আমার প্রিয় পোস্ট
- ১৯৭১ , জেড ফোর্সের মুক্তিযুদ্ধ : জিয়া-শাফায়াত-মইন-আমিনুলদের যুদ্ধ দিনের গল্প জানুন ছবি আর বর্ননায়........ - দাসত্ব
- সেয়ানা বিপ্লবী তাহের আর ৭ ই নভেম্বরের ছায়া নায়কদের অস্পষ্ট কায়া........... - দাসত্ব
- প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান : যার নিরেট দেশপ্রেমের স্বাক্ষী দেয় সিআইএ'র সিক্রেট টেলিগ্রাম ০৩২৫/০৯৫০Z.....এবং অনেক অজানা কথকতা....... - দাসত্ব
- মুক্তিযুদ্ধের সেই কিংবদন্তী গুলো : ইয়াহিয়া খানের সেক্স অর্গি , বোরকা পরা গেরিলা আর রাজাকারদের দ্বিচরিত্র - দাসত্ব
- DOI : বলধা গার্ডেনের মেসেজ , কন্ঠ কি মুজিবের ছিলো ? - দাসত্ব
- DOI : ২ টি মেসেজ , নাম মুজিবের , ব্যক্তিটি কে ? - দাসত্ব
- DOI : ২ টি টেলিফোন , রাত ১২-১.০০ টা , শেখ মুজিবের ট্রু লাইস : মার্চ ২৬ - দাসত্ব
- বেহেশত নামের গ্রহ , অদ্ভুত Amenity , কুরআন , Geology - দাসত্ব
- X Facts : UFO : Spy স্যাট আর জেমস ক্যামেরনের ফিল্মি মসলা - দাসত্ব
- বাংলাদেশ জিন্দাবাদ শ্লোগান ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ উচ্চারিত হয়েছিলো , রেসকোর্সের ময়দানে , এদেশেরই মানুষের বিজয়তপ্ত আওয়াজে....... - দাসত্ব
- অফেন্ডিং শেখ মুজিব-১ : ২৫ মার্চ , ১৯৭১ , টাইম ম্যাগাজিনের অদ্ভুত তথ্য - দাসত্ব
- AML থেকে AL , অসাম্প্রদায়িকতার কার্টেইন এবং পেছনের কাহিনী - দাসত্ব
- X Facts : মুজিব হত্যাঃ জিয়া , প্রচলিত কিছু বক্তব্য , চেপে রাখা না বলা তথ্য - দাসত্ব
১৯৭১ , জেড ফোর্সের মুক্তিযুদ্ধ : জিয়া-শাফায়াত-মইন-আমিনুলদের যুদ্ধ দিনের গল্প জানুন ছবি আর বর্ননায়........
১০ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১২:০৪

জেড ফোর্স
মুক্তিযুদ্ধের বিখ্যাত ১ম নিয়মিত পদাতিক ব্রিগেড
ব্রিগেড কমান্ডার মেজর জিয়াউর রহমানের নামের আদ্যাক্ষর জেড দিয়ে যেটি নামাংকিত.........
অমর বীরত্ব বিচ্ছুরিত আর আত্নত্যাগ মহিম যেই ফোর্সটির যুদ্ধনামচায় কালের অমোচনীয় কালিতে লেখা রয়েছে কামালপুর বিওপি ,বাহাদুরাবাদ ফেরিঘাট আর নকশী অভিযানের মত বিখ্যাত সব যুদ্ধের রোমাঞ্চগাথা.......
১৯৭১ রৌমারি মুক্তাঞ্চলের স্মৃতির দেরাজে যেই ফোর্সটি ঘুমিয়ে আছে......
চিলমারী, ছাতক , কোদালকাটি , বকশীগজ্ঞ , গোয়াইনঘাট , টেংরাটিলা , বড়লেখার সময় তটে ছাপচিহ্ন রেখে গেছে যে বাহিনীটির স্বাধীনতা ক্ষুধার্ত যোদ্ধারা.........
আসুন সেই যুদ্ধ নামচার পাতা ওল্টাই , স্মৃতির দেরাজ খুলে জাগিয়ে তুলি সেইসব ফেলে আসা দিনকে , জমে থাকা ধুলো সরিয়ে দেই যুদ্ধ ময়দানের সময় তটে............
১ম সপ্তাহ , জুন , ১৯৭১............
কলকাতায় প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের সিদ্ধান্ত হলো :
নিয়মিত পদাতিক একটি ব্রিগেড তৈরি করা হবে প্রতিরোধ যুদ্ধকে জোরদার করার জন্য.........
উদ্দেশ্য – হিট অ্যান্ড রান গেরিলা ট্যাকটিকসের বদলে সুসংহত নিয়মিত বাহিনীর মাধ্যমে পাকিস্তান সেনাবাহিনীকে সরাসরি যুদ্ধে মোকাবেলা করা........
আর সে লক্ষ্যেই মেজর জিয়াউর রহমান এর উপর ন্যস্ত করা হয় ব্রিগেডটির অধিনায়কত্ব......
জুন ১০ তারিখে বৃহত্তর চট্রগ্রামের ১নং সেক্টরের অধিনায়কত্ব ক্যাপ্টেন রফিকের হাতে দিয়ে জিয়া চলে আসেন বাংলাদেশ সীমান্তবর্তি ভারতের মেঘালয়ের গারো পাহাড়ের পাদদেশে ঘন গহীন জংগলে তেলঢালায়.......
চারদিকে ছোট ছোট পাহাড়ে ঘেরা সাপ , বাঘ আর বুনো শুয়োরের আস্তানা শ্বাপদ সংকুল এই জংগলটিতেই স্থাপিত হয়েছিলো জেড ফোর্সের হেডকোয়ার্টার....
জিয়ার সংগে ছিলেন ক্যাপ্টেন অলি আহমেদ এবং ক্যাপ্টেন সাদেক।
জিয়া আগে ভাগে চলে আসলেও রেখে এসেছিলেন তার ৮ম বেঙ্গল রেজিমেন্টের অনেক সৈনিককে......
কিছুদিনের মধ্যে মেজর এ জে এম আমিনুল হক চট্রগ্রামের রামগড় থেকে ৮ম বেঙ্গলের বাকি সব সৈন্যকে নিয়ে হাজির হন তেলঢালায়......
কাছাকাছি সময়ে জুন ২৫ এর আগেই ক্যাপ্টেন হাফিজ উদ্দিন আহমেদ (বর্তমানে ভোলা বিএনপির রাজনীতিবিদ) বনগাঁ থেকে ১ম বেঙ্গলকে নিয়ে যোগ দেন তেলঢালায়......
তবে তার আগে জুন ১৭ তারিখে মেজর শাফায়াত জামিল তার ৩য় বেঙ্গলের ১১০০ সৈন্য নিয়ে তেলঢালায় জেড ফোর্স হেড কোয়াটারে যোগ দেন ভারতের পশ্চিম দিনাজপুরের রায়গঞ্জ জংশন থেকে।
১৩ ই জুন কলকাতায় ৮ নং থিয়েটার রোর্ডে কর্নেল ওসমানীর সাথে দেখা করেন মেজর মইনুল হোসেন এবং ওসমানিকে অভিমত জানান যে সরাসরি সেট পিস যুদ্ধে যাওয়ার মত ট্রেইন্ড যোদ্ধা এবং পর্যাপ্ত যুদ্ধ উপকরণ এখন বেঙ্গল রেজিমেন্ট গুলোর কারো নেই.........
ওসমানি তার সংগে একমত হননি এবং জেড ফোর্স গঠনের সিদ্ধান্তে অনড় থাকেন।
ওসমানির নির্দেশ মোতাবেক মেজর মইন কলকাতা থেকে আসামের গৌহাটি হয়ে তেলঢালায় এসে যোগ দেন জেড ফোর্সে...
২০ জুন আনুষ্ঠানিক নিয়োগ সম্পন্ন হয় ব্রিগেড অধিনায়কত্বেরঃ
ব্রিগেড কমান্ডার মেজর জিয়াউর রহমান.........
১ম, ৩য় এবং ৮ম ই বেঙ্গল – এই ৩ টি রেজিমেন্টকে ইন্টেগ্রেট করেই গঠিত হয় মুক্তিযুদ্ধের বিখ্যাত প্রথম ব্রিগেড জেড ফোর্স...........
জেড ফোর্স অরগানোগ্রাম , ১৯৭১ বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ
২৫ শে জুনের মধ্যে জেড ফোর্স বাংলাদেশ সামরিক বাহিনীর ১ম পদাতিক ব্রিগেড হিসেবে সুসংগঠিত হয়।
৭ ই জুলাই প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষনা করে ১ম নিয়মিত পদাতিক বেংগল ব্রিগেডটিকে , সেপ্টেম্বরের শুরুতে যেটির নামকরন হয়"জেড ফোর্স"............
জুনের ২৫ তারিখ থেকেই শুরু হলো জেড ফোর্সের যুদ্ধ প্রশিক্ষন.....
জুলাই ২৮ তারিখ পর্যন্ত সেটি চলতে থাকে দুর্গম প্রতিকুল এক পরিবেশে যেমনটা জানা যায় ৩য় বেংগল সিও মেজর শাফায়াত জামিলের কাছ থেকে:
২৮ শে জুলাই পর্যন্ত তেলঢালায় সর্বাত্নক যুদ্ধের ট্রেনিং চলতে থাকে। প্রায় সারাদিন ট্রেনিং চলে। রাতে প্রচন্ড মশার কামড় আর শুয়োর , সাপ ইত্যাদির উৎপাতে জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলো আমাদের। বাংলাদেশের ভেতরে ঢোকার জন্য মনে মনে সবাই অস্থির হয়ে উঠছিলাম.......
১/ পাতা ৫৮
এ প্রসংগে ১ম বেংগল সিও মেজর মইন যেটি বলেছেন :
আমরা ছিলাম এক গহিন জংগলে যেখানে খাবার এবং রসদ সরবরাহ ছিলো অত্যন্ত দুরূহ। আমাদের অব্স্থান থেকে সবচাইতে নিকটবর্তী শহর ছিলো 'তুরা' যার দুরত্ব ছিলো প্রায় ৩০ কিলোমিটার।নিকটবর্তী গ্রামান্চ্ঞল ছিলো আমাদের খাদ্যক্রয়ের স্থান।অন্যান্য রসদপত্র ও সামগ্রী তুরা শহর থেকে সংগ্রহ করা হতো। এই অন্চ্ঞলে ভারতীয় 101 Communication Zone কমান্ড করতেন মেজর জেনারেল গুলবত সিং গিল................... সমস্ত বাধা বিপত্তির মধ্যেও গারো পাহাড়ে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে আমরা প্রশিক্ষন পূর্ন উদ্যমে চালিয়ে যাচ্ছিলাম।
২/পাতা ১৬৭
প্রসংগত জানাতে হয় : তেলঢালার দুর্গম পরিবেশে যে প্রতিকুলতা আর অসহনীয়তা মোকাবেলা করতে হয়েছে জেড ফোর্সকে তার কানাকড়িও সইতে হয়নি ত্রিপুরার মেলাঘরে অবস্থানরত খালেদ মোশাররফের নেতৃত্বাধীন মুক্তিযোদ্ধা ট্রেনিং ক্যাম্পটিকে...........
এমনকি অধিকাংশ সেক্টর কমান্ডারদের হেড কোয়ার্টার ছিলো সীমান্তবর্তি শহর গুলোতে.........
গুগল ম্যাপসে গিয়েই দেখে আসতে পারেন গারো পাহাড়টিকে :
ডানদিকের স্যাটেলাইট অপশনটিতে ক্লিক করুন
জায়গাটি এখনো আগের মতই দুর্গম রয়ে গেছে
যাইহোক , এবার যুদ্ধের গল্পে ফিরি.........
২৮ শে জুলাই ট্রেনিং শেষ হওয়ার পর জিয়া সিদ্ধান্ত নিলেন ৩ টি বিপদজনক অপারেশনের যার প্রতিটি ছিলো স্ট্রাটেজিকালী সর্বোচ্চ গুরুত্বপূর্ন ৩ টি পজিশনে.........
যে যুদ্ধ গুলোর প্রতিটিতে ডাই হার্ড স্ট্যামিনা আর ডু অর ডাই আত্নপ্রতিজ্ঞার পরিচয় দিতে হয়েছিলো জেড ফোর্স যোদ্ধাদের..........
১ম টি ছিলো কামালপুর যুদ্ধ...........................
জুলাইয়ের ৩য় সপ্তাহে ১ম বেংগল ব্যাটালিয়ন কমান্ডার মেজর মইনুল হোসেন কে জিয়াউর রহমান জানালেন কামালপুর বিওপি তে হিট করতে হবে। মেজর মইন রাজী ছিলেননা। তার মতে কামালপুরের মত যথেষ্ট শক্তিশালী পাকিস্তানী ঘাটিতে সেটপিস যুদ্ধের মাধ্যমে আক্রমন করার সক্ষমতা জেড ফোর্সের নেই বা তার ব্যাটালিয়নের নেই।মেজর মইনের প্ল্যান ছিলো হিট অ্যান্ড রান গেরিলা পদ্ধতিতে পাকিস্তান ফোর্সকে দুর্বল এবং নাজেহাল করা।
কিন্তু জিয়া সিদ্ধান্ত পাল্টালেননা। এর মূল কারন হাইকমান্ডের নির্দেশ এবং ঘাঁটিটির স্ট্রাটেজিক গুরুত্ব।
মূলত জামালপুর , টাংগাইল এবং ঢাকার সংযোগ সড়কটির উপর ছিলো কামালপুর বিওপি.........
তাই ঢাকা অভিমুখে অগ্রসর হতে হলে কামালপুর বিওপি অবশ্যই দখল করতে হবে। কামালপুর বর্ডার আউটপোস্টটির অবস্থান দেখে নিতে পারেন এখানে : ইমেজ
এটি এতই শক্তিশালী ঘাঁটি যে এই ঘাঁটিতে সর্বমোট ৪ বার নিয়মিত বাহিনী পর্যায়ে সরাসরি সেটপিস যুদ্ধ হয়েছে.....
৩১ জুলাই/২২ অক্টোবর/১৪ নভেম্বর/২৪ নভেম্বর - ৪ডিসেম্বর
হিট অ্যান্ড রান হয়েছে মোট ২০ বার !
প্রথম গেরিলা হিট টি হয়েছিলো ১২ জুন ।
এখানেই ১৪ নভেম্বরের যুদ্ধে মর্টার শেলের আঘাতে পা হারিয়েছেন মেজর তাহের বীরউত্তম........
