দেশপ্রেমের স্বাক্ষী দেয় সিআইএ'র সিক্রেট টেলিগ্রাম ০৩২৫/০৯৫০Z.....এবং অনেক অজানা কথকতা....... - দাসত্ব
- মুক্তিযুদ্ধের সেই কিংবদন্তী গুলো : ইয়াহিয়া খানের সেক্স অর্গি , বোরকা পরা গেরিলা আর রাজাকারদের দ্বিচরিত্র - দাসত্ব
- DOI : বলধা গার্ডেনের মেসেজ , কন্ঠ কি মুজিবের ছিলো ? - দাসত্ব
- DOI : ২ টি মেসেজ , নাম মুজিবের , ব্যক্তিটি কে ? - দাসত্ব
- DOI : ২ টি টেলিফোন , রাত ১২-১.০০ টা , শেখ মুজিবের ট্রু লাইস : মার্চ ২৬ - দাসত্ব
- বেহেশত নামের গ্রহ , অদ্ভুত Amenity , কুরআন , Geology - দাসত্ব
- X Facts : UFO : Spy স্যাট আর জেমস ক্যামেরনের ফিল্মি মসলা - দাসত্ব
- বাংলাদেশ জিন্দাবাদ শ্লোগান ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ উচ্চারিত হয়েছিলো , রেসকোর্সের ময়দানে , এদেশেরই মানুষের বিজয়তপ্ত আওয়াজে....... - দাসত্ব
- অফেন্ডিং শেখ মুজিব-১ : ২৫ মার্চ , ১৯৭১ , টাইম ম্যাগাজিনের অদ্ভুত তথ্য - দাসত্ব
- AML থেকে AL , অসাম্প্রদায়িকতার কার্টেইন এবং পেছনের কাহিনী - দাসত্ব
- X Facts : মুজিব হত্যাঃ জিয়া , প্রচলিত কিছু বক্তব্য , চেপে রাখা না বলা তথ্য - দাসত্ব
বেহেশত নামের গ্রহ , অদ্ভুত Amenity , কুরআন , Geology
২৮ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১১:২৮

Paradise নামের গ্রহ :
সায়েন্সে যা Extra Terrestrial বা পৃথিবীর বাইরের স্থান,
লৌকিকতার ৩য় ধাপে যার বর্ননা।
পারলৌকিক জীবনের স্বর্গ / বেহেশত / জান্নাত যাই বলুন সেখানে কেবল ইচ্ছাপূরন আর সুখভোগ।
নেই কোন জড়তা।
এই Paradise নামক Extra Terrestrial স্থানটির অনেক বৈশিষ্ট্য বর্ননা হয়েছে কুরআনে।
গোল্ডমেড প্যালেস , জেমস , সিল্ক ড্রেস , নেশা মুক্ত ড্রিংক , আয়তলোচনা হুর , চিরকিশোর সেবাদাস (অযৌন) ইত্যাদি।
অনেক ক্ষেত্রে ভুল ব্যাখ্যা হয় ,
অনেক ক্ষেত্রে ভুল সাহিত্যিক অনুবাদ হয় যেহেতু অ্যারাবিক অত্যন্ত সাবটলিটি এবং সফিস্টিকেশন পূর্ন একটি ভাষা।
সায়েন্টিফিক অনুবাদ তো বলতে গেলে একেবারেই হয়না।
ভুল অনুবাদ , ভুল ব্যাখ্যার কারনে অনেক বিজ্ঞানমনস্ক মানুষের কাছে Paradise অনেকটা ভারতীয় আলিফ লায়লা সিরিয়ালের ইনডোর সেট ছাড়া কিছুই নয়!
মূলত তারাই এই ব্লগটিতে নতুনভাবে চিন্তার কিছু খোরাক পাবেন।
কুরআনে Paradise নামের এই Extra Terrestrial স্থানটির অনেক গুলো অতিপ্রচলিত ও শ্রাব্য বৈশিষ্ট্যের বাইরেও একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য বা Amenity বর্ননা করা হয়েছে এবং এই Amenity টিকে অনেক বার গুরুত্বের সাথে বলার কারনটা আমি শুরুতে খুজে পাইনি।
তাই এটাকে অদ্ভুত মনে হয়েছিলো শুরুতে।
সত্যি কথা বলতে কি এই Amenity টিকে স্থুলভাবে নগন্য ঠেকে , কিন্তু সুক্ষ্ণভাবে অদ্ভুত ঠেকে।
এই বিষয়টি নিয়েই এই ব্লগে আলোচনা করবো।
তবে সিকোয়েন্সটা হবে শিরোনামের উল্টো ।
সবার আগে Geology :
এই পৃথিবীর ভূ-তাত্ত্বিক গঠন নিয়ে যতো গবেষনা আর জ্ঞানচর্চা - তাই Geology .
এই Geology নামের জ্ঞানের বিশেষ শ্রেনীটি পৃথিবী নামের গ্রহটির ব্যাপারে আমাদের কে অনেক কিছুই জানিয়েছে।
১.
জানিয়েছে এই গোলাকার গ্রহটির ব্যাসার্ধ ৬৩৭০ কিলোমিটার :

২.
জানিয়েছে এর Geological Pattern বা এর ভূস্তরগুলো কয়টি লেয়ারে বিন্যস্ত , এর পেটের ভেতরে নাড়ীভুড়ি কি আছে না আছে সবই :
সবচে উপরের স্তরটি হলো Lithosphere , প্রায় ১০০ কি.মি. পুরু।
এই অংশের মাটি ঠান্ডা , শক্ত এবং মুড়মুড়ে (ইংরেজীতে ব্রিটল)।
এই লিথোস্ফেয়ারের চামড়াটাই হলো আমাদের Earth Surface.
এরপরের ২৫০ কি.মি. পুরু অংশটুকু হলো Asthenosphere . এই অংশের উপাদান উত্তপ্ত , নরম এবং মোল্ডেবল বা ইচ্ছামত আকার দেয়া যায় (প্লাস্টিক)।
তারপরই সবচেয়ে দীর্ঘ ২৫৩৩ কি.মি. পুরু Mesosphere লেয়ার। এই অংশের উপাদানটুকু অত্যন্ত উচ্চতাপ এবং চাপে থাকে।
তারপরই ২২৫৭ কি.মি. দীর্ঘ , অত্যন্ত পুরু Liquid Metal Outer Core
সর্বশেষ ১২৩০ কি.মি. ব্যাসার্ধের Solid Metal Inner Core.
৩.
জানিয়ে দেয় ভূ-স্তরগুলোর অন্যসব বিন্যাসও (Pattern)।
৪.
Geology থেকেই জানা যায় এই গ্রহটির ভূ-স্তরগুলোর তাপমাত্রা বিন্যাস আর এর কোন স্তরে কি কি উপাদান আছে :
খুব পরিষ্কারভাবেই আশা করি ইমেজগুলোতে দেখতে পাচ্ছেন পৃথিবীর ভেতরের কোরগুলোতে (Bottom Layer ) বা পেটের ভেতরে নাড়ীভুড়ি বলতে যা পাওয়া যায় তা হলো Iron আর Nickel
তাপমাত্রার বিষয়টাই দেখুন।
অস্বাভাবিক !
যেখানে আমরা যেই মাটির উপর হেটে বেড়াই তার তাপমাত্রা সর্বোচ্চ ৫৮ °C আর গড় তাপমাত্রা ১৪°C হতে পারে সেখানে সবচেয়ে ভেতরের কোর তাপমাত্রা ৭২০০ °C !
জেনে রাখা ভালো সূর্যের সারফেস তাপমাত্রা ৫৫০০°C
ভূ-পৃষ্ঠ থেকে যতোই নীচে যাবেন ততোই তাপমাত্রা বাড়তে থাকে।
সর্বশেষ এটি ৭০০০ °C পার হয়ে যায়।
অবশ্য এইটুকুর আঁচ পাওয়ার জন্য Volcano (আগ্নেয়গিরি) গুলোর লাভা উদগীরন ই যথেষ্ট , তাও আবার মহাসাগরের বুকে ( Ocean Floor ) !
ভূ-পৃষ্ঠে যেগুলো ঘটে সেগুলোর কথাতো বলাই বাহুল্য
যেমন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মাউন্ট সেন্ট হেলেন ইরাপশন , ১৯৮০
এই ঠান্ডা ত্বকের পৃথিবীর প্রচন্ড গরম পেটের খবর নিতে নিতে জুলভার্নের (১৮২৪ - ১৯০৫) বিখ্যাত গল্প A Journey to the Center of the Earth এর কথা মনে পড়ে গেলো।
এইতো মাত্র ১৫০ বছর আগেও মানুষ এই গোলাকার গ্রহের ভেতরটা কেমন তা নিয়ে কত কল্পনা আর রূপকথায় বিশ্বাস করতো তার এক প্রমান জুলভার্নের এই গল্প।
২০ শতকের আধুনিক বিজ্ঞান সব রূপকথা আর কল্পনাকে ঝেটিয়ে তাড়িয়ে মানুষকে জানিয়েছে পৃথিবী নামের গ্রহটির Anatomy বা পেটের খবর !
এবার যুক্তিবাদের অল্পকিছু কথা বলি:
ধরুন আপনি বাজারে আম কিনতে গেলেন।
বাজারে কম স্বাদের ভারতীয় আমও আছে , আবার রাজশাহীর বিখ্যাত দেশী আমও আছে।
আপনি আগে থেকেই পরিচিত একজন ভালো দোকানীর কাছে গেলেন যার কাছেও দু ধরনের আমই আছে।
দোকানী যদি আপনাকে বলে :
"এটা দেশী আম , এটা নিন , এটার স্বাদ ভালো "
- তারমানে কি এটা নয় যে ঐ দোকানী দেশী আম আর ভারতীয় আমের গুনাগুনের তুলনামুলক পার্থক্য বেশ ভালোভাবেই জানেন?
ইনফ্যাক্ট সেটাই ।
কারন সেটা জানেন বলেই ক্রেতাকে Entice ( প্রলুব্ধ ) করেন দেশী আম কেনার জন্য।
একই সাথে যেই কথাটি অনুক্ত থেকে যায় :
দেশী আম নিন , কারন এটা ইন্ডিয়ান আমের চাইতে ভালো
ভাবছেন এ আবার কি প্যাচাল শুরু করে দিলাম।
পান্তা ভাতে ঘি ,
বেহেশত- পৃথিবীর সাথে আম !
নাহ , হতাশ হবার কিছু নেই।
যুক্তিবাদের এই ছোট্ট বয়ানটুকু একটু পরেই প্রয়োজন হবে , তাই আগেই বলে নিলাম।
এবার নক অন দ্য স্ট্রোক !
কুরআন বেহেশত নামের গ্রহটির কোন অদ্ভুত Amenity র কথা বলে ?
কুরআনে সর্বমোট ২৮ বার এই Amenity 'র বর্ননা আমি খুঁজে পেয়েছি।
দেখে নেয়া যাক কোন সুরায় কত নাম্বার আয়াতে সেগুলো আছে :
সুরা ২ : বাকারা : আয়াত ২৫
সুরা ৩ : আল ইমরান : আয়াত ১৩৬

সুরা ৪ : আন নিসা : আয়াত ১৩
সুরা ৫ : আল মায়িদাহ : আয়াত ১২
সুরা ৭ : আ'রাফ : আয়াত ৪৩
সুরা ৯ : আত-তাওবাহ : আয়াত ৮৯
সুরা ১০ : ইউনুস : আয়াত ৯
সুরা ১৩ : রা'দ : আয়াত ৩৫
সুরা ১৪ : ইব্রাহিম : আয়াত ২৩
সুরা ১৬ : নাহল : আয়াত ৩১

সুরা ১৮ : কাহাফ : আয়াত ৩১

সুরা ২০ : ত্বোয়াহা : আয়াত ৭৬
সুরা ২২ : হাজ্জ্ব : আয়াত ১৪

সুরা ২২ : হাজ্জ্ব : আয়াত ২৩

সুরা ২৫ : ফুরকান : আয়াত ১০

সুরা ২৯ : আনকাবুত : আয়াত ৫৮

সুরা ৩৯ : যুমার : আয়াত ২০
সুরা ৪৭ : মুহাম্মাদ : আয়াত ১২

সুরা ৪৮ : ফাত'হ : আয়াত ৫

সুরা ৪৮ : ফাত'হ : আয়াত ১৭

সুরা ৫৭ : হাদীদ : আয়াত ১২

সুরা ৫৮ : মুজদালাহ : আয়াত ২২

সুরা ৬১ : সাফ : আয়াত ১২

সুরা ৬৪ : আততাগাবুন : আয়াত ৯

সুরা ৬৫ : আতত্বালাক : আয়াত ১১

সুরা ৬৬ : আত ত্বাহরীম : আয়াত ৮

সুরা ৮৫ : মুহাম্মাদ : আয়াত ১১

সুরা ৯৮ : মুহাম্মাদ : আয়াত ৮
আয়াত গুলো যাচাই করার জন্য নীচের দুটো ওয়েবসাইটে যেতে পারেন:
হলি কুরআন.কম
তানজীল.ইনফো
সর্বমোট ২৮ বার যে ক্লসটি ( Clause ) সবুজ রঙের Hyperbola মার্কিং এর ভেতরে দেখেছেন সেটি এখানে দেখুন আবার :
تَجْرِي مِن تَحْتِهِمُ الأَنْهَارُ অথবা
تَجْرِي مِن تَحْتِهَا الْأَنْهَارُ
বাংলা উচ্চারনে :
তাজ্বরীমিন তাহতিহমুল আন'হার অথবা
তাজ্বরীমিন তাহতিহাল আন'হার
আরবী ক্লস গুলোর আভিধানিক (সাহিত্যিক) অর্থ জানার জন্য
গুগল ট্রান্সলেটরে চলে যান , ড্রপ ডাউন লিস্ট থেকে ফ্রম অ্যারাবিক টু ইংলিশ সিলেক্ট করে কপি পেস্ট করে দিন ঐ বাক্যাংশটুকু
তারপরও আমি স্ক্রীনশট আপলোড করলাম :
সাহিত্যিক অনুবাদে দাড়ায় :
"এটি ( বেহেশত) এমন একটি স্থান যার তলদেশে নদী প্রবাহিত "
এবং সায়েন্টিফিক অনুবাদ করলে দাড়ায়:
" এটি (Paradise নামক গ্রহ ) এমন একটি স্থান ( Geological pattern অনুযায়ী ) যার Core Inside এ (Bottom layer ) Water Stream প্রবাহিত ।
ব্র্যাকেট গুলো সরিয়ে নিয়েও পড়তে পারেন , আবার সেগুলো বসিয়েও পড়তে পারেন।
কেন এই এইধরনের একটি বৈশিষ্ট্যের ( Amenity ) কথা এতবার অবিকল একই ভাষায় ২৮ বার বলা হলো ?
একটা ব্যাপার নিশ্চিত : Paradise এর যত রকম Amenities বর্ননা করা হয়েছে তার কোন টাই এতবার , এত অবিকল একই ভাষায় আমি আর পাইনি , ২৮ বারতো দুরের কথা !
এবং এটাও জেনে রাখুন Paradise এর যত রকম Amenities বর্ননা করা হয়েছে তার প্রত্যেকটাই কিছু না কিছুর সাথে তুলনার্থে ( On the basis of Comparison ) .
কিছু সংখ্যক যুক্তিবাদী Opine করতে পারেন :
জাহান্নাম / Hell কে আগুনে উত্তপ্ত বলা হয়েছে ,
তাই জান্নাতকে সেই তুলনা থেকে তলদেশে নদী / Water stream প্রবাহ মান বলা হয়েছে এর উত্তমতা বা Betterness প্রমান করার জন্য।
কিন্তু সেটা ধোপে টেকেনা।
কেন ?
কারন সল্যুশনটা যে কুরআনই দিচ্ছে আবার।
আগুনে উত্তপ্ত জাহান্নামের সাথে তুলনার্থে যদি কোন জান্নাত কে বর্ননা করা হয় হয় তবে সেটা হওয়া উচিত এই ভাবে :
ছায়াময় সুশীতল জান্নাত
এবার আসল ব্যাপারটা দেখুন :
সুরা ১৫ : হিজর : আয়াত ৪৫
সুরা ২৩ : মুমিনুন : আয়াত ১১

