আবু বকরের মৃত্যু : এ দায় কার?
স্বাধীনতার পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭৩টি হত্যাকান্ড হলেও আবু বকরের মতো সাধারণ মেধাবী ছাত্র হত্যার ঘটনা এটিই প্রথম। ইসলামের ইতিহাস বিভাগের পঞ্চম সেমিস্টারের ছাত্র আবু বকর ছিলেন মেধাতালিকায় দ্বিতীয়। সহজ সরল সদালাপী এই ছাত্রের মৃত্যু কোনভাবেই মেনে নিতে পারছেনা তার সহপাঠী, শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। মুষড়ে পড়েছেন পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনরা।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক শফিকুর রহমান জানান, সকাল ৯টা ২৩ মিনিটে আবু বকর মৃত্যুবরণ করেন। মস্তিষ্কে অতিরিক্ত রক্তরণের কারণে বুধবার ভোর থেকে ছিদ্দিকের অবস্থার অবনতি ঘটে বলে জানান তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এফ রহমান হলে রোববার দিবাগত রাতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়ে। এতে দুই গ্রুপের ২০/২৫ জন কর্মী আহত হয়। আহতদের মধ্যে আবু বকরের অবস্থা ছিল আশঙ্কাজনক। তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। মঙ্গলবার বেলা সোয়া ১১টায় তাকে হাসপাতালের আইসিইউতে নিবিড় পর্যবেণে রাখা হয়। ভোর ৪টায় তার অবস্থার অবনতি ঘটে। সকাল ৯টা ২৩ মিনিটে তার মৃত্যু হয়।
আবু বকর ছিদ্দিক ইসলামের বাড়ি টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলার গোলাবাড়ী গ্রামে। তার বাবার নাম মো. রোস্তম আলী। পিতার তিন সন্তানের মধ্যে ছিদ্দিক দ্বিতীয়। ছোট ভাই নবম শ্রেনীতে পড়ে।
হল ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুজ্জামান ফারুকের সমর্থকরা আবু বকরকে সংগঠনের কর্মী বলে দাবি করছে। তবে আবু বকরের বন্ধু ও পরিচিতরা জানিয়েছে যে, আবু বকর কোন ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিল না। হলের শিার্থীর জানায়, আবু বকর হল ছাত্রলীগের সভাপতি ফারুকের হাত ধরে ৪০৪ নম্বর কে উঠলেও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে তাকে খুব একটা দেখা যায়নি।
এদিকে ছিদ্দিকের বাবা মো. রুস্তম আলী ছেলের মৃত্যুর খবরে মুষড়ে পড়েছেন। সাংবাদিকরা তার সঙ্গে কথা বলতে চাইলে কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। ছেলের নাম ধরে বিলাপ করতে থাকেন। রুস্তম আলী বলেন, ‘আমার তিন সন্তানের মধ্যে ছিদ্দিক মেধাবী। সে বিভাগের প্রথম শ্রেনীতে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেছে...’ এর পর তিনি আর কিছু বলতে পারেন নি।
ছিদ্দিকের বড় ভাই আব্বাস আলী উপস্থিত ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের উদ্দেশ করে বলেন, ‘আপনারা আমার ভাইকে মেরে ফেলেছেন। লাশের ময়না তদন্তের প্রয়োজন নেই। লাশ নিয়ে রাজনীতি করবেন না।’ এ সময় তিনিও কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।
আহত যেভাবে....