পুরো মুক্তিযুদ্ধে কামালপুর অভিযানে সর্বমোট ১৯৭ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হয়েছেন , আহত হয়েছেন অসংখ্য , অন্যদিকে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর মেজর আইয়ুব সহ ২২০ জন সেনা নিহত হয়েছেন
বীরউত্তম থেকে বীর প্রতীক মিলিয়ে সর্বমোট ২৯ জন মুক্তিযোদ্ধা সাহসীকতা পদক পেয়েছেন কেবল কামালপুর যুদ্ধের জন্যই , মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে এমন উদাহরন আর একটিও নেই..............
এতকিছুর পরও ডিসেম্বরের ৪ তারিখের আগে কামালপুর দখলে আসেনি!
সুতরাং ৩১ শে জুলাই জিয়ার নির্দেশে ১ম যে সেটপিস হিটটি হয়েছিলো রীতিমত "বাঘের ডেরায়" সেটি ছিলো অজানা ভয় , দুঃসাহসিকতা আর রোমান্চ্ঞ মিশ্রিত তা বলার অপেক্ষা রাখেনা.........
পাকিস্তান সেনাবাহিনীর ওয়ার ম্যাপে বৃহত্তর টাংগাইল এবং ময়মনসিংহের দায়িত্বে ছিল মেজর জেনারেল জামশেদের ৩৬ অ্যাডহক ডিভিশন। ১৮৫ কিলোমিটার দীর্ঘ এই এলাকাটিতে ২ টি রাস্তা ছিলো ঢাকার দিকে মুক্তিবাহিনীর অগ্রসর হওয়ার। একটি হালুয়াঘাট-ময়মনসিংহ হয়ে , অন্যটি কামালপুর-জামালপুর দিয়ে।এটি আটকানোর দায়িত্বে ছিলো ব্রিগেডিয়ার কাদিরের পাক আর্মির ৯৩ ব্রিগেড- যার দুটি রেজিমেন্ট যথাক্রমে : ৩৩ পান্জ্ঞাব এবং ৩১ বালুচ।
৩৩ পান্জ্ঞাব অবস্থান নিয়েছিলো হালুয়াঘাটে আর ৩১ বালুচ অবস্থান নিয়েছিলো কামালপুর, নকশী আর বারোমারিতে। কামালপুরে ৩১ বালুচের সাথে ছিলো ইস্ট পাকিস্তান সিভিল আর্মড ফোর্স আর আর ১ প্লাটুন রাজাকার। কামালপুর বিওপির সিও ছিলো ক্যাপটেন আহসান মালিক। প্রচুর শক্তিশালী অস্ত্র আর গোলাবারুদের পাশাপাশি ৮১ মি.মি. ৩ টি মর্টার ছিলো কামালপুর বিওপিতে।
৩/ পাতা ১৮১-১৮২
অন্যদিকে মেজর মইনের ১ম বেংগল ব্যাটালিয়নে সৈন্য ছিলো সর্বসাকুল্যে ৮৫০ জন। ৩১ জুলাই রাত ৩ টায় এই যুদ্ধ শুরু হয়। জেড ফোর্সের ১ম সম্মুখ সমর কামালপুর অপারেশনে জিয়াউর রহমান নিজে উপস্থিত ছিলেন যুদ্ধ সমন্বয় করার জন্য।
রাত ৩:০০ এর দিকে জিয়া এবং মেজর মইন ১ম বেংগল ব্যাটালিয়ন নিয়ে পাকিস্তান আর্মির ঘাঁটি থেকে প্রায় ১১০০-১২০০ গজ দুরে অবস্থান নেন।
সেদিনরাতে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছিলো।
পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক :
১. ক্যাপটেন মাহবুব শত্রু ঘাঁটির পেছনে অবস্থান নিলেন তার কোম্পানিসহ
২.ক্যাপ্টেন হাফিজ ও ক্যাপ্টেন সালাউদ্দিন ৬০০ গজ ইনসাইড এনিমি লাইন অগ্রসর হয়ে পাটক্ষেতে অবস্থান নিলেন
৩.মেজর মইন তার ওয়ারলেস অপারেটর এবং ফ্লা: লে: লিয়াকত সহ পাটক্ষেতে অবস্থান নিলেন
৪.টিলায় মেজর জিয়া হাল্কা কামান ও হেভী মেশিনগান সহ অবস্থান নিলেন
৫. কাট অফ পার্টি হিসেবে একটি বাহিনী কামালপুর-বকশীগন্জ্ঞ সড়কে মাইন পুতে রেখে কামালপুর-শ্রীবর্দি জংশন এবং উঠানীপাড়ায় অবস্থান নেন যাতে বকশীগন্জ্ঞ থেকে হঠাৎ কোন পাকিস্তানী রিইনফোর্সমেন্ট ৩১ জুলাই রাতে কামালপুরে আসতে না পারে।
জিয়ার অবস্থান থেকে কামানের গোলা বর্ষনের মাধ্যমেই যুদ্ধ শুরু হয়। রাত সাড়ে ৩ টায় ক্যাপটেন সালাউদ্দিন মমতাজ তার ২ প্লাটুন সৈন্য নিয়ে শত্রুঘাঁটিতে ঢুকে পড়েন। সেখানে তিনি বিওপির একদম কাছে গিয়ে মেগা ফোনে পাকিস্তানীদের উদ্দেশ্যে বলতে থাকেন :
আভি তক ওয়াক্ত হ্যায় , শালালোক সারেন্ডার করো , নেহিত জিন্দা নেহী ছোড়েঙ্গা
সালাউদ্দিন মমতাজের অসীম সাহসে আর তার মুক্তিযোদ্ধাদের প্রচন্ড আক্রমনে পাকিস্তানীদের ১ম ডিফেন্স কর্ডন শেল প্রুফ বাংকারে ঢুকে পড়ে।
এ সময় সালাউদ্দিন মমতাজ আরও সাহসী হয়ে উঠে ২০-২৫ জনকে নিয়ে বিওপির কমিউনিটি সেন্টারে ঢুকে পড়েন। দাড়িয়ে দাড়িয়েই তিনি কমান্ড করছিলেন। তার সহযোদ্ধারা তাকে নিরাপদ পজিশন নিতে বলেও লাভ হয়নি। হঠাৎ ই মেশিন গানের গুলি এসে ঢোকে তার মাথায়। মর্টারের গোলাও এসে পড়ে পাশে।
লুটিয়ে পড়েন এই "বীরউত্তম"...............
স্বাধীনতার সোনালী রোদের স্পর্শ তার পাওয়া হলোনা আর........
এক পর্যায়ে সেখানে আগ্নেয়াস্ত্রের পরিবর্তে হাতাহাতি আর বেয়নেট দিয়ে যুদ্ধ হয় বাংকারের ভেতরে।
শহীদ বীরউত্তম ক্যাপ্টেন সালাউদ্দিন মমতাজ
সালাউদ্দিন মমতাজ নিহত হবার খবর জানতে পেরে মেজর মইন ওয়ারলেসে ক্যাপ্টেন মাহবুবকে কমান্ড করেন পেছন থেকে আক্রমনের জন্য। কিন্তু ক্যাপ্টেন মাহবুবের সাড়া না পেয়ে তিনি ঝোপ ঝাড় গাছের আড়াল থেকে খোলা জায়গায় চলে আসেন যাতে ওয়ারলেস ভালোভাবে কাজ করতে পারে। দুর্ভাগ্য- সাথে সাথেই একঝাক মেশিনগানের গুলি এসে তার ওয়ারলেস অপারেটর শহীদ হন।এ সময় তার ওয়ারলেস সেটটিও অকেজো হয়ে যায়। মেজর মইন হতভম্ব হয়ে এসময় চিৎকার করে নির্দেশ দিতে থাকেন। খুব দ্রুত ভোরের আলো ফুটে ওঠে। এসময় তারা দেখতে পান চারদিকে হতাহতের ছড়াছড়ি। ক্যাপটেন হাফিজ আহত হয়ে মাটিতে পড়ে আছেন। লে: মান্নানও আহত হয়েছিলেন।জিয়া এসময় উদ্ধারকাজে যোগ দেন। গোলাগুলি চলা অবস্থাতেই জিয়া , মইন , লিয়াকতরা মিলে হাফিজ , মান্নান সহ অন্য আহত যোদ্ধাদের উদ্ধার করে পিছু হটেন।
অন্যদিকে ২ টি ১২০ মি. মি. মর্টার আর বেশকিছু সেনা সহ বকশীগন্জ্ঞ থেকে কামালপুরের দিকে আসতে থাকা ৩ টি লরী উড়ে যায় কাট অফ পার্টির পুতে রাখা মাইনে। তাদের অ্যামবুশে ১০ জন পাকসেনা নিহত এবং ১০-১১ জন আহত হয়। ১ মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন , ২/৩ জন আহত হন।
এ যুদ্ধে মোট ৩৫ জন মুক্তিযোদ্ধা শহীদ হন আর আহত হন ৫৭ জন যা মোটামুটি ১ম বেংগলের এক দশমাংশ........
কামালপুরের সেই যুদ্ধ ৩১ বালুচ রেজিমেন্টের জন্য ছিলো নাইটমেয়ার।
তারা ধারনাই করতে পারেনি যে নাতিদীর্ঘ প্রশিক্ষিত যোদ্ধাদেরকে নিয়ে জেড ফোর্স এত শক্ত কামড় দিতে পারে।
ক্যাপ্টেন হাফিজউদ্দিন আহমেদ স্বাধীনতার দলিল পত্রের ১০ম খন্ডে জানিয়েছেন কমপক্ষে ৫০ জন পাকিস্তানী সেনা নিহত হয়েছিলো সে যুদ্ধে
শাফায়াত এবং মইন দুজনেই বলেছেন - টানা ৩ দিন পাকিস্তান আর্মির হেলিকপ্টার ঢাকা থেকে কামালপুর আসা যাওয়া করেছে কেবল পাকিস্তান আর্মির লাশ আর আহতদের সরিয়ে নেওয়ার জন্য।
যুদ্ধের পর জেনারেল মানেকশ হেলিকপ্টারে করে জেড ফোর্স হেড কোয়ার্টারে আসেন আর উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে বলেন :
" জেড ফোর্স শোড আপ রিয়াল টাইগার ক্যারেক্টার ! "
এমনকি এটাও বলেন যে তার ধারনাতেও ছিলোনা যে জেড ফোর্স এমন অপারেশনের সাহস রাখে.......

শহীদ সালাউদ্দিন মমতাজ স্মরনে কামালপুরে স্বাধীনতা সৌধ
৩১ বালুচ রেজিমেন্টকে এমন একটি আতংক সর্বোচ্চ দুঃস্বপ্ন উপহার দেয়ার পরও এ যু্দ্ধে হেরে যাবার কারন মূলত ৪ টি :
[১]
২৮ জুলাই সন্ধ্যায় রেকী করার সময় ক্যাপ্টেন সালাউদ্দিন মমতাজ , লে: মান্নান , সুবেদার আবদুল হাই , সুবেদার হাশেম , নায়েক শফি ভুলে কামালপুর বিওপির অবজার্ভেশন পোস্টে ঢুকে পড়েন এবং ২ জন পাকিস্তানী সেনার সামনে পড়ে যান। ২ জনকেই মেরে ফেললেও সেটাই বিপদ বাড়িয়ে দেয়। ৩১ বালুচ সতর্ক হয়ে যায়। এর জের ধরে ২৯ জুলাই স্বয়ং লে: জে: নিয়াজী কামালপুরে আসেন।বলাই বাহুল্য এর ফলে তারা সেনাসংখ্যা এবং গোলাবারুদ প্রচুর বাড়িয়েছিলো যা যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে মেজর মইন তীব্রভাবে টের পান।
[২]
ভারতীয় সেনাবাহিনী যে ওয়ারলেস সেট গুলো দিয়েছিলো জেড ফোর্সকে সেগুলো নিম্নমানের এবং ত্রুটিপূর্ন ছিলো বলে মেজর মইন জেনারেল মানেকশ কে অভিযোগ করেছিলেন। মেজর মইনের মতে ক্যাপ্টেন মাহবুবকে সময় মত ওয়ারলেসে কমান্ড করতে পারলে ক্ষয়ক্ষতি অনেক কম হতো এবং শত্রুপক্ষের ক্যাসুয়ালটি আরো বেশী হতো। অতি দরকারের সময় ওয়ারলেস কাজ না করা ছিলো খাঁড়ার উপর মড়ার ঘা।
[৩]
যুদ্ধের সেই সময়টায় মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছিলো এবং আগের কয়েকদিন বৃষ্টি হওয়ায় পাটক্ষেতে ১ ফুট পানি জমে গিয়েছিলো। এ ধরনের যুদ্ধে ক্রলিং এবং কুইক মুভের যে প্রয়োজন হয় তার বিপরীতে এই ব্যাপারটাকে "ক্রুশাল লুজিং ফ্যাক্টর" হিসেবে বিবেচনা করেছেন মেজর মইন।
[৪]
কামালপুর যুদ্ধে ঘোর অন্ধকার আর মুষলধারে বৃষ্টির কারনে যু্দ্ধ প্রায় মিনিট ৩০ দেরীতে শুরু হয়। কিন্তু এদিকে জেড ফোর্সের প্রিএইচ আওয়ার বোমা গুলোও বিস্ফোরিত হতে থাকে । ফলে নিজেদের বোমাতেও ১ম বেংগল ধরাশায়ী হয়েছিলো সে রাতে।
কামালপুর যু্দ্ধের আহত-শ্রান্ত যোদ্ধাদের নিয়ে ফিরে আসলেন জিয়া এবং মইন।সেদিন ৩১ শে জুলাইতেই জিয়া মেজর শাফায়াত জামিলকে ৩য় বেংগল সহ পাঠান জেড ফোর্সের ২য় অপারেশনে........
এটিই ছিলো বাহাদুরাবাদ ফেরীঘাটের যুদ্ধ......................