সুরা ৩৬ : ইয়াসিন : আয়াত ৫৬

সুরা ৪৪ : আদ দুখান : আয়াত ৫২

সুরা ৫১ : আয যারিয়াত : আয়াত ১৫

সুরা ৫৪ : আল কামার : আয়াত ৫৪

সুরা ৭৭ : মুরসালিত : আয়াত ৪১
সুতরাং কুরআন ই বলে দিয়েছে বেহেশত / Paradise এর Top Surface এও শীতল Water Stream ( নদী/ ঝর্না/ প্রপাত যেই Form ই হোক ) প্রবাহিত হবে এবং
এটাও বলে দেয়া হয়েছে Paradise হবে ছায়াপূর্ন এবং আরামদায়ক শীতল।
সুতরাং সুদীর্ঘ ২৮ বার Paradise নামক গ্রহটির Bottom Layer বা Core Inside এ নদী থাকার ইংগিত টা অন্যদিকে
এবং এই Amenity 'র ডেসক্রিপশন অন্যকিছুর তুলনার্থে ।
কি সেটা ?
আশাকরি মনে পড়ে গেছে :
পৃথিবী নামক গ্রহটির Geological Pattern ,
এর Bottom Surface কত উচ্চতাপ আর চাপে থাকে ,
এর Core Inside (পেটের ভেতরে) ৭২০০°C উত্তপ্ত গলিত লোহা আর নিকেল যা মাঝে মাঝে Volcano গুলোর উদগীরনে বের হয় আসে !
পাশাপাশি রাখুন Earth এবং Paradise দুটো গ্রহকে।
এদের Geological Pattern তুলনা করুন।
১.
Earth এর Core Inside ( পেটের ) তাপমাত্রা ৭২০০°C আর
২.
Paradise এর Core Inside এ তাপমাত্রা না জানা গেলেও এটুকু জানাগেছে সেখানে প্রবাহিত হবে Cold Water Stream বা ঠান্ডা পানির নদী।
ঠিক এই জায়গাটাতে এসে সেই আমের বেচাকেনার গল্পে ফেরত যেতে হচ্ছে।
সেটা কিভাবে ?
সেটা এইভাবে :
কুরআনের Author যেটা যুক্তিবাদী , খোদা অবিশ্বাসী , বিজ্ঞানমনস্ক দের মতে সামবডি " X " Paradise নামক গ্রহটির প্রতি মানুষকে প্রলুদ্ধ (Entice) করার জন্য Paradise এর Betterness বা উত্তমতা জানিয়েছেন এইভাবে যে :
Paradise এর Core Inside প্রবাহিত হবে Cold Water Stream বা ঠান্ডা পানির নদী।
এটি উত্তম জায়গা বা Better Place.
ঠিক একই ভাবে যে কথাটি অনুক্ত থেকে যায়:
Paradise উত্তম জায়গা বা Better Place , কারন -
Earth এর Core Inside ( পেটের ) তাপমাত্রা ৭২০০°C।
কুরআনের Author সামবডি " X " এই ২ গ্রহের Geological Pattern এর তুলনাটা - মানে কার Core Inside ( পেটের ভেতরে ) কি আছে সেটা খুব ভালো করেই জানেন।
প্রশ্ন হলো :
কুরআনের Author সামবডি " X " ৬০০ সালে মাটি থেকে ৬৭৩০ কি.মি. নীচে কি আছে না আছে সেটা জানলেন কিভাবে ?
জুলভার্নের (১৮২৪ - ১৯০৫) A Journey to the Center of the Earth গল্পটার কথা মনে রাখতে হবে কিন্তু !
_____________________________________________
ATTN : কারো যদি পোস্টটির মেসেজ বুঝতে সমস্যা হয় তাহলে এই ৭০ নম্বর অথবা ২৬ নম্বর কমেন্টটি দেখে নেবেন অনুগ্রহ করে।
প্রকাশ করা হয়েছে: , বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে আগস্ট, ২০১০ সকাল ৭:৪০ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
লেখক বলেছেন: বেহেশত গ্রহ , এটার আরো একটা হিন্টস আছে কোরআনে , সামনের একটা পোস্টে বেহেশত যে গ্রহ সেটা আরো সায়েন্টিকালী বুঝবেন , বেহেশতের নিজস্ব অভিকর্ষ থাকবে।
তবে কি ধরনের গ্যালাক্সীর ভেতর থাকবে সেটা অল ক্রীয়েটর জানেন।
এটা হবে সুপার সায়েন্স পূর্ন একটা জায়গা।
ঠিক কোন অংশটা থেকে ক্যাচ করতে পারেন নি সেটা বলুন। তাহলে আমার এক্সপ্লেইন করাটা সহজ হবে
শূণ্য উপত্যকা বলেছেন:
চিহ্ন দিয়ে গেলাম। লেখাটা অবসর করে পড়তে হবে।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা
বুড়ো বলেছেন:
প্রিয়তে নিলাম। পড়ছি। ইনটারেস্টিং বিষয়। দেখি বুঝতে পারি কিনা।
লেখক বলেছেন: ব্যাপারকি ! ?
এত সহজ করে বোঝালাম , তাও বুঝতে পারছেন না ।
ঠিক আছে আবার বোঝাবো
Neelpoddo বলেছেন:
বুঝতে ব্যার্থ হলাম।হয়তবা আমার মত কম ঘিলুওয়ালা মানুষের জন্য নয় ।
লেখক বলেছেন: উহু , যাতে একেবারে সাধারন মেধাসম্পন্নরাও বুঝতে পারে সেভাবেই তো লিখলাম।
না বুঝলে অবশ্যই এক্সপ্লেনেশন আসবে
হতাশ হওয়ার কিছু নাই
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
পোস্টটা শুরুর দিকে ভালই লেগেছিল। কিন্তু যতোই শেষের দিকে গেলাম ততোই মনে প্রশ্ন সৃষ্টি হলো এবং প্যাচ লেগে গেল। অনেক কিছুই বুঝলাম না। তবে পৃথিবীর বর্ণনাটা সুন্দর হয়েছে।।।
লেখক বলেছেন: ঠিক কোন অংশটা থেকে বোঝ নাই সেটা বলো।
আমিতো কনফিডেন্ট ছিলাম যে সবাই বুঝবে , খুব সহজ করে বলা হয়েছে সব ।
যাইহোক এক্সপ্লেনেশন আসবে।
ডোন্ট ওরী
লেখক বলেছেন: DOI সেকেন্ড পার্ট আমি দেখি সামনে কথা বলে এইসব উল্টাপাল্টা ডিসিশেনর কোন সুরাহা হয় কিনা।
ঐটা ফিরিয়ে আনা দরকার নেক্সট পোস্টের আগে।
DOI ৩য় অংশ প্রায় রেডী
পরমানন্দ বলেছেন:
চিন্তাশীলদের ভাল লাগে
লেখক বলেছেন: ধরতে পেরেছেন ব্যাপারটা ?
অবিবর্তিত বলেছেন:
এখনও পযন্ত মাথায় তেমন কিছু ঢুকে নাই। তবে আছি সাথে। দেখি কদ্দুর লইয়া যান.............
লেখক বলেছেন: হুমমম , সাথে থাকুন , অনেকে ব্যাপারটা ধরতে পারছেন।
২৬ নং কমেন্ট দেখুন। উনি খুব সহজ ভাবে বুঝে ফেলেছেন।
ওনার মত করে যদি সবাই বুঝতো!
মেঘলা মানুষ বলেছেন:
হুম, বিশদ লেখা, প্রচুর খেটেছেন বোঝা যায়।তবে অনেকেরই এ্যান্টেনার উপর দিয়ে চলে যাবে মনে হয়।
(আমরও গিয়েছিল, পরে ধরে আনছি)
লেখক বলেছেন: ধরতে পারেছেন তাহলে ?
গুড
অবিবর্তিত বলেছেন:
এখনও পযন্ত মাথায় তেমন কিছু ঢুকে নাই। তবে আছি সাথে। দেখি কদ্দুর লইয়া যান.............
লেখক বলেছেন: বলেন কি আবোল তাবোল !
গেট কুল ম্যান !
হঠাৎ আবোল তাবোল মনে হওয়া ব্যাপারকে আরো কশাসলী দেখুন।
ক্লু পাবেন।
গেট কুল
তাজুল ইসলাম মুন্না বলেছেন:
কোথা থেকে বুঝতে পারি নাই তাও বুঝছি না। আচ্ছা, আরো কয়েকবার পড়ে দেখি। তারপরেও না বুঝতে আপনাকে বলবো...
লেখক বলেছেন: অবশ্যই বলবা , নিজে বুঝলে অন্যদের সাথেও বিষয়টা শেয়ার করবা ।
তবে কি বুঝলা আগে একবার বলে যেও , তোমার বোঝায় ভুল থাকলে শুধরে দিতে পারা যাবে
নষ্ট কবি বলেছেন:
Eta osombhob.... jodi tai hoto tahole allah nijei ta bolten....Apnake ebhabe khuje ber korte hoto na..............
Erokom obasob beakkha na die nijer kaj kore jan....
manusher mathai jot pakai ditesen,,,,,,,,
লেখক বলেছেন: ভাই কুরআনে আল্লাহঅনেক বার বলেছেন : "চিন্তা কর , এখানে হিন্টস আছে।"
সবকিছু সরাসরি বলা থাকবেনা।
ঠান্ডা মাথায় বোঝার চেষ্টা করুন।
ডোন্ট গেট ক্রেজী
প্রবাস কন্ঠ বলেছেন:
দারুন সংকলন, অনেক কষ্ট করেছেন বুঝা যাচ্ছে।
লেখক বলেছেন: সময় নিয়েই পোস্ট রেডী করার ট্রেন্ড আমার।
একটু সময়তো দিয়েছি অবশ্যই।
ধন্যবাদ।
পোস্টটা ক্যাচ করতে পেরেছেন
পরমানন্দ বলেছেন:
এটা সম্পূর্নরূপে আপনার ব্যাখ্যা, মানে আপনি দেখতে চেয়েছেন যে কোরআনের রচয়িতার জিওলজি সম্বন্ধে ধারনা রয়েছে যেটা মানব রচিত হলে পৃথিবীর কোরে যে উত্তপ্ত গলিত তরল রয়েছে সেটা জানার কথা না।আচ্ছা ১৪০০ শত বছর আগেও তো আগ্নেয়গিরি ছিল, এর ফলে যে পৃথিবীর ভিতর থেকে উত্তপ্ত তরল লাভা নির্গত হত সে সম্বন্ধে তারা ওয়াকিবহাল ছিল?
আমি কি আপনি যা বুঝাতে চেয়েছেন তা ধরতে পেরেছি ?
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: হুমম... কিন্তু সারা পৃথিবী জুড়ে আগ্নেয়গিরি নেই , হাতে গোনা যাবে।
আর কয়েকটা আগ্নেয়গিরি থেকে আর্থের জিওলজিক্যাল প্যাটার্ন বুঝে ফেলা যাবেনা।
জুলভার্ন পারেনি।
সায়েম মুন বলেছেন:
পুরা পোষ্ট পড়লাম। আপনার বিশ্লেষণ ভাল লাগ্লো।
লেখক বলেছেন: ভালো লাগাটা মুল বিষয় নয় ,
ক্যাচ করতে পারেছেন কিনা সেটা বিষয়।
কনফিউশন থাকলে অবশ্যই শেয়ার করবেন
খোশনবীশ বলেছেন:
important post, I will comment later.
লেখক বলেছেন: আপনাকেও দেখেছি এরকম বিষয়ে কয়েকটা পোস্ট করতে।
নোয়াহ আর্কের একটা পোস্টে আমি কমেন্ট ও করেছি।
আপনার কমেন্টও আমার কাছে ইমপরট্যান্ট হবে
মৈত্রী বলেছেন:
dear sir, you are cordially invited to an open seminar on Quran, modern science and spirituality which will be held on Friday, July 30 @ 9 am at Department of Public Health Engineering Auditorium, in front of Kakrail mosque, Dhaka. This time our special topic is: "The existence of life outside the Earth according to theholy Quran". Hope to see you there.
More Info: 01917315842.
লেখক বলেছেন: আসলে আমি দেশের বাইরে থাকি ।
কেউ যদি আমার নাম উল্লেখপূর্বক বা অনুল্লেখপূর্বক এই পোস্ট তাবলীগে শেয়ার করতে চায় মোস্ট ওয়েলকাম।
মানুষকে জানানোর জন্যই এই পোস্ট
দি ফিউরিয়াস ওয়ান বলেছেন:
বিশ্লেষণ ভাল হয় নাই
যদি ইসলামের কথা লিখে সোয়াব/বাহবা কামানোই আপনার আসল উদ্দেশ্য হয়, তাহলে কিছু বলার নাই, তবে যদি যুক্তিবোধ নিয়া নাড়াচাড়া করতে চান, তাহলে বলতেই হয়, এই লেখায় সেরকম কিছুই পাই নাই।
লেখক বলেছেন: আল্লাহ আপনাকে হেদায়াত দিক।
ভাই , প্রায় ৯ দিন পর যখন একটা পোস্ট ছাড়লাম তখন সোয়াব/ বাহবা কামানোর তো কোন প্রশ্নই আসেনা।
সিরিয়াস পারপাস নিয়েই পোস্টানো।
আর কুরআনের ব্যাপারে অনেকের স্ট্যান্ড সাহিত্যিক অনুবাদক রা গর্দভ।
সেজন্যই সায়েন্টিফিক পয়েন্ট অফ ভিউ্যুতএ দেখলাম।
আপনি যদি আগে থেকেই ব্রায়ান লারাকে অপছন্দ করে থাকেন তাহলে লারার লারার অবিশ্বাস্য শটও ম্যাড়ম্যাড়ে মনে হবে।
এই পোস্টে আমার কৃতিত্ব জাহির করার কিছু নাই।
শুধু মনে রাখবেন : অ্যাট আ স্ট্রেচ ২৮ বার একই কথা অবিকল একই ভাবে বলা হয়েছে এবং এটার ঈংগিতযে অন্যদিকে সেটাও পোস্টে পরিষ্কার।
জেগে থেকে ঘুমানোর ভান করলে আমি আপনাকে জাগাতে পারবোনা।
লেখক বলেছেন: সর্বমোট ২৮ বার একই ভাষায় একই কথা অবিকল একই ভাবে বলা হয়েছে।
মানুষকে প্রলুব্ধ করা হয়েছে এটি এমন একটি স্থান যার কোর ইনসাইড হবে ঠান্ডা পানির নদী।
হোয়াই ?
এটা অন্যদের সাথে শেয়ার করতে পারেন।
পৃথিবী আমারে চাই না বলেছেন:
দেখি কোথায় গিয়ে থামেন...
লেখক বলেছেন: হুমমম দেখুন , সাথে থাকুন
শেলী বলেছেন:
তার মানে কি জান্নাতের কোর স্তরটাও ঠান্ডা থাকবে এটা বুঝায়? আর পৃথিবীর কোর স্তর যে গরম এটা কি আল্লাহ কোথাও বলেছেন? আমি জানতে চাচ্ছি। অনেকে যে বলে দোযখ আছে পৃথিবীর অভ্যন্তরে এটা কি ঠিক?
লেখক বলেছেন: দোযখ বা হেল এগুলো সবই এক্সট্রা টেরেস্ট্রীয়াল প্লেস হবে এটা আমি ব্যক্তিগত ভাবে নিশ্চিত।
সবার ১ম কমেন্টে পারভেজ আলম কোয়েরী করেছেন প্যারাডাইস কি গ্রহ হবে কিনা।
হবে ।
বেহেশত নিয়ে আমার আরো ১ টা পোস্ট হবে।
একটু ছোট , তবে বুঝবেন সহজেই।
আপনি সূর্যের কথাই ভাবুন না , সায়েন্টিফিকালী ভাবুন , সারফেস টেম্প ৫৫০০ সে: , তাহলে বাকিটা বুঝুন।
আমরা পৃথিবীতে যেসব মৌল দেখি এগুলোর মেল্টিং টেম্প ২০০০ সে: হলেই অনেক।
কম্পোসিট ম্যাটেরিয়াল তৈরী হচ্ছে প্রচুর (একটার সাথে আরেকটা মিশিয়ে , কার্বন ফাইবার দিয়ে) যাতে বেশী টেম্প সহ্য করতে পারে।
দোযখে যখন মানুষকে প্রবেশ করানো হবে তাদের মেল্টিং টেম্প হবে অনেক বেশী , যাতে বার্নিং পেইন ফীল হয়।
দোযখ ও এক্সট্রা টেরেস্ট্রীয়াল প্লেস হবে
পরমানন্দ বলেছেন:
আমার কথা হল ১৪০০ বছর পূর্বে এটা জানা অসম্ভব ছিলনা যে পৃথিবীর অভ্যন্তর উত্তপ্ত তরলে পরিপূর্ন। পম্পেই নগরি লাভার কারনে ধংস হয়েছিল (খ্রীষ্টিয় ১ম শতক বা তারো আগে) সেই ইতিহাস তো আরবদের অজানা থাকার কথা নয় (as an example)জুলভার্ন কেন পারেনি সে জুলভার্ন'ই ভাল জানে।
লেখক বলেছেন: উহু... পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগ (৬৭৩০ কি.মি. নীচের অবস্থা মানুষ জানতো না)।
আগ্নেয় গিরি থেকে হয়তো একটা প্রিফেস পেতে পারে এই যা।
ভিভিড কিছু নয়।
জুলভার্নের অনেক ফিকশন পরে সত্য প্রমানিত হয়েছে।
জুলভার্ন ছিলো ফরাসী।
আধুনিক বিজ্ঞান ওয়েস্ট থেকেই এসেছে।
জুলভার্ন কেন পারে নাই এর কারন মানুষ এবং বিজ্ঞান তখনো পারে নাই জানতে ।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা , ওয়েবসাইটটা দেখবো।
প্লাব২০১০ বলেছেন:
আপনার লেখা বেস কয়েকবার পড়েছি । বুঝতে পারলাম যে, পৃথিবীকে দোজখ আর প্যারাডাইস কে বেহেশত বলতে চেয়েছেন। তাই নয় কি? শুনেছিলাম যারা বেহেশতি ব্যাক্তি তারা মারা যাওয়ার পর কবর থেকে বেহেশত পর্যন্ত সুরঙ্গ জাতীয় কিছু থাকবে, যাতে করে বেহেশতি ব্যাক্তি জান্নাতের আবহাওয়া উপভোগ করতে পারেন । আয়াত এই মুহূর্তে বলতে পারছিনা । আমার প্রশ্ন হল, ২ টা ভিন্ন গ্রহের মধ্যে সুরঙ্গ হয় কিভাবে? জানাবেন ।
লেখক বলেছেন: কুরআনে আমি আনসায়েন্টিফিক কিছু পাইনি।
সুরংগ টুরংগ এগুলো কল্পকাহিনী বানানো।
পোস্ট বুঝতে পারেন নি।
অনেকেই ক্যাচ করতে পারেননি।
কোনটা দপযখ , কোনটা বেহেশত সেটা নির্নয় করা এই পোস্টের পারপাস নয়।
শিরোনাম দেখুন আবার।
পৃথিবীকে মোটেই দোযখ বলা হয়নি , না পোস্টে , না কুরআনে।
আমি যেটা বলতে চেয়েছি বেহেশত এমন একটি গ্রহ যার জিওলজীক্যাল প্যাটার্ন অনুযায়ী কোর ইনসাইড ঠান্ডা পানির নদী প্রবাহিত হবে।
পৃথিবীর বেলায় এর কোর ইনসাইড হট সাবটেন্স ,তাপমাত্রা ৭২০০ ডি: সে:।
এই দুটো বিষয় আগে তুলনা করুন।
কোনটা বেটার , উত্তম - আগে এটা বলুন কমন আই.কিউ থেকে।
এর পর বাকিটা বলছি
অয়োময় বলেছেন:
আমার কাছেও মনে হচ্ছে আপনি সহজ যুক্তিটা ব্লগারদের কাছে ‘আরও সহজভাবে’ বোঝাতে গিয়ে অনেক ব্লগারের জন্য বিষয়টি জটিল করে ফেলেছেন।যাদের বুঝতে অসুবিধা হচ্ছে তাদের জন্য আমার বিবেচনায় এই পোস্টের সারমর্ম হচ্ছে-
১. পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা মানবজাতিকে পৃথিবীর চেয়ে বহুগুণে ভাল একটি স্থানে যাওয়ার সুসংবাদ দিচ্ছেন যেটিকে বেহেশত বলা হয়।
২. এখন প্রশ্ন হচ্ছে, ঐ স্থানটি অর্থাৎ বেহেশত্ কিভাবে পৃথিবীর চেয়ে ভাল? তার উদাহরণ পবিত্র কুরআনে তিনি এভাবে দিচ্ছেন যে- ওখানে মাটির তলদেশে বা অভ্যন্তরে ঠান্ডা জলস্রোত প্রবাহিত হয়।
৩. যেহেতু বলা হচ্ছে- বেহেশতের অভ্যন্তরভাগ ঠান্ডা অর্থাৎ আরামদায়ক, তাহলে ধারণা করা যায় তার চেয়ে নিকৃষ্ট পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগ উত্তপ্ত অর্থাৎ দুর্বিষহ (কেন্দ্রে সেটা ৭২০০ ডিগ্রী সে.)।
৪. কিন্তু রাসূল (সা.) এর সেই যুগে অর্থাৎ ৬০০ খৃষ্টাব্দে মানুষ জানত না যে, পৃথিবীর অভ্যন্তর বা তলদেশ উত্তপ্ত না ঠান্ডা।
৫. সেক্ষেত্রে বোঝা যাচ্ছে যে, মহান আল্লাহ তাআলা সর্বজ্ঞানী এবং পবিত্র কুরআনে তিনি মানবজাতিকে সঠিক নির্দেশনা দিয়েছেন।
লেখক বলেছেন: ইয়েস ম্যান , ইউ গট ইট ।
কনগ্র্যাচুলেশনস।
আপনি আমার কাজটা সহজ করে দিলেন।
বোঝাতে গিয়ে জটিল করে ফেলেছি দেখে লজ্জিত হচ্ছি।
আপনি এত নাইস ভাবে বিষয়টা ক্যাচ করা এবং কমেন্টে নোটিফাি করায় আমার অনেক উপকার হলো।
আমি আপনার কমেন্টটার প্রতি সবাইকে নোটিফাই করবো।
আবারো ধন্যবাদ
প্রোটন১৩ বলেছেন:
দেখেন আমি যতটুকু জানি..বেহেস্ত সম্পর্কে খুব কমই কুরআনে বলেছেন.কিন্তু এইটা যে একটা গ্রহ সেইটা তো বলা নেই...তবে বেহেস্ত হবে কেমন.এর তলদেশ দিয়ে নদী প্রবাহিত হবে..ইত্যাদি...সুতরাং যুক্তি দিয়ে মানুষকে আওল ফাউল বুঝাবেন না..
লেখক বলেছেন: মাথা ঠান্ডা রাখুন ,
হঠাৎ করে সিদ্ধান্ত নেবেন না।
অনেকেই বিষয়টা ধরতে পেরেছেন।
২৬ নং মন্তব্যটি দেখুন।
উনি দারুন ভাবে বিষয়টা ধরে ফেলেছেন
সায়েম মুন বলেছেন:
আপনার পোষ্টটা আপাত দৃষ্টিতে মনে হচ্ছে বিশাল। আমার কাছে ততটা মনে হয় নাই। কারণটা বলি--জিওলজি আমার পাঠ্যবিষয় ছিল। ছিল মানে এখনও এই বিষয়ের মধ্যেই ঘুরপাক খাই। তাই আপনার পোষ্টের অর্ধেকেরও বেশী তেমন পড়া লাগেনি। আর মূল বিষয়টা ধরতে না পারার কোন কারণ নাই। থাকলে জিজ্ঞেস করতাম।লেখক বলেছেন: হুমমম , আপনার মেজর জিওলজী জেনে ভালো লাগলো , আমিও বুঝতে পেরেছিলাম আপনি সম্ভবত ধরতে পেরেছেন।
২৬ নং কমেন্টারখুব সহজ ভাবে বিষয়টা ক্যাচ করে ফেলেছেন।
পোস্টতো বিশাল নয় সেটা আমিও জানি।
আমার ধারনা ছিলো ৮-১০ মিনিট লাগবে পোস্ট ক্যাচ করতে।
অনেকেই বুঝতে পারছিলোনা দেখে অবাক হচ্ছিলাম।
প্লাব২০১০ বলেছেন:
আপনি বিজ্ঞানের কচু বোঝেন । নিজের ইচ্ছা মতো দোজখ বেহেশত ও দোজখ বানালেই কি হবে নাকি? আপনি কি ঘোড়ার ডিম বোঝাতে চেয়েছেন সেটাই তো বলেন নি ।
লেখক বলেছেন: গেট কুল ম্যান , ২৬ নং কমেন্ট পড়ুন দয়া করে।
ঠিক আপনার ২৫ নং কমেন্টের পরের কমেন্টটাই।
ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস বলেছেন:
আপনিতো খুব সহজ ভাবেই লিখেছেন।সবাই অনেক জটিল জটিল বিষয় বুঝতে পারে , এটা পারছেনা কেন ?
২৬ নং কমেন্টার সেটা বললেন সেটা তো হুট করে একলাফে বলা সম্ভব না।
পুরো বিষয়টা সাজিয়ে নিয়ে তারপরইতো বলতে হবে কথাটা।
আপনিতো পুরোটা সাজিয়ে নিয়েই বলেছেন।
আসলে মানুষ অনেক সময় দরকারী বিষয়ে কারন ছাড়াই ধৈর্য হারিয়ে ফেলে।
আপনার পোস্ট ঠিকই আছে।
অনেকে না বুঝে কমেন্ট করছে।
যারা সমঝদার তারা ঠিকই বুঝতে পারছে।
পোস্ট অবশ্যই প্রিয়তে।
অসংখ্য ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্য ইন্সপায়ারিং।
ধন্যবাদ।
বিষয়টা শেয়ার করবেন অন্যদের সাথে : আড্ডায় হোক , নেটে হোক - যেকোন ভাবে।
প্লাব২০১০ বলেছেন:
কোরান আর বিজ্ঞান মিলাতে যাবেন না । মিল খুব কমই খুজে পাবেন । ধর্মকে ধর্মের জায়গায় রাখুন আর বিজ্ঞানকে বিজ্ঞানের জায়গায় রাখুন । কারণ বিজ্ঞান মানুষের গবেষণার ফসল, বিজ্ঞানের যে কোন মুহূর্তে ভুল বলে প্রমাণিত হতে পারে। তখন কি কোরান কে পরিবর্তন করবেন । যদি বিশ্বাস করেন কোরান আল্লাহর দেয়া গ্রন্থ , তাহলে সেটাকে সেভাবেই সম্মান করুন । আজ জানতে পেরেছেন পৃথিবীর কেন্দ্রের তাপমাত্রা ৭২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, ভবিষ্যতে এটা ভুল প্রমাণিত হতে পারে । সুতরাং বিজ্ঞানের কোন বিষয়ের সাথে কোরান এর কোন বিষয় মিলাতে যাবেন না ।
লেখক বলেছেন: প্লাব২০১০ বলেছেন: কোরান আর বিজ্ঞান মিলাতে যাবেন না । মিল খুব কমই খুজে পাবেন ।
এখানেই থেমে যান।
কুরআন সম্পর্কে আপনি কিছুই জানেন বলে মনে হচ্ছেনা তেলাওয়াত করা ছাড়া অথবা আপনার পড়াশোনা সায়েন্স ব্র্যাকগ্রাউন্ডে নয়।
আমি ভুলও হতে পারি।
অগ্রীম মন্তব্য করবেননা।
কুরআন সম্পর্কে আপনার জানায় ভুল আছে।
শেলী বলেছেন:
প্লাব২০১০,কোরআনের সাথে বিজ্ঞানের বিরোধ নাই। তবে কোরআন বিজ্ঞানের বইও নয়। কিন্তু বিজ্ঞানের কথা বলা দরকার কারন কি জানেন। এখনকার মানুষের বুঝশক্তি বিজ্ঞানের উপর ভিক্তি করে চলে। মানুষের চিন্তাশক্তি বিজ্ঞান দিয়ে প্রভাবিত।আমার মনে হয় এযুগে কোনো নবী আসলে তাকেও বিজ্ঞানের যুক্তি দিয়েই বুঝাতে হবে।
আমি একটা উদাহরন দেই। আমি যেহেতু বিজ্ঞানের ছাত্র একটা ডিসকাশন শুনছিলাম ইসলামের সমাজ ব্যবস্হা নিয়ে। আমি খুব কম বুঝতে পারছিলাম। কিন্তু নেচার নিয়ে বর্ননাগুলি খুব ভাল বুঝি।
লেখক বলেছেন: হুমমম , আপনার কমেন্টে সহমত
ঊষালগ্ন হুতাশন বলেছেন:
কোরান স্ক্যানডিনেভিয়ায় নাযিল (মতান্তরে রচিত হইলে) ব্যাপারটা দাঁড়াত এমন "বেহেশতের অভ্যন্তরভাগ উষন অর্থাৎ আরামদায়ক"।"লেখক বলেছেন: দোযখ বা হেল এগুলো সবই এক্সট্রা টেরেস্ট্রীয়াল প্লেস হবে এটা আমি ব্যক্তিগত ভাবে নিশ্চিত।"
জ্বী, ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: এই অধমের পোস্টে আন্তরিক মন্তব্যের ধন্যবাদ।
কুরআনে বলা হয়েছে : "তারা বক্রতা অনুসন্ধান করে"
এমনও বলা হয়েছে : "তারা নবী কে বলে তুমি যে নবী সেটার অলৌকিক প্রমান দেখাও।তাহলে তোমাকে বিশ্বাস করবো। প্রমান দেখানোর পর তারা বলে এটা যাদু ছাড়া কিছুই নয়।"
আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি আপনি সেই "তারা" 'র দল থেকে বেরিয়ে আসুন।
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
আলোচনার খাতিরে ধরে নিলাম, আপনার আল্লা জানে পৃথিবীর কোর খুবই উত্তপ্ত। এবং এর জন্যই মানুষকে প্রলুব্ধ করেছে বেহেশতের কোর শীতল বলে।এখন আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে দু'টো প্রশ্ন জাগলো মনে...
১। আপনার আল্লার কি ধারণা পৃথিবী পৃষ্ঠের উচ্চ তাপমাত্রার জন্য কোরের তাপমাত্রাই বহুলাংশে দায়ী?
আপনার দেয়া Amenity উদাহরণ অনুযায়ী
২৮ বার বলা হয়েছে বেহেশতের কোর হবে শীতল প্রস্রবণের মতো
আর মাত্র ৪ বার বলা হয়েছে তারা থাকবে ছায়াময় উদ্যানে বা স্থানে।
আমরা জানি পৃথিবীপৃষ্ঠের তাপমাত্রার জন্য সূর্যরশ্মিই মূল ভুমিকা পালন করে। পৃথিবীর আপার লেয়ার সেই তাপের কিছুটা ধরে রাখে যার জন্য রাতের বেলায় সূর্যের অভাব থাকা সত্ত্বেও অত্যধিক শীতল অনুভুতি হয় না।
পুরোপুরি বিজ্ঞানাশ্রয়ী হলে কোরানে, বেহেশতের বর্ণনায় শীতল কোরের কথা হাইলাইট না করে বরং মৃদু সূর্যালোক বা নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়ার কথা উল্লেখ করা হ'তো।
২। তরল কোর সমৃদ্ধ কোন গ্রহ থাকলে সেটার ঘুর্ণনে wobble ইফেক্ট থাকবে। যেমন আপনি যদি একটা কাঁচা ডিম আর একটা সিদ্ধ ডিম ঘোরান তাহলে তফাৎটা ধরতে পারবেন। বুধের কোর গলিত লৌহের। এবং বুধের ঘুর্ণনে wobble ইফেক্ট দেখা যায়। তরল কোর থাকলে সেই বস্তুর সারফেসে অস্থিতিশীলতা অনেক বেশী হয়।
আল্লা মনেহয় এদিকাটাও অতটা ভেবে দেখেন নাই...
লেখক বলেছেন: ১.
আমি বলেছি কোর ইনসাইড বিচার করলে জিওলজীকাল প্যাটার্ন অনুযায়ী আপনি কোন গ্রহটা বেছে নেবেন?
কোর ইনসাইড ৭২০০ ডি: সে: তাপমাত্রারা গ্রহ
না কোর ইনসাইড কোল্ড ওয়াটার স্ট্রীম ?
কোর ইনসাইডে কোল্ড ওয়াটার স্ট্রীম থাকার অ্যামেনিটি টা বলা হয়েছে পৃথিবীর কোর ইনসাইডের সাথে তুলনার্থে - এটাই পোস্টের মেসেজ।
এবং কুরআনের অথর পৃথিবীর কোর ইনসাইডের খবর জানতেন।
আই ফিনিস হিয়ার ফর পয়েন্ট ১।
২.
আপনি বলেছেন : পুরোপুরি বিজ্ঞানাশ্রয়ী হলে কোরানে, বেহেশতের বর্ণনায় শীতল কোরের কথা হাইলাইট না করে বরং মৃদু সূর্যালোক বা নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়ার কথা উল্লেখ করা হ'তো।
কোরআন তো সেটাই বললো।
নাতিশিতোষ্ঞ আরামদায়ক ওয়েদার হবে সেখানে এটাতো অন্য আয়াত গুলোতে বলা হয়েছে।
শীতল মানে জ্যাকেট পরে থাকতে হবে এমন কোন ডিসিশন লাইনতো আমি ড্র করিনি!
ছায়াপূর্ন আরামদায়ক হবে , এবং প্যারাডাইসের টপ সারফেসেও কোল্ড ওয়াটার স্ট্রীম থাকবে।
সুতরাং কোর ইনসাইড কোল্ড ওয়াটার স্ট্রীম থাকার ইংগিত টা ভিন্ন।
৩.
প্যারাডাইসের নিজস্ব অ্যাক্সিসের উপর স্পিন থাকবে কিনা মানে নিজস্ব আহ্নিক গতি থাকবে কিনা সেটাতো পোস্টের আউট অফ কনটেক্সট।
প্লাব২০১০ বলেছেন:
৭ বছর পরেছি মাদ্রাসায়, তারপর জেনারেল । আমি এখনো সায়েন্সের ছাত্র । কোরান নিয়েও কম ভাবি না , কারণ আমি মুসলমান। মন্তব্য দেখেই আপনার এই ধারনা হলে, আপনার অন্য ভাবনা কতটুকু গ্রহনযোগ্য হতে পারে ? আর আপনারা তো মনে করেন আপনারা যা জানেন তার সব সত্য আর বাকি সব মিথ্যা । অনুরোধ করব এই ধারনা থেকে বের হয়ে আসতে। সত্য সব সময় সত্য । মিথ্যা একদিন না একদিন অবশ্যই মিথ্যা প্রমানিত হইয় ।
লেখক বলেছেন: আপনি আমাকে ভুল বুঝছেন।
কুরআনে সরাসরি এমন কিছু ইনফো দেয়া হয়েছে যেগুলো রিসেন্ট সায়েন্সে প্রমানিত হয়েছে।
আপনি খোঁজ খবর রাখুন , নিজেই অনেক কিছু জানতে পারবেন।
সায়েন্স পারস্যু কোরআন , কোরআন ডাসন্ট কেয়ার।
হয়রান ভাই বলেছেন:
গোল্লামামু যদি বৈদেশের টাকার দিকে না তাকাইয়া নিজের জব,জব রেসপনসিবিলিটি নিয়া কেয়ারফুল থাকতো তাইলে আরো ভালো করতো @বৃত্তবন্দী=গোল্লামামু
লেখক বলেছেন: নাহ , গঠনমূলক কমেন্ট আমার কাছে গ্রহনযোগ্য।
কমেন্ট সব পক্ষে হতে হবে কথা নেই।
নষ্ট ছেলে বলেছেন:
অনেকেই বলে কোরআন হযরত মুহাম্মদ ( সাঃ ) এর লেখা গ্রন্থ কিন্তু তারা একটা জিনিস কখনোই চিন্তা করে ১৪০০ বছর আগে অক্ষর জ্ঞানহীন হযরত মুহাম্মদ (সাঃ ) এর পক্ষে এই ধরনের বৈজ্ঞানিক গ্রন্থ লেখা কিভাবে সম্ভব! যার কিনা একটা অক্ষরও ভুল নেই।আপনার বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ ভাল লাগল++++ (যদিও পুরাটা বুঝতে দুইবার পড়তে হইছে
লেখক বলেছেন: আরো অনেকগুলো হিন্টস আছে , অসাধারন সব অ্যাস্ট্রোনোমী , হিউম্যান অ্যানাটমী , ওয়েদার সায়েন্সের স্টানিং সব ক্লু।
কেটেছেঁটে ভালো ভাবে সাইজ করে পোস্টাতে পারলে জানাবো সামুতেই।
জাস্ট ওয়েট।
২ বার পড়তে হয়েছে জেনে দুঃখিত ![]()
২৬ নং কমেন্টার খুব নাইস ভাবে বিষয়টা ক্যাচ করেছেন
প্লাব২০১০ বলেছেন:
রিসেন্ট সায়েন্স যা বলে তা তো ভবিষ্যতে মিথ্যা প্রমাণিত হুতে পারে । তাই নয় কি? তখন কোরানকেও মিথ্যা বলবেন ? আপনাকে বিজ্ঞানের ছাত্র না বলে অপ বিজ্ঞানের ছাত্র বলা যায় ।
লেখক বলেছেন: দেখুন , কুরআনের সাথে যেগুলো মিলছে আমি সেগুলোই তো তুলে আনছি।
আপনার কি ধারনা আমি কুরআনকে বিজ্ঞানের কাছে ছোট করার জন্য এই পোস্ট দিয়েছি ?
ভুল ভাবছেন।
সায়েন্স যে কুরআনের কাছে নত হয়ে আছে অনেক ভাবে তার একটা ক্লু তুলে আনলাম এই পোস্টে মাত্র।
তবে বিষয়গুলো এমনভাবে আনতে হবে যারা কুরআনকে অফেন্ড করে মানুষের রচিত বই বলে তাদের কে লজিক্যালী রীচ করার জন্য।
লেখক বলেছেন: গায়ের জোর দিয়ে বা মানসিক গোয়ার্তুমী দিয়েতো এটা হবেনা।
মুসলিমদের কে ওরা তাহলে মাথামোটা অন্ধ বলবে।
নষ্ট ছেলে বলেছেন:
"চিন্তা করে না" হবে, "না" টা বাদ পইরা গেছে।
লেখক বলেছেন: হুমম বুঝতে পেরেছি , ডোন্ট ওরী , ইটস অলরাইট
প্লাব২০১০ বলেছেন:
বিজ্ঞান প্রতি মুহূর্তে পরিবর্তনশীল, কোরান চিরস্থায়ী । তাই বিজ্ঞানের সাথে কোরআনের মিল খুজতে যাবেন না প্লিজ ।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা , ধন্যবাদ
প্লাব২০১০ বলেছেন:
বিজ্ঞানের সাথে কোরআনের তুলনা করা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার সমান । ধর্মকে উপরে আনতে গিয়ে নিচে নামাবেন না ।
লেখক বলেছেন: সবার আন্ডারস্ট্যানডিং ক্যাপাসিটি সমান হয়না।
আপনাকে ধন্যবাদ
বৃত্তবন্দী বলেছেন:
সেক্ষেত্রে আপনার এত পৃথিবীর জিওলজী নিয়ে প্রারম্ভিক আলোচনা করাটা একটা ভগ ব্যাপার হয়ে গিয়েছে বলেই আমার মনে হইতেছে।আপনি যদি একটা গ্রহ হিসেবে বেহেশতকে দেখেন, তাহলে অবশ্যই এর আহ্নিক এবং বার্ষিক গতির ব্যাপারটা আউট অফ কন্টেক্সটে রাখতে পারবেন না। সেটাকে কনটেক্সটে রেখেই আপনার চিন্তা করতে হবে। শুধুমাত্র বেহেশতের সুশীতল বায়ুপ্রবাহের কথা চিন্তা করলেও আপনাকে আহ্নিক গতির সাহায্য নিতে হবে।
@ হয়রান ভাই- ঠিক কোন দেশ থেকে আর কার কাছ থেকে আমার টাকাটা আসে একটু বলবেন? এটলিস্ট তার কাছে গিয়া দাবী করতে পারতাম...
লেখক বলেছেন: কল্পনা থেকে ডিসিশন নেয়ার কোন ইচ্ছাই নেই আমার জুলভার্নের মত।
প্যারাডাইস নামক সুপার ন্যাচারাল গ্রহটির নিজস্ব স্পিন থাকবে - এটা নিয়ে আপনি এত হার্ড স্টান্সে যাচ্ছেন কেন ?
সব প্ল্যানেটের কি নিজস্ব স্পিন থাকে ?
প্লাব২০১০ বলেছেন:
মাথামোটা অন্ধ বলবে বলে কি আপনি কোরআনের ভুল ব্যাখ্যা করবেন ?
লেখক বলেছেন: ভুল ব্যাখ্যা কোথায় করলাম ?
ভুল প্রমান করে ভুল বলবেন।
হয়রান ভাই বলেছেন:
গোল্লামামু ami to koinai karo kac theke taka ase.Beparta to eirokomo hoite parto je apne boideshe gia taka kamai korte can.Jar mone ja fal dia ute ta
প্লাব২০১০ বলেছেন:
হয়রান ভাই : কার মধ্যে কি ? ট্যাকা পয়সার আলাপ চা খাইতে খাইতে করবেন । ব্লগে ইহা বিরক্তির কারণ ।
নষ্ট ছেলে বলেছেন:
@প্লাব২০১০,আপনি বিজ্ঞানের ছাত্র হয়েও বিজ্ঞান নিয়ে আপনার সন্দেহ দেখে অবাক হচ্ছি!
ভাইরে সব আবিস্কার ভুল প্রমানিত হয় না। বিজ্ঞানের অনেক আবিস্কারই মানুষকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে, এগুলো কখনো মিথ্যা প্রমানিত হবে না।
এরিস্টটল বলেছিল, "পৃথিবীর চারদিকে সূর্য ঘুরে" যা কিনা পরবর্তীতে ভুল প্রমানিত হয়েছে। এখন তো মানুষ নিজের চোখেই দেখছে সূর্যের চারদিকে পৃথিবী ঘুরে। এটা তো ভবিষ্যতে ভুল প্রমানিত হবে না।
১৪০০ বছর আগের কোরআনেও লেখা আছে সূর্যের চারদিকে পৃথিবী ঘুরে, চন্দ্রের আলো তার নিজস্ব নয় ইহা প্রতিফলিত আলো।
আপনার কি মনে হয় ভবিষ্যতে চন্দ্রের ভেতর থেকে হাইড্রোজেন গ্যাস নির্গত নিউক্লিয়ার ফিউশান বিক্রিয়ার মাধ্যমে চন্দ্রও সূর্যের ন্যায় আলো দিবে?
লেখক বলেছেন: ওনাকে একটু বোঝান , উনার ধারনা আমি নাস্তিক টাইপ কিছু যার কাছে কোরআন পরে , সায়েন্স আগে ।
অথচ আমি উল্টোটা বোঝানোর চেষ্টা করে ফেল মেরেছি।
তুফান মেইল বলেছেন:
পৃথিবীর তাপমাত্রা এর ভোগলিক গঠন, আকার-আকৃতি, ঘুর্ণন, সূর্যের সাথে দূরত্ব, উপাদান ইত্যাদি সহ আরো অনেক কিছুর উপর নির্ভর করে। তাই Earth নামক গ্রহের সাথে Paradise নামক গ্রহের তুলনা করা অনর্থক। কারন পদার্থবিজ্ঞানের সূত্র পৃথিবীতে একরকম, মহাশুন্যে একরকম, চাঁদে আরেকরকম। তাই পৃথিবীর সূত্রাবলী Paradise নামক গ্রহে সম্পুর্ন ভিন্নরকম হবে।বেহেশতের আকৃতি সম্পর্কে একটু ধারনা নেনঃ বেহেশতে প্রবেশকারী সর্বনিম্ন বান্দা দশ দুনিয়ার সমান আকৃতির বেহেশত পাবে। সুতরাং আকৃতি তো বুঝতেই পারছেন।
লেখক বলেছেন: আপনি পোস্টের মেসেজটাই ধরতে পারেন নি।
পৃথিবীর তাপমাত্রা এখানে আউট অফ কনটেক্সট।
শিরোনামে আছে : Geology
জিওলজীকাল প্যাটার্নটাই কনটেক্সট।
২৬ নং কমেন্ট পড়ুন।
উনি খুব নাইসলী বলেছেন বিষয়টা।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
খিক খিক.. আপনে কি বলতে চাইতেছেন, জান্নাত আসলে জাহা্ন্নাম?
আর মাটির নিচের স্রোতস্বীনি আসলে গলিত লাভা...
খিক খিক খিক..
ব্যাপক আনন্দ পাইলাম।
লেখক বলেছেন: আমি অবাক হয়ে গেলাম আপনার মত পরাকাষ্ঠা নাস্তিকের অ্যান্টেনার উপর দিয়ে এই পোস্ট গেলো বলে ?
বৃত্তবন্দী কিন্তু বুঝতে পেরেছেন।
আপনাদের সমগোত্রীয়।
বৃত্তবন্দীর কমেন্ট দেখুন , আমার রিপ্লাই দেখুন ,
২৬ নং কমেন্ট দেখুন
প্লাব২০১০ বলেছেন:
আরে ভাই কোরআনে তো পড়েছেন পৃথিবীকে বানানো হয়েছে বিছানা সরূপ আর আসমানকে সামিয়ানা সরূপ । আপনি কি গোলাকার বিছানায় ঘুমান ? আর আসমান বলে কি কিছু কি আছে?
লেখক বলেছেন: আপনি এত অস্থির হচ্ছেন কেন ?
আকাশের ব্যাপারে যেটা বলা হয়েছে সেখানে ওজোন লেয়ার , ট্রপোস্ফিয়ার , স্ট্রাটোস্ফিয়ার এগুলোর ইংগিত দেয়া হয়েছে ।
কুরআনেই বলা হয়েছে এগুলো নিয়ে চিন্তা করো।
আপনি আপনি এগুলো সম্পর্কে কিছু জানেন?
আরিফুর রহমান বলেছেন:
না, আমার এন্টেনায় ঠিকই ধরা খাইছে.. আপনার এন্টেনা আদৌ আছে কি না, সেটাই চিন্তা করতেছি।
আবাল কি গাছে ধরে!!!!!!!!
হাহাহাহাহা!!
লেখক বলেছেন: এই অধমের পোস্টে আপনার গুরুত্বপূর্ন মন্তব্যের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি।
সাঈফ শেরিফ বলেছেন:
মানুষ যখন চর্মচক্ষু ও মর্ত্যের জ্ঞান দিয়ে স্বর্গ, নরক উদ্ধারের চেষ্টা করে তখন একটু হাসিই লাগে। অবিশ্বাসীরা আবার এসব বিশ্বাসের সপক্ষে চর্মচক্ষুর প্রমাণ চায়। বিশ্বাস নির্ভর সব অতিপ্রাকৃত বিষয়ের চর্মচক্ষু, ট্যানজিবল প্রমাণ থাকলে স্রষ্টার দরকার পড়তোনা বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী স্রোত বানিয়ে খেলা দেখার। পৃথিবীর সবাই স্রষ্টাকে দেখে-বুঝে-শুনে শান্তিপূর্ণভাবে এক স্রষ্টার পূজা করতো, দুনিয়াটাই স্বর্গ হয়ে যেত, স্রষ্টার আর স্বর্গের লোভ দেখানো লাগতোনা।
লেখক বলেছেন: ২৮ বার একটা কমেন্ট করা হয়েছে কুরআনে এবং একটা লোভনীয় স্থানের লোভনীয়তা বর্ননা সাপেক্ষে।
বিষয়টা পরিষ্কারভাবে একটি গ্রহের জিওলজীকাল প্যাটার্ন বিবেচনায়।
জিওলজী যেহেতু মানুষ স্টাডী করে সেহেতু বিষয়টা টপিক অব ডেলিবারেশন অন এভরী পোসিবল ভিউ্য।
জোর করে কিছুই মেলানো হচ্ছেনা।
বরং স্বতঃসিদ্ধভাবেই মিলছে।
প্লাব২০১০ বলেছেন:
আপনার কি মনে হয় ওজন স্তর বিষয়ে আপনার কাছেই প্রথম জানলাম? আর সামনে রমজান মাস যারা মহাকাশ স্টেশনে আছেন তারা কখন সেহরি করবেন আর কখন ইফতার করবেন ? ওখানে তো সব সমায় সমান দিন। হিজরারা নামাজ ছেলেদের মতো পরবে নাকি মেয়েদের মতো ? বললেন না তো গোলাকার বিছানায় ঘুমান কি না...।
লেখক বলেছেন: সেহরী ইফতার , ট্রান্স জেন্ডাররা কিভাবে নামাজ পড়বে সেটা "মাসলা" যেই আলেমরা বলেন তারা বলবেন।
এখানেতো "মাসলা" নিয়ে কোন আলোচনা হচ্ছেনা।
আপনার কি ধারনা আপনি কুরআন রক্ষার জন্য আমার বিরুদ্ধে জিহাদ করছেন ?
আরে ভাই আমি তো কুরআনের বন্ধু।
আরিফুর রহমান বলেছেন:
সাইফ, এই ধরনের বুজরুকি টাইপের কথা বার্তা বলা এতো সহজ!! যে কি আর বলবো...
প্রচুর বুজরুক এসব বেচেই তো জীবন ধারন করে গেলো..!!
খোদার কি কোনো কাজ নেই আর ???
স্রোত বানিয়ে খেলৈ!!
হহাহাহাহাআহাহ..
নতুন বলেছেন:
আমার ও মাঝে মাঝে তাই মনে হয়... যদি একবার চিন্তা করেন আমাদের মহাবিশ্ব( ইউনিভাস`টা) কত বড়...
যদি শুধু মানুষের জন্য কি এতো বড় ইউনিভাস` দরকার ছিলো???
মানুষ বতমান প্রযুক্তি দিয়ে মঙ্গলেই পা রাখতে পারেনাই.... আর কাছের তার তো দুরের কথা...
কোরআনে কিন্তু ৭ আসমানের কথা বলা আছে অনেক বার...
আসমান কিন্তু বাস্তবে কিছুনা... একটি ব্যখ্যা মাত্র... অথ`:- আপনি উপরে তাকালে মহাবিশ্বের যেই টুকু দেখছেন তাই আসমান...
তার মানে মহা বিশ্বে এইরকম অনেক জায়গা আছে যেই খানে আসমান দেখাযায়????
আসমান দেখে কারা?
আর মহাবিশ্ব এতো বড় কেন???
শুধু পৃথিবির মানুষের জন্য এই মহাবিশ্ব তৌরি করা হয়েছে??? ( মহাবিশ্বের সাইজ সম্প`কে কিছু ধারনা মাথায় আসলে এ এই প্রশ্ন মেলেনা)
চিন্তা করলে খালি প্রশ্ন বাড়ে... কমে না...
আপনার ভাবনার পরিসর আমার খুবই ভাল লেগেছে... আশা করি আরো লেখা পাবো..
+++ পোস্ট পয`বেক্ষনে রাখলাম
লেখক বলেছেন: কুরআনে আকাশের ২ রকম বর্ননা দেয়া হয়েছে।
একটা হলো গ্রহের এনক্লোসিং বায়ুমন্ডল , অন্যটা স্পেসের গ্যালাক্সীগুলোকে।
সাহিত্যিক অনুবাদে ১০০% সায়েন্স হয়ে গেছে ধর্মীয় উপকথা।
এই বিষয়গুলো নিয়ে সামনে আরো আলোচনা করবো ইনশাল্লাহ।
লেখক বলেছেন: অন্যদেরকেও জানান
প্লাব২০১০ বলেছেন:
একটা বিষয় বিশ্লেষণ করতে গেলে অনেক বিষয় এসে পরে, তাই এসব লেখা । যা হোক, জিহাদ ফাসাদ মূর্খ দের কাজ । কোরআনে না বর্ণনা করা এমন অনেক বিষয় আছে যা মীমাংসার দায়িত্ব আলেমদের দেয়া হয়েছে । ঐ আলেম গন বেহেস্ত যাবে কি না তার কোন গ্যারান্টি আছে ?
লেখক বলেছেন: কি সব অপ্রাসংগিক প্রশ্নরে ভাই !
প্লাব২০১০ বলেছেন:
কথায় আছে না " জায়গায় হাত দিলে কাতুকুতু লাগে " । না পারলে " উঠান বাকা" , ছাইরা দে মা কাইন্দা বাঁচি । আপনিও সেই সূত্র অনুযায়ী তাই করলেন। আমার শেষ কথা
আমার শেষ কথা মূর্খ বন্ধুর চেয়ে জ্ঞানী শত্রু ভাল। ( একজন লোক সব বিষয়ে জ্ঞানী নয় অনেক বিষয়ে মূর্খ) ।
লেখক বলেছেন: রাবিশ কোথাকার , পারফেক্ট কাঠমোল্লা
তুফান মেইল বলেছেন:
প্লাব২০১০বলেছেন- একজন লোক সব বিষয়ে জ্ঞানী নয় অনেক বিষয়ে মূর্খড়দএকজন লোক সব বিষয়ে জ্ঞানী নয় অনেক বিষয়ে মূর্খ।
লেখক বলেছেন: হ্যা , এটা খুবই জ্ঞানগর্ভ উক্তি
রিফাত হোসেন বলেছেন:
প্লাব২০১০ সাহেব আপনি বেশি পন্ডিতি করেন । বলেন তো ডিম আগে না মুরগী আগে`??কেউ প্লাব সাহেবকে হেল্প করবেন না দয়া করে ।
যদি আপনি এতই সায়েন্স স্টুডেন্ট আর মাদ্রাসার ছাত্র হয়ে মোটামোটি জ্ঞান রাখেন তাহলে পারবেন, না পারলে আপনি ব্লগীয় ছাগু ছাড়া কিচ্ছু না ।
(আল্লাহ মাফ করুক আমাকে)লেখক বলেছেন: @ রিফাত হাসান :
আল্লাহ আমাকেও আপনার সাথে সাথে মাফ করুক।
প্লাব ২০১০ দেরকে দেখে বুঝলাম আমরা মুসলিমরা যে নাস্তিক দের কাছে টিটকারীর স্বীকার হই সেটার কারন আছে।
আল্লাহ নাস্তিকদের সাথে এইসব মূর্খ আস্তিকদেরকেও হেদায়াত দিক।
ত্রিভুজের একটা পোস্টের কথা মনে পড়ে গেলো :
নাস্তিকের ধর্মচর্চা ,আস্তিকের মূর্খতা!
রিফাত হোসেন বলেছেন:
তুফান মেইল আর প্লাব একই নিক ! সবাই সাবধান ব্লগে ছাগু মোল্লা দিয়ে ভরে গেল রে ।
লেখক বলেছেন: ভালো রকমের মোল্লা
প্লাব২০১০ বলেছেন:
ম্যারাডোনা- ভোদাইয়ের নাকি মানুষ ... হাহাহা
তুফান মেইল বলেছেন:
ক্যারে ম্যারাডোনা কি কয় রে? নিজে ছাগু+ মাল্টি নিকধারী দেইখা সবাইরে তাই ছাগু ভাবেরে। তোরেতো ডিম্ব থেরাপী দেওয়া দরকার। লেখক বলেছেন: তুই তোকারী , ডিম্ব থেরাপী - এইসব আজেবাজে মন্তব্য করবেন না।
একবারই বললাম ।
ডোন্ট ডু ইট
প্লাব২০১০ বলেছেন:
রিফাত হোসেন ওরফে মেরাডোনা ঃ আপনি ও লেখক কে "ভোদাই অফ দ্যা ওয়াল্ড ২০১০" খেতাব দিয়ে দিলাম ।
তুফান মেইল বলেছেন:
ভূল কইরালচি আংকেল। ভাবছিলাম আজকাল ছাগুদের ডিম্ব থেরাপী দেওয়া হচ্ছে তো যদি আমাদের রিফাত বাইয়াকেও নিয়ে যেতো তাহলে বুঝতো।
লেখক বলেছেন: নষ্ট ছেলে , লীভ ইট
প্লাব২০১০ বলেছেন:
নষ্ট ছেলে@ কার দৌড় মসজিদ পর্যন্ত আর কার দৌড় মহাকাশ পর্যন্ত এটাই বুঝতে পারলেন না? কষ্ট পেলাম ...
লেখক বলেছেন: একটু দেখবেন কি এটা :

