ডি.সি হিল। পহেলা বৈশাখ আসলেই ডি.সি হিলের কথা মনে পড়বেই। কতো আগের কথা, জানিনা আমার সেই ডি.সি হিল এখনো আগের মত আছে, না বদলে গেছে! কিন্তু মনে পড়বেই!
তখন তো মোবাইল ফোন ছিলোনা, বাবা-মা রা তবুও আমাদের নিয়ে অতোটা দুশ্চিন্তা করতোনা এখন আমরা আমাদের বাচ্চাদের নিয়ে যতোটা করি। আগের দিন থেকেই ল্যান্ডফোন ব্যস্ত, প্ল্যান প্রোগ্রাম, শাড়ী পরবো, না ফুল দেবো মাথায়, কখন বের হবো ঘর থেকে, কোথায় দেখা করবো...আম্মুর মন্তব্যগুলো ছিলো এরকম, অন্যান্যদিন সকালে ডেকে ডেকে ঘুম ভাঙানো যায়না আর এইদিন ভোরে অ্যালার্ম দিয়ে নিজেই উঠে নিজেই খেয়ে নিয়ে সাজুগুজু করে রোদ ওঠার আগেই বেরিয়ে পড়ার ধুম!!
আমাদের ডি.সি হিল। রাস্তা পার করে ফুলকি। তার পেছনে প্রীতিআন্টির বাসায় দুপুরের খাওয়া ছিল বরাদ্দ প্রতিবছর। প্রতিবছর সেই একই ডি.সি হিল যেন পুরনো হয়না আর। সেই পাহাড় বেয়ে ভীড় কাটিয়ে উপরে ওঠা; কোনও এক কোনায় অনেকক্ষণ বসে আড্ডা দেওয়া। দেখা হতো এর সাথে ওর সাথে; "আরে তুই!! কতদিন পরে দেখা!" দেখা হতোই হাজারো মানুষের ভীড়ে পরিচিত নানান মুখের সাথে। সেটাও একধরণের মজা ছিল। পাহাড়ের চূড়া থেকে সেই লাইন ধরে আবার নীচে নামা, রাস্তা পার হয়ে যেতাম ফুলকির বাচ্চাদের কীর্তিকলাপ দেখতে। কচি হাতে বানানো ক
সর্বশেষ এডিট : ১৫ ই মে, ২০০৯ সকাল ১০:৩০

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