ফুল রেসোলিউশন ইমেজ
১৯৭১ , জুলাই ৩১ , দুপুরবেলা যাত্রা শুরু করেন ৩য় বেঙ্গলের সৈন্যরা। বাম থেকে ৪র্থ কমান্ডার শাফায়েত জামিল,৫ম লেঃ নুরুন্নবী, ৭ম সুবেদার হাফিজ এবং তার পেছনে ক্যাপ্টেন আনোয়ার। লক্ষ্য বাহাদুরাবাদ ফেরীঘাট।
কামালপুরের শাহ কামাল (রাঃ) এর মাজারের পাশ দিয়ে বাংলাদেশে ঢোকেন শাফায়াত জামিল। এর পর ৩ টি ছোট বড় নদী আর কাদাপানিতে হেঁটে প্রায় ২৫ মাইল পেরিয়ে সবুজপুরে পৌছান। সেখান থেকে ১২ টি নৌকায় অপারেশন জোনে পৌছান।
ব্রহ্মপুত্র আর যমুনার সাথে যেখানে তিস্তা এসে মিশেছে তার বিপরীতে ব্রহ্মপুত্রের পুর্বপারে বাহাদুরাবাদ ফেরিঘাট যেখান থেকে চিলমারি বন্দর , কুড়িগ্রাম , উত্তরবঙ্গ আর ব্রহ্মপুত্রের ২ পাড়ে মুক্তিযোদ্ধা ঘাঁটিগুলোকে নিয়ন্ত্রন করা যায়।
১ লা আগস্ট ভোর রাত ৫টায় লেঃ নুরুন্নবির ডেল্টা কোম্পানি ১ম হিট করে। ডেল্টা কোম্পানিকে ব্যাকআপ দেয় লেঃ আনোয়ারের আলফা কোম্পানি। আক্রমনে ছিল মর্টার প্লাটুন আর স্বয়ং শাফায়াত জামিল তার ব্যাটালিয়ন হেডকোয়াটার নিয়ে অপারেশন ফ্রন্টে ছিলেন।
৩০ মিনিটের সেইযুদ্ধে ৩ টি বার্জ , ২ টি শান্টিং ইঞ্জিন ধ্বংস করা হল আর ২ টি বগিতে হেভী মেশিন গানের ব্রাশ ফায়ার করে বেশকিছু পাকসেনা আহত নিহত করা হল। এর ফলে বাহাদুরাবাদ ঘাট ব্যাপকভাবে ধ্বংস হয় আর উত্তরবঙ্গের সাথে বাহাদুরাবাদ রেলরাউট ক্লোজ হয়ে যায়।
এই অপারেশনে জেতার পর ৩য় বেঙ্গল দেওয়ানগঞ্জ ষ্টেশন এবং সুগারমিল রেস্ট হাউজের পাকিস্তানি ঘাঁটিতে আক্রমণ করে সফল হন। পুরো অভিযানে সবুজপুরের মানুষ শাফায়াত জামিলের বাহিনীকে আপনজনের মত আতিথেয়তা দেয়। এর জের ধরে পরবর্তি সময়ে সবুজপুর গ্রামটিকে পাক বাহিনি প্রতিশোধ স্পৃহায় জ্বালিয়ে ছাই করে দেয়, রক্তাক্ত ম্যাসাকার চালায়।
এরই মাঝে জেড ফোর্সের ৩য় অপারেশনে জিয়া আবার নিজে আবার সম্মুখ সমরে হাজির হন ৩ রা আগস্ট ভোর ৩ টা ৪৫ এ। অপারেশনটির দায়িত্ব ছিল ৮ম বেঙ্গলের উপর।
সেটি ছিলো নকশী বিওপির যুদ্ধ...........................
শেরপুরের ঝিনাইগাতী থানার এ যুদ্ধে পাকিস্তানিদের প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়।মুক্তিযোদ্ধারা রান অ্যান্ড ক্রল করে বিওপির ৫০ গজের ভেতরে ঢুকে গিয়েছিলো। মুক্তিযোদ্ধাদের আক্রমনের তীব্রতায় পাকিস্তানী সেনারা বিওপি ছেড়ে পাশ্ববর্তী ক্ষেতে পালিয়েছিলো।এ যুদ্ধে হেরে যাবার মূল কারন পাকবাহিনীর প্রচণ্ড মর্টার আক্রমণ। পাকআর্মির পুতে রাখা মাইনও আরেকটি কারন। আক্রমণে ছিল ক্যাপ্টেন আমিন আহমেদের ব্রাভো কোম্পানি আর লেঃ মোদাসেরের ডেল্টা কোম্পানি।সুবেদার হাকিমের ইপিআর কোম্পানিটি ছিল কাট অফ পার্টি হিসেবে।ফায়ারিং কভার দেয়ার দায়িত্বে ছিলেন ব্যাটালিয়ন কমান্ডার মেজর আমিনুল হক।আর বিওপির পাশে শালবনে ফরোওয়ার্ড এরিয়া অ্যাসেম্বলী থেকে জিয়া ওয়ারলেস যোগাযোগের মাধ্যমে যুদ্ধ কোঅর্ডিনেট করছিলেন। সে যুদ্ধে মেশিনগানের গুলিতে ক্যাপ্টেন আমিন আহত হলে ব্রাভো কোম্পানি মনোবল হারায়। মোট ১২ জন মুক্তিযোদ্ধা সে যুদ্ধে শহীদ হন।ক্যাপ্টেন আমিন আহমেদ আহত হয়ে মাটিতে পড়ে থাকলে মেজর আমিনুল হক ২ জন এন্সিও আর জেসিওকে সংগে নিয়ে নিজের জীবন বিপন্ন করে হেভি মেশিনগানের ফায়ারিং এর ভেতর তাকে উদ্ধার করেন।
ফিরে আসি মেজর শাফায়াত জামিলের কাছে...............বাহাদুরাবাদ ঘাট আর দেওয়ানগঞ্জে যুদ্ধবিজয়ী ৩য় বেঙ্গল তেলঢালায় ফেরার পথে শাহ কামালের মাজারের পাশে একটি জিপ গাড়ীর পাশে মেজর জিয়াকে দুঃশ্চিন্তিত দেখতে পায়। ফিরতে দেরী দেখে জিয়া ধারনা করেছিলো ৩য় বেঙ্গল বাহাদুরাবাদ অপারেশনে হয়তো ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয়েছে। কিন্তু সাফায়াত জামিল দেওয়ানগঞ্জ অপারেশনের কথা জানিয়ে জিয়া কে বলেন এখন দেশের ভেতরে থেকে যুদ্ধ চালানো কোন ব্যাপারই না।
শুনে জিয়া হেসে ওঠেন , বলেনঃ
তাহলে তো একবার সবাইকে নিয়ে ভেতরে ঢুকতেই হয়
এখানেই শুরু হয় জেড ফোর্স আর রৌমারির গল্প......................
ফুল রেসোলিউশন ইমেজ
রৌমারি হাইস্কুলের সামনে মুক্তিযোদ্ধাদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখছেন জেড ফোর্স অধিনায়ক মেজর জিয়াউর রহমান
৬ ই আগস্ট ৩য় বেঙ্গলের লেঃ নুরুন্নবির ডেল্টা কোম্পানিকে রৌমারি মুক্তাঞ্চলের প্রতিরক্ষা ব্যুহ তৈরির দায়িত্ব দেয়া হয়। এর আগে পাকিস্তানী বাহিনী ৪ ঠা আগস্ট চর কোদাল কাটি নামক রৌমারির নিকটবর্তি স্থান দখল করে নেয়। বাহাদুরাবাদ এবং দেওয়ানগঞ্জ অপারেশনে দুঃসাহসিক সাফল্যের জন্যই ডেল্টা কোম্পানিকে রৌমারি ডিফেন্সের দায়িত্ব দেন জিয়া সাফায়াত জামিলের সুপারিশ ক্রমে।
৮ ই আগস্ট ফোর্স কমান্ডার জিয়ার নির্দেশে লেঃ নুরুন্নবি রৌমারির স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের নিয়ে নগর কমিটি তৈরি করেন এবং স্বাধীন বাংলাদেশের ১ম বেসামরিক প্রশাসন চালু করেন।
১১ ই আগস্ট মেজর জিয়া ভারতীয় মেজর জেনারেল গুলবত সিং গিলকে সংগে নিয়ে রৌমারি পরিদর্শনে আসেন তেলঢালা থেকে।
১৩ ই আগস্ট জিয়ার নির্দেশে লে: নুরুন্নবী রৌমারি হাইস্কুলে স্বাধীন বাংলাদেশের ১ম সেনানিবাস স্থাপন করেন। সেখানে সামরিক স্কুলও চালু করা হয় যেখান থেকে ১৮০০০-২০০০০ হাজার মুক্তিযোদ্ধা ট্রেনিং নিয়েছে
ফুল রেসোলিউশন ইমেজ
অপারেশনে যাওয়ার আগে জিয়া মুক্তিযোদ্ধাদের প্রস্তুতি তদারকি করছেন
সেসময় জিয়া আর শাফায়াত একসাথে ঘুরে বেড়াতেন রৌমারী মুক্তান্চ্ঞলের আনাচে কানাচে মাতৃভূমির স্বাদ নেয়ার জন্য। তাদের ভেতরে দাগ কেটেছিলো স্বাধীকার-স্বাধীনতাকামী এদেশের মানুষের সুকঠিন প্রতিরোধ সংকল্প , মেরে মরবো যুদ্ধ ক্ষুধা.......
তেমনই দুটো ঘটনা জানুন শাফায়াত জামিলের কাছ থেকে............
ফুল রেসোলিউশন ইমেজ
চিলমারী , সেপ্টেম্বর ১৯৭১ , মেজর জিয়া , মেজর সাফায়াত জামিল , লে: নুরুন্নবী
এই রৌমারি থেকেই জিয়ার নির্দেশে বকশীগন্জ্ঞ , ছালিয়া পাড়া , কোদালকাটি যুদ্ধ পরিচালিত হয়েছে।১৮ ই আগস্ট কোদালকাটি যুদ্ধে ৩৫০ জন পাকসেনা নিহত হয়। যুদ্ধে ব্যাপকভাবে মার খেয়ে পাকিস্তান আর্মি কোদালকাটির দখল ছেড়ে চিলমারীতে পালিয়ে যায়.......
কোদালকাটির সেই সম্মুখ সমরে জিয়া নিজে উপস্থিত ছিলেন
ফুল রেসোলিউশন ইমেজ
রৌমারী , সেপ্টেম্বর , ১৯৭১, দেওয়ানগন্জ্ঞে একটি পাকিস্তানী ঘাঁটিতে সফল অপারেশনের পর মুক্তিযোদ্ধারা ফিরে আসছে।
এ সময় জেড ফোর্সের মুক্তিযুদ্ধের উপর মার্কিন এনবিসি চ্যানেলের একটি দল রবার্ট রজার্সের নেতৃত্বে সারা বিশ্বে সাড়া জাগানো ২ টি প্রতিবেদন তৈরী করে:
A Country Made for Disaster এবং Dateline Bangladesh
ইউটিউবে মেজর জিয়ার একটি মুক্তিযু্দ্ধ চলাকালীন ইংরেজী সাক্ষাৎকার বহুল প্রচারিত। এটি সম্ভবত রবার্ট রজার্স জিয়ার যে সাক্ষাৎকার রৌমারিতে নিয়েছিলেন তারই খন্ডাংশ........চেক করে দেখতে পারেন
নুরুন্নবি সেখানে কাস্টমস অফিস , থানা , স্কুল এবং পোস্ট অফিসের কাজ শুরু করেছিলো। ১০ শয্যার ১ টি হাসপাতাল ও চালু করেছিলো।
চমকপ্রদ এই যে যুদ্ধ চলাকালীন সময়েই জিয়া রৌমারী থেকে ১ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় করে প্রবাসী বাংলাদেশ সরকারের তহবিলে জমা দিয়েছিলেন.......
২১ শে আগস্ট জিয়া ক্যাপটেন অলি আহমেদকে সংগে নিয়ে পুনরায় রৌমারি আসেন এবং দিনক্ষন আলোচনা করেন কখন স্বাধীন বাংলাদেশের ১ম বেসামরিক প্রশাসন উদ্বোধন করা যায়.........
২৮ শে আগস্ট সকাল ৮ টায় মেজর জিয়াউর রহমান মুক্ত বাংলাদেশের ১ম পোস্ট অফিস উদ্বোধন করেন।

ফুল রেসোলিউশন ইমেজ
রৌমারি হাইস্কুলের সামনে মেজর জিয়াউর রহমান , ভারতীয় ব্রিগেডিয়ার সাবিদ সিং , মেজর সাফায়াত জামিল এবং স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ
একে একে জিয়া থানা সদর , হাসপাতাল , স্কুল , আদালত , রাজস্ব ও অন্যান্য অফিস উদ্বোধন করেন।
সেদিন মেজর জিয়া সেখানে হাজার হাজার জনতার উদ্দেশ্য ভাষনে বলেন:
রৌমারির প্রতিটি নারী-পুরুষ আমাদের মুক্তি সংগ্রামের ইতিহাসে চিরস্মরনীয় হয়ে থাকবে.........
জবাবে সমবেত জনতা গর্বভরা গর্জন আওয়াজে জিয়াকে অভিনন্দিত করেন :
জয় বাংলা , জয় জিয়া , জয় মুক্তিবাহিনী
আর এভাবেই মুক্তিসংগ্রামের ইতিহাসে কালুর ঘাটের চির রোমাঞ্চকর "আমি মেজর জিয়া বলছি" কিংবদন্তির পর আরো একবার ভাগ্যের বরমাল্য পেলেন মেজর জিয়াউর রহমান বীরউত্তম !

তথ্যসূত্র :
১. মুক্তির জন্য যুদ্ধ , কর্নেল শাফায়াত জামিল বীরবিক্রম
২. এক জেনারেলের নীরব স্বাক্ষী , মেঃ জেঃ মইনুল হোসেন বীরবীক্রম
৩. উইটনেস টু সারেন্ডার , মেজর সিদ্দিক সালিক
৪. বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি : মুক্তিযু্দ্ধে রৌমারি , অজয় রায়
৫. মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রনালয়ের ওয়েবসাইট
৬. মুক্তিযুদ্ধ এবং মুক্তিযোদ্ধা , গাইবান্ধা জেলা প্রশাসক ওয়েবসাইট
সংবাদপত্র সংযুক্তি :
তোমাদের এই ঋণ শোধ হবেনা / দৈনিক প্রথম আলো
১. ক্যাপ্টেন সালাউদ্দিন মমতাজ বীরউত্তম এর পরিবারের সাক্ষাতকার
২. লে: আবদুল মান্নান বীরবীক্রম এর সাক্ষাৎকার
৩. আবদুল হক বীরপ্রতীক এর সাক্ষাৎকার
৪. জালাল আহমেদ বীরপ্রতীক এর পরিবারের সাক্ষাতকার
৫. এম এ মান্নান বীরবীক্রম এর সাক্ষাৎকার
৬. শামসুজ্জামান বীর উত্তম এর পরিবারের সাক্ষাৎকার
১-৩: কামালপুর বিওপির যোদ্ধা
৪-৬: নকশী বিওপির যোদ্ধা
দৈনিক সমকাল / লেঃ কঃ নুরুন্নবী খান বীর বীক্রমের সাক্ষাৎকার
দৈনিক ভোরের কাগজ / ডিসেম্বর ৪ , ২০০৯
দৈনিক আমার দেশ / ডিসেম্বর ১৫ , ২০০৯
দৈনিক ইত্তেফাক / মার্চ ২৬ , ২০১১
লেখাটির বিষয়বস্তু(ট্যাগ/কি-ওয়ার্ড): জিয়াউর রহমান আর জেড ফোর্সের মুক্তিযুদ্ধ ;
প্রকাশ করা হয়েছে: ইতিহাসের দীঘিতে ডুব সাঁতার বিভাগে । সর্বশেষ এডিট : ১২ ই ডিসেম্বর, ২০১১ রাত ১০:৩৬ | বিষয়বস্তুর স্বত্বাধিকার ও সম্পূর্ণ দায় কেবলমাত্র প্রকাশকারীর...