শেলী বলেছেন:
আপনি তাদের ব্লক করে দিয়েন যারা একদম অপ্রাসংগিক কথা বলে। এতে আপনার লিখার সুরটা নষ্ট হয়ে যায়।
লেখক বলেছেন: আসলে ব্লক করাটা সিভিয়ার কিছু , কমেন্ট করতে না পারলে ব্লগে আসার আসল মজাটাই পাওয়া যায়না।
সেকারনে ব্লক করার ব্যাপারে অনেক বেশী কশাস থাকি।
কিন্তু কেউ কেউ সুযোগ নেয়।
তারপরও বেশ কয়েকবার ওয়ার্নিং দিয়ে নেই আগে।
দেখা যাক থামে কিনা।
প্লাব২০১০ বলেছেন:
৪৫ নং টা কেন লেখা হয়েছে বুঝতে ৪৫ নং দেখুন ।
প্লাব২০১০ বলেছেন:
৪৫ নং টা কেন লেখা হয়েছে বুঝতে ৪৪ নং দেখুন ।
লেখক বলেছেন: আচ্ছা বুঝলাম।
আপনিও বুঝুন , দেখুন নীচের এই মানুষটিও আপনার মতই খোদাভীরু , কোরআন ভক্ত।
উনি কি বুঝেছেন এই পোস্ট থেকে সেটা দেখুন ভালোভাবে এবং থামুন দয়া করে :

প্লাব২০১০ বলেছেন:
সব মন্তব্যই আমার পড়া হয়েছে। আপনাদের সবার উপড় শান্তি নেমে আসুক । শুভ কামনা সবার জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
স্মরন বলেছেন:
লেখাটা মোটেও জটিল নয়। ভাল লেগেছে বেশ। বেহেসত/দোজখ বিষয়ে আমার এরকমই ধারণা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লিটল বয় বলেছেন:
ওয়াও ভাইয়া , কি অসাধারন পোস্ট ! হাজার হাজার প্লাস দিতে ইচ্ছা করছে। কেবল একটাই দিতে পারলাম আমিও শুরুতে কিছু বুঝিনি। আপনি অ্যাটেনশনটা দেয়ায় ভালো হয়েছে।
২৬ নাম্বার কমেন্টের ভাইয়াটা খুব সহজ করে বলে দিয়েছে। আপনাকে অনেক থ্যাংকু
লেখক বলেছেন: থ্যাংকু লিটল বয় ![]()
পৃথিবী আমারে চাই না বলেছেন:
প্লাব২০১০ এবং আরিফুর রহমান দুইজনেরই এই ব্লগে ক্যাচাল করতে আসা ছাড়া আর কোন কারন খুজে পেলাম না।
লেখক বলেছেন: দুজনেই থেমে গেছেন , ভুল বুঝলে ভালো
নিস্সঙ্গ যোদ্ধা বলেছেন:
+++++++++++ সহ প্রিয়তে।মনযোগ দিয়ে পড়লাম। অনেক নতুন কিছু জানতে পারলাম। থ্যাংকস।
২৬ নম্বর কমেন্টেটরকেও থ্যাংকস।
"প্লাব ২০১০" - এর মতো কিছু মূর্খই ইসলামের মানসম্মান ডুবায়।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নিঃসংগ যোদ্ধা , প্লাব২০১০ দের জন্য অনেক পেশেন্সফুল হতে হবে
পরমানন্দ বলেছেন:
@ অয়োময় এবং লেখকঅয়োময়ের লিখিত ৫ টি পয়েন্টেই এই পোষ্টের মূল কথা। এই পয়েন্টগুলোর পরিপ্রেক্ষিতে আমার কথাগুলো হল:
১। প্রথম পয়েন্ট নিয়ে বলার কিছু নাই
২। ২য় এবং ৩য় পয়েন্টে যা বলেছেন তার সারকথা হল, বেহেশতের কোর দিয়ে যে নদী প্রবাহিত হবে তা সুশীতল হবে, মানে হল এর কারনে বেহেশত অনেক আরামদায়ক হবে।
প্রশ্ন হল, পৃথিবীর অভ্যন্তরের এই তাপাধিক্যের কারনে আপনার চলাফেরাতে কোন অসুবিধা বোধ করছেন কিনা ? দেখা যাচ্ছে ঐ তাপমাত্রার কোন প্রভাব ভূভাগের যে স্তরে আমরা বিচরন করি সেই অংশে নেই।
সুতরাং ব্যাপারটিকে কিভাবে আপনি বেহেশতের সাথে তুলনামূলক একটি অবস্থা হিসাবে বর্ণনা করেন ?
৪। ৪নং পয়েন্টি সবগুলো পয়েন্টের মধ্যে সবচে ফালতু।
কিসের ভিত্তিতে আপনি বলেন যে তখনকার মানুষ পৃথিবীর অভ্যন্তর বা তলদেশ উত্তপ্ত না ঠান্ডা ব্যাপারটি জানার কথা নয়। আগ্নেয়গিরি থেকে যে উত্তপ্ত তরল লাভা নির্গত হয়, এবং তা আসে পৃথিবীর অভ্যন্তর ভাগ থেকে, এটা কি এমন কঠিন তথ্য যে যার জন্য গবেষনাগার খুলতে হবে।
ভাল থাকবেন।
লেখক বলেছেন: আপনাকে কে বললো আমি মানুষের জন্য কোন তাপমাত্রা আরামদায়ক সেটা ফোকাস করেছি এখানে ?
পোস্টটি কি খুঁটিয়ে মনোযোগ দিয়ে পড়েন ?
মানুষ পৃথিবীতেও পৃথিবীর কেন্দ্রে গিয়ে থাকেনা , চাইলেও সম্ভব না।
আর বেহেশতে গিয়ে থাকবে বেহেশতের কেন্দ্রে গিয়ে থাকবে কিনা জানিনি , তবে থাকতে চাইলে সম্ভব হবে।
যাইহোক সেটা এখানে ফোকাস ছিলোনা।
ফোকাসটা ছিলো জিওলজীকাল প্যাটার্নের বেটারনেস / উত্তমতা :