হলে ছাত্র উঠানোকে কেন্দ্র করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এফ রহমান হলে রোববার দিবাগত রাতে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে ব্যাপক সংঘর্ষ হয়ে। এ সংঘর্ষে উভয় গ্রুপ লাঠিসোটা, রড ও চাপাতি নিয়ে হামলা চালায়। এতে দুই গ্রুপের ২০/২৫ জন কর্মী আহত হয়। মারাত্মক আহত হন আবু বকর। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ১৫/২০ রাউন্ড টিয়ার সেল নিপে ও লাঠিচার্জ করে। পরে হল সভাপতি সাইদুজ্জামান ফারুকসহ ৮ জনকে আটক করে পুলিশ। সংঘর্ষের সময় উভয় পই বোতলের মধ্যে পেট্রোল ভরে আগুন ধরিয়ে পরস্পরের দিকে নিপে করে। এসময় বেশ কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দও হয়েছে। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা এসময় অন্তত ৫০টি ক ভাঙচুর করে।
সহপাঠীরা জানান, সংঘর্ষের সময় পুলিশ ছাত্রদের কক্ষের জানালার কাঁচ ভেঙে ভেতরে টিয়ার সেল নিক্ষেপ করে। এসময় সেলের আঘাতে মাথায় জখম পায় ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের ছাত্র আবু বকর ছিদ্দিক। এতে মারাত্মক আহত হয় সে। তাকে মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলের ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে রাখা হয়। তবে সহপাঠীরা অভিযোগ করেছে, মাথায় আঘাত পাওয়ার পর মৃত্যুর ঘটনা অন্যখাতে প্রবাহিত করতে ছিদ্দিককে পাঁচ তলা থেকে নিচে ফেলে দেয়া হয়।
হাসপাতালে সতীর্থরা
মৃত ঘোষণার পর হাসপাতালের বেডে রাখা হয় আবু বকরের নিথর দেহ। আইসিইউ ও তার আশেপাশে ভিড় করে সহপাঠী-সতীর্থরা। মৃত্যুর পরও আবু বকরের হাসোজ্জল চেহারা ছিল প্রস্ফুটিত। বেডের পাশে স্তব্ধ চোখের জলে অপেক্ষা করে বন্ধুরা। কেউ কেউ হাউমাউ করে কাদতে থাকে। আহত হওয়ার পর দুই দিন অতিবাহিত হলেও তাকে উন্নত চিকিৎসা না দেয়ার অভিযোগ এনে ুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে। মৃত্যুর পর তথা কথিত ছাত্রনেতা রথি-মহারথিদের কাউকে দেখা যায়নি। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে শিক্ষার্থীরা মিছিলসহ হাসপাতালে প্রবেশ করে।
শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও ভাঙচুর
আবু বকর সিদ্দিকের মৃত্যুর পর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রক্টরের কার্যালয় ও তিনটি গাড়ি ভাংচুর করেছে বিুব্ধ শিার্থীরা। আবু বকরের মৃত্যুর খবর ক্যাম্পাসে এলে সকাল ১১টার দিকে ইসলামের ইতিহাস বিভাগের শিার্থীরা মিছিল বের করে। একই সময়ে সাধারণ শিার্থীদের ব্যানারে আরেকটি মিছিলও বের হয়। এ মিছিল ভিসির বাসভবনের কাছে গেলে পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া এবং ইট ছোড়াছুড়ি হয়। মিছিল ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশও কয়েক রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে। সকাল ১১টার দিকে একদল ছাত্র প্রক্টরের কার্যালয় ভাংচুর করে। রোকেয়া হলের সামনের সড়কে তিনটি গাড়িও ভাংচুর করা হয়। এসময় কলাভবনের প্রধান গেট ছাড়া সকল কলাপসিবল গেট আটকে দেয়া হয়। এরপর থেকে গাড়ি চলাচল সীমিত করে দেওয়া হয়েছে। সকাল থেকেই ক্যাম্পাসের বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ ও দাঙ্গা পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। এছাড়া বাম ছাত্র সংগঠনগুলো ক্যাম্পাসে বিােভ করেছে। তারা আবু বকরের মৃত্যুর জন্য প্রশাসনের গাফিলতিকে দায়ী করেছে, পুলিশী নির্যাতনে তার মৃত্যু হয়েছে।
ভিসির ব্রিফিং
আবু বকরের মৃত্যুর জন্য দায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। ছাত্রের মৃত্যুর প্রতিক্রিয়ায় ভিসি বলেন, ‘এটি খুবই অনাকাঙ্খিত ও দুঃখজনক। ঘটনায় জড়িতদের কঠোর শাস্তি দেওয়া হবে।’ বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পরিচালকের কে বসে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় ঢাবির প্রো-ভিসি ড. হারুন-অর-রশিদ ও নিহতের ভাই আব্বাস আলি উপস্থিত ছিলেন। ভিসি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কোনো মাস্তানি করার জায়গা না, এটা পড়াশুনার জায়গা। এ ব্যাপারে আইনগতভাবে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপ আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে সব ধরনের সহযোগিতা করবে। সংঘর্ষের ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প থেকে একটি মামলা দায়েরও করা হবে।