নাহিয়ান বিন হোসেন বলেছেন:
প্লাস এবং সরাসরি প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ নাহিয়ান
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ বড়ভাই
জর্জিস বলেছেন:
++ দিয়ে গেলাম। পরে সময় নিয়ে পড়ব
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জর্জিস !
আচ্ছা আপনি কি সাউথ আফ্রিকায় পিস কিপিং মিশনে গেসেন নাকি ?
টকঝালমিষ্টি বলেছেন:
প্লাস এবং সরাসরি প্রিয়তে। আর একটা কথা আমাদের বটতলা উকিল, আর চারের মা, সাজেদা বিবিকে দেখাতে পারেন? তারা নিত্যই হেঁড়ে গলায় বলার চেষ্টা করেন, জিয়া নাকি মুক্তিযুদ্ধই করে নি! বেশরম হলেও কি লজ্জা সবটুকুই বিদেয় করতে হয়? ছি!
লেখক বলেছেন: বটতলার উকিলের ভাই আর বাবা রাজাকার ছিলো। ওদের প্রেস থেকে পাকিস্তান পায়েন্দাবাদ ছাপানো হতো ১৯৭১ এ।
বটতলার উকিলের বাড়ী ইসলামী ব্যাংকের লোনের টাকায় করা।
সাজেদা চৌধুরী ১৯৭১ এ বাংলাদেশ ছেড়ে পালিয়ে কলকাতার পার্ক সার্কাসের ৩ নং সোহরাওয়ার্দী এভিনিউ্যতে এসে লুকিয়েছিলেন।
বাসাটির ফোন নম্বর ছিলো : ৪৪-৪০৬৭ .....
সামনে ভারতের কান্ট্রি কোড আর পশ্চিম বংগের স্টেট কোড বসাতে হবে।
জিয়া - এই নামটি একটি চির কিংবদন্তী.......
সারা বাংলাদেশের আওয়ামী লীগ এই নামটাকে ভয় পায়!
কি এক অজানা কারনে !
স্মৃতির নদীগুলো এলোমেলো... বলেছেন:
++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ স্মৃতির এলোমেলো নদী
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ইকরামউল্যাহ
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্যের ১ম অংশটা ব্যাখ্যা করছি :
জামায়াতের সাথে জোটের পর বিএনপি তার মুক্তিযুদ্ধের অনেক খানিই প্রায় হারিয়ে ফেলসিলো।
ভোটের রাজনীতির মারপ্যাচে , ১/১১ পর দলীয় বিপর্যয়ে , ২০০৮ এর নির্বাচনে আগে মইন- ইন্ডিয়া- হাসিনা-আমেরিকা থেকেই রেসাল্ট ঠিক করে রাখা , গত ৩ বছরে পুরোপুরি পজিটিভ রাজনীতি করা এবং যুঅবি নিয়ে হাসিনার ইয়ো ইয়ো খেলা , আর জামাতী শিয়াল - সব কিসু মিলিয়ে বিএনপি মুক্তিযুদ্ধের গর্ব হারিয়ে ফেলতেসিলো প্রায়........
বিএনপি যে মুক্তিযুদ্ধের বিখ্যাত জেড ফোর্স অধিনায়কের দল এটা বিএনপি প্রায় ভুলে যাইতেসিলো।
আর তাতে জামাতী আর ছুপা জামাতীরা আগডুম- বাগডুম খুশী হচ্ছিলো ।
বিএনপির বর্তমান নেতারাও ইতিহাসের খবর রাখেন না।
কেবল ভোটের রাজনীতি নিয়ে ব্যস্ত।
ইনশাল্লাহ- সেটা হবে না।
অন্তত নতুন প্রজন্মের আমরা যারা জেড ফোর্স অধিনায়ক জিয়াউর রহমানের অনুসারী এটার বিপক্ষে থাবো তীব্রভাবে।
জামাতী শিয়াল গুলাকে অনলাইনে ছ্যাচা এবং ডলা দেয়া হবে বিএনপিকে সেইভ করার জন্য।
মন্তব্যের বাকী অংশের জন্য ব্লগার এস্কিমোর এই পোস্টের ৩ , ৫ এবং ১০ নং মন্তব্য দেখুন।
লেখক বলেছেন: ব্লগার এস্কিমোর ব্লগের লিংক
সংশোধনী:
[১] জামায়াতের সাথে জোটের পর বিএনপি তার মুক্তিযুদ্ধের গর্ব অনেক খানিই প্রায় হারিয়ে ফেলসিলো।
[২] ২০০৮ এর নির্বাচনে মইন- ইন্ডিয়া- হাসিনা-আমেরিকা আগে থেকেই রেসাল্ট ঠিক করে রাখা
[৩] আমরা যারা জেড ফোর্স অধিনায়ক জিয়াউর রহমানের অনুসারী এটার বিপক্ষে থাকবো তীব্রভাবে।
দেশী পোলা বলেছেন:
আই ডিফেন্ড জিয়া, কিন্তু প্রশ্ন হলো ৭১ সালে জিয়া কে ভাদা ট্যাগ দেয়া গোলাম আজমের পাশে বসে বেগম জিয়া কেন রাজনীতি করেন?
ইনশাল্লাহ আলবদর আলশামস পাকিস্তান থেকে ভাদা বিতাড়ন করবে - মাওলানা গোলাম আজম (দৈনিক সংগ্রাম ১৯৭১)
লেখক বলেছেন: ভাই , বেগম খালেদা জিয়া আসলে এতটা কূট বুদ্ধি রাখেন না।
এগুলো উনি টের পাননা যে গোলাম আযম ওনার আশে পাশে ঘুরতেসে কোনভাবে কাছে গিয়ে কিসু কথা বলার জন্য , এই ফাঁকে কিসু ক্লিক , ক্লিক হয়ে যাক এই ধান্দায়।
পরে এই ছবিগুলা এরা সারা দুনিয়া জুড়ে প্রচার করবে পাপ হালাল করার জন্য।
খালেদা জিয়া যদি হাসিনার মত স্বার্থপর আর বাঁকা চিন্তার বুদ্ধি নিয়ে এগোতেন তাহলে জামাতীরা এসব সুযোগ পেতোনা।
হাসিনা এরশাদকে জোটে নিসে , কিন্তু প্রেসিডেন্ট তো দুরের কথা , একটা ডিপ্লোম্যাটিক পজিশনও দেয় নাই।
বরং ৭ম সংশোধনী মামলার রায়ে এরশাদকে গালি শোনানো হইসে !
খালেদা জিয়া স্বার্থপর হতে পারেন নাই কখনো।
এ কারনে জামাতী শিয়ালগুলার শয়তানী টের পান নাই কখনো।
বিএনপির নেতারা হুশ হারায়া ফেলতেসে , জামাতী শুয়োর শিয়াল যেখানে ঢোকে ভাইরাসের মত , নেশার মত করে সেখানে মানুষের বুদ্ধিসুদ্ধি দর্বল করে ফেলে।
আর টাকা দিয়ে মাথা কেনার হালুয়া রুটি পার্টিতো বিএনপিতে সবসময় একটা থাকে।
লীডার সম্ভবত মওদুদ ।
বাট , ইনশাল্লাহ , বিএনপি উইল গেট ব্যাক টু রাইট ট্র্যাক।
নাহিয়ান বিন হোসেন বলেছেন:
বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষই ডানপন্থী, জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী এ দেশের মানুষ ঐতিহাসিকভাবেই। ডানপন্থী, দেশাত্ববোধ, জাতীয়তবাদের জন্য সর্বোপরি দেশের জন্য গঠনমুলক চিন্তার এবং তা প্রকাশ করার মত মানুষ ও আমাদের আছে। কিন্তু খারাপ লাগে এই দেখে যে ,এরপর ও বি এন পি দিনকে দিন একটা ডুবন্ত দলে পরিনত হচ্ছে। আজ দেশে যা হচ্ছে তার উপযুক্ত বিরোধিতা বি এন পি করতে পারছে না কারন তাদের নৈতিক মেরুদন্ড বলে কিছু নেই। ভাবলে অবাক লাগে জিয়াউর রহমান নামক এক অসাধারন ব্যক্তি ছিলেন এই দলের কর্নধার! এই দলের স্বপ্নদ্রষ্টা! অথচ সেই বি এন পির আজ কি হাল! আজ জিয়াউর রহমানকে নিয়ে মিথ্যা , নোংরা কথা বলা হয়। এ্কের পর এক ভয়াবহ দেশ বিরোধী চুক্তি ভারতের সাথে করে আমাদের জাতীয়তাবাদ , দেশাত্ব্ববোধকে , দেশের সার্বভৌমত্বকে হুমকির মুখে ফে্লা হয়। কিন্তু তার প্রতিবাদ করার কথা যে দলের তারা আজ মাজা ভাঙ্গা। খুব অবাক লাগে, দুঃখ লাগে। দাসত্ব ভাই আপনি কি জানেন পুরো ইতিহাসকে যাতে একেবারে বিকৃত করে ফেলা যায় তার জন্য উপযুক্ত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ শুরু করে দিয়েছে আমাদের চিহ্নিত বুদ্ধিজীবিরা? এখন নাকি আমাদের ইতিহাস বইয়ে লেখা হচ্ছে, "শায়েস্তা খান ছিলেন ভয়ংকর শাসক", ইংরেজদের এদেশে আগ্রাসনকে প্রকাশ্য সমর্থন দেয়া হচ্ছে, বঙ্গগভঙ্গগ রদের জন্য যে জঙ্গীবাদী আন্দোলন করেছিল কলকাতা কেন্দ্রিক গোষ্ঠী -তাকে পরিচয় করিয়ে দেয়া হচ্ছে আমাদের দেশাত্ববোধ হিসেবে! চিন্তা করে দেখুন, এসব পড়ে যে প্রজন্মটা তৈরি হবে তারা কি ভয়ংকরভাবে বিদেশী আনুগত্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, এ দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী একটা প্রজন্ম হিসবে গড়ে উঠবে। কি ভয়ঙ্কর চক্রান্ত চলছে আমাদের দেশের ভবিষ্যত নিয়ে। কিন্তু প্রতিবাদ করার কেউ নেই। আমি সত্যি হতাশ। এত দীর্ঘ মন্তব্যের জন্য দুঃখিত। কিন্তু কথাগুলো বলতে ইচ্ছে হল। পাঠ্যবইয়ের ইতিহস নিয়ে যে পোষ্টটা এসেছিল, তার লিঙ্ক দিয়ে গেলাম। ‘শায়েস্তা খান ছিলেন শোষক ও বঞ্চনাকারী’
লেখক বলেছেন: নাহিয়ান , বংগভংগ আন্দোলন কে আমি একটা ছ্যাচা দিবো। মোক্ষম সময়ে। বংগভংগ ছিলো কলকাতার সংকীর্ন সাম্প্রদায়িক হিন্দু জমিদারদের প্যাট্রোনাইজড একটা আন্দোলন। এটা মোটেও ব্রিটিশ খেদাও স্বাধীনতা সংগ্রামের কিসু ছিলোনা।
শায়েস্তা খানের ব্যাপারে যেটা লিখা হইসে সেগুলো বিএনপি পাওয়ারে আসলে ঠিক করা হবে।
এগুলো নিয়ে অনলাইনে জনমত তৈরী করলে দালালের দল লেজ গুটাবে।
লিংকটার জন্য অনেক ধন্যবাদ , নইলে জানতেই পারতাম না!
লম্বা মন্তব্যে কোন সমস্যা নাই। ![]()
মেলমুটকিড বলেছেন:
ধন্যবাদ,অন্তরের অন্তস্থল থেকে ধন্যবাদ।পোস্ট প্রিয়তে সরাসরি,কোন কথা হবে না।আর আজকে যারা বলে মুক্তিযুদ্ধে জিয়ার অবদান নেই,তাদের সুস্থতা কামনা করছি।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মেলমুটকিড , ৪ নাম্বার মন্তব্যের জবাব দেখেন।
এগুলো মানুষকে মুখের উপর বলে দেবেন।
পিচ্চি চাপাবাজ বলেছেন:
প্লাস
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পিচ্চি
অমানুষ হাসান বলেছেন:
+++++++ এবং প্রিয়তে নিলাম...।।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ অমানুষ হাসান
স্বাধীনতার_অপেক্ষায় বলেছেন:
চরম একটা পোস্ট। সেইরকম!!! জিয়ার প্রতি ভক্তি দেখি আমার বাড়তেই আছে। তবে 'সেটপিস' এবং 'হিট এন্ড রান' দুইটা টার্ম বুঝবার পারলাম না।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ স্বাধীনতার অপেক্ষায়।
সেটপিস হচ্ছে কনভেনশনাল যুদ্ধ , নিয়মিত সামরিক বাহিনী যেভাবে আর্টিলারী , ইনফ্যান্ট্রী , সিগনাল দের ভেতরে দায়িত্ব বন্টন করে এবং
শত্রু ঘাঁটির ম্যাপে প্রত্যেক কোম্পানীকে পজিশন সহ কে কাট অফ করবে , কে ফায়ারিং কভার দেবে আর কে মুভ করবে ঘাঁটির দিকে এসব ট্যাকটিক্স বুঝিয়ে দিয়ে যুদ্ধ করে এগুলোকে বলে সেটপিস।
আমি আর্মির লোক নই , তবে গুগল করলে আরো ভালো জানবেন।
আর হিট অ্যান্ড রান সন্ত্রাসীরাও ব্যবহার করে।
সম্প্রতি নরসিংদীর মেয়র লোকমানকে হিট অ্যান্ড রান ট্যাকটিক্সে সন্ত্রাসীরা মেরে ফেলে।
ভারী বস্ত্র , হেভী মেশিন গান , মর্টার , কামান , ট্যাংক এসব ব্যবহার হয় সেটপিস যুদ্ধে , কারন এসব যুদ্ধে এসব ভারী অস্ত্র নিয়ে পজিশন নিতে হয়। যুদ্ধ হয় লম্বা সময় ধরে।
হিট অ্যান্ড রান হচ্ছে ৩ মিনিটে ঝটপট ম্যাগী নুডলস যুদ্ধ।
অতর্কিতে আক্রমন করে যতটা সম্ভব ক্ষয় ক্ষতি করে দ্রুত পালিয়ে যাওয়া। এসব যুদ্ধে যোদ্ধাদের কাছে ভারী অস্ত্রতো তেমন থাকেই না, এমনকি খুব বেশী অ্যামুনেশনও থাকেনা।
কারন হিট করেই পালিয়ে যেতে হয়।
লেখক বলেছেন: গ্লোরিয়াস পার্ট অফ ইয়োর লাইফ ম্যান !