২.
১৮৫০ সালের ইউরোপীয়ান প্রচন্ড কল্পনা শক্তি সম্পন্ন জুলভার্ন যা পারেননি যা তার চিন্তা - গবেষনার টপিক ,
সেখানে ৬০০ সালের মুহাম্মাদ (সাঃ) কে নিয়ে চিন্তা করুন।
ভালো থাকুন
পারভেজ আলম বলেছেন:
এত আজেবাযে কমেন্টস দেখে মন্তব্য করবো কি না চিন্তা করছিলাম। শেষপর্যন্ত করতে বাধ্য হলাম। দাসত্ব, আপনি যেভাবে নিজের মাথা ঠান্ডা করে মন্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন তার জন্য হেটস অফ। অন টপিকঃ আমি আসলে এখানে আপনার বিরোধীতা করবো। কারণ, ২৬ নম্বর মন্তব্যই যদি আপনার পোস্টের মূল বক্তব্য হয়, তাহলে বেশকিছু সমস্যা তৈরি হয়। আমি একে একে সমস্যা গুলি নিয়া আলোচনা করছি।
১। সবার আগে এক্সট্রাটেরিস্টারিয়াল শব্দটা আমাকে খানিকটা ধন্দে ফেলেছিল। এই শব্দটার বিবিধ ব্যাবহার আছে। বিজ্ঞানে মোটামুটি প্রচলিত ব্যাবহার এই শব্দটার ক্ষেত্রে যা ছিল তা হলো পৃথিবীর বাইরের জগৎ, সেই ক্ষেত্রে গ্রহ, নক্ষত্র সবই এর অন্তর্গত, তবে তা এই মহাবিশ্বের ভেতরের জগৎই। বর্তমানে এই শব্দটাকে অনেকেই অতিপ্রাকৃত শব্দটার সাথে গুলিয়ে ফেলায় এই শব্দটা বিজ্ঞানে খুব কম ব্যাবহৃত হয়। আমি শুরুতে বুঝতেই পারি নাই বেহেশত নামক গ্রহকে কি আপনি এই মহাবিশ্বের অন্তর্গত, এবং আমাদের জ্ঞান বুদ্ধিতে কুলায় এমন কোন প্রকৃতিক গ্রহের কথা বলছেন নাকি কোন অতিপ্রাকৃত জগতের কথা বলছেন। যদিও আপনার মন্তব্য গুলো দেখে বর্তমানে আমার কাছে মহাবিশ্বের অন্তর্গত প্রাকৃতিক কোন গ্রহ বলেই মনে হচ্ছে, কিন্ত এই মহাবিশ্বের অন্তর্গত এক প্রাকৃতিক গ্রহের প্রাণী মৃত্যুর পর এই মহাবিশ্বেরই আরেক প্রাকৃতিক গ্রহে কিভাবে বেঁচে উঠবে সেটা কি ব্যাখ্যা করতে পারবেন, যৌক্তিক ভাবে এবং বর্তমান বিজ্ঞানের জানাশোনা জ্ঞানের আঙ্গিকে? নশ্বর মহাবিশ্বের প্রাকৃতিক জগতে অবিনশ্বর এবং অতিপ্রাকৃত গ্রহের অস্তিত্বের ব্যাখ্যাটা কিভাবে দেবেন?
২। যেহেতু, আপনি প্রাকৃতিক বস্তু "গ্রহের" কথা বলেছেন, সুতরাং গ্রহ সম্বন্ধে কিছু কথা বলি। প্রতিটা গ্রহেরই অনেকগুলো লেয়ার থাকে, এইটা আপনিও জানেন। আমাদের পৃথিবীর সারফেসের ঠিক নিচের অংশটাই কিন্তু উত্তপ্ত না, আরো অনেক নিচের লেয়ার উত্তপ্ত। আর পৃথিবীর অভ্যন্তর উত্তপ্ত হওয়ায় আমাদের কোন ক্ষতি হয় নাই, বরং লাভ হয়েছে। পৃথিবীর অভ্যন্তর উত্তপ্ত বলেই এই পৃথিবী প্রাণ ধারণের উপযোগী হয়েছে। আর পৃথিবীর একেবারে কেন্দ্রে যেই মেটাল কোর আছে, তার চারদিকে সর্বদা গলিত ধাতু, লাভা ঘুর্ণায়মান অবস্থায় আছে, এই ঘুর্ণি থেকে সৃষ্ট তড়িৎ চুম্বকিয় তরঙ্গ পৃথিবীর বায়ুমন্ডলকে ধরে রেখেছে। এই ঘুর্ণন থেমে গেলে পৃথিবীর বায়ুমন্ডল উধাও হয়ে যাবে, সেই সাথে প্রাণ ধারণের উপযোগিতা হারাবে। কোন গ্রহের অভ্যন্তর যদি উত্তপ্ত না হয় তাহলে সেই গ্রহে প্রাণ ধারণের উপযোগি পরিবেশ কি থাকা সম্ভব?
৩। পৃথিবীর অভ্যন্তর উত্তপ্ত, এই ধারণা ৬০০ খ্রিস্টাব্দ বা তার আগে পৃথিবীর মানুষ একেবারেই রাখতোনা এটাও ঠিক না। আগ্নেয়গিড়ির অগ্নুৎপাত দেখে বহু আগেই মানুষ এ বিষয়ে ধারণা রাখতো। ইসলামের আগমনের বহু আগে থেকেই বিভিন্ন সভ্যতার ধর্মগ্রন্থ এবং মিথএ পাতালের জগৎকে অত্যন্ত উত্তপ্ত বলে গণ্য করা হয়েছে। গ্রিক, সুমেরিয়ান এবং ব্যাবিলোনিয়ান মিথগুলো পরলেই জানতে পারবেন। আর যদি দরকার হয়, আমাকে বলতে পারেন, আমি সোর্স দিয়ে দেবো।
৪। সবচেয়ে বড় কথা হলো কোরআনে বেহেশতের যে রূপ বর্ণনা করা আছে, তাতে মাটির নিচে পানির নহরের কথা বলা আছে এবং তা ভালো আর যেহেতু পৃথিবী বেহেশতের তুলনায় খারাপ, এই ধারণা থেকে "পৃথিবীর অভ্যন্তর উত্তপ্ত" এমন স্বিদ্ধান্তে পৌছানো অনেক কষ্টসাধ্য বলে মনে হয়েছে।
৫। আমি কোরআনের এই পানির নহর সংক্রান্ত আয়াতগুলোর একটা ভিন্নরকম ব্যাখ্যা দিচ্ছি। দেখেন মনঃপুত হয় কি না। আমাদের বাংলাদেশে যেমন মাটি খুড়লেই পানি বের হয়, আরব দুনিয়া এমন না। আরব ভূমিতে পানি খুব দুর্লভ। আমাদের দেশে যেখানে সেখানে প্রাণ ধারণের উপযোগী পরিবেশ থাকলেও আরবে তা নাই। অল্পকিছু মরুদ্যান আর বহু শ্রমে খুজে পাওয়া কুপের উপর নির্ভর করে সেখানে মানুষের বাসস্থান গড় উঠতো। পানির দখলের জন্য যুদ্ধও কম হয় নাই। মানুষ এবং পশুপালনের জন্য মাটি খুড়লেই পানি বের হয় এই ধরণের যায়গা তাই খুবি লোভনিয় ছিল প্রাচিন আরবদের কাছে। কোরআন আসার আগেও আরবের বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ এবং সাহিত্যে মাটির নিচে পানির নহর ওয়ালা দেশ, অর্থাৎ মাটি খুড়লেই পানি পাওয়া যায় এই ধরণের দেশকে খুব আকাঙ্খিত বলে গন্য করা হতো। উদাহরণস্বরুপ, তাওরাতের কথা বলা যায়। তাওরাতে "জেহভা" যাযাবর ইহুদিদের বারবার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি তাদের এমন এক দেশে নিয়ে যাবেন যেই দেশের মাটির নিচে পানির নহর আছে, সেই দেশ হলো ইসরায়েল।
আপনার পোস্টটা অনেক খাটনি করে দিয়েছেন, এটা প্রশংসনিয়। তবে, এই পোস্টে আপনি এমন কিছু টার্ম গুলিয়ে ফেলেছেন, যেগুলো একসাথে আলোচনা করা যায় না। বেহেশত দোযখের যৌক্তিক ব্যাখ্যা হয় না বলেই জানি। মুসলমান দার্শনিক/বিজ্ঞানিরা বেহেশত দোযখ এবং মৃত্যুর পর দৈহিক পুনরুত্থানের যৌক্তিক ব্যাখ্য সম্ভব না বলে এসবের অস্তিত্বই মানেন নাই, বরং কোরআনের আয়াতকে রুপক হিসাবে গ্রহন করেছেন এবং মৃত্যুর পরবর্তি জীবনকে পুরোপুরি আধ্যাত্বিক হিসাবে গন্য করেছেন। আমি মনে করি এসব আয়াতকে হয় রুপক অথবা শ্রেফ প্রশ্নহীন বিশ্বাস দিয়ে মেনে নিতে হবে, যৌক্তিক আলোচনার অবকাশ নাই।
লেখক বলেছেন: ১.
আপনার প্রথম প্রশ্ন ছিলো বেহেশত গ্রহ কিনা ?
আমার উত্তর ছিলো বেহেশত গ্রহ।
আপনার পরের প্রশ্ন ছিলো এটা আমাদের আর্থ যেই ইউনিভার্সে আছে তার অন্তর্ভুক্ত কিনা ?
Extra Terrestrial বলতে আমাদের বর্তমান মহাবিশ্বকে ইংগিত করিনি। আমি বলেছি সেটা কি ধরনের গ্যালাক্সীতে থাকবে সেটা আমার বোধগম্য নয়। আপনি আমাকে বুঝতে ভুল করেছেন।
গ্যালাক্সীটা আমাদের বর্তমান ইউনিভার্সে থাকবে এই ডিসিশন আমি দেইনি।
২.
আপনি আবারো ভুল করলেন এই জায়গাতে।
আমি কিন্তু বলেছি বেহেশত হবে সুপার সায়েন্স পূর্ন গ্রহ।
আমাদের বর্তমান পৃথিবীর সবকিছু যেভাবে চলছে বেহেশতে সেভাবে চলবে বিষয়টা এখানেই নাকচ হয়ে যায়।
আপনি বললেন প্রাকৃতিক গ্রহ।
এই "প্রাকৃতিক" শব্দটা আপেক্ষিক।
আমরা আমাদের গ্রহের প্রকৃতিকে স্ট্যান্ডার্ড ধরে নিয়ে কথা বলি।
বেহেশত গ্রহের প্রকৃতি হবে সুপার সায়েন্স পূর্ন এটা আগেই বলেছি।
৩.
কুরআন নাজিল হয়েছে আরবে , বর্বর অশিক্ষিত মানুষের একটা এলাকায়। মুহাম্মদ (সাঃ) ছিলেন সুনিশ্চিত নিরক্ষর। উনি প্রচলিত যে বিজ্ঞান সাধনা- তাও করেননি আর্থিক দুরবস্থার কারনে।
এবং কুরআন নাযিলের সময় তাকে চরম প্রতিকূলতার ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছে মক্কার মুশরিকদের কারনে।
সুতরাং আপনার যুক্তিবাদী মন কি বলে ?
৪.
বিষয়টা আপনার নিজস্ব দৃষ্টিভংগী।
আপনাকে একটা ছোট ঘটনা বলি মুহাম্মাদ (সাঃ) এর।
একবার এক লোক বেহেশত সম্পর্কে মহানবী (সাঃ) এর কাছে জানতে চাইলো। নবীজি অনেক কথাই তাকে বললেন। ঐ ব্যক্তি তখন বললেন যে সে বেহেশতে হুক্কা খেতে পারবে কিনা বা ধূমপান করতে পারবে কিনা।
নবীজি (সাঃ) মুচকি হেসে বললেন ইচ্ছা মাত্রই পূরন হবে , তোমার বোধহয় বেহেশতের মত উত্তম স্থানে গিয়ে হুক্কা খেতে আর ইচ্ছা করবেনা যেটা পৃথিবীতে উত্তম কিছু মনে হচ্ছে।
আপনার কাছে বাংলাদেশের ওয়েদার নাইস মনে হচ্ছে কারন আপনি এখানেই বেড়ে উঠেছেন।
ইউরোপিয়ানদের কাছে হয়তো আরামদায়ক মনে হবেনা।
দৃষ্টিভংগীর পার্থক্য , চয়েসের পার্থক্যটা এভাবেই তৈরী হয়।
আপনার কাছে আপনার চেনা পৃথিবীর জিওলজীকাল প্যাটার্ন ভালোই মনে হচ্ছে , কারন আপনি এখানেই বেড়ে উঠেছেন।
কিন্তু উত্তমতা - অধমতার মাপজোখ কি এই আপেক্ষিক ভালো লাগাতেই থেমে যায় ?
৫.
আপনি পরবর্তী আয়াত গুলো লক্ষ্য করেননি বুঝলাম না।
অন্য আয়াত গুলোতে বেহেশতের টপ সারফেসেও ওয়াটার স্ট্রীম থাকার কথা বলা হয়েছে ।
মুসলিম দার্শনিক বৈজ্ঞানিক দের ব্যাপারে আপনার সাথে আমার জানায় পার্থক্য আছে । এই মূহুর্তে নো কমেন্ট।
আমি বিজ্ঞান বলতে বুঝি যা কিছু ঘটে মহাবিশ্বে সেটা একটা মেকানিকসের ভেতর দিয়ে ঘটে।
অলৌকিক মানে অলৌকিক নয় , লৌকিক মেকানিকসের চাইতে সুপার কোন মেকানিকস এ সেটা ঘটে , অল ক্রীয়েটরের ইচ্ছায় - ব্যাখ্যা ঠিক ই আছে। এগুলো নিয়ে ইনশাল্লাহ সামনে আলোচনা হবে।
ব্লগিং টা যে এত সিরিয়াসলী করবো বুঝতে পারিনি।
কান টানছি , মাথা আসছে। নতুন সব টপিক আসছে।
মোহাঃ তাওহীদুল হাসান বলেছেন:
পোস্টের জন্য + আপনার লেখা সহজ কিন্তু যেভাবে বোঝাতে চেয়েছেন তা সঠিক নয়। বিষয়টি এমন যা ব্যখ্যা করার মতো কোন কিছুই তুলনিয় নয়। আর এটা নিয়ে যত কথা বাড়বে ততই এর হাত পা গজাতে থাকবে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস বলেছেন:
ওরে বাবা , আলোচনাতো অনেকদুর এগোলো দেখছি।পারভেজ আলম কে দেয়া উত্তরটাও আপনি পোস্টে অ্যাটেনশন দিয়ে দিন।
উত্তরটা নিরেট হয়েছে। এরপর আর কথা বলার সুযোগ থাকেনা আমি মনে করি।ভবিষ্যতেও আপনার কাছ থেকে এই রকম পোস্ট আশা করি।
ভালো থাকবেন , শুভ কামনা।
লেখক বলেছেন: আপনিও ভালো থাকবেন , ধন্যবাদ
মানুষ বলেছেন:
বেহেস্তের কোর শীতল হলে সারফেস কতটা শীতল হবে সেটা আন্দাজ করা যায়। ঐ আবহাওয়া কতটা বসবাস উপযোগী সেটা নিয়ে সন্দেহ আছে। তাছাড়া বিজ্ঞান এবং কুরআন দুটোই পৃথিবী ধ্বংশের কথা বলে। আপনার বক্তব্য অনুসারে বেহেস্ত পৃথিবী টাইপ কোন গ্রহ হলে সেটারও নির্দিষ্ট জীবন সীমা থাকার কথা। সেক্ষেত্রে কুরআনে বর্ণিত অনন্ত অসীম জীবনের কথাটা মিথ্যা হয়ে যায়। উপরের কথাগুলো আপনার পোষ্টে একবার চোখ বুলানোর ফলে মাথায় আসল। আরও ভালভাবে পড়তে হবে পোষ্টটা।
লেখক বলেছেন: আপনি কমেন্ট নাম্বার ৭৭ এবং এর রিপ্লাই দেখুন।
আশা করি পরিষ্কার হবে বিষয়টা।
৭৬ এবং ওটার রিপ্লাইও দেখতে পারেন।
পোস্টে সব ক্লীয়ার হবেনা বলেই তো কমেন্ট অপশন।
এরপরও যদি ক্লীয়ার না হয় তাহলে ব্রড ডিসকাশনে যাবো।
লিটল বয় বলেছেন:
ভাইয়া আমি একটা পোস্টে আপনার প্রকৃতি আর ইন্টেলিজেন্স পোস্টটা দিয়েছি।এই পোস্টটাও কি দিবো ?
লেখক বলেছেন: কোন সমস্যা নেই , দিতে পারো
অলস ছেলে বলেছেন:
বিরাট চিন্তার বিষয় দেখতেছি।
লেখক বলেছেন: হাহাহা ,
নাস্তিকদের কে ইগনোর করেন "খাউজ" পোস্ট গুলোতে।
যুক্তিবাদী নাস্তিক হলে ঠিকই আলোচনা চলে , অনেক ক্ষেত্রে আধাআধি হ্যান্ড শেকও হয় , অধিকাংশই মৌলবাদী নাস্তিক ।
সো ইগনোর দেম।
আপনি আমার "প্রকৃতির কি ইন্টেলিজেন্স আছে ? "পোস্ট টা পড়সিলেন?
অধিকাংশ নাস্তিক ত্যানা প্যাচায়া এক শেষ করে ফেলসে।
অনেকবার ধরাও খেয়ে গেসে।
শেষে বলে আপনার মূল পোস্টের অপেক্ষায় থাকলাম।
দেখি , সিরিয়াস একটা পোস্ট থ্রো করবো নাস্তিকদের কে।
সাজিদ বলেছেন:
history channel a ekta documentary te dekheCilam nobi rasul ra asole Allien. Noah Arch zar kotha sob dhormei ache seta naki chilo ektdhoroner jatogoto suddhita. hoito keamoter din erokom onek space ship ashbe r prithibi theke bachai kora manushder ke ek ek ta groher malikna die dea hobe লেখক বলেছেন: সাজিদ ভাই ফানটাতে মজা পেলাম , পোস্ট কিন্তু সিরিয়াস।
শুভ ভাই আমাদের সময়ের একটা লিংক দিলেন।
সেখানে আরেক অফেন্ডিং জিয়া চলতেসে।
আমাকে বলতেসেন জবাব দিতে।
আর কত , বিএনপির পাবলিকেশন্স উইং এত দুর্বল কেন ?
আমার ডিওআই সিরিজ গুলো কি বিএনপির কেউ ছাপাতে পারেনা ?
পারভেজ আলম বলেছেন:
মহাবিশ্বের বাইরে কোন জগৎ আছে কি না, থাকলে কেমন সেই সম্বন্ধে আমাদের কোন ধারণা নাই। বিজ্ঞানীরা ইদানিং কিছু থিওরী দেয়ার চেষ্টা করছেন, যে মহাবিশ্বের বাইরেও আরো মহাবিশ্ব থাকতে পারে, সেইখানে আমাদের মহাবিশ্বের ফিসিক্সের সূত্রগুলা খাটবে কি না সেইটা আমরা জানি না। সেই ক্ষেত্রে মহাবিশ্বের বাইরের জগতের বিষয়ে আপনি যা খুশি ভাবতে পারেন, বেহেশত নামও দিতে পারেন, কোন সমস্যা নাই। কিন্তু, আমি আসলে এটাই বুঝলাম না, বেহেশতের অভ্যন্তরে পানির নহর থাকলে তা থেকে আমরা ঠিক কিভাবে এই সিদ্ধান্তে পৌছলাম যে পৃথিবীর অভ্যন্তর উত্যপ্ত? এটা যে কষ্টসাধ্য একটা প্রচেষ্টা সেটা কিন্তু আমি আগেই বলেছি। দেখেন, এটা তর্ক বিতর্কে জেতার বিষয় না, আমি এই আয়াতের যে ব্যাখ্যা দিয়েছি ৫ নম্বর পয়েন্টে সেইটা কিন্তু অনেক বেশি গ্রহনযোগ্য, ভালো মতো চিন্তা করে দেখেন। আরবরা কিন্তু বিষয়টাকে ঐভাবেই দেখতো। আর ৩ নম্বর পয়েন্টে কিন্তু আমি আপনাকে বললাম, কোরআন অবতির্ণ হওয়ার আগেই ভূগর্ভ যে একটা উত্তপ্ত যায়গা সেই জ্ঞান মানুষের ছিল।
আর সুপার সায়েন্স বলতে কি বুঝালেন আমি বুঝি নাই, আমি এইধরণের কোন টার্মের সাথে ঠিক পরিচিত না। আপনি নাকি প্রকৃতির ইন্টিলিজেন্স নিয়ে কি পোস্ট দিয়েছেন ওপরে দেখলাম। দেখে আসি।
লেখক বলেছেন:
দেখেন আমি একটা জায়গায় হতাশ।
পোস্টে অনেক কিছু স্কিপ করেছেন।
অনেক গুলো আয়াতে বেহেশতের টপ সারফেসে নদী থাকার কথা বলা হয়েছে। আপনি যেটা বললেন আরবে পানির স্কারসিটি একটা লজিক সেটর বিপরীতে বেহেশতের টপ সারফেসে নদী থাকাটাই প্রলোভন।


কেন বার বার (২৮ বার) বেহেশতের জিওলজীকাল প্যাটার্ন (কোর ইনসাইডে নদী থাকা) এর কথা আসছে কোরআনে ?
ইংগিতটা ভিন্ন।
আবারো বলতে হলো সেটা।
আর যেটা বললেন বেহেশতের জিওলজীকাল প্যাটার্নে কোর ইনসাইড নদী থাকলে পৃথিবীর কোর ইনসাইড কিভাবে গরম ধারনা করা যায় ?
সেই লজিক টাই তো পোস্টে দেখালাম।
আমার ধারনা ছিলো যুক্তিবাদীরা বলবে এই অ্যামেনিটির কথা বলা হয়েছে গরম জাহান্নামের বিপরীতে লোভ দেখানোর জন্য।
আপনি সেখানে আরবের পানির স্কারসিটির কথা বললেন।
সেক্ষেত্রে তো টপ সারফেসে নদী থাকাটাই স্বাভাবিক প্রলোভন।
আরব দের কাছে টপ সারফেসের নদী বেশী প্রয়োজন কোর ইনসাইড নদীর থেকে। কোর ইনসাইড নদী মানেতো এমন নয় যে ২০০ গজ নীচে , সেটা বেশ ডেপথেই (হান্ড্রেড বা কিলো কি.মি. রেন্জ্ঞে) থাকবে , এত নীচ থেকে পানি তোলার মত সাবমার্জিবল পাম্পের মত টেকনোলজী বর্বর আরবদের কাছে তখন ছিলো এটা আশা করি বলবেননা , যদি তারা কোন কষ্টসাধ্য কোন উপায় বের করে সেটা হবে খাজনার চেয়ে বাজনা বেশী । সুতরাং টপ সারফেসেই নদি দরকার তাদের পানির স্কারসিটির লজিক থেকে।
সুতরাং কোর ইনসাইড নদী থাকার ইন্ডিকেশনটা অন্য দিকে।
এবং সেটা কোন কিছুর সাথে তুলনার্থে।
তাহলে তুলনাটা কিসের সাথে হতে পারে ?
এমন কোন স্থান সেটার কোর ইনসাইডের অবস্থা বেহেশতের উল্টো!
পৃথিবীর কোর ইনসাইডের সাথে মিলিয়ে দেখুন ।
মিলে যায় ।
এবং কুরআনে অনেক পৃথিবীকে নগন্য করে বেহেশতকে উত্তম বলা হয়েছে ।
সুতরাং কোর ইনসাইড নদী থাকার ব্যাপার টা ম্যাচ করছে খাপে খাপে মিলে যাওয়ার মত করে।
এটাই আমার মেসেজ।
এখন আপনি যদি ভাবেন বেহেশতের কোর ইনসাইড নদী থাকার ব্যাপার টা কাকতালীয় ভাবে মিলে গেছে পৃথিবীর কোর ইনসাইডের হট কন্ডিশনের সাথে তাহলে , খাপ টা অন্য কোথাও বলে বিশ্বাস করেন যেখানে এটাকে আপনি মেলাতে চান তো সেটা ভিন্ন দৃষ্টিভংগী।
কিন্তু এটা অস্বীকার করার তো উপায় নেই বেহেশতের Comparision based একটি বৈশিষ্ট্য পৃথিবীর একই বৈশিষ্ট্যের সাথে সম্পূর্ন অপোসিট এবং কুরআনে অনেক বারা বেহেশত কে বেটার প্লেস , পৃথিবীকে ইগনোরেবল বলা হয়েছে।
সাজিদ বলেছেন:
samuTe niomito hobar por ekta valo hoise j paper khub kom pora hoi r bishesh kore uposompadoko type er lekha ekdom e na. khelar khobor dekhi r heading dekhi. r ekhon khomotai ache ja khusi ta likhche boche. blog eo dekhi oneke mamlar humki dei r o bout humki dei. sob sudhu dekhi BNP er kono wing e durbol thakbe na shudhu tareq rahman jodi thake daitte. uni sushtho hoe desh a back korle asha kori eshob thakbe na. r bnp er udarotar sujog oneke nieche. samne eshob kono udarota dekhano hobe na asha kori.
tomar prothom likha ta tareq rahman pore mone hoi
লেখক বলেছেন: এদের অ্যান্টি ইসলামিক দল বললে "গরম ভাতে বেড়াল বেজার"।
ধর্ম বই উঠিয়ে দেয়ার কথা বলছে , বায়তুল মোকাররম মসজিদ , ঈদগাহের আগে জাতীয় শব্দটা সাম্প্রদায়িক হয়ে গেসে হঠাৎ করে , নবীজি (সাঃ) কে ইনসাল্ট করে বানরের মত ভেংচি কাটাকাটি করছে : সব মুক্তমনা মহান।
তারপরও এরা অ্যান্টি ইসলামিক দল না।
এক মাঘে শীত যায়না , বাংলাদেশের সিরিয়াস কিছু ঘটবে আমার ধারনা।
আর্মি জানে বিডিআর রিভোল্ট কারা করাইসে।
হাসিনা কেন , আওয়ামী লীগের টপ লেয়ার যদি ১৫ আগস্টের মত ব্রাশ ফায়ারে কাটা পড়ে আমি মোটেও অবাক হবোনা।
বাংলাদেশ সিরিয়াস কোন সিচুয়েশেনর দিকে যাচ্ছে এটা শিওর।
লেখক বলেছেন: সাজিদ ভাই , তারেক রহমান কোথায় কি কমেন্ট করসেন লিংক দেন ? ![]()
লেখক বলেছেন: আপনি যেই পয়েন্ট অফ ভিউ্যতে চিন্তা করলেন আরো ২ কি ৩ জনও একই ভাবে চিন্তা করেছেন।
এটা মানুষ কোন তাপমাত্রা চায় সেটার বিষয় না।
এটা জিওলজীকাল প্যাটার্নের বিষয়।
একটা গ্রহের কোর ইনসাইড হট সাবটেন্স ,
আরেক টার কোর ইনসাইড নদী।
কোনটা বেটার ?
আপনার রূপা ভালো লাগতে পারে সোনার তুলনায় , কিন্তু মৌলের ধর্ম বিচার করে সোনা যে বেটার সেটাতো অস্বীকার্য নয়।
মানুষের কোন তাপমাত্রা চাই সেটা ফোকাস নয় :ফোকাস টা দেখুন:

পারভেজ আলম বলেছেন:
দাসত্ব, এইখানে সারফেসের নদীর বিষয়টা আমার কাছে আলোচনার জন্য প্রয়োজন মনে হয় নাই। আমি শুধু এইটাই বুঝাইতে চাইছিলাম যে কোরআনে মাটির নিচে পানি বলতে মোটেই ভূ অভ্যন্তেরের কথা বলা হইতাছেনা, যেই সারফেসে সাধারণভাবে পানি থাকে সেই সারফেসের কথাই বলা হইতাছে। আপনি যে "কোর ইনসাইড"এর কথা বললেন, কোরআনে কি বলছে যে, ঐ নদী পৃথিবীর কোর এ প্রবাহিত। বলা হইছে মাটির নিচে। আরবের লোকেরা শহর বসানোর জন্য হয় মরুদ্যান অথবা কুয়ার উপরে নির্ভর করতো। আপার আরবে বড় বড় হাতে গোনা কয়েকটা নদী ছিল আর মক্কা মদিনার লোওয়ার আরবে ছিলই না। মাটি খুইড়া কুয়া বানাইয়া সেই কুয়ার পানি বাইর করার নলেজ ঐ সময়ের ঐ অঞ্চলের মানুষের ছিল, এরজন্য সাবমার্জিবল পাম্পের দরকার হয় নাই।
লেখক বলেছেন: ১.
আপনার মন্তব্যগুলো যুক্তির বাইরে এলোমেলো মেন হচ্ছে।
প্রথমত আপনার ধারনা হয়েছে :
আরবের পানির স্কারসিটির বিষয়টা আমার হিসেবে রাখিনি- ভুল।
২য়ত,
জাহান্নামেরটা নিয়ে বেশী ত্যানা প্যাচানোর সম্ভাবনা থাকবে ভেবে সেটাকেই পোস্টে উল্লেখ করেছিলাম।
আপনি আমার কমেন্টগুলো পড়ছেননা , অথবা পড়লেও চোখ বুলানোর মত করে।
একজন মানুষকে যে পানির স্কারসিটির সমস্যায় ভুগছে পানির প্রলোভন দেখানোর জন্য টপ সারফেসে নদীর প্রলোভন দেখানোটাই যুক্তিবাদ।
কোরআন সেটা দেখিয়েছে।
ভালো কথা সেটা আরবের পানির স্কারসিটির লজিক থেকে লোভ দেখিয়েছে।
এর পর সর্বমোট ২৮ বার কোর ইনসাইড নদী থাকার কথা বলা হয়েছে।
নদী মানে খাল , নালা কিছুনা।
একটা নদীর উপর যদি বিশাল বিস্তীর্ন ভু এলাকা থাকে যেখানে মানুষ বসবাস করে , সেই নদীটা মাটির কতটুকু নীচে থাকবে (উপরের সেটা ভার নেয়া এবং ব্যালেন্স রক্ষা করার জন্য) সেটা জিওলজীর একজন ছাত্র বা সাধারন আইকিউর যে কেউ বুঝবে।
অতটুকু নীচে থাকলে সেটা যে কোর , বুঝতে আর বাকি থাকেনা।
আর অনেক বড় একটা ভুল করলেন- নদী থাকার বিষয়টা পৃথিবীতে না , বেহেশতে বলা হয়েছে।
গোড়াতেই অনেক বড় অমনোযোগী ভুল করলেন
এত নীচের এই নদী কূপ খননের জন্য কাজে লাগবে হাস্যকর , অবাস্তব।
আপনি আপনার কথাগুলোকে রিপিট করছেন , আমার বক্তব্যের ওয়ার্ড বাই ওয়ার্ড কোন রিপ্লাই আমি পাচ্ছিনা।
সবচেয়ে বড় কথা প্যারাডাইসে তাদেরকে পানির অভাবে ভুগতে হবে কেন যে কোর ইনসাইড নদীর লোভ দেখাতে হবে ?!!!।
পৃথিবীর পানি স্কারসিটি , জাহান্নামের উত্তপ্ততা যেকোন লজিক থেকেই টপ সারফেসে নদী থাকার বিষয়টা স্বাভাবিক ।
সেটাই কোরআন বলেছে।
সুতরাং পানির স্কারসিটির টপিক ঐ খানেই শেষ।
নতুন করে ২৮ বার কোর ইনসাইড নদী থাকার বিষয়টার ইংগিত অন্য দিকে।
পানির স্কারসিটির বিষয়ে ২ ধরনের লোভ দেখানো যেতে পারে।
১. টপ সারফেসে নদী
২. কোর ইনসাইড নদী।
কোন সন্দেহ নাই টপ সারফেসের নদীই মানুষের ১ম পছন্দ হবে।
কোর ইনসাইডের নদি থাকার লজিক ভিন্ন।
আমি এখানেই থামলাম।
এটা মোটেই কূপ খনেনের জন্য নদী হতে পারেনা।
নদীর উপর ভূ খন্ডে জনবসতি মানে এটা কতটুকু নীচে থাকতে হবে ভূ-পৃষ্ঠ থেকে এটা যদি আপনি না বুঝে থাকেন তাহলে আলোচনাটা ভুল দিকে যাচ্ছে।
পারভেজ আলম বলেছেন:
দেখেন ভাই, একটা কথা বলি, এখন আমার কথা আপনের পছন্দ হইবো না। মনে হইবো, বেশি বুঝি। কিন্তু শোনেন, একসময় আমি কোরআনে বিজ্ঞানের সন্ধানে বহুত খাটাখাটনি করছি। এই বিষয়ে আমার পূর্ণাঙ্গ আস্থা এবং বিশ্বাস ছিল। কোরআনে বিজ্ঞানের এমন অনেক বক্তব্য কষ্ট কইরা খুইড়া বাইর করছি যেইগুলা মরিস বুকাইলি, জাকির নায়েকও বাইর করতে পারে নাই। কিন্তু ভাই, আমি একতরফা পড়ি নাই, সেই সাথে যুক্তিবিদ্যা আর বিজ্ঞান নিয়াও পড়াশোনা করছি। ফলস্বরুপ, একসময় দেখছি কোরআনে বিজ্ঞান খোজা আসলে একধরণের অর্থহীন প্রচেষ্টা। অনেক সাধারণ জ্ঞানের বিষয়, যেইগুলা আগের দিনের মানুষ জানতো, সেইগুলারেই আমরা মনে করি কোরআনে প্রথম দেয়া জ্ঞান। জিনিসটা অনেকটা পিরামিড কে বানাইলো এত আগে, ক্যামনে বানাইলোর মতো। আবার কোরআনের যেইসব লাইন থেইকা আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে যোগসূত্র স্থাপন করা হয়, সেইগুলাও অনেক কষ্টসাধ্য। অথচ বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিগুলা চলে সরল পদ্ধতিতে, হাতে ৪/৫টা সিদ্ধান্ত থাকলে সবচেয়ে সহজ স্বাভাবিকটারেই গ্রহণ করা হয়। এই যে আপনের এই পোস্টেই দেখেন। যেইখানে মানুষ কোরআন অবতির্ণ হওয়ার আগে থেইকাই জানতো যে পৃথিবীর অভ্যন্তর উত্তপ্ত সেইখানে কিন্তু এই পোস্টের শানে নুযুল ২৬ নম্বর কমেন্টের অনুসিদ্ধান্তই মূল্যহীন হইয়া যায়।
আর আপনি আমার আগের ২ কমেন্টের কয়েকটা প্রশ্নের উত্তর দেন নাই।
লেখক বলেছেন: সুপার সায়েন্স বলতে আমি বুঝিয়েছি :
একটা ফোটন কনা সেকেন্ডে ৩ লাখ কিলোমিটার পাস করে , আল্লাহ চাইলে এটা ৩০ লাক কি.মি. করে দিতে পারেন।
পানির আপেক্ষিক তাপ ৪২০০ কি.জুল/ সেকেন্ড . কেজি।
আল্লাহ চাইলে এটা ৪২০০০ করে দিতে পারেন।
মৌলের সব প্রপার্টিতে উনি চেন্জ্ঞ নিয়ে আসতে পারেন।
পৃথিবীর "জি " ৯.৮ মি/ সেকেন্ড স্কয়ার।
আল্লাহ চাইলে এটা ০.০৯৮ হয়ে যাবে।
লেখক বলেছেন: কুরআনে বিজ্ঞান আছে কি নাই সেটাতো আমি ভাবছিনা।
তবে বিজ্ঞানের ভেতরেই কুরআন মাঝে মাঝে হঠাৎ অবিকল খুঁজে পাই।তখনই মনোযোগ দেই।
আপনি খুঁজে পাননি , হয়তো সেটা অ্যাংগেল অব ভিউ্যর কারনে।
ধরে নিন , একটা পাহাড় আছে আপনার সামনে।
এখন হয়তো ডানদিকে সরে সামনের কিছুর জন্য সেটা আর দেখবেননা।
বাকদিকে সরে গেলে সামনের কিছুর জন্য আংশিক দেখবেন।
না দেখা মানেই কি পাহাড়টার অস্তিত্ব নাই।
এটা লজিকাল মন্তব্য।
হয়তো হতে পারে এমন কোন আয়াত যেটার কোন সায়েন্টিফিক ইন্টারপ্রিটেশন নাই আপনি এইরকম কোন আয়াত স্টাডি করেছেন এবং স্বাভাবিকভাবেই সায়েন্স পাননি।
রিসেন্টলী কুরআনের একটা সায়েন্টিফিক আয়াতকে অফেন্ড করেছে একটা নাস্তিক সাইট সায়েন্টিফিকালী - সেটা নিয়ে আমার সব মনোযোগ দিচ্ছি।
আমার কোন ধারনা নেই কুরআনকে পুরো আতিপাতি করে খুজে শেষ করতে কত সময় লাগতে পারে।
হয়তো বুড়ো হয়ে মরেও যাবো - তাও পারবোনা।
আমি একটা একটা বিষয় নিয়ে আগাবো।
যত সময়ই লাগুক।
আর আপনি বার বার বলছেন মানুষ আগে থেকেই জানতো পৃথিবীর অভ্যন্তর ভাগ উত্তপ্ত - আমি আপনাকে যেটা বললাম ৭৭ এর ৩ নং এ সেটা তো আপনি স্বাভাবিক যুক্তিবাদ থেকেই বুঝলেননা।
যুক্তিবাদের কাছে আপনারটা গ্রহনযোগ্য নয়।
কেন নয় ?
কারন পাই (৩.১৪১৫৬.....) এটা প্রাচীন ভারতীয় গনিতবিদরাও জানতেন আবার মিশর রিজিওনে যারা গনিতচর্চা করতেন তারাও জানতেন।
তারমানে কি এই যে তারা একজন আরেকজনেরটা কপি করেছেন?
যার যার জানাটা স্বতন্ত্র।
আর প্রাচীনকালে পৃথিবীর অভ্যন্তর ভাগের অবস্থা সম্পর্কে কিছু ক্লপনা প্রসুত ধারনা আর ফার্ম তথ্য সমৃদ্ধ - দুটো এক বিষয় নয়।
জুলভার্নের মত লোকের কল্পনা শক্তি ফেল করে গেছে , যার রিসার্চ ধ্যান-জ্ঞানই ছিলো এসব বিষয় ,
গ্রীক- সুমেরিয়ান স্টোরী অর উপকথা যেখানে জুলভার্নের কাছে হালে পানি পায়নি বা তার কাছে পৌছায়নি ১৮৫০ সালে এসে ,
যেই লোক ফ্রেন্চ্ঞ অ্যাকাডেমীর পুরস্কার পাওয়া
সেখানে গ্রীক - সুমেরিয়ানদের স্টোরী (কতটুকু কল্পনা মিশ্রিত ?)
সেটা নিরক্ষর মুহাম্মদের কাছে পৌছে গেছে ?!!!!!!!!!!!!!!!
যেই মানুষ কিনা:
১. নিরক্ষর
২.মারামারি কাটাকাটির ভেতরে জন্ম নিয়ে তার কিনা ভুত্তত্ব নিয়ে মহা আগ্রহ!!!!!!!!!! তাও আবার একটা ক্লস ২৮ বার কোরআনে বলার মত ?!!!!!!!
৩. কোন চিপাচাপার দলিল দস্তাবেজে যদি লেখা থাকে গ্রীক - সুমেরিয়ান যেটা জুলভার্নের কাছে ১৮৫০ এ পৌছায় নাই সেটা একজন নিরক্ষরের কাছে পৌছে গেছে , তাও আবার তার পক্ষে রীতিমত সেইটার অনুবাদ পর্যন্ত পড়ে ফেলা সম্ভব হয়েছে ?!!!!!!!!
৪. বর্বর কোন আরব উনাকে পড়ে শুনিয়েছে এটা বলবেন ?
৫.যিনি চরম প্রতিকুল অবস্থার ভেতরে কাটিয়েছেন , যার অনুসারীরা চরম প্রতিকুল অবস্থার ভেতরে কাটিয়েছে সব কিছু মিলিয়ে আপনার যুক্তিবাদ কোথায় হারিয়ে যায় ?
এবার একটা কথা বলি :
১.
আপনি একবার বললেন আরবের পানির স্কারসিটির লজিক।
সেটার জবাব দেয়া হয়েছে।
নিরপেক্ষ অবস্থানের ব্লগাররা আমাদের ২ জনের বক্তব্য বিবেচনা করবে।
২.
আবার গ্রীক সুমেরিয়ানরা পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগের কথা জানতো বলে সেটাকে লজিক হিসেবে আনলেন।
গ্রিক - সুমেরিয়ানদের ঐটা কতটুকু কল্পনা প্রসুত ছিলো সেটার প্রতি আপনার কোন মনোযোগ দেখছিনা।
এমন কি এইসব চিপাচাপার দলিল ১৮৫০ জুলভার্নের কাছে পৌছায় নাই যে সেই যুগে কোন অখ্যাত লেখক ছিলোনা সেটাও আপনার মনোযোগ পায়নি।
মুহাম্মাদ (সাঃ) যেখানে আরবীই পড়তে পারতোনা সেখানে এই সব জটিল দুর্বোধ্য ভাষার অনুবাদ তার কাছে কিভাবে পৌছালো সেটা আপনার মনোযোগ পায়নি।
আপনার যুক্তিবাদ কোথায় গেলো ?
একজন লজিকাল মানুষ ২টা লজিক একসংগে কিভাবে ব্যবহার করতে পারেন যদি না কেবল বিরোধীতার খাতিরে বিরোধীতা হয় ?
বিষয়টা এমন হতে পারে :
এই লজিকে বিষয়টা খটকা বাধছে।
এখানে এটা পরিষ্কার হোক।
একসংগে আপনি আবার অন্যটাও চিন্তা করলেন।
রোমানরা যে জিতবে সুরা রোম এ বলে দেয়া হয়েছে ১ বছর আগে।
অথচ রোমানরা পারসিয়ানদের কাছে মার খেয়ে শেষ ।
এটার লজিক কি ?
রোমান সম্রাট হেরাক্লিয়াস মুহাম্মাদ (সাঃ) কে এক্সপ্লয়েট করিয়েছিলো তাকে দিয়ে কুরআনের নামে ভবিষ্যতবানী করানোর মাধ্যমে পারসিয়ানদেরকে মানসিক ভাবে ভয় পাওয়ানোর জন্য ! (আল্লাহ মাফ করুক)
ভালো কথা করিয়েছিলো ভবিষদ্বানী।
কাকে দিয়ে করিয়েছিলো ?
অখ্যাত একজন , যার খোঁজ তখনো ভালো করে কেউ জানেনা- এমন একজন।
চমৎকার , রোমান সম্রাট তার বিখ্যাত সব জোতিষীদেরকে বাদ দিয়ে অখ্যাত মুহাম্মদের কাছ থেকে ভবিষদ্বানি করাতে চেয়েছে।
এই হলো যুক্তিবাদ!
মুক্তমন , মুক্ত চিন্তা সবই ভুয়া হয়ে যায় এখানে।
যদি মহানবী (সাঃ) যদি বিখ্যাত কোন জোতিষী পরিবারে জন্ম নিতেন তখন বলতো মুহাম্মদতো জোতিষ পরিবারে জন্ম নিয়েছে।
সুরা রোমের ঐ আয়াত হচ্ছে ভাগ্য গননা , রোমান সম্রাটের কাছ থেকে সম্মানী পেয়ে ভাগ্য গননা করেছে।
বলতো না ঐ সব যুক্তিবাদীরা ? - কি বলেন পারভেজ আলম।
দেখেন কোরআনে আল্লাহ বলেছেন :
যখন কোন মেসেন্জ্ঞার পাঠাই তখন ওরা বলে তুমি যে নবী তার অলৌকিক প্রমান দেখাও। অলৌকিক প্রমান দেখালে বলে যাদু।
নবীজি নিরক্ষর , আর্থিক ভাবে চরম দুরবস্থা , বাবা - মা - দাদা - চাচা সব আশ্রয় হারানো একজন মানুষ : আল্লাহ তাকে বিতরকের উর্ধে রাখার জন্য এমনই এক অবস্থায় পতিত করেছেন।
এরপরও থেমে নেই।
কোরআন শরীফে বলা হয়েছে কিছু মানুষ বক্রতা অনুসন্ধান করে।
বক্রতা অনুসন্ধান করা আর উদারমন নিয়ে যুক্তিবাদীতা সমান নয়।
তাহলে অনেক বিখ্যাত নাস্তিকের ইসলাম গ্রহনের ঘটনা ঘটতো না।
পদ্মাচরের লাঠিয়াল বলেছেন:
স্রেফ পর্যবেক্ষণে। আপনার আগের পোস্টেই বলেছিলাম আপনার কন্টেন্টের ফ্রেম অফ রেফারেন্সে বিশাল ভারসাম্যহীনতা আছে। যেমন ধরুন জিয়োলজি পুরাটাই ভূতাত্ত্বিক, অর্থাৎ ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য, আবার মিথ বা এলাকাভিত্তিক বর্ণনা, জলবায়ুর বর্ণনা একান্তভাবেই সামাজিক, আর আপনার সুপার প্লানেট এর কনসেপ্ট সাইন্স ফিকশন বা সুডো সায়েন্স, নির্ভরযোগ্য কিছু না।আর স্ক্রিপচারে সায়েন্টিফিক এক্সপেডিশন নিয়া আর কি বলবোরে ভাই?
আপনি কি জেরার্ড পুইন এর নাম জানেন? জার্মান গবেষক। সবচেয়ে প্রাচীন কুরয়ানের কপির আবিষ্কারক? যে কুরয়ান নিয়ে রেফারেন্স দিচ্ছেন সেটা যে বহুলভাবে বিকৃত বা ঘষামাজা হয়েছে তা তিনি তার গবেষণা গ্রন্থে প্রমাণ করেছেন। এরপরেও আপনি যদি তাতে সায়েন্টিফিক প্রুফ খুজে পান তো বলবো হ্যাটস অফ। চালিয়ে যান। অন্তত এই পোস্টে আর কোনো কমেন্ট নয়।
আপনার সহনশীলতা ভালো লেগেছে। ভবিষৎতে সত্যিকারের কোনো আলোচনায়(ওই ইন্টিলিজেন্সের পোস্টের মত) আসার ইচ্ছা রাখি।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: শোনেনে ভাই , জেরার্ড পুইন যদি মোনালিসার আসল কপিও আবিষ্কার করে এখন আমার আগ্রহ নাই।
তসলিমা - রুশদীরা কোথায় পুরস্কার / ডক্টরেট পায় ,
ইসলামিক সাইটগুলোর কয়টার মালিক জিউসরা ,
ওয়াররাকের বাই কে ছাপায় সেটা সম্পর্কে এখন বাচ্চা পোলাপানও খোঁজখবর রাখে ইন্টারনেটের কল্যানে।
আপনি আপনার খোঁজ খবর চালিয়ে যান।
আর আপনার "কন্টেন্টের ফ্রেম অব রেফারেন্সের" ইন্টেলেকচুয়াল ফাপরবাজী আগের পোস্টেও পান্চ্ঞ করা হয়েছিলো।
আপনারা নাস্তিকরা যে কমান্ড ফ্রী থাকতে চান সেটা আপনার প্রত্যাদেশবাদী বিষয়ক মন্ত্যবে ধরা খেয়েছে।
এত অস্থির কেন ?
নাস্তিক মানে প্রচুর চিন্তা করেন।
কিন্তু অবস্থায় দেখা যায় এক কমেন্টে মহাবিশ্বের সব সব রহস্য উদ্ধার করে ফেলেন!!
পল্টনের জালিয়াতরাই যেখানে ২০০ বছরের পুরান দলিল আপনারে মালপানি খরচ করলে বানায়া দিতে পারবে সেখানে ঐসব জার্মান- ফার্মানের প্রাচীনতম কোরআন আবিষ্কারের গল্প সম্পর্কে মন্তব্য করতে গেলে শালিনতা ধরে রাখতে পারবোনা।
শুধু বললাম কোরআনের সব ইউরোপিয়ান ,আমেরিকান গবেষককে রেহাই দিলাম - চালায়া যাও , গভঃ এর টাকা হালাল করো।
হাজার হোক - এথিকস বলে একটা বিষয় আছে , কাজ যাইহোক , টাকা নিসো , কিছু একটা রেসাল্ট তো ফেরত দিবা।
রিফাত হোসেন বলেছেন:
প্লাব আর তুফান দাদা আসেন একটু চুমা দেই আপনাদের । আপনাদের তৈরী সংগঠনে জোর জবরদস্তিতে কেন লগইন করাচ্ছেন ।
আর নতুন মাছ পানিতে লাফায় ।
রিফাত হোসেন
পোস্ট করেছেন: ৬১৯টি মন্তব্য করেছেন: ৪৭৪৬টি মন্তব্য পেয়েছেন: ৪৯৭৯টি ব্লগ লিখেছেন: ৪ বছর ৬ মাস ব্লগটি মোট ৬৬০২৫ বার দেখা হয়েছে
আর প্লাব দাদুর
পোস্ট করেছেন: ১৬টি
মন্তব্য করেছেন: ১০৯টি
মন্তব্য পেয়েছেন: ৮২টি
ব্লগ লিখেছেন: ৬ মাস ১ সপ্তাহ
ব্লগটি মোট ১৬৫ বার দেখা হয়েছে
৬ মাসে ভাতকে বলে অন্ন । আর ব্লগ কে বলে বন্য !
আর তুফান সাহেব
পোস্ট করেছেন: ১১টি
মন্তব্য করেছেন: ৫২টি
মন্তব্য পেয়েছেন: ২৪টি
ব্লগ লিখেছেন: ১ বছর ১০ মাস
ব্লগটি মোট ৬৩ বার দেখা
বছর না ঘুরতেই একেক জনকে খেতাবে ভূষিত করতে চলছে । হেহেহ ব্লগীয় ছাগু কি জিনিস চিনলে তো আয়নাতে দেখত ।
মানুষ তো সবাইই হয় । মহানবী সা: সত্যিকারের মানুষ হতে শিক্ষা দিয়েছেন ।
ভোদাই মানুষ হতে নয় !
তাই তুই তোকারী কাফিররা না করলেও বেঈমানরা করে !
আল্লাহ আপনাদের দুই পন্ডিতকে হিদায়াত দান করুন ।
আমীন ।
শেলী বলেছেন:
আচ্ছা আমার আরেকটা প্রশ্ন আসল মনে। কোরআনে বলা হয় এটি ( বেহেশত) এমন একটি স্থান যার তলদেশে নদী প্রবাহিত ।এটার মানে কি হতে পারে,বেহেশতে কোনো মাটি থাকবেনা। বাড়ীগুলি থাকবে পানির উপর। আমি কিছু তফসীরে এমনই দেখেছি।
লেখক বলেছেন: ১.
কেন জানি অনেকেই অমনোযোগী হয়ে পড়েছেন পোস্টটা।
হয়তো শয়তানই মনোযোগ নষ্ট করে দিচ্ছে।
বেহেশত ফার্সী শব্দ। কুরআনে ব্যবহার হয়েছে "জান্নাত"।
এর অর্থ "বাগান / উদ্যান"।
বাগান কিভাবে পানির উপর হয়?
২.
শুরুতেই বলেছিলাম উল্টাপাল্টা সাহিত্যিক অনুবাদের কারনে অনেকের কাছে প্যারাডাইস "আলিফ লায়লা সিরিয়ালের ইনডোর সেট"।
যাদের তাফসীরের কথা বললেন তারাও এর ভেতরে অন্তর্ভুক্ত।
৩.
তারপর ও যদি আপনার সন্দেহ না যায় তাহলে আবার নতুন করে মনোযোগ দিন পোস্টে।
বেহেশতের টপ সারফেসেও নদী থাকবে।
ঐ আয়াতগুলো কি পড়েননি ?
পারভেজ আলমের সাথে আমার সেখানেই ব্যাটল অব লজিক।
তারমানে কি ?
বেহেশতে অবশ্যই ভূ-স্তর থাকবে।
উপরে শক্ত কিছু থাকলেই তো "তলদেশ" ব্যবহার হবে।
কিন্তু এটা কেন ভাবছেন সেই ভূস্তর হবে পৃথিবীর মাটির মত (পঁচা কাদা , কেচো , হাবিজাবি পূর্ন) ?
শফিউল আলম ইমন বলেছেন:
বিশ্লষণ ভালোই লেগেছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
জামিনদার বলেছেন:
প্রচেষ্টার প্রতি কৃতজ্ঞতা রইল।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
পারভেজ আলম বলেছেন:
দুঃখিত, আমি আসলে এই পোস্টের কথা ভুলেই গিয়েছিলাম, সাম্প্রতিক ব্লগের অন্যান্য কিছু কাহিনি এবং ব্যাক্তিগত ব্যাস্ততার কারণে। ১। আপনার ধারণা হয়েছে যে, আমি দাবি করেছি যে মুসলমানদের নবি গ্রিক, সুমেরিয়ান বা অন্যকোন রেফারেন্স থেকে পৃথিবীর অভ্যন্তর উত্তপ্ত এটা জেনেছেন। আসলে আমি এমন কোন দাবি করি নাই। আমি শুধু দাবি করেছি, "পৃথিবীর অভ্যন্তর উত্তপ্ত" এই ধারণা ৫৭০ খ্রিস্টাব্দে যদি কোন পুস্তকে পাওয়া যায় তাতে ঐ পুস্তকের আলাদা কোন মর্যাদা বা ঐ পুস্তকের সঠিকতা এবং অহিত্ব নিয়ে কোন প্রমান হাজির হয় না। যেই জিনিস মানুষ আগে থেকেই যানতো বা যেই ধারণা বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের মাথা থেকে বেরিয়েছে আগেই সেই ধারণা যদি পরবর্তি যুগের কোন পুস্তকে থাকে তবে সেটা কি কোন অভিনবত্ব বা উচ্চ মর্যাদার দাবি করতে পারে সেই ধারণা প্রকাশ করার জন্য? মুসলমানদের কাছে বিভিন্ন কারণে কোরআনের মর্যাদা এবং অভিনবত্ব প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু “পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগ উত্তপ্ত” এই জাতীয় কোন বক্তব্য যদি কোরআনে থাকতোও তাহলেও সেটা মর্যাদার পক্ষের কোন প্রমান হতো না। কারণ এই জ্ঞান মানুষ নিজেই নিজেই জেনেছে, ওহির মাধ্যমে জানতে হয় নাই।
আর আপনি কল্পনামিসৃত ধারণার কথা বলেছেন। অবশ্যই, আপনি ঠিক। প্রাচীন যুগের মানুষের জিওলোজিকাল ধারণায় যতটুকু সত্য থাকতো তাতে সত্যের সাথে কল্পনার মিস্রনই ছিল বেশি। এবং সেই ক্ষেত্রে যদি কোরআনে "পৃথিবীর অভ্যন্তার ভাগ উত্তপ্ত" "অথবা পৃথিবীর কোর ইনসাইডে লাভা প্রবাহিত" এই জাতীয় কোন আয়াত থাকতো তাহলে আসলেই সেটা বাড়তি গুরুত্বের দাবি রাখতো। কিন্তু, বাস্তবতয়া হচ্ছে, কোরআনে এই জাতীয় কোনা আয়াত নাই। গ্রিক রোমানদের তো তাও কল্পনা ম্রিসৃত ধারণা আছে, কোরআনে তাও নাই (মনে করবেন না যে এর মাধ্যমে আমি মনে করছি যে এর ফলে গ্রিক রোমান মিথ এর চেয়ে কোরআনের মর্যাদা কমে গেছে)। আপনি বরং বেহেশতের বর্ণনা থেকে একটা হাইপোথিসিস দিয়েছেন যে, "যেহেতু বেহেশতের অভ্যন্তরে পানি প্রবাহিত এই কথা বলা হয়েছে এবং বেহেশত পৃথিবী অপেক্ষা উন্নততর যায়গা এই থেকে আমরা এই সিদ্ধান্ত নিতে পারি যে কোরআনে উল্লেখ আছে পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগ উত্তপ্ত"। আপনার এই হাইপোথিসিসে অনেক যৌক্তিক সিমাবদ্ধতা আছে। সেইটা নিয়া পরবর্তি মন্তব্যে আসি।
২। আপনার কথা আমি বুঝি নাই এমন ধারণা করা ভুল হবে। ৭৭ এর ৩ এ আপনি কি বলেছেন সেইটা আমি বুঝেছি। মোহাম্মদের জীবন সম্পর্কে ধারণা আছে আমার। আর তা থেকে যা জানি তিনি কোন বিজ্ঞানী ছিলেন না। আপনি আগের মন্তব্যে এমন অনেক প্রসঙ্গ এনেছেন, যেগুলা এইখানে আলোচ্য বিষয় বহির্ভুত। তাই সেগুলো নিয়া আলোচনা করবো না, যেমন হেরাক্লিসের প্রসঙ্গ। আলোচনা ট্র্যাক হারানোর সম্ভাবনায় পরবে।