বাড়ি ফিরল লাশ হয়ে
মায়ের তাগিদেও বাড়ি যাননি; ইচ্ছা ছিলো মার্চ মাসে পরীার পর দীর্ঘ ছুটিতে বাড়ি ফিরবেন। কিন্তু তার আগেই পৃথিবী থেকে চলে যেতে হলো আবু বকরকে। ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের বলি হতে হলো তাকে। আবু বকরের বড়ভাই আব্বাস আলীর বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর সে প্রথম শ্রেণী ধরে রেখেছিলো, তবে দ্বিতীয় অবস্থানে। প্রথম শ্রেণীতে প্রথম হওয়ার জন্য কুরবানি ঈদের পর সে আর বাড়ি যায়নি। মা কান্নাকাটি করে। একদিন ফোন করে আসতে বললাম। সে বললো- 'মার্চে ৫ম সেমিস্টার ফাইনাল পরীা শেষে লম্বা ছুটিতে বাড়ি ফিরবো'।’ ইসলামের ইতিহাস বিভাগে তৃতীয় বর্ষের ছাত্র ছিলেন আবু বকর। পড়াশোনায় ভালো হওয়ায় তার পানে ভরসা খুঁজছিলো পরিবার। বড় বোনের বিয়ে হয়েছে। তার পরের ভাই আব্বাসের আয়ে চলছে সংসার। গ্রামে কাঁচামালের দোকান করে আবু বকরসহ ছোট দুই ভাইয়ের পড়াশোনার খরচ যোগাতেন তিনি। ‘ভাই আহত হওয়ার পর ঢাকায় আসতে হয়েছে দোকান বন্ধ রেখে; দোকান বন্ধ, তাই আয়-রোজগারও বন্ধ’, বলেন আব্বাস। আবু বকর গুরুতর আহত হলেও তা শোনানো হয়নি তার মাকে; বাবাকে বলা হয়েছে আসতে। তবে বুধবার তিনি আসার আগেই চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন আবু বকরকে। আব্বাস বলেন, ‘মাকে বলা হয়েছে সামান্য আহত। সেই থেকে মা কেঁদেই চলছেন। মা কখনো শহরে আসেননি বলে হুট করে তাকে আনাও যাচ্ছিলো না।’ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার পর প্রথমে একটি টিউশনি করতো আবু বকর। ভালো ফলাফলের আশায় পরে ভাইয়ের পরামর্শে তা ছেড়ে দেন। আব্বাসের ইচ্ছা ছিলো, তার ভাই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক হবে। আবু বকর পড়াশোনার পাশাপাশি স্বেচ্ছা রক্তদানের সংগঠন বাঁধনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন।
গ্রেফতারকৃতদের হাজতে প্রেরণ
সংঘর্ষের সময় পুলিশ হল ছাত্রলীগের সভাপতি সাইদুজ্জামান ফারুকসহ ৮ জনকে আটক করে। মঙ্গলবার রাতে ১৪ জনকে আসামি করে শাহবাগ থানায় এ ব্যাপারে মামলা করা হয়েছে। আহত ছাত্র ওমর ফারুক বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করে। আটক ৮ জনকে রাতে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা হলো- সভাপতি ফারুক, রাকিব, জসিম, ফয়সাল, কায়েস, রাজিব, রকি ও আলাল। অন্য আসামিরা হলো- এনামুল হক, জনি, সোহেল, তুষার, আলমগীর ও আলম। গতকাল তাদের হাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।
স্বাধীনতার পর ঢাবিতে ৭৩তম হত্যাকান্ডের শিকার মেধাবী আবু বকর
স্বাধীনতার পর এ পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ৭৩ টি হত্যার ঘটনা ঘটেছে। সর্বশেষ গতকাল হত্যার শিকার হলেন মেধাবী ছাত্র আবু বকর ছিদ্দিক। খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, স্বাধীন মতপ্রকাশের কন্ঠরোধ, ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার, প্রতিপরে সঙ্গে সংঘর্ষ, অভ্যন্তরীণ কোন্দল, ছিনতাই, ছিনতাইয়ের টাকার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে এসব হত্যাকান্ড ঘটেছে। তবে আগের সকল হত্যাকান্ডের মধ্যে আবু বকরের মৃত্যু পুরোপুরি ভিন্ন। ছাত্রলীগের আভ্যন্তরীন কোন্দলের বলি হলেন তিনি।
পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ক্যম্পাসের নিহতদের ২৪ জনই বহিরাগত। ১৯৭৪ সালে ৪ এপ্রিল মুহসীন হলে সামরিক আদালতে বহুল আলোচিত ‘সেভেন মার্ডার’ ছাড়া অন্য কোন হত্যার বিচার হয়নি। ১৯৭৮ সালে এই মামলার রায়ে কয়েক জনের জেলদন্ড হয়। আরেকটি আলোচিত হত্যাকান্ড সংঘটিত হয় ১৯৯২ সালের ৯ জানুয়ারি। এদিন তৎকালীন ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান বাদলকে শামসুন নাহার হলের সামনে সন্ত্রাসীরা গুলি করে খুন করা হয়। ২০০১ সালের ১৭ আগষ্ট জিয়াউর রহমান হলের ছাত্রলীগ সহ সভাপতি ফিরোজ আহমেদ নিজ কে গুলিতে নিহত হয়। ১৯৯৮ সালের এপ্রিল মাসে ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের বন্দুকযুদ্ধে মারা যায় ছাত্রলীগ নেতা গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ছাত্র পার্থ প্রতীম আচার্য। ছাত্রদলের পিন্টু ও লাল্টু গ্র“পের অর্ন্তকুন্দলে ২০০০ সালের ২ জুলাই দুই বহিরাগত যুবক খুন হয়। ২০০০ সালের ১ জানুয়ারি দেশের উর্ধ্বতন প্রশাসনিক কর্মকর্তা এলজিইআরডি মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব নিকুঞ্জ বিহারি দেবনাথ ছিনতাইকারীদের হাতে নির্মমভাবে নিহত হন। ছিনতাইয়ের টাকার ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে ২০০১ সালের ২৭ মার্চ জহুরুল হক হলের পুকুর পাড়ে বহিরাগত ছিনতাইকারী ডগ লিটন সহযোগীদের হাতে খুন হয়। ২০০০ সালের ২৫ অক্টোবর ছিনতাইয়ের টাকার ভাগাভাগি নিয়ে খুন হয় পেশাদার ছিনতাইকারী ছোট কাইশ্যা।
২০০৪ সালে ছাত্রদলের অভ্যন্তরীন কোন্দলে নিহত হয় জহুরুল হক হলের ছাত্রদল নেতা খোকন। ১৯৯৫ সালে ছাত্রলীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে নিহত হয় জয়দ্বীপ দত্ত চৌধুরী। একই বছরে চারুকলার অভ্যন্তরে এবং টিএসসি এলাকায় দু‘জন বহিরাগতকে অজ্ঞাত পরিচয় তরুনরা হত্যা করে। ‘৯৫ সালের বাপ্পী হত্যার পূর্বে জগন্নাথ হলের পূর্ব ভবনে গভীর রাতে জাকির নামে এক ছাত্রলীগ কর্মী নিহত হয়। ১৯৯৪ সালে ছাত্রলীগের দু‘গ্র“পে সংঘর্ষের সময় পুলিশের টিয়ার সেলে নিহত হয় মাস্টার্সের ছাত্র বুলবুল। ‘৯৩ সালে ছাত্রদলের কোন্দলে নিহত হয় সংগঠনের নেতা জিন্নাহ, পাভেল এবং ছাত্রলীগ নেতা অলক। ‘৯২ সালে ক্যাম্পাসে সর্বাধিক ৭টি লাশ পড়ে। ২০০৬ সালের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুলার রোডের নিজ বাসায় ঢুকে প্রফেসর আফতাবকে গুলি করা হয়। গত বছর সেপ্টেম্বরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশ্ববর্তী সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে চাঁদা টাকা না দেয়ায় ছাত্রলীগ কর্মীদের হাতে মারাত্মক আহত হয়ে পরে মারা যান এনজিও কর্মী স্বপন কুমার।
দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল
দ্বিধাদ্বন্দ্ব কাটিয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে নবীজির শেখানো এক অনন্য আমল

মানুষের জীবন মূলত অসংখ্য ছোট-বড় সিদ্ধান্তের সমষ্টি। প্রতিটি বাঁকে, প্রতিটি মোড়ে আমাদের কোনো না কোনো... ...বাকিটুকু পড়ুন
দ্যা ফায়ার অফ মাই সউল
আমি যে ধরণের গান পছন্দ করি, সেগুলোর মাঝে ক্বারি আমির উদ্দিনের 'কুহু সুরে মনের আগুন' গানটি আমার খুব প্রিয়। এই গানটিকে সম্প্রতি ইংরেজিতে অনুবাদ করে গান বানিয়েছি, এনিমেশন... ...বাকিটুকু পড়ুন
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬
ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬
[সম্ভাবনার ক্রমানুসারে নয়ঃ]
আর্জেন্টিনা: আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় প্রতিপক্ষ তার ডিফেন্স আর ইনজুরি । ৩৮ বছরের তরুণ(!) সেন্টারব্যাক ওতামেন্দি আর কমপক্ষে এক হালি হাফ-ফিট ফুটবলার নিয়ে ১৯ জুলাই পর্যন্ত... ...বাকিটুকু পড়ুন
আমার ডক্টর যেন বাঁচে ১৫০ বছর.....

ডক্টরস, হসপিটাল এবং ওষুধ এসব নিয়ে আমার তিক্ত অভিজ্ঞতার শেষ নেই। এ কারনে আমি একদম এদের কাউকেই পছন্দ করি না। তবে কিছু তো করার নেই। জীবনের নানা সময়ে ইচ্ছের... ...বাকিটুকু পড়ুন
কবিতাঃ শরৎ বন্দনা

শরৎ এলেই আকাশ জুড়ে সাদা মেঘের ভেলা
দিনমণি আর মেঘমালার লুকোচুরি খেলা।
রুম ঝুমঝুম নূপুর পায়ে ছুটছে নদীর ঢেউ
ভাটিয়ালি গাইছে গান অচিন সুরে কেউ।
বিলে ঝিলে শাপলা পদ্ম... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।