মে আল্লাহ সেইভ ইউ।
অফ টপিক :
সেটপিস যুদ্ধের ব্যাপারে আমি যেই ব্যাখ্যাটা দিলাম ১৩ নাম্বারে সেটাতে কি কোন ভুল আছে ?
থাকলে সংশোধনী দেয়ার অনুরোধ থাকলো
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শামীম শরীফ সুষম......লিংকে আসতেসি
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ফেলুদা
স্বাধীকার বলেছেন:
----অথচ এই মহান বীর মুক্তিযোদ্ধাকে নিয়ে, তার কবর নিয়ে যখন তাচ্ছিল্য করেন শেখ হাসিনা ও আম্লীগ বশংবদ, তখন কেবল মনে হয়-এরা নিজেদের হীনমন্যতাকে ঢেকে রাখতেই এসব মিথ্যাচার করেন, জিয়ার চরিত্রে কলংকলেপন করেন। আম্লীগ তথা ভারতপ্রেমী মুক্তিযুদ্ধপ্রীতিওয়ালাদের এমন কোনো সভাসেমিনার, ফোরাম নেই যেখানে জিয়াকে টার্গেট করে তারা প্রতিহিংসার বহিপ্রকাশ ঘটান না। জিয়ার নাম তারা সকাল থেকেই নিতে শুরু করেন, ঘুমানোর আগ পর্যন্ত পূর্ন্য অর্জন করতে থাকেন।
যুদ্ধের মাঠের একজন জিয়াকে কোনো দিনই আড়াল করা যাবেনা, বরং আড়ালে যাবে ঐসব হিংসুক আর পলায়নপর মিথ্যাবাদীরা যারা আজ মিডিয়ার কল্যাণে মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ব্যবসা করছে, জিয়াকে নিন্দা করে।
দাসত্বের পোস্ট মানের বিশেষ কিছু, অনেক তথ্য-প্রমান, যেখানে কোনো ভারতপ্রেমীর আনাগোনা তেমন থাকার সুযোগই নেই, চরিত্রহারানোর ভয়ে। পরিশ্রমী এই পোস্টটির জন্য দাসত্বের কাছে কৃতজ্ঞতা, পোস্ট বরাবরের মতোই প্রিয়তে থাকবে। ভালো থাকবেন।
লেখক বলেছেন: অনেক কৃতজ্ঞতা আর ধন্যবাদ ভাই সাথে থাকার জন্য ।
আগেও বলসিলাম - জিয়াকে ওরা যত গালি দেবে জিয়া ততই ওপরে উঠবে। উঠবেই উঠবে।
হু কেয়ারস !
৪ নাম্বার কমেন্টের রিপ্লাইটা ওদেরকে দিয়ে দেবেন বেশী বাড় বাড়লে
মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন:
আগে শেষ কইরা প্লিলাচ দিতে হল তাই ১৮ হইলাম । প্রিয়তে না রাখলে দ্বন্ডনীয় অপরাধ হয়ে যাবে ।
মাঝে মাঝে বিভ্রান্ত হয়ে যাই আপনি মেকানিক্যালে এর ছাত্র না হয়ে ইতিহাসের ছাত্র হলে দেশের মানুষ কিছু সঠিক ইতিহাস জানতে পারত ।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ ভাই। আমি নিজেও মাঝে মাঝে ভাবি ইতিহাসের ছাত্র হলে কতই না মজা হতো। এক ঢিলে দুই পাখি।
সব কোর্সে এ + পাইতাম , আবার চুটায়া ব্লগিং করতাম।
মজায় মজা !
আর এখন -
কামরুল হাসান শািহ বলেছেন:
সরাসরি প্রিয়তে
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ শাহী
kak বলেছেন:
ভালো লাগলো। +++ সহ প্রিয়তে
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ
খইকাঁটা বলেছেন:
আমি ইতিহাসের অলিগলিগুলো খুব ভাল জানি না।
লেখকের নিকট একটা প্রশ্ন (আমার জানার জন্য) বিতাড়িত জামায়াত নেতাদের পুনঃপ্রতিষ্ঠা হয় কত সালে?
কোন সরকারের আমলে? এবং কেন?
লেখক বলেছেন: খুব ভালো প্রশ্ন ।
এই বিষয়টা নিয়ে অনেক দিন ধরে গোয়েবলসীয় একটা মিথ্যা প্রচার হয়ে আসছে।
জানাবো এই মাসেই । আপাতত বিষয়টা আন্ডার স্টাডী।
লেখক বলেছেন: হ্যাঁ ,
নষ্ট কবি বলেছেন:
জিয়াকে অনেক অনেক শ্রদ্ধা করি।আমার বাবা ও এই চট্টগ্রামের ই যোদ্ধা ছিলেন।
তাই আমি কিছু কিছু ইতিহাস জানি
কিন্তু এখন খালেদা কে দেখলেই গা ঘিন ঘিন করে। নিজের কুসন্তান দের জন্য রাজনীতি, জামাতের জন্য মায়া কান্না দেখলে ইচ্ছে করে ইতিহাসটা উল্টে জিয়ার সাথে খালেদার বিচ্ছেদ ঘটায়া দিতে।
.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।
ভাল থাকবেন
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ কবি , আপনিও ভালো থাকবেন
আপনার পোষ্টে প্লাস।
লেখক বলেছেন: সত্যি বলসেন অমিত।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে
ওবায়েদুল আকবর বলেছেন:
জিয়ার বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ খন্ডাতে তার দল এগিয়ে আসেনা কেন?
লেখক বলেছেন: তারা যে ভোটের রাজনীতি আর জামাতের টাকা খেয়ে হালুয়া রুটি ভোজনে ব্যস্ত !
রাফা বলেছেন:
জিয়ার দল ,জিয়ার বিরোধীতাকারি ও জিয়াকে দুস্কৃতিকারি ভারতের চর বলে যারা আখ্যা দিয়েছিলো তাদেরকে রক্ষা করার ব্রত নিয়ে ঘোমটা খুলে মাঠে নেমেছে ,এই ব্যাপারে আপনার মন্তব্য কি ?ধন্যবাদ
লেখক বলেছেন: ৭ নং মন্তব্যের জবাব দেখুন
জুল ভার্ন বলেছেন:
প্রিয় দাসত্ব, ঐতিহাসিক তথ্য প্রমান ও যুক্তি নির্ভর পোস্টের জন্য ধন্যবাদ।জেড ফোর্সের কামালপুর যুদ্ধে যদিও মুক্তিবাহিনীর ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছি-তারপরেও কামালপূর যুদ্ধ মিলিটারি স্টাটিজিক্যাল দিক থেকে একটা বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। সেই জন্যই কামালপুর যুদ্ধ বাংলাদেশ National Defence College and Defence Services Command and Staff College of Bangladesh এর পাঠ্য সূচীতে রেফারেন্স হিসেবে পড়ানো হয়।
একই বিষয়টা পাকিস্তান ও ভারতের National Defence College and Defence Services Command and Staff College এ অন্তর্ভুক্ত। সম্প্রতি আমি পাকিস্তান ভিজিট করি ব্যাবসায়ীক কারনে। সেখানেই পরিচয় হয় বৃঃ জেঃ সেজাদ খান নামের একজন পাকিস্তানী সেনা কর্ম কর্তার সাথে যিনি বাংলাদেশে National Defence College and Defence Services Command and Staff College of Bangladesh থেকে এন ড সি কোর্স সম্পন্ন করেছিলেন।
প্রসংগত বৃঃজেঃ সেজাদ বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও রাজনীতি নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন-"একটি রাজনৈতিক সমস্যাকে সামরিকীকরনের জন্যই পাকিস্তান ভেংগে গিয়েছিল। যার জন্য সাধারন পাকিস্তানীরা দায়ীছিলনা-দায়ীছিল ভূট্টো ও সেনাবাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তারা"। তিনি বংগবন্ধুকে একজন গ্রেট পলিটিশিয়ান মনে করেন। জিয়াউর রহমানের সাহসিকতা ও সততার প্রশংসা করেন।
তিনি জানালেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের বেশ কয়েকটা খন্ড যুদ্ধের টেকনিক্যাল রেফারেন্স এখন পাকিস্তান মিলিটারী একাডেমীর ট্রেনিং লেসন অন্তর্ভুক্ত! আমি মজা করে প্রশ্ন করি-Those liberation war lessons which you teach your officers, there what position of Pakistan Army you showed to cadets? Is that winner or looser side?
তিনি হাসিমুখে উত্তর দিলেন- It’s not important who is winner or looser in the specific battle. The main vital thing is military tactics, strategic and technical importance of that warfare which we include our curriculum and train our cadets.
পাকিস্তান ভ্রমনের উপর আমি একটা সিরিজ লিখছি-আশা করি সেখানে এই বিষয়টা তুলে ধরবো বিস্তারিত ভাবে।
লেখক বলেছেন: কামালপুরেরে সেই যুদ্ধের রোমান্চ্ঞ সত্যিই ভোলার অযোগ্য !
সারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে সেই যুদ্ধের মত যুদ্ধ আর কয়টা হয়েছে সেটা আমারো ভালো ভাবে জানা নেই।
আপনি যেটা জানালেন যে উপমহাদেশের প্রতিটা দেশের এনডিসি (যেখানে ভারত - পাকিস্তান পারমানবিক অস্ত্রধারী !) তে ৩১ জুলাই ১৯৭১ এর কামালপুর যুদ্ধ পড়ানো হয় - সেখানে এই যুদ্ধের তীব্রতা কোন পর্যায়ে ছিলো বোঝাই যায় ।
হাতাহাতি - বেয়নেট দিয়ে যুদ্ধ - ভাবাই যায়না !
আমারতো মনে সালাউদ্দিন মমতাজ "বীরশ্রেষ্ঠ" খেতাবের যোগ্য ছিলেন ।
আপনার পাকিস্তান ভ্রমনের ঘটনাটা পড়বো।
চারু_চারবাক বলেছেন:
জেড ফোর্সের ১ম সম্মুখ সমর কামালপুর অপারেশনে জিয়াউর রহমান নিজে উপস্থিত ছিলেন যুদ্ধ সমন্বয় করার জন্য।৪.টিলায় মেজর জিয়া হাল্কা কামান ও হেভী মেশিনগান সহ অবস্থান নিলেন
তথ্যটি চ্যালেন্জ করলাম। কামালপুর যুদ্ধ নিয়ে প্রচুর লেখা আছে। কোন লেখাতেই কামালপুরে জিয়ার ব্যাক্তিগত উপস্হিতির কোন প্রমান নেই। বরং যুদ্ধক্ষেত্র থেকে ক্যপ্টেন হাফিজ ও সালাউদ্দিন মমতাজ যখন জিয়ার সংগে ওয়ারলেসে যোগাযোগ করছিলেন (জিয়া তখন হেড কোয়ার্টারে বসে) , সেখান থেকে জিয়া নির্দেশ দিচ্ছিলেন "ফাক দেম আউট ফ্রম বাংকার, আই উইল এসসেপ্ট ১০০% ক্যাজুয়ালটি"।
লেখক বলেছেন: কামালপুর যুদ্ধের দায়িত্ব ১ম বেংগল ব্যাটালিয়নকে দেয়া হয়েছিলো মেজর মইনুল হোসেনকে।
সেই যুদ্ধের ব্যাটালিয়ন কমান্ডার মেজর মইনুল হোসেন তার বইতে কি লিখে গেছেন সেটা দেখি :
২/পাতা ১৬৭
২/পাতা ১৬৮
২/পাতা ১৭০
আর কিসু বলার আছে ?
চারু_চারবাক বলেছেন:
উইকিপিডিয়াতে কামালপুর যু্দ্ধ সম্পর্কে যা লেখা আছে.........Attacks on Kamalpur Camp
On June 12, 1971, the first attack was launched by Mukti Bahini at Kamalpur Camp. Pakistani troops tried to enter the villages of Sarishabari Upazila of Jamalpur district but failed as the villagers confronted them. Many people in the villages martyred. While retreating, the Pakistan Army set fire in the villages.[1]
Under the command of Major Moinul Hussain Chowdhury, Battalion Commanding Officer of the 1st East Bengal Regiment of Sector 11 of ‘Z’ force, the second attack was launched on July 31 (at night on August 1), 1971.[3][4] The attack was made with two companies Delta and Bravo from the North – East of the enemy camp. Captain Salahuddin Momtaz commanded Delta on the left and Captain Hafiz commanded Bravo on the right. As the troops were moving towards the enemy post, the enemy artillery started firing heavily. As a result, the progress of the two companies became slow and encountered demise. The troops continued moving forward and entered the outer perimeter of the enemy camp. Though casualties were increasing, the freedom fighters made progress through the minefield. At one stage of the fight, two shells dropped in front of Captain Salahuddin Momtaz and killed him. Fortunately, Captain Hafiz could escape death. In the morning at 7:30, Major Moin, the battalion commander of 1st East Bengal Regiment ordered the battalion to retreat.[3]
কোথাও জিয়ার নামটি পর্যন্ত নেই !!!!!!!!!
লেখক বলেছেন: থাকবে কিভাবে ?
মুক্তিযু্দ্ধের এত বড় একজন হিরোর বীরত্বকে তো বাংলাদেশের একটি উপজাতি ভয় পায় !
উইকিপিডিয়াতে যদি শকুন হাসিনার গৃহপালিত আওয়ামী শুকর ছানারা পদচারন করে , আর উইকির পেজ গুলোতে সত্য ইতিহাস ধামাচাপা দিয়ে ঘোত ঘোত করে তাহলে আমার তো কিসু করার নাই।
উইকিতে জিয়াউর রহমানের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হবে খুব দ্রুত।
আমি নিজেই সময় পেলে করে ফেলবো ইনশাল্লাহ।
এবার আশা করি বুঝলেন- বাচ্চার মালিকানা নিয়ে চ্যালেন্জ্ঞ করতে চাইলে খুড়তুতো পিসি কিংবা পিসতুতো মাসী নয় ,
মায়ের কাছ থেকেই ঘটনা জানতে হয় !
আর কোন চ্যালেন্জ্ঞ ?
ও আচ্ছা , আপনাকে ধন্যবাদ জানাতেই ভুলে গেসি !
উইকিতে যে এরকম একটা বড় জালিয়াতি করে বসে আছে হাসিনার গৃহপালিত শুকররা কামালপুর যুদ্ধের পেজটাতে জিয়ার নাম বাদ দিয়ে সেটা আপনি না বললে তো জানতেই পারতাম না !
অনেক ধন্যবাদ !