৩। "আপনার যুক্তিবাদ" বলে একটা শব্দ ব্যাবহার করেছেন। যুক্তিবাদ "আমার" না, আমি নিজেও নিজেকে "যুক্তিবাদী" মনে করি না। আমি যুক্তির প্রয়োগ করি। প্রতিটা মানুষই করে। এই প্রয়োগ তার জানার পরিধীর উপর নির্ভর করে। একটা মানুষ যত জানে তার যুক্তি প্রয়োগের পরিমান এবং ব্যাপ্তি তত বারে। আমি যতটুকু জানি অতটুকুই যুক্তি প্রয়োগ করি। আর "যুক্তিবাদ" না আমার আগ্রহের বিষয় "যুক্তিবিদ্যা"। যুক্তির সহজ প্রয়োগ আছে, যেটা প্রায় সবাই করে। কিন্তু বিশ্লেষনাত্বক জ্ঞান লাভের জন্য যুক্তির প্রয়োগ একটু কঠিন এবং ভিন্ন। এটা শিখতে হয়। একারণেই দর্শনে "যুক্তিবিদ্যা" শাখাটা আছে। আপনার আগের লেখাগুলো থেকেই দেখেছি আপনি একজন ন্যাচারাল তার্কিক, ন্যাচারালি যুক্তি প্রয়োগ করেন। কিন্তু, যেসব বিষয়ে আপনার পড়াশোনা এবং চর্চা কম সেসব বিষয়ে যুক্তির ভুল প্রয়োগ করেন। এই বিষয়টা উল্লেখ করতে চাই নাই আগের মন্তব্যগুলোতে, কারণ আপনি ভালোভাবে নাও নিতে পারেন। তাই, অন্যভাবে বোঝাতে চেয়েছি। আমি নিচের মন্তব্যে একেবারে যুক্তিবিদ্যার তাত্ত্বিক ব্যাবহার দিয়ে আপনার "হাইপোথিসিসের" সিমাবদ্ধতাগুলো দেখাবো।
লেখক বলেছেন: এই মন্তব্যটা স্রেফ পড়ার জন্য , পড়লাম , ৯৬ -৯৮ এ বাকীটা বলি
পারভেজ আলম বলেছেন:
তার আগে আরেকটা জিনিস, কোরআনের ঠিক কোন শব্দের ইংরেজি প্রতিশব্দ "কোর ইনসাইড" ধরেছেন? পৃথিবীর "কেন্দ্র" বা "কোর" এই জাতীয় শব্দ একেবারেই আধুনিক কালে ব্যাবহৃত শব্দ। কোরআন নাজিল হওয়ার কালে এই শব্দের কোন আরবি প্রতিশব্দ ছিল কি?
লেখক বলেছেন: কেউ যদি বলে আঙুলে ব্যথা হচ্ছে তাহলে এটার
সাহিত্যিক ইন্টারপ্রিটেশন : "আঙুলে ব্যথা হচ্ছে "
আর
মেডিকেল ইন্টারপ্রিটেশন : "ঐ আঙুলের মেটাকারপাল এবং ফ্যালান্জ্ঞেস গুলোতে সমস্যা হচ্ছে "
কোন ভুল পান ?
তারপরও আপনার কনফিউশন থাকলে অন্য উত্তর গুলোতে বাকীটা দুর হবে আশা করি
পারভেজ আলম বলেছেন:
আপনার হাইপোথিসিসের যৌক্তিক সীমাবদ্ধতাঃ বোঝার সুবিধার্থে চেষ্টা করবো যতটা সম্ভব দর্শন এবং যুক্তিবিদ্যায় একাডেমিকভাবে ব্যাবহৃত টার্মগুলো কম ব্যাবহার করতে।
এখানে আমাদের মূল কাজ হলো, "বেহেশতে মাটির নিচে (আপনার ভাষায় কোর ইনসাইডে) পানি প্রবাহমান" কোরআনের এ আয়াত থেকে কি সিদ্ধান্ত নেয়া যায় তা খুজে বের করা। দর্শন ও বিজ্ঞানে যুক্তি প্রয়োগের পদ্ধতি মুলত দুই টা, ইনডাকশন এবং ডিডাকশন। যদিও এই আয়াত ব্যাখ্যা করতে আমি ইনডাকশন ম্যাথড প্রয়োগেই আগ্রহী বেশি কিন্তু এরি মধ্যে আপনি এবং দুইটা পরস্পর বিপরীত ব্যাখা বা হাইপোথিসিস দিয়েছি। আর আমাদের দুইজনের ব্যাখ্যার বাইরেও গত ১৫০০ বছর ধরে এই আয়াত নিয়ে প্রচলিত ইসলামেরও একটা হাইপোথিসিস আছে, একাধিকও থাকতে পারে, আমার জানা নাই। সুতরাং, আমরা মোটামুটি ৩টা হাইপোথিসিস পেয়েছি। হাইপোথিসিস ৩টা নিন্মরুপ-
আপনার হাইপোথিসিসঃ
বেহেশতের কোর ইনসাইডে পানি প্রবাহিত এবং তা ঠান্ডা এবং যেহেতু পৃথিবীর তুলনায় বেহেশত উন্নত যায়গা সুতরাং পৃথিবীর ভূ অভ্যন্তরে বেহেশতের বিপরীত অবস্থান বিরাজ করবে সুতরাং পৃথিবীর অভ্যন্তর উত্তপ্ত। এই অনুসিদ্ধান্তে পৌছাতে আপনার যেই পূর্ব সিদ্ধান্ত গুলোর উপর নির্ভর করতে হয়েছে সেগুল হলো নিন্মরুপ-
১। বেহেশত একটি গ্রহ।
২। বেহেশত নামক গ্রহের অবস্থান এই মহাবিশ্বেরও বাইরে। এবং সেইখানে আমাদের পদার্থ বিজ্ঞানের কোন সূত্র খাটে না। আপনি একে বলেছেন "সুপার সায়েন্স"। যদিও এই জাতীয় কোন শব্দ বিজ্ঞানে ব্যাবহৃত হয় না, তাও আলোচনার খাতিরে মেনে নিলাম।
৩। বেহেশত পৃথিবী থেকে উন্নততর যায়গা (এইটা আপনার প্রথম 'কি' পয়েন্ট)।
৪। দুইটা উন্নত এবং অবনত স্থান বা বস্তুর মূল পার্থক্যই হচ্ছে বিপরীতমুখি বৈপরিত্য। (এইটা আপনার দ্বিতীয় 'কি' পয়েন্ট)
৫। বেহেশত নামক গ্রহের অভ্যন্তরভাগ উত্তপ্ত না, বরং ঠান্ডা। (যদিও আমি মনে করি, কোরআনে শ্রেফ মাটির নিচের কথা বলা হয়েছে, ভূ অভ্যন্তর বা কোর ইনসাইড জাতীয় কিছুর কথা বলা হয় নাই, তারপরও আলোচনার খাতিরে আপাতত আপনার কথা মেনে নিলাম"।
আপনার হাইপোথিসিসের প্রথম সীমাবদ্ধতা হচ্ছে, এই হাইপোথিসিস এমন কিছু বক্তব্যের উপর প্রতিষ্ঠিত যে বক্তব্যগুলো শুধুমাত্র বিশ্বাসএর উপর প্রতিষ্ঠিত, এগুলোকে যুক্তির মাধ্যমে আমরা এখনো ব্যাখ্যা করতে পারিনা। বেহেশত বলতে যে কিছু আছে সেইটাই একটা বিশ্বাস, মুসলমানদের এই বিশ্বাসের উৎস কোরআন। বেহেশত একটা গ্রহ, এটাও একটা অভিনব ধারণা। এই ধারণা আপনাকে দুইটা গোষ্টির কাছে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। ১- আলেম গোষ্টি, ২-বিজ্ঞানী গোষ্টি। বেহেশতকে ইসলামি ধর্মতত্ত্বে হয় একটা ভিন্ন জগত, অথবা বিকারহীন অসীমতার জগত, অথবা শ্রেফ লিটারালি কোরআনে যা আছে তাই এই তিনভাবে ব্যাখ্যা করা হয়। এই ধারণাগুলার সাথে আপনার গ্রহের ধারণা অনেক যায়গায় কনফ্লিক্ট করবে। তাই আগে আপনার এই ধারণাকে প্রতিষ্ঠিত করতে হবে। আর বিজ্ঞানীদের পক্ষে এই বক্তব্য গ্রহন করার কোন কারণই নাই। যদি এই গ্রহ মহাবিশ্বের ভেতরের কোন গ্রহ হতো তাহলে বিজ্ঞানীরা মাথা ঘামাতেন, নিদেন পক্ষে ফিসিক্সএর সূত্রের ভেতরে পরে এমন কিছু হলেও তারা মাথা ঘামাতেন। কিন্তু আপনার এই কল্পিত "বেহেশত" নামক গ্রহ তার "সুপার সায়েন্টিফিক" অবস্থানের কারণে আমাদের চিন্তা, যুক্তি, গনিত প্রয়োগের বাইরে চলে গেছে। শেষ পর্যন্ত তাই একে হয় "কল্পনা" বা "বিশ্বাস"ই বলা যায়। আপনার বোঝার সুবিধার্থে আরেকটু পরিস্কার করে বলি। জগতকে বুঝি আমরা দুইটা পদ্ধতিতে, গনিত আর আকারি যুক্তিবিদ্যা। আপনার হাইপোথিসিস এমন কিছু থিওরীর উপর প্রতিষ্ঠিত যেগুলো গনিত বা আকারি যুক্তিবিদ্যা দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না, তাই সেগুলোকে কল্পিত ধারণা বা বিশ্বাস না বলা ছাড়া উপায় নাই। এখন "পৃথিবীর অভ্যন্তরভাগ উত্তপ্ত" এটা একটা বাস্তব ঘটনা। গনিত, যুক্তিবিদ্যা এবং পরীক্ষা নিরিক্ষার মাধ্যমে আমরা পৃথিবীর উত্তপ্ত অভ্যন্তরভাগ সম্বন্ধে আমরা জানতে পারি এবং আলোচনা করতে পারি। আপনার হাইপোথিসিসের সবচেয়ে প্রথম সমস্যা হলো আপনি একটা বাস্তব ঘটনার সত্যতা সম্বন্ধে অবগত হওয়ার বা হওয়ানোর চেষ্টা করেছেন কল্পিত কিছু ধারণার উপর নির্ভর করে।
আপনার দ্বিতীয় সীমাবদ্ধতা হচ্ছে ভাষাগত সীমাবদ্ধতা। আপনি বারবার দাবি করছেন কোরআনে "কোর ইনসাইডে" পানি প্রবাহের কথা আছে। কিন্তু আরবি কোন শব্দকে আপনি কোর ইনসাইডএর প্রতিশব্দ হিসাবে নিলেন সেটা আগে আমাদের বোঝাতে হবে। কোরআনে যদি পৃথিবীর "কোর ইনসাইড" এই জাতীয় কোন শব্দ থাকে তবে সেটাই হবে বিশাল বড় একটা ঘটনা। কারণ কোরআন নাজিল হওয়ার সমসাময়িক কালে আরববাসীর ধারণা ছিল পৃথিবী সমতল। গোলাকার না হলে কোর ইনসাইডই থাকার কথা না। তাই কোরআনে যদি কোর ইনসাইড জাতীয় শব্দ থাকে সেইটাই বড় ঘটনা হবে আগে।
আপনার তৃতীয় সীমাবদ্ধতাটা সবচেয়ে বড় সীমাবদ্ধতা। যেই সীমাবদ্ধতাটার মূল যায়গা আপনার দুই "কি পয়েন্ট"- "বেহেশত পৃথিবী থেকে উন্নততর যায়গা" এবং "দুইটা উন্নত এবং অবনত স্থান বা বস্তুর মূল পার্থক্যই হচ্ছে বিপরীতমুখি বৈপরিত্য"। আপনি ধরেই নিয়েছেন যে একটা উন্নত আর একটা অবনত বস্তুর মূল পার্থক্য হচ্ছে এক্সক্লুসিভ বৈপরিত্ব। সেই হিসাবে বেহেশতের অভ্যন্তরভাগ ঠান্ডা হলে পৃথিবীর অভ্যন্তর গরম হবেই। আপনার সীমাবদ্ধতা হলো, বাস্তবে আমরা উন্নত এবং অবনত বলে যেই ধরণের ধারণা করি সেই ধরণের ধারণার আওতায় এইরকম এক্সক্লুসিভ বৈপরিত্ব কখনোই দেখা যায় না। এই ক্ষেত্রে আপনি বলতে পারেন, যে আসলে এইখানে অন্য উদাহরণ নিলে হবে না, শুধুমাত্র বেহেশতে এবং পৃথিবীর প্রশঙ্গ নিতে হবে। সেই হিসাবে "পৃথিবী এবং বেহেশতের বৈশিষ্ট্য সব ক্ষেত্রেই মিউচুয়ালী এক্সক্লুসিভ"। যদি তাই হয় তাহলেতো পৃথিবীর উপরিভাগে যেহেতু পানি প্রবাহিত হয় তার বিপরীতে বেহেশতের উপরিভাগে লাভা প্রবাহিত হওয়ার কথা এবং পৃথিবীর উপরিভাগের বিপরীতে বেহেশতের উপরিভাগ উত্তপ্ত হওয়ার কথা। কিন্তু বেহশত নিয়ে কোরআন বা হাদিসের বর্ণনায় এমন কিছু পাওয়া যায় না। বেহেশত পৃথিবীর চেয়ে উন্নত স্থান হওয়ায় এই দুই যায়গার বৈশিষ্ট মিউচুয়ালী এক্সক্লুসিভ হতেই হবে এই ধারণার পেছনে আসলে কোন যুক্তি নাই। আর তাই বেহেশতের অভ্যন্তর ঠান্ডা বলেই তা পৃথিবীর অভ্যন্তর গরম এইরকম নির্দেশ করে এই ধারণার পেছনেও আসলে কোন যৌক্তিক বাধ্যবাধকতা নাই। এইরকম যৌক্তিক বাধ্যবাধকতাহীন যুক্তি প্রয়োগকে যুক্তিবিদ্যার ভাষায় বলে "যৌক্তিক অনুপপত্তি"। আপনার পুরো হাইপোথিসিসেই কোন ইনডাকটিভ বা ডিটাকটিভ মেথড গ্রহন করা হয় নাই। এই হাইপোথিসিস কিছু যৌক্তিক ভাবে আলোচনা অসম্ভব এমন কিছু "ধারণা" বা "বিশ্বাস" এবং যুক্তি প্রয়োগের একটা ভুল পদ্ধতি "যৌক্তিক অনুপপত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত।
(আমার মন্তব্য শেষ হয় নাই, আমার হাইপোথিসিস এর যৌক্তিক সঠিকতা নিয়েও আলোচনা করা বাকি আছে, আর সবশেষে উপরে উল্লেখিত ৩টা ভিন্ন হাইপোথিসিসের ডিডাকশন করা বাকি আছে। কাজের ফাকে ফাকে মন্তব্য করছি। তাই খানিকটা দেরি হলেও হতে পারে। আশা করবো, আমার পুরো মন্তব্য শেষ হওয়ার পর আপনি উত্তর দেবেন)
লেখক বলেছেন: আপনার হাইপোথিসিসের আগে আমি একটা ছোট এক্সাম্পল দেই:
পিকাসোর ছবির মেসেজ কি সেটা আপনিও বুঝবেননা , আমিও বুঝবোনা।
আপনার হাইপোথিসিস হবে একরকম , লজিক থাকবে সেখানে।
আমার হাইপোথিসিস হবে আরেক রকম , লজিক থাকবে সেখানে।
একজন কনুইজার পেইন্টিং স্পেশালিস্ট ছবিটার আসল মেসেজ যে ধরতে পারবে তার হাইপোথিসিস হবে আরেক রকম , তবে তার টাই "হোয়াট হ্যাপেনড রিয়েলী"।
বাকীটা পড়ে বলছি।
লেখক বলেছেন: ১.
আপনার বলা ৫ নং পয়েন্টটা ৯৫ নং এর উত্তরে বলা হয়েছে।
আপনি বেহেশতে বিশ্বাস করেননা , কিন্তু আলোচনায় পার্টিসিপেট করেছেন- এটা কন্ট্রাডিকটরী।
২.
উন্নত - অবনত বলতে ... এটার উল্টো হবে ওখানে , ওখানকার উল্টো হবে এখানে..... - এটা একেবারেই কাঠশক্ত- যান্ত্রিক দৃষ্টিভংগী।
" ক " নামক ফল " খ " নামক ফলের চেয়ে উন্নত / বেটার মানে এই নয় যে " খ " তে যা যা আছে " ক " তে আছে তার উল্টোটা।
"ক" তে "খ" এর চেয়ে বেটার কিছু আছে।
আর উন্নত - অবনত এই বিষয়টা এসেছে কমপ্যারিসন বেসিস।
পৃথিবীতে যা যা দেয়া হয়েছে তার জন্য মানুষকে কৃতজ্ঞ থাকতে বলা হয়েছে কোরআনে।
তারমানে পৃথিবী খারাপ জায়গা নয়।
তবে এর অনেক চেয়ে বেটার হলো প্যারাডাইস ... প্যারাডাইসের একটা পয়েন্ট (জিওলজীকাল) প্যাটার্ন ... এটাই বলা হয়েছে।
পৃথিবীকে আমি কোন শিট প্লেস বলিনি।
আপনার এই পয়েন্ট টা খুব মোটাদাগের - কাঠশক্ত।
৩.
পৃথিবী যে গোলাকার সেটার হিন্টস কোরআনে আছে।
পৃথিবীর আহ্নিক গতির সুস্পষ্ট হিন্টস আছে।
আগেই বলে রাখি আমরা বলি কুরআনে বিজ্ঞান খুজে পাওয়া যায় , যায়না।" বিজ্ঞান "শব্দটা কবে থেকে ব্যবহার হচ্ছে ... পি মুন্সীর একটা পোস্ট আছে... আপনার বোধহয় কমেন্টও আছে সেখানে।
পারভেজ আলম বলেছেন:
আমার হাইপোথিসিসঃ এইটা আসলে আমার একার কিছু না, আরো অনেকেই বিষয়টা এভাবেই দেখেন। আমি আমার আগের মন্তব্য থেকে কপি পেস্ট করছি। আমাদের বাংলাদেশে যেমন মাটি খুড়লেই পানি বের হয়, আরব দুনিয়া এমন না। আরব ভূমিতে পানি খুব দুর্লভ। আমাদের দেশে যেখানে সেখানে প্রাণ ধারণের উপযোগী পরিবেশ থাকলেও আরবে তা নাই। অল্পকিছু মরুদ্যান আর বহু শ্রমে খুজে পাওয়া কুপের উপর নির্ভর করে সেখানে মানুষের বাসস্থান গড় উঠতো। পানির দখলের জন্য যুদ্ধও কম হয় নাই। মানুষ এবং পশুপালনের জন্য মাটি খুড়লেই পানি বের হয় এই ধরণের যায়গা তাই খুবি লোভনিয় ছিল প্রাচিন আরবদের কাছে। কোরআন আসার আগেও আরবের বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ এবং সাহিত্যে মাটির নিচে পানির নহর ওয়ালা দেশ, অর্থাৎ মাটি খুড়লেই পানি পাওয়া যায় এই ধরণের দেশকে খুব আকাঙ্খিত বলে গন্য করা হতো। উদাহরণস্বরুপ, তাওরাতের কথা বলা যায়। তাওরাতে "জেহভা" যাযাবর ইহুদিদের বারবার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি তাদের এমন এক দেশে নিয়ে যাবেন যেই দেশের মাটির নিচে পানির নহর আছে, সেই দেশ হলো ইসরায়েল।
আমার হাইপোথিসিস পুরোপুরি ইনডাকটিভ মেথড নির্ভর। অর্থাৎ অন্যান্য ধর্মগ্রন্থে এবং সাহিত্যে প্রচলিত ধারণার সাথে কোরআনের আয়াতের তুলনা করেছি। ইনডাকটিভ মেথডের পদ্ধতি হলো যদি আমরা ১০টা গরু দেখি এবং ১০টারই চারটা পা থাকে, তবে তা থেকে আমরা সিদ্ধান্তে পৌছাই যে গরুর পা ১০টা। যেহেতু আরব ভূখন্ডে পানির অভাব এবং তাদের বিভিন্ন সাহিত্য এবং ধর্মগ্রন্থে মাটির নিচে পানির নহর সংক্রান্ত দেশের প্রতি লোভ এবং আকাঙ্খার কথা বর্ণনা করা হয়েছে তাই আমি কোরআনের আয়াতটাও ইনডাকটিভ মেথডে ঐ বর্ণনাগুলোর অর্থের সাথেই নিয়েছি। খুবি সহজ ইনডাকটিভ পদ্ধতি অবলম্বন করেছি। ( একটু ভিন্ন কথাই]য় আসি, আপনি ওপরে একট মন্তব্যে বলেছেন যে যেই ভূভাগে মানুষ বসবাস করে তার অনেক নিচে নদী বা নালা হওয়ার কথা, এত নিচে যে মানুষ কূপ খনন করে সে পানির কাছে পৌছতে পারবেনা। আপনার এই ধারণাটাও একটা ভুল ধারণা। বাস্তবে পৃথিবীতে সারফেস নদীর চেয়ে মাটির নিচের নদীর সংখ্যাই বেশি, ইন্টারনেটে একটু সার্চ দিয়ে দেখতে পারেন। আর পৃথিবীতে এমন অনেক বসতিই আছে যার মাটির নিচে নদী বা নদীর শাখা প্রবাহিত আর এর মধ্যে অনেক নদীই খুব বেশি নিচ দিয়ে প্রবাহিত না এবং কূপ খননের মাধ্যমে সেই নদী থেকে পানি তুলছে মানুষ বহুকাল আগে থেকেই। মরুভূমি এবং পাহাড়ি এলাকার বেশিরভাগ নদীই মাটির নিচে প্রবাহিত এবং কূপের পানির মূল সোর্সই এইসব নদী।)
প্রচলিত হাইপোথিসিসঃ এই হাইপোথিসিস কোরআনের এই বক্তব্যকে লিটারালি নেয়, অর্থাৎ বেহেশতের মাটির নিচে পানি প্রবাহিত, শেষ, আর কিছু না। তবে মুসলিম দার্শনিকরা বেহেশত সম্বন্ধে কোন আলোচনাই শব্দগত অর্থে নিতে আগ্রহী নন, তাদের মতে এইসবই রুপক।
লেখক বলেছেন: আপনার হাইপোথিসিস আমি কাউন্ট করেছি আগের কমেন্টগুলোতে।
তবে আপনি আমার রিপ্লাইগুলো বোধহয় খুঁটিয়ে মনোযোগ দিয়ে পড়েন না।
নইলে কিছু বিষয় রিপিটেড হওয়ার কথা না।
যাইহোক :
আপনার হাইপোথিসিস থেকে বলছি:
আরবের পানির স্কারসিটির কারনে কুরআনে মানুষকে প্যারাডাইসে যথেষ্ট ওয়াটার রিসোর্সের লোভ দেখানো হয়েছে।
কিভাবে?
১. টপ সারফেসে নদী , ঝর্নাধারা... এটসেটরা।
২.কোর ইনসাইড নদী।
অবশ্যই টপ সারফেসের নদী সবচেয়ে পছন্দনীয় হবে পানি আকাংখী কারো জন্য।
কোর ইনসাইড নদী কেন হবেনা ?
সেটাকি নদী নাকি উত্তোলনযোগ্য গভীরতায় কোন ওয়াটার স্ট্রীম ?
গুগল ট্রান্সলেটরের স্ক্রীন শট দেখুন।
আমার নিজস্ব কোন অনুবাদ নয়।
এটা "নদী"।
একটা " নদী " (নদীয় প্রশস্ততা এখানে প্যারামিটার ) জিওলজীকাল লেয়ার গুলোর ব্যালেন্সিং মেকানিকস বিচার করলে কখনোই ১৪০০ পূর্বের মানুষের উত্তোলনযোগ্য গভীরতায় থাকবেনা।
এমন গভীরতায় থাকবে যেটাকে সায়েনটিফিকালী কোর বলা যায়
আমি আগেও বলেছিলাম ...৮৭ নং কমেন্টের রিপ্লাই এর শেষ অংশে ... আলোচনা বাড়াতে হলে এই বিষয়টা আপনাকে দেখতে হবে।
আপনি এড়িয়ে গেছেন।
কুরআনে স্পষ্টভাবে "নদী" বলা হয়েছে।
আপনার কাছে এটা কাকতালীয় মনে হতে পারে ,
মনে হতে পারে ওটা নদী না হয়ে অপেক্ষাকৃত অনেক সরু ওয়াটার স্ট্রীম ও হতে পারতো ।
কিন্তু "নদী" বলাটা আমার কাছে কাকতালী্য নয় , উদ্দেশ্যপূর্ন।
আপনি এখানে জোর করে আপনার ধারনা চাপাতে পারেননা।
গুগল ট্রান্সলেটর বলছে "নদী"।
সো নদী "উত্তোলনযোগ্য গভীরতায় " থাকবেনা।
এটা মেনে নিতে না পারলে আলোচনা বৃথা।
সুতরাং কোর ইনসাইড নদী থাকাটা পানির স্কারসিটির লজিক ইংগিত করেনা যেহেতু "নদী" উত্তোলন যোগ্য গভীরতায় থাকবেনা।
সেখানেই পয়েন্টটা আসে .... তাহলে কি ইংগিত করে ?
আমার অবস্থানটা আমি জানিয়েছি কি ইংগিত করে।
লেট ইট পাস টু নন-পারশিয়াল ব্লগ রীডার...
কার যুক্তিটা গ্রহনযোগ্য।
_________
মুসলিম দার্শনিকদের হাইপোথিসিস বিষয়ে আমি আগেই বলেছি ব্লগে।
"সাহিত্যিক অনুবাদ" .... আমি কাউকে ইগনোর করিনা।
তবে আমার চোখ যেভাবে দেখে সেভাবেই পারস্যু করে।
পারভেজ আলম বলেছেন:
কোরআন শরীফে বলা হয়েছে কিছু মানুষ বক্রতা অনুসন্ধান করে।
বক্রতা অনুসন্ধান করা আর উদারমন নিয়ে যুক্তিবাদীতা সমান নয়। আপনার এই কথা শতভাগ সমর্থন করার মাধ্যমে ওপরের হাইপোথিসিস গুলার ডিডাকশন সমাপ্ত করি। আপনার হাইপোথিসিস যে যৌক্তিক অনুপপত্তি এবং অনেকগুলো যৌক্তিক ভাবে আলোচনা অসম্ভব "ধারণা" বা "বিশ্বাসে"র উপর প্রতিষ্ঠিত তা আগেই বলেছি। অন্যদিকে আমার হাইপোথিসিস সহজ সরল ইনডাকটিভ মেথডের উপর প্রতিষ্ঠিত, পদ্ধতিগত কোন ভুল নাই। ইনডাকটিভ মেথডের দুর্বলতা একটাই, আর তা হলো, হঠাৎ করে যদি আমরা ৩ ঠ্যাংওয়ালা গরু পাই, তাহলে গরুর ঠ্যাং নিয়ে আমাদের সিদ্ধান্ত কি হবে। এই ক্ষেত্রে আপনার হাইপোথিসিসটা তিন ঠ্যাংওয়ালা গরু হতে পারতো। কিন্তু যৌক্তিক সিমাবদ্ধতার কারণে পারে নাই।
আর তুলনা করে দেখেন, কার যুক্তি প্রয়োগের পথ বক্র বেশি। আমারটা না আপনার টা।
লেখক বলেছেন: ৯৭ তেই শেষ হয়েছে...... আর কিছু বলার নেই।
লবঙ্গলতিকা বলেছেন:
এক কথায় চমৎকার!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
লবঙ্গলতিকা বলেছেন:
এক কথায় চমৎকার!
লেখক বলেছেন: হুমমম , থ্যাংকস জানানোর জন্য।
আপনার এই ইনফো টা বেশ কাজে লাগবে
পারভেজ আলম বলেছেন:
প্রথমত, লজিকাল হাইপোথিসিস আর শিল্প সমালোচনা এক জিনিস না। তা আপনার উদাহরণটা যৌক্তিক হয় নাই। একি বিষয় দুইজনের ভিন্ন ভিন্ন মত থাকতে পারে এবং এক মত আরেক মতকে পুরোপুরি অগ্রাহ্য নাও করতে পারে। কিন্তু আমি উপরে ধৈর্য্য সহকারে এবং সময় নিয়ে আপনার হাইপোথিসিসের দুর্বলতাগুলো দেখিয়েছি। দেখেন, আপনি অনেক পরিশ্রম করে এই পোস্ট দিয়েছেন। এর দুর্বলতাগুলো আপনি সহজে স্বিকার করতে চাইবেন না, সেটাই স্বাভাবিক। আপনার এই মনমানসিকতা জেনেই আমি এখানে আলোচনা করছি, তাই ধৈর্য্য ধরে আলোচনা করছি।১. আপনার বলা ৫ নং পয়েন্টটা ৯৫ নং এর উত্তরে বলা হয়েছে। আপনি বেহেশতে বিশ্বাস করেননা, কিন্তু আলোচনায় পার্টিসিপেট করেছেন- এটা কন্ট্রাডিকটরী।
আপনার এই কথাটায় আসলেই বিরক্ত হলাম। কোন কিছুর অস্তিত্বে বিশ্বাস না থাকলেও থিওরেটিকালী সেই জিনিস নিয়ে আলোচনা করা যাবে না এই ধারণা আপনার কিভাবে হলো? আর যেহেতু আমি বিশ্বাস না করলেও আপনি করেছেন, তাই আপনার বিশ্বাস আলোচনার খাতিরে শুরুতে মেনে নিয়ে তারপরে সেইটার যৌক্তিক ভ্যালিডিটি বিচার করা যায়। ধরে নেই, মনে করি, এই জাতীয় গানিতিক প্রয়োগ তো সেই স্কুল থেকেই আমরা করে আসছি।
২. উন্নত - অবনত বলতে ... এটার উল্টো হবে ওখানে , ওখানকার উল্টো হবে এখানে..... - এটা একেবারেই কাঠশক্ত- যান্ত্রিক দৃষ্টিভংগী।
এটা কি আমার যুক্তি? এটাতো আপনার যুক্তি। আপনার গোটা হাইপোথিসিসই তো দাঁড়িয়ে আছে এই যৌক্তিক অনুপপত্তি বা আপনার ভাষায় কাঠশক্ত-যান্ত্রিক দৃষ্টিভংগীর উপর। আপনি ধরেই নিয়েছেন যে বেহেশতের অভ্যন্তরে পানি প্রবাহিত হলে তা থেকে পৃথিবীর অভ্যন্তরে লাভা প্রবাহিত হচ্ছে এই রকম বিপরিত অবস্থা বোঝা যাবে।
লেখক বলেছেন: ১.
ওয়েল জানলাম কেন আপনি আলোচনায় পার্টিসিপেট করেছেন।
২.
আমি পরিশ্রম করে পোস্ট রেডী করেছি.. তাই এত সহজে মানছিনা ... ভুল , সম্পূর্ন ভুল।
আমার পরিস্কার লজিক আছে ... এমন নয় যে সেটা আলোচনায় বেরিয়ে আসছে , কথা বাড়ছে।
আমার লজিকটা বারবারই রিপিট হবে ... কারন আমি আমার লজিকটা নন-পার্শিয়াল ব্লগ রীডার দের জন্য রেখে যাবো।
সুতরাং বুঝতেই পারছেন... আমি উইথ এনাফ ডেলিবারেশন এবং লজিক- ক্রস লজিক এর কাটাকুটি করেই আমি পোস্ট দিয়েছি।
আমার পলিটিক্যাল হিস্ট্রীর পোস্টগুলোতেও আমার এই ধাঁচ টা পাবেন।
৩.
ঐ কাশক্ত যুক্তিটা আমার নয়।
আমি যেটা বলেছি পোস্টে সেটার স্ক্রীন শট আবরো দেখুন :