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পাষান
ও.জামান বলেছেন:
এখনো যারা মুক্তিযুদ্ধে জিয়া এবং 'জেড-ফোর্স' এর বীরত্বপূর্ণ যুদ্ধকে অস্বীকার করবে তারাই রাজাকার।
অনেক ধন্যবাদ আপনাকে মহান বিজয় দিবসের প্রাক্কালে এই বীর সেনানীদের বীরত্বগাঁথা শোনানোর জন্য।
স্টিকি করার অনুরোধ করে লাভ নেই। কারণ সামুতে কখনোই জিয়ার বীরত্বগাঁথার ইতিহাস নিয়ে লেখা পোস্ট স্টিকি হবে না। সামুতে স্টিকি না হলেও এই বীরত্বগাঁথা আমাদের মনে স্টিকি হয়ে থাকবে আজীবন।
লেখক বলেছেন: এই বীরত্বগাঁথা আমাদের মনে স্টিকি হয়ে থাকবে আজীবন
ভুলোমন বলেছেন:
প্লাস এবং প্রিয়তে ।
লেখক বলেছেন: ভুলোমন দেখি আমার পোস্টে প্লাস দিতে ভুলে যায়না
অনেক ধন্যবাদ ভাই
তাসবীর আহমাদ বলেছেন:
প্লাস।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ আহমেদ
লেখক বলেছেন: আগেই তো বলেছি :
বাচ্চার মালিকানা নিয়ে চ্যালেন্জ্ঞ করতে চাইলে খুড়তুতো পিসি কিংবা পিসতুতো মাসী নয় ,
মায়ের কাছ থেকেই ঘটনা জানতে হয় !
আর কোন চ্যালেন্জ্ঞ ?
ও.জামান বলেছেন:
কামালপুর যুদ্ধে যাঁরা নিজেরা অংশগ্রহন করেছেন তাদের প্রতক্ষ্যদর্শী বর্ণনার বিপরীতে ঐ সময় কামালপুর হতে আড়াইশ মাইল দূরে থাকা মেজর শফিউল্লাহ বর্ণনা পোস্ট করে এক জেনুইন রাজাকার তার নিজের জাত চেনালেন। পড়ে বিমলানন্দ পেলাম।লেখক বলেছেন: ![]()
লেখক বলেছেন: অ্যাপোলো ভাই : পাকিস্তানী বাপরা যাওয়ার পর ওদের ভারতীয় বাপরা এই দেশটাকে চোষা শুরু করেছিলো।
জিয়া পাকিস্তানী বাপদেরকে ডলা দেয়ার পর এদের ভারতীয় বাপদেরকেও ডলা দিয়েছিলেন তার প্রেসিডেন্সী পিরিয়ডের ৬ বছরে।
সেজন্যই এই ভারতীয় রাজাকার গুলার জিয়ার বীরত্ব নিয়ে এত জ্বলুনী আর খাউজ।
নাহিয়ানের কাসে জানলাম ইনি নাকি টিপাই মুখ বাধে বাংলাদেশের কি কি উপকার হবে সেসব প্রোপাগান্ডা সামুতে প্রচার করেন !
হায়রে ভারত মন পেয়ার !
অচেনা রাজ্যের রাজা বলেছেন:
পোস্টের জন্য অনেক কষ্ট করেছেন বুঝা যাচ্ছে। যতটুকু না কষ্ট করেছেন তার চেয়েও বেশী পোস্টটা সুন্দর হয়েছে। গবেষণালব্ধ পোস্টে প্লাস....+
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রাজা মশাই !
ফয়সাল তূর্য বলেছেন:
অসাধারন......সরাসরি প্রিয়তে।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ তূর্য
স্বাধীকার বলেছেন:
কামালপুর, বকসীগঞ্জ, শ্রীবরদী, সরিষাবাড়ী-এসব এলাকার মানুষ এখনো জীবিত আছে, দরকার হলে যেকোনো দলবাজ ভৃত্যই সেখানে গিয়ে জানতে পারে জিয়া সেখানে ছিলেন কিনা। নির্লজ্জ দলবাজ গুলো এতদিন বলে আসছে জিয়ার কোনো ছবি নেই যুদ্ধের মাঠের। আজ বলছে জিয়া অনুপস্থিত ছিলো টিলাতে। এখন নগদে ছবি দেখানোর পর, হাতে নাতে প্রমান দেওয়ার দৌড়াচেছ উইকি’র পেছনে, যারা যুদ্ধের মাঠে যুদ্ধ করেছেন-তাদের বর্ননাকে অস্বীকার করা মানেই নিজের চেতনা বা ইতিহাসবোধকে প্রশ্নবিদ্ধ করা। এই নির্লজ্জের দল বঙ্গবন্ধু ছাড়া আর কেউ যুদ্ধ করেছে-এটাই স্বীকার করতে রাজী নয়। জিয়াকে কলংকিত করতে যা কিছু করার দরকার তাই করবে। দরকার পড়লে রাজাকারকে কোলে নিয়ে তাকে দিয়ে দিয়েও জিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে পারে আমাদের আম্লীগ বশংবদ গুলো।
এখন মিউ মিউ করে বুঝাতে চাচ্ছে, উইকি আম্লীগের উপর নাজিল হয়েছে, সেখানে জিয়ার নাম নেই। মতলববাজদের কাছে এর বেশী আর কি আশা করা যায়। যারা একজন আদালত ঘোষিত মাথামোটার দালালী করছে।
লেখক বলেছেন: স্বাধীকার ভাই : ওরা বাচ্চার মালিকানা নিতে খুড়তুতো পিসি আর পিসতুতো মাসীদের কাছে যায় !
অথচ বাচ্চার মা এর কাছে যেতে চায়না !
হেহেহে , বোঝেন না কেন ?
নাহিয়ান বিন হোসেন বলেছেন:
উপরে ব্লগের এক চিহ্নিত ভাদার বাচ্চা ভাদারে ফালতু সূত্র নিয়া লাফাইতে আসছে। ভাদাটা লজ্জা শরমের মাথা খেয়ে বোধ হয় ভুলে গেছে যে, কয়েকদিন আগেই এক পোষ্টে টিপাইমুখ বাধের পক্ষে চরম সব উলটা পালটা তথ্য দিয়ে, পরে ধরা খেয়ে কুত্তার মত গদাম খেয়েছিল! সেই ভাদা এখন আইছে জিয়াউর রহমানরে নিয়া কথা বলতে! কুত্তা গদাম খায়েও এগুলার শিক্ষা হয় না। আসলেই ভাদা গুলা মানুষের জাত না।
লেখক বলেছেন: এই লোক তাহলে টিপাইমুখ নিয়ে ভারতীয় রাজাকার গওহার রিজভীর মুখপাত্র সামুতে ?
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সাঈদ
ত্রিশোনকু বলেছেন:
কামালপুরের যুদ্ধ একটি প্রচলিত যুদ্ধ ছিল। গেরিলা যুদ্ধ নয়।জিয়াউর রহমান ছিলেন জেড ফোর্স কমান্ডার। জেড ফোর্স ছিল একটি ব্রিগেড। জিয়া ছিলেন সে ব্রিগেডের ব্রিগেড কমান্ডার।
কামালপুর আক্রমন ছিল একটা ব্যাটালিয়ান এটাক। এই এটাকে ব্যাটালিয়ান কমান্ডারেরই উপস্থিত থাকার কথা যুদ্ধের মাঠে।
ব্যাটানিয়ান এটাকে ব্রিগেড কমান্ডারের স্বশরীরে হাজির থাকার কোন কারন বা প্রয়োজন নেই। তার ব্রিগেড কমান্ড পোস্টে থেকে যুদ্ধের সমন্বয় করার কথা।
সেটাই স্বাভাবিক ও সেভাবে করলেই জিয়াউর রহমান ঠিক কাজটি করেছিলেন ।
তবে তিনি সৈনিকদের উৎসাহ দিতে স্বশরীরে সেখানে যেয়ে থাকলেও থাকতে পারেন। যদিও সে ক্ষেত্রে সেটা একেবারেই ব্যাতিক্রম।
আমরা যদি মনে করি একটি প্রচলিত যুদ্ধে এল এম জি চালাবে একজন সাধারন সৈনিকের বদলে একজন কর্মকর্তা তা হলে আমরা অত্যন্ত ভুল করবো। কারন একজন কর্মকতাকে মাঠে যুদ্ধ পরিচালনা করতে হয়। এল এম জি চালাতে চালাতে ঠিক ভাবে পরিচালনা করা সেই কর্মকর্তার পক্ষে সম্ভন নয়।
কামালপুর যুদ্ধে জিয়াউর রহমান তার কমান্ড পোষ্ট থেকে এই যুদ্ধে যত খানি সাহায্য করতে পারতেন তার এক শতাংশও পারতেন না নিজে যুদ্ধ ক্ষেত্রে হাজির থেকে।
একটা ব্যাটালিয়ান এটাকের সময় সেই যুদ্ধের মাঠে ব্রিগেড কমান্ডারের কোন করনীয়ই নেই।
তাই এই কূট তর্ক একেবারেই অসার যে কামালপুর যুদ্ধে জিয়া স্বশরীরে উপস্থিত ছিলেন কি ছিলেন না। তিনি অবশ্যই সে যুদ্ধ পরিচালনা করছিলেন। যুদ্ধের ফলাফল, কৌশল, বারবার ছোট্ট একটা বি ও পি দখল করতে কেন একটা ব্যাটালিয়ন ব্যার্থ হল সেটা নিয়ে আলোচনা করা যেতে পারে , তার স্বশরীরে উপস্থিত থাকা না থাকা নিয়ে নয়
লেখক বলেছেন: [১] হ্যা , শাফায়াত জামিল এবং মেজর মইন ২ জনেই বলেছেন মেজর জিয়া কামালপুর যুদ্ধে থাকার কথা নয়। এমন কি তিনি নকশী বিওপি তেও সম্মুখ সমরে ছিলেন।
ছালিয়া পাড়া , কোদালকাটি সহ আরো বেশ কিছু যুদ্ধেও সম্মুখ সমরে ছিলেন।
ক. অজয় রায়ের মত যুদ্ধ গুলো খুবই গুরুত্বপূর্ন পজিশনে এবং জেড ফোর্সের যুদ্ধ সক্ষমতার এসিড টেস্ট !
সেজন্য জিয়া নিজেই উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযোদ্ধাদের স্পিরিট বাড়ি্যর তোলার জন্য।
খ. জিয়া যুদ্ধ সমন্বয় করেছেন
গ. শমসের মবিন চৌধুরী বলেছেন তার ৭১ এর অভিজ্ঞতা থাকে যে জিয়া ব্যাটল ফিল্ডে থাকতে খুব পছন্দ করতেন। সেট পিস যুদ্ধে কোথায় এইচএমজি বসাতে হবে , কোথায় মর্টার বসাতে এগুলো - এই ওয়েপন পিস গুলো নিজে সেট করতেন , এবং ব্যাপারটা উপভোগ করতেন।
জুনিয়রদের কেও শেখাতেন। তার মতে নিজে সামনে থাকলে অনুগত সৈনিকদের স্পিরিট অনেক বেড়ে যায়। আর কামালপুর যুদ্ধ জেড ফোর্সের ১ম অপারেশন বলে অনেক অনিশ্চয়তা ছিলো কি হয় না হয় ।
জিয়া সেজন্য নিজেই উপস্থিত ছিলেন।
[২] আমরা যদি মনে করি একটি প্রচলিত যুদ্ধে এল এম জি চালাবে একজন সাধারন সৈনিকের বদলে একজন কর্মকর্তা তা হলে আমরা অত্যন্ত ভুল করবো। কারন একজন কর্মকতাকে মাঠে যুদ্ধ পরিচালনা করতে হয়। এল এম জি চালাতে চালাতে ঠিক ভাবে পরিচালনা করা সেই কর্মকর্তার পক্ষে সম্ভন নয়।
অনেক ধন্যবাদ , এটা আওয়ামী নির্বোধদেরকে বোঝান
[৩] কামালপুর যুদ্ধে হেড কোয়াটারে থেকে জিয়া তেমন একটা সাহায্য করতে পারতেন না। কারন রিইনফোর্সমেন্টের কোন সুযোগই ছিলোনা।
আগে থেকেই পর পর ৩ টি অপারেশনের পরিকল্পনা করে ফেলা হয়েছে। নকশী বিওপির যুদ্ধে ভারতীয় সেনাবাহিনীর আর্টিলারীরা মর্টার হামলা করে যুদ্ধ শুরু করেছিলো - কোন ভারতীয় ইনফ্যান্ট্রী ব্যাটালিয়ন অংশ নেয়নি। কামালপুর বিওপিতেও নিতোনা বলেই মনে হয়।
[৪] কামালপুর যুদ্ধ জেতা যায়নি , তবে ব্যর্থ হয়নি।
কেন জেড ফোর্স পিছু হটেছিলো তার ৪ টি কারন ব্লগেই বলা হয়েছে।
ধন্যবাদ
স্বাধীকার, ত্রিশোনকু, জুল ভার্ন এর মন্তব্য পোস্টের বাড়তি সংযোজন।
বরাবরের মত অসাধারন পোস্ট @ দাসত্ব ।
কেউ যদি ভেবে থাকে বিমানবন্দরের নাম পালটালেই ইতিহাস পাল্টে যাবে তারা করুনা পাবার অধম ।
আপনার প্রত্যেক পোস্টের ব্যাকগ্রাউন্ড স্টাডির কথা ভাবলে অবাক হতে হয় ।
লেখক বলেছেন: কেউ যদি ভেবে থাকে বিমানবন্দরের নাম পালটালেই ইতিহাস পাল্টে যাবে তারা করুনা পাবার অধম ।
হাসিনা তো বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অধমতম !
সে মারা গেলে খোদ আওয়ামী লীগের ভেতর অসংখ্য নেতা কর্মী বলবে :
আলহামদুলিল্লাহ !
ইনালিল্লাহ নয় - ট্রাস্ট মী
নাহিয়ান বিন হোসেন বলেছেন:
উপরের চিহ্নিত ভাদা ব্লগে প্রকাশ্যে টিপাইমুখ সমর্থনকারী সবচেয়ে নিচু শ্রেনীর কীটপদের একটা। সে গওহর রিজভীকেও হার মানাবে বলে আমার ধারনা! তবে ভাদাটাকে এমন গদাম সেদিন দেয়া হইছিল!
লেখক বলেছেন: হুম , তার ব্লগ চেক করে দেখসি
নাহিয়ান বিন হোসেন বলেছেন:
উপরের চিহ্নিত ভাদা ব্লগে প্রকাশ্যে টিপাইমুখ সমর্থনকারী সবচেয়ে নিচু শ্রেনীর কীটপদের একটা। সে গওহর রিজভীকেও হার মানাবে বলে আমার ধারনা! তবে ভাদাটাকে এমন গদাম সেদিন দেয়া হইছিল!
ডাঃ মাহমুদ মুন বলেছেন:
আপনার সব লিখাই কিভাবে এতো ভাল হয়????? বরাবরের মত প্রিয়তে!!!!!!!!!!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাহমুদ মুন , ভালো হয় কিনা জানিনা। যত্ন থাকে - এটাই ।
ওওওওওওও বলেছেন:
ভাইয়া, আপনার লিখা আমার সবসময় ই ভাল লাগে তবে আজকের লিখা টা একটু অন্যরকম । facebook এ সেয়ার মারলাম ।
লেখক বলেছেন: শেয়ারের জন্য কৃতজ্ঞ থাকলাম
চারু_চারবাক বলেছেন:
৪.টিলায় মেজর জিয়া হাল্কা কামান ও হেভী মেশিনগান সহ অবস্থান নিলেন কারন একজন কর্মকতাকে মাঠে যুদ্ধ পরিচালনা করতে হয়। এল এম জি চালাতে চালাতে ঠিক ভাবে পরিচালনা করা সেই কর্মকর্তার পক্ষে সম্ভন নয়। কামালপুর যুদ্ধে জিয়াউর রহমান তার কমান্ড পোষ্ট থেকে এই যুদ্ধে যত খানি সাহায্য করতে পারতেন তার এক শতাংশও পারতেন না নিজে যুদ্ধ ক্ষেত্রে হাজির থেকে।
লেখক বলেছেন: আপনার লাজ লজ্জা বোধ দেখে আমি অবাক হইলাম !
১ মে জিয়া কি কামালপুর যুদ্ধে সম্মুখ সমরে ছিলো কিনা সেটা নিয়ে বেহায়াপনা করলেন......
ঘটনা সত্য প্রমান হবার পর এখন এলেমজি চালাইসেন না এইচ এম জি চালাইসেন সেটা নিয়ে নতুন ছ্যাচড়ামী।
আরে বেহায়া বেশরম - জিয়া নিজে কোন ফায়ার করে নাইরে , জিয়া ফায়ারিং কমান্ড করসে , এইচ এম জি আর হাল্কা কামান চালাইসে সাধারন সৈনিকরা .........
বুঝলা ছ্যাচড় , রাস্তা মাপ - টিপাইমুখের উপকারিতা প্রচার বিষয়ক ভারতীয় ভলান্টিয়ার
নুর মাহমুদ বলেছেন:
আগুন পোষ্ট !!! প্রিয়তে নিতে বাধ্য হলাম।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ মাহমুদ
চারু_চারবাক বলেছেন:
লেখক বলেছেনকোদালকাটির সম্মুখ সমরে জিয়া নিজে উপস্থিত ছিলেন........... ইতিহাস কি বলে দেখা যাক...................
৬ই অগাস্ট সকাল ১০টার দিকে পাকিস্হানিরা গানবোটের সাহায্যে ব্যাপক আর্টিলারীর গোলা নিক্ষেপ করে কোদালকাটি চরটি দখল করে নেয়। সুবেদার আলতাফের অধীনস্হ হাবিলদার মাহবুবের নেতৃত্বাধীন এক প্লাটুন শক্তিসম্পন্ন মুক্তিযোদ্ধা পাকিস্হানিদের প্রতিহত করতে চেস্টা করে, কিন্তু তারা ব্যার্থ হয়, বেশ কয়েকটি ছেলে ব্যাপক আর্টিলারির মর্টারের গোলার আঘাতে আহত হয়। বাধ্য হয়ে কোদালকাটি অবস্হান ছেড়ে মুক্তিবাহিনীর যোদ্ধারা কর্তিমারির চর এলাকায় অবস্হান নেয়। নিরুপায় হয়ে সুবেদার আলতাফ দৌড়ে এসে তেলাঢালায় ক্যাপ্টেন আনোয়ারকে এ সংবাদটি দেন। ক্যাপ্টেন আনোয়ার সাথে সাথেই ব্যাটেলিয়ান অধিনায়ক মেজর সাফায়েত জামিলসহ "জেড ফোর্স" কামান্ডার মেজর জিয়ার কার্যালয়ে পৌছেন।
রৌমারী প্রতিরখ্ষার গুরুত্ব নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনার পর তৃতীয় বেংগল রেজিমেন্টের পক্ষ থেকে মেজর জিয়া আমার কোম্পানিকেই রৌমারী প্রতিরক্ষার কাজে নিয়োজিত করেন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মেজর সাফায়েত জামিল সন্ধার আগেই আমার কোম্পানি নিয়ে রৌমারী পৌছতে বলেন। এই কোডালকাটি চরের যুদ্ধে বীরত্বপূর্ন অবদান রাখার জন্য তারামন বিবি "বীর প্রতীক" উপাধিতে ভূষিত হয়েছিলেন।"
রৌমারী রাণাঙ্গন : লে:কর্নেল এস আই এম নূরন্নবী খান বীর বিক্রম (বরখাস্ত) পৃ: ২৫-২৬
লেখক বলেছেন: জিয়া যেই যুদ্ধে সম্মুখ সমরে ছিলেন কোদালকাটিতে সেটা ছিলো ১৮ ই আগস্ট । সেই যুদ্ধে হারার পর পাকিস্তান আর্মি কোদালকাটির দখল ছেড়ে চিলমারীতে পালিয়ে গিয়েছিলো।
আর কিছু ?
হাছুইন্যা বলেছেন:
কেউ যদি ভেবে থাকে বিমানবন্দরের নাম পালটালেই ইতিহাস পাল্টে যাবে তারা করুনা পাবার অধম । +++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
সুমন_সরকার বলেছেন:
দাসত্ব ভাই গাইবান্ধা জেলার মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে ও জেড ফোর্সের জিয়ার রনাঙ্গন হতে যুদ্ধের কথা আছে । গাইবান্ধা জেলার ওয়েব সাইটে আছে....গাইবান্ধা জেলা
সেখানে কোদালকাটির যুদ্ধের বর্ণনায় স্পষ্ট ভাবে জিয়ার কথা আছে...
অট. বর্ণমালায় পোষ্ট করেন নি কেন ?
লেখক বলেছেন: সেটা হাম্বাকে বোঝান........
শুরু করসিলো জিয়া কামালপুর যুদ্ধে ছিলো কিনা সেটা নিয়ে।
হাতে নাতে ধরা পড়ে নতুন করে শুরু করসে কোদালকাটি যুদ্ধে থাকা না থাকা নিয়ে ,
সেটার প্রমান পাইয়া আবার শুরু করলো কামালপুর যুদ্ধে টিলার উপরে ছিলো নাকি গাছের মগডালে ছিলো সেটা নিয়ে !!
হেহেহে , ইহারাই আম্বালীগ !
বুঝতে হবে !
লিংকটার জন্য অনেক ধন্যবাদ সুমন সরকার।
সুমন_সরকার বলেছেন:
প্রিয়তে
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সুমন সরকার
চারু_চারবাক বলেছেন:
যারা ভাবে জিয়াকে মিথ্যা লেখার মাধ্যমে টিলার উপর হেভি মেশিন গান বসিয়ে দিলে ইতিহাস পাল্টে যাবে, তাদের জন্য শুধুই করুনা।
লেখক বলেছেন: লাদানোর জন্য ধন্যবাদ
সংগে শুভেচ্ছা উপহার : দুটি তালগাছ........

আপনারই জন্য !
সুবাইল বলেছেন:
+++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ সুবাইল
চারু_চারবাক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: কোদালকাটিতে একবারই যুদ্ধ হইসে নাকি ?
৬ ই আগস্টের পর কি আর কোন যুদ্ধ হইতে পারেনা ? তাই নাকি? তাহলে কবে সেই যুদ্ধ হয়েছিল, জিয়া কোন গাছের মগডালে হেভি মেশিন গান নিয়ে যুদ্ধ করেছিল, তা বলে সবার সন্দেহ দুর করে দিন।
শুরু করসিলো জিয়া কামালপুর যুদ্ধে ছিলো কিনা সেটা নিয়ে।
ছিলো না ছিলো না ছিলো ছিলো না।বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের যত ইতিহাস লেখা হয়েছে, কেউ বলেন নি জিয়া কামালপুর যুদ্ধে ব্যাক্তিগত ভাবে উপস্হিত ছিল।
আর তালগাছ তো আপনাদের মৌরোসি পাট্টা। জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধ হয়েছিল ।
লেখক বলেছেন: মৌরোসি পাট্টা কি জিনিস , কোথায় পাওয়া যায় ?
ভারতে ? এই শব্দ আজকেই ১ম শুনলাম
চারু_চারবাক বলেছেন:
অনেক কিছুই শুনেন নি। বা ভূল শুনেছেন। একটু লেখা পড়া করেন। অনেক কিছুই জানতে পারবেন।আপনার এই লেখার সত্যতা সম্পর্কে জানতে হলে পড়ুন.........: লক্ষ প্রানের বিনিময়ে: মেজর রফিকুল ইসলাম, বীর উত্তম
: মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ : মেজর জেনারেল কে এম সফিউল্লাহ, বীর উত্তম
: মুক্তিযুদ্ধে নয়মাস : মেজর জেনারেল সুবিদ আলী ভুইয়া
: যুদ্ধে যুদ্ধে স্বাধীনতা : মেজর নাসির উদ্দিন
: এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম: লেঃ কর্নেল আবু ওসমান চৌধুরী
: রৌমারি রনাঙ্গন : লেঃ কর্নেল নুরনবী চৌধুরী
: একাত্তুরের মুক্তিযুদ্ধ : কর্নেল শাফায়েত জামিল।
: মুক্তিযুদ্ধ কোষ (২য় খন্ড) : মুনতাসির মামুন।
এই কয়েকটা বই পড়লেই আপনার দাবিকৃত সব তথ্য মিথ্যা প্রমানিত হবে।
লেখক বলেছেন: সবকয়টাই তো আওয়ামী দালালী করে এখন , আর হ্যা আপনাকেতো বলতে ভুলেই গেসিলাম । আপনি যে কামালপুর যুদ্ধের ঘটনার লিংক দিসিলেন শফিউল্লাহর সেই লিংকে লেখা আছে :
উপর থেকে নিচ : ৮ নং রো
From the assembly area they moved. Delta Company leading followed by Bravo Company. Next in order was the battalion orders group (O group) where in addition to Moin, the battalion commander, Zia, was also present. At H-hour own artillery was programmed to provide covering fire.
ইস ! কি বেইজ্জতি হয়ে গেলো না ?
চোখের ডাক্তার দেখান ভালো করে।
জিয়া বিরোধীতা করবেন ভালো কথা , কিন্তু বেফাঁস তো জিয়ার পক্ষেই লিংক দিয়ে গেলেন
এ এক আজব পাগলের সাথে কথা বলতেসি !
লেখক বলেছেন: দু:খিত সব কয়টা নয় , অধিকাংশই আওয়ামী দালালী করে এখন।
হাসিনাকে খুশী করতে হবে না !
মোস্তফা কামাল পলাশ বলেছেন:
দাসত্ব ভাই, হাম্বারা কি ভাল কথার মানুষ বলে আপনি মনে করেন ???নিম্নক্তো পোষ্টে ভাদাটাকে যে থেরাপি দিছেন উপরের ভাদাটাকেও সেটা না দিলে পিছু ছাড়বে না মনে হয়? আপনি ভূলে যাওয়ায় আপনার কমেন্টস এর লিন্কই দিলাম আপনাকে ।
Click This Link
লেখক বলেছেন: হুম , বুঝতে পারসি , নাহ , থাক , বেচারা বেকুব টাইপ , জিয়া কামালপুর যুদ্ধে ছিলেন না প্রমান করার জন্য এমন এক লিংক দিয়ে গেসে যেখানে লেখা আছে জিয়া ওয়াস প্রেসেন্ট দেয়ার !
কি লজ্জা !
বেচারা এম্নিতেই শরমে পরসে
ঋনাত্মক তড়িৎদ্বার বলেছেন:
প্লাস এবং প্রিয়তে। ৫৩ নং কমেন্টের জবাবে প্লাস। হাহাহা। চারুদা এই পোষ্টটা আরও মজাদার বানাইলেন, এল্লিগা উনারেও প্লাস।
লেখক বলেছেন: চারুদা বিশাল এক লজ্জায় পড়সেন ৫৬ নাম্বারের উত্তরে !
ধন্যবাদ ক্যাথোড
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন:
+++++ দারুণ! ধন্যবাদ। দাসত্ব ভাই আপনি এস্কিমো নামক চরম আওয়ামী-বাকশালী ভক্তকে পারত পক্ষে এড়িয়েই চলেন। কারণ তার হতে টু দা পয়েন্ট কোন জবাব পাবেন না। আলীগ-বাকশাল ও হাসিনার বিরুদ্ধে গুরুতর ভাবে তথা সমালোচনা হয়ে যায় এমন কিছুর জবাব সে জীবনেও দিবে না। কেবলই পিছলাবে। এই এস্কিমোই বাকশালের পক্ষে জয়গান গায় এবং বাংলাদেশে ফেসবুককে ব্লক করলে সে এর পক্ষে সাফাই গায়। অথচ প্রায়ই কানাডার গণতন্ত্র নিয়ে প্রশংসায় পঞ্চমুখ।
আর আপনি আস্তে আস্তে আরো জানবেন যে ফেসবুকে আওয়ামী-বাকশালী লেখকদের বেশ কিছু বিকৃত ও মিথ্যা রেফারেন্সের বইয়ে উইকিতে জিয়া সমন্ধে অপবাদ মুলক তথ্য আছে। যেমন আমি শাহ আজিজকে নিয়ে ধাক্কা দিসিলাম।
আল্লাহ আপনের মঙ্গল করুন!
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ জিন্দাবাদ ভাই ।
উইকির বিষয়টা নিয়ে সিরিয়াসলী ভাবতেসি
চাষী বলেছেন:
স্বাধীনতার ঘোষক জিয়া , লও লও লও সালাম।
লেখক বলেছেন: জিয়ার প্রতি ফ্যাসিনেশন থাকলে রাজাকারের পা চাটেন কেন ?
নাকি ভন্ডামী করে মন্তব্যটা করলেন ?