উন্নত - অবনত এই বিষয়টা এসেছে কমপ্যারিসন বেসিস।
পৃথিবীতে যা যা দেয়া হয়েছে তার জন্য মানুষকে কৃতজ্ঞ থাকতে বলা হয়েছে কোরআনে।
তারমানে পৃথিবী খারাপ জায়গা নয়।
তবে এর অনেক চেয়ে বেটার হলো প্যারাডাইস ... প্যারাডাইসের একটা পয়েন্ট (জিওলজীকাল) প্যাটার্ন ... এটাই বলা হয়েছে।
পৃথিবীকে আমি কোন শিট প্লেস বলিনি।
পারভেজ আলম বলেছেন:
পৃথিবীকে শিট প্লেস বলা নিয়া আমার কোন কথা নাই। আপনি নিজেই যেহেতু স্বিকার করেছেন যে উন্নত আর অবনতের মধ্যে মিউচিয়াল বৈপরিত্ব থাকতেই হবে এমন কোন বাধ্যবাধকতা নাই, সুতরাং আমি এই বিষয়ে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার কোন কারণ খুজে পাচ্ছি না। বেহেশতের অভ্যন্তর ঠান্ডা হলেই তা থেকে পৃথিবীর অভ্যন্তর উত্তপ্ত বলা হয়েছে, এই স্বিদ্ধান্তও তাই আপনার ভাষায় "কাঠশক্ত যান্ত্রিক যুক্তি"। ওপরে আপনি একটা মন্তব্যে নদী নিয়ে বেশ কিছু আলোচনা করেছেন। ঐ আলোচনার কিছু যায়গায় বিতর্ক করতে পারতাম, কিন্তু আমি আসলে কোরআনে কোথায় "কোর ইনসাইড" উল্লেখ আছে সেটা না জেনে এই বিষয়ে আলোচনা করতে চাচ্ছি না। আপনি এই বিষয়ে আগের এক মন্তব্যে "আঙ্গুলের ব্যাথা"র উদাহরণ দিয়েছেন, যা পুরোপুরি ভুল উদাহরণ। আঙ্গুলের ব্যাথার সাধারণ এবং মেডিকেল এই দুই ধরণের ইন্টারপ্রিটেশন থাকতেই পারে। কিন্তু "মাটির নিচে পানির নহর" এর জিওলোজিকাল ইন্টারপ্রিটেশনও থাকতে হবে এমনটা বললে শুধু কোরআন কেনো, অন্যান্য গ্রন্থের ব্যাপারেও আপনার একি কাজ করতে হবে। যেমন তাওরাতে যেখানে আছে এমন একটা দেশের(ইসরাইল) কথা, যেই দেশের মাটির নিচে পানির নহর প্রবাহিত, সেই আয়াতের জিওলজিকাল ইন্টারপ্রিটেশন কি আপনার কাছে হবে "তাওরাতে বলা আছে পৃথিবীর কোর ইনসাইডে পানি প্রবাহিত হচ্ছে যা থেকে ইহুদিরা পানি উত্তোলন করতে পারবেনা" এইরকম। অন্যান্য আরব সাহিত্যে এই জাতীয় যেসব লাইন আছে সেগুলারও কি আপনি এইভাবে ইন্টারপ্রিটেশন করবেন? না কি কোরআনের প্রতি আপনার পার্শিয়াল অবস্থান থাকাই শুধু কোরআনের ক্ষেত্রেই করবেন?
আরেকটা কথা, আপনাকে যথেষ্ট বুদ্ধিমান বলেই মনে হয়। আপনি আসলেই মনে করেন যে এই ব্লগে ইসলাম এবং কোরআন বিষয়ে নন পার্শিয়াল ব্লগ রিডার আছে? এটা খানিকটা হাস্যকর হয়ে গেলো। এই ব্লগের সংখ্যাগড়িষ্টই মুসলমান, তারা কখনোই এসব বিষয়ে নন পার্সিয়াল না। তবে অল্প কিছু নন পার্সিয়াল পেতে পারেন বিজ্ঞানমনস্ক, অজ্ঞেয়বাদী, নাস্তিকদের মধ্যে, তাও নিশ্চিত না যে পাবেন কি না। এখানে কোন বিচারক নাই, থাকার দরকারও নাই। যে যত মুক্তমন নিয়ে পুরো বিষয়টা চিন্তা করবে সে তত সহজে নিজের সীমাবদ্ধতা ধরতে পারবে।
আর, বিতর্ক করে আসলে অনেক কিছু জানা যায় ঠিক, কিন্তু স্বিদ্ধান্তে পৌছানো যায় কম। মোটামুটি ধাচের স্বিদ্ধান্তে পৌছানোর জন্য হলেও পড়ালেখা করা বাঞ্চনীয়। এই যেমন ধরেন, বেহেশত সম্বন্ধে কোরআন ছাড়াও অন্যান্য ধর্মগ্রন্থে কি আছে, বা বিভিন্ন মিথএ কি আছে পড়ে দেখতে পারেন।
লেখক বলেছেন: ১০৭ এ চেক করুন
ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস বলেছেন:
ওরে বাবা , আলোচনা এতদুর চলে এসেছে!@ দাসত্বঃ পারভেজ আলমের কথাটা ঠিক , ব্লগে আসলে নিরপেক্ষ ব্লগার নেই। যারা বিশ্বাসী তারা আপনার লজিককে শক্তিশালী ভাববে যেটা কমেন্টেও দেখা গেছে আমি নিজেও আপনার লজিককে গ্রহন করি , আমার মন বলছে আপনি সঠিক এবং খুবই গভীর একটা বিষয়ে হাত দিয়েছেন।
যারা অবিশ্বাসী তারাতো এখানে আলোচনাতেই আসবেনা। আসলেও আপনাকে ভুল প্রমান করার জন্যই আসবে। কারন তাতে তারা তাদের নাস্তিক বিশ্বাসে আত্নপ্রসাদ লাভ করবে। আবার পারভেজ আলম যেটা বলেছেন সেটা একটা লজিক বটে , আমিও ৭৯ তে একটা কমেন্ট করেছি , তবে আমারা ধারনা পারভেজ আলম দাসত্ব যেটা বললো নদী চওড়া কতটুকু হয় আর ব্যালন্স আর পানি তোলার মত সম্ভব গভীরতায় থাকবে কিনা সেদিকে মনোযোগ দিচ্ছেননা।
যাইহোক পারভেজ আলম আলোচনা করায় বরং ব্লগটা সমৃদ্ধ হলো। সবাই বিনাবাক্য ব্যয়ে মেনে নিলে সেটা ভালো হতোনা। এখন বরং দুজিনের লজিক বিচার করে মানুষ চিন্তা করবে। যে পারভেজ আলমকে মানবে সে শক্তভাবে মানবে , যে দাসত্বকে মানবে সে শক্তভাবে মানবে।
আমি দাসত্বকে মানবো , কারন পারভেজ আলম নদী চওড়া কতটুকু হয় আর ব্যালন্স আর পানি তোলার মত সম্ভব গভীরতায় থাকবে কিনা সেদিকে মনোযোগ দিচ্ছেননা।
পারভেজ আলম , আপনি অনেক জানেন ভাই। আমাকে আবার আপনার সাথে বিতর্কে টেনে আইনেনা ভাই কেন আপনারটা মানলাম না।
দাসত্ব - আপনাকে হ্যাটসঅফ ফর ধৈর্য। কেউ বলতে পারবেনা আপনি তালগাছবাদী। আপনার মত আস্তিকের সাথে কথা বলতে গেলে নাস্তিকদেরকে মুখ ভেংচানো স্বভাব বদলাতে হবে। চালিয়ে যান। সাথে আছি। আর আপনার ইন্টেলিজেন্স পোস্টটাতে কিছু বাজে মন্টব্য করেছে। ঐগুলি ডিলিট করেদেন। এত ভালো মানুষ হওয়ার দরকার নাই।
ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ব্রো
পারভেজ আলম বলেছেন:
ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস বলেছেন: আমি দাসত্বকে মানবো , কারন পারভেজ আলম নদী চওড়া কতটুকু হয় আর ব্যালন্স আর পানি তোলার মত সম্ভব গভীরতায় থাকবে কিনা সেদিকে মনোযোগ দিচ্ছেননা।পারভেজ আলম , আপনি অনেক জানেন ভাই। আমাকে আবার আপনার সাথে বিতর্কে টেনে আইনেনা ভাই কেন আপনারটা মানলাম না।
.............................................................................................
ফাস্ট এন্ড ফিউরিয়াস@ হাঃ হাঃ, আমি আপনাকে বিতর্কে টেনে আনছিনা, সুতরাং উত্তর দেয়ার দরকার নাই এই মন্তব্যের। আমি শুধু আমার অবস্থান পরিস্কার করছি। নদীর চওড়া আর গভীরতার বিষয়টা আমি একেবারে আমলে নেই নাই, কথাটা ঠিক না, আমার কিছু মন্তব্যে এবিষয়ে আলোচনা করেছি। তবে এবিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা আমার কাছে অপ্রয়োজনীয় মনে হয়েছে, কেননা দাসত্বের হাইপোথিসিসের মূল কি পয়েন্টই যৌক্তিক অনুপপত্তির দোষে দুষ্ট। আর দ্বিতীয়ত "মাটির নিচে পানির নহরকে" "কোর ইনসাইড দিয়ে প্রবাহিত নদী" বলাটা আমার কাছে সঠিক মনে হয় নাই, কেন মনে হয় নাই তাও আমি আমার আগের মন্তব্যটাতেই পরিস্কার করেছি।
ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস বলেছেন:
@ পারভজ আলম , কেন জানি মনে হচ্ছে দাসত্বই জিতবে। আপনার কথায় কি জানি একটা ভুল আমি পাইতেছি যুক্তির দিকে থেকেই। তবে ধরতে পারছিনা আমিও দেখি পন্ডিত হয়ে গেছি! কত বড় বড় কমেন্ট করি!
পারভেজ আলম বলেছেন:
না না, নদী বা নহর, এইটা মূল সমস্যা না আমার কাছে। মাটির নিচের ইন্টারপ্রিটেশন কেনো দাসত্বের কাছে কোর ইনসাইড হলো সেইটাই আমার প্রশ্ন। দাসত্ব আঙ্গুলের ব্যাথার উদাহরণ দিয়ে বোঝাতে গিয়েছে, আমি তাতে আপত্তি করেছি। কারণ সেই ক্ষেত্রে এই পদ্ধতি শুধু কোরআনের আয়াতের ক্ষেত্রে কেনো, অন্যান্য গ্রন্থের ক্ষেত্রেও তো করতে হবে। আর শুধু মাটির নিচের পানি কেন, যে কোন বইয়ের যে কোন লাইনকেইতো এইরকম নানা ধরণের ইন্টারপ্রিটেশন দেয়া যাবে। দিনশেষে তখন সেটা হয়ে যাবে দেরিদার ডি কনস্ট্রাকশনের চেয়েও বেশি জটিল এবং ওপেন এন্ডেড।
লেখক বলেছেন: ১.
আপনি ইন্টারপ্রিটেশনের বিষয়টা মেনে নিতে পারছেন না।
আপনার ধারনা আমি নিজের মত করে সায়েন্টিফিক ইন্টারপ্রিটেশন করেছি।
ভুল।
সাহিত্যিক অনুবাদ থেকে সায়েনটিফিক ইন্টারপ্রিটেশন চলে আসে।
কিভাবে ?
"নদী" .... সুস্পষ্ট ভাবে শব্দটা " নদী"... গুগল ট্রানসলেটর বলছে।
ওয়াটার স্ট্রীম শব্দটা ব্যবহার করে আমিই বরং ভুল করেছি , আপোষ করেছি।
"নদী" তার প্রশস্ততার প্যারামিটার অনুযায়ী জিওলজীকাল মেকানিসম অব ব্যালেন্স থেকে পানি উত্তোলনযোগ্য গভীরটায় থাকবেনা , যথেষ্ট গভীরতায় থাকবে।
যথেষ্ট গভীরতা সাহিত্যিক ইন্টারপ্রিটেশন , সায়েনটিফিকালী একটা ক্রিটিকাল ডেপথে থাকবে , যেটা কোর ইনসাইড অবশ্যই বলা যায়।
সুতরাং আমার মনমতো এই সায়েন্টিফিক ইন্টারপ্রিটেশন হয়নি।
"নদী" > যথেষ্ট গভীরতা > কোর ইনসাইড
আমরা সায়েনটিফিকালী বলি পৃথিবীর কোর , কিন্তু সাহিত্যিক ভাবে বলি "অতল গভীর বা পাতাল"!
লেখক বলেছেন: ২.
আপনি যে বিষয়টাকে ক্রুশাল ভাবছেন এবং যেভাবে ভেবেছেন :
এই পোস্ট পৃথিবী এবং বেহেশত কে নিজস্ব বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে 69 অবস্থানে দাড় করিয়ে সিদ্ধান্ত টেনেছে।
ভুল।
আপনার চোখ ইংরেজী গ্রামারের কিছু জায়গায় ধরতে পারেনি।
এটা শব্দ- বিপরীত শব্দের (synonym - antonym) হাইপোথিসিস নয়।
সুতরাং 69 ও নয়।
এটা ডিগ্রী (superlative- comparative) 'র হাইপোথিসিস।
আমি কি শব্দ ব্যবহার করেছি :
" কিছুর সাথে তুলনার্থে ( On the basis of Comparison ) .
উত্তমতা বা Betterness "
পৃথিবী অনেকভাবেই Good ,
তবে বেহেশত Better।
এইরকমই একটা পয়েন্ট অফ Betterness - জিওলজীকাল প্যাটার্ন।
পৃথিবীর জিওলজিকাল প্যাটার্ন খারাপ নয় , এটা পৃথিবীর জন্যই উপকারী (Good) প্রমানিত হয়েছে।
কিন্তু এরচেয়েও Better জিওলজীকাল প্যাটার্ন বেহেশতের।
এটাযে 69 নয় আশা করি বুঝতে পেরেছে।
ফাহিম আহমদ বলেছেন:
হুমম আগে পড়ে দেখি
লেখক বলেছেন: হুমম , পড়ুন ।
সবচেয়ে ভাল লাগছে লেখকের ঠান্ডা মাথার যুক্তিপুর্ণ জবাব গুলো....লেখাটা খুব একটা সোজা ভাষায় হয়েছে বলা যাবে না তবে যুক্তিপুর্ণ আলোচনা-সমালোচনা মিলে ভালই এগিয়েছে....
.....বিশাল ধন্যবাদ লেখককে আপনার ঠান্ডা মাথার যুক্তিপুর্ণ জবাব গুলোর জন্য....যা সহায়তা করেছে টপিকটিকে এগিয়ে নিতে।।।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ , পোস্ট আর আলোচান পুরোটা ধৈর্য নিয়ে পরার জন্য।
শেলী বলেছেন:
ভাই,সালাম
আমি আরেকটা আয়াতের দিকে আপনার দৃষ্টি আকর্ষন করছি। সুরা আনআমের ৬ নম্বর আয়াত। যেখানে আযাবের জন্য আল্লাহ "আনহার তাযরী মিন তাহতিহিম "ব্যবহার করেছেন। আমি যাষ্ট জানার জন্য এটা জিজ্ঞাসা করছি এক্ষেত্রে কি আলাদা কোনো মানে বুঝায়?
লেখক বলেছেন: হুমমম , সুক্ষ্ণ পার্থক্য :
এখানে "জান্নাতের তলদেশে নদী"
সুরা আনআমের ৬ নং আয়াতে যেটা আছে :
" আমি আকাশকে তাদের উপর অনবরত বৃষ্টি বর্ষণ করতে দিয়েছি এবং তাদের তলদেশে নদী সৃষ্টি করে দিয়েছি "
১ম ক্ষেত্রে স্থানের.. সেটা জিওলজিকাল প্যাটার্নের ইংগিত।
২য় তাদের ক্ষেত্রে... বোঝাই যায় অনবরত বৃষ্টির কারনে বিশাল একটা প্লাবন , যেটা বিস্তীর্ন এলাকাকে তলিয়ে ফেলেছে , নদীর আকার ধারন করেছে।
শেলী বলেছেন:
আপনি ঠিকই বলেছেন মনে হয়। ধন্যবাদ। আরো কোনো প্রশ্ন আসলে পরে বলব।
লেখক বলেছেন: অবশ্যই শেয়ার করবেন। আমি অনেক জানি বিষয়টা এমন নয়। তবে আলোচনাতে একেক জন একেকটা পয়েন্ট বললে "ইনহারেন্ট মীনিং " বের হয়ে যায়।
ধন্যবাদ
আবির্ভাব বলেছেন:
এই গ্রহে এখন গেলে কি হুরপরী পাওন যাইবো? তাইলে এক্ষনই স্পেশীপ ভাড়া কর্তাম। হুর দেইখ্যা পসন্দ হইলে নামাজ কালাম ধরুমনে।
আবালের পোস্টে এসলামিক মাইনাস।
ছোট মামা বলেছেন:
paper with out conclusion .
লেখক বলেছেন: আচ্ছা
লালু কসাই বলেছেন:
উরেব্বাপ্স! বহুত জ্ঞ্যান অর্জন হইল। যদিও এই ব্যপারে আমি নিজের বিশ্বাষের উপর ই থাকতে চাই তারপর ও আপনার এই পোষ্ট আমার জন্য কিছুটা ফলদায়ক হবে। নাস্তিকদের ভিতরেও সমজদার আছে পারভেজ আলম কে এই পোষ্টে কমেন্ট অরতে না দেখলে বিশ্বাষ করতাম না। শুধু ৯৬ পড়ে মনে হল উনি উনার লাইন থেকে বের হতে পারেন নি। বিঃদ্রঃ সাজিদ ভাই আপনি ঠিক ই বলেছেন তারেক রহমান আসলে এইসব সমস্যা থাকবেনা। উনি যদি ভবিষ্যতে সাবধান থাকেন আমি বিশ্বাষ করি উনি থাকবেন।কারন ১/১১ এর পরবর্তি অবস্থায় সবাই যেভাবে সাইড লইছিল তা থেকে শিক্ষা অবশ্যই উনি নিবেন। আর তাহলেই তিনি আমাদের নেতা হতে পারবেন।
আর দাসত্ব ভাই,আপ্নাকে কিছু বলার মত ভাষা আমার নাই।ইংরেজিতে অনেক কিছু বলতে ইচ্ছে করছে...১২ ক্লাশ যার লিমিট কিভাবে সে তা করবে? শুধু চাই বিএনপি তে আপনাদের মত কিছু লোক তৈরী হোক। ভাল থাকবেন !
লেখক বলেছেন: মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ ,আপনিও ভাল থাকবেন
িমবন বলেছেন:
Osadharon
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
কাকপাখি ২ বলেছেন:
তলদেশ--বলতে কোর বুঝলেন কেমনে?তলদেশ দিয়ে নহর প্রবাহিত বলতে আমি সাধারন ভাবে মনে করি, সারফেস দিয়ে প্রবাহিত।
আপনি এই ব্যাপারে কোন আলেমের সাথে কথা বলছেন? নাকি নিজে নিজে বুঝছেন?
পোষ্টের বিষয়বস্তু ইনটারেস্টিং, কিন্তু অক্ষরিক অনুবাদ নির্ভর।
যাই হোক, আপনের লেখা পইড়া আস্তিকদের বেহেশতে যাওয়ার আগ্রহ বাড়বে বইলা আমার ধারনা। কাজেই প্লাস।
লেখক বলেছেন: তলদেশ--বলতে কোর বুঝলেন কেমনে?
পারভেজ আলমের সাথে বাতচিত টা দেখসেন , উত্তর সেখানে পাবেন
লেখক বলেছেন:
তলদেশ দিয়ে নহর প্রবাহিত বলতে আমি সাধারন ভাবে মনে করি, সারফেস দিয়ে প্রবাহিত।
আপনি পোস্টের অনেককিছুই ভালোভাবে পরেন নাই।
জান্নাতের টপ সারফসে নদী থাকবে সেটা কি অন্য আয়াতগুলোতে পড়েন নাই ?
১১০ নাম্বার কমেন্টও দেখুন।
আলেম বলতে কি বোঝেন ?
যে নলেজ পারস্যু করে সেই আলেম।
আপনিও একজন আলেম স্কেল যাই হোক।
এস বাসার বলেছেন:
মানুসের মস্তিস্ক একটা জটিল জিনিস, যুক্তি যেহেতু মস্তিষ্কের বিভিন্ন জটিল ক্রিয়াকলাপের ফল এবং যুক্তির উপর ভিত্তি করেই আমরা বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেই , তাই কোন একটা নির্দিস্ট যুক্তি দিয়ে অন্যকে প্রভাবিত করা যায়, সেটা ভালো নাকি মন্দ তা পরের ব্যাপার, তবে করা যায়। বিজ্ঞানের অগ্রগতি যত হচ্ছে আমাদের চিন্তা, চেতনা এবং যুক্তিতে আমরা ততই পরিবর্তিত হচ্ছি। পুরনো ধ্যান -ধারনার বিপরীতে নতুন চিন্তার বিকাশ হচ্ছে।
আপনার পোষ্ট ভিন্নভাবে চিন্তার খোরাক জোগায় সন্দেহ নেই, তবে ইনসাইড স্টোরি বোধ হয় কোনদিনই শেষ হবেনা, শুধুমাত্র সেদিনই সব কিছু জানা যাবে যেদিন মৃত্যুর পর ও মানুস তার অনুভূতি ব্যাখ্যা করতে পারবে ( আমার লেখাটা আমার কাছেই পাগলামি মনে হচ্ছে , তবে বিজ্ঞান অনেক পাগলামিকেই বাস্তবে পরিনতি করেছে। )
লেখক বলেছেন: আপনার পোষ্ট ভিন্নভাবে চিন্তার খোরাক জোগায় সন্দেহ নেই, তবে ইনসাইড স্টোরি বোধ হয় কোনদিনই শেষ হবেনা, শুধুমাত্র সেদিনই সব কিছু জানা যাবে যেদিন মৃত্যুর পর
দেখা যাক
দুনিয়াদারীর কারণে ধর্ম, বিজ্ঞান এসব বিষয়ের সংশ্লিষ্টতা নিয়ে প্রয়োজনীয় সময় দিতে পারি না। তাই এই সংক্রান্ত আলোচনাই এখন জ্ঞ্যানার্জনে সহায়ক হয়। আপনাদের এই সব প্রয়াস আশা করি নাস্তিকদের অনেক দিক নির্দেশনা দিবে।
আমি একটা জিনিস বিশ্বাস করি, আমরা মানুষ চিন্তা করতে পারি অনেক সীমাবদ্ধ এক পরিসরে। সুতরাং আমরা আমাদের যুক্তিগুলোকেও এই সীমাবদ্ধ পরিসরেই প্রমাণ করতে চাই। ঠিক এই জায়গাটিতেই নাস্তিকরা আটকিয়ে গেছে এবং তারা আর বেরিয়ে আসতে পারছে না। বিজ্ঞান যতটুকু বলেছে এই মহাবিশ্ব সম্পর্কে, তাতেই কিন্তু বোঝা যায় আমাদের পরিসর কত ক্ষুদ্র এই বিশ্ব ব্রহ্মান্ডের সাপেক্ষে। সুতরাং এই সীমাবদ্ধ জ্ঞান আর যুক্তি নিয়ে যদি আমরা কোরাণে বর্ণিত জান্নাত, জাহান্নাম বা সাত আসমানের চাক্ষুস টাইপের ব্যাখ্যা আশা করি, তাহলে বিভ্রান্ত হওয়া ছাড়া আর কোন গতি আছে বলে মনে হয় না। নাস্তিকরা ঠিক সেই জায়গাটাতেই ধরা খেয়ে আছে। দোয়া করি আল্লাহ তাদের হেদায়েত দিক। আমাদের বিজ্ঞান শত বছরে হয়ত আরো এগুবে। কিন্তু আল্লাহ ও তার সৃষ্টি রহস্য পুরোপুরি উদঘাটন করে ফেলতে পারবে বলে আমার মনে হয় না!! তাহলে যে কোন অবস্থায় আল্লাহর উপর বিশ্বাস বা "ঈমান" এর যৌক্তিকতা কোথায়???
লেখক বলেছেন: মানুষ যেই সীমাবদ্ধতার ভেতরে সব কিছু খঁজে বের করে সেটাও আপেক্ষিকভাবে সীমাহীন।
নাস্তিকরা সেখানেই খেই হারিয়ে ফেলে।
সূর্য একদিন আলোহীন হয়ে যাবে , এটাই তো একটা জ্বলজ্যান্ত সীমাবদ্ধতা।
ধন্যবাদ
এস এম সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
বেশ ইন্টারেষ্টিং পোষ্ট, খুব কষ্ট করেছেন লেখাটা লিখবার জন্যে , তার জন্যে ধণ্যবাদ। মেজর জাহান আলী রচিত দুটো বই পড়েছিলাম " আল-কুরান দ্যা চ্যালেঞ্জ- মহাকাশ পর্ব"। সেখানে প্রকারান্তরে এমন কিছুর কথা বলা হয়েছে যতদূর মনে পড়ে।
আপনি আয়াত ধরে ধরে যেমন ভাবে বিশ্লেষণ দিয়েছেন , তেমন ভাবে জাহান সাহেব বর্ণনা করেননি।
সূর্য একদিন আলোহীন তথা প্রকারান্তরে মারা যাবে, এটা বিজ্ঞান-ই বলেছে।
বিজ্ঞান দিয়ে কুরআন কে যাচাই করা যদিও যথেষ্ট যৌক্তিক মনে হয় না আমার কাছে, বিজ্ঞান আজ যা বলবে , কাল সেটা বেমালুম ভুল বলতেই পারে [ এটা বিজ্ঞান এর সীমাবদ্ধতা না , এটা বিজ্ঞান এর সততা]।
বিজ্ঞান, কুরআন এর ব্যাখ্যা দেবার জন্যে ততটা প্রস্তুত হয়নি বলতে চাই, এখানে বরং অপেক্ষার প্রয়োজন আছে।
পোষ্টের লেখক যা বলতে চেয়েছেন , এটা আদৌ সত্য প্রমানিত হলে , বিজ্ঞান এর জন্যে নতুন চিন্তার একটা সম্ভাবনা তৈরী হয়ে যায় , তবে প্রমানটা করবে কে ? বিজ্ঞান? নাকি দর্শন? [ কুরআন ,বিজ্ঞান এর বৈজ্ঞানিক প্রমাণ এর জন্যে আদতেই অপেক্ষা করছেনা, কুরআন যা বলবার , তা আগেই বলে দিয়েছে]
নাকি আছে আরো কিছু?
লেখক কে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি, আশা করি আরো লিখবেন।
প্রিয় + +
লেখক বলেছেন: মেজর জাহান মিয়ার বইগুলো আমার কাছে ছিলো। দেশ ছাড়ার আগে সংগে নেয়া হয়নি। তাও প্রায় ৭/৮ বছর আগে শেষ পড়েছি বইগুলো।
সেখানে উনি এই রকম কিছু বলে ছিলেন কিনা মনে পড়েনা। আর আসলে বিজ্ঞানের কাছে অ্যাডভোকেসী চাইছিনা কুরআনের। পৃথিবীর জিওলজী যেটা পাওয়া গেছে সেটা পরিবর্তন হবার মত কিছু নয়।
এ বিষয়টা মীমাংসিত বলেই কুরআনের এই টপিকটা নিয়ে নাড়াচাড়া করলাম
নির্ণয় বলেছেন:
কুযুক্তির প্রগমনটা এরকম -
বেহেস্ত নামক গ্রহের কোরে আছে নদী >>> মূল লেখক ২৮ বার উল্লেখ করেছেন >>> অনুবাদকের মতে কোরে নদী থাকাটা একটা গুরুত্বপূর্ণ Amenity >>>> দুনিয়ার পেটের ভেতর অনেক তাপমাত্রা >>> অনুবাদকের মতে দুনিয়ার পেটের ভেতরকার এই অসহনীয় তীব্র তাপের বিপরীতেই বেহেস্ত নামক গ্রহের পেটে বেহেস্তবাসীর জন্য Amenity হিসেবে আছে নদী >>>> যেহেতু সেখানে Amenity হিসেবে নদী আছে সেহেতু দুনিয়ার পেটে যে নদী নেই বরং সেটা যে ৭২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস গরম তা মূল লেখক জানতেন ৬০০ সালেই।
১. পোস্ট থেকে আমরা এটা জানতে পারলাম যে বেহেস্তের তলায় নদী আছে। কতটা তলায় আছে? “সাইন্টিফিক অনুবাদ” থেকে জানা যায় পৃথিবীর যত গভীরে তাপমাত্রা ৭২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, বেহেস্ত নামের গ্রহের তেমনই গভীরে ওয়াটার স্ট্রিম, থুক্কু নদী বয়ে যাচ্ছে।
২. কেন বয়ে যাচ্ছে? এটা বোঝাবার জন্য যে দুনিয়ার পেটে যে কড়া গরম, বেহেস্তের পেটের মধ্যে ঠিক তেমনই ঠান্ডা আরামদায়ক! ইন্ডিয়ান আম না কিনে দেশি আম কেনার জন্য যে অনুপ্রেরণা আমের দোকানদার দেয় ঠিক তেমনই অনুপ্রেরণা দেয়া হয়েছে দুনিয়াকে বাদ দিয়ে বেহেস্তকে বেছে নেবার জন্য, অনুবাদকের ভাষ্য মতে।
৩. “সাইন্টিফিক অনুবাদের” সবচেয়ে কড়া জজবার দেখা মেলে একথায় যে, যেহেতু বেহেস্তের তলায় নদী এবং দুনিয়ার কোরের তাপমাত্রা ৭২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং যেহেতু দুনিয়ার চাইতে বেহেস্ত ভাল সেটা বোঝাবার চেষ্টা করা হয়েছে সেহেতু মূল লেখক জানতেন যে দুনিয়ার পেটে তাপমাত্রা ৭২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস, তাও সেটা ৬০০ সালে! “সাইন্টিফিক্যালি প্রমাণিত”!
মূল লেখেকের কৃতিত্ব থাক আর না থাক, অনুবাদকের “সাইন্টিফিক অনুবাদ” কে আমার সালাম!
৪. “তলদেশে নদী” কে “সাইন্টিফিক অনুবাদ” এর কিবোর্ড ধাক্কিয়ে একেবারে ঠেলে নিয়ে গিয়েছে গ্রহের কোরে! এত জোরে ঠেলা দেয়ার কি দরকার ছিলো? বেহেস্তবাসীদের কী বেহেস্ত নামক গ্রহের পেটের মধ্যে থাকা লাগবে? “তাদের সারফেসে থাকতে দেয়া হবে না, থাকতে দেয়া হবে কোরের ভেতর দিয়ে প্রবাহিত নদীর পাশে” - মূল লেখক কি এরকম কিছু লিখেছেন বা ইংগিত দিয়েছেন? যদি না দিয়ে থাকেন তাহলে কেন অনুবাদক(?) বেহেস্ত নামক গ্রহের(?) কোরে নদী উৎপন্ন করেছেন, মূল লেখকের দোহাই দিয়ে? তলদেশ মানে কত তলায়? একেবারে কোরে!
৫. না, বাসিন্দাদের সুবিধার জন্য নদীকে কোরে পাঠানো হয়নি। পাঠানো হয়েছে একারণে যে বেহেস্তের নদীকে যদি ঠেলে বেহেস্তের কোরে পাঠিয়ে দেয়া না যায় তাহলে পৃথিবীর কোরের সাথে তার তুলনা করে, কোরের নদীকে Amenity আখ্যা দেয়া যায়না। ফলে সেই Amenity (?) এর বিপরীতে দুনিয়ার পেটের তাপমাত্রা যে ৭২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস সে প্রসঙ্গ ধরে এগিয়ে গিয়ে বেহেস্ত বর্ণনাকারীর উপর এ জ্ঞান “সাইন্টিফিকালি” চাপিয়ে দেয়া যায়না যে, তিনি ৬০০ সালেই জানতেন দুনিয়ার পেট ৭২০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস গরম!
“কোর” ট্যাগের সাথে ম্যাচিং ছবি আর এক গাদা ইংরেজির ছড়াছড়ি কী কোন প্রভাব রাখতে পারে এমন অন্তঃসারশূণ্য ব্যাখ্যার প্রতিষ্ঠায়! একবারে “গাছের পাতা” ডায়লগটা দিয়ে দিলেই তো মিটে যায়। কেন খামখা এত সাইন্টিফিক অনুবাদের কষ্ট করা!
লেখক বলেছেন: অন্ধের মত হাত পা ছুড়লেন।
প্যারাডাইসে রেসিডেন্টরা প্যারাডাইসের কোরে থাকবে সেটা কি আমি বলেছি ?
আমি বলেছি কোরে নদী থাকলে সেটা সারফেসে যারা ইনহ্যাবিট করবে তাদের জন্য আরামদায়ক হবে । কারন পৃথিবীর কোর হট হওয়া সত্ত্বেও পৃথিবীর সারফেস আমাদের জীবন ধারনের জন্য মানানসই।
সেখানে প্যারাডাইসের কোরে যদি নদী থাকে তাহলে প্যারাডাইসের সারফেসে ইনহ্যাবিটেন্টদের জন্য এটা বেটার হবে ।
আপনি আসলে কি বুঝলেন ?
অন্ধের মত হাত পা ছুড়লেন।
যেটা আমি দাবী করিনি / বা বলিনি সেটা আমার উপর চাপিয়ে দিলেন !
রুদ্রপ্রতাপ বলেছেন:
Age pRi...
লেখক বলেছেন: আচ্ছা
নির্ণয় বলেছেন:
"প্যারাডাইসে রেসিডেন্টরা প্যারাডাইসের কোরে থাকবে সেটা কি আমি বলেছি ? ...যেটা আমি দাবী করিনি / বা বলিনি সেটা আমার উপর চাপিয়ে দিলেন !"এটাই যদি আপনার উত্তর হয়, তাহলে আমি খুশি। দয়া করে ভবিষতের পাঠকদের জন্য মন্তব্য দুটি রেখে দেবেন, মুছবেননা।
ভাল থাকুন।
লেখক বলেছেন: মুছবো কেন ?!!!!!!!
এটাতো ক্লারিফিকেশন।
তবে একটা বিষয় জানা প্রয়োজন : আপনি কি বিলিভার নাকি ননবিলিভার ?
মুরাদ-ইচছামানুষ বলেছেন:
ভাল লিখেছেন।খুব সহজভাবে আমের উদাহারন টা দিয়েই বুঝাতে পেরেছেন বলে আমি মনে করি।তবে আমি আপনার সাথে এ ব্যাপারে দ্বিমত পোষন করছি।একটা হাদিস শুনেছিলাম যে বেহেশত এমন যে তা কোন মানব মস্তিষ্ক কল্পনা করতে পারে না।পোস্টে প্লাস।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ , আসলে বেহেশত কে ভিসুয়ালাইজ করা হয়নি এই পোস্টে , জাস্ট একটা অ্যামেনিটি নিয়ে কিছু আলোচনা হয়েছে।
আকাশ_পাগলা বলেছেন:
আমি বলেছি কোরে নদী থাকলে সেটা সারফেসে যারা ইনহ্যাবিট করবে তাদের জন্য আরামদায়ক হবে । কারন পৃথিবীর কোর হট হওয়া সত্ত্বেও পৃথিবীর সারফেস আমাদের জীবন ধারনের জন্য মানানসই।হা হা হা
এইটা কী বললেন?
এত জ্ঞান এখানে এসে ত আটকে গেল।
কোরে নদী থাকলে গ্রহটা আরামদায়ক হবে? শিওর আপনি?
এখানে যুক্তিটা কী?
কোরে ৭২০০ সেলসিয়াস থাকলে সারফেসে তাপমাত্রা স্বাভাবিক।
কোরে নদী থাকলে সারফেসে তাপমাত্রা শূণ্যের চেয়েও নিচে।
তাই নয় কী?
লেখক বলেছেন: আপনিতো বেহেশতের সারফেসের থার্মাল কন্ডাক্টিভিটি নিয়ে আলোচনা শুরু করলেন !
বেহেশতের ম্যাটেরিয়াল পৃথিবীর মত হবে আগেই ভেবে নিলেন কেন ?
মাসুদুল হক বলেছেন:
মাফ করবেন, বেহেশতকে গ্রহের সাথে তুলনাটা আমি ঠিক মানতে পারলাম না ( হতে পারে বুঝতে পারি নি)। তবে পৃথিবীর কোর ৭২০০ সেলসিয়াস, আর সেখানে কোন গ্রহের কোরে নদী প্রবাহিত বা শীতল কোর--এটার মাধ্যমে তুলনা করলে সে গ্রহ আরামদায়ক হবে সেটা নিশ্চয়ই মীন করেন নি। বরঞ্চ উল্টা হয়ার কথা।তলদেশে নদী প্রবাহিত-এটা (আমার মতে) চমৎকার একটি দৃশ্যকল্প,সেটা কীরকম হবে সেটা নিয়ে মাথা ঘামানোর অর্থ আদৌ আছে কিনা জানি না। কারন সৃষ্টিকর্তা আল্লাহ তার বেহেশতের জগৎ কেমন করে বানাবেন তা অনুমান করা সম্ভব না, আজকে ইহজগতে আমরা যে সিস্টেমে আছি ( থারমোডিনামিক্সের সিস্টেম) পরকালে সে সিস্টেম থাকার তো কোন দরকার নেই। সেখানে ফিজিক্সের ল্য এর থাকার নিশ্চয়ই দরকার নেই। কোরআনের পরকাল সংক্রান্ত আয়াতের মধ্যে সায়েন্স খোঁজা তাই আমার কাছে অদরকারী মনে হয়।
যাই হোক, আপনার অনুসন্ধিৎসা ভালো লেগেছে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ , ভিন্ন মত থাকতেই পারে।
কিছু আবেশ বলেছেন:
শুরুতেই ধন্যবাদ দিতে চাইছি.............আপনার মূল পোষ্ট টা একবার পড়েই বিষয় বস্তু বুঝতে পেরেছি।খুবেই ভাল লেগেছে আপনার অনুসিন্ধ্যসু মনের ব্যাখ্যাটা কিংবা একটি অমিমাংসিত বিসয়ের জন্য একটি ধারনা খুজে বের করার সাহসিকতা দেখিয়েছেন।
মহান রাব্বুল আলামীন যেহেতু পবিত্র কোরানে পৃথীবি বাসীকে পৃথীবিকে অধিকতর ভাল না বেসে বরং পৃথীবিকে চাষ ক্ষেত্র বা বিচরনের স্থান মেনে নিয়ে জান্নাতের জন্য preparation নেওয়ার আহবান জানিয়েছে,তাই এটা খুব স্বাভাবিক যে জান্নাত পৃথীবির চাইতে অধিকতর উত্তম। এই আহবান টা সার্বজনীন কিন্তু বিশ্বাস শুধু আস্তিক দের।
to be honest জান্নাত নিয়ে তথাপি জান্নাতের অবস্থা ও অবস্থান কি রকম সেটি কখনো ভাবিনি শুধু জান্নাতের স্বরূপ টা জেনেছি তাও কোরআন এবং হাদিস থেকে।
আপনি জান্নাত কে তুলনা করেছেন best দিয়ে একটি গ্রহ হিসেবে যেহেতু পৃথীবি এর বাসিন্দা দের কাছে good, কারন আল্লাহ পৃথীবি বাসি কে পৃথীবির তুলনায় জান্নাতের জন্য আকাংখী হতে বলেছেন, লোভ শব্দ ব্যাবহার না করি।
সূরা আল-কারিয়ার ৫ নং আয়াতের ব্যাখ্যায় মারেপুল কুরান নামক বিখ্যাত তাফসিরে আছে যে নভোমন্ডল,ভুমন্ডল সহ এই বিশ্ব ব্রক্ষান্ডের(ব্যপক অর্থে) যেখানে যা কিচু আছে সব কিছু একে একে ধ্বংস হয়ে তুলার ন্যায় উরতে থাকবে।তাই বেহেসত নামক গ্রহের যে একটি ধারনা আপনি দিয়েছেন তা আমার কাছে চমকপ্রদ মনে হলেও যুক্তি যুক্ত মনে হচ্ছে না।আজ পুযন্ত যদিও কোন মুসলিম গুনী দার্শনিকগন এই নিয়ে কোন ধারনা দিতে পারেন নি , তাই বলে ভবিষ্যতে কারো পক্ষে কোন কিছু চিন্তা সম্ভব নয় তাও বলব না।
শেষতক,,,,,,,,,,,,,,,,,,আমি হয়ত তাদের দলেই থাকব, যারা আল্লাহর উপর বিষয় টির ফয়সালা ছেড়ে দিয়েছেন, কারন মহান আল্লাহ উত্তম ফয়সালা কারী।
হুম পরিশেষে, অনেক্ষন ধরে আপনার লেখা এবং কমেন্ট গুলো পরছি আর আমি হয়ত এতক্ষন আবোল তাবোল বকলাম, যা আপনার পোষ্টের সাথে সামন্জস্য নয়, এই রকম হলে সত্যি ক্ষমা চাই।
আর একটা না বলে পারছি না, ভাই প্লাব কে.......আপনি বলেছেন জিহাদ ফাসাদ মূর্খদের কাজ।আমি খুব লজ্জিত আপনি ৭ বছর মাদ্রাসায় পড়েও জিহাদ আর ফাসাদের মানে বুঝলেন না, সত্যি দু;খ জনক।জিহাদ ইসলামের জন্য একটি অপরিহায্য বিষয় কিয়ামত পুর্যন্ত, যদিও সার্থান্বেষী মহল ইদানিং জিহাদের ভুল ব্যাখ্যা দেয়।
লেখক বলেছেন: আসলে প্যারাডাইস একটা অ্যাবসোলিউট কনসার্ন।
আপনার মন্তব্য ঠিকই আছে।
আমি বিষয়টা নিয়ে অনুসন্ধিৎসু ছিলাম.... আমার অবস্থান জানিয়েছি।
এটা ইহলৌকিক জীবনে কোন ভাবেই যাচাই করা সম্ভব না।
তবে জাস্ট কীপ ইন মাইন্ড
কালা পাহাড় ২০০০ বলেছেন:
লেখার জন্য ধন্যবাদ। আমার লেখাগুলো দেখতে পারেন।আমাদের দেহে অবস্থিত মিরাকলসমূহ : চোখ
'বিশ্বাস'-এর সংক্ষিপ্ত কথা: প্রশ্ন ৮: ধর্ম ছাড়া নৈতিকতা হয় কিভাবে?
আপনি শিল্প বা আর্ট বোঝেন? হাজার হাজার বছর আগের মানুষরা বুঝত?
লেখক বলেছেন: আসছি
amhabib বলেছেন:
Foul post
লেখক বলেছেন: আচ্ছা
আপনার এই বিষয়ে আরও যে পোষ্ট দেওয়ার কথা সেটা কি দিয়েছেন? নাকি এখনও দেওয়া হয়নি।
লেখক বলেছেন: আসলে আমি সায়েন্সের কাসে কুরআনের পক্ষে অ্যাডভোকেসী মোটেই চাইছিনা...
একেবারেই কেয়ার করছিনা....... যে বিষয়গুলো কে তুলে আনলাম সেগুলো সেগুলো কনফার্ম প্রমানিত...... আর আমার পয়েন্ট অব ভিউ্যতে বিষয়টা সেভাবেই ধরা পড়েছে........ তাই সেটা ব্লগে শেয়ার করলাম........
তবে আপনার কনসাসনেসটাও অ্যাপ্রিশিয়েট করি.......
আর এই বিষয়ে আরো পোস্ট দেয়ার কথা বলেছিলাম...... এখনো দেইনি.....
ইনশাল্লাহ দেবো...... হয়তো আপনার চোখে পড়বেনা..... একটু দেরী হবে.....
ভালো থাকবেন.....
বিন্দু উদ্ভিদ বলেছেন:
যত সব অপবিজ্ঞান। এত জ্ঞান নিয়া বাঁইচ্যা আছেন কেমনে?
লেখক বলেছেন: ভিন্ন মতকে স্বাগত.....
শ্রাবন্য বলেছেন:
আপনার আগের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং লেখাগুলো পড়ে আপনার ভক্ত হয়েছি অনেক আগেই। এখন আপনি যাই লেখেন, ভালো লাগে কারন ভক্তি নিয়ে পড়ি।আপনার এ লেখাটার সাথে ভিন্ন মত থাকলেও তা নিজের ভিতরেই থাক। কারন একটাই, ভক্তি নিয়ে কিছু খেলে প্রচন্ড অখাদ্যও সুস্বাদু মনে হবে, আবার অভক্তির কারনে সুস্বাদু কিছুও অখ্যাদ্য মনে হতে পারে। ছোটবেলায় পড়া কোন একটা ইসলামী বইয়ের ভূমিকা পাতার কথা মনে আছে, যেখানে বইয়ের রচয়িতা বিশিষ্ট কোন ইসলামী চিন্তাবিদ ঘোষনা করেছিলেন যে, কেউ যদি প্রমান করতে পারে যে সূর্য পৃথিবীর চারদিকে ঘোরে না, তাহলে তিনি প্রমানদাতাকে ৫০ হাজার টাকা পুরষ্কার দিবেন। এখন কে উনাকে প্রমান করাতে যাবেন?
আপনি যখন কুরআন পরেন, আপনার অন্ধভক্তির জন্য নির্যাস যা পান, তাই অনেক বিশ্বাস্য আর আধুনা বিজ্ঞানের সমঞ্জস্য মনে হয়, হওয়া স্বাভাবিক। এ কারনেই যুগে যুগে সকল বিজ্ঞানের ব্যখ্যা কোরআর দিক আর নাই দিক, কোরআন পড়নেওয়ালারা ঠিকই দিতে পেরেছেন, এবং পারবেনও। এ জিনিসগুলো নিয়ে এখন আর বিভ্রান্ত হই না। আপনাকে একটা গল্প বলি, প্রায় সবাই এর উদাহরন পাবেন- স্কুল লাইফে আমার যে বন্ধুরা প্রেম করত, ওদের সাথে সিনেমা কিংবা টিভি দেখা ছিল চরম বিরক্তিকর কারন যাবতীয় প্রায় সব নায়িকার সাথেই তারা তাদের প্রিয়মানুষের সাদৃশ্য খুঁজে পেত, হোন তা চেহারা, চাল চলনে, হোক তা কথাবার্তায়। এখন বড় হয়েছি, কিন্তু সাদৃশ্য তত্বটা এখনও এরকই, আগে বুঝতাম শুধু ভীমরতিওয়ালারাই সদৃশ্য খোজাখুজিতে সীমাবদ্ধ, এখন দেখি বুড়ো-বুড়িরাও বাদ নেই, আমারও প্রিয়জনদের ব্যপারে মাঝেমধ্যেই এই ব্যপার হয়, তাইলে প্রিয়তার ক্ষেত্রে এটাই বাস্তব। বাস্তব হয়ত মরিচিকা, হয়ত সত্যি তবে এক্ষেত্রে সমমনাদের হাততালি আর বিপরীত মনাদের অট্টহাসি যে অপরিহার্য..এটা ভূক্তভোগী মাত্রই জানেন। আপনার অন্ধভক্তি আপনাকে জিতিয়ে দেয় না হারিয়ে দেয়, তা হয়ত পরকালে জানতে পারবেন। বিশেষ করে অনেকের কটুক্তির জবাবও আপনি যেরকম মিঠা ভাষায় দিয়েছেন, আমি আশা করি না শুধু, বিশ্বাস করি আপনি সেই তলদেশে শীতল নদী প্রবাহিত সুপারসাইন্সড গ্রহটিতেই আবাস গড়বেন। যদি তা না হয়, তবে আপনার অন্ধভক্তি আপনাকে হারিয়ে দেবে.....তবে তা অনেক দূরের কথা। কেউ কখনই জানতে পারবে না।
আমি খুবই অল্প জ্ঞান ধারন করি। একটা জিনিস স্পষ্ট না। জানাবেন কী কিয়ামত হবার পর হাসর কোথায় হবে। মানুষগুলো তাদের সমাধিস্থান থেকে রক্ত-মাংশের শরীরে ফিরে আসার পর নিশ্চই আকাশ পারি দিতে হবে না।
ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: আমি আসলে আমার পয়েন্ট অফ ভিউ্যটা দেখাতে চেয়েছি.....
বিষয়টা এমন নয় যে আমি নিশ্চয়তা দিচ্ছি....
বেহেশত যে মানবজ্ঞানের আওতায় কখনোই আসবেনা সেটা কোরআনেই বলা হয়েছে....
তবে আমার কাছে বিষয়টা ইন্টারেস্টিং মনে হলো , তাই ব্লগে জানালাম।
আর হাসর কোথায় হবে বললে আমি আমার পয়েন্ট অফ ভিউ্যতে বলবো.....
এবং সেটা হবে কন্টিনাম মেকানিকস নামের একটা বিশেষ সাবজেক্টের বেসিক দিয়ে যেটি আমি আমার প্রকৌশল শিক্ষার প্রয়োজনে পড়েছি.....
বিষয়টা এত সহজে সংক্ষেপে উত্তর দিতে পারলাম না।
পরে অন্য কোন এক পোস্টে আলোচনা করবো ইনশাল্লাহ.....
অনিক আহসান বলেছেন:
সমগ্র পোস্টে "সুপার সায়েন্স" জিনিসটাই সবচেয়ে দুর্বল দিক...।কারন মহাবিশ্বের যেখানেই যান না কেন বিজ্ঞানের শ্বাসত সূত্রগুলি সব জায়গায় এক থাকার কথা। যাই হোক এই পোস্ট আশাতীত সার্থক আর উপভোগ্য... বিশেষ করে পারভেজ আলম আর দাসত্ব যেভাবে মাথা ঠান্ডা রেখে পরস্পরের জবাব দিয়েছে... এক কথায় চমৎকার উদাহারন..।
লেখক বলেছেন: পোস্ট উপভোগ্য বলাতে আমিও ধন্য
বিপ্লব06 বলেছেন:
peace be upon you brotherthank you for your informative post.
may allah guide you to the straight path. don't worry about
them who wants to deviate you from that path. let's seek
refuge to allah about the devil.
লেখক বলেছেন: আপনার জন্যও আল্লাহর কাছে দোয়া রইলো।
অনেক ধন্যবাদ
আগডুম বাগডুম বলেছেন:
সুশীতল বেহেশ্তের কথা বারবার আসার একমাত্র কারণ, মুহাম্মদ আরব ছিলেন। মুহাম্মদ স্ক্যান্ডিনেভিয়ান হলে আমরা একটা ঊষ্ণ বেহেশ্তের কথা জানতে পারতাম যার তলা দিয়ে গরম পানির ধারা প্রবহমান।আপনার পরিশ্রম দেখে মায়া লাগলো। ভাল থাকবেন।
আশা করি, যে জানেন আমার জিজ্ঞাসা পূরণ করবেন।
"He, Who produces for you fire out of the green tree, when behold! You kindle therewith."
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন:
মনের এই অনুসন্ধিৎসাকেই কোরআন জাগ্রত করতে বলেছে। বারবার বলেছে এই গ্রন্থ তাদের জন্য যারা জ্ঞানী, যারা অনুসন্ধীৎসু.. ।
কিন্তু মধ্যবর্তী সময়ে আমাদের আলসেমী আমাদের আচার সর্বস্বতা, ধর্মের গ্লানিময় এক অধ্যায়ের জন্ম দিয়েছে। যার নিন্দায় কথিত নিন্দুকেরা পঞ্চমূখ।
আর সৃজনশীলতার ক্রমবিকাশমানতা রুদ্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রকৃত ইসলামের চর্চা গেছে শতাব্দি পিছিয়ে! প্রশাসনিক আর আত্মীকতার দ্বন্ধে ইলমে লাদুন্নী চলে গেছে আউট অব সাইট (অফ ট্র্যাকে) দুইয়ের আনুপাতিক মিশেলে আলোকিত উজ্জ্বল যেই সত্যালোকে তৃর্ষ্ণাত মানুষ প্রশান্তি পেতে ব্যাকুল তা রয়ে গেছে পাদপ্রদীপের বাইরে.. নিভূ নিভূ!
শুরু হোক নবযাত্রা সত্যালোকের সত্য উদ্ভোধনের।
বিশ্লেষনী, আবিস্কার মনস্ক, প্রকৃত সত্য ইসলামের পুনঃঅভিষেক হোক ভবিষ্যতের বিশ্ব শান্তি, উন্নতি আর অগ্রগতির পতাকা হাতে।
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...




















আর, বেহেশত কি কোন গ্রহ? এই মহাবিশ্বের ভেতরেই কি সেই গ্রহের স্থান?