চারু_চারবাক বলেছেন:
লেখক বলেছেন: চারুদা বিশাল এক লজ্জায় পড়সেন ৫৬ নাম্বারের উত্তরে ! ছাগলগুলা উত্তেজনার ঠেলায় লেজ উল্টিয়ে দেখেনি এটি ছাগু না ছাগী।
Zia, was also present. কোথায়???? না এসেম্বলি এরিয়াতে। এসেম্বলি এরিয়া কোথায়??? না এটা ভারতের ভিতরে। আমার দেওয়া ডেইলি স্টারের লিংকে যুদ্ধ ক্ষেত্রের একটি ম্যাপ দেওয়া আছে।সেখানে পরিস্কার ভাবে দেখানো আছে। জিয়া যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে নিরাপদে সেখানেই ছিলেন। প্রমান? প্রমান মেজর মঈন। বিগ্রেড কমান্ডার জিয়া যদি নিজে উপস্হিত থাকতেন তবে মেজর মঈন ঐ যুদ্ধের কমান্ডার হতেন না।হতেন জিয়া নিজে। কারন জিয়া ছিল মঈনের বস।মঈনের লেখাতেও তার প্রমান যুদ্ধ যখন শেষ, অসংখ্য সৈন্য নিহত অথবা আহত। তাদের দেহ উদ্ধরের কাজ চলছে, তখন ..হ্যা...তখন জিয়া এসে উপস্হিত হন। যুদ্ধের পর সকাল বেলায়।জিয়া টিলার উপর হেভি মেশিন গান নিয়ে যুদ্ধের সময় কি বাল ফালাইতে ছিলেন, তা কিন্তু আপনার লেখায় কারো লেখার উদৃতি দিয়ে প্রমান করতে পারেন নি।
চুঃ চুঃ চুঃ.........পোলাপাইন, আরো পড়া লেখা কর। গাজার নৌকা পাহাড়ে না চলানোই ভালো
লেখক বলেছেন: হ্যা , তেলঢালা থেকে জিয়া সোলেমানী জায়নামাজে করে ৩০ সেকেন্ডে কামালপুর বিওপিতে এসে হাজির হইসিলো !
খুশী !
অনেক লাদাইসেন
একলা বগ বলেছেন:
রুমানা মন্জুরকে নিয়ে লেখা আপনার পোষ্ট সরিয়ে ফেলা হয়েছে, পোষ্টটা পড়তে চেয়েছিলাম। কোন লিংক দিতে পারবেন?
লেখক বলেছেন: আর কোথাও পাবলিশ করি নাই
লেখক বলেছেন: আরে নাহ , আমি কেন ড্রাফটে নিবো ?
মডারেশন স্ট্যাটাস জেনারেল !
আমি পুড়ো হতভম্ব !
দাড়ান জেনারেশন ৮৬ এর টা দেখে আসি
রমিত বলেছেন:
চমৎকার পোস্ট। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ রমিত
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ইউনুস খান , ভালো থাকবেন
লেখক বলেছেন: বলতে ভুলে গেসিলাম , তাহের আর ৭ ই নভেম্বরের ঘটনা নিয়ে একটা পোস্ট করসি।
এই ব্লগটা একটু ভালোভাবে প্রচারের ব্যবস্থা করেন
ক্ষত্রিয় বলেছেন:
শুনতাছি মডারেশন প্যানেলএ নাকি এক নারী আছে?লোকে মুখে শোনা যায় তার চরিত্র নাকি আবার রুমানার মতই? পিচ্চি প্রমোদবালা এই কম করতে পারে লেখক বলেছেন: আরে ধুর ! নাহ ! আর নারী থাকলে তো আমার পোস্টটা তার পছন্দ হওয়ার কথা !
সবাই তো নষ্টা , বেশ্যা , ধ্বংস হোক- সব যৌন খিস্তিখেউর করতেসে , অভিশাপ দিতেসে।
আমার পোস্টটাতো সবচেয়ে মানবিক টোনে আমি লিখসি যেখানে রুমানা কিংবা সাঈদ কাউকেই খারাপ ভালো দেখানোর চেষ্টা করা হয় নাই।
লেখক বলেছেন: ভালো থাকবেন ![]()
ইশতিয়াক আহমেদ চয়ন বলেছেন:
চমৎকার +++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ইশতিয়াক চয়ন
পথিক মানিক বলেছেন:
চমৎকার উপস্হাপনা। অনেক কিছু জানলাম যা অজানা ছিল। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ পথিক মানিক
রাশেদ_০৭৯ বলেছেন:
মনটা ভালো হয়ে গেলো, প্রিয় নেতার গল্প শুনে, লেখককে অনেক ধন্যবাদ, ভবিসতে আরো পোস্ট পাবার আশায়, আর কিছু দালালদের লাফালাফি দেখে কস্ট লাগলো... যাই হোক প্রিয়তে ...।। লেখক বলেছেন: আমার নিজের ও মনটা খারাপ ছিলো দিনের পর দিন আওয়ামী ইতরদের ইতরামী মার্কা কথাবার্তা শুনতে শুনতে। নিজের মন ভালো করার জন্যই লিখসিলাম। এখন আরো অনেকের মন ভালো হচ্ছে জেনে ভালো লাগলো।
ব্লগে আসার জন্য ধন্যবাদ রাশেদ
আহমাদ জাদীদ বলেছেন:
অনেক অজানা কথা জানতে পারলাম । আমার এক কাকা আছে এই ধরণের ক্যাপ আর সানগ্লাস পড়লে হুবহু জিয়াউর রহমানের মত দেখায় । মজার ব্যাপার হল চাচাদের মধ্যে একমাত্র এই চাচাই আওয়ামী লীগের কঠিন সমর্থক অফটপিকঃ সময় কইরা আমার ব্লগে ঘুরে যায়েন......অন্তত ব্লগে প্রথম পাতার পোস্টগুলা দেখে যায়েন ।
লেখক বলেছেন: খ্যাক
দাওয়াত কবুল করলাম
হাদী নয়ন বলেছেন:
অনেক দেরিতে হলেও পুরা পোস্টা শেষ করলাম,এক কথায় অসাধারন!কিছুই বলার নেই সুধু নিবার আছে পোস্ট টা প্রিয়তে নিলাম।আর আপনাকে ++++++++++।
লেখক বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ হাদী নয়ন
লেখক বলেছেন: ভুল জানেন।
জিয়ার অনেক কম্প্রোমাইজ করতে হইসিলো ১৯৭৬ এর বাস্তবতায়।
আর ৯১ ' র বিএনপি ছিলো চমৎকার একটা দল।
আর শেখ মুজিবের ৭২-৭৫ এর সরকারও রাজাকার মুক্ত ছিলোনা।
বাংলাদেশ রাজাকার মুক্ত করা সম্ভব বলে আমি বিশ্বাস করিনা।
এগুলো গালভরা রোমান্টিক বুলি।
আমি বাস্তববাদী মানুষ। আমি বিশ্বাস করি এমন একটা বাংলাদেশ সম্ভব যেখানে রাজাকাররা ডান্ডার নীচে ঠান্ডা থাকবে।
জিয়া সেটা পারসিলেন। ৯১'র বিএনপিও সেটা পারসিলো।
৯৬ তে হাসিনাই জামাতকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে একটা গুরুত্বপূর্ণ দল বানিয়ে দেয় এক টেবিলে বসে আলোচনা করে।
সুমন এম রহমান বলেছেন:
একটু দেরি করে পড়লাম লেখাটা, আপনার লেখা ও লেখার পিছনে শ্রম সবকিছুর প্রতি আমার আস্থা আছে। ব্যক্তিগতভাবে আমি ইতিহাস আশ্রিত লেখক, এবং উপরে চারু চারবাক যে বইগুলোর রেফারেন্স দিয়েছে সেখানে অন্তত আরও চারটি বই যুক্ত হবার কথা, যেখানে উল্লেখিত যুদ্ধগুলোর প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ননা ছিল। কিন্তু সে সুকৌশলে এড়িয়ে গেছে। ওই সময় কম্যুনিকেশন গ্যাপ এত বেশি ছিল আর এক একটা বড় যুদ্ধও বেশ বিচ্ছিন্ন ভাবে ই করতে হয়েছে, মুলত বেশিরভাগ যুদ্ধই গেরিলা পদ্ধতির ছিল বিধায় আমার মনে হয় আপনার উল্লেখিত ইতিহাস পুরোপুরি সত্য হওয়ার সম্ভাবনা ই বেশি। আপনাকে একটা তথ্য দেই, জিয়া যখন মেজর তখনও তিনি মাত্র চার ঘন্টা ঘুমাতেন ২৪ ঘন্টার মধ্যে । বাকি সময় ডিউটি ও পড়াশোনা করতেন। আসলে এই বাকশাল লীগ তো দুরের কথা জিয়াকে সঠিক মেজারমেন্ট করতে পারবে এমন কেউ মনে হয় এখন বি এনপিতেও নাই। জিয়া ছিলেন সত্যিকারের দেশপ্রেমিক ও অবিসংবাদিত নেতা। আর তার সম্পর্কে এদের মূল্যায়নের কোনো গুরুত্বই নাই। এরা ফেলানীদের হত্যাকারী। এই ভাদা দাদাদের গদাম।
লেখক বলেছেন: হুম , ধন্যবাদ
অর্ণব আর্ক বলেছেন:
অসাধারন পোস্ট দাদা। মন্তব্য করার জন্যই সামুতে লগ ইন করা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই
ব্যর্থ সৈনিক বলেছেন:
++++++++++++++++++++++++++++++
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
তৌফিক জোয়ার্দার বলেছেন:
পোস্টের জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ। মেজর জিয়ার মত অকুতোভয় মুক্তিযোদ্ধার কাহিনী পড়ে একদিকে যেমন ভাল লাগছে, অন্যদিকে খুব মন খারাপও হচ্ছে। কারণ, তাঁর নিজের কুপুত্রদের সীমাহীন লোভ ও দুর্নীতি, তাঁর দলের নেতাদের নির্লজ্জ লেজুড়বৃত্তি ও দুর্নীতি, তাঁর স্ত্রীর মূর্খতা ও নির্বুদ্ধিতা, এবং সর্বোপরি তাঁর মত মুক্তিযোদ্ধা কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত দলের মুক্তিযুদ্ধবিরোধী জামাতের পদলেহন- শহীদ জিয়ার অসামান্য অবদানকে প্রশ্নবীদ্ধ করার রাস্তা তৈরি করে দিয়েছে। বিএনপির মত স্বার্থবাদী ও আদর্শবিচ্যুত/আদর্শবিমুখ দল এ ধারা থেকে বের হয়ে সত্যিকার দেশগড়ার কাজে অংশগ্রহণ করবে বলে মনে হয়না। তা যদি হত, আমার মত অসংখ্য মানুষ আওয়ামী দু:শাসনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে বিএনপির পতাকাতলে নিশ্চয়ই আশ্রয় নিত। এখন মনে হয়, বিএনপি ক্ষমতায় আসলে তো যুদ্ধাপরাধীদের বিচার আর হবেনা, ইতিহাস বিকৃতি হতে হতে মুক্তিযুদ্ধের নামনিশানাও মুছে যাবে জামাতীদের ষড়যন্ত্রে, আমার ট্যাক্সের টাকায় গাড়িতে প্রিয় পতাকা ওড়াবে স্বীকৃত রাজাকার।
লেখক বলেছেন: অনেক গুলো তিক্ত সত্য কথা বলেছেন। তবে আশা করি বিএনপির হুশ ফিরবে।
এটা পড়ে দেখেননি সম্ভবত :
বিএনপির সতর্ক এবং কৌশলী হওয়া প্রয়োজন যেভাবে
মন্তব্য করার জন্য ধন্যবাদ
নিশাচর রোবট বলেছেন:
আমি ব্লগ লিখতে না পারলেও অন্যদের ব্লগ পড়তে ভাল লাগে।
অনেকদিন যাবত ঠিকমত সময় পাই না ব্লগ পড়ার।
গত ০৫ জানুয়ারি রাতে অনেকদিন পর ব্লগ পড়তে বসে
এই লিখাটা পড়ে খুব ভাল লাগল।
সবার জন্য একটা কথা বলতে চাই ....
আপনি যে রাজনৈতিক দলের সমর্থন করেন না কেন,
একজন মুক্তিযোদ্ধাকে অপমান করার কোন অধিকার আপনার নাই।
এটা করা মানে আমাদের বাংলাদেশ-কে অপমান করা।
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
বিপ্লব06 বলেছেন:
EVERYONE IS TELLING THAT MAJOR ZIA NEVER CLAIMED THAT HE MADE THE DECLARATION. BUT IN YOUR YOUTUBE LINK HE SAYS"....................AS A LAST RESORT I WANTED TO TELL THE WORLD, WHAT WAS HAPPENING. AND I WENT UP THE AIR IN THE EVENING AND I MADE THE DECLARATION. HAVING HEARD ME OVER THE RADIO THE OTHER REGIMENTS OF EAST BUNGLE REGIMENT AND THE EAST PAKISTAN RIFLE AND THE POLICE FORCE ALSO REVOLTED."
LINK
লেখক বলেছেন: হুমম
আরাফাত৫২৯ বলেছেন:
পুরাপুরি অফটপিক একটা কথাঃআপনার প্রোফাইলে লেখা "১৯৭৬ প্রেসিডেন্ট জিয়া এ দেশটার জনসংখ্যা বিস্ফোরন নিয়ে যেভাবে ভেবেছেন বাকি এতগুলো বছর ধরে আর কোন স্টুপিড সেভাবে ভাবেনি......."
আপনার বক্তব্যকে ব্যাখ্যা এভাবেও করা যায়, প্রেসিডেন্ট জিয়া একজন স্টুপিড ছিলেন। আর অন্য কোন স্টুপিড তাঁর মত এভাবে ভাবতেন না।
আপনার প্রোফাইলের বক্তব্যটা পরিস্কার করে লিখুন। প্রেসিডেন্ট জিয়াকে ছোট করা আমার উদ্দেশ্য নয়।
ধন্যবাদ।
লেখক বলেছেন: আপনার মন্তব্য ধরতে পেরেছি।
কথায় বলে অতি চালাকের গলায় দড়ি।
অতি চালাকরা দেশ চালানোর কারনেই দেশের গলায় দড়ি।
ভালো থাকুন
জীবনকেসি বলেছেন:
আর একটা কথা আমাদের বটতলা উকিল, আর চারের মা, সাজেদা বিবিকে দেখাতে পারেন? তারা নিত্যই হেঁড়ে গলায় বলার চেষ্টা করেন, জিয়া নাকি মুক্তিযুদ্ধই করে নি! বেশরম হলেও কি লজ্জা সবটুকুই বিদেয় করতে হয়? ছি!
লেখক বলেছেন: হুমম
লেখক বলেছেন: লেখালেখির উৎসাহ কমে গেসে।
দেখি কখন লিখতে পারি।
আপনিও ভালো থাকবেন
লেখক বলেছেন: ধন্যবাদ
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ বাঁধ ভাঙার আওয়াজ, মাতৃভাষা বাংলায় একটি উন্মুক্ত ও স্বাধীন মত প্রকাশের সুবিধা প্রদানকারী প্ল্যাটফর্ম। এখানে প্রকাশিত লেখা, মন্তব্য, ছবি, অডিও, ভিডিও বা যাবতীয় কার্যকলাপের সম্পূর্ণ দায় শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট প্রকাশকারীর...